Category: রাজনীতি

  • শিগগিরই প্রতিটি আসনে একক প্রার্থীর জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন

    শিগগিরই প্রতিটি আসনে একক প্রার্থীর জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন

    বাংলাদেশি রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ গুরুত্ব সহকারে চোখে পড়ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এর কথা। তিনি বলেছেন, খুব শিগগিরই প্রতিটি নির্বাচনী আসনে একক প্রার্থী হিসেবে ‘গ্রীন সিগন্যাল’ দেওয়া হবে। গত শুক্রবার (৩ অক্টোম্বর) রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন তিনি।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির অনেক আসনে বেশ কয়েকজন যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। কিছু কিছু আসনে নির্দিষ্ট করে ১০ থেকে ১২ জনের মতো প্রার্থীও রয়েছে। বাছাই প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করার জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হবে। এতে দলের মনোভাব পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে যে, তারা জোড়া প্রার্থী বা বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একত্রিত করার পরিকল্পনা করছে।

    এছাড়াও, তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনকেন্দ্রিক একটি জোট গঠনের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, জরুরি কোনও বিষয় ছাড়া এমন কিছু সামনে আনা উচিত নয় যা জাতীয় জীবনে নতুন সংকট সৃষ্টি করতে পারে।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, গণতন্ত্র রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও, তারা সবাই একসূত্রে বাঁধা থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিভাগের খোলাসা করে দিয়ে বলে, সব বিপদ কাটিয়ে উঠলেও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না। বরং তারা দিল্লিতে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, সরকারের উচিত এখনই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা করা।

  • ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা না পাওয়া পর্যন্ত মুসলমানদের সংগ্রাম চলবে

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা না পাওয়া পর্যন্ত মুসলমানদের সংগ্রাম চলবে

    সারা বিশ্বে মুসলমানদের মধ্যে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সহকারী মহাসচিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ফিলিস্তিনসহ এই অঞ্চলের মুক্তি এবং স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাশে থাকবে এবং এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আজ শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের আয়োজন করে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এই সমাবেশে গাজায় ত্রাণবাহী একটি নৌবহরকে ইসরায়েলি বাহিনী আটক করার পর আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়। বিশ্বে একের পর এক গণহত্যা ও নারী-শিশু হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজায় নৃশংসভাবে হামলা চালিয়ে নারীদের ও শিশুদের ওপর বিরম্ন্যসহ গণহত্যা চালাচ্ছে, যা মানবতার জন্য ভয়ঙ্কর এক বিপদ। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে। অনেক দেশের মত বাংলাদেশও ইসরায়েলি এই নৃশংসতার নিন্দা জানিয়েছে। রফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু শক্তিধর দেশ ছোট্ট ইসরায়েলকে অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে এইধরনের নৃশংসতা চালাতে সহায়তা করছে, যা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অনতিবিলম্বে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা অর্জন করবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে অনুরোধ করেন— দয়া করে ইসরায়েলি দখলদারদের হাত থেকে অবিলম্বে ফিলিস্তিনের অঞ্চল মুক্ত করার উদ্যোগ নিন, ত্রাণবাহী জাহাজের কর্মীদের মুক্তি দিন। বাংলাদেশ সরকারের নিন্দা ও পক্ষের শক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যতদিন না ফিলিস্তিন মুক্তি পাবে, ততদিন মুসলমানদের সংগ্রাম ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে। এই বিক্ষোভে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর গণপরিষদ সচিব মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। এতে কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাত্রা করা আন্তর্জাতিক নৌবহর স্পেন, ইতালি ও গ্রিসের নৌযান যোগে মুক্তির জন্য রোদের মুখে দাঁড়িয়ে ছিল। তবে ইসরায়েলি নৌবাহিনী বুধবার ভূমধ্যসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই নৌবহরকে আটক করে। এতে প্রায় ৪০টি মানবিক সহায়তাযুক্ত বেসামরিক জাহাজ আটক হয়, যারা খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য মানবিক সাহায্য গাজাবাসীর জন্য বহন করছিল। এই নৌবহরে ছিল বিভিন্ন দেশের ৪০০-এর বেশি অধিকারকর্মী, পার্লামেন্ট সদস্য, চিকিৎসক ও সাংবাদিক। সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী এই নৌবহরকে জলদস্যুরূপে বিবেচনা করে অবিলম্বে আটক করে। তুরস্ক এই ঘটনাকে নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি জলদস্যুতা, যারা জাতিসংঘ ও বাংলাদেশসহ বিশ্বস্বীকৃত আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সকলকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে।

  • রিজভী: জনগণের বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য নতুন ইস্যু তৈরির চেষ্টা চলছে

    রিজভী: জনগণের বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য নতুন ইস্যু তৈরির চেষ্টা চলছে

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শনিবার (০৪ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নতুন করে কিছু ইস্যু তৈরি করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, এটি জনগণের সত্য জানা থেকে বিরত রাখার এক চাল, যা তাদের ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চায়।

    রিজভী বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, ভ্রান্ত তথ্য ও অমূলক পরিসংখ্যান দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়—কারণ এখন মানুষ সবাই তাদের চেনেন। তিনি মনে করেন, সত্যের পথে মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন।

    অভিযোগ করে তিনি জানান, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ধর্ম ভিত্তিক দলের অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এটা দেশের সার্বভৌমত্ব ও সমাজের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর। রিজভী আগাম নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়ে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হবে, মানুষ সেটির জন্য প্রস্তুত। আগের মতো ডামি বা ভুয়া নির্বাচন আর মানুষের হাতে থাকবে না।’

    এছাড়াও তিনি ভারতের পূজামণ্ডপে ডক্টর ইউনূসের উপর আক্রমণের সমালোচনা করেন, এটিকে দেশটির নিম্নরুচির প্রকাশ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এসব ঘটনা দেশের সংস্কৃতি ও মানসিকতার জন্য হতাশার।

  • নির্বাচন নিয়ে জনমনে শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে উপদেষ্টার মন্তব্য

    নির্বাচন নিয়ে জনমনে শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে উপদেষ্টার মন্তব্য

    বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার যে মন্তব্য করেছেন, তা দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনের ব্যাপারে মানুষের মনে অস্থিরতা এবং শঙ্কা আরও বৃদ্ধি করছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকাস্থ সেনবাগ ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফারুক উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে গভীর শঙ্কা। জাতিসংঘের মুখপাত্র আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, অনেকের কাছ থেকে আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পরামর্শ তিনি গ্রহণ করেছেন। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি আসলে কি বার্তা দিতে চাচ্ছেন, সেটিই এখন প্রশ্নের মুখে। তার এই মন্তব্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, যারা পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে, দেশের মানুষের মধ্যে বিভেদ ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তারা মূলত দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যই এই কৌশল অবলম্বন করছে। একজন জনতা বলছেন, ‘আওয়ামী লীগ তো নিষিদ্ধ—তারা কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে?’ ব্যক্তিরা এই ধরনের প্রশ্ন তুললেও, সরকারের আইন উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেছে, তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। এর ফলে পরিস্থিতি জটিলতাময় হয়ে উঠছে।

    ফারুক প্রশ্ন করেন, পাহাড়ি অঞ্চলে এই অশান্তি কারা সৃষ্টি করছে—তা খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, পাঁচ বছর নয়, আরও ২৫ বছর ক্ষমতায় থাকাই বড় কথা নয়। শেখ হাসিনা দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ধরে দেশের শাসন করছে, এ সময়ের মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কেমন, তা বিবেচনা করতে হবে। তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা, অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা ও ব্যাংকখাতের অবস্থা সবই গুরুত্বের বিষয়।

    আমার মনে রাখতে হবে, শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ উঠেছে। এখন আমাদের জন্য সবচেয়ে জরুরি দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠা।

    ফারুক বলেন, উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে— আপনি এক বছর তিন মাস ধরে ক্ষমতায় আছেন। এই সময়কালে সরকার বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে, সেই অর্থের কী অবস্থা, এই প্রশ্ন উঠছে। ব্যাংকগুলোর অসহনীয় অবস্থা কেনা, এইসব বিষয় সমাধান করতে পারছেন না—এগুলো দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, আপনি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি, আমাদের দলের প্রতি আমাদের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে, জনগণ যদি আপনাকে আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় রাখতে চান, তাহলে প্রশ্ন উঠে, কি সেই পাঁচ বছর? যেহেতু এটি নির্বাচনের খুব কাছে, এমন সময় এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া ঠিক না।

    ফারুক আরও উল্লেখ করেন, পাহাড়ে অশান্তি চলমান, দুর্গাপূজার সময় অশান্তির ষড়যন্ত্র ছিল—এসব বিষয়কে অগ্রাহ্য করা যায় না। তবে তিনি মনে করেন, বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কেউ সফল হয়নি। তিনি দাবি করেন, দেশের অশান্তির মূল শক্তি হলো আওয়ামী লীগ এবং ভারতের প্রভাব।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন সব দিক থেকে একটি কঠিন পরীক্ষা হবে। উপদেষ্টার আশেপাশে অনেক ষড়যন্ত্রকারী আছে। এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো মুশকিল নয়, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

    প্রথম আলোচনায় ঢাকাস্থ সেনবাগ ফোরামের সভাপতি এবি এম ফারুকের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে: হুমায়ুন কবীর

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে: হুমায়ুন কবীর

    পররাষ্ট্র বিষয়ক তার উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর আজ বৃহস্পতিবার (২ أكتوبر) সাংবাদিকদের জানান, ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নির্ধারিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন দলটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে অংশ নেবে। তিনি জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই ষষ্ঠ নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন এবং তার ফেরার বিষয়ে কোন শঙ্কা নেই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘নির্বাচনের জন্য নেতৃস্থানীয় প্রস্তুতি চলছে এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্কে এনসিপির উপর হামলার ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে, যারা এই হামলা চালিয়েছেন তারা একদমই সন্ত্রাসী। এটি আবারও প্রমাণ করল যে, আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।’

  • খুলনায় এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ফরিদুল হকসহ অন্য নেতারা

    খুলনায় এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ফরিদুল হকসহ অন্য নেতারা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দশজন কেন্দ্রীয় নেতা নিয়োগ পেয়েছেন। এই নেতাদের অন্যান্য সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিশেষভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিয়মিত সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে পরিচালনা করতে পারেন। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপি এই নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা দেয়। বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের মধ্যে রংপুর বিভাগে ড. আতিক মুজাহিদ, রাজশাহীতে ইমরান ইমন, সিলেটে এহতেশাম হক, ময়মনসিংহে আশেকিন আলম, ঢাকা মহানগরে সাইফুল­াহ হায়দার, ফরিদপুরে নিজাম উদ্দীন, চট্টগ্রামে এস এম সুজা উদ্দিন, কুমিল্লায় মোঃ আতাউল­াহ, খুলনায় ফরিদুল হক ও বরিশালে এড. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন রয়েছেন। এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের সকল মহানগর ও জেলা কমিটি সম্পন্ন করতে হবে। এর মাধ্যমে সংগঠন আরও সুসংগঠিত ও তৃণমূলের উপস্থিতি ও কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।

  • জনগণ সিদ্ধান্ত নেবেন আ’লীগ নিষিদ্ধের বিষয়

    জনগণ সিদ্ধান্ত নেবেন আ’লীগ নিষিদ্ধের বিষয়

    আইন, আদালত বা সরকারের बजाय দেশের জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে। এ মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আজহার শফিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপি সব সময় বলেছে, আওয়ামী লীগের বিচার জনগণই করবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগ যত কথা বলে, ২০২৪ সালের গণহত্যা, দিনের ভোট রাতের ভোটের মাধ্যমে পরিচালনা, এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ কর্মকাণ্ড—এসব ক্ষেত্রেও তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি বলে ওঠেন, জনগণের কাছে তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী ক্ষমা চাওয়া উচিত।

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণ তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারছে না। আগামি ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, এবং তারা চাইছেন, এই নির্বাচন যেন স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়। তার ভাষায়, ‘নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ আসুক।’

    জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১ অক্টোবরকে ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল তখন ৪৭ বছর, যা এখন বেড়ে ৭৩ বছর হয়েছে। তবে সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে প্রবীণ কর্মকর্তাদের নিয়ে অদ্ভুত এক নিয়ম চালু রয়েছে—অবসরে যাওয়ার সময় বলা হয়, “আপনাদের আর প্রয়োজন নেই।” দেশের শীর্ষ পরামর্শদাতাদের অনেকেই এখন প্রবীণ, তাই তাদের মূল্যায়ন ও সম্মান দেয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকায় মেডিকেলে গিয়ে দেখা যায়, এক প্রবীণ ব্যক্তিকে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটতে হয়। অন্যদিকে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে প্রবীণদের সম্মান দেখিয়ে টিকিটের জন্য ছাড় দেয়া হয়। আমাদের দেশে এখনও সেই সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি।

    প্রবীণ ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন—এসব কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজকের তরুণেরা একদিন প্রবীণ হবেন। তাহলে প্রজন্মের মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে, সমাজ টিকে থাকবে না। যে জাতি তার উত্তরাধিকারকে সম্মান করে না, সে দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।’

    প্রবীণদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সমাজ সবাইমিলিয়ে গড়া। প্রবীণদের জন্য আলাদা সুযোগ-সুবিধা ও বাজেট রাখা কঠিন কিছু নয়। তাঁদের যেন সমাজের বোঝা মনে না করে, বরং সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে—এ জন্য সরকারের উদ্যোগ প্রয়োজন।’

    আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া প্রমুখ।

  • নির্বাচন পেছানোর চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর কোনো চক্রান্তে এনসিপি জড়িত নেই বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, দলটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় এবং এই লক্ষ্যেই কাজ করছে। মঙ্গলবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গামন্দির পরিদর্শন শেষে হাফিজাবাদ ইউনিয়নের হুদুপাড়া দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি স্থানীয় বেশ কয়েকটি দুর্গামন্দিরে আর্থিক সাহায্যও প্রদান করেন।
    সারজিস আলম এসময় আরও বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে যদি অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন আয়োজন করে, তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে আমরা চাই, নির্ধারিত বিচার ও জুলাই সনদের ভিত্তিতে মৌলিক সংস্কার কার্যকর করা হোক, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    শাপলা প্রতীক সম্পর্কেও তিনি স্পষ্ট করেন, প্রতীক পাওয়ার বা না পাওয়ার বিষয়টি নির্বাচন পেছানোর সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘আমরা আইনগতভাবে শাপলা প্রতীক পাওয়ার জন্য যোগ্য। নির্বাচন কমিশনের উচিত বাইরের চাপ উপেক্ষা করে আইন অনুযায়ী আমাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া।’
    সারজিস আলম অতীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খাস জমি ও ধর্মীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের বিভিন্ন চেষ্টার কথাও উঠে বলেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কাছে একটি কমিশন গঠনের দাবি জানানো হবে বলে তিনি জানান।
    অন্যদিকে, প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি না পাওয়ায় ষড়যন্ত্রকারীদের সুযোগ নেওয়ার বিষয়েও তিনি তীব্র সমালোচনা করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তিনি।
    অন্তর্জাতিক বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, বলেন, প্রতিবেশী এক দেশের কিছু গণমাধ্যম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স(এআই) ব্যবহারে বিকৃত ছবি প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে, যা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপপ্রয়াস। তবে, তিনি আশ্বস্ত করেন যে, পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি সন্তোষজনক এবং পুরো পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। সমাজে ধর্মীয় সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট থাকবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে, কোনো আদালত বা সরকার নয়

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে, কোনো আদালত বা সরকার নয়

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সরকারের সিদ্ধান্তের পরিবর্তে শেষ সিদ্ধান্ত সবসময় জনগণের থাকবে। তিনি বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আজহার শফিক ফাউন্ডেশনের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

    জাহিদ হোসেন মনে করেন, জনগণের হাতেই থাকবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা। বিএনপি সবসময় বলেছে, আওয়ামী লীগের বিচার জনগণই করবে। দলের নেতাকর্মীরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যখন অবজ্ঞাসূচক কথা বলে এবং ২০২৪ সালের গণহত্যা, ভোট রাতে দেওয়ার ষড়যন্ত্র, কিংবা প্রতিহিংসাপরায়ণ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, তখন তাদের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার সময় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচন করতে পারেনি। তবে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধির নির্বাচন হোক।’

    জনপ্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নতির প্রসঙ্গ তুলে জাহিদ হোসেন বলেন, “১৯৯০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১ অক্টোবরকে ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একসময় বাংলাদেশের গড় আয়ু ছিল ৪৭ বছর, যা বর্তমানে বেড়ে ৭৩ বছর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও, সরকারি চাকরিতে প্রবীণদের নির্দিষ্ট বয়সের পরে প্রয়োজনে আর থাকতে দেওয়া হয় না, যদিও দেশের শীর্ষ উপদেষ্টাদের অনেকেই এখন প্রবীণ। আমাদের উচিত, প্রবীণদের জন্য মানসিক ও সামাজিক সমর্থন নিশ্চিত করা।”

    সরকারি অফিসে প্রবীণদের নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জাহিদ হোসেন বলেন, “ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে দেখা যায়, এই বয়সের মানুষকেও লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটতে হয়, যারা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে সম্মান পালনায় প্রবীণদের নিরাপদ বৃত্তে রাখা হয়। আমাদের সংস্কৃতি এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি।”

    তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে সুসম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “আজকের তরুণেরা একদিন বৃদ্ধ হবে। তাই প্রজন্মের মধ্যে বোঝাপড়া ও সম্মান তৈরির প্রয়োজন। জাতি যত বেশি নিজের উত্তরাধিকার ও প্রবীণদের সম্মান করে, ততই তার দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে।”

    প্রবীণদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের দায়িত্বের ওপর জোর দিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, “সমাজ আমাদের সকলের। প্রবীণদের জন্য আলাদা সুযোগ-সুবিধা ও বাজেট রাখা কোনো বড় বিষয় নয়। তাঁদের যেন সমাজের বোঝা মনে না হয়, বরং সম্মানের সঙ্গে জীবন যাপনের ব্যবস্থা করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।”

    আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া প্রমুখ।

  • রিজভীর মন্তব্য: দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিভাজনের প্রচেষ্টা চলছে

    রিজভীর মন্তব্য: দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিভাজনের প্রচেষ্টা চলছে

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, যারা অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন চাননি, তারা পরিকল্পিতভাবে দুর্গাপূজার সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

    আজ বুধবার (১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর পল্টনস্থ একটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুর্গাপূজা ভাষ্যসাধ্য করে আন্তর্জাতিক চক্রান্তও চলছে, যাতে এই ধর্মীয় উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না হয়। রিজভী বলেছিলেন, হিন্দু-মুসলমান সবাই এক হয়ে এই উৎসবের জন্য শপথ নিয়েছে, যেন কোনো বাধা বা চক্রান্ত পৃথিবীতে তার প্রকাশ না পায়।

    তিনি জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলের ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পূজা কেন্দ্রীক সতর্কতামূলক দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের লক্ষ্য যেন পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা বা রাজনৈতিক অপতৎপরতা চালানো না হয়। তিনি বলেন, আমাদের দেশের মুখমণ্ডল যেন কেউ কলঙ্কিত করতে না পারে, সেজন্য সবাই সতর্ক।

    রিজভী আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে হিন্দু-মুসলমান ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করেছে, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও তারা একসঙ্গে ছিল। আজও দেশপ্রেম ও ঐক্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে – রাজনৈতিক দল, সমাজ ও দেশবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের শান্তি বজায় থাকবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি নেতা জয়দেব, ডা. জাহিদুল কবির ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রাশেদুল হক।