দেশজুড়ে ছেঁড়া, ফাটকা, ত্রুটি সম্পন্ন ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক নেয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণ মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে যে, সব তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে ছেঁড়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত নোট গ্রহণ করতে হবে এবং একই সঙ্গে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহ করতে হবে। এর উদ্দেশ্য হলো দর্শনীয় ও নিরাপদ নগদ লেনদেনে সবসময় ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোটের ব্যবহার কমানো। এবার এর জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে এখনও ছেঁড়া বা ময়লাযুক্ত নোটের আধিক্য রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে ৫, ১০, ২০ এবং ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ ও নির্ধারিত কাউন্টার থেকে বিনিময় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। গ্রাহকদের কাছে সেই ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বদলে ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দেওয়ার নির্দেশও জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে, যদি কোনো ব্যাংকের শাখা এ ধরনের পরিষেবা দিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে গাফিলতি করে বা উদ্যোগ নেয় না, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা, যেহেতু এটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। বোঝা যাচ্ছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের সুবিধার পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
Category: অর্থনীতি
-

দেশের রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেলো
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন মোট ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ২৯,৯৭৭.৮৯ মিলিয়ন ডলার।
এর আগে, ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪,৬৪৫.০৪ মিলিয়ন ডলার, এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯,৯৫২.৬৬ মিলিয়ন ডলার।
উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ বা প্রকৃত মজুতের পরিমাণ নির্ণয় করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বিয়োগ করার পর যা অবশিষ্ট থাকে সেটিই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হয়।
-

ছেঁড়া-ফাটা নোট না নিলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার ঘোষণা করেছে, ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ ও বিনিময় করা সব তফসিলি ব্যাংকের শাখার জন্য বাধ্যতামূলক। নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে এসব নোট নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করে পরিবর্তে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহ করতে হবে। এটি নিশ্চিত করার জন্য শাখায় নির্ধারিত কাউন্টার নিয়োগ ও জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আগেরও এই সংক্রান্ত নির্দেশনা থাকলেও বাজারে ছেঁড়া-ময়লা নোটের উপস্থিতি এখনও বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের লেনদেনে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষভাবে ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ ও নির্ধারিত কাউন্টারে বিনিময় করে গ্রাহকদের ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দেয়া হবে বলে নির্দেশে উল্লেখ আছে।
কোনো শাখা যদি এই সেবা দিতে অনীহা প্রকাশ করে বা গাফিলতি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে—এমত ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং শাখাগুলোকে নিয়ম মেনে দ্রুত কার্যক্রম নেয়া নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছে।
-

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ঘাড়া — এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচর্চা ব্যর্থ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্য বড় পতনের মুখে পড়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাজারে স্পট গোল্ড গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মুল কারণ হলো শক্তিশালী ডলার এবং জ্বালানির মূল্য বাড়া। তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠায় মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়ছে এবং ফলে বছরের মধ্যে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা দুর্বল হয়ে পড়েছে—এই সব মিলিয়ে স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ পড়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার দুপুর ১২:২০ পর্যন্ত স্পট গোল্ডের মূল্য ০.৪% কমে প্রতি আউন্স 4,726.64 ডলারে নেমে গিয়েছিল। দিনের শুরুতে এটি 4,643 ডলারে নামায়, যা ৭ এপ্রিলের পর থেকে সর্বনিম্ন। জুন ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচার ০.৮% পড়ে 4,748.70 ডলারে দাঁড়ায়।
রিপোর্ট বলছে, ডলারের সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়েছে এবং তেল আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে পৌঁছেছে। এর পাশাপাশি রয়টার্স জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে এবং স্বর্ণের চাহিদায় প্রভাব ফেলতে পারে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি আলোচনা না হওয়ায় যুদ্ধবিরতির আশা ভেঙে গেছে, এতে ডলার ও তেলের দাম বেড়েছে এবং এ কারণেই স্বর্ণের ওপর চাপ পড়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া উত্তেজনার পর থেকে স্পট গোল্ডের দাম ১১%-এর বেশি কমেছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়লে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে, তবে উচ্চ সুদের হার এমন সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক হিসেবে কাজ করে। শক্তিশালী ডলারের ফলে অন্যান্য মুদ্রাভিত্তিক ক্রেতাদের জন্য ডলারে নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।
ওয়াটারার আরও বলেন, তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে, যা স্বর্ণের পারফরম্যান্সকে দুর্বল করে। বাজার অংশগ্রহণকারীরা মনে করছেন, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা এখন খুবই কম, কারণ জ্বালানির উচ্চ মূল্য সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে এবং মুদ্রানীতিতে শিথিলতার গতি সঙ্কুচিত করে। এ সব কারণে মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ বজায় রয়েছে।
-

ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে
বাংলাদেশ ব্যাংক ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ ও বিনিময় বাধ্যতামূলক করেছে। রোববার জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সব তফসিলি ব্যাংকের শাখাকে এসব নোট নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করে নতুন বা পুনরায় প্রচলনযোগ্য নোট দিয়ে বিনিময় করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আগে থেকেই এ ধরণের নির্দেশনা থাকলেও বাজারে এখনো ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোটের উপস্থিতি বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের লেনদেনে ভোগান্তি করছে। তাই ‘ক্লিন নোট পলিসি’ কার্যকর করার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষত ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ছোট নোটগুলো নিয়মিতভাবে গ্রহণ ও নির্ধারিত কাউন্টারে বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রাহকদের এসব নোটের পরিবর্তে ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দেওয়া হবে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো ব্যাংক শাখা যদি এই সেবা দিতে অনীহা প্রদর্শন করে বা গাফিলতি দেখায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্দেশনাটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সব ব্যাংককে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছে, যাতে নগদ লেনদেন স্বচ্ছ ও ঝক্কিমুক্তভাবে চালু থাকে।
-

ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল বাধ্যতামক, না মানলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
দেশজুড়ে ছেঁড়া-ফাটা, ময়লা ও ত্রুটিগ্রস্ত নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এসব নোট গ্রহণ ও বিনিময় বাধ্যতামক করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা জারি করে এবং নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা নিয়ম অনুযায়ী ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করে তা বদল করে দিতে বাধ্য থাকবে। বদলের সময় গ্রাহকদের নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য ব্যবহারযোগ্য নোট সরবরাহ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, পূর্বে এই নিয়ে নির্দেশনা থাকলেও বাজারে এসব নোটের আধিক্য এখনো দেখা যায় এবং তা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সমস্যার সমাধানে ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোর আরও সক্রিয়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তারা।
বিশেষ করে ছোট মূল্যমানের নোট—৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নোট—নিয়মিতভাবে গ্রহণ করে নির্ধারিত কাউন্টারের মাধ্যমে বদল করে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গ্রাহক এসব নোট জমা দিলেই ব্যবসায়িক শাখাকে ব্যবহারযোগ্য নোট প্রদান করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, কোনো শাখা যদি এই সেবা দিতে অনীহা প্রকাশ করে বা গাফিলতি দেখায়, তবে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘটনাগুলো গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনস্বার্থে এই নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
-

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার ব্যর্থতার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার কোথাও এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে মূল্যবান ধাতুটি।
বিশ্লেষকরা বলছেন শক্তিশালী ডলার এবং তেলের মূল্য বৃদ্ধিই এই পতনের প্রধান কারণ। তেলের দাম বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতির ভাবনা জোরালো হচ্ছে, ফলে চলতি বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যায় — আর সেটা স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে প্রতি আউন্সে ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। দিনের শুরুতে এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে নেমে গিয়েছিল। জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে বন্দোবস্ত হয়।
ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে দৃঢ় হয়েছে। এতে আমদানিকারী দেশগুলোর মুদ্রায় ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়েছে, যা চাহিদা ও দামের ওপর নেতিবাচক চাপ তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে জয় করে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এটিও তেলের মূল্য এবং বাজারের অনিশ্চয়তা বাড়ানোর আর একটা কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘‘শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুদ্ধবিরতির আশা ভেঙে পড়েছে। এর ফলে ডলার এবং তেলের দাম বেড়েছে, যা স্বর্ণের ওপরে চাপ সৃষ্টি করেছে।’’
রয়টার্স উল্লেখ করেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে স্পট গোল্ডের দাম ১১%—এর বেশি কমেছে। সাধারণত ভূরাজনীতি ও মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ স্বর্ণের প্রতি চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু উচ্চ সুদের হার এবং শক্তিশালী ডলার স্বর্ণের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বাজার অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে সুদের হার বাড়ানোর পথ খুলে দিতে পারে, ফলে চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই সীমিত হয়ে পড়েছে—এটিই মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চলমান চাপের মূল কারণ।
-

আট মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই সময়ের মধ্যে রপ্তানির তুলনায় আমদানি অনেক বেশি হয়েছে, এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ বেশির ভাগ পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনের আপডেট প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি ১ হাজার ৬৯১ কোটি ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর আগে গত অর্থবছরের আট মাসে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৩৭১ কোটি ডলার।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রমজান ঈদ মৌসুমে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর আমদানি বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক আমদানির হার বৃদ্ধি পায়। একই সময় রপ্তানি আয় অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ফলে বাণিজ্য ঘাটতি আরও বাড়ে। খাত সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক রাখতে হলে আমদানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে। অন্যথায় অর্থনীতির জন্য সংকট তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পণ্য আমদানি করেছেন মোট ৪ হাজার ৬১৭ কোটি ডলার, অর্থাৎ ৪৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, এই সময়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩০ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরে এই সময়ে রপ্তানি ছিল ২৯ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। এই আমদানি ও রপ্তানির ব্যবধানের কারণেই চলতি বছর প্রথম আট মাসে পণ্যে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের পণ্যে রপ্তানি কমে যাওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য মালামের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়ছে। তবে, দেশের কারেন্ট অ্যাকাউন্টের পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো, অর্থাৎ নিয়মিত লেনদেনে দেশকে বিশেষ কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। তারপরও সাময়িক ঘাটতি থাকায় সরকারকে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। বিশেষ করে এখনকার পরিস্থিতিতে, যেখানে চলতি হিসাবের ঘাটতি মোট ১০০ কোটি ডলার, আগের বছর একই সময়ে তা ছিল ১৪৭ কোটি ডলার, এটি দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের জন্য মোটামুটি সুখকর।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, সামগ্রিক লেনদেন বা ওভারঅল ব্যালান্স এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। প্রথম আট মাসে দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে মোট ২ হাজার ২৪৫ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি।
বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষণীয়। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি দেশের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ছিল ১০৬ কোটি ডলার, তবে চলতি বছর তা খানিক কমে দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ডলারে। তবে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ নেতিবাচক অবস্থায় রয়েছে, যেখানে প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে ৮ কোটি ডলার কমে গেছে। এর আগে, গত অর্থবছরে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক ৮ কোটি ডলার।
-

যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে মূল্যস্ফীতি ১২% ছাড়াতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত যদি অব্যাহত থাকে, তবে দেশের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হতে পারে। এর ফলে ডলারের বিপরীতে দেশের মুদ্রার মান কমে যাবে এবং জ্বালানি তেলের দামও বৃদ্ধি পেতে পারে। এই দুটি বড় চাপের ফলে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের মূল্যস্ফীতির হার ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ শতাংশ ছাড়াতে পারে। পাশাপাশি, বাড়তি আমদানির ব্যয় মেটাতে গিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও প্রভাব পড়বে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পরিস্থিতি যদি এ রকম হয়, তাহলে দেশের রিজার্ভ ৩১ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। তবে যদি জ্বালানি তেলের দাম বেশি না বাড়ে এবং আমদানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে, তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতির চাপ কমে আসতে পারে এবং দেশের অর্থনীতির অন্যান্য খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব হ্রাস পাবে।
এছাড়া, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন মডেল ও পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ধরনের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যদি গত প্রান্তিকে জ্বালানি তেলের দাম ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং পরে আরও ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়, তাহলে দেশের বাজারে তেলের দাম সমন্বয় করতে হবে। আবার, যদি ডলার বিপরীতে টাকার মান একাধিক পর্যায়ে প্রায় ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত অবমূল্যায়িত হয়, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার বিশ্লেষণের মাধ্যমে ১১.৬৭ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। একই সময়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ হাজার ২৭২ কোটি ডলার থেকে কমে ২ হাজার ৬০৬ কোটি ডলারে নেমে আসতে পারে।
প্রতিবেদনগুলো বলছে, এসব হিসাবের পেছনে বিভিন্ন অনুমানে ভর করে জ্বালানি তেল ও ডলারের দাম পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। যদি বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের বড় রকমের অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন না ঘটে, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার ১০ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে যদি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ে, তবে আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং সেটা রিজার্ভে চাপ তৈরি করবে। অপরদিকে, যদি সরকার অভ্যন্তরীণভাবে রাজস্ব বৃদ্ধি করে বা জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখে, তবে মূল্যস্ফীতির চাপ মন্থর হবে।
অন্যদিকে, যদি বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধি হয় এবং এর জন্য ডলার বিপরীতে টাকার মান অবমূল্যায়িত হয়, তাহলে অর্থনীতির জন্য আরও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। টাকার অবমূল্যায়নের ফলে মুদ্রাবাজার অস্থির হয়ে পড়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে হস্তক্ষেপ করতে হয়, যার ফলে রিজার্ভ কমে যায়। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সর্বশেষ, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায়, রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং ডলারের দাম কিছুটা বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু নমনীয়তা অবলম্বন করতে হতে পারে। পাশাপাশি, সরকারের রাজস্ব ও ব্যয়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জ্বালানি তেলের দাম সামঞ্জস্য করার প্রয়োজন পড়ে।
সার্বিকভাবে দেখা যায়, তেলের মূল্য বৃদ্ধি আর ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের মুদ্রার অবমূল্যায়ন দ্রুত মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর মূল কারণ, যা সরাসরি ভোক্তার ওপর প্রভাব ফেলবে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের সমন্বিত নীতিতে পরিবর্তন জরুরি, যাতে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি কম হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
-

সোনার দাম বড়সড় বৃদ্ধির নতুন রেকর্ড, ভরিতে বাড়ল সাড়ে ৬ হাজার টাকা
দেশের বাজারে আবারও প্রকাশ্যে এসেছে সোনার দামের বড় পরিবর্তন। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (৮ এপ্রিল) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকা করে বেড়ে গেছে সোনার দাম। এই নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এখন নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকাতে।
বাজুসের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দাম প্রত্যেকের জন্য আজ থেকেই কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য প্রতি ভরি ২,৫২,৪০৯ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের ভরি দাম ২,৪০,৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য এটি ২,৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
সোনা যেনো মাত্রা বাড়ছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে রুপারও দাম। এবার প্রতি ভরি রুপার দাম বাড়ল ৩৫০ টাকা, এবং এখন ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৮৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ৩ হাজার ৬১৬ টাকা।
এমন মূল্যবৃদ্ধির ফলে গ্রাহকরা এখন নতুন দামে সোনা এবং রূপা কিনতে পারেন, যা স্বর্ণালংকার শিল্প ও বাজারের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
