Category: খেলাধুলা

  • সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জিতে গেলো হারিয়েও নজরকাড়া পারফরম্যান্স

    সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জিতে গেলো হারিয়েও নজরকাড়া পারফরম্যান্স

    লিস্ট এ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি আগে থেকেই ছিল হাবিবুর রহমান সোহানের নামে। এবার টি-টোয়েন্টি সংস্করণেও তিনি দেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে কম বলে তিন অঙ্কের মাইলফলক স্পর্শ করার কীর্তি নতুন করে গড়লেন।

    কাতারে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের এ দল হংকং ও চায়নার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দুর্দান্তPerformance দেখিয়েছেন সোহান। মাত্র ১৪ বলেই ফিফটি পৌঁছান তিনি এবং এরপর ৩৫ বলে ঝড় তুলেন, যার ফলে তিন অঙ্কের সংখ্যা হাতের কাছেই আসে। এটি বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম ফিফটি ও সেঞ্চুরির রেকর্ড বলে স্বীকৃত।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) দোহার ওয়েস্ট ইন্ড পার্ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হংকংয়ের বিরুদ্ধে সোহানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ এ দল বড় ব্যবধানে, ৮ উইকেটের জয়ে যান। লক্ষ্য ছিল ১৬৮ রান, যা সোহানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৫৪ বলের মধ্যেই পূরণ হয়।

    এতে বাংলাদেশের ব্যাটিং ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। আগে এই রেকর্ড ছিল পারভেজ হোসেন ইমনের, যিনি ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে ফরচুন বরিশালের হয়ে ৪২ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখন, প্রায় ছয় বছর পর, সেটি ভেঙে দিয়েছেন সোহান।

    তবে, বিশ্ব রেকর্ডের কাছাকাছি এখনও তিনি যাচ্ছেন না। সবচেয়ে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে ইস্টোনিয়ার সাহিল চৌহানের নামে, যিনি মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেন। এছাড়া, সেটার আগে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল ৪৯ বলে, যা সোহানোর মধ্যে ছিল।

    সোহান রান তাড়ার জন্য মাত্র ৩৫ বলে ৮ চার ও ১০ ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত থাকেন। তার পাশাপাশি, অধিনায়ক আকবর আলি বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন—মাত্র ১৩ বলে ৬ ছক্কায় অপরাজিত ৪১ রান। আরেক ওপেনার জিসান আলম ১৪ বলে ২০ রান করেন।

    এই ইনিংসে বাংলাদেশিরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছয় হাঁকানোর রেকর্ড ছুঁয়েছেন, যেখানে তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্তর নামে ছিল ১১টি ছয়। এছাড়া, জিসান আলমের ১০ ছক্কার রেকর্ডও চোখে পড়ে এবার।

    অতীতে, হংকংয়ের স্কোর ছিল ১৬৭ রান, বাবর হায়াতের ৬৩ এবং ইয়াসিম মোর্তুজার ৪০ রানে ভর করে ৮ উইকেট হারিয়ে। তবে সোহানের এই রাজা পারফরম্যান্স দেখে বোলিংয়ের আচরণে যে পরিবর্তন এসেছে, তা স্পষ্ট।

    এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারে বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। আগামী ১৭ নভেম্বর আফগানিস্তান ও ১৯ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা। দুটিরও ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

  • আসিফের মন্তব্যে বিসিবি সভাপতির দুঃখ প্রকাশ ও বাফুফের প্রতিক্রিয়া

    আসিফের মন্তব্যে বিসিবি সভাপতির দুঃখ প্রকাশ ও বাফুফের প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আসিফ আকবরের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। একান্তই ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশের এই ঘটনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর সভাপতি তাবিথ আউয়াল বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চেয়ে একটি চিঠি পাঠান।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) সেই চিঠির মাধ্যমে বিসিবি তাদের অবস্থান জানিয়েছে। বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা যায়, বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরিত উত্তরটিতে উল্লেখ করা হয়, আসিফ আকবর মূলত জেলা প্রতিনিধিত্বকারী কাউন্সিলর হিসেবে এই মন্তব্য করেছেন, তিনি বোর্ডের পরিচালক হিসেবে নয়।

    বিসিবি বলছে, আসিফের এই মন্তব্যটি তাদের বোর্ডের দলিল বা মতামত নয়, বরং তার ব্যক্তিগত অভিমত। আরো জানা গেছে, আসিফের এই বক্তব্যটি তার নিজের জেলার ক্রিকেট কার্যক্রম ও মাঠ ব্যবহারের ওপর দীর্ঘদিনের হতাশা থেকেই উঠে এসেছে।

    বিসিবি সভাপতি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই মন্তব্যটি আসিফের নিজস্ব মতামত, যা কখনোই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের official অবস্থান নয়। তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন, যদি এই মন্তব্যের কারণে ফুটবল পরিবারের মধ্যে কোনও বিভ্রান্তি বা মনোক্ষুণ্ণতা সৃষ্টি হয়ে থাকে।

    তবে, আভ্যন্তরীণ অখণ্ডতা রক্ষার জন্য, আসিফের এই মন্তব্যের ব্যাপারে ক্ষোভও রয়ে গেছে। আজ সন্ধ্যায় সাবেক ফুটবলারদের সংগঠন ‘সোনালী অতীত ক্লাব’ এ এই বিষয় নিয়ে এক জরুরি সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে আসিফের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    চিঠির শেষাংশে বিসিবি সভাপতি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের অবদান স্বীকার করেছেন এবং ফুটবলসহ সব খেলাধুলার জন্য তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং সম্মিলিত ঐক্যের প্রতীক। তাই সব ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

    উল্লেখ্য, ৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফ আকবর মন্তব্য করেছিলেন যে, ফুটবলের আধিপত্যের কারণে দেশের স্টেডিয়ামগুলোতে ক্রিকেটের পরিবেশ কমে আসছে। তিনি আরো অভিযোগ করেন, কিছু ফুটবলার উইকেট ভেঙে দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং ক্রিকেটকে ‘আভিজাত্যের খেলা’ হিসেবে তুলে ধরে মাঠের অধিকারের জন্য মারামারির কথাও ভাবছেন। এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে, যেখানে সাবেক ফুটবলার ও সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা আওয়াজ উঠান।

  • তিনশ রানের লিডের পরে বাংলাদেশ ঘোষণা করল ইনিংস

    তিনশ রানের লিডের পরে বাংলাদেশ ঘোষণা করল ইনিংস

    দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে এগিয়ে রয়েছি। বিশেষ করে, এখন তারা ১ উইকেটে ৩৩৮ রান সংগ্রহ করেছে। ব্যক্তিগত ১৬৯ ও ৮০ রান করে জয় ও মুমিনুল মাঠে নেমে আসেন। তবে, দুজন অবশ্যই নিজেদের ইনিংস বড় করতে পারেননি; জয় ফিরে যান ১৭১ রানে এবং মুমিনুল ৮২ রানে। এরপর মুশফিকুর রহিম মাত্র ২৩ রান করে আউট হন। দলের দায়িত্বভার নেয় বাংলাদেশি দলের অধিনায়ক শান্ত, যিনি লিটন দাসের সঙ্গে গড়েন ৯৮ রানের জুটি, যা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর আগে, মুশফিকের সঙ্গেও ৭৯ রানের একটি সফল জুটি গড়ে উঠেছিল। শান্ত দুর্দান্ত খেলেছেন, স্কোরবোর্ডে রান বাড়ানোর পাশাপাশি নিজের সেঞ্চুরিও তুলে ধরেছেন। যদিও ১০০ রান করেই আউট হয়েছেন, তবে তার সঙ্গে লিটন দাসের ফিফটি সুর তুলেছে দলের। লিটনও ৬০ রানে আউট হন। প্রথম চার ব্যাটারের ৮০ ছাড়ানো ইনিংস এবং আরও পাঁচজনের ফিফটি ছাড়ানো পারফরম্যান্সের সুবাদে, বাংলাদেশ তাদের ইনিংস ঘোষণা করে ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান, ফলে বড় লিড হয় ৩০১ রানের।

  • পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের বড় হার

    পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের বড় হার

    বাংলাদেশ হকিতে কখনো পাকিস্তানের কাছে হারেনি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ সিরিজেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের হারের পরিস্থিতি ছিল ঘটনাটির জন্য স্বাভাবিক। তবে প্রথম ম্যাচে ৮-২ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে যেন সেই দুঃখের স্মৃতি আরও তীব্র হয়ে উঠে।

    প্রথম কোয়ার্টারে স্কোর ছিল ১-১। এরপর দ্বিতীয় কোয়ার্টার থেকে বাংলাদেশ খেলার মূল ধারা থেকে ছিটকে যায়। মাঠের পরিস্থিতি যত গড়িয়েছে, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তত আরও শক্ত হয়েছে। আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলেই পাকিস্তান বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলবে, এবং সেটি হলে তৃতীয় ম্যাচটি হয়ে যাবে শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

    খেলার চার মিনিটে বাংলাদেশ জন্য দুটি বড় ঘটনা ঘটে একসঙ্গে। পাকিস্তানের এক খেলোয়াড়ের হিট প্রতিরোধ করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান রোমান সরকার। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাঠে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ডেজের পরও রক্ত ঝরতে থাকায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে নেয়া হয়। এর মধ্যেই পাকিস্তানের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল ভাট পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে যান। প্রথম কোয়ার্টারে শেষ মিনিটে হুজাইফা হোসেনের রিভার্স হিট বল দলকে স্বস্তি ফেরান।

    দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুর দিকে নাদিম আহমেদের ফিল্ড গোলের মাধ্যমে পাকিস্তান আরও এগিয়ে যায়। ২৪ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আফরাজ গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এই কোয়ার্টারের শেষ দিকে দারুণ এক হিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।

    তৃতীয় কোয়ার্টারে আল ঘাজানফার ও ওয়াহিদ রানার গোলের মাধ্যমে পাকিস্তান বড় জয় নিশ্চিত করে।

    চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরুতে শাহিদ হান্নানের ফিল্ড গোলের মাধ্যমে ব্যবধান আরও বাড়ে। ৫৬ মিনিটে নাদিম আহমাদ নিখুঁত একটা হিটের মাধ্যমে পাকিস্তানকে আট গোলের দৌড়ে এগিয়ে রাখেন। ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে বাংলাদেশের একমাত্র গোল করেন আমিরুল ইসলাম।

    এখানে উল্লেখ্য, ঢাকায় প্রায় সাড়ে তিন বছর পর আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলো। এমন পরিস্থিতিতে সাবেক খেলোয়াড়রা বাংলাদেশ-পাকিস্তান রুদ্ধদ্বার লড়াই দেখতে এসেছিলেন। বাঙালির সাবেক তারকা ফুটবলার রফিকুল ইসলাম কামাল বলেন, ‘পাকিস্তানের বিরুদ্ধেতো বাংলাদেশের ব্যবধান অনেক, মাঠে সেটা স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল। তবে বলছি, আমাদের দল ছোটখাটো ভুলে যদি চেষ্টা করতে থাকত তবে ব্যবধান আরও কমত।’

    বাংলাদেশের দলের অধিনায়ক রেজাউল করিম বাবু জানান, ‘রোমান আমাদের দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সে অল্প সময়ের মধ্যে মাঠ ছাড়ায় দলের উপর প্রভাব পড়েছে। আমরা পরন্তি পেনাল্টি কর্নারগুলো কাজে লাগাতে পারিনি এবং খেলায় কিছু ভুলের জন্য ফলাফলে বড় ব্যবধান হয়েছে।’

  • হামজার জোড়া গোল সত্ত্বেও বাংলাদেশের হার

    হামজার জোড়া গোল সত্ত্বেও বাংলাদেশের হার

    নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পরও বাংলাদেশ বাংলাদেশের জয় বঞ্চিত হয়েছে। স্কোরলাইন ছিল বাংলাদেশ ২, নেপাল ১, এবং ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের পাঁচ মিনিটে সায়মন সানি চতুর্থ রেফারির হিসেবে ইনজুরি সময় দেখান। ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে নেপাল কর্নার থেকে আরও এক গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরায়, ফলে বাংলাদেশের জয়ে বাধা সৃষ্টি হয়।

    প্রথমার্ধে বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল ১-০ গোলে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হামজা চৌধুরী দুই গোল করে দলকে লিড এনে দেন। এরপর বাংলাদেশের খেলা বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৮০ মিনিটে কোচ হামজাকে বদলি করে দেয়ায় দল যেন কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়। তবে নেপাল ম্যাচে একটু প্রাণচঞ্চলতা দেখা যায়।

    তবে ইনজুরি সময়ে বাংলাদেশের জন্য আবারও দুঃসংবাদ আসে। চারদিক থেকে নেপাল একটি আক্রমণ চালায়, যেখানে ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর তৃতীয় ইনজুরি মিনিটে নেপালের অনন্ত তামাং দুর্দান্ত দক্ষতার সঙ্গে ফ্লিক করে বল ক্রসবারের নিচ দিয়ে জালে পাঠাতে সক্ষম হন। বাংলাদেশের ডিফেন্স জটলা ও গোলরক্ষক মিতুল মারমা পার পেয়েও পাননি। এতে করে মারাত্মক উল্লাসে ওঠে নেপাল।

    এমনকি শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ম্যাচ হারাকে বাংলাদেশ অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ৯ অক্টোবর ঢাকায় হংকংয়ের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে সমতা আনার পর ইনজুরি টাইমে গোল খেয়ে ম্যাচ হারেছিল তারা। প্রীতি ম্যাচেও এক মাসের মধ্যে একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি দেখা গেল।

    আগামী ১৮ নভেম্বর ঢাকায় এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ নেপালের বিপক্ষে খেলেছে জামালরা। মোচারেল ম্যাচের প্রথমার্ধে সফরকারী নেপাল ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল।

    ম্যাচের ৩২ মিনিটে নেপাল এক গোল করে। বাঁ প্রান্ত থেকে তারা আক্রমণ চালায়। বাংলাদেশের ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন তার মার্কিং অক্ষম হওয়ায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। নেপালির ফরোয়ার্ডের কাটব্যাক ও বাংলাদেশের ডিফেন্সের ভুলে গোলটি হয়। রোহিত চাদের জোরালো শট বাংলাদেশের ডিফেন্স ও গোলরক্ষককে অতিক্রম করে যায়।

    হোম ম্যাচ, প্রায় দুই সপ্তাহের কঠোর অনুশীলন শেষে হলেও বাংলাদেশের প্রথমার্ধে আশানুরূপ পারফরম্যান্সের দেখা মেলেনি। বল দখলে থাকলেও পরিকল্পিত আক্রমণে না আসা ও ফরোয়ার্ড রাকিব ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম গোলের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।

    খেলা চলাকালীন হামজা মাঠ জুড়ে বিদ্যমান ছিলেন। আক্রমণের সময় তিনি হাত তুলে বল চেয়েছিলেন, কিন্তু সতীর্থ সোহেল রানা তাকে পাস না করে উল্টো ভুল শটে এগোতেন। হামজা ডান প্রান্তে ড্রাইভ করে তার দক্ষতা দেখিয়েছেন।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সোহেল রানাকে বদলে সাবিত সোমকে নামান কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই ফাহিম বাঁ প্রান্ত থেকে ক্রস দেন। নেপাল ডিফেন্ডার তা ক্লিয়ার করলেও, অধিনায়ক জামাল বল পেয়ে যান। তিনি বলটি উপরে তুলে হামজার উদ্দেশ্যে পাঠান এবং হামজা বক্সের মধ্যে জোরালো শট নিয়ে গোল করেন। এই গোলের সঙ্গে সাথে গ্যালারি উল্লাসে ভরে ওঠে, কারণ বাংলাদেশ সাধারণত বাইসাইকেল কিকের মতো গোল খুব কম করে।

    গোলের আধ ঘণ্টা পর আবার গোল করে বাংলাদেশ। এইবার তারা একটি পেনাল্টি পায়। সুমন শ্রেষ্ঠা বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড রাকিবকে বক্সে ফাউল করেন। রাকিব বলের পেছনে ছুটছিলেন, তখন সুমন তাকে বাধা দেন। রেফারি কাওসুন লাকমাল পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হামজা এই সুযোগে বল জালে জড়ান এবং বাংলাদেশের জন্য লিড নিশ্চিত করেন।

    হামজা প্রথমবার বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে ২৫ মার্চ ম্যাচে। তারপর ৪ জুন ভুটানের বিপক্ষে গোয়া ম্যাচে প্রথম গোল করেন। ৯ অক্টোবরে হংকংয়ের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ফ্রি কিকের মাধ্যমে তার দ্বিতীয় গোলটি করেন। আজকের জোড়া গোলের মাধ্যমে হামজার গোল সংখ্যা দাঁড়াল ৪, ম্যাচের সংখ্যা ৫।

    আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয় কিউবা মিচেলের। তাকে কোচ ৮০ মিনিটে হামজার বদলি করেন। পাশাপাশি, এই ম্যাচেরও বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ফুটবলার পরিবর্তন নিয়ে কোচের দ্বিধা ছিল। প্রীতি ম্যাচ হওয়ার কারণে দুই দলের সম্মতিতে ছয়জন ফুটবলার বদলানো সম্ভব হয়। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ করে ছয়টি বদলি, যার মধ্যে রয়েছেন সোহেল রানা, জামাল, ফাহিম, হামজা ও জায়ান। তবে এই পরিবর্তনের মাঝে কিছু ফুটবলার হালকা চোটে পড়েছেন, যার ফলশ্রুতিতে ডাগ আউটে তাঁদের বিশ্রাম নেওয়া হয়।

  • আইরিশদের ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে বাংলাদেশে লিড

    আইরিশদের ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে বাংলাদেশে লিড

    সিলেট টেস্টে ব্যাট এবং বল উভয় দিকেই নিজস্ব শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়ে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইনিংস ও ৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছে। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে আয়ারল্যান্ডের খেলাটি অবশ্য বেশ ভালোই ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তারা ৫ উইকেটে ৮৬ রান করে দিনের খেলা শেষ করে, আরেকটু এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ২৫৪ রানে অল আউট হয়ে যায়। এই ইনিংসের লড়াইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়ে তারা দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যবধানে হেরেছে। এটি বাংলাদেশের জন্য সাদা পোশাকের ক্রিকেটে চতুর্থ বার ইনিংস ব্যবধানে জয়ের নজির।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩০১ রানের লিড নিয়ে ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। এরপর বল করতে নেমে বাংলাদেশের বোলাররা আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের ঘেরাও করে। দিনের শেষে আয়ারল্যান্ডের পতন ঘটে ৮৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে, তারা বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে।

    শুক্রবার কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটাররা। শুরুতে কিছু চমৎকার বাউন্ডারিসহ খানিকটা এগোওয়া হলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি। প্রথম আঘাত হানে তাইজুল ইসলাম (৩-৮৪), যিনি ম্যাথিউ হামফ্রিজকে ফেরত পাঠান। এরপর অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন (৫২) ও অ্যান্ডি বালবার্নি (৩৮) ৬৬ রানের জুটি গড়েন, যা কিছুটা পরিস্থিতি সামাল দিতে সাহায্য করে। কিন্তু শেষমেষ হাকিম রানা (২-৪০) তাঁর বলেই বালবার্নিকে ফিরিয়ে আনে। সাথে হাসান মুরাদ (৪-৬০) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ম্যাকব্রাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারকে। শেষ দিকে জর্ডান নিল (৩৬) এবং ব্যারি ম্যাককার্থি (২৫) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও, মুরাদ আবার আঘাত হানেন এবং শেষ উইকেটটি তুলে নেন তাইজুল। ফলে বাংলাদেশ ম্যাচের প্রাধান্য নিশ্চিত করে বিজয় অর্জন করে।

    ম্যাচের পুরো সময় বাংলাদেশ ছিল দাপুটে আধিপত্যে। টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ, তবে প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ থামে মাত্র ২৮৬ রানে। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটিং দারুণভাবে চালিয়ে যায়, যেখানে মাহমুদুল হাসান ১৭১ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মাত্র ১০০ রানে তাঁর দায়িত্বশীল সেঞ্চুরি করেন। এই দুইজনের জোড়া ব্যাটে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ গড়ে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচসেরার পুরস্কার পান জয়। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের খেলা শুরু হবে ১৯ নভেম্বর, মিরপুরে।

  • তৃতীয় দিন শেষে ইনিংস ব্যবধানে বাংলাদেশ এগিয়ে

    তৃতীয় দিন শেষে ইনিংস ব্যবধানে বাংলাদেশ এগিয়ে

    সিলেট টেস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ইনিংস ব্যবধানে জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান দিয়ে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। এরপর, দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটাররা ব্যাটিং ধসের মুখোমুখি হয়। তারা মাত্র ৮৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে নিজেদের পতনের শিকার হয়। দিন শেষ করে তারা ২১৫ রানে পিছিয়ে থাকলো।

    দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ডের শুরুতে পাঠ আটকে যায়। প্রথম উইকেটে দলীয় ১৪ রানে ক্যাড কারমাইকেল বোল্ড হন নাহিদ রানার এক দুর্দান্ত ইয়র্কারে। এরপর পল স্টার্লিংকে সঙ্গে নিয়ে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং সাবলীলভাবে এগোতে থাকেন। তিনি ব্যক্তিগত ৫০ বা ৬০ রানের কাছাকাছি পৌঁছাতে একসময় থাকলেও, ৪৩ রান করে দলীয় ৬১ রানে রান আউট হন। এই রান আউটের মাধ্যমে তার ফিফটি অচিরেই কাটা পড়ে।

    স্টার্লিং গেরার পরই দ্রুত তিনটি উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। ১৮ রান করে তিনি আউট হন TA জিমের বলে লেগ বাইরের শটে। এরপর দ্রুত দুই উইকেট তুলে নেন হাসান মুরাদ, যারা যথাক্রমে কার্টিস ক্যাম্ফার ও লোরকান টাকার গিয়ে আউট করেন। এভাবে, মাত্র ৮৫ রান করে ৫ উইকেট হারানো নিশ্চিত হয়ে পড়ে আইরিশরা। অভিষিক্ত এই স্পিনার খুব দ্রুত তার নৈপুণ্য দেখিয়ে দুই উইকেট শিকার করেন।

    দিনের খেলা শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৮৬ রান। বাংলাদেশ এখন ইনিংস ব্যবধানে জয়ের খুব কাছাকাছি। জয় নিশ্চিত করতে হলে আয়ারল্যান্ডের আরও ২১৫ রান দরকার।

    এদিকে, এর আগে প্রথম ইনিংসের আলোচিত পারফরম্যান্সে ছিল জয় ও শান্তর শতক। পাশাপাশি সাদমান, মুমিনুল ও লিটন দাসের ফিফটি। এই ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। প্রথম ইনিংসের এই বড় লিড ছিল মোট ৩০১ রান, যা বাংলাদেশের টেস্টের দ্বিতীয় বৃহত্তম লিড। ২০১৮ সালে মিরপুরে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ৩৯৭ রানের লিড হয়েছিল।

  • শেষ বিকেলে স্পিনারদের দৃঢ় বোলিংয়ে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশে

    শেষ বিকেলে স্পিনারদের দৃঢ় বোলিংয়ে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশে

    দিনের শুরুতেই বাংলাদেশ দল দুর্দান্তভাবে উইকেট তুলে নিতে শুরু করে। প্রথম ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের তারতাহত কিছুটা বাংলাদেশের পক্ষে থাকলেও, প্রথম সেশনে আর কোনো উইকেট পতন হয়নি। এই সময়ে আইরিশ ব্যাটাররা পল স্টার্লিং ও ক্যাড কারমাইকেলের জোড়া ফিফটিতে বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে। তবে শেষ বিকেলে স্পিনাররা দুর্দান্ত ফুটপ্রিন্ট দেখিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তির দিশা দেখান। হাসান মুরাদ ও মেহেদী মিরাজের ধৈর্য্য ও নিখুঁত বোলিংয়ে দিন শেষ করে স্বাগতিক দল।

    সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান। দলের হয়ে বেন মেকার্থি ৫৬ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের জন্য তিনটি উইকেট শিকার করেন মেহেদি মিরাজ।

    মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতেই ব্যাটিং শুরু করে আইরিশরা। প্রথমেই তারা উইকেট হারায়, বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ অ্যান্ডি বালবির্নিকে আউট করেন। এরপরই বাংলাদেশের ফিল্ডাররা বেশ কিছু ভুল করে, যার সুযোগ নিয়ে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটাররা আক্রমণ চালায়। পল স্টার্লিং তার ফিফটি তুলে নেন, এক উইকেটে ৯৪ রান সংগ্রহ করে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় আয়ারল্যান্ড।

    দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ ফিরে এসে ম্যাচের ঘুরব PTOপ্র, স্টার্লিংকে আউট করেন নাহিদ রানা। ৬০ রান করে তিনি ফিরেন। এরপর হ্যারি টেক্টর মাত্র ১ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন। এরপর ক্যাম্ফার ও কারমাইকেল জুটিতে কিছুটা ধীর রপ্তানি হয়। তারা ৫৩ রানে যোগ করেন, কিন্তু এই জুটিতে বাংলাদেশ স্পিনার মিরাজ দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। কারমাইকেল অবশ্য রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচে পরিণত হন, যা লেগ স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্ত ধরেন।

    বিরতির আগে, কারমাইকেল ৫৩ বলে ৫৩ রান করে আউট হন। তার ফিরে যাওয়ার পর, লরকান টাকার কেও নিয়ে ৫৩ রানের একটি জুটি গড়েন ক্যাম্ফার। কিন্তু দলীয় ২০৩ রানে ক্যাম্ফার সাজঘরে ফিরে যান, তার ব্যক্তিগত অর্ধশতক থেকে ৬ রান দূরে। এরপর টাকারও আউট হন। আয়ারল্যান্ডের জন্য জোড়া জুটি গড়ে খেলতে থাকেন বেন ম্যাকার্থি ও জর্ডান নিল। দিনশেষে, জর্ডান নিলকে এলবিডব্লিউ করে বাংলাদেশ অষ্টম উইকেট পায়। এই জুটিতে তারা ৪৮ রান যোগ করে, ফলে আইরিশরা দিন শেষ করে ৮ উইকেটে ২৭০ রান সংগ্রহ করে।

  • মাহেদির ব্যাটিং নৈপুণ্যে খুলনা জয়, চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছে বিভাগটি

    মাহেদির ব্যাটিং নৈপুণ্যে খুলনা জয়, চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছে বিভাগটি

    জাতীয় ক্রিকেট লীগে ২৭তম আসরের তৃতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচে মহান কৌশল ও অনুপ্রেরণাদায়ক batting পারফরম্যান্সের জন্য খুলনা বিভাগ শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে। স্পিন অলরাউন্ডার মাহেদি হাসান বিশেষ দক্ষতার সাথে ব্যাট চালিয়ে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয়ে এগিয়ে নিয়ে যান। তিনি ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এবং ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। এই জয়ে খুলনা ৩ ম্যাচে ২ জয় ও ১ হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগ মোট ৩ ম্যাচে ১ জয়, ১ ড্র এবং ১ হার নিয়ে ১০ পয়েন্টে রয়েছে, যা তাদের তৃতীয় স্থানে রেখেছে।

    চট্টগ্রামে যানকা বন্ধু শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম প্রথমে বল করে ২৩৭ রান টার্গেট দেয় খুলনাকে। এর জবাবে, খুলনা শুরুতেই দিন শুরু করে ৫২ রানে অমিত মজুমদার ও সৌম্য সরকার ৮৫ রানে জুটি বেঁধে। সৌম্য সাধারণত ৯০ বলে ৭১ রান করেন, যাতে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা অন্তর্ভুক্ত। অপরাজিত থাকেন মাহেদি হাসান ৫০ রান করে, আর রানা ২ রান করে।

    খুলনার জন্য মধ্যম অর্ডার এ উপযুক্ত সংগ্রামের পর, নাইম হাসান ৫ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের বোলিং কার্যক্রমে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন। চট্টগ্রামের স্পিনার নায়েম হাসানের ৫ উইকেটের পাশাপাশি, শুরুতেই খুলনার উইকেট পতনের পর ম্যাচে নাটকীয় মনোভাব দেখা যায়। মাহেদি ও নাহিদুল ইসলাম মধ্যমে জুটি গড়ে ৫৭ রান করে, যা দলের জয়ের মূল ভিত্তি। মাহেদি শেষ পর্যন্ত ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন, দলের জয়ের সূচনা করে। সৌম্য এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ম্যাচের সেরা হন। এই জয়ে খুলনা বিভাগ বর্তমান সময়ে ক্রিকেট প্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে।

  • সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সাথে ক্রিকেটার মুস্তাফিজের সাক্ষাৎ

    সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সাথে ক্রিকেটার মুস্তাফিজের সাক্ষাৎ

    সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের খ্যাতনামা ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান। এই সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, যারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই কৃতী সন্তানকে স্বাগত ও সম্মান জানান।

    সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেশের জন্য তার অসাধারণ ক্রীড়া অবদানের জন্য প্রশংসা করে। তারা আলোচনা করেন জেলার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণদের মধ্যে খেলাধুলায় আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা, এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খান, ডিএসবি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    সাক্ষাৎ শেষে, জেলা পুলিশ পক্ষ থেকে ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে একটি উপহার সামগ্রী, ওয়ালমেট প্রদান করা হয়, যা তার প্রতিক্রিয়া ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মুহূর্ত করে তোলে।