Category: রাজনীতি

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনে হবে বিএনপি: হুমায়ুন কবীর

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনে হবে বিএনপি: হুমায়ুন কবীর

    বিএনপির দৈনিক নেতাকর্মীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে দল। এই কথা বলেছেন বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত এই নির্বাচন দ্রুত অনুষ্ঠিত হবে এবং বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে।’

    আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, তারেক রহমান শিগগিরই নিজ দেশে ফিরবেন এবং তার আবির্ভাবের বিষয়ে কোনও শঙ্কা নেই।

    হুমায়ুন কবীর উল্লেখ করেন, ‘প্রধান নেতা তারেক রহমানের ফেরার ব্যাপারে বিএনপি নেতাকর্মীরা খুবই আশাবাদী। নির্বাচনের জন্য দল এখন প্রস্তুত এবং ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছে।’

    অতিরিক্তভাবে, তিনি আরও বলেন, ‘নিউইয়র্কে এনসিপির উপর হামলা ঘটনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও প্রমাণ করতে চেয়েছে তারা সন্ত্রাসী সংস্থা। এই ধরনের নানা অপ্রিয় ঘটনা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য হতাশাজনক।’

  • খুলনায় এনসিপি’র বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ফরিদুল হক নিযুক্ত

    খুলনায় এনসিপি’র বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ফরিদুল হক নিযুক্ত

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশের বিভিন্ন বিভাগে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ১০ কেন্দ্রীয় নেতাকে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এসব নেতাদের অন্যান্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং নতুন দায়িত্ব দিয়ে দলের সংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যตั้ง করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। রংপুর বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আতিক মুজাহিদ, রাজশাহীতে ইমরান ইমন, সিলেটে এহতেশাম হক, ময়মনসিংহে আশেকিন আলম, ঢাকায় সাইফুল‑াহ হায়দার, ফরিদপুরে নিজাম উদ্দীন, চট্টগ্রামে এস এম সুজা উদ্দিন, কুমিল্লায় মোঃ আতাউল‑াহ, খুলনায় ফরিদুল হক এবং বরিশালে এড. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। এই ঘোষণাে উল্লেখ করে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের সব মহানগর ও জেলা পর্যায়ের অঙ্গ সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটি সম্পন্ন করাও দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

  • নির্বাচন পেছানোর কোনো চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর কোনো চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর কোনো চক্রান্তে এনসিপি যুক্ত নয়, বরং তারা দাবি করেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানই তাদের মূল লক্ষ্য। এই মত ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।’

    মঙ্গলবার, পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গামন্দির পরিদর্শন শেষে হাফিজাবাদ ইউনিয়নের হুদুপাড়া দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় কিছু দুর্গামন্দিরে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন।’

    সারজিস আলম বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে যদি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে নির্বাচন হয়, তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের একটাই দাবি, বিচারিক প্রক্রিয়া দৃশ্যমান ও জুলাই মাসে নতুন সনদ অনুযায়ী মৌলিক সংস্কার সম্পন্ন হওয়া। এটা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    শাপলা প্রতীক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রতীক পাওয়া না পাওয়া ও নির্বাচ postponement – এই দুইটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। আমরা আইনগতভাবে শাপলা প্রতীক পাওয়ার যোগ্য। নির্বাচন কমিশনের অবশ্যই বাইরের চাপ উপেক্ষা করে আইন অনুযায়ী আমাদের প্রতীক বরাদ্দ দিতে হবে।’

    অতীতে কিছু দখলদার ধর্মীয় সম্পত্তি ও খাস জমি ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে দখলের চেষ্টার কথা উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কাছে একটি কমিশন গঠনের দাবি জানানো হবে।

    তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীরা যথাযথ শাস্তি না পাওয়ায় ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতে এরকম ঘটনার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি।

    সারজিস আলম আরও বলেন, প্রতিবেশী একটি দেশের কিছু বাহিনী ও গণমাধ্যম এআই টুল ব্যবহার করে বিকৃত ছবি ছড়িয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাচ্ছে। তবে তিনি জানান, পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি সন্তোষজনক ও পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। আমাদের সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন অটুট।

  • নিবন্ধনের জন্য দুই দল শর্ত পূরণ করেছে: ইসি

    নিবন্ধনের জন্য দুই দল শর্ত পূরণ করেছে: ইসি

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা দলগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ দুটি দল শর্ত পূরণের সনদ অর্জন করেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এই দুটি দলের বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে এবং অন্যান্য ১২ টি দলের নিবন্ধনের প্রক্রিয়া আরও যাচাই-বাছাই করা হবে। ইতোমধ্যে, আবেদন কর্র প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে সাতটি দলের।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪৩ টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে ২২ টি দলের তথ্য মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে, দুটি দল—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ—কে বর্তমানে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়েছে। এই দুই দলের জন্য নিবন্ধনের প্রতীক সংক্রান্ত চিঠি প্রদান করা হবে, যদিও এক্ষেত্রে অতি দ্রুত নিবন্ধনের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    তাছাড়া, তিনটি দল—বাংলাদেশ আন্দোলন জনগণ পার্টি, জাতীয় জনতা পার্টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-শাহজাহান সিরাজ)—নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রয়েছে। Сонымен, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির বিষয়ে আদালতের রায়ের ফলে, তারা নাগরিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে বলে পূর্বে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও জানানো হয়েছে, ৯টি দলের কার্যক্রম নিয়ে আরও তদন্ত চলবে। এই তালিকায় রয়েছে—আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, ও জনতা পার্টি বাংলাদেশ।

    অবশেষে, মাঠপর্যায়ে তদন্তের ভিত্তিতে ২২ দলের মধ্যে সাতটি দলকে বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি। এই দলগুলো হলো—ফোড়ার্ড পার্টি, বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার्टि, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-সিপিবি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), বাংলাদেশ সলিউশন পার্টি এবং নতুন বাংলাদেশ পার্টি।

  • সালাহউদ্দিনের ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতিতে বিভাজন বেড়ানো উচিত নয়

    সালাহউদ্দিনের ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতিতে বিভাজন বেড়ানো উচিত নয়

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমরা ধর্মের ভিত্তিতে কখনোই রাজনীতিতে বিভাজন চাইনি এবং চাইও না। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, এই ধরনের বিভাজন করা আমাদের প্রাণে অন্যায়, এবং ভবিষ্যতেও করবে না। আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা একজন ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে সমন্বয়ের রাজনীতি, যেখানে সব জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে চলার লক্ষ্য থাকে। বাংলাদেশের এই ভূখণ্ডে সকলে মিলে একত্র হয়ে শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার জন্য বাংলাদেশি জাতীয়তার ভিত্তিতে আমরা রাজনীতি করি।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের এই সার্বভৌম ভূখণ্ডে আদর্শের ভিত্তিতে সব ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষকে নিয়ে আমরা এক দক্ষ সমন্বয়মূলক রাজনীতি করি, যাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রণয়ন করে। গণতান্ত্রিক সংস্কারের মাধ্যমেই দেশের মানুষ তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আরও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

    সালাহউদ্দিন বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও লড়াইয়ের পদক্ষেপে আমরা আমাদের ভোটাধিকারকে কেবলমাত্র প্রায় প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি, তাই আজকের দিনগুলোতে সেই অধিকার আদর্শের পথে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সব মানুষের মধ্যে একতা ও ঐক্য বজায় রাখতে হবে। সুন্দর এবং উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন। তিনি এও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া চায় এবং নির্বাচনের পরিবেশ বেশ চাঙ্গা।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের উন্নয়নের পথে বাধা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে কারা কারা ষড়যন্ত্র করছে, সেটি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। দেশের কিছু শক্তি ও বিদেশি প্রভাবশালী দল সক্রিয় আড়াল থেকে এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তবে বাংলাদেশের জনগণ একত্রিত হয়ে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করবে। গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে দেশের গণতন্ত্রের পথ রক্ষা করতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন বলেন, পিআর (জনসংযোগ) পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার কারণ হতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই পদ্ধতির মাধ্যমে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। এতে সরকার স্থির ও দীর্ঘস্থায়ী হয় না, বরং জ্বলন্ত সংসদ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ এই পিআর পদ্ধতির বিপক্ষে, এবং বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষ এই পদ্ধতির সমর্থক নয়। এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৬ শতাংশ মানুষ এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে। অন্য একটি জরিপে প্রকাশ পেয়েছে, কিছু দল দাবি করছে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতি চায়। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, পিআর মানে জনসংযোগ বা জনসংযোগের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টি, যেখানে সবাই আস্থাশীল। সবাই একযোগে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব।

  • জামায়াতের নতুন ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    জামায়াতের নতুন ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘জুলাই সনদ’-এর ভিত্তিতে আয়োজনের দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, এই দাবিতে রাজপথে আন্দোলন ছাড়া তাদের কোনও বিকল্প নেই। সেই অনুযায়ী, দলটি তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ জনগণ একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। এজন্য, জনগণের আবেগ ও অভিপ্রায় অনুযায়ী, আগামী জাতীয় নির্বাচন যেন JULY সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়, সেটি আমাদের মূল দাবি।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। নাহলে, জনগণ রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। তাঁর মতে, বর্তমান সংকটের সমাধানে একমাত্র পথ হলো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আর তা সম্ভব হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ গঠিত ঐক্য ভিত্তিক চেষ্টার মাধ্যমে।

    দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা সম্পৃক্ত হয়েই শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের দাবি তুলে ধরতে চায়। এর জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের সময়ে রাজপথে কঠোর অবস্থান থেকে বিরত থাকছে।

    জামায়াত মনে করে, সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে রাজনৈতিক সমাধান এখনও সম্ভব। তবে, জনগণের দাবিগুলো উপেক্ষা করলে কঠোর আন্দোলনের দিকে যেতেও তারা প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দেন দলের সচিব জেনারেল।

    দলের দ্বিতীয় ধাপের কর্মসূচি হিসেবে তারা ঘোষণা করেছে:
    ১. পহেলা অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দফা গণদাবির পক্ষে জনমত গঠন উপলক্ষে জনসংযোগ।
    ২. ১০ অক্টোবর ঢাকায় ও বিভাগীয় শহরগুলোতে গণমিছিল।
    ৩. ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।

    জামায়াতের পাঁচ দফা দাবি হলো:
    ১. জুলাই সনদ ভিত্তিক আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
    ২. নির্বাচন পদ্ধতি হবে সম্পূর্ণ পরিবর্ধিত পিআর পদ্ধতিতে।
    ৩. সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
    ৪. গণহত্যার বিচার সম্পন্ন হতে হবে দৃশ্যমানভাবে।
    ৫. ভারতীয় তাবেদার ও ফ্যাসিবাদী দোসররা—জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল—বিচার করতে হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। বিচার চলাকালীন তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।

  • নির্বাচন পেছানোর কোনও চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর কোনও চক্রান্তে এনসিপি নেই: সারজিস আলম

    নির্বাচন পেছানোর জন্য কোনো চক্রান্তের সঙ্গে এনসিপির সংশ্লিষ্টতা নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, দলটি দ্রুত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও সব অংশগ্রহণকারীর জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। ব্যারিস্টার সারজিস আলম মঙ্গলবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গামন্দির পরিদর্শন শেষে হাফিজাবাদ ইউনিয়নের হুদুপাড়া দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় তিনি স্থানীয় কিছু দুর্গামন্দিরে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন।

  • ফেসবুকে বিএনপি’র ভুয়া নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা প্রত্যাখ্যান

    ফেসবুকে বিএনপি’র ভুয়া নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা প্রত্যাখ্যান

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি’র প্রার্থী মনোনয়ন সংক্রান্ত একটি তালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে দলের পক্ষ থেকে এই তালিকাটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এড. রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান।বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, কিছু স্বার্থান্বেষী চিহ্নিত চক্রান্তকারী ফেসবুকের মাধ্যমে একটি বিভ্রান্তিকর প্রার্থী তালিকা পোস্ট করেছে। এই তালিকা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে নির্মিত। এ বিষয়টি বিএনপি’র কোনো অফিসিয়াল সূত্র থেকে প্রকাশ হয়নি এবং দলের সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। রিজভী সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, এই বিভ্রান্তিকর তালিকা থেকে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য তথ্যের জন্য সত্যাসত্য অনুসন্ধান করার। দলের আদর্শ ও মর্যাদা বজায় রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান বিএনপি মহাসচিবের

    প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান বিএনপি মহাসচিবের

    বাংলাদেশের পুনর্গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার গুরুত্ত্বের উপর জোর দিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মারিয়ট মার্কুইস হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘এনআরবি কানেক্ট ডে: এমপাওয়ারিং গ্লোবাল বাংলাদেশিজ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জাতির সামনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সবাইকে একজোট হয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে, যা অধ্যাপক ইউনূস দেখিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সবচেয়ে জরুরি হলো অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া। অতীতে স্বৈরশাসনের কারণে জনগণের বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহাসচিব বলেন, বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের জন্য যে সংস্কার কমিশন রয়েছে, তাদের কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। দেশের মানুষ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নতিকর কাজেই তারা যুক্ত। তিনি বিশ্বাস করেন, আধুনিক মানসিকতা নিয়ে তরুণ প্রজন্ম দেশের উত্তরণের নেতৃত্ব দেবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

  • তরুণদের ঐক্যই দেশের স্বৈরাচার প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি: তারেক রহমান

    তরুণদের ঐক্যই দেশের স্বৈরাচার প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি: তারেক রহমান

    বাংলাদেশে গভীর ষড়যন্ত্রের মুখে দেশের স্বাভাবিক অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি জনগণ, নেতাকর্মী এবং সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান যেন দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ ও স্বাধীনতা সংরক্ষিত থাকে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে অনুষ্ঠিত কুমিল্লা দক্ষিণ বিএনপি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল ১৬ বছর পর চতুর্থবারের মতো কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সম্মেলন।

    সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন, এবং সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা। সম্মেলনে দলটির ছয়টি সংসদীয় আসন, চারটি পৌরসভা, ১০৭টি ইউনিয়ন এবং ১০০০-এর বেশি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দেশের ইতিহাসে তিনটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকারকে জনগণ হটিয়েছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকেন, তাহলে দেশের অন্ধকার পথে ফেরার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আবারও গুপ্ত স্বৈরাচারী শাসনের উদ্ভব হতে পারে, তাই সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, মিছিল-মিটিংই শেষ কথা নয়, জনগণের কাছে সরাসরি যেতে হবে এবং জনসংখ্যার দুয়ারদুয়ারেও পৌঁছাতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীরা অনেক সংগ্রাম করে দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছেন। তারা জেলে গেছেন, গুম হয়েছেন, কিন্তু স্বৈরশাসনের পতন ঘটিয়েছে। এখন আমাদের আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।’

    প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের স্বার্থে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, কারণ দেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এই একটিই মূল অস্ত্র। তিনি ভবিষ্যতেও দলকে শক্তিশালী ও সংগঠিত করে দেশের গণতান্ত্রিক আদর্শকে বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দেন।

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, এবং নেতৃবৃন্দের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ ও সফল দলের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে দলটি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার নেতাকর্মীগণের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও দায়িত্ববোধের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।