Category: রাজনীতি

  • ৯ জানুয়ারি ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ

    ৯ জানুয়ারি ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ

    আসন্ন ৯ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর বড় ধরনের মহাসমাবেশ। এই মহাসমাবেশের মূল লক্ষ্য হল শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, এবং জনগণের মধ্যে জুলাই সনদের পক্ষে জনমত গঠন।

    বৃহস্পতিবার বিকালে পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও পীর সাহেব চরমোনোনাই, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনায় শহীদ ওসমান হাদিসহ আরও অনেক হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত খুনিদের ধরা না পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এজন্য এই মহাসমাবেশের মাধ্যমে জনমত গঠন করতে চাইছে সংগঠনটি।

    সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতৃবৃন্দ, যেমন মহাসচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতারা এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের এখনও আইনের আওতায় আনতে পারেনি সরকার। তারা এজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

  • তারেক রহমানের দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধন্যবাদ

    তারেক রহমানের দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধন্যবাদ

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশবাসী এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তিনি সুদূর লন্ডন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন। এই ঐতিহাসিক ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক মুসল্লি ও সমর্থকদের সমাগম হয়, যার ফলে বিমানবন্দর পরিণত হয় এক ঢেউয়ে বইয়ে যাওয়া জনসমুদ্রে। এই অনুসারে, তারেক রহমান দেশবাসীকে তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

    অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা, সব মিলিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্যাপনে পরিপূর্ণ ছিল। এর পাশাপাশি, সমাপনীভাবে নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    এছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের তিনি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। এভাবেই তারেক রহমান তার স্বদেশে ফিরে আসার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন এবং দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে অশেষ কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন।

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের জন্য আরও শক্তিশালী আশার বার্তা

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের জন্য আরও শক্তিশালী আশার বার্তা

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বাগত প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমান এবং তার পরিবারের ওপর রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল, এবং তাদের দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছিল। হাজারো শহীদের রক্তদান ও অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশ যখন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে, তখন তারা দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমরা একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী দেশ চাচ্ছি যেখানে কোনো ভিন্নমতের জন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না। গত দেড় দশকের অবরুদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ ব্রেকেঁ এখন আমরা এক মুক্ত বাংলাদেশের পথে হাঁটছি, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

    নাহিদ মনে করেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও মজবুত করবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতেই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এই অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ এবং ফলপ্রসূ হোক।

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও পরিকল্পনা নিয়ে চোখ থাকবে জামায়াতের

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও পরিকল্পনা নিয়ে চোখ থাকবে জামায়াতের

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক শীর্ষ ব্যক্তি তারেক রহমানের ফেরার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি তারেক রহমানকে সাদরে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান, সপরিবারে সুস্বাগতম!’ এদিন দুপুরে ঢাকার মিন্টু রোডের বাসভবন থেকে তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদ রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান। তারা লন্ডন থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে সিলেট হয়ে ঢাকায় আসেন। তাঁদের আগমনের ঘণ্টা দেড়েক পরে জামায়াতের আমির ফেসবুকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে এক পোস্ট করেন। জামায়াতের এই নেতা বিবিসি বাংলাকে জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতির মাঠে ফিরে এসেছেন, যা দলটির জন্য এক ইতিবাচক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও পরিকল্পনা বিষয়ক সব ঘটনায় জামায়াতের নজর থাকবে। এর আগে, দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির লিখেছিলেন, ‘জনাব তারেক রহমান, সপরিবারে সুস্বাগতম!’ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও বিবিসিকে বলেছেন, তিনি তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে এক ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে দেখছেন। তবে তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান কিভাবে নিজেকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অঙ্গনে রাখেন, সেটা তার ওপর নির্ভর করে দেশের রাজনীতিতে তার অবস্থান কেমন হবে। তাদের এই ফেরাকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও ইতিবাচক বলে মনে করছে, তারা বলছেন, এর ফলে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। এক সময় ভোটের মাধ্যমে ও সরকারে বিএনপি জোটের অন্যতম পার্টনার ছিল জামায়াত। শেষ বার গত এপ্রিল মাসে তারেক রহমানের লন্ডন সফরকালে দেখা হয় জামায়াত আমিরের সাথে। সে সময় তারেকের মায়ের, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার, লন্ডনে চিকিৎসার জন্য থাকা অবস্থায় এই সাক্ষাৎটি ঘটে। তবে চলতি মাসে জামায়াতের আমিরের লন্ডন সফরে তাদের দেখা হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এক সময়ে রাজনৈতিক শত্রু হলেও এখন তারা ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী। এসব বিবেচনায়, বিশেষ করে তারেক রহমানের ফেরার পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের পরিবর্তন কতটা হয়, এই নিয়ে সকলের নজরে রয়েছেন।

  • দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তারেক রহমানের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি

    দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তারেক রহমানের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি

    নেতাকর্মীদের জন্য আনে সুখবর, কারণ কিছু সময়ের মধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। দেশের মাটি স্পর্শ করার পরপরই তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে, যা দেশের মানুষ সহ্য করে দেখবে। তবে এই কর্মসূচির ফলে কিছুটা অসুবিধা হবে বলে তিনি আগেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন, কারণ জনদুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ তারেক রহমানের পুরো প্রত্যাবর্তন প্রস্তুতির বিস্তারিত বিবরণ দেন। তিনি জানান, তারেক রহমান বিমানযোগে বাংলাদেশে আসছেন। মধ্যরাতে তিনি নিয়মিত ফ্লাইটে রওনা হবেন এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১১:৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন। বিমানবন্দরে তার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা থাকলেও এভারকেয়ারে গিয়ে তিনি খুব সংক্ষিপ্ত ভাষণে সাধারণ জনতার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলবেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি বাসায় ফিরে যাবেন।

    তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রবেশের পরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৬ তারিখ জুমার নামাজের আগে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে এবং সাভার স্মৃতিসৌধে যাবেন। ২৭ তারিখ তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার ও এনআইডি কার্ডের কার্যক্রম নিশ্চিত করবেন এবং শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারত করবেন। পরে, তিনি পঙ্গু হাসপাতালে আহত যোদ্ধাদের দেখতে যাবেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মানুষ যেন সময় অসম্পূর্ণ হয় এবং অসুবিধায় পড়েন, সেজন্য রাজধানীর কেন্দ্রবিন্দুতে, যেমন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বা মানিক মিয়া এভেনিউতে সমাগম না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চায়। কারণ, বিএনপির এই কার্যক্রমে যারা অংশ নিচ্ছেন, তারা মানুষের দুর্ভোগ বুঝতে পারেন। তিনি আরও বলেন, নির্দেশনা অনুসারে পুরোপুরি চেষ্টা করেও জনসমাগম ও অনুষ্ঠানকে সফল করতে পারছেন না, কারণ মানুষের আবেগ এতটাই বেশি।

    তিনি উল্লেখ করেন, এই বিশাল আয়োজনটি সম্পন্ন করার জন্য ত্রুটির সম্মুখীন হওয়া স্বাভাবিক, তা শৃঙ্খলার সাথে সম্পন্ন করতে হলে আরও শ্রম দিতে হবে। এই জন্য তিনি সবাইকে শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতেও আহ্বান জানান।

    প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানিয়ে, সালাহউদ্দিন বলেন, অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের জন্য ২০টি মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্স, ছয় শয্যার মেডিকেল ক্যাম্প ও আইসিইউ সুবিধা সম্বলিত অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই সমারোহ যেন শৃঙ্খলার মধ্যে হয় এবং মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত হয়, সেটাই লক্ষ্য।

  • ড. কর্নেল অলি আহমেদ ঘোষনা দিলেন এককভাবে নির্বাচন

    ড. কর্নেল অলি আহমেদ ঘোষনা দিলেন এককভাবে নির্বাচন

    বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে মগবাজারের নিজস্ব কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। তিনি সেখানে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, এবারের সংসদ নির্বাচন তিনি এককভাবে পরিচালনা করবেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করবেন না।

    অলি আহমেদ বলেন, বিএনপি আমাদের মূল্যায়ন করেনি। আমরা তাদেরকে ১৪ জনের শর্ট লিস্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের নেতাকর্মীরা দুই ঘণ্টার মতো বসেও মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে পারেনি। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি আমাদেরকে অবমূল্যায়ন করেছে এবং এই পরিস্থিতিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এককভাবে নির্বাচন করব।

    সংবাদ সম্মেলনের আগে, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন, যা আলোচনায় আসে।

    অলি আহমেদ দৃষ্টান্তমূলক রাজনীতির একজন নেতা। তিনি চারদলীয় জোটের সরকারে মন্ত্রী ছিলেন, তবে জামায়াতের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে মন্ত্রিত্ব হারান। এরপর তিনি বিএনপি থেকে বিরতির পথে যান এবং নিজের দল এলডিপি গঠন করেন। এর পরে বেশ কিছু সময় তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে তার ব্যক্তিত্ব ও নীতির কারণে তিনি স্বতন্ত্র পথ বেছে নেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি আবারও স্পষ্ট করে দিলেন, এবার তিনি এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেবেন।

  • ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন জামায়াতের আমির

    ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন জামায়াতের আমির

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে প্রার্থীদের কার্যক্রম বেড়ে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর থেকে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এই কাজের নেতৃত্বে ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, যারা একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী নিশ্চিত করে জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামায়াতের এই নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এবারের নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর। এরই মধ্যে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে প্রার্থী হওয়ার জন্য ক্রাহি-প্রত্যাশার সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ অন্তত এক ডজন প্রার্থী ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে, একই দিনে ঢাকা-১৩ আসন থেকেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ উল্লেখযোগ্য। রিটার্নিং অফিসার সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার মোট ২১ জন সম্ভাব্য প্রার্থী ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ফলে রাজধানীর এই দুই আসনে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও প্রাঞ্জল ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

  • এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় নেতা, তারেক রহমানকে সমর্থন প্রকাশ

    এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় নেতা, তারেক রহমানকে সমর্থন প্রকাশ

    দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনের পর বাংলাদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পর, দেশজুড়ে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক। তিনি আজ (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন, যা সকলের মনোযোগ কাড়ে। তার এই প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ঠিক এই দিনই, তিনি এনসিপি ছাড়ার ঘোষণা দেন এবং তারেক রহমানের প্রতি সমর্থনের বার্তা প্রকাশ করেন।

    ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি মীর আরশাদুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব, নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া সেল ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য, পরিবেশ সেল প্রধান এবং চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারীসহ সব দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি। আজ আমি এই ঘোষণা দিতে চাই যে, তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনরুত্থানের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। তিনি বলেন, আমি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করছি এবং চট্টগ্রাম-১৬ সংসদীয় আসনে (বাঁশখালী) নির্বাচন করছি না। এই দিনটি নির্বাচিত করেছি কারণ এই দিনটাই সেই ঐতিহাসিক দিন, যখন দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বাংলাদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এটা আমাদের জন্য এক বিশাল স্বাগত ও শুভকামনা।

    তিনি আরও লেখেন, ‘আন্তরিকতার সাথে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি যে, এনসিপির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দলটির নেতারা যে প্রবৃদ্ধির স্বপ্ন ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। দলের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের দল এবং নেতাদের পথে ভুল আছে। আমি এই ভুল পথে থাকতে পারছি না। তাই আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমার এখন থেকে এনসিপির সাথে আর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকবে। তাদের প্রতি আমি শুভকামনা রইল।’

    আরও যোগ করেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমি খুবই হতাশ। আমি তখন মনে করেছিলাম, এই আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ হবে, যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু বাস্তবে তা প্রতিফলিত হয়নি। সতেরোটি শহীদ, হাজারো আহত এবং অসংখ্য ত্যাগের পরও একটি শান্তিপূর্ণ ও ন্যায্য বাংলাদেশ দেখিনি। এনসিপি এর জন্য দায়ী। বর্তমানে দেশে বিভাজন, ধর্মের অপব্যবহার ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর বিভিন্ন বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। কিছু গোষ্ঠী দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে। তাই গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং দেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরাই আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নামকরা তরুণ নেতৃত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি, নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং বর্তমান দলগুলোকে শক্তিশালী করার প্রয়োজন বলে মনে করি।

    নিজের রাজনৈতিক যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজে সচেতনতার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রজীবনে রাজনীতি শুরু করেছি। আমি সব সময় বাংলাদেশের স্বার্থকে নিজের অগ্রাধিকার দিয়েছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে, আমার বিশ্বাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও জোটের জোড়া জয় নিশ্চিত, ফলে সরকার গঠন সম্ভব। দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা একত্রে কাজ করে যেতে চাই।’

    শেষে, তারেক রহমানের নেতৃস্থানীয় কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বের উপর আমার বিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়েছে। তিনি বর্তমানে একমাত্র নেতা, যিনি ধ্যানধারনা, শিক্ষা, পরিবেশ ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে স্পষ্ট লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতে পারেন। তরুণদের জন্য এটি এক দারুণ দৃষ্টান্ত। দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যতের স্বার্থে, এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করতে তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে আমি পুরোপুরি সমর্থন জানাচ্ছি।’

  • তরিক রহমানের জন্য রাজধানীতে আনুষ্ঠানিকতার বাইরেও নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন মাহদী

    তরিক রহমানের জন্য রাজধানীতে আনুষ্ঠানিকতার বাইরেও নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন মাহদী

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে উঠেছে দেশজুড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যম, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী এবং সাধারণ মানুষ সবাই নানা প্রশ্ন তুলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দলের উপদেষ্টা মাহদী আমিন স্পষ্ট ও বিস্তারিতভাবে উত্তর দিয়েছেন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্ব প্রকাশ করেছেন। এই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অন্যতম অনুপ্রেরণা হলো দেশের জন্য গভীর বাসনা ও জাতীয় স্বার্থ। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই প্রত্যাবর্তন শুধুমাত্র একজন নেতার দেশে ফেরার ঘটনা নয়, এটি দেশের মানুষজনের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান, আশা-আকাঙ্ক্ষার এক সংযোগ। এটি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    বিদ্যমান পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা বিবেচনায়, মাহদী আমিন জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে ফিরছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। ফ্লাইটটি সকাল ১১:৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবতরণের পরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    তারেক রহমানের প্রথম লক্ষ্য হলো তার অসুস্থ মা-বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়া। এই জন্য তিনি সরাসরি বিমান থেকে গুলশানের নিজ বাসায় যাবেন। তবে, আগেভাগেই দায়িত্বশীলতা ও জনসমাগমের কথা বিবেচনা করে তিনি রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট প্রশস্ত) এলাকার একটি সংক্ষিপ্ত পথ দিয়ে মাত্র কিছু সময়ের জন্য জনগণের সাথে দেখা করবেন ও ধন্যবাদ জানাবেন। এরপর তিনি হাসপাতালে গিয়ে মায়ের পাশে থাকবেন এবং পুনরায় গুলশানে নিজ বাসায় ফিরে যাবেন।

    স্থানীয় ঐতিহাসিক স্থানগুলো উত্তমভাবে এড়ানোর কারণ হিসেবে মাহদী আমিন ব্যাখ্যা করেন, এটি একটি সুস্পষ্ট কৌশলগত ও মানবিক সিদ্ধান্ত। জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও স্থানগুলো এক্ষেত্রে এড়ানো হয়েছে। তিনি জানান, রাজধানীর কেন্দ্র থেকে দূরে অবস্থিত এই ৩০০ ফুট প্রশস্ত ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ এর এক পাশের সার্ভিস লেনকে নির্বাচিত করা হয়েছে মূল কর্মসূচির জন্য—যেখানে তারেক রহমানের সফর সংশ্লিষ্ট সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

    এটি কোনো সংবর্ধনা বা জনসমাবেশ নয়, এটি এক ধরনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি, যেখানে শুধুমাত্র তারেক রহমানই বক্তা থাকবেন। এই অনুষ্ঠানে দলের নেতাকর্মী থেকে সাধারণ জনগণ—সবাই উপস্থিত থাকবেন। ইতোমধ্যে লাখ লাখ মানুষ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, নেতাকে এক নজর দেখার আবেগে উদ্বেল।

    জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২০টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে চিকিৎসক, প্যারামেডিক ও ওষুধের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া, হাসপাতালে যাওয়ার পথে আইসিইউসহ অ্যাম্বুলেন্স ও ব্রেকডাউনের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পানির সরবরাহ, স্বেচ্ছাসেবকদের সেবা নিশ্চিত করে জনমনে স্বস্তি দেওয়া হচ্ছে।

    প্রতিবেশী ও বিদেশগামী যাত্রী, রোগী ও জরুরি যানবাহন অবাধে চলাচল নিশ্চিত করতে রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে আলাদা বাস পার্কিং লেনের ব্যবস্থা, অ্যাম্বুলেন্স ও বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এই সব উদ্যোগের পাশাপাশি, ট্রাফিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ ও ট্রাফিক কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এমনকি এ সব প্রচেষ্টার মধ্যেও প্রতিযোগিতা থাকছে, এবং কিছু অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য বিএনপি ও এর সহযোগীরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

    অন্তর্বর্তী সরকারি ও নির্বাচনকালীন ছুটির কারণে, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের দিন নির্ধারিত হয়েছে। পরে দিনগুলোতেও ছুটি থাকায় মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নেতাকর্মীদের জন্য নির্দেশনা হিসেবে যোগ করা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখতে ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর অপেক্ষার পর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দেশের সকল প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা এক সূচনায় মেতে উঠেছেন। বেশিরভাগ নেতাকর্মীকে রাজধানীর প্রবেশমুখগুলো ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    অবশেষে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে বেশকিছু বিশ্লেষক এটি দেশের গণতান্ত্রিক চেতনা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করছেন। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক নতুন যুগের সূচনা হবে বলে প্রত্যাশা করছে সবাই। এটি দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা, সহনশীলতা ও ঐক্য বাড়াতে সহায়ক হবে—একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

  • মাত্র ১৪ ঘণ্টায় তাসনিম জারার অ্যাকাউন্টে ২৩ লাখ টাকার অনুদান

    মাত্র ১৪ ঘণ্টায় তাসনিম জারার অ্যাকাউন্টে ২৩ লাখ টাকার অনুদান

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য ভোটারদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগে মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জানিয়েছেন যে, তিনি ২৩ লাখ টাকার বেশি অনুদান পেয়েছেন। এটি এমন এক অপ্রত্যাশিত ও মনোমুগ্ধকর সাড়া—যা তিনি নিজেও কল্পনাও করেননি। ডা. তাসনিম জারা ধীরে ধীরে জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে, যা ভোটার সংখ্যা ও আনুসঙ্গিক নিয়মের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত। ঢাকার ৯ নম্বর সংসদীয় আসনে এর ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার, ফলে তিনি অর্থের মোট প্রয়োজনীয় পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন প্রায় ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এই লক্ষ্য পূরণ হলে ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাত ২টার পরে নির্ধারিত সীমা অতিক্রম হওয়ায় এখন বিকাশের মাধ্যমে আর অর্থ পাঠানো সম্ভব নয়; বর্তমানে অনুদান গ্রহণের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থাও চালু রয়েছে। এর আগে সোমবার রাতে, ডা. তাসনিম জারা একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভোটার, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন, যেন তিনি নির্বাচনী খরচ নির্বিঘ্নে চালাতে পারেন।