Category: সারাদেশ

  • পিএসসির আলোচিত ড্রাইভার আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার

    পিএসসির আলোচিত ড্রাইভার আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার

    বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।

    আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সৈয়দ সোহানুর রহমান অর্থাৎ সিয়ামকে দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের আশেপাশে ঘোরাঘুরি অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়।

    সিয়াম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহ-সম্পাদক ছিলেন।

    দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি, তার নামে ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদ এবং প্রায় ৪৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আজ সেসব মামলার নিষ্পত্তিতে সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সিআইডি পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। সেই সময় বিচারের জন্য তদন্ত শুরু করে দুদক।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে আবেদ আলী ও তার ছেলে সোহানুর রহমান সিয়াম জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এই সমস্ত ঘটনা বাংলাদেশের একাধিক উচ্চপ্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নামে চারিদিকে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা দেশের ভাবমূর্তি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দেয়।

  • আপনার ভোটের অধিকার, যা খুশি তাতে দিতে পারেন

    আপনার ভোটের অধিকার, যা খুশি তাতে দিতে পারেন

    খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভোটের ব্যাপারে আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থীরা আসবেন এবং এটি তাদের অধিকার। পাশাপাশি, কাকে ভোট দিবেন, সেটা কিনা আপনার একটি স্বতন্ত্র অধিকার। এই গুরুত্বপূর্ণ অধিকার কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া হবে না, সেটি নিশ্চিত করবেন নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। আপনি যার পক্ষে মনোযোগী, তারই পক্ষ ভোট দিবেন, এটা হচ্ছে সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই প্রক্রিয়াকে কেউ বাধা দিতে পারবেনা বা বাঁধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বাগেরহাট সদর উপজেলার মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত গনভোটের প্রচার এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

    তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই ভোটের উপর। যে মানুষটি ভোটে হ্যাঁ বলবে, সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কিভাবে দেশ চলবে তা নির্ধারিত হবে। দেশের দায়িত্ববাহী মানুষ নির্বাচন করবে আপনারা, সুতরাং এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। আগামী পাঁচ বছরে দেশের চলার পথ কোনদিকে যাবে, সেটি আপনাদের ভোটের উপর নির্ভর করছে। তাই সবাইকে এই গণভোটে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেন তিনি।

    বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনসার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম। এতে শিক্ষক, ইমামসহ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    অপর দিকে, একই দিনে সকালেই গনভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে ইসলামী ফাউন্ডেশন অনুমোদিত বাগেরহাট জেলা পর্যায়ের ইমাম সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমান এবং প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন।

    শ্রেষ্ঠ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনসার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুইনুল ইসলাম, কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কালাম শাহেঅসহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।

    সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব, জাতীয় নির্বাচন এবং যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করার বিষয়গুলি আলোচনা হয়। বিশেষ করে, মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আলোচনা করে গণভোটের গুরুত্ব ও সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়। এ দায়িত্বে থাকা ইমামদের প্রতি বিশ্বাস এবং তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বসহকারে অনুরোধ জানানো হয়।

    জেলা পর্যায়ের এই ইমাম সম্মেলনে প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিকের ধর্মঘটের ঘোষণা

    খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিকের ধর্মঘটের ঘোষণা

    খুলনা বিভাগীয়ের ট্যাংকলরী মালিক ও শ্রমিকরা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ না পাওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় রবিবার দুপুরে কাশিপুর মোড়ে ট্যাংকলরী ওনার্স ভবনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেছিলেন, বিএসটিআইয়ের আদেশ অনুযায়ী প্রতিটি ট্যাংকলরীতে ৫০০ থেকে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল প্রয়োজন হলেও, ডিপো থেকে ডিলার ও এজেন্টদের চাহিদামতো তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এর ফলে অনেক খুচরা বিক্রেতারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, বিএসটিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী ৫০০ থেকে ৯০০০ লিটার তেল সরবরাহের বিষয়টি সরকারকে মানতে হবে। তারা জানিয়েছেন, এই দাবিগুলো মানা না হলে তারা আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেবে। এরপর অনির্দিষ্টকাল ধরে এই ধর্মঘট চলবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগের ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এম মাহবুব আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোড়ল আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টু, শ্রমিক সংগঠনের নেতারা মীর মোকসেদ আলী, এনাম মুন্সি, আলী আজিম, গাজী মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নতুন ‘হেলথ কার্ড’ চালু হবে

    প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নতুন ‘হেলথ কার্ড’ চালু হবে

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানেরশীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সাধারণ মানুষের সহজে ও দ্রুত উন্নত চিকিৎসা সেবা পেতে আমাদের আগামী পরিকল্পনায় থাকছে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ। এই হাসপাতালে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের চিকিৎসা সমস্যার সমাধান হবে এবং অত্র অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। এর পাশাপাশি প্রতি নাগরিকের জন্য চালু করা হবে একটি বিশেষ ‘হেলথ কার্ড’, যার মাধ্যমে মানুষ সহজে মানসম্মত চিকিৎসা সুবিধা লাভ করতে পারবেন। এই হেলথ কার্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কম খরচে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

    গতকাল রবিবার বাদ জোহর, ১৪নং ওয়ার্ডের মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বকুলতলা ১নং সড়কে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল ইউনিট বিএনপি’য় আয়োজিত এক নাগরিক শোকসভা ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিট বিএনপি’র সাবেক পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মোতালেব। উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল।

    উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সাবেক সচিব বাশারুল কবির, ডা: হারুনর রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার পরিমল কুমার দাস, প্রফেসর শেখ ফজলুর রহমান, খ্রিস্টান প্রতিনিধি জোহান মন্ডল, ব্যাংকার খালিদ বাবু, স্থানীয় মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি শুভাষ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় নন্দী, নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন, সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল, খালিশপুর থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক শাহনাজ সরোয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে, বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোফতী আবু সাঈদ। এই দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক উপস্থিতি ছিলেন।

  • সকলের ঐক্যই আমাদের রুখতে পারে কোনও ষড়যন্ত্র: মনজু

    সকলের ঐক্যই আমাদের রুখতে পারে কোনও ষড়যন্ত্র: মনজু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মনজু বলেছেন, দেশব্যাপী জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়েছে। ৫ আগস্টের ‘ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে’ সফলতা পাওয়া এবং দেশকে নতুনভাবে স্বাধীনতা উপহার দেওয়া হলেও, দেশের মুক্তির স্বপ্নের শান্তি এখনও সম্পূর্ণ হয়েছে বলে মনে করতে পারছে না কেউ। কারণ, দেশের শত্রুরা দমে যায়নি; দেশি-বিদেশি নানা চক্রান্ত এখনও চলছে। তিনি রবিবার দুপুর ১২টায় খুলনা শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজার ধানচাল বণিক সমিতির আয়োজনে, মরহুমা নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলে এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মনির আহমেদ এবং বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোহায়েমেন কালু, বিদ্যুৎ দাস, গোপাল চন্দ্র সাহা, সৈকত আহমেদ রাজু, গোলাম মোর্শেদ, তাজুল ইসলাম পাটোয়ারি, রূপকুমার ভৌমিক ও প্রসিত কুমার সাহা।

    আঁশর বাদ ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে, মরহুমা খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে, বিএনপির নেতা ইশহাক তালুকদারের সভাপতিত্বে ও এড. মশিউর রহমান নান্নুর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মনজু বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মৃত্যুর মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ আমাদের মধ্যে নেই, তবে তিনি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে, সকল দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে কোনও ষড়যন্ত্রই আমাদের দমাতে পারবে না। তিনি দেশের গণতন্ত্রের ধারকজন, নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবাই দোয়া প্রার্থনা করেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহীন, সৈয়দা নার্গিস আলী, এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, রেহেনা ঈশা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেদী হাসান দিপু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শের আলম সান্টু, একরামুল হক হেলাল, আনোয়ার হোসেন,নিজাম উর রহমান লালু, এড. গোলাম মওলা, মুজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, শরিফুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, বেগ তানভিরুল আলম, কামরান হাসান, মহিউদ্দিন টারজান, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, ওহেদুর রহমান দিপু, মঞ্জরুল আলম, জিএম রফিকুল হাসান, মনিরুল ইসলাম মাসুম, মাজেদা খাতুন, মুন্সি ওহেদুজ্জামান খসরু, কামাল উদ্দিন, শামীম আশরাফ, শামীম খান, সাইফুল মল্লিক, এড. রফিকুল ইসলাম, শরিফুর ইসলাম সাগর, ইব্রাহিম হাওলাদার, জাকির হোসেন, হাফিজুর রহমান খান তুষার, মিজানুর রহমান মিজান, শেখ শাহিন, কাজী আবুল কালাম আজাদ, রাসেল ফরাজী, সুলতান মাহমুদ সুমন, ফারুক হোসেন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, রোকেয়া ফারুক, হাবিবুর রহমান খান, কামরুল ইসলাম, মাসুম সিদ্দিক, তারেক হাবিবুল্লাহ, হাসান হাওলাদার, সেলিম বড় মিয়া, আরিফুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, আরিফুল ইসলাম, আশিকুর রহমান সেলিম, জামাল, রিপন, মামুনুর রহমান রাসেল, মুরাদ হোসেন প্রমুখ।

  • খুলনা যৌথ বাহিনীর অভিযান: দুই সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    খুলনা যৌথ বাহিনীর অভিযান: দুই সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    খুলনা coast guard এর অভিযানে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে বিদেশি অস্ত্র, তাজা গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে চালানো এই অভিযানের তথ্য জানান কোস্ট গার্ড এর মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

    অভিযানের ব্যাপারে কোস্ট গার্ড জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর ৭টার দিকে খুলনার বাগমারা এলাকার চেয়ারম্যান বাড়ির কাছাকাছি স্থানীয় নৌবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে শাকিল আহমেদ (২০) ও তরিকুল ইসলাম তৌহিদ (২৫) নামে দুজনকে আটক করা হয়।

    আটককৃতদের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা আরও কিছু অস্ত্র ও গাঁজা লুকিয়ে রেখেছেন। এর ভিত্তিতে কাঠালতলা মোড়, মিস্ত্রিপাড়া ও টুটপাড়া সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এক বিদেশি রিভলভার, একটি বিদেশি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, সাতটি তাজা গুলি, একটি ম্যাগাজিন এবং ৩৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    আটক করে রাখা ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া এসব অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য খুলনা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবরার হাসান জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, মাদক ও অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে কর্তৃপক্ষ।

  • খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ইসলামী বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়েরের আবেদন গ্রহণ করেছে খুলনা আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই মামলা দায়েরের জন্য খুলনা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত উপযুক্ত বলে বিবেচনা করেন। মামলাটি করেন কোকো স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।

    আদালত সংশ্লিষ্ট বিচারক আসাদুজ্জামান খান এ বিষয়ে বলেন, তারা এই আবেদন গ্রহণ করেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসিকে। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ মে।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার নিশ্চিত করেছেন যে, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচারিত একটি ওয়াজ মাহফিলে মুহত্য আমির হামজা আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। এর ফলে কোকোর পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মানহানি হয়েছে এবং তাদের মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

  • সাতক্ষীরা-৩ আসনে মনোনীত প্রার্থীদের সম্পদের বিশ্লেষণ ও নির্বাচনী পরিস্থিতি

    সাতক্ষীরা-৩ আসনে মনোনীত প্রার্থীদের সম্পদের বিশ্লেষণ ও নির্বাচনী পরিস্থিতি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামনের দিকে এগিয়ে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন, জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশার এবং বিএনপি থেকে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ মো. শহিদুল আলম। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তারা নিজেদের হলফনামা জমা দেন, যেখানে তাদের অর্থ-সম্পদ ও আয়ের বিশদ বর্ণনা রয়েছে।

    বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীনের ব্যক্তিগত স্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থের পরিমাণ মাত্র ৩ লাখ টাকা এবং ব্যাংকে ২০ হাজার টাকা জমা রয়েছে। তিনি ১০ তোলা স্বর্ণের মালিক হলেও কোনও স্থাবর সম্পদ নেই। তার মাসিক আয় ব্যবসা থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। পারিবারিক সম্পদের ক্ষেত্রে তার স্ত্রী মিসেস ফাতিমা বেগমের নামে ব্যাংকে ২ লাখ টাকা, ১০ তোলা ওজনের স্বর্ণালংকার ও এক লাখ ২০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য রয়েছে। স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা। তিনি আরও জানান তার তিন ছেলের নামেও রয়েছে বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ, যার মধ্যে রয়েছে চারটি ফ্ল্যাট, দুইটি কৃষি জমি ও বিভিন্ন অপ্রতিভ ভূখণ্ডের মালিক।

    অন্যদিকে, জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশারের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ১ হাজার ৫১২ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে ৮৬ হাজার ৪শ’, ব্যাংকের লভ্যাংশ ৫১ হাজার ৬২৬ টাকা এবং মাদ্রাসায় চাকরির বেতনের মাধ্যমে তিনি মোট আয় করেন ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮৬ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদি অর্থ আছে ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৩০ টাকা, ব্যাংক জমা ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৩ টাকা এবং একটিমাত্র গড়ি রয়েছে। স্থাবর সম্পদ হিসেবে তার কাছে রয়েছে ৩ একর কৃষি জমি ও ২০ বিঘার অংশে যৌথ মালিকানাধীন জমি। বিগত সরকারের সময় তার নামে বেশ কিছু মামলা দায়ের হয়েছিল, যার মধ্যে দুটি মামলা বর্তমানে চলমান আছে।

    বিপরীতে, বিএনপি থেকে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাদের মোট সম্পদ রয়েছে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে অস্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৫০ লাখ, এবং স্থাবর সম্পদ প্রস্তুত প্রায় এক কোটি টাকা। তার নগদ অর্থের পরিমাণ ৩৫ হাজার ১১৮ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে ৩৮ লাখ ৭০ হাজার ৮৭ টাকা, কোম্পানির শেয়ার ২৫ লাখ ৯৪ হাজার ৫৪ টাকার, এবং একটি ২৬ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি। স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ১৩৪.৫২ শতক কৃষি জমি, বসত বাড়িসহ আরও কিছু অপ্রতিবর্তনীয় সম্পদ রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, তার বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৫ হাজার ৮৩১ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খামার থেকে আয় এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, শেয়ার কেনা-বেচা থেকে ৪ লাখ ৪ হাজার quadrিশ ষসে, চিকিৎসা পেশা থেকে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ১৬৭ টাকা, জমি ক্রয় বিক্রয় থেকে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩ টাকা এবং ব্যাংকের সুদ থেকে ২০ হাজার ৭৫ টাকা আয় করেন। তাঁর স্ত্রীর নামে আছে আরও বিশাল সম্পদের হিসাব—১৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৬ টাকার আয়ের পাশাপাশি তার পৈত্রিক সূত্র, দানপত্র, নানা অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ রয়েছে totaling প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরা-৩ আসনে বর্তমানে মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা চারজনের মনোনয়ন বাতিল করেন এবং কিছু প্রার্থী আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফেরত পান। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি থেকে কাজী আলাউদ্দীন, জামায়াত থেকে হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশার, জাতীয় পার্টি থেকে মোঃ আলিফ হোসেন, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) থেকে রুবেল হোসেন, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মোঃ শহিদুল আলম।

  • খুলনায় আধুনিক শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা: ইপিজেডের আদলে উন্নয়ন

    খুলনায় আধুনিক শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা: ইপিজেডের আদলে উন্নয়ন

    খুলনার শিল্প অঞ্চল খ্যাত খালিশপুর ও দৌলতপুর এলাকার প্রাচীন গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপি ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধান শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এক ব্যাপক পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত করতে, বেকারত্ব কমাতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে তিনি একটি আধুনিক শিল্প নগরী গড়ার পরিকল্পনা করছেন, যা মূলত ইপিজেডের মতোই হবে। এটি খুলনার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।

    শনিবার বিকেলে দৌলতপুরের ৩নং ওয়ার্ডের মধ্যডাঙ্গাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাবেক চেয়ারপারসন, প্রধানমন্ত্রী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিসংবাদী নেতা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, খুলনার মূল সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে পরিকল্পিত ও আধুনিক শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এই অঞ্চলের বিশাল ব্যবসায়িক ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই শিল্পকলকারখানাগুলো।

    রকিবুল ইসলাম বকুল আরও বলেন, এই অচলাবস্থা পরির্বতনের জন্য বন্ধ কলকারখানাগুলো—বিশেষ করে জুট মিলসহ অন্যান্য কারখানা—পুনরায় চালু করতে হবে। প্রযুক্তির আধুনিকীকরণের মধ্য দিয়ে এগুলোর লাভজনক অবস্থায় ফেরানো সম্ভব। তিনি বলেন, খুলনার ভৌগোলিক অবস্থান ও মোংলা বন্দর ব্যবহারে বড় আকারের নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা খুলনায় আগ্রহী হয়ে উঠবেন, যা পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক মানচিত্রকে বদলে দিতে পারে।

    বকুলের উদ্দেশ্য হলো, ছোট-বড় সব শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবিত করে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এবং স্থানীয় যুব সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। এর মাধ্যমে খুলনার সম্পদসমৃদ্ধ ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি কাজ করছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের মাঝে নতুন আলো ও আশার সঞ্চার এই পরিকল্পনাকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।

    দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ শেখ আকরাম হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, দৌলতপুর থানা ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও শনিবার দুপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দৌলতপুরের ১ ও ৩নং ওয়ার্ডের মাঝখানে গোলকধামের মোড়ে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। শেষমেষ এক বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়, যেখানে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একজন রোল মডেল

    বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একজন রোল মডেল

    সাহসী নেতৃত্ব, দেশপ্রেম এবং আত্মত্যাগের জন্য বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদান রেখেছেন। খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দীর্ঘ কারাবাস এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কখনো তিনি প্রতিহিংসামূলক মনোভাব প্রকাশ করেননি। বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা, নীতিনিষ্ঠা, রুচিশীল নেতৃত্ব ও উদারদৃষ্টিভঙ্গির জন্য তিনি দেশের রাজনীতিতে অনুকরণীয় নেত্রী। তাঁর অসামান্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
    গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ভুক্তভোগী ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ‘খুলনাবাসীর প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। এরপর দুপুর ১২টায় বড় বাজারে কাঁচা ও পাকা মাল আড়ৎ সমিতির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়, যেখানে প্রধান অতিথির ভাষণে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খালেদা জিয়া একজন সৎ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আত্মত্যাগী ও দেশপ্রেমিক নেত্রী। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দারুণ অবদান রেখেছেন। এই অবদানগুলো দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
    উপস্থিত ছিলেন সৈয়দা নার্গিস আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, শেখ আব্দুর রশিদ, মহিবুজ্জামান কচি, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্তু, ইউসুফ হারুন মজনু, একরামুল হক হেলাল, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলামের জামিল, শমসের আলী মিন্টু, ইশহাক তালুকদার, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, মহিউদ্দিন টারজান, জি এম রফিকুল হাসান, এডভোকেট হালিমা খাতুন, আফসার উদ্দিন মাস্টার, মাজেদা খাতুন, আমিন উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, শহীদ খান, শামীম খান ও অন্যান্য স্বনামধন্য নেতৃবৃন্দ।
    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আদর্শ নেতা, যিনি মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব, দৃঢ় বিশ্বাস ও স্বাধীনতা-প্রেমের জন্য তিনি দেশের মানুষের কাছে গভীর শ্রদ্ধা এবং ভক্তি পেয়েছেন। মানুষ তাঁর জানাজায় স্বাভাবিকভাবে চোখের জল ঝরিয়েছেন, কারণ তিনি ছিলেন দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের নেত্রী।
    প্রয়াত এই নেত্রীর স্মরণে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন হয়, যেখানে বিভিন্ন অতিথি ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সবাই একমত প্রকাশ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবনসংগ্রাম ও আদর্শ আমাদের জন্য বিশাল উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে।