Category: অর্থনীতি

  • মার্চ মাসেও অব্যাহত রপ্তানি পতন, ১৮ শতাংশ কমে গেছে

    মার্চ মাসেও অব্যাহত রপ্তানি পতন, ১৮ শতাংশ কমে গেছে

    বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে মার্চ মাসেও অব্যাহত পতন ঘটেছে। গত মাসে দেশের রপ্তানি ফলাফল ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যেখানে গত বছর একই সময়ে ছিল ৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। এই তথ্য বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশ করেছে।

    চলতি অর্থবছর ২০২৫-২৬ এর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত রপ্তানি আয়ের মোট পরিমাণ ৪৫৫ কোটি ডলার বা ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ৩৫ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে এসে পৌঁছেছে; যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩৭ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, আট মাস ধরে রপ্তানি আয় ধারাবাহিকভাবে কমছে।

    বিশেষ করে দেশের প্রধান রপ্তানি খাতা তৈরি পোশাক শিল্পে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এই শিল্পের রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডল্লারে দাঁড়িয়ে আছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩০ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।

    রপ্তানির সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ইপিবি জানায়, চলতি অর্থবছরের তুলনায় অধিকাংশ প্রধান রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে, হিমায়িত ও তজিতে মাছ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাশাপাশি প্রকৌশল পণ্য খাতে কিছু উন্নতি দেখা গেছে, যা সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করেছে।

    এছাড়া, ইপিবি উল্লেখ করে যে, বৈশ্বিক বহির্বিশ্বের নানা প্রভাবের কারণে রপ্তানি পরিস্থিতি কেওচে পড়েছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান সম্পর্কিত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। পাশাপাশি, দীর্ঘস্থায়ী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো প্রধান রপ্তানি গন্তব্যে।

    এই পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে এবং অনেক রপ্তানি আদেশ স্থগিত বা বাতিলের মুখে পড়েছে, যা দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে জানানো হয় সংস্থাটি।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে মার্চে

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে মার্চে

    বর্তমানে বাংলাদেশে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা গেছে মার্চ মাসে। এ মাসে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের সব সময়ে সর্বোচ্চ প্রবাহের রেকর্ড। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

    চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশের বাইরে থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা আগের মাস ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি। গত বছরের মার্চের চেয়েও এটি প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার, এবং গত বছরের মার্চে ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২২ সালের মার্চ মাসে, যখন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩৩২ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাহ ছিল ডিসেম্বর মাসে, যেখানে প্রবাহ ছিল ৩২৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জানুয়ারি, যেখানে রেমিট্যান্স ছিল ৩১৭ কোটি ডলার।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্প্রতি ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মার্চে রেমিট্যান্সের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি সাধারনতই স্বাভাবিক। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এখনও কাজের সুযোগ রয়ে গেছে এবং বেকারত্বের হার খুব বেশি বেড়েছে বলে মনে হয় না। পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচও খুব বেশি বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স পাঠানোর সক্ষমতা বজায় রেখেছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে মোট ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে। এর মধ্যে বড় অঙ্কের অর্থ এসেছে কৃষি ব্যাংকের কাছ থেকে, যা ছিল ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এর পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন এক কোটি ২০ হাজার ডলার।

  • করদাতারা বছরজুড়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    করদাতারা বছরজুড়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান ঘোষণা করেছেন যে, এবার থেকে করদাতারা বছরের কোনো দিনই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তিনি বলেছেন, এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে করদাতারা সহজে এবং সময়মতো রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, এবং যারা প্রথমে রিটার্ন জমা করবেন, তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা থাকবে। মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন থেকে চার ধাপে বিভক্ত করা হবে, যাতে করদাতাদের জন্য এটি আরও সহজ হয়।

    এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, চলতি অর্থবছরে লক্ষ্য নির্দিষ্ট করে এখনও রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসন্ন তিন মাসে দেশের রাজস্ব আদায় আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রথমদিকে, প্রতি বছর জুনের মধ্যে পরবর্তী নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, এবার সময়সীমা বাড়ানোর ফলে করদাতারা ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারেন। এই পরিবর্তনের ফলে করদাতাদের জন্য আয়কর প্রক্রিয়াটি অনেক বেশি সুবিধাজনক ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে

    দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তার তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করছে। এর অংশ হিসেবে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যাংক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা বছরের নবম মাসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে যথাযথ সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে জমা দেবে। ২০২৫ সাল এবং পরবর্তী সময়ের সকল প্রতিবেদনও একই নিয়ম অনুসারে দাখিল করতে হবে।

    এছাড়া, নার্নির সার্কুলারে জানানো হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের তদারকি মান আরো উন্নত করতে সুপারভিশন কাঠামোয় স্বতন্ত্র পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে মনিটরিং (রিস্ক বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নতুন ব্যবস্থায় সব ব্যাংককে একভাবে মূল্যায়ন না করে, যেসব ব্যাংকের ঝুঁকি বেশি, তাদের ওপর নজরদারি আরও কঠোর করা হবে। এর ফলে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা ও অনিয়ম আগাম চিহ্নিত সম্ভব হবে। ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা, বিশেষ করে ঋণ ঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। পাশাপাশি, এই ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়ন বজায় রাখলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।

  • মার্চ মাসেও অব্যাহত রপ্তানি আয়ে পতন, হ্রাস ১৮ শতাংশ

    মার্চ মাসেও অব্যাহত রপ্তানি আয়ে পতন, হ্রাস ১৮ শতাংশ

    বাংলাদেশের এপ্রিলে রপ্তানি আয়ে অব্যাহত পতন দেখা গেছে। গত মাসে রপ্তানি আয় ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ কমে আট বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৩.৪৮ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪.২৪ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ তথ্য জানিয়েছে।

    অর্থবছর ২০২৫-২৬ এর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয় ৪.৮৫ শতাংশ কমে ৩৫.৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যার আগে এই সময়ে ছিল ৩৭.১৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এই সময়ে টানা আট মাস ধরে রপ্তানি আয় ধারাবাহিকভাবে কমছে।

    প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে পরিচিত তৈরি পোশাক শিল্পে হতাশাজনক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এই খাতের রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ কমে ২৮.৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে গত বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৩০.২৪ বিলিয়ন ডলার।

    রপ্তানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ইপিবি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে বেশিরভাগ প্রধান রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। তবে হিমায়িত ও জীবিত মাছ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্রকৌশল পণ্য খাতে সামান্য ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা সামগ্রিক রপ্তানি পরিস্থিতি কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করছে।

    অন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশের রপ্তানি চাপে পড়েছে বলে ইপিবি উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের উত্তেজনা, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, উপসাগরীয় অঞ্চলের অনিশ্চয়তা, এবং দীর্ঘস্থায়ী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোতে ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে।

    এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা হ্রাস পেয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে রপ্তানি আদেশ স্থগিত বা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংস্থাটির মতে, এই পরিস্থিতি দেশের রপ্তানি উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে তুলেছে।

  • ব্যাংক লেনদেনে নতুন 시간: এক ঘণ্টা কমানো ঘোষণা

    ব্যাংক লেনদেনে নতুন 시간: এক ঘণ্টা কমানো ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ব্যাংকের কার্যক্রমের সময় এক ঘণ্টা কমিয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন ব্যাংকগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত লেনদেন কার্যক্রম চালাবে, যা পূর্বের চেয়ে এক ঘণ্টা কম। অফিস সময়ও আবার পরিবর্তিত হয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন নভেম্বর ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে, এবং পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত চলমান থাকবে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত ঘোষণা প্রকাশ হয়। আগে ব্যাংকের অফিস ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, তবে এখন নতুন সিদ্ধান্তে সময় সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

  • ব্যাংকের লেনদেন সময় এক ঘণ্টা কমল, নতুন সময়সূচি ঘোষণা

    ব্যাংকের লেনদেন সময় এক ঘণ্টা কমল, নতুন সময়সূচি ঘোষণা

    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়কে কেন্দ্র করে ব্যাংকিং সেক্টরে নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার (৪ এপ্রিল) Central Bank এই নির্দেশনা জারি করে জানায়, ব্যাংকে লেনদেন এখন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংকের অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এই নির্দেশ ফেব্রুয়ারি নয়; বরং সরকারের গত মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে নেওয়া — মন্ত্রিসভার বৈঠকে (২ এপ্রিল) দেশের জ্বালানি সংকট বিবেচনায় সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সূচি পুনর্গঠন করা হয়। সরকার ঘোষণা করেছে সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে এবং এ সিদ্ধান্ত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

    বরতমান সাধারণ কার্যক্রমে ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা এবং অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে ব্যাংকের ক্ষেত্রে লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে ১০টা থেকে ৩টা করা হয়েছে এবং শাখার অফিসীয় সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা রাখা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশেষভাবে সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দরের (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকায়) শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার আগের নিয়ম অব্যাহত থাকবে।

    সরকারি সিদ্ধান্তে এছাড়া সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বিয়েবাড়িতে আলোকসজ্জা স্থগিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সব পরিবর্তন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে এবং এগুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে।

  • খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত ও মোকাবিলায় তদারকি জোরদার করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই তফসিলিভুক্ত ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসভিত্তিক একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী সকল প্রতিবেদনও একই নিয়মে দাখিল করতে হবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের তদারকি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সুপারভিশন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আওতায় ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন বা রিস্ক-বেইজড সুপারভিশন (আরবিএস) চালু করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় সব ব্যাংককে একইভাবে না দেখে যেসব ব্যাংকের ঝুঁকি বেশি, সেগুলোতে লক্ষ্যভিত্তিক নজরদারি বাড়ানো হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিবর্তন ব্যাংকগুলোর আর্থিক দুর্বলতা ও অনিয়মগুলো আগেভাগেই চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে। ফলশ্রুতিতে ঋণজরিত ঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতাকে আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং প্রয়োজনীয় উন্নততর নীতিগত বা প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া সহজ হবে।

    বাংলা দেশ ব্যাংকের উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি কেবল খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে না, বরং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও বাড়াবে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নিরীক্ষা সংক্রান্ত নিয়মাবলী মেনে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে তদারকি জোরদার করেছে। এ প্রেক্ষিতে তফসিলি ব্যাংকগুলিকে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে একটি সার্কুলার জারি করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসভিত্তিক একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং এর পরের সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে দাখিল করতে হবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে যে, ব্যাংকিং খাতের তদারকি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সুপারভিশন কাঠামোয় ইতোমধ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক-বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে।

    নতুন ব্যবস্থায় সব ব্যাংককে একভাবে দেখা হবে না; যেসব ব্যাংকে ঝুঁকি বেশি সেগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে। এতে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা ও অনিয়ম আগে ভেবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা—বিশেষ করে ঋণঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা—আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এ নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় তাহলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা হবে এবং ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। এছাড়া সময়মতো অন্তর্বতী প্রতিবেদন দিলে ত্রুটির দ্রুত সংশোধন ও ঝুঁকি কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক এই উদ্যোগকে তদারকিতে আরও কড়াকড়ি ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকগুলোর ওপর বিশেষ নজরদারির একটি অংশ হিসেবে দেখছে, যাতে সমগ্র আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

  • ব্যাংকের লেনদেন এক ঘণ্টা কমল

    ব্যাংকের লেনদেন এক ঘণ্টা কমল

    বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে ব্যাংকিং কার্যক্রমের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে ব্যাংকে লেনদেন করা যাবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং ব্যাংকের অফিস খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা শনিবার, ৪ এপ্রিল জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত পরিবর্তিত অফিস সময়সূচি ৫ এপ্রিল থেকে পরে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং সে অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের দিনচক্র সাজাবে।

    আগের নিয়মে ব্যাংকের লেনদেন চলত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আর অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তাই লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমেছে, আর অফিস সময়ও সংক্ষিপ্ত হয়েছে।

    প্রয়োজনে সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখেই সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দরসহ পোর্ট ও কাস্টমস এলাকায় অবস্থিত ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলি সাপ্তাহিক সাত দিন এবং ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে।

    এই সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর নেওয়া হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সাত ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে—সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত—এবং সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার sowie বিয়ে বাড়িতে আলোকসজ্জা সীমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ব্যাংকের নতুন সময়সূচি গ্রাহক ও কর্মীরা মাথায় রেখে লেনদেন ও কাজের সময় সামঞ্জস্য করে নেবেন। ব্যাংক থেকে বলা হয়েছে, পরিবর্তিত নির্দেশনাসমূহ পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।