Category: অর্থনীতি

  • খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ এবং অন্যান্য ঝুঁকি আগে থেকে শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তদারকি জোরদার করেছে। তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে একটি সার্কুলার জারি করে এ বিষয়ে কর্মপদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। সার্কুলারে বলা হয়েছে যে ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসের ভিত্তিতে একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সেই নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সাল ও পরের সময়ের সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে দাখিল করতে হবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতের তদারকি শক্ত করে তুলতে সুপারভিশন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন বা রিস্ক বেইজড সুপারভিশন (আরবিএস) চালু করা হয়েছে। এতে সব ব্যাংককে একইমাত্রায় না দেখে ঝুঁকি বেশি যেখানে সেখানে নজরদারি বাড়ানো হবে।

    নতুন ব্যবস্থায় উচ্চঝুঁকির ব্যাংকগুলোর আর্থিক কার্যক্রম এবং ঋণপোর্টফোলিওকে বেশি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফলে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়ম এবং খেলাপি ঋণের প্রবণতা আগে থেকেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া যাবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি এই নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় তাহলে শুধু খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণই নয়, সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • জ্বালানি-বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ব্যাংকের লেনদেন সময় এক ঘণ্টা কমল

    জ্বালানি-বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ব্যাংকের লেনদেন সময় এক ঘণ্টা কমল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বিবেচনা করে ব্যাংকের লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকের অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা শনিবার (৪ এপ্রিল) জারি করে এবং জানিয়েছে, সরকার ঘোষিত পরিবর্তিত অফিস সময়সূচি ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক লেনদেন সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা, আর অফিস খোলা থাকত সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

    একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ন নিশ্চয়তা হিসেবে বলা হয়েছে যে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দরের (পোর্ট ও কাস্টমস) এলাকায় থাকা ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথ—এইসব স্থানে আগের মতোই সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা সেবা চালু রাখা হবে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশে চলছে এমন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সরকার বাস্তবে অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সাত ঘণ্টা নির্ধারণ করেছে—সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার এবং বিয়ে বাড়িতে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সিদ্ধান্তগুলোর লক্ষ্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ কমানো এবং সাময়িক সংকট শাসন করা। ব্যাংকিং খাতেও এই পরিবর্তন একই প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে বলে ব্যাংক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণ ও অন্যান্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    খেলাপি ঋণ ও অন্যান্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করার লক্ষ্যে তদারকি জোরদার করেছে। এ প্রেক্ষিতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসভিত্তিক একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী বছরের জন্যও একই নিয়ম বলবৎ থাকবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে যে ব্যাংকিং তদারকি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে। এর ফলে সব ব্যাংককে একভাবে না দেখে যেসব প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকি বেশি, সেখানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করেন নতুন ব্যবস্থায় সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা ও অনিয়ম আগেভাগেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ফলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ঋণঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। পাশাপাশি এই ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া ছাড়াও ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

  • জ্বালানি সাশ্র্যে ব্যাংকের লেনদেন এক ঘণ্টা কমানোর নতুন সময় ঘোষণা

    জ্বালানি সাশ্র্যে ব্যাংকের লেনদেন এক ঘণ্টা কমানোর নতুন সময় ঘোষণা

    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে ব্যাংক লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকের অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এই নির্দেশনা শনিবার (৪ এপ্রিল) জারি করা হয় এবং তা ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সাধারণত ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হত, আর অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর—পোর্ট ও কাস্টমস এলাকাসহ—যেসব শাখা বা বুথ জরুরি সেবা দিয়ে থাকে সেগুলি সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টাই খোলা রাখার পূর্ববর্তী নিয়ম বজায় থাকবে।

    গত ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলমান জ্বালানি সংকট বিবেচনায় সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সরকার ঘোষিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি অফিস সাধারণত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এবং সন্ধ্যা ৬টার পরে শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার sowie বিয়েবাড়িতে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বাড়তি ভোগান্তি এড়াতে গ্রাহকদের ব্যাংকিং প্রয়োজন আগামী থেকে সাধারণত সকাল ১০টা থেকে দুপুর বা বিকেল ৩টার মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া ও আগাম পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করার লক্ষ্যে তদারকি জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই প্রেক্ষিতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসের ভিত্তিতে একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সেটি নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিল করতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী সময়ের সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে জমা দিতে হবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতের তদারকি উন্নীত করার জন্য সুপারভিশন কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক-বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে। এ নীতির ফলে সব ব্যাংককে একভাবে না দেখে ঝুঁকি বেশি যেসব ব্যাংক আছে, সেসব ব্যাংকের প্রতি তৎপর নজরদারি ও তদারকি বাড়ানো হবে।

    জানানো হয়েছে, নতুন ব্যবস্থায় দ্রুত ও সাবধানতার সঙ্গে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়ম বা ঝুঁকি চিহ্নিত করা সহজ হবে। বিশেষত ঋণঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা নিয়মিত ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সুবিধাজনক হবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে এবং একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। তদারকি কড়াকড়ি ও সময়মত রিপোর্টিং মেনে চললে দ্রুত প্রতিকারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ও আমানতকারীদের আস্থাও বজায় রাখা সম্ভব হবে।

  • ব্যাংক লেনদেন এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি ঘোষণা

    ব্যাংক লেনদেন এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় মন্তব্য করে ব্যাংক সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় জেলা-মহল্লা নির্বিশেষে ব্যাংকে লেনদেনের সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকের অফিস সময় রাখা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এই নির্দেশনা শনিবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক জারি করেছে এবং বলা হয়েছে—সরকার ঘোষিত পরিবর্তিত অফিস সময়সূচি ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আগে ব্যাংকে লেনদেন সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা চলত; ব্যাংকের অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। অর্থাৎ লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমানো হয়েছে, আর অফিস সময়ও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

    সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর সংলগ্ন পোর্ট ও কাস্টমস এলাকায় থাকা ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো আগের মতোই সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    এ সিদ্ধান্তের পটভূমি হিসেবে সরকার গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় নির্ধারণ করে। সার্বিক নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময় ১ ঘণ্টা কমিয়ে দৈনিক ৭ ঘণ্টা—সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা—নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টার পরে শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার এবং বিয়েবাড়িতে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সময়সূচি আর সরকারের অন্য সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা জারি থাকার সময় পর্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে। জনগণ ও ব্যাংক গ্রাহকদের নমনীয়তা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স মার্চে এসেছে

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স মার্চে এসেছে

    দেশে সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে প্রবাসীরা বিভিন্ন দেশের থেকে পাঠিয়েছেন ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, যা মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা পৌনে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গত মার্চে প্রবাসীরা এভাবে বিশাল অঙ্কের ডলার পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

    এটি পূর্ববর্তী মাস ফেব্রুয়ারির চেয়ে প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি, যেখানে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার। পূর্বের বছর মার্চের তুলনায় (২০২৪) এবছর বেশি পাঠানো হয়েছে, সেটি ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। অন্যদিকে, মার্চ ২০২৩ সালে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২৯ কোটি ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশ ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পেয়েছে এখন পর্যন্ত গণবছরের মার্চ মাসে, যেখানে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ডিসেম্বর মাসে, যেখানে মোট এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জানুয়ারি, যেখানে এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার।

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসে ঈদ উৎসবের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ে, যা স্বাভাবিক একটি প্রবণতা। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এখনো কাজের সুযোগ রয়েছে, ও বেকারত্বের হার বেশি নয়। পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রবাসীরা সহজে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছেন।

    তথ্য বলছে, সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে দেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো দিয়ে এসেছে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য দুই ব্যাংক হলো কৃষি ব্যাংক, যা পাঠিয়েছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, এবং অন্যান্য ব্যাংকগুলো দ্বারা এসেছে মোট ২৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া, বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন এক কোটি ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স।

  • করদাতাদের জন্য বছরব্যাপী আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ

    করদাতাদের জন্য বছরব্যাপী আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখন থেকে করদাতারা সারা বছরই তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যারা আগে সময়মতো রিটার্ন জমা দেবেন, তারা এই পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা পাবেন। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য তিনি প্রকাশ করেন। এনবিআর চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা করেন, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন চার ধাপে বিভক্ত করা হয়েছে, যাতে প্রক্রিয়াটি আরও সহজে সম্পন্ন করা যায়।

    এছাড়া, চলতি অর্থবছরে লক্ষ্য অর্জনের আশায় তিনি বলছেন, আসন্ন তিন মাসে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে তিনি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। সাধারণত, প্রতি বছর জুনের মধ্যে পরবর্তী নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, চলতি বছর নির্ধারিত সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে করদাতাদের জন্য ঝামেলা কমিয়ে আনা এবং আয়কর বিভাগের কাজের মান উন্নয়ন করতে আশা করা হচ্ছে।

  • ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়: এক ঘণ্টা কমে কার্যক্রম চলবে এখন থেকে

    ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়: এক ঘণ্টা কমে কার্যক্রম চলবে এখন থেকে

    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ব্যাংক সময়সূচি ঘোষণা করেছে। এর ফলে লেনদেনের সময় এখন থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত থাকবে, যেখানে আগে এটি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলত। ব্যাংকের অফিস সময়ও পরিবর্তিত হয়ে এখন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্দেশনা শনিবার, ৪ এপ্রিল, জারি করা হয়েছে।

    স্বাভাবিক অবস্থায়, ব্যাংকের লেনদেনের সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত থাকলেও, আগে ব্যাংকের অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই ভবিষ্যত পরিবর্তন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার ঘোষিত নতুন অফিস সময়সূচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

    এছাড়াও, সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দরের এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকায়) ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে আগের মতোই।

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ ২ এপ্রিল, মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতিতে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়। এই সিদ্ধান্ত রোববার, ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কার্যকাল এখন থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত থাকবে। এছাড়াও সন্ধ্যা ৬টার পরে শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ করতে বলা হয়েছে, এবং বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে আলোকসজ্জা বন্ধের নির্দেশ জারি হয়েছে, যা সমগ্র দেশের জন্য কার্যকর।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ: খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা জোরদার

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ: খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা জোরদার

    দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ এবং অন্যান্য ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত এবং নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক অবিরত তদারকি আরও জোরদার করছে। এর অংশ হিসেবে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নিরীক্ষার অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

    সার্কুলারে বলা হয়, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী, নিরীক্ষা বছরের নবম মাসের ভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে এবং তা নিরীক্ষা বছরের শেষের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। একই নিয়মে ২০২৫ সালের জন্য ও পরবর্তী বছরগুলোর প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

    এছাড়াও, ব্যাংকিং খাতের তদারকি আন্তর্জাতিক মানের উন্নত করতে সুপারভিশন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে চালু হয়েছে ঝুঁকির ভিত্তিতে নজরদারি বা রিস্ক বেইজড সুপারভিশন (আরবিএস)। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন ব্যবস্থায় ব্যাংকের মধ্যে ঝুঁকি অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন পর্যবেক্ষণ চালানো হবে। এর ফলে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা বা অনিয়ম অপ্রত্যাশিত ভাবে ঘটার আগে চিহ্নিত করতে সুবিধা হবে।

    বিশেষ করে, এই পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতি, ঋণের ঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, এসব ব্যবস্থা কার্যকরভাবে প্রয়োগে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও বাড়বে।