Category: অর্থনীতি

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংসদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক মূল্য বাড়ায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এতে করে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা করা হয়েছে; মঙ্গলবার এই মূল্য ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

    বাজুস ঘোষিত নতুন মূল্য অনুযায়ী সোনার দাম (প্রতি ভরি) হলো— ২২ ক্যারেট: ২,৫০,১৯৩ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৩৮,৮২০ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,০৪,৭০৩ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৬,৭৩৭ টাকা।

    সোনার দামের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে রুপার নতুন মূল্য (প্রতি ভরি) উল্লেখ করা হয়েছে— ২২ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা; ২১ ক্যারেট: ৫,৭৭৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ৪,৯৫৭ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ৩,৭৩২ টাকা।

    আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা উদ্বেগজনক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি—ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা—সোনার মূল্য বাড়ানোর এক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত দরোবজারি সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এখন ৪ হাজার ৮২৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আগের দিকে—২৯ ও ৩০ জানুয়ারিতে মূল্য ওঠা-নামাও দেখা গেছে; ৩০ জানুয়ারি ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলারের মতো ওঠাপড়া রেকর্ড করা হয়েছিল।

    গত মাসেই বিশ্ববাজারে সোনার ব্যাপক উত্থানের প্রভাব দেশে পড়েছিল; সেই সময় ২৯ জানুয়ারি একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস এক দেশীয় রেকর্ড দাম ঘোষণা করেছিল, ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার ও পুরাতন-নতুন দরকে খেয়াল করে প্রয়োজনে আরও দর সমন্বয় করা হবে।

  • ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন ডলার

    ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী প্রেরিত রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী এ সংক্রান্ত এটি প্রথমার্ধের মোট পরিমাণ।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই আপডেটে দেখা গেছে, বিশেষ করে ১৩ ও ১৪ এপ্রিল দুই দিন মিলিয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭১ মিলিয়ন ডলার।

    তুলনামূলকভাবে গত বছরের একই সময়즙—অর্থাৎ গত বছরের এপ্রিলের প্রথম ১৪ দিনে—রেমিট্যান্স ছিল ১,২৮৪ মিলিয়ন ডলার। এই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রথম ১৪ দিনের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়েছে ২৫.২ শতাংশ।

    অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসে দাঁড়িয়েছে ২৭,৮১৬ মিলিয়ন ডলার। একই সময় গত অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ২৩,০৬৯ মিলিয়ন ডলার, ফলে অর্থবছর ভিত্তিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২০.৬ শতাংশ।

    রেমিট্যান্সে এ ধরনের প্রবৃদ্ধি সাধারণত বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গৃহস্থালি আয়কে সহায়তা করে—তাই অর্থনীতির জন্য এটি ইতিবাচক সংকেত বিবেচিত হচ্ছে।

  • বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ালো ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার

    বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ালো ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গ্রস রিজার্ভ এখন ৩৪ হাজার ৬৬০.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাব ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানের।

    আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ দেখালে পরিমাণ দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৯৭৭.৮৯ মিলিয়ন ডলার। তুলনামূলকভাবে, গত ৯ এপ্রিল গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৬৪৫.০৪ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ হাজার ৯৫২.৬৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গত কয়েক দিনে গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৫.৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুসারে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৫.২৩ মিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুযায়ী: মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় (short-term liabilities) বাদ দিলে যেটি বাকি থাকে, সেটিকেই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মাপকাঠিতে দেশের রিজার্ভের অবস্থা নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে থাকে।

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সমিতির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দামে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এ পরিবর্তনে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) একই মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দর 상승ের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়েছে, তাই ভরি ভিত্তিক দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামের বিবরণে দেখা যায়— ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির (সোনার ঐতিহ্যবাহী মান) প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রুপার দামে теж বাড়তি দেখা গেছে। বাজুস জানিয়েছে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপার ভরি দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে মাঝপ্রস্থ সংকট ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় স্থানীয় বাজারেও ওঠানামা বাড়ছে। জনপ্রিয় বিশ্ববাজার তথ্যসূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৮২৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে বছরের শুরুতে গত ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে ওঠানামা দেখা গিয়েছিল।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে তীব্র উত্থানের প্রভাবে রেকর্ড পরিমাণ বাড়তি শুল্ক হিসেবে দেশের বাজারেও এক ধাক্কায় বড় রকমের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি একদিনে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধি করে বাজুস ভালো মানের সোনার মূল্য একবারে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে গিয়েছিল — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ একদিনে বৃদ্ধি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত।

    বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দর ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব বজায় থাকলে ঘরের বাজারেও দামের ওঠানামা চলতেই পারে; তাই ক্রেতা-বিক্রেতাদের সর্বশেষ রেট অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

  • বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার

    বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই তথ্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) গ্রহণকৃত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুসারে সেই হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলারে।

    তুলনামূলকভাবে, আগের রিপোর্ট অনুযায়ী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৬৪৫ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯ হাজার ৯৫২ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গ্রস রিজার্ভে বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৫ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ হিসাব করার সময় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় (short-term liabilities) বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে তাকে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ বলা হয়।

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক ধাক্কায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সমন্বয়ের ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরি দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়, যা মঙ্গলবারের ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকার থেকে বাড়ছে।

    বাজুস সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় এবং জানায় যে নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের মতে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    বাজুস ঘোষিত নতুন দর অনুযায়ী সোনার প্রতি ভরির দামগুলো হলো: ২২ ক্যারেট—২,৫০,১৯৩ টাকা; ২১ ক্যারেট—২,৩৮,৮২০ টাকা; ১৮ ক্যারেট—২,০৪,৭০৩ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভর—১,৬৬,৭৩৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত রুপার ভরিপ্রতি দামগুলো হলো: ২২ ক্যারেট—৬,০৬৫ টাকা; ২১ ক্যারেট—৫,৭৭৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট—৪,৯৫৭ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি—৩,৭৩২ টাকা।

    আন্তর্জাতিক সূঁচকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার পর থেকে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বিশ্বস্ত সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্যমতে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪,৮২৩ ডলারের ওপর উঠে গেছে। একই সূত্রে বলা হয়েছে, এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি দাম ছিল ৫,২০০ ডলার ও ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে বাড়ায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট এক ভরির দাম ২ লাখ ৮৬ হাজারটাকে তুলে নিয়ে যায়—এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই পরিবর্তনটি এক ধাক্কায় করা সবচেয়ে বড় দামের সমন্বয় হিসেবে উল্লেখযোগ্য।

  • ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির আশঙ্কা

    ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির আশঙ্কা

    দেশব্যাপী ছেঁড়া, ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ এবং ময়লার মতো বদলে যাওয়া নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক শক্তভাবে নির্দেশনা দিয়েছে যে এসব নোট গ্রহণ ও বিনিময় বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে, একথা না মানলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সম্পর্কে রোববার একটি বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

    নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে ক্রেতাদের থেকে ছেঁড়া বা ফাটা ক্ষতিগ্রস্ত ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, সেই সমস্ত নোটের পরিবর্তে নতুন বা পুনর্ব্যবহৃত নোট সরবরাহের দায়িত্বও তাঁদের।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগে থেকেও এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ছিল কিন্তু এখনো বাজারে এমন ক্ষতিগ্রস্ত নোটের পরিমাণ বেড়ে চলেছে, যা সাধারণ মানুষের কাছে লেনদেনে অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    বিশেষ করে, ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট কাউন্টারগুলোতে বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের এসব ক্ষতিগ্রস্ত বা ফাটল নোটের পরিবর্তে ব্যবহৃত বা নতুন নোট দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে, যদি কোনো ব্যাংক শাখা এই পরিষেবা দিতে গাফিলতি করে বা অনীহা দেখায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এই নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৯৯১ সালের ধারা ৪৫ এর আওতায় জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • দেশে সোনা ও রুপার দাম বাড়ল, ভরি কত হলো

    দেশে সোনা ও রুপার দাম বাড়ল, ভরি কত হলো

    বাংলাদেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই দাম বৃদ্ধি সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং এর ফলে সাধারণ মানের (২২ ক্যারেট) সোনার এক ভরি দাম এখন সর্বোচ্চ ২৮৬,৫১৯ টাকায় পৌঁছেছে। এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এই দাম ছিল ২৭৭,৯৭৭ টাকা।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন দামে সোনার বিক্রি শুরু হয়েছে। তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত দামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন ২৮৬,৫১৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩৮,৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৩০,৪৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি দাম ১৬৬,৭৩৭ টাকা।

    এছাড়াও, রুপার দামে পরিবর্তন এসেছে, যেখানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    বিশ্ব বাজারে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রভাব দেশে পড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্য চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিশ্বজুড়ে সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৮২৩ ডলারের উপরে পৌঁছেছে, যা গত কয়েক মাসের তুলনায় অনেক বেশি।

    আগের মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ছিল ৫ হাজার ২শ’ ডলার। আর, ২৯ জানুয়ারির দিকে এটি বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    এদিকে, বিশ্ববাজারে টানা দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশেও সোনার দামে হু হু করে বৃদ্ধি ঘটে। বিশেষ করে, ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি এক ভরি সোনার দাম প্রায় ২,৮৬,০০০ টাকায় পৌঁছেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই সময়ে একদফা জরুরি মূল্যবৃদ্ধি করে বাজুস। এর ফলে, সোনার দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে, তা সেটির ইতিহাসে একেবারেই নতুন দিগন্ত স্থাপন করেছে।

  • দেশের রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    দেশের রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন এটি দাঁড়িয়ে আছে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ মোট ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার এই তথ্য প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ হলো ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার।

  • বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করেছে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য

    বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করেছে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য

    বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক খাতে সুদের হার নির্ধারণে স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নতুন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। সোমবার ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

    সার্কুলারে বলা হয়, দেশে বিভিন্ন ধরণের ঋণচুক্তি, বন্ড, ফ্লোটিং রেটভিত্তিক আর্থিক পণ্য যেমন ডেরিভেটিভস এবং অন্যান্য আর্থিক চুক্তিতে সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য ও বাজারভিত্তিক বেঞ্চমার্কের প্রয়োজন ছিল দীর্ঘ সময় ধরে। এই প্রেক্ষিতেই, প্রকৃত আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট নির্ধারণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন এই রেটগুলোর নাম হবে ‘বাংলাদেশ ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট’ (বিওএফআর) এবং ‘ঢাকা ওভারনাইট মানি মার্কেট রেট’ (ডিওএমএমআর)। এই দুটি রেফারেন্স রেট সুদ হার নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, যা বাজারের উন্নয়ন ও কার্যকারিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সার্কুলারে আরও জানানো হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে প্রতিদিনের কার্যদিবসে এই দু’টি রেফারেন্স রেট হিসাব ও প্রকাশ করা হবে। রেট নির্ধারণের পদ্ধতি বা মেথডোলজি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে, যাতে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই তা অনুসরণ করতে পারে। এর ফলে, দেশের 금융 ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।