বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দেশের shining নেতা তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ এক আয়োজনের আয়োজন করেছেন খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। বৃহস্পতিবার খালিশপুর ৩নং ক্যাম্পে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়, যা ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) খুলনার সহযোগিতায় আয়োজিত। এই ক্যাম্পে অসংখ্য অসুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ চিকিৎসা, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণের সুযোগ পান। ডা. সালেহ আহমেদ পলাশের সভাপতিত্বে, সঞ্চালনায় বেলাল হোসেন সুমন এবং ড্যাবের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা— ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, ডাঃ আবু বকর, ডাঃ জুয়েল, ডাঃ জাকারিয়া, ডাঃ নিশান, ডাঃ হাসান ও ডাঃ প্রমিস— অবদান রাখেন। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাহমুদুল হাসান পলাশসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তৃতায় রকিবুল ইসলাম বকুল বিশ্বাস করেন, বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তিনি যোগ করেন, “মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর যে স্বপ্ন তারেক রহমান দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা জনগণের সঙ্গে আছি এবং থাকবো।” ক্যাম্পে আসা রোগীদের উদ্দেশে বকুল ঘোষণা করেন, “যেসব ওষুধ তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া সম্ভব হয়নি বা যেসব টেস্টের প্রয়োজন, সবকিছুর দায়িত্ব আমাদের। প্রতিটি টেস্ট ও ঔষধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।” তিনি আরও জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চালু করা হবে, এবং শীঘ্রই চক্ষু শিবিরও পুনরায় চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের ছাত্রদের উন্নতির কথা উল্লেখ করে বকুল বলেন, “পয়সার অভাবে কোনো ছেলে- মেয়ে যেন স্কুলে ভর্তি হতে না পারে বা বইয়ে অপ্রাপ্ত হয়, এটা আমরা হতে দেবে না।” মেডিকেল ক্যাম্প শেষে বকুল ৩নং ক্যাম্পের এলাকায় গণসংযোগ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বলার সময় তিনি বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশকে নতুন ভাবে গড়ে তুলতে নিরলস পরিশ্রম করছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ুতার জন্য দোয়া চান, এবং সকলের কাছে আশীষ পরিচালনা করেন। শেষে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় কার্যক্রম শেষ হয়।
Category: সারাদেশ
-

নির্বাচন ও নাগরিক প্রত্যাশা: শঙ্কা ও উপায়ে সমাধান
নির্বাচনের আয়োজন কেন্দ্র করে নাগরিকদের মধ্যে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত ও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার খুলনায় নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে আয়োজিত প্রাক-নির্বাচনী আঞ্চলিক পরামর্শ সভার শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সাধারণ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে নাগরিক ইশতেহার প্রস্তুত হচ্ছে। কিন্তু শুধু ইশতেহারে অংকিত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের জন্যও সকলকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি এ ব্যাপারে আরও বলেন, নাগরিকদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা হলে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় অগ্রসর হবে না। তাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছতা অপরিহার্য। চট্টগ্রামের বন্দর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশ্নে ড. ভট্টাচার্য বলেন, দেশের অর্থনীতির বিকাশের জন্য এই বন্দর ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন জরুরি। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে এটি আরও সক্রিয় ও স্বচ্ছ করে তুলতে হবে। তবে সংস্কার যদি বেঠিক পদ্ধতিতে হয়, তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত হবে না। বন্দরের অস্বচ্ছতা ও ধীরগতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁদের প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরেন। তারা কর্মসংস্থান, উপকূলীয় মানুষের সুবিধা, সুন্দরবন সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এ সমস্ত বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা তাদের করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় করেন এবং সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণে আগামী সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার খুলনায় এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও বাংলাদেশ আয়োজিত আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, জনগণের আস্থা না থাকলে নির্বাচন প্রকৃত গণতান্ত্রিক রূপ পায় না। তাই স্বচ্ছতা, মুক্ত আলোচনা ও সততার ভিত্তিতে আস্থা ফিরিয়ে আনাই একমাত্র সমাধান। দেশ বর্তমানে নির্বাচনমুখী হলেও, কেমন নির্বাচন হবে এই প্রশ্ন এখনো উদঘাটিত হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে সাধারণ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে নাগরিক ইশতেহার প্রস্তুত করার ব্যাপারে মনোযোগী হওয়া। নাগরিকের কণ্ঠস্বর নেতাদের কাছে পৌঁছানো জরুরি, কারণ শুধু ইশতেহারে লেখা বা সংযুক্ত করলেই তা বাস্তবায়িত হয় না—সবারই নিজের স্বীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে। সভায় বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের সম্ভাবনা দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও তার বাস্তবায়ন এখনও দৃশ্যমান নয়। পদ্মা সেতুর চালু হওয়ার পরও সেই প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না, জমির মূল্য বৃদ্ধি পেলেও কর্মসংস্থান বা শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি জোগানো এখনও ব্যর্থ। তিনি আরও বলেন, যারা এই অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হবেন, তারা অবশ্যই আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করবেন। ভোটাধিকার প্রয়োগের পরদিন থেকেই গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজ নিশ্চিত করবে তার যথাযথ বাস্তবায়ন। সভার সমাপনী বক্তব্যে সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান উল্লেখ করেন, জোট বা দল যা কিছু করুক না কেন, সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন না করলে নির্বাচন মানেই ন্যূনতম গণতন্ত্রের প্রতীক হয় না। অতএব, স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে আস্থা ফিরিয়ে আনা আমাদের দেশের জন্য সময়ের দাবি। এ সম্মেলনে রাজনৈতিক নেতা, সচেতন নাগরিক, শিক্ষক, গবেষক, আইনি প্রতিনিধি, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন। এখানে উল্লেখ্য, খুলনা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা রাখেন উন্নত কর্মসংস্থান, উপকূলীয় এলাকার সুবিধার সম্প্রসারণ, সুন্দরবন সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য।
-

বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল
প্রধান অতিথি হিসেবে দিঘলিয়ার চন্দনী মহলে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী বা মাদক ব্যবসায়ীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। আমরা প্রতিহিংসা নয়, পরিবর্তনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।’ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বুধবার দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ, সুধী সমাবেশ, বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। তিনি সেখানে ‘একটি বাড়ি, একটি গাছ’ শ্লোগান নিয়ে সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষা করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশের প্রতি সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে হেলাল বলেন, দিঘলিয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো ঠাঁই নেই। বিএনপি কখনো অপরাধীদের পৃষ্টপোষকতা করে না। অপরাধীর পরিচয় তাকে তার অপরাধ; সে সেটা কোনো রাজনৈতিক দলের হতে পারে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। হেলাল আরও বলেন, স্টার জুট মিলসহ এই অঞ্চলের বন্ধ হয়ে থাকা সব শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করা হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। অ্যাকসেসের বিশুদ্ধ পানির সংকট দুরু করতে আধুনিক ওয়াটার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। পুরো এলাকাটি পরিকল্পিতভাবে উন্নত নগরায়নের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের ফ্যাসিস্ট মাফিয়া চেহারা এবং বিদেশে পালানো নেতারা ব্যর্থ। এ সুযোগে জামায়াতও নিজেদের বিকল্প হিসেবে দেখাচ্ছে, কিন্তু জনগণ বিএনপিকেই পরিবর্তনের আস্থা হিসেবে ধরা đang। সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেখ মোসলেম উদ্দিন, উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
-

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান
প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং শইভাবে গণতন্ত্রের জন্য সুদৃঢ় ভিত্তি নির্মাণের ওপর জোর দেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, আমাদের যদি আসল অর্থে টেকসই ও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়, তাহলে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার উদ্দেশ্য হলো, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত ও সুদৃঢ় করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপির উপর এই বিষয়ে বেশি দায়িত্ব আসে, তাদের প্রত্যেকের উচিত এমন একটি শক্তিশালী মোর্চা গঠন করা, যা অতীতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, ভবিষ্যতেও লড়বে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সাংগঠনিক রূপ দেবে। তিনি মনে করেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে পথ চলতে হবে।
গতকাল বুধবার বোর্ডের আহসানউল্লাহ কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সিটি গার্লস কলেজ, খুলনা কলেজ ও পল্লীমঙ্গল স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এরপর তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম খন্দকার আবু সিদ্দিক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মিনু, অসুস্থ ইসমাইল হোসেন ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীর বাসভবনে যান এবং তাদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন।
বেলা শেষে তিনি তেঁতুলতলা মোড়ে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার কল্যাণ সমিতি ও সোনালী ব্যাংক খুলনা জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে উৎসাহ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং এর জন্য সংগ্রাম করে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষও শত শত বছর ধরে তাদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে এসেছে। তাই, গণতন্ত্রের এই ভিত্তিকে মজবুত করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই সংগ্রাম ও লড়াই শুধু বর্তমানে নয়, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যও অপরিহার্য।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশিষ্ট নেতা, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তারা সবাই তাঁকে শুভেচ্ছা ও আয়োজিত নির্বাচনে সফলতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। সাথে ছিল উন্মুক্ত আলোচনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পরিকল্পনা। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশের ইতিহাস আর সংগ্রামের ধারায় গণতন্ত্রের প্রতিটি সোপানই আমাদের অর্জন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে, সকলের ঐক্য ও উদ্যোগ এই সংগ্রামের মূল শক্তি।
-

নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান
জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া মানুষের মূল সমস্যা কোনোদিনই সমাধান হবে না—এই কথা বলেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারছেন না কারণ বর্তমান বা পূর্ববর্তী কোনো সরকারই ভোটে নির্বাচিত হয়নি। একটি নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন তথা সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে পারে।
বুধবার বিকালে নগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আমাকে যখন বলা হয়, ভালো আছি—আসলে আমরা যতটা ভালো থাকার কথা, ততটা পরিবার, ব্যবসা ও শ্রমিকেরা ভালো নেই। বেকার যুবক, ব্যবসায়ীরা এবং শ্রমিক সমাজ আজ সংকটে পড়েছে কারণ অনির্বাচিত সরকার দেশের কল্যাণে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে যে সরকার ছিল, তারা নির্বাচিত ছিল না, এখনকার সরকারও আসলে নির্বাচনপ্রার্থী নয়। এই অপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে না। তারা আমাদের বন্ধ মিলে কাজ করতে পারেনি, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান দিতে পারেনি, শিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়নি এবং বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি।
সমাধানের জন্য তিনি বলেন, ভোটে নির্বাচিত সরকারই হবে মূল প্রতিশ্রুতিশীল। তারা হলে বন্ধ ব্যাবসাগুলি পুনরায় চালু হবে, চাকরি বাড়বে, ঘরে ঘরে সাশ্রয়ী মূল্যেসামগ্রী পৌঁছাবে এবং চিকিৎসা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বকুল বলেন, ইনশাল্লাহ, সকলকেই সতর্ক থাকতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে নিজের পছন্দের সরকার নির্বাচিত করতে হবে, যারা সত্যিই জনগণের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আলমনগর বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ বাহারুল ইসলাম বাহার। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. শেখ মোঃ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস। সভায় সঞ্চালনা করেন আলমনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এফ. এম. হাদিউজ্জামান আরিফ। আরও উপস্থিত ছিলেন আলমনগর বাজার বনিক সমিতির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আঃ সালাম মোল্লা, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি কাজী একরাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ সালাহউদ্দিন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
-

কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাঁর বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যান। এ ঘটনা দেখে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি নিজে জানিয়েছিলেন। তার বড় ছেলে আশিক জানান, স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা তার বাবাকে ধরিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন, বাসায় ফেরার সময় সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ তার বাবাকে তুলে নিয়ে যায়। তার খালাতো ভাই জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগে থেকেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মোহাম্মদপুরে থাকছিলেন লাল্টু। এর আগে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছিলেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বহুল প্রত্যাশিত এই গ্রেফতারে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন মহলের মতামত প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে।
-

নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন
খুলনায় সদ্য যোগদানকারী নতুন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ গতকাল বুধবার দুপুরে নগর ভবনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে। এতে সিটি কর্পোরেশনের সব বিভাগ ও শাখা প্রধানের সঙ্গে কেসিসি পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষকগণও উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলের তোরা দিয়ে অভিনন্দন জানান।
সভায় কেসিসি’র রাজস্ব আদায়, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, এবং খুলনা মহানগরে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবেলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি আলোচনা হয়। বিভাগ ও শাখা প্রধানগণ তাদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিবরণ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কোনো বাধা নেই, এজন্য প্রশাসক প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে একটি সেবা কেন্দ্র হিসেবে উন্নীত করতে হবে এবং নগরবাসীর প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রাইভেসির বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন, যেন তথ্য ও গোপনীয়তার লংঘন না হয়।
সভার গুরুত্বপূর্ণ আলোচকদের মধ্যে ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, বাজেট ও একাউন্টস অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাদুস করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, ভেটেরিনারী অফিসার ডাঃ পেরু গোপাল বিশ্বাস, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এসকে এম তাছাদুজ্জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, চীফ এ্যাসেসর শেখ হাফিজুর রহমান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, বাজার সুপার শেখ শফিকুল হাসান, কেজি কাজী মোঃ ইমরুল হাসান, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, স্টোর সুপার উজ্জ্বল কুমার সাহা, নিরাপত্তা সুপার মোঃ আলমগীর কবির বিশ্বাস, লাইসেন্স অফিসার খান হাবিবুর রহমান ও মোঃ দেলওয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা এসব আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ভবিষ্যতের কার্যক্রমে সফলতা প্রত্যাশা করেন।
-

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই
দিঘলিয়া উপজেলায় সারাদিনব্যাপী নির্বাচনী ও জনসেবা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটেই ভুলে গিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি, আর সেই ভোটে জনগণের বিপ্লব হবে, ইনশাআল্লাহ।
বুধবার সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, বৃক্ষরোপণ, পথসভা, মতবিনিময় ও নির্বাচনী প্রচার চালান তিনি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে আরুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে “একটি বাড়ি একটি গাছ, সবুজায়নের অঙ্গীকার” শ্লোগানে শিক্ষার্থীদের সাথে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে স্কুলে শিক্ষকদের সাথে বিশেষ আলাপচারিতায় বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষ্য, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে শিক্ষায় এবং পরিবেশের ক্ষেত্রে উন্নত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হবে।
দুপুরে তিনি পূর্ব আমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সাথে আবারও বৃক্ষরোপণ করেন এবং শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করেন। সাথে দূরবর্তী মাঠে মাধপুর ওয়ার্ডের নির্বাচনী পথসভায় বলেন, ভোটাধিকার থেকে দীর্ঘদিন মানুষ বঞ্চিত হলেও এবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে, বিএনপি হলো সাধারণ মানুষের দল। এ সময় তিনি confidently জানিয়েছেন, জনগণের রায় অনুযায়ী বিএনপি সরকার গঠন করবে।
দুপুর দেড়টায় রাধা মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারো বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালানো হয়, যেখানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এরপরে তিনি কামারগাতী বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়, দোকানপঠে লিফলেট বিতরণ এবং নঈম মোল্লার কবর জিয়ারত করেন। লাখোহাটি বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের সাথে আলোচনা করেন, তাদের সমাধান ও উন্নয়নের বিষয়ে। বিকালে বারাকপুরে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপভোগ করে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
সন্ধ্যায় একটি মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় তিনি বলেন, রূপসা, দিঘলিয়া ও তেরখাদার মানুষদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং মানবিক উন্নয়নের স্বার্থে বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে হবে। বিএনপি সরকার মার্কা হলে অবহেলিত এলাকা উন্নত, বেকারত্ব কমবে, আধুনিক সড়ক, ব্রিজ, হাসপাতাল ও অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দিঘলিয়া এক আধুনিক এলাকায় পরিণত হবে।
বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেমন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান মিন্টু, অর্থাৎ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা।
-

খুলনা নদ-নদী থেকে অর্ধশতাধিক লাশ উদ্ধার, হত্যার রহস্য রহস্য উন্মোচন হয়নি
খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, দেশের মানুষের মধ্যে দেড় যুগ পর আবারও নির্বাচনের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ লকডাউনের নামে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, যা সরকারের ভিতরে থাকা স্বতঃস্ফূর্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসী গ্রুপের এই অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানান তিনি। আওয়ামী লীগ ইন্ধনে দেশের বিভিন্ন এলাকাতে অরাজকতা, নৈরাজ্য ও খুনের ঘটনা বেড়েই চলেছে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিক দিয়ে এগোচ্ছে়। তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছর ধরে গড়ে উঠা অন্ধকারাচ্ছন্ন ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীদের দ্বারা দেশবাসীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ এই সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ। এই মন্তব্য করেন তিনি, খুলনার জিরো পয়েন্ট এলাকায় শনিবার বিকালে এক বিক্ষোভ মিছিলের পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা খুলনার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, খুন, ছিনতাই ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।
-

মায়ের কোলই সন্তানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়
বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সন্তানের প্রথম শিক্ষা স্থানের নাম হলো মায়ের কোলে। সন্তানের ভালোবাসার স্পর্শে মায়ের চোখে যে অশ্রু ঝরে, তা অত্যন্ত মূল্যবান এবং অকৃত্রিম। গতকাল মঙ্গলবার সকালে খুলনার বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মা দিবসের উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মঞ্চে উঠে তাঁদের মায়েদের পা ধুয়ে দেয়, যা পুরো পরিবেশটিকে এক আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্তে রূপান্তর করে। বকুল বলেন, মায়ের চোখের জল সাধারণ নয়; এটি ভালোবাসার অমূল্য প্রকাশ। একজন মা কতটা আবেগাপ্লুত হন তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অনন্য আয়োজন নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনে যত বড়ই হও না কেন, মনে রাখো যে প্রতিটি সাফল্যের পেছনে মা-ই থাকেন, তার ত্যাগ, দোয়াসহ নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। শুধু মা দিবসেই নয়, প্রতিদিন মা কে সম্মান জানানো শিখো। বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগকে তিনি ‘যুগান্তকারী’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যে সমাজে মায়ের সম্মান সর্বোচ্চ স্থান পায়, সেই সমাজ কখনও পিছিয়ে যেতে পারে না। অনুষ্ঠান শেষে বক্তারা শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা করেন। এতে অংশ নেন সহকারী প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, গার্ডিয়ানের সাবেক সভাপতি মৃধা জামাল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও অভিভাবকগণ। এই কর্মসূচি পুরো পরিবেশে এক আবেগপূর্ণ ও আনন্দময় মুহূর্তে সম্পন্ন হয়। পরে রকিবুল ইসলাম বকুল দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৫ সালের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এ সময় মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা উপস্থিত ছিলেন।
