Category: খেলাধুলা

  • অসাধারণ শর্তে ভারতকে ট্রফি দেওয়ার ঘোষণা এসিসি সভাপতির

    অসাধারণ শর্তে ভারতকে ট্রফি দেওয়ার ঘোষণা এসিসি সভাপতির

    সাম্প্রতিক এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও ভারতের ক্রিকেটাররা ট্রফি হাতে দেখার সুযোগ পাননি। ভবিষ্যতেও কি তাঁরা ট্রফি পাবেন, এটি নিয়ে যেমন অনিশ্চয়তা রয়েছে, তেমনি ট্রফির জটিলতা আরও গেঁথে গেছে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি মহসিন নাকভি ট্রফি বিতরণে নতুন শর্ত আরোপ করেছেন। তিনি বলছেন, ভারতের পক্ষ থেকে ট্রফি নিতে হলে সূর্যকুমার যাদবকে আসতে হবে। অন্য কাউকে ট্রফি নেওয়া যাবে না। যদি ভারতীয় বোর্ড কোনও প্রতিনিধি পাঠায়, তবে ট্রফি দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, ভারতের অধিনায়ককে ট্রফি নিতে থাকলে, দুবাইয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সদর দপ্তরে এসে ট্রফি গ্রহণ করতে হবে।

    তীব্র আলোচনা চলাকালীন মঙ্গলবারের বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা নাকভিকে বলেছেন, এশিয়া কাপের ট্রফি যেন দ্রুত ভারতের হাতে দেওয়া হয়। এ নিয়ে প্রথমে নাকভি বলেন, এটি বিষয় নয়, কোনও আলোচনা হবে না। এরপর ভারতীয় প্রতিনিধিরা চাপ দিতে থাকলে, তিনি জানান, সূর্যকুমার যাদবকে নিজে দুবাইয়ে হাজির হয়ে ট্রফি নিতে হবে।

    বৈঠকে এই পরিস্থিতিতে কোনও সমাধান হয়নি। ভারত চেয়েছিল, দ্রুত ট্রফি ও মেডেল পেয়ে যাবেন। ভারতীয় বোর্ডের কঠোর অভিযোগের মুখেও ট্রফির সমস্যা ব্যক্তিগত পছন্দের নয় বলে জানিয়ে দেন নাকভি। শুক্লা ও শেলার বৈঠক শেষে তাৎক্ষণিকভাবে উঠোনে চলে যান।

    বৈঠকের শুরু থেকেই শুক্লা নাকভিকে প্রশ্নous করেন, কেন ট্রফি দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ট্রফি ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এর অর্থ এই যে, নাকভি তা নিজের সঙ্গে হোটেলে নিতে পারেন না। এই বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করে বোর্ডের সচিবও চেয়েছিলেন, দ্রুত ট্রফি ও মেডেল ভারতের হাতে তুলে দিতে।

    বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। নাকভি তখন অভিযোগ করেন, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল, যেন তিনি কার্টুনের মতো দেখাচ্ছিলেন। টিমের পক্ষ থেকে ট্রফি নেওয়ার মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু লিখিত কিছু হয়নি। তাই তিনি তখনও পুরস্কার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    অপরদিকে, ক্রিকবাজের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধিরা দ্রুত একটি বৈঠক করবেন, যেখানে এই ট্রফির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হবে।

  • বিসিবি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন

    বিসিবি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন

    বিসিবির নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর বিশ্লেষণ reveals যে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। গত শনিবার, যাচাই-বোছাই ও শুনানি শেষে ৫০ জনের তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তবে বুধবার অনেক প্রার্থী নিজ নিজ মানসিক ও ব্যক্তিগত কারণে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে, আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে মোট ৩৩ প্রার্থী ২৫টি পরিচালক পদের জন্য তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে লড়াই করবেন।

    দেহে আদালতের নির্দেশনায় ও নীতিমালার কারণে কিছু ক্যাটাগরিতে নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রার্থীরা প্রত্যাহার করে নেন। বিশেষ করে ক্যাটাগরি-২, যেখানে ঢাকার ক্লাবগোষ্ঠীযুক্ত প্রার্থীরা বেশি, সেখানে ৩০ জনের মধ্যে ১৩ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। যদিও কিছু ক্লাবের প্রার্থী বর্তমানে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নির্বাচন করতে পারবেন না। এ পরিস্থিতিতে, এই ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রার্থীRemaining, ১২ জনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির অধীন ক্যাটাগরি-১ থেকে ১০ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এখানে লক্ষ্য করা গেছে যে, ৭১ জন সম্ভাব্য ভোটার থাকলেও নরসিংদী জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে কোন কাউন্সিলর মনোনীত না হওয়ায় ভোটার সংখ্যা কমে ৭০ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ভোটাররা নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার শাহাদত করতে আওয়ামীলীগ, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীবের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন করছেন বলে জানা গেছে।

    বিশেষ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের প্রার্থিতা প্রত্যাহার। তার পাশাপাশি, বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীও নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, ফলে এবারের নির্বাচনী উত্তাপ কিছুটা কমে গেছে।

    চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, তিনটি বিভাগে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অন্য বিভাগে একক প্রার্থী থাকায় তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচিত হয়ে যাবেন। কিছু বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংগঠক।

    নির্বাচনের প্রধান বিভাগগুলো হলো ক্যাটাগরি ১, ক্যাটাগরি ২ ও ক্যাটাগরি ৩। ক্যাটাগরি ১-এ ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জন্য আলাদা ভোট অনুষ্ঠিত হবে যেখানে বিভিন্ন প্রার্থী অংশ নেবেন। ক্যাটাগরি ২ ও ৩-এ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাবেন, বিশেষ করে বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও ঢাকা বিভাগে।

    সর্বমোট, এই নির্বাচন অনেক চমকপ্রদ ও নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে কিছু প্রার্থী নির্বাচনের বাইরে থাকা সত্ত্বেও, কিছু প্রকারান্তরে বিজয়ী হয়ে যাচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে পরিবর্তনশীল রাজনীতি এবং স্পষ্টমত গ্রহন করার জন্য বিসিবির ভবিষ্যত দিক নির্ধারিত হবে।

  • বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন বুলবুল ও ফাহিম

    বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন বুলবুল ও ফাহিম

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের ব্যাপারে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনের জন্য মনোনয়নের শেষ তারিখ আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রোববার পর্যন্ত। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালকের পদে মনোনয়ন গ্রহণের কাজ চলে। আজ রোববার সকাল থেকে মনোনয়ন জমা চলছে, যা বিকেল পর্যন্ত চলবে।

    আজ দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সেরা তারকা খেলোনোফুল্লা ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং বাংলাদেশ দলের বর্তমান কোচ ও সাবেক অধিনায়ক নাজমুল আবেদিন ফাহিম। উল্লেখ্য, এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই ফরম জমা দিয়েছেন। এর আগে, গতকাল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৬০ জন মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

    প্রথম ক্যাটাগরি, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের থেকে মনোনয়ন এখন পর্যন্ত ২৫ জন প্রার্থী دریافت করেছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, খুলনায় ৩ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, সিলেটে ৩ জন, রংপুরে ৬ জন ও বরিশাল থেকে ১ জন মনোনয়ন জমা করেছেন।

    দ্বিতীয় ক্যাটাগরি, ঢাকার ক্লাব থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছেন।

    তৃতীয় ক্যাটাগরিতে, অর্থাৎ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে, এখন পর্যন্ত ৩ প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ দলের সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট ও বিসিবির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।

    আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও পরিচালকের পদের জন্য মনোনয়ন কিনেছেন। তিনি ক্লাব ক্যাটাগরিতে ঢাকার ওল্ড ডিওএইচএস কাওন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। পাশাপাশি, সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়াও, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপ্রার্থী শাখাওয়াত হোসেন নির্বাচিত হতে চলেছেন। কিছু বিভাগের জন্য এই নির্বাচন প্রক্রিয়া খুবই দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছেন বেশ কিছু প্রার্থী।

  • সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে গেল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে গেল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুটি দলই দারুণ লড়াই করেছে, ম্যাচ শেষ হয় ২-২ সমতায়। তবে টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে জিতেছে ভারত, ফলে তারা এই আসরের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা পায়। এটি ভারতের সপ্তম শিরোপা, যেখানে এখন পর্যন্ত তারা ১১ বার অংশ গ্রহণ করে সর্বোচ্চ সাতবার বিজয়ী হয়েছে। নিজদলের সামান্য পারফরম্যান্সের তুলনায় বাংলাদেশ দুবার শিরোপা জিতলেও, এবার তাদের আশা ভেঙে গেছে। কলম্বোর রেসকোর্স গ্রাউন্ডে খেলার শুরুতেই এগিয়ে যায় ভারতের দাললমৌন গ্যাংটে, তৃতীয় মিনিটে তিনি বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করে গোল করেন। এরপর ২৫ মিনিটে মানিকের দুর্দান্ত হেড লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশের সমতা ফেরানোর সুযোগ হয়। তবে বিরতির আগেই আবারও ভারতের দলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ, ৩৮ মিনিটে আজলান শাহর গোলে ভারত ২-১ এ এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে উভয় দলই গোলের জন্য জোরদার প্রয়াস চালায়। শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের রেদোয়ানের গোলের মাধ্যমে ম্যাচটি ২-২ সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষেই বিজয় হয়। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে দুই দলই ফাইনালে পৌঁছায়। সেমিফাইনালে ভারত নেপালকে ৩-০ গোলে হারায়, এবং বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপার লড়াইয়ে উঠে আসে। তবে সবশেষে আবারও এই প্রতিযোগিতায় জয়টি প্রত্যাশিতভাবে যায় ভারতের দিকেই।

  • জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল তাদের প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের আসরে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টটি আগামী বছর ১ মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। তীক্ষ্ণ ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য শনিবার ২৯ জন নারী ফুটবলার চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ আরও জানান, মেয়েরা আরও উন্নত ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইয়াংওয়ানের ব্যবস্থাপনায় কোরিয়ান ইপিজেডে ২০ দিন প্রশিক্ষণ নেবে। এই ট্রেনিংয়ের আয়োজকতা পুরোপুরি ইয়াংওয়ানই করা হচ্ছে, যেখানে খরচার দায়িত্বে ফেডারেশন নেই। ১৬ অক্টোবর সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসবেন ফুটবলাররা, আর ভুটান থেকে থাকা ১০ ফুটবলার ১৭ অক্টোবর দেশে ফেরত যাবেন। এরপর ঢাকায় ৪-৫ দিনের মধ্যে আবার অনুশীলন করে দল থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুই ম্যাচ খেলতে।

    অন্যদিকে, এশিয়া কাপের জন্য বাফুফের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। মূলত, নভেম্বরে ঋতুপর্ণাদের জন্য জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনা ছিল, তবে জাপান ফুটবল এসোসিয়েশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়টি অনুকূল না হওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। কিরণ বলছেন, ‘জাপান ২০-৩০ নভেম্বর আমাদের যেতে বলেছিল, আমরা তখন ঢাকায় ফিফা উইন্ডোতে ত্রিদেশীয় ম্যাচ খেলব বলে ঠিক করেছিলাম। ফলে সেখানে যেতে পারছি না।’

    বাফুফে সভাপতি ঋতুপর্ণাদের এই এশিয়া কাপকে ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। মূল পরিকল্পনায় ছিল ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনুশীলন শুরু করা, যা তিন সপ্তাহ পিছিয়ে গেছে। আবার জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনাও ভেস্তে গিয়েছে। কিরণ বলেন, ‘আসলে পিটার মাঝেমধ্যে অসুস্থ থাকায় কিছুটা দেরি হয়েছে। এতো কিছু হয়তো এখন এককভাবে নিয়ে পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হবে। তবে আমাদের এগিয়ে যেতেই হবে।’ জুলাইয়ে নারী এশিয়া কাপ নিশ্চিত হওয়ার পর ভারত রোডম্যাপও কয়েক দিন পরে প্রকাশ করে। দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাফুফের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। অনেক কিছু এখনো আলোচনার মধ্যেই।

    ৫-২০ ডিসেম্বর কলম্বোতে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে নারী সাফ ক্লাব। এতে বাংলাদেশের নাসরিন স্পোর্টিং অংশ নেবে। এই টুর্নামেন্টে খেলা হবে ভারত, নেপাল ও ভুটানের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবগুলোর। জাতীয় দলের ফুটবলারদের নাসরিনের হয়ে খেলার বিষয়ে কোচের সঙ্গে এখনো আলোচনা হয়নি, তবে বাফুফের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাফুফে ডিসেম্বরের নারী ফুটবল লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এই লিগে এশিয়া কাপে স্কোয়াডে থাকা ফুটবলারদের খেলার সুযোগ থাকছে। ফেডারেশন ভাবছে নারী ফুটবলারদের ফেডারেশনের ক্যাম্পে ও কোচের অধীনে অনুশীলনে রাখা। তবে, ক্লাবগুলো এই পরিকল্পনায় দ্বিমত প্রকাশ করছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে ফেডারেশন ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে।

    এদিকে, ভুটান নারী লিগে এখনো খেলে চলেছেন পাঁচ ফুটবলার—সাবিনা খাতুন, মাসুরা পারভীন, সানজিদা আক্তার, কৃষ্ণা রাণী ও সুমাইয়া মাতসুসিমা—যারা এখনো বাফুফের স্কোয়াডের অংশ নন। এশিয়া কাপের জন্য তাদের ডাকার বিষয়ে কোচ পিটার বাটলারকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন কিরণ, ‘এটি টেকনিক্যাল বিষয়। কোচের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’

  • নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    সবশেষ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। সাবেক এই স্পিনার সাড়ে চার বছর ধরে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন শেষে অবশেষে এটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণের জন্য আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে পরিচালক পদে লড়ছেন।

    খেলার মাঠে নিয়মিত পারফর্ম করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর সুযোগ অনেক সময়ই অধরা থেকে গিয়েছে। নির্বাচকদের কাছ থেকে অবিচ্ছিন্ন বঞ্চনার শিকার হয়েছেন রাজ্জাক, যার জন্য তিনি বারবারই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। ২০১৪ সালের পর থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর ডাকা হয়নি। তবে ২০১৮ সালে হঠাৎ করেই টেস্ট দলের জন্য মনোনীত হন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐ টেস্ট ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর, কিছুদিন বোর্ডের তরফ থেকে বাদ পড়েন।

    ক্রিকেটার হিসাবে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের নির্বাচক প্যানেলে যোগ দেন রাজ্জাক। তবে তিনি পরে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। তখন তাদের জায়গায় যোগ দেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার। সময়ের সাথে সাথে নান্নু ও বাশারদের সাথে বিসিবি নানান কারণে শান্তি করতে পারেনি; তবে রাজ্জাক এর দায়িত্বের ব্যাপারে অটুট থাকেন।

    প্রথমে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও হান্নান সরকার সহকারে নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। যদিও কোচিংয়ে যোগ দেওয়ার আগে হান্নান নিজেকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেন।

    অবশেষে, ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিবিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন রাজ্জাক। পাশাপাশি, তিনি আসন্ন নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়ন ফর্মও সংগ্রহ করেছেন।

    এ সময় তাঁর সাথে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ জুলফিকার আলি খান ফুয়াদ। শহরের আরও বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার, যেমন তামিম ইকবাল ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল,ও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তামিম ও বুলবুল ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচনে লড়ছেন।

    অন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে ১৩ টি টেস্ট, ১৫৩ ওয়ানডে ও ৩৪ টি টি-টোয়েন্টি খেলে অনেক বছর ধরে দেশের জন্য প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাজ্জাক। তিনি মোট ২৭৯ উইকেট অর্জন করেছেন; এর মধ্যে টেস্টে ২৮, ওয়ানডেতে ২০৭ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ উইকেট। এছাড়াও, প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬৩৪ ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪১২ উইকেট শিকার করেছেন।

  • ৪১ বছর পর ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রত্যাশা

    ৪১ বছর পর ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রত্যাশা

    শারজাহ থেকে কলম্বো, করাচি থেকে মিরপুর—গত চার দশকে ক্রিকেটের এই মহাকাব্যিক ম্যাচটি যেন কম চেষ্টা হয়নি। অবশেষে আজ রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই কাঙ্ক্ষিত মহাযুদ্ধের ফাইনাল। দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধের ফলাফল দেখবে বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। এই স্নায়ুবদ্ধ লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। টকশোতে নানা বিশ্লেষক, সাবেক খেলোয়াড় বা বিশেষজ্ঞের মন্তব্যে ভিড় জমে থাকলেও এখন আসল প্রশ্ন হলো—এআই কী বলছে এই ম্যাচের ভবিষ্যত درباره? শুনুন তাদের বিশ্লেষণ।

    গুগল জেমিনি বলছে, ‘এই ম্যাচের ফলাফল অপ্রত্যাশিত হতে পারে কারণ চাপ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা একেবারেই উচ্চ স্তরে। তবে সম্ভাব্য জেতা দলে ভারত।’ অন্যদিকে চ্যাটজিপিটি ভবিষ্যদ্বাণী করছে, ‘ফর্ম, ভারসাম্য এবং গোপন শক্তির ভিত্তিতে ভারতের জেতা বেশ সম্ভব। ব্যাটিং গভীরতা, বোলিং বৈচিত্র্য ও গতির দিক থেকে তারা এগিয়ে থাকায় জয়ের সম্ভাবনা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ।’ পাকিস্তানের জন্য এই সম্ভাবনা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। তবে এসব তত্ত্বের বাইরে একটা বিষয় হলো—একটি বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং ওভার অনেক কিছু বদলে দিতে পারে ম্যাচের চিত্র।

    বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, দুবাইয়ের পিচটা রান তাড়া করতে বেশ সুবিধাজনক। পাওয়ার প্লেতে যদি আশি বা তার বেশি রান ওঠে, তাহলে প্রথম ১৭০ থেকে ১৮০ রান তাড়া করা কঠিন হবে না। ভারতের জন্য সেই রান তাড়া করে ৬-৭ উইকেটের মাধ্যমে জয় পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। তবে এই বিশ্লেষণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার, তার জন্য পরিস্থিতি ও ডেটার ভিত্তিতে হিসেব বলেছে। আবেগ তো আর মানুষভাবে বোঝা সম্ভব নয়।

    অতীতের প্রতিদ্বন্দ্বিতার গল্পও বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করে। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগার ও শেহিন আফ্রিদির সক্রিয় মানসিকতা, মনোভাব ও কৌশল বিশেষ করে সবার নজরে। পাকিস্তান অধিনায়ক বলছেন, ‘আমরা জানি কোন পথে আছি। যে কোনো দলকেই হারানোর ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। ফাইনালেও আমরা জিতে যাব।’ অন্যদিকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার আরও সাবধানী ও সংযত থাকছেন, বলছেন, ‘শেষ ম্যাচে জয়ী হয়ে আমি খুবই খুশি। আমাদের লক্ষ্য এবার নিজেদের সেরাটা দেখানো।’

    ভারতের এই মঞ্চে অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও, ওপেনিং জুটির অবস্থা বেশ ভালো। শুভমান গিল একেবারে ফর্মে থাকলেও মিডলঅর্ডারে তিলক ভার্মার পারফর্মেন্স ভালো হয়নি। লোয়ার অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়া ছাড়া অন্যরা বড় পরীক্ষায় পড়ে নি। অন্যদিকে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাহিবজাদা ফারহান উজ্জ্বল, কিন্তু তাদের মিডলঅর্ডার নিয়ে গিয়ে মূল সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অধিনায়ক সালমানের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা dziś দেখা যাবে। সব মিলিয়ে, এই মহাযুদ্ধের দিকনির্দেশনা আগামীকালই জানা যাবে। কিন্তু বিশ্বাস করা যায়, এই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতের vs পাকিস্তান ম্যাচের জন্য ক্রিকেট বিশ্ব অপেক্ষা করছে উত্তেজনা আর চাঞ্চল্য নিয়ে।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    আজ একই দিনে বাংলাদেশ দুইবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে। প্রথমে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে চলমান সাফ অ-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও আজ রাতে এশিয়া কাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান, যেখানে জিতলে তারা সরাসরি উঠবে ফাইনালে। তার মানে, দুটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আজ বাংলাদেশের স্বপ্নের ফাইনাল নিশ্চিত করার এক অনন্য দিন।

    শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি অনেক জন্য ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের চার মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশের নেতৃত্বের শুরু হয় Medalপুরের সময়, যখন তারা দ্রুত দুটি গোল করে এগিয়ে যায়। প্রথম গোলটি আসে তৃতীয় মিনিটে, যখন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডার বল দেওয়ার সময় বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড নেন এবং গোল করে দলকে দুর্দান্ত শুরু দেন। এরপর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সল বাড়তি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ৭ মিনিটে আরও এক গোল করে ব্যবধান বাড়ান।

    পাকিস্তানের জন্য হতাশাজনক ছিল তাদের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের ভুল, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুত দ্বিতীয় গোলটি পায়। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড অপু দারুণ একটি গোল করেন ডান দিক থেকে বক্সে প্রবেশ করে। এই প্রথমার্ধে বাংলাদেশের এই আক্রমণ পুরোপুরি দাপট দেখায়। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু তারা তা করতে পারেনি। অন্যদিকে, পাকিস্তান তাদের পারফরম্যান্সে কিছুটা উন্নতি করতে না পারায় গোলের দেখা পায়নি। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান দাপটের সাথে খেলেছিল এবং প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল। তবে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা গোল করতে পারেনি।

    আস্তে আস্তে আজকের এই ভেন্যুরอีก একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ শুরু হবে যেখানে নেপাল ও ভারত মুখোমুখি হবে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা করবে, যেখানে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে স্বপ্নের দিন।

  • বিসিবি নির্বাচন: ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পোস্ট ও জটিলতা

    বিসিবি নির্বাচন: ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পোস্ট ও জটিলতা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চলছে নানা রকম বিতর্ক এবং নাটকীয়তা। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তামিমের প্রার্থীতা নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপের বৈধতা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ। তিনি বলেন, তামিম এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি, তাই ক্রিকেট গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি কাউন্সিলর হতে পারবেন না। এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, তামিম ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের সদস্য নন এবং ক্লাবের পক্ষ থেকেও কাউন্সিলর করার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

    অবশ্য বাস্তবতা হলো, ১০ জানুয়ারি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন, যা দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তিনি আরও বলেন, বিসিবিতে দায়িত্ব নিলে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও সরে দাঁড়াবেন। বর্তমানে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এই ঘটনার পর থেকে দেশের বেশ কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার সামাজিক মাধ্যমে একযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছেন। সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমানসহ অনেকেই এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, বিসিবি নির্বাচন ঘিরে যা কিছু হচ্ছে, তা কখনোই কাম্য নয়। এগুলো বাংলাদেশের ক্রিকেট এবং ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। তারা দাবী করেছেন, নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।

    এসব ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট করছে, বিসিবি নির্বাচন শুধু একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়, এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

  • নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারতে হারতে ভারত সুপার ওভারে জয়লাভ

    নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারতে হারতে ভারত সুপার ওভারে জয়লাভ

    চলমান এশিয়া কাপে এবারই প্রথমবারের মতো দুটি দল ২০০ রান পার করে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে ভারতীয় দল, যারা পাঁচ উইকেটে রীতিমতো বড় সংগ্রহ করে ২০২ রান। শতকCompleting by পাথুম নিশাঙ্কার ব্যাটে দেখা যায় অসাধারণ দক্ষতা, যা ভারতের জন্য ছিল এক চমৎকার লড়াই। তবে শ্রীলঙ্কার জন্য এই ম্যাচের এক বড় দুঁদে ঘটনা হল শেষ বলে স্কোর সমান হয়, যে মুহূর্তে ম্যাচ গড়াই যায় সুপার ওভারে। সেখানে ভারতের কাছে সহজ জয় হয় এই ম্যাচ।

    আশ্চর্যজনকভাবে, সুপার ওভারে ভারতের মারকুটে বলয়বাধকদের মধ্যে থেকে দুই রান তুলতেই শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট দ্রুত পতনের মুখে পড়ে। প্রথম বলে কুশল পেরেরা ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর শানাকা ফিরে যান পঞ্চম বলে। এর মাঝে স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কার স্কোর কেবল দুই রান যোগ করে। ওভারের প্রথম বলের মাধ্যমে উকিল হইয়া উঠেন সূর্যকুমার যাদব, যিনি তিন রান নিয়ে ধানুশা গুণান্তির ওভারে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

    যদিও এই ম্যাচের ফলাফলকে এখন খুব জরুরি মনে করা হচ্ছে না, কারণ ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া বা না হওয়া কোন ব্যাপার নয়। তবুও, ভারতের ব্যাটে দেখানো সক্ষমতা প্রশংসার দাবি করে। এই ম্যাচেই দেখা যায় ভারতের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এই টুর্নামেন্টে, যা তাদের সামর্থ্য প্রমাণ করে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কাও নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় রেকর্ড গড়ে ফেলেছে, দুই দলের এই রেকর্ড সমানে চলেছে।

    প্রথম ইনিংসে, শ্রীলঙ্কা বেশ ভালোভাবেই শুরু করে। কুশল মেন্ডিসের দ্রুত উইকেটের কারণে সেখানে হোঁচট লাগে। তার করবে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ডিপ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর নিশাঙ্কা ও পেরেরা ১২৭ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে নেন। পেরেরা ৩২ বলে ৫৮ রান করে স্টাম্পিং হন। এরপর আসালঙ্কা ও কামিন্দু মেন্ডিস দ্রুত ফিরে যান। তারপরও শ্রীলঙ্কা দৃঢ় থাকি, নিশাঙ্কা ১৮ ওভারে সেঞ্চুরি করেন। কিন্তু ২০ ওভারে তিনি ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত, ৫৮ বলে সাতটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ১০৭ রান করে উঠেন তিনি।

    তবে শেষ বলে শর্ট ফাইন লেগে ধরা পড়েন নিশাঙ্কা। তার আগে তিনি ৫৮ বলে ১০৭ রান করেছিলেন। এরপর, শানাকা ১১ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। এই সময় দলের জয়ের জন্য দরকার ছিল ছয় বলে ১২ রান। স্মার্ট প্লেয়ার হিসেবে ওই ওভারে চার রান নিয়ে ম্যাচ মোটের ওপর শেষ করেন।

    প্রথম ইনিংসে ভারতের জন্যে ভালো সূচনার গল্প এরকম—মাহিশ থিকসানা শুভমন গিলকে দ্রুত আউট করেন। গিল ৪ রান করে ফিরে যান। এরপর অভিষেক শর্মা ও সূর্যকুমার দ্রুত দলের রানে এগিয়ে নিয়ে যান। সূর্যকুমার ১৩ বলে ১২ রান করে আউট হন, তার পর অল্প সময়ের মধ্যে আরও দুজন ব্যাটার ফিরে যান। এরপর তিলক ভার্মা ৩৪ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন, দলের স্কোরে ভারসাম্য রাখতে। এই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিংয়ে ছিলেন অন্যরা — সাঞ্জু স্যামসন ২৩ বলে ৩৯ রান করেন, এবং অক্ষর প্যাটেল ২১ বলে ২১ রান যোগ করেন। হার্দিক পান্ডিয়ার মাত্র ২ রান হলেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।