Category: সারাদেশ

  • দেশ বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও জামায়াতে ইসলামী ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে: মাওলানা আজাদ

    দেশ বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও জামায়াতে ইসলামী ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে: মাওলানা আজাদ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদএ বলেছেন, আজকের বাংলাদেশ রাজনৈতিকভাবে গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার জন্য জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এখন সময়ের অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি ขอ জানান, নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণের মতামত নেয়া উচিত, যা শান্তি, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করবে। এরই আলোকে তিনি সাধারণ মানুষের সাথে গণসংযোগ করেন, সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনার চেষ্টা করেন। হরিঢালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানসহ পথসভায় দাঁড়িপাল্লার মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য দাবী জানিয়ে দোয়া কামনা করেন। বৃহস্পতিবার দিনভর এ সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যেখানে তিনি পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের হরিদাসকাটিসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা বুলবুল আহম্মেদ, সেক্রেটারি মোঃ আলতাফ হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবু জার গিফারী, বায়তুলমাল সম্পাদক ইয়াসিন শারাফাত, পাইকগাছা উত্তর থানার সেক্রেটারি ইয়াসিন সরকার, হরিঢালী ইউনিয়ন আমীর আতাউর রহমান, সেক্রেটারি হুসাইন আহম্মেদ, সহকারী সেক্রেটারি মোঃ আসলাম বিশ্বাস, ৪নং হরিদাসকাটি ওয়ার্ডের সভাপতি মুজিবর ফকির, সেক্রেটারি ডাঃ হাসানুজ্জামান, বায়তুলমাল সম্পাদক ডাঃ এনামুল হকসহ আরও অনেক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    মাওলানা আজাদ বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এখনো জামায়াতে ইসলামীকে বিভিন্ন জুলুম নির্যাতন করে বিচ্ছিন্ন করতে পারছে না। তাই তারা কেন্দ্রীয় অফিস থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড অফিস বন্ধ করে দিয়ে, অপপ্রচার চালিয়ে এবং ইসলাম ধর্মকে জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ হিসেবে অপমান করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এসব ভয়ঙ্কর চাপ ও অপপ্রচেষ্টার পরও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা অবিচল থাকছেন। তারা আবারও সংবিধান ও সাংবিধানিক পদক্ষেপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সঙ্গে একত্র হয়ে নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, আল কুরআনের সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সব সময়কে মূল্যায়ন করতে হবে। আল কুরআনের দাওয়াতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর কাজ চলছে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ হবে আল কুরআনের ও ইসলামের দেশের আদর্শে গড়া।

    মাওলানা আজাদ সতর্ক করে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে যেকোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর দ্বারা সাধারণ মানুষের ক্ষতি হলে তার প্রমাণ অবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেই প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের ওপর অটল।

  • শত অত্যাচার, নির্যাতন, জেল, জুলুমের মধ্যেও পিছপалық করেননি তরিকুল ইসলাম: এড. মনা

    শত অত্যাচার, নির্যাতন, জেল, জুলুমের মধ্যেও পিছপалық করেননি তরিকুল ইসলাম: এড. মনা

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দলের স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের অকৃত্রিম প্রবক্তা এবং দলের দুর্দিনে সাহসী নেতা। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশ যে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, সেই সময় তরিকুল থাকলে তার গঠনমূলক পরামর্শ এবং প্রজ্ঞা দিয়ে দেশের অস্থিরতা কমাতে সহযোগিতা করতেন। মহান এই নেতার অভাব আজ দেশের মানুষ গভীর ভাবে অনুভব করছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় খুলনা মরহুম তরিকুল ইসলামের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর বিএনপি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এড. মনা আরও উল্লেখ করেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনগণের নেতা হিসেবে তরিকুল ইসলাম পরিচিত ছিলেন। তিনি নেতা-কর্মীদের চোখে একজন ‘মহান নেতা’ এবং সাধারণ মানুষের কাছেও খুব প্রিয়। রাজনৈতিক জীবনেও তিনি দৃঢ়চেতা ও অপ্রতিরোধ্য সৈনিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শত অত্যাচার, নির্যাতন, জেল আর জুলুমের মুখে পিছু হটেননি তিনি। বিএনপির রাজনীতিতে একজন আদর্শ ও অনুকরণীয় নেতা হিসেবে তিনি প্রশংসিত। তরিকুল ইসলাম এই অঞ্চলের শত শত নেতা-কর্মীর জন্য ছিলেন একজন নির্ভরযোগ্য ও প্রেরণাদায়ক অভিভাবক।

    মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, জাতীয় দুর্যোগ ও গণতন্ত্রের সংকটে তরিকুল ইসলাম ছিলেন দলের পাহারাদার। মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার জন্য তিনি ছিলেন মূল প্রেরণার स्रोत। এই আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম খান, আসাদুজ্জামান আসাদ, আব্দুল আজিজ সুমন, মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসির উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, শেখ আবু সাইদ, ইফতেখার হোসেন বাবু, শেখ মনিরুজ্জামান মনির, মাসুদউল হক হারুন, গাজী আফসার উদ্দীন, এস এম নুরুল আলম দিপু, শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, শেখ হাবিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মঞ্জুরুল আলম, জুয়েল খান, মোঃ নাজমুস সাকিব, মোঃ সওগাতুল আলম ছগীর, মোঃ আমিন আহমেদ, মিশকাত আলী, জামির হোসেন দিপু, শেখ মেহেদী হাসান, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, এস কে তুষার প্রমুখ। আলোচনা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা আল আমিন। এরপর মহানগর বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম মোর্শেদ আলমের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • খুলনার আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ফয়েজ গ্রেপ্তার

    খুলনার আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ফয়েজ গ্রেপ্তার

    খুলনার খালিশপুর থানার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী ফয়েজ মাহমুদকে নগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আজ শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ভোরে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে খুলনা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে।

    গোয়েন্দা পুলিশের ওসি তৈমুর ইসলাম জানান, আমরা মাঝেমধ্যেই কাজী ফয়েজের খোঁজ পেতাম। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারি তিনি ঢাকার বসুন্ধরায় অবস্থান করছেন। এই খবরের ভিত্তিতে ভোরে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তাকে খুলনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গে দৌড়ঝাপে ব্যস্ত পুলিশ।

    অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ বলছে, কাজী ফয়েজ নিজেকে শেখ সোহেলের বন্ধু পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। তার বিরুদ্ধে খালিশপুর থানায় নাশকতা ও অন্যান্য একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করুন

    ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করুন

    অবহেলিত পাইকগাছা ও কয়রা এলাকার উন্নয়ন ও তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন ফোটানোর জন্য বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীর বিজয় নিশ্চিত করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও ঐক্য অপরিহার্য। বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা জেলা প্রেসক্লাবে মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। তারা 강조 করেন, দলের জন্য বড় কিছু অর্জন করতে হলে ব্যক্তিগত ও দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় দলের প্রার্থীকে ঐক্যবদ্ধভাবে সমর্থন করা জরুরি, যাতে করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা একযোগে কাজ করে দলীয় বিজয় নিশ্চিত করতে পারে। এই জনসভায় বক্তব্য রাখেন, মনিরুল হাসান বাপ্পী নিজেও, আরও ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং এলাকাবাসী। তারা বলেন, এই অঞ্চলের ঐতিহ্য অনুযায়ী উন্নয়নের জন্য প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য ভোট আহ্বান করতে হবে। প্রার্থী আরও জানান, নির্বাচিত হলে তিনি এই এলাকায় টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ চালাবেন। এর মধ্যে রয়েছে টেকসই ভরাট বাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানি সরবরাহ, মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশ, উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, ব্যবসার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি ও বেকারত্বের যন্ত্রণা দূর করা। মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের উন্নয়নের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী, এলাকাবাসী, বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্বরা। এই দিন মনোনীত প্রার্থী বাপ্পীর জন্য নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে একত্রিত ও উদ্দীপ্ত হয়।

    অপরদিকে, কয়রা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কর্মী সভা ও প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যিনি প্রধান বক্তা হিসেবে মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীর পক্ষে ব্যাপক সমর্থন ও উৎসাহ প্রদান করেন। এই সভায় নেতৃবৃন্দ প্রতিবেদন করেন, প্রাণবন্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয় এবং এলাকার উন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনা ও দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করা হয়। সভায় সব স্তরের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনআঙ্কে প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • নির্বাচন শুধু মাঠের প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, ভার্চুয়াল জগতেও প্রচার জোরদার করতে হবে: হেলাল

    নির্বাচন শুধু মাঠের প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, ভার্চুয়াল জগতেও প্রচার জোরদার করতে হবে: হেলাল

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেন, বিএনপি ইতিমধ্যে চারবার দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা কখনোই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি সতর্ক করে বলেন, “অভিজ্ঞতা ছাড়াই কোনো দলকে ক্ষমতায় আনলে দেশে প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে।”

    বৃহস্পতিবার সকালে রূপসা, তেরখাদা এবং দিঘলিয়া উপজেলার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আইচগাতী প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত নির্বাচন পূর্ব প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হেলাল আরও বলেন, এ বছর নির্বাচন কেবল মাঠের প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ভার্চুয়াল দুনীতেও প্রচার জোরদার করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “এখন ডিজিটাল যুগ, তাই ফেসবুক, ইউটিউব ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের প্রচার বাড়ানোর দায়িত্ব আমাদের সবাইকে নিতে হবে।”

    তিনি জানান, নির্বাচনী এলাকার ১৪৪টি ভোট কেন্দ্রের জন্য কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন ও মহিলাদের জন্য পৃথক কেন্দ্র কমিটি করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধানের শীষে ভোট চাওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি বাবু উজ্জ্বল কুমার দাস, যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, সেতারা সুলতানা, আজিজুল ইসলাম, আনিস, সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি কামরান হাসান, আবুল কাশেম, রেজাউল ইসলাম, শাহানাজ সহ জেলা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুলের শ্বশুরের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • দাকোপের ঝপঝপিয়া নদী ভাঙন: ২০ হাজার মানুষ আতঙ্কে

    দাকোপের ঝপঝপিয়া নদী ভাঙন: ২০ হাজার মানুষ আতঙ্কে

    দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের মৌখালী গ্রামে ভয়াবহ নদী ভাঙনের কারণে আতঙ্কে জীবন যাপন করছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এ নদী বাঁধটি দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে জনমত গড়ে উঠেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যদি এ বাঁধ সংস্কার করা না হলো, তবে এটি এক মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে, যার ফলে পানখালী ও তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। এছাড়া পাউবো’র ৩১ নম্বর পোল্ডারের বিভিন্ন এলাকার নদীর পানি স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৪ ফুট বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নদী ভাঙনের আশংকা বেড়েছে। মৌখালী, পানখালী, লঙ্খোলা, খাটাইল, কাটাবুনিয়া, হোগলা বুনিয়া সহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ২ হাজার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। একই সময় ভদ্রা, আন্ধার মানিক, পশুর, ঢাকী, শিবসা নদীর পানি শুধু বৃদ্ধি পেয়ে পরিস্থিতি আরো সংকটগ্রস্ত করে তুলছে। এ সকল নদী ভাঙন দ্রুততর না হলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঠেকে রয়েছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, কিছু দিন আগেই মৌখালী গাজী বাড়ির সামনে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেবার কারণে এখন বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পানিবেষ্টিত এ বাঁধের অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে পড়েছে। জনসাধারণের মানবিক বিপর্যয় এড়ানোর জন্য দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠে এসেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীর কথায়, পাউবো কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহম্মেদ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, দ্রুত বিকল্প বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মধুসুদন পাল জানান, সরেজমিন পর্যবেক্ষণ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি সংস্কারের জন্য পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। আশেপাশের অন্যান্য নদীর ভাঙন রোধে কার্যক্রম চালানোর জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

  • নিষিদ্ধআ.লীগের সাবেক এমপি পীযুষ কান্তি আর নেই

    নিষিদ্ধআ.লীগের সাবেক এমপি পীযুষ কান্তি আর নেই

    আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) ভোরে যশোরের বেজপাড়া এলাকার এক ভাড়া বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য। এই সংবাদটি তার বড় ছেলে বাবলুর মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্যের বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য স্ত্রীকে নিয়ে শহরের বেজপাড়ার ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৬৬ সালে, এরপর ১৯৭৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। উল্লেখ্য, তার জীবনমুখী আন্দোলন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি দেশের জন্য পরিচিত একজন প্রবীণ নেতা ছিলেন। এখন তার অনুপस्थिति দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসেছে।

  • কালীগঞ্জে ১৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারী আটক

    কালীগঞ্জে ১৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারী আটক

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এই প্রথমবারের মতো নতুন ধরনের মাদক ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন মাদক কারবারীকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি মাদক, যার সঙ্গে সাধারণত ইয়াবা বা হেরোইনের মতোই ভয়ঙ্কর প্রভাব রয়েছে। মাদকসেবীরা সাধারণত এই ট্যাবলেটটি বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে থাকলেও, দুষ্কৃতিকারীরা অবৈধভাবে এগুলো সংগ্রহ করে মাদক হিসেবে সেবন করছেন।

    বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কালীগঞ্জের বারবাজারের ফুলবাড়ী এলাকা থেকে এই মাদকসহ সিরাজুল ইসলাম (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে হাইওয়ে পুলিশ। সিরাজুলের পিতা জালাল উদ্দিন, তিনি ইবনে পীরজনা থানাধীন উজান গ্রামের বাসিন্দা। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে তাকে মাদকসহ কালীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

    হাইওয়ে থানার অফিসার্স ইনচার্জ আলমগীর কবির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা রাত সাড়ে ১২টায় বারবাজার ফুলবাড়ী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রেলগেট সংলগ্ন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওপর থেকে সিরাজুলকে আটক করেন এবং তার কাছ থেকে ১৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।

    অফিসার আরও জানান, এই নতুন ধরনের মাদক ট্যাবলেটটি মাদকসেবীদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি ভারতের একটি ঔষধ কোম্পানি দ্বারা তৈরি হয়, যেখানে এটি ব্যাথানাশক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়। কিন্তু দুষ্কৃতিকারীরা এই ওষুধগুলো অবৈধভাবে এনে মাদক হিসেবে বিক্রি করছেন। তারা মনে করেন, অতিরিক্ত সেবনে মাদকসেবীরা নেশার ঘোরে চলে যায়, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

    বৃহস্পতিবার মাদকসহ ওই ব্যক্তি সিরাজুলকে কালীগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, নতুন এই মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে মামলার আওতায় আনা হয়েছে।

  • পাটকেলঘাটায় ভাড়ার মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    পাটকেলঘাটায় ভাড়ার মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় ভাড়ায় চালিত এক মোটরসাইকেল চালকের মৃতদেহ আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে পাটকেলঘাটা থানার চারাবটতলা এলাকায়, যেখানে স্থানীয়রা আবিষ্কার করে তার মরদেহ বলে জানা গেছে।

    নিহত ব্যক্তির নাম মোঃ অহিদ মোড়ল (৩৪)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার খলিশখালী ইউনিয়নের হাজরাপাড়া গ্রামের মো. আব্দুর রশিদ মোড়লের ছেলে।

    স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদুল ইসলাম জানান, অহিদ মোড়ল পেশায় একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক। বুধবার বিকেলে তিনি নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন, কিন্তু রাতে ফেরেননি। ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে একই রাতে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহটি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয়রা চারাবটতলার এলাকায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

    পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, আমরা ওই এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ভাড়ার মোটরসাইকেল চালক। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মর্গে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর স্পষ্ট কারণ জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

  • খুলনায় পুলিশের ৫৯তম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

    খুলনায় পুলিশের ৫৯তম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

    খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে অনুষ্ঠিত হলো পুলিশের ৫৯তম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন মোট ৫৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী, যারা দীর্ঘ প্রশিক্ষণের শেষ পর্যায়ে এই গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্তে অংশগ্রহণ করে। সমাপনী কুচকাওয়াজের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজি মোঃ মোস্তফা কামাল। তিনি ট্রেনিং সেন্টারের প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। কেন্দ্রীয় অতিথি হিসেবে তিনি কৃতি প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও ট্রফি বিতরণ করেন। এই ব্যাচের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে সর্ববিষয়ে চৌকস হিসেবে নির্বাচিত হন শেখ আবু তুরাব, এবং মাসকেট্রিতে শ্রেষ্ঠ হিসেবে মোঃ শাকিলকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

    অ্যাডিশনাল আইজি তরুণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায্যতার প্রতিষ্ঠায় তাদের দায়িত্ব এখন আরও বাড়তি। তিনি বিশ্বাস করেন, এই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ জীবনের পথপ্রদর্শক হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পুলিশ জাতির অভ্যুত্থান, শান্তি, ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের দায়িত্ব কেবল আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা নয়, বরং সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, নারী ও শিশুদের সুরক্ষা, এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও তাদের অবদান অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় শুরু হয়েছিল পুলিশের অসাম্প্রদায়িক ও সাহসীকতার ইতিহাসের প্রথম অধ্যায়, যেখানে রাজাকারবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন পুলিশ সদস্যরাই। এই আত্মত্যাগ ও সাহসিকতা আমাদের জাতীয় গর্ব। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব গড়তে এই প্রশিক্ষিত তরুণরাই মূল ভূমিকা পালন করবে। তারা জনগণের আস্থা অর্জন করে দেশের সেবায় নিয়োজিত হবে। পাশাপাশি, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ সুনামের সাথে অংশ নিচ্ছে। প্রধান অতিথি নবীনদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, দেশের গৌরব রক্ষা, সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে সমাজে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করুন।

    উপস্থিত ছিলেন খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোঃ মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া, জাহানাবাদ সেনানিবাসের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সাজ্জাদ হোসেন, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তারা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবকগণ। অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা তরুণ প্রজন্মের এই প্রশিক্ষণের গুরুত্ব গুরুত্ব দেয়। এটি ছিল একটি গর্বের মুহূর্ত, যেখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই তরুণরা ভবিষ্যতের प्रहरी হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করে উঠছে।