Category: সারাদেশ

  • ফকিরহাটে চুরির অভিযোগে গৃহিনী খুনের ঘটনা

    ফকিরহাটে চুরির অভিযোগে গৃহিনী খুনের ঘটনা

    ফকিরহাটে এক বাড়িতে চুরি করতে এসে দুর্বৃত্তরা গৃহিনী মমেনা বেগম (৪২)কে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের মধ্যবাহিরদিয়া এলাকায়। নিহত গৃহিনী হলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিল্লাল খাঁনের স্ত্রী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য খাঁন জাহিদ হাসানের জ্যেষ্ঠা স্ত্রী।

    ঘটনার রাতেই নিহতের স্বামী বিল্লাল খাঁন থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (২১ জানুয়ারী) রাত ১০টার দিকে বিল্লাল খাঁন মানসা বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। তিনি বাড়ি ফিরলে দেখতে পান তার স্ত্রী ঘরের ভেতর মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন।

    খবর পেয়ে বাহিরদিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই ওহিদুল হকসহ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা মরদেহটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন ও তার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, মরদেহের মুখমণ্ডলে একাধিক আঘাতের চিহ্ন এবং কানের নিচেও আঘাতের দাগ দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে কিল-ঘুসি মারার পাশাপাশি গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, চুরির সময় চোর চিনেই ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    নিহত গৃহিনীর স্বামী জানান, তিনি দোকান থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন তার স্ত্রী ঘরের মধ্যে পড়ে আছেন। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন। দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রীকে মারধর করে নগদ ২৩ হাজার টাকা, দুটি স্বর্ণের রুলি ও এক জোড়া কানের দুল চুরি করে নিয়ে গেছে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় রাতেই স্বামী বিল্লাল খাঁন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে এবং মামলাটির তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।

  • তরুণদের আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করে বেকারত্ব দূর করবেন

    তরুণদের আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করে বেকারত্ব দূর করবেন

    দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হলো তরুণ সমাজ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে হবে, যাতে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সবল হতে পারেন। বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, যা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। তাদের জন্য দক্ষতা অর্জনের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।

    গতকাল বুধবার আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায়। উপস্থিত ছিলেন আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সেন্টারের সভাপতি শেখ মনিরুল ইসলাম, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুলসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সাবেক ইমাম মাওলানা মোঃ মোদাচ্ছের হোসেন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ এবং নেতা-কর্মীরা এ দোয়া মাহফিলে অংশ নেন, যা দেশের শান্তি ও উন্নতি কামনামূলক গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়োজন।

  • রকিবুল বকুল: আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে তরুণদের বেকারত্ব দূর করা হবে

    রকিবুল বকুল: আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে তরুণদের বেকারত্ব দূর করা হবে

    দেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির অন্যতম চালিকা শক্তি তরুণ সমাজ — এই বিশ্বাস ব্যক্ত করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ (ধানের শীষ) প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, তরুণদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের সফল কর্মজীবনে পরিণত করা হবে। এর মাধ্যমে বেকারত্ব কমানো সম্ভব হবে।

    গতকাল (বুধবার) আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেন্টারবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা।

    আয়োজক সদস্য শেখ মনিরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল মাহফিলটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন এবং সাবেক ইমাম মাওলানা মোঃ মোদাছের হোসেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক দুলাল চন্দ্র সরদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম সফিক, শেখ আবু তালেব, শেখ জাফর ইমামসহ থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি নেতারা এবং এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারন মানুষ।

    সমাবেশ শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। রকিবুল বকুল অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সকলের সঙ্গে কথা বলে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

  • গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, ভোটাধিকারভিত্তিক, নিরাপদ ও সশ্রদ্ধ সা¤প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়া দলের মূল লক্ষ্য। দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে স্বকীয় শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে—তারা যে ত্যাগ করেছেন তা বৃথা যেতে দেয়া হবে না, তিনি বলেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু গত বুধবার দিনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। সকাল ১০টায় তিনি খুলনা মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জমশেদ খোন্দকার তাকে খুলনা-২ আসনের জন্য ধানের শীষ প্রতীক প্রদান করেন।

    দুপুর ১২টায় হোটেল ক্যাসেল সালামে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিকেলের পর রূপসা স্ট্যান্ড রোডে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শ্রমিক সমাবেশ ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মুজিবর রহমান।

    বাদ মাগরিব খুলনা বড় বাজার ব্যবসায়ী ঐক্য সমন্বয় পরিষদের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় (সভাপতি: গোপী কিষণ মুন্ধড়া, পরিচালনায়: মনিরুল ইসলাম মাসুম) প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মনজু জানান, জনগণ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে গিয়ে ভোট দেয়নি; এখন মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে চায় এবং পছন্দমতো প্রার্থী বেছে নিতে চায়। অতীতের মতো ভোটাধিকার হরণকে তিনি ভাষায় তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, তা ফিরিয়ে আনতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল; যারা হত্যা করেছেন, তারা বিএনপিকে ধ্বংস করতে চাইছিল—তারা বাংলাদেশকেও ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বেগম জিয়া তাদের চেষ্টা ব্যর্থ করে বিএনপিকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে জনগণের নির্বাচিত সরকার গঠন করাই তাদের এই মুহূর্তের প্রধান লক্ষ্য, তিনি জানান।

    অনুষ্ঠানগুলিতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রফিক মোড়ল এবং গীতা পাঠ করেন আকাশ ব্যনার্জী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, মহানগর সাধারন সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, নার্গিস আলী ও জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু সহ অনেকে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীবৃন্দও সভাগুলোতে অংশ নেন।

    অপর দিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে খুলনা-২ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। সভায় উপ-কমিটির আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে প্রচার কার্যক্রম শুরু করে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করা হবে এবং সকল স্তরের নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়।

  • ত্রয়োদশ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে ৩৬ আসনে মোট ২০১ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

    ত্রয়োদশ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে ৩৬ আসনে মোট ২০১ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬টি আসনে মোট ২০১ জন প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। বিধিমতো ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে।

    খুলনা বিভাগে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জেলা ও আসনভিত্তিক প্রতীক বরাদ্দের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপ:

    খুলনা (৬টি আসন, ৩৮ প্রার্থী)

    খুলনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার বুধবার প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। বরাদ্দকৃত প্রতিধর্ষীরা:

    – খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা): মোট ১২ প্রার্থী — সুনীল শুভ রায় (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, মোমবাতি), মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), কৃষ্ণ নন্দী (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), কিশোর কুমার রায় (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে), মো: আবু সাঈদ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা), প্রসেনজিৎ দত্ত (জেএসডি, তারা), আমির এজাজ খান (বিএনপি, ধানের শীষ), প্রবীর গোপাল রায় (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি, রকেট), সুব্রত মন্ডল (বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদ, দোয়াত কলম), অচ্যিন্ত কুমার মন্ডল (স্বতন্ত্র, ঘোড়া), গোবিন্দ হালদার (স্বতন্ত্র, কলস) ও জি এম রোকনুজ্জামান (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক)।

    – খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা): তিন প্রার্থী — শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএনপি, ধানের শীষ) ও মুফতি আমানুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা)।

    – খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর-আড়ংঘাটা): দশ প্রার্থী — মো: আ: আউয়াল (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), রকিবুল ইসলাম (বিএনপি, ধানের শীষ), মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), মো: মুরাদ খান লিটন (স্বতন্ত্র, ঘুড়ি), মঈন মোহাম্মাদ মায়াজ (স্বতন্ত্র, ফুটবল), জনার্দন দত্ত (বাসদ, মই), শেখ আরমান হোসেন (এনডিএম, সিংহ), মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), মো: আবুল হাসানত সিদ্দিক (স্বতন্ত্র, জাহাজ) ও এস এম আরিফুর রহমান মিঠু (স্বতন্ত্র, হরিণ)।

    – খুলনা-৪ (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া): চার প্রার্থী — ইউনুস আহম্মেদ শেখ (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), এস কে আজিজুল বারী (বিএনপি, ধানের শীষ), এস এম সাখাওয়াত হোসাইন (খেলাফত মজলিস, দেয়াল ঘড়ি) ও এস এম আজমল হোসেন (স্বতন্ত্র, ফুটবল)। উল্লেখ্য, এই আসনটি খেলাফত মজলিসকে জোটসঙ্গী হিসেবে দিয়েছে।

    – খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা): চার প্রার্থী — গোলাম পরওয়ার (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), মোহাম্মাদ আলী আসগর (বিএনপি, ধানের শীষ), চিত্ত রঞ্জন গোলদার (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে) ও শামিম আরা পারভীন ইয়াসমীন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    – খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা): পাঁচ প্রার্থী — মো: আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী (বিএনপি, ধানের শীষ), মো: আছাদুল ফকির (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), প্রশান্ত কুমার মন্ডল (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে) ও মো: মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    বাগেরহাট (৪টি আসন, ২৩ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বুধবার দুপুরে সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ করেন। বাগেরহাটে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ এইচ সেলিম তিনটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়েছেন। প্রধান বরাদ্দ:

    – বাগেরহাট-১: আট প্রার্থী — স্বতন্ত্র এমএ এইচ সেলিম (ঘোড়া), মো. মাসুদ রানা (জেলা বিএনপি, ফুটবল)সহ মোট আটজনের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ।

    – বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩: এমএ এইচ সেলিম ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন।

    – বিভিন্ন আসনে বিএনপি, জামায়াত, মুসলিম লীগ, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি-জেপি ও অন্যান্যদের দলীয় প্রতীকও অনানুষ্ঠানিকভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে; তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা যথাক্রমে তাদের দলীয় চিহ্ন পেয়েছেন।

    – বাগেরহাট-৪: স্বতন্ত্র কাজী খায়রুজ্জামান শিপন হরিণ প্রতীক পেয়েছেন; এ আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও জোট হিসেবে দলীয় প্রতীকের অধিকারী হয়েছেন।

    সাতক্ষীরা (৪টি আসন, ২০ প্রার্থী)

    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার জেলার সম্মেলন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীদের প্রতীক তুলে দেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন। বরাদ্দের ধরণ:

    – সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব (বিএনপি, ধানের শীষ), মোঃ ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), শেখ মোঃ রেজাউল করিম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), জিয়াউর রহমান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও ইয়ারুল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস, ডাব)।

    – সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ (বিএনপি, ধানের শীষ), মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), আশরাফুজ্জামান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), ইদ্রিস আলী (বাংলাদেশ জাসদ, মোটরগাড়ি) ও মুফতী রবিউল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) প্রমুখ।

    – সাতক্ষীরা-৩: ডা. শহিদুল আলম (স্বতন্ত্র/বিএনপি কেন্দ্রীয়, ফুটবল), কাজী আলাউদ্দীন (বিএনপি, ধানের শীষ), হাফেজ রবিউল বাশার (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), আলিপ হোসেন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), ওয়েজ কুরনী (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) ও রুবেল হোসেন (বিএমজেপি, রকেট)।

    – সাতক্ষীরা-৪: ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (বিএনপি, ধানের শীষ), জিএম নজরুল ইসলাম (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), এইচ এম মিজানুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) ও আব্দুর রশিদ (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    যশোর (৬টি আসন, ৩৫ প্রার্থী)

    যশোর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বুধবার প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার উদ্বোধন করেন। প্রধান বরাদ্দ:

    – যশোর-১ (শার্শা): চার প্রার্থী — মুহাম্মদ আজিজুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), নুরুজ্জামান লিটন (বিএনপি, ধানের শীষ) ও বকতিয়ার রহমান (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা)।

    – যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): আট প্রার্থী — মোছাঃ সাবিরা সুলতানা (বিএনপি, ধানের শীষ), মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), ইদ্রিস আলী (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), ইমরান খান (বাসদ, মই), শামসুল হক (বিএনএফ, টেলিভিশন), রিপন মাহমুদ (এবি পার্টি, ঈগল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জহুরুল ইসলাম (ঘোড়া) ও মেহেদী হাসান (ফুটবল)। নোট: জহুরুল ইসলাম পরে মনোনয়ন প্রত্যাহার ঘোষণার সংবাদ করেছেন, কিন্তু প্রত্যাহারের কাগজপত্র দাখিল করেননি।

    – যশোর-৩ (সদর): ছয় প্রার্থী — অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি, ধানের শীষ), মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), আব্দুল কাদের (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), খবির গাজী (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), নিজামুদ্দিন অমিত (জাগপার, চশমা) ও রাশেদ খান (সিপিবি, কাস্তে)।

    – যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর): সাত প্রার্থী — এম নাজিম উদ্দিন-আল-আজাদ (স্বতন্ত্র, মোটরসাইকেল), বায়েজীদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), মতিয়ার রহমান ফারাজি (বিএনপি, ধানের শীষ), মাওলানা আশেক এলাহী (খেলাফত মজলিস, দেয়াল ঘড়ি), গোলাম রসুল (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), জহুরুল হক (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও সুকৃতি কুমার মণ্ডল (বিএমজেপি, রকেট)।

    – যশোর-৫ (মণিরামপুর): পাঁচ প্রার্থী — এম এ হালিম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), গাজী এনামুল হক (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), জয়নাল আবেদীন (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), রশীদ আহমদ (বিএনপি, ধানের শীষ) ও শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন (স্বতন্ত্র, কলস)।

    – যশোর-৬ (কেশবপুর): পাঁচ প্রার্থী — জিএম হাসান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), আবুল হোসেন আজাদ (বিএনপি, ধানের শীষ), মাহমুদ হাসান (এবি পার্টি, ঈগল), মোক্তার আলী (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ও শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা)।

    চুয়াডাঙ্গা (২টি আসন, ৬ প্রার্থী)

    রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নমুনা প্রতীক তুলে দেন।

    – চুয়াডাঙ্গা-১: শরীফুজ্জামান (ধানের শীষ), মাসুদ পারভেজ রাসেল (দাঁড়িপাল্লা) ও জহুরুল ইসলাম আজিজী (হাতপাখা)।

    – চুয়াডাঙ্গা-২: মাহমুদ হাসান খান বাবু (ধানের শীষ; তাঁর পক্ষ থেকে খালিদ মাহমুদ মিল্টন নমুনা প্রতীক গ্রহণ করেন), রুহুল আমীন (দাঁড়িপাল্লা) ও হাসানুজ্জামান সজীব (হাতপাখা)।

    নড়াইল (২টি আসন, ১৫ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. আব্দুল ছালামের কার্যালয়ে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতীক বরাদ্দকাজ সম্পন্ন হয়। নড়াইল-১ ও নড়াইল-২ এ মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতীকের অধিকারী হয়েছেন, এর মধ্যে নড়াইল-১ এ বিএনপি’র জেলা সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ) প্রধান প্রার্থী। উল্লেখযোগ্যভাবে নড়াইল-১ এ তিনজন বিদ্রোহী বিএনপি প্রার্থীও স্বতন্ত্র প্রতীক পেয়েছেন। নড়াইল-২ তে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিশ্র তালিকা করা হয়েছে; সেখানে গণঅধিকার পরিষদ, সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট ও অন্যান্যদের প্রতীকও বরাদ্দ হয়েছে।

    ঝিনাইদহ (৪টি আসন, ২১ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বরাদ্দকৃত প্রতীকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়। ঝিনাইদহে বিএনপি’র সিদ্ধান্ত অমান্য করে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ স্বতন্ত্র হিসেবে কাপ-পিরিচ প্রতীক পেয়ে আলোচনায় এসেছেন। অন্যান্য আসনের বরাদ্দ:

    – ঝিনাইদহ-১: মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি, ধানের শীষ), এএসএম মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা/১০ দলীয় জোট), মতিয়ার রহমান (এবি পার্টি, ঈগল), শহিদুল এনাম (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), কাঁচি) ও মনিকা আলম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    – ঝিনাইদহ-২: মো. আব্দুল মজিদ (বিএনপি, ধানের শীষ), আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর (জোট, দাঁড়িপাল্লা), আসাদুল ইসলাম (বাসদ, মই), আবু তোয়াব (সিপিবি, কাস্তে), মমতাজুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) ও সওগাতুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    – ঝিনাইদহ-৩: মেহেদী হাসান (বিএনপি, ধানের শীষ), অধ্যাপক মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা/১০ দলীয় জোট), ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী (হাতপাখা) ও সুমন কবির (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক)।

    – ঝিনাইদহ-4: রাশেদ খাঁন (বিএনপি, ধানের শীষ), মাওলানা আবু তালেব (দাঁড়িপাল্লা/১০ দলীয় জোট), সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (স্বতন্ত্র/বিএনপি বিদ্রোহী, কাপ-পিরিচ), আব্দুল জলিল (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), খনিয়া খানম (গণফোরাম, উদীয়মান সূর্য) ও এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গাল)।

    মাগুরা (২টি আসন, ১১ প্রার্থী)

    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বুধবার জেলা সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ করেন।

    – মাগুরা-১ (৯১): মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি, ধানের শীষ), জাকির হোসেন মোল (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), আব্দুল মতিন (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), শম্পা বসু (সমাজতান্ত্রিক দল-বাদ, মই), মোঃ খলিলুর রহমান (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক) ও মোঃ নাজিরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) এবং কাজী রেজাউল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস, ডাব)।

    – মাগুরা-২ (৯২): নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি, ধানের শীষ), মুরতারশেদ বিল্লাহ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), মশিয়ার রহমান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও মোস্তফা কামাল (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা)।

    কুষ্টিয়া (৪টি আসন, ২৫ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বুধবার কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে বিভিন্ন দলের ২৫ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক তুলে দেন। উল্লেখ্য, পূর্বে বৈধ ঘোষিত ২৭ প্রার্থীর মধ্যে কিছু পদক্ষেপ ও আপিলের ফলে চূড়ান্ত তালিকা ২৫ জনে নির্ধারণ হয়েছে। প্রধান বরাদ্দ:

    – কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর): রেজা আহামেদ (বিএনপি), বেলাল উদ্দিন (জামায়াতে ইসলামি), বদিরুজ্জামান (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), আমিনুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন), সাহাবুল ইসলাম (গণঅধিকার পরিষদ), শাহরিয়ার জামিল (জাতীয় পার্টি) ও গিয়াস উদ্দিন (জেএসডি) — মোট আটজন।

    – কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা): রাগীব রউফ চৌধুরী (বিএনপি), আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামি), নুর উদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি), মোহাম্মদ আলী (ইসলামী আন্দোলন) ও বাবুল আক্তার (ইসলামী ফ্রন্ট)।

    – কুষ্টিয়া-৩ (সদর): জাকির হোসেন সরকার (বিএনপি), মুফতি আমীর হামজা (জামায়াত), মীর নাজমুল ইসলাম (বাসদ), মোছাঃ রুমপা খাতুন (বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি), মোহাঃ শরিফুল ইসলাম (গণঅধিকার পরিষদ) ও আবদুল্লাহ আখন্দ (ইসলামী আন্দোলন)।

    – কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী): সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (বিএনপি), আফজাল হোসেন (জামায়াত), আনোয়ার খাঁন (ইসলামী আন্দোলন), তরুণ কুমার ঘোষ (মাইনরিটি জনতা পার্টি), আব্দুল হাকিম মিয়া (গণফোরাম) ও শহিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি)।

    মেহেরপুর (২টি আসন)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির মঙ্গলবার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বিতরণ করেন:

    – মেহেরপুর-১: মোট চার প্রার্থী — মাসুদ অরুণ (বিএনপি, ধানের শীষ), মাওলানা তাজ উদ্দিন খান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), আব্দুল হামিদ (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও এড. মিজানুর রহমান (সিপিবি, কাস্তে)।

    – মেহেরপুর-২ (গাংনী): তিন প্রার্থী — আমজাদ হোসেন (বিএনপি, ধানের শীষ), নাজমুল হুদা (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ও আব্দুল বাকী (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    সার্বিকভাবে প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শেষ হওয়ায় বিভাগের সব সম্প্রদায়ের প্রার্থীরা এখন তাদের নির্বাচনী কর্মসূচি তৎপরভাবে পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান করা হয়েছে।

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ প্রার্থীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার জেলা-স্তরের রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন এবং যদি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে সতর্ক করেন। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্য কয়েকজন কর্মকর্তাও নির্বাচন-পরিপ্রেক্ষিত বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

    প্রতীক বরাদ্দের ফলাফল অনুযায়ী সাতক্ষীরার চারটি আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রত্যেক দল থেকে চারজন করে প্রার্থী পেলেন নির্দিষ্ট প্রধান প্রতীক। এছাড়া অন্যান্য দলের ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বিভিন্ন প্রতীক পেয়েছেন।

    প্রতীক বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন:

    সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামির মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)র রুবেল হোসেন (রকেট)।

    সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    পটভূমি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দলের অনেক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ২৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর করা আপিলের ফলে চারজনকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। মোট ২৩ জনের মধ্যে ২০ জানুয়ারি তিনজন প্রত্যাহার করলে চূড়ান্তভাবে ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হন এবং বুধবার দুপুরে তাদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

    জেলার নির্বাচনপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও আইনসঙ্গতভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করবে বলে অনুষ্ঠানে পুনরায় আশ্বাস দেওয়া হয়।

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ প্রার্থীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মিজ আফরোজা আখতার তার সম্মেলন কক্ষে সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রতীক বণ্টন করেন।

    প্রতীক বরাদ্দের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে বলে সতর্ক করেন। এ সময় পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-গণও নির্বাচন সংক্রান্ত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।

    বণ্টিত প্রতীকের মধ্যে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘ধানের শীষ’, জামায়াতের প্রার্থীরা ‘দাড়িপাল্লা’, জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ‘লাঙ্গল’ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা ‘হাতপাখা’ প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ‘ডাব’, বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী ‘মটরগাড়ি’, স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ফুটবল’ এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী ‘রকেট’ প্রতীকে লড়বেন।

    প্রতীক প্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়নি বললে ভুল হবে—আসনভিত্তিক তালিকা হচ্ছে:

    সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)।

    সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। জাতীয় পর্যায়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রক্রিয়ায় সাতক্ষীরায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৯টি বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশনে আপীল করলে চারজনের মনোনয়ন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩। পরে তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২০ জন প্রার্থী নির্ধারিত হন এবং বুধবার তাদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

    জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকর্তারা সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ, সুনামের সঙ্গে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় আহ্বান জানিয়েছেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা reiterated করেছেন।

  • যশোরে ছয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ, আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো প্রচারণা

    যশোরে ছয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ, আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো প্রচারণা

    যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দেন। প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে যশোরে নির্বাচনী প্রচারণাও শুরু হয়।

    যশোর-১ (শার্শা) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল পেয়েছেন লাঙ্গল, বিএনপি’র নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দীন ফরিদ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী পেয়েছেন হাতপাখা, বাসদের ইমরান খান পেয়েছেন মই, বিএনএফের শামসুল হক পেয়েছেন টেলিভিশন এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ পেয়েছেন ঈগল প্রতীক। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম পেয়েছেন ঘোড়া এবং মেহেদী হাসান পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। যদিও জহুরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান তিনি প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেননি।

    যশোর-৩ (সদর) আসনে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পেয়েছেন ধানের শীষ, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন পেয়েছেন হাতপাখা, জামায়াতের আব্দুল কাদের পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির খবির গাজী পেয়েছেন লাঙ্গল, জাগপা’র নিজামুদ্দিন অমিত পেয়েছেন চশমা এবং সিপিবির রাশেদ খান পেয়েছেন কাস্তে প্রতীক।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে সাতজন প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র এম. নাজিম উদ্দীন-আল-আজাদ পেয়েছেন মোটরসাইকেল, ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন পেয়েছেন হাতপাখা, বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজি পেয়েছেন ধানের শীষ, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল পেয়েছেন ঘড়ি, জামায়াতের গোলাম রসুল পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক পেয়েছেন লাঙ্গল এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল পেয়েছেন রকেট প্রতীক।

    যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বী—জাতীয় পার্টির এম এ হালিম পেয়েছেন লাঙ্গল, জামায়াতের গাজী এনামুল হক পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন হাতপাখা, বিএনপির রশীদ আহমাদ পেয়েছেন ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন পেয়েছেন কলস প্রতীক।

    যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন—জাতীয় পার্টির জিএম হাসান লাঙ্গল, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ঈগল, জামায়াতের মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

    প্রতীক বরাদ্দ শেষে বক্তব্য رکھنے গিয়ে যশোর জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুক হক সাবু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশায় রয়েছে। গত ১৬ বছরে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংসের শিকার হয়—তবে 이번 নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মতামতের যথার্থ প্রতিফলন ঘটবে এবং বিএনপি প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সংগঠনের বাইরে থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। সিপিবি’র যশোর-৩ (সদর) প্রার্থী রাশেদ খান অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারণায় স্পষ্ট নিষেধ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টার ও বড় ব্যানার এখনো যানবাহনে এবং প্রত্যন্ত এলাকায় দেখা যাচ্ছে; কিছু ক্ষেত্রে সমর্থকরা জুমার নামাজকেও ভোট প্ররোচনায় ব্যবহার করছে—এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নজর প্রয়োজন। যশোর-২-এর বাসদ প্রার্থী ইমরান খান বলেন, রাতের ভোট, ডামি ভোট ও ভোট কেড়ে নেওয়ার মেলামেশা থেকে বের হতে হলে প্রশাসনকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে; ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের পরও অবৈধ অস্ত্র ও অর্থের প্রভাব নির্বাচনে পড়তে পারে, তাই সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরি।

    জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রতিকীপ বরাদ্দকালে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালাতে সকলের প্রতি নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, যশোরের ছয় আসনে মোট ৩৫ জনকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কার্যক্রমে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

    যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

    যশোরে ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্ত প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দেন।

    যশোর-১ (শার্শা): এখানে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল লাঙ্গল, বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): এ আসনে মোট ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দীন ফরিদ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী হাতপাখা, বাসদের ইমরান খান মই, বিএনএফের শামসুল হক টেলিভিশন এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ ঈগল প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম ঘোড়া ও মেহেদী হাসান ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। যদিও জহুরুল ইসলাম এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কথায় তিনি প্রত্যাহারের কাগজপত্র জমা দেননি।

    যশোর-৩ (সদর): এখানে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ধানের শীষ নিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন হাতপাখা, জামায়াতের আব্দুল কাদের দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির খবির গাজী লাঙ্গল, জাগপার নিজামুদ্দিন অমিত চশমা এবং সিপিবি’র রাশেদ খান কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর): এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র এম. নাজিম উদ্দীন-আল-আজাদ মোটরসাইকেল, ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন হাতপাখা, বিএনপির মতিয়র রহমান ফারাজি ধানের শীষ, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল ঘড়ি, জামায়াতের গোলাম রসুল দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক লাঙ্গল এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল রকেট প্রতীক নিয়েছেন।

    যশোর-৫ (মণিরামপুর): এখানে পাঁচজন প্রার্থী লড়ছেন। জাতীয় পার্টির এম এ হালিম লাঙ্গল, জামায়াতের গাজী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন হাতপাখা, বিএনপির রশীদ আহমদ ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন কলস প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-৬ (কেশবপুর): এই আসনেও পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির জিএম হাসান লাঙ্গল, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ঈগল, জামায়াতের মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক রাখছেন।

    প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুক হক সাবু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্ষার পর বাংলাদেশে ভোট ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ফিরে আসবে এবং বিএনপির প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হবে।

    অন্যদিকে বিভিন্ন প্রার্থীর অভিযোগও উঠেছে। সিপিবি প্রার্থী রাশেদ খান জানান, নির্দিষ্ট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধ থাকা সত্ত্বেও এখনও কিছু দলের পোস্টার-ফেস্টুন যানবাহনে দেখা যাচ্ছে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় ব্যানার আছে; তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের আর্জি করেন। যশোর-২-এর বাসদের প্রার্থী ইমরান খান বলেন, রাতের ভোট, ডামি ভোট ও ভোট কেড়ে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার জন্য প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন; বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র ও টাকার উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, যশোরের ছয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৩৫ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে যশোরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিবও উপস্থিত ছিলেন।

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরায় চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ জন প্রার্থীকে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার তার সম্মেলন কক্ষে সকল দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীকের বরাদ্দ দেন।

    বরাদ্দকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা উপস্থিত সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন এবং আইনশৃঙ্খলায় কোনো হয়রানি বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কড়াভাবে হস্তক্ষেপ করবে বলে সতর্ক করেন। এসময় পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যরা নির্বাচন-সংক্রান্ত সামগ্রিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বক্তব্য রাখেন।

    এবার সাতক্ষীরার চারটি আসনে মোট আট ধরনের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বরাদ্দকৃত প্রতীকগুলো হলো: বিএনপির ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব, বাংলাদেশ জাসদের মটরগাড়ি, একটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফুটবল ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রকেট প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

    আসনভিত্তিক প্রার্থীদের তালিকা বেশি পরিষ্কারভাবে এভাবে জানা যায়:

    – সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপি থেকে হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াত থেকে মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    – সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    – সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)।

    – সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেন। প্রথম দফায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় যাচাই-বাছাই করা হয়; রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে ১৯ জনকে বৈধ ও ১০ জনকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনী আপিলে চারজন বৈধ ঘোষিত হওয়ায় মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩। পরে ২০ জানুয়ারি তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ২০ জন প্রার্থী প্রতীকে ছেদে লড়বেন বলে বিবেচিত হন। বুধবার দুপুর থেকে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বিতরণ করা হয়েছিল।