নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংলাপ, যার শিরোনাম ছিল “The UN Charter at 80: Reimagining Conflict Prevention and Resolution”। এই উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের তরুণ সংগঠক ও আপস যুব সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করেন সাকিব। বিশ্বব্যাপী কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক ও শান্তি বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে এই সভায় সংঘাত প্রতিরোধ এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে নতুন কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের তরুণ সমাজের হয়ে সাকিব তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব আরোপ করেন বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি স্থাপনে তরুণদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর ওপর। তিনি বলেন, আপস যুব সংগঠন থেকে বৈশ্বিক শান্তি, সহনশীলতা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার উপর জোর দিয়ে, তরুণ নেতৃত্বই ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম। এই আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং তরুণ নেতৃত্বের ক্ষমতা বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছে, যা ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিক।
Category: সারাদেশ
-

খুলনায় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের সাথে নাগরিক সংলাপে খুলনার নানা সমস্যা উঠে আসে
খুলনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংলাপে খুলনার বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদা স্পষ্টতরভাবে উঠে এসেছে। নির্বাচনী উৎসবের মধ্যে কিছু প্রার্থী নিজের ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরখ করেছেন এবং খুলনার উন্নয়নের জন্য তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। এই সংলাপের মূল লক্ষ্য ছিল, শহরের নাগরিকদের নানা সমস্যার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চিত্র তুলে ধরা এবং সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশে এগিয়ে আসা।
সংলাপে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা যেমন বলছেন খুলনা শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জে জর্জরিত। বিশেষ করে খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া, মালামাল লুটপাটের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তবাহিনী, এবং बढ़তে থাকা হত্যাকাণ্ডের সংখ্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিগত কয়েক মাসে খুলনায় অন্তত অর্ধশত খুনের ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ পরিকল্পনা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের জন্য বক্তারা জোর দিয়ে বলেন।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘খুলনা এখন অন্ধকারাচ্ছন্ন নগরী। মাদক ও হত্যার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।’ তিনি আরও জানান, বিএনপি শিগগিরই খুলনাবাসীর জন্য উন্নয়নমূলক নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। অন্যদিকে, খুলনা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খাঁন বলেন, ‘খুলনাকে শিল্প ও সংস্কৃতির কেন্দ্রশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হলে উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বাঁধ ও ব্রিজ নির্মাণ জরুরি।’
জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক এড. জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল বলেন, ‘খুলনা পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন সব ধরনের উদ্যোগ।’ অন্যদিকে, খুলনা-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য নাগরিকদের সাথে সমন্বয় চান। তাঁর বক্তব্য, খুলনা অঞ্চলের সাবেক শিল্পগুন্জে—খালিশপুরের অবস্থা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কলকারখানাগুলোর মালামাল লুটপাটের জন্য বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা এখন গুরুতর সমস্যার মুখে। হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই মাদকের কারণে।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতা ও সাংবাদিকগণ। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনাকে আবারো তার পুরনো গৌরবময় অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা ও দৃষ্টি থেকেই উঠে আসে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে। আসন্ন নির্বাচনে এইসব দাবি ও চিন্তাভাবনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন অংশগ্রহণকারীরা।
-

তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব জাতিকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে : মঞ্জু
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বারবার নতুন প্রেরণা পেয়েছে উল্লেখ করে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আপোষহীন ও সাহসী ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব দেশের মানুষকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য একজন অভিভাবকের মতো। দেশের স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর মহান অবদান দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শনিবার বিকেলে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে মালঞ্চ মোড়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপি সভাপতি মেহেদী হাসান সোহাগ, পরিচালনা করেন ইয়াসিন শেখ ও হাবিব খান। পরে মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে মহানগর দলীয় কার্যালয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন তিনি। এর পরে এশা নামাজের পরে ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনেও ওয়াড কাউন্সিলর কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, এতে সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইসলাম বাবু এবং পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম সাগর। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ দেশবাসী এখন নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকদের পতনের পর দেশের কিছু দুষ্কৃতকারী আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য এর সুযোগ নিতে চাচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল, পেশা ও শ্রেণির মানুষকে একযোগে থেকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ বেশি উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মাহবুব হাসান পিয়ারু, ইউসুফ হারুন মজনু, আজিজা খানম এলিজা, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আনিসুর রহমান আরজু, বাচ্চু মীর, মিজানুজ্জামান তাজ, শাহানুর কবির অয়ন, শরিফুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন, হুমায়ুন কবির, সাইফুল বকসি, হাসনা হেনা, মাজেদা খাতুন, রোকেয়া ফারুক, হেদায়েত হোসেন হেদু, মুন্নি জামান, মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ সুমন, আবুল বাসার, শামীম আশরাফ, শামীম খান, এ আর রহমান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাইফুল মারকাত, রাজীব খান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মুশফিকুর রহমান অভি, ইমরান হোসেন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল আলম বাপ্পি, শামসুর নাহার লিপি, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাজ্জাদ হোসেন, সোহেল খন্দকারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন।
-

তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা ভিত্তিতে গড়ে উঠবে নতুন স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বলে বকুল
খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ধানের শীষের নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠিন সময়ে জীবনপণ লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি নিজের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্রের মর্যাদার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সাহসী ও আপোষহীন নেত্রীর অবদান আমাদের মূল্যবান ভোটের গুরুত্ব বাড়ায় এবং সেই ভোটের সঠিক ব্যবহার সফলতার চাবিকাঠি।
বকুল আরো বলেন, আগামী দিনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করা ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি নতুন, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। এই ৩১ দফা শুধুমাত্র নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি নয়, এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি স্পষ্ট রূপরেখা। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, একটি মহলের গভীর ষড়যন্ত্রের কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভেস্তে যাওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে হবে।
গতকাল শনিবার দুপুর ১টায় যোগিপোল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ফুলবাড়িগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেনের পরিচালনায়, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসসহ অনেকে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভানেতা শেখ আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, ওয়েভ জুটমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আল মাসুদ লিটন, সদস্যরা মোঃ শওকত হোসেন হিট্টু, মোড়ল আতাউর রহমান, শ্রমিক নেতা কাজী শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া, অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আলমগীর হোসেন।
-

খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার লাশ চরমপন্থী সদস্য ঘাউড়া রাজীবের
খুলনার ভৈরব নদে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করার পর তার পরিচয় জানা গেছে। তাঁর নাম রাজীব হোসেন, একই সঙ্গে তিনি ঘাউড়া রাজীব নামে পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, রাজীবের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি সহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শক্তিশালী ক্যাডার ছিলেন। তিন মাস আগে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর থেকে খুলনায় এসেছিলেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রাজীবের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, গতকাল শুক্রবার খুলনার ৬ নম্বর ঘাট এলাকার ভৈরব নদে দুটি লাইটার ভেসেলে মাঝখান থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।
খুলনা নৌ পুলিশ সদর থানার ওসি বাবুল আক্তার বলেন, লাশটি প্রথমে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রাজীবের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা তার মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত তিনি বলেন, রাজীবের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি অপরাধ করে তার মামা বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরে আশ্রয় নিতেন। পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসার আশা রয়েছে।
বাবুল আক্তার আরও জানান, ৩ জানুয়ারি থেকে রাজীব নিখোঁজ ছিলেন। এক সপ্তাহ بعد তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়, যার মানে হয়তো নিখোঁজের দিনই তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাজীবের দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা একজন বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর আমরা গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরের রাজীবের মামা বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। ডিসেম্বরে খুলনার দিঘলিয়ার এক ভাড়া বাসায় থাকছিলাম। তার আগে কিছু জানা না থাকলেও, বিয়ের সময় তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানতাম না।’
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে ফারহানা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে মোবাইলে একটি ফোন আসে। বিকাশ থেকে টাকা তুলতে বলে সে বের হয়ে ফিরে আসেনি। এরপর থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
তিনি আরো বলেন, রাজীব কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সাতটি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সাতটি এখনও তদন্তাধীন।
প্রথম স্ত্রী লিয়া খাতুন বলেন, ‘আমাদের বিয়েটা ২০১৬ সালে হয়। তখন তার ডান হাতের রগ কেটে দেয়া হয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে। চার বছর আগে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। শনিবার সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি খুলনায় আসেন।’
-

কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার
খুলনার পাইকগাছা-তালা সীমান্তবর্তী বালিয়া খেয়াঘাটের পারাপারসময় কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া রবিউল ইসলাম (৪০) এর লাশ গত রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর পৌনে ৬টার দিকে পাইকগাছার আগড়ঘাটার কপোতাক্ষ নদীর চর থেকে উদ্ধার করা হয়। রবিউল ইসলাম গদাইপুর ইউনিয়নের তৌকিয়া গ্রামের মুনসুর গাজীর ছেলে।
নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে পুলিশ জানায়, ৬ জানুয়ারি দুপুর দুইটার দিকে রবিউল সদর উপজেলার ২ নং কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশি গ্রামে কপোতাক্ষ নদে পারাপারের সময় নদীতে পড়ে যান। কয়েকদিন খোঁজাখুঁজির পরে ১১ জানুয়ারি ভোরে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
পুলিশের আরও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রবিউল সাতক্ষীরার তালা থানার বালিয়া ঘাট থেকে কপোতাক্ষ নদে খেয়া যোগে পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ মৃগীরোগের প্রকোপে আক্রান্ত হয়ে নদীতে পড়ে যান। এ সময় স্থানীয় মানুষজন, উদ্ধার কাজের টিম ও ডুবুরি তার সন্ধানে চেষ্টা করে বীরত্বের সাথে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে পারেনি।
পাইকগাছা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এস আই রবিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করি। সুরতহাল রিপোর্টের কাজ শেষ করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবার সদস্যরা এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া পৌরোস।
-

রূপসার বাগমারায় দুর্বৃত্তের গুলিতে বিকুল নিহত
খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আব্দুল বাছেদ বিকুল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে শনিবার রাতের অর্ধ dipped ঘন্টা আগে।
নিহত বিকুল বাগমারা এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ করে গুলির শব্দ শোনা যায়, যার ফলে সাময়িকভাবে আশপাশের এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে রাশেদ বিকুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে জরুরি বিভাগে চিকিত্সা নেওয়ার পর রাত ২টা ৩০ মিনিটে তিনি মারা যান। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পুলিশ জোরদার অভিযান চালাচ্ছে।
-

খুলনা-২ আসনে ভোটের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি: নতুন ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন
খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংগঠিতভাবে মাঠে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়ম, বাধা বা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সতর্ক থাকতে হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুরের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত হয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি প্রেসিডেন্ট এড. শফিকুল আলম মনি, এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সঞ্চালনা করেন। নেতৃবৃন্দ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য জোর দাবি জানান, পাশাপাশি প্রশাসনের নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
বক্তারা মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণের ফলে গণতন্ত্র হরণ হয়ে এসেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিপক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে। পাশাপাশি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, কাজী মোঃ রাশেদ, বেগম রেহানা ঈসা,আরিফুজ্জামান অপু, হাফিজুর রহমান মনির, কে এম হুমায়ুন কবির, মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, মজিবর রহমান, আব্দুল আজিজ সুমন, আক্তারুজ্জামান সজীব তালুকদার, মিরাজুর রহমান মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, আজিজা খানম এলিজা, শফিকুল ইসলাম শফি, ইশতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, এড. হালিমা আক্তার খানম, শেখ মোহাম্মাদ আদনান, ইউসুফ হারুন মজনু, কে এম এ জলিল, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মোঃ নাসির উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম বাবু, নজরুল ইসলাম বাবু, জামাল হোসেন তালুকদার, আবু সাঈদ শেখ, আল আমিন শেখসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনিকে আহবায়ক, সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু ও শফিকুল আলম তুহিনকে সমন্বয়ক এবং মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ ও বেগম রেহানা ঈসাকে সদস্য করে মোট ১০১ সদস্যের এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশা ব্যক্ত করেন, গঠিত এসব কমিটি একসাথে কাজ করে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
-

দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না কোনো শক্তি বা পরাশক্তি
জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তারা একটি শক্তিশালী এবং সত্যিকার অর্থে ধ্রুপদী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না এবং সব কল্যাণের সমান সুযোগ থাকবে। খুলনা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচার করার সময় ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায় যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে, সুবিচার নিশ্চিত হবে এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কোনো আপস করেননি, তার অকুণ্ঠ ত্যাগ এবং আপোষহীনতার জন্যই বিএনপির নেতাকর্মীরা এতটা সাহসী। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক চেতনা এখন তারেক রহমানের হাতে সুদৃढ़ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই দেশের স্বাভাবিক রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না। শুক্রবার বাদ আসর, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনে হাসনা হেনার সভাপতিত্বে, শাহানা রহমানের পরিচালনায় ও মহিলাদের দক্ষীন সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পরে, মরহুম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫ টায় খুলনা রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খুলনা সদর থানা শ্রমিক দলের আয়োজনে মরহুম নেত্রীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই দিন আসর বাদ, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মঞ্জু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা মামুনুর রহমান। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, এস এম শাহজাহান, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, রবিউল ইসলাম রবি, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শফিকুল ইসলাম শফি, এড. হালিমা খাতুন, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, হাসান মেহেদী রিজভী, মহিবুল্লাহ শামিম, শরিফুল ইসলাম বাবু, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল জব্বার, মেহেদী হাসান সোহাগ, মেশকাত আলী, মহিউদ্দিন টারজান, আবু সাঈদ শেখ, শামীম খান, আবু বক্কর, মাজেদা খাতুন, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, কামাল উদ্দিন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শরিফুল ইসলাম সাগর এবং আল আমিন তালুকদার প্রমুখ।
-

মোংলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন সাবেক কাউন্সিলর ইমান হোসেন রিপন
মোংলা পৌর যুবদলের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন। তিনি সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন এবং এর আগে মোংলা পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সম্মতিতে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইমান হোসেন রিপন বলেন, দল আমাকে যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে, আমি তা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে পালন করব। আমি মোংলা পৌর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে কাজ করব।
তার এই নতুন দায়িত্ব পেয়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সাব্বির ও সদস্য সচিব নুরুদ্দিন টুটুলসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অতীতে ইমান হোসেন রিপন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সাবেক পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বাধা-প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও তিনি দলের জন্য অবদান রেখে এসেছেন। তার এই নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলের জন্য এক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
বিনা প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সংগঠনটির আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নতুন করে জেলা, উপজেলা এবং পৌর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। তবে মোংলা পৌর এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি গঠনের সময় কিছু নেতাকর্মী ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি চেষ্টা করেন, যার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুরনো কমিটির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই পৌর যুবদলের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তার স্থানে ইমান হোসেন রিপনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
