Category: রাজনীতি

  • বিএনপি শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়েছে

    বিএনপি শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়েছে

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি আরও বেশ কয়েকটি আসন শরিক দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। একদিন আগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এতে উল্লেখ করা হয়, এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগদানকারী ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-7, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাজী জাফর মোস্তফা জামান পিরোজপুর-1, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-3, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-2, বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ ঢাকা-13 ও গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-6 ও ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ যশোর-5 থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে ফখরুল বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপি আর কোনো প্রার্থী দেবে না। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়লেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, যেসব আসনে দলীয় সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে, সেগুলোর জন্য বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। কেবল ঐসব আসনে যেসকল শীর্ষ দল বা শরিক দলকে বিশেষ সমঝোতার মাধ্যমে আসন দেয়া হবে, তারাই প্রার্থী হতে পারবে। এতে আওয়ামী লীগ বা অন্য দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রয়োজনে বিএনপি তাদের প্রার্থী না দিয়ে সমঝোতায় যেতে চায় বলে জানা গেছে। এ ছাড়া, বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ায় দলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।প্রসঙ্গত, এই অংশের মতে, বলাই বাহুল্য যে, বিএনপি এই নির্বাচনে শরিক দলগুলোকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্যই তারা তাদের দলের মধ্য থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দেশেবিচ্ছিন্ন করে ও দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান শাদাহাৎ হোসেন সেলিম নিজ দল বাজেয়াপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একইভাবে, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদাও নিজেদের দল ঢাকা-১ পুর্নবিবেচনা করে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী হতে চান। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে বিএনপি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।গতকাল মঙ্গলবার, বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেন, জমিয়তের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে তারা চারটি আসনে প্রার্থী দেবে না। এ চার আসন হলো, নিলফামারী-১ (মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী), নারায়ণগঞ্জ-৪ (মনির হোসাইন কাসেমী), সিলেট-৫ (মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (জুনায়েদ আল হাবীব)।এ পর্যন্ত, আওয়ামী লীগের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭২টির প্রার্থী তালিকা দুই দফায় প্রকাশ করেছে বিএনপি। আর বাকি ২৮টির মধ্যে চারটি আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হলেও আরও আটটি আসন শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, এখনও বাকি রয়েছে ১৬টি আসন।

  • সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ছাড়া কেউ বক্তব্য দেবেন না

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ছাড়া কেউ বক্তব্য দেবেন না

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি নিজে ছাড়া অন্য কেউ ভাষণ দেবে না। এই বিষয়টি তিনি বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করেছেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারেক রহমান এমন কোনো কর্মসূচি সমর্থন করেন না যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। তিনি ইতিমধ্যেই লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেননি। এ জন্য তিনি সাধারণ মানুষের অসুবিধা দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন। তারা রাজধানীর একপাশে ৩০০ ফুট প্রশস্ত সড়কের সার্ভিস লেনে সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন, যেখানে শুধু তারেক রহমানের উপস্থিতি ও বক্তব্য থাকবে। অন্য কোনো বক্তা থাকবেন না এবং নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাঞ্চন ব্রিজ ব্যবহার করে পাঠানবাড়িতে আসার জন্য।

    তিনি আরও জানান, তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মায়ের কাছে যেতে চান। তিনি পিতার ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করতেও আগ্রহী। তিনি এমন একটি দিন নির্ধারণ করেছেন, যা বাংলাদেশের সরকারি ছুটির মধ্যে পড়ে, যাতে তিনি স্বদেশে ফিরে আসতে পারেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক রহমান বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে সকাল ১১:৫০ মিনিটে রাজধানীতে অবতরণ করবেন। এরপর বিএনপির অন্যান্য নেতা-নেত্রীরাও তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। তিনি বিমানবন্দর থেকে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন, এর পথে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংবর্ধনা পুষ্পস্তবক প্রদান, দোয়া ও দেশ ও দলের কল্যাণ কামনায় আয়োজনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হেল্প ডেস্ক, পার্কিং এবং অন্যান্য সুবিধার জন্য প্রস্তুত থাকবো। তবে এই বড় আয়োজন যেন কোনও ত্রুটি ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, এ জন্য নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

  • নির্ধারিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারেক রহমান, শুরু হবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আয়োজন

    নির্ধারিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারেক রহমান, শুরু হবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আয়োজন

    নেতাকর্মীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর দেশের মাটি ছেড়ে নিজ দেশের জন্য উড়াল দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তনের পরপরই তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, যার প্রথম কয়েক দিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ খতিয়ে বলেছেন।

    তিনি বলেন, এই দিনটি যে ইতিহাস হয়ে থাকবে, দেশবাসী তার সাক্ষী হবে। তবে এই কর্মসূচির ফলে কিছুটা জনদুর্ভোগ হতে পারে, তাই তিনি আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ দেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও তারেক রহমানের ব্যপারে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, বিমান বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যরাতে বাংলাদেশের সময়ে রওনা হবেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন। বিমানবন্দরে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে আন্তরিক সংবর্ধনা দেবেন। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পথে সংকেতিতভাবে বক্তব্য রাখবেন, শুধুমাত্র সংক্ষিপ্তভাবে। অন্য কেউ এ সময় বক্তব্য দিতেহবেন না। তার পরে তিনি বাসতবাবরে ফিরে যাবেন।

    সালাহউদ্দিন বলছেন, ২৬ ডিসেম্বর জুমআ’র পর তারেক রহমান প্রথমে যাবেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে। এরপর সাভার স্মৃতিসৌধে সশ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন। ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে ভোটার ও এনআইডি কার্যক্রম সম্পন্ন করে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। পরে পঙ্গু হাসপাতালে জুলির আহত যোদ্ধাদের দেখতে যাবেন।

    তিনি আরও জানান, জনদুর্ভোগ না হয়, এ জন্য রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোর অভ্যর্থনা কর্মসূচি এড়ানো হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বা মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের পরিবর্তে বিএনপি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চেয়েছেন সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষমা চাচ্ছি মানুষের অসুবিধার জন্য। তারেক রহমান এ সব পছন্দ করেন না। নির্দেশনা অনুযায়ী চেষ্টা করেছি, তবে মানুষের আবেগের কারণ এ অনুষ্ঠান হয়েছি।’

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে দেশবাসী। তবে এত বড় আয়োজন সম্পন্ন করা ছোট দলের পক্ষে শতভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রেখে অনুষ্ঠানের সফলতার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘জনদুর্ভোগ এড়ানোর জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আয়োজনে মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল ক্যাম্প ও আইসিইউ সুবিধাসহ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে।’

  • নাহিদ ইসলাম: এই ধরনের হামলা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে

    নাহিদ ইসলাম: এই ধরনের হামলা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে

    প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করেছেন, এই ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এর সঙ্গে জড়িত যারা, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতা বিরোধী এক প্রতিবাদ সভায় তিনি তাদের বক্তব্য ব্যক্ত করেন। সেখানে বলেন, বর্তমানে যা ঘটছে তা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত একটি অপরাধ বলে মনে হয়। সমাজের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধেই সোচ্চার হওয়া।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, যে হামলাগুলো ওই রাতে ঘটেছে, সেগুলো নিঃসন্দেহে পরিকল্পিত একটি হামলা। এ জন্য সবাইকে একত্রিতভাবে সরকারকে বাধ্য করতে হবে সঠিক তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিত করতে। পাশাপাশি ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও তদন্তের আওতায় এনে দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

    তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের নামে যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না। মিডিয়ার উপর এমন হামলাও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও চরম অন্যায়। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এটি সমাজের স্বাভাবিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অপরিহার্য।

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: নিরাপত্তা ও জনসাগমের ব্যাপক প্রস্তুতি

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: নিরাপত্তা ও জনসাগমের ব্যাপক প্রস্তুতি

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য তার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। মাত্র দু’দিন পর তিনি দেশে ফিরছেন, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৭ বছর পর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য দলটি বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। দলের নেতারা সর্বোচ্চ জনসমাগম এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও সামরিক প্রস্তুতিতে জোর দিয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে দলের নিজস্ব পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা মঞ্চ তৈরি শুরু হয়েছে, যাতে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিতে পারেন। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের স্বাগত জানাতে রাজধানীতে Estimated ২০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেছেন এবং আগামী দিনগুলোতে উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিধানে কঠোর নির্দেশনা জারি হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা স্থান ও গুলশান পর্যন্ত বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা দলের শীর্ষ নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। সেই সঙ্গে, কি তিনি সরাসরি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন নাকি ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি; তবে সম্ভবত তিনি আগে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতাল যাবেন। তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার জন্য বিশেষ ট্রেন ও চাস্তা প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, তিনি ইতোমধ্যে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করেছেন। তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত ফ্লাইটটি ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় রওনা হবে। আশা করা হচ্ছে, ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১:৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। ফ্লাইটে থাকবেন তার পরিবারের সদস্যরা, যেমন তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান, পাশাপাশি তার মিডিয়া টিমের কয়েকজন সদস্য। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলীয় নিরাপত্তা টিমের প্রধান হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি নেতৃত্ব দেবেন সিকিউরিটি টিমের, যারা বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত তার নিরাপত্তার সব দিক দেখভাল করবেন। বিষয়টি নিয়ে দলের সর্বোচ্চ নেতাকর্মীরা বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। তাদের অংশীদারিত্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও সতর্কতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, তারেক রহমানের নিরাপত্তার জন্য কোনও বিশেষ ঝুঁকি এখনও স্পষ্ট নয়, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার দেশে ফেরার পর তার চলাফেরা পুলিশের পাহারায় থাকবে। বাসভবন ও অফিসেও থাকবে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা স্তর। কাউকে অনুমতি ছাড়াই তার ধারে কাছেও যেতে দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা ও পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক তার নিরাপত্তা দেখবেন। তারেক রহমানের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে হাজারো পুলিশ সদস্য। আরও থাকবেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সোয়াট দল, বেম ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের সদস্যরা। তিনি বিশেষ করে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন ও দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখার পরিকল্পনা রয়েছে। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই সময়ে প্রস্তুতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে উপস্থিতির জন্য যেন কোন বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নেতারা জানান, এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জেলায দলীয় নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেছেন এবং মূল শহর ঢাকায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে। স্বেচ্ছাসেবক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অনুষ্ঠান স্মরণীয় করে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারাদেশ থেকে দলীয় সমর্থকদের সমাগম বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক কাজে জন্য প্রস্তুতি সুনির্দিষ্ট ও সুসংগঠিত।

  • এহসানুল হুদা দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন

    এহসানুল হুদা দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন

    বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারের সময় তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘোষণা দেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

    যোগদানের আগে এহসানুল হুদা বলেন, চরম এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা এসে দুই দলের সঙ্গে একত্রীকরণের পথে। তিনি আরো বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে বিএনপিতে যোগদান করেছি। ভবিষ্যতে বিএনপি ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে, দেশের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বললেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার বাস্তবায়নে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন, যেন দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারেন।

    সাংবাদিকরা জানতে চান, দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে সক্রিয়ভাবে যোগদান করেছেন কিনা, এ বিষয়ে এহসানুল হুদা কিছুটা অবসরে থাকেন। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘হ্যাঁ, দল বিলুপ্ত করে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেছেন।’ পরে এহসানুল হুদা মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন করেন, ‘এটা বলতে হবে?’ উত্তরে ফখরুল বলেন, ‘হ্যাঁ, আপনি দলের কোনও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ নেননি।’

    অবশেষে, এহসানুল হুদা স্বীকার করেন, ‘হ্যাঁ, আমি দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছি।’ এবং সাংবাদিকদের আরো জানিয়ে দেন, তিনি একা নন, তার সাথে দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। সবাই একসঙ্গে নতুন রাজনৈতিক ধারায় অগ্রসর হতে চাইছেন, এমনটাই জানিয়েছেন এই যোগদানকারীরা।

  • বিএনপির জোটে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পেল 4 আসন

    বিএনপির জোটে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পেল 4 আসন

    বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম চারটি আসন পেয়েছে। দলটি প্রথমে পাঁচটি আসনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু বিএনপি তিনটি আসনে সম্মতি দেয়। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুপারিশে আরও একটি আসন বাড়িয়ে মোট চারটি আসন করা হয়।

  • রুমিন ফারহানার কপাল পুড়ল

    রুমিন ফারহানার কপাল পুড়ল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দ্রুত সামনে এসে পৌঁছালেও প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত হলেও বিএনপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে শেষ মুহূর্তে কাউকে প্রার্থী হিসেবে জানিয়েছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে দলের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিএনপির সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বড় ধরনের আঘাত পেলেন। দীর্ঘদিন ধরে এই আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি, কিন্তু শেষ সময়ে এসে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    বিএনপি দেশের ২৭২টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনটি শুরু থেকেই ফাঁকা রাখা হয়। দলের অভ্যন্তরে ধারণা ছিল, এখানে রুমিন ফারহানার নাম অন্তত প্রকাশ পাবে। কিন্তু মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দলীয় এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রত্যাশা ভেস্তে যায়। বিএনপি জানান, আন্দোলনের শরিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তারা নতুন কোনও প্রার্থী দেবে না এবং এই আসনটি কার্যত তার শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    অন্যদিকে, সরকার পক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে রুমিন ফারহানা তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এই আসন থেকে তিনি নির্বাচন করবেন। সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে তিনি নিজেকে প্রার্থী হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছেন। সম্প্রতি এক নির্বাচনী কর্মসূচিতে নিজের পরিকল্পনা প toutে তিনি বলেন, “আমি যা বলি, আমি তা–ই করি। সেটাই যদি ভাল হয় বা খারাপ হয়, আমার কিছু করার নেই। যদি সবাই আমার পাশে থাকেন, তাহলে আমি সরাইল–আশুগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়াই চালিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আমার বিশ্বাস, আমি আমার মনোনীত স্থানে থেকেই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।”

  • নাহিদ ইসলামের কড়া মন্তব্য: এ ধরনের হামলা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

    নাহিদ ইসলামের কড়া মন্তব্য: এ ধরনের হামলা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

    প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হামলার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সম্পাদক পরিষদ দ্বারা আয়োজিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতা বিরোধী এক প্রতিবাদ সভায় এই মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যা ঘটছে, তা একেবারে পরিকল্পিত অপরাধ বলে মনে হয়। আমাদের সবার উচিত নিজেদের মত প্রকাশের পাশাপাশি এই ঘটনার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেওয়া। তিনি আরও বলেন, যারা ওই রাতে এই হামলা চালিয়েছে, তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ। তাই সরকারের কাছ থেকে সঠিক তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করতে হবে। এর সাথে সঙ্গে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অন্যান্য সহিংস ঘটনাগুলোরও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাইয়ে যদি কেউ গণ-অভ্যুত্থানের নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে, তবে আমরা এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব। মিডিয়ার উপরে এই ধরনের হামলার ঘটনা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা অপরিহার্য।

  • প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যে হাদির বিচারবিষয়ক নীরবতা মহলের হতাশা

    প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যে হাদির বিচারবিষয়ক নীরবতা মহলের হতাশা

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বিচারবিষয়ক স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার (২১ ডিসেম্বর) মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওসমান বিন হাদির শাহাদাতের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    পরওয়ার বলেন, গত জুলাই মাসে সংঘটিত হাদির হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ‘প্যাকেজ প্রোগ্রাম’। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এমন পরিকল্পিত হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তিনি সরকারকে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান।

    এছাড়াও, তিনি সন্ত্রাসী হামলার পর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ছয় ঘণ্টা সীমান্ত সীলগালা রাখার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন। বলেন, গুলির ঘটনার পরে এত দীর্ঘ সময় কেন সীমান্ত বন্ধ রাখা হলো? কি কারণে গোয়েন্দা মহলে লুকিয়ে থাকা উগ্রপন্থী ও আধিপত্যবাদীরা খুনিকে পালানোর সুযোগ দিয়েছে, এ নিয়েও ভাবনা চিন্তার দরকার রয়েছে।

    তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, আগামী নির্বাচনে ‘রিফাইন আওয়ামী লীগ’ নামে কোনো ফ্যাসিস্ট সংগঠনকে পুনর্বাসন করতে দেওয়া হবে না।

    শহীদ ওসমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে পরওয়ার বলেন, জীবিত ওসমানের চেয়ে শহিদ ওসমানের পরিবারকে সম্মান অনেক বেশি। এ কথা বলেও তিনি মনে করিয়ে দেন, শহিদদের মর্যাদা বঞ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই।