Category: রাজনীতি

  • তারেক রহমানের আহ্বান: সামনের দিনগুলো কঠিন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন

    তারেক রহমানের আহ্বান: সামনের দিনগুলো কঠিন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন

    বিএনপি সহ সব গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানবিন্দুসংঘে দেশের স্বার্থে একসাথে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। his বক্তৃতায় তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আগামী দিনগুলো বেশ চ্যালেঞ্জাপূর্ণ। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়ছে। এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে বগুড়ার শহীদ টিটু মিলনায়তনে শহীদ জুলিও স্মরণে স্থাপিত ডিজিটাল স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি শহীদদের স্মরণ করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদী তার মধ্যে অন্যতম, যিনি গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন এবং প্রমাণিত যে তিনি ভোটাভোটে বিশ্বাস করতেন। এই মনোভাবের জন্যই তিনি শহীদ হয়েছেন।

    তারেক বলেন, আমাদের উচিত শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো ও তাদের আদর্শকে অনুসরণ করে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য কাজ করা। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তারা আমাদের প্রজন্মের তরুণ ছিল। এই যুগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইন্টারনেট, কিন্তু এর ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় সবকিছু সহজে সংযোগ করা যায় না। তবুও, আগামী নির্বাচনে যদি আমরা জনগণের সমর্থন পাই, তাহলে আমরা ইন্টারনেটের সুবিধা সহজতর করার চেষ্টা করবো, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য।

    স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার বিষয়ে তিনি জানান, নতুন পরিকল্পনায় দেশের এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে অনেক নারী থাকবেন। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে।

    দেশের আইটি পার্কগুলোর অপচয় ও অকার্যকারিতা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অতীতে কিছু ডিজিটাল পার্ক তৈরি হলেও, খুব কমই কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি এসব পার্ককে নতুনভাবে গড়ে তুলার কথা বলেন, যাতে তরুণরা ডিজাইন, কন্টেন্ট এবং অনলাইন কাজের জন্য স্থান পায়।

    বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনাও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে ভাষা শেখা ও বিভিন্ন ট্রেনিং প্রবৃদ্ধি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া সম্ভব হবে।

    বক্তব্যের শেষ দিকেও তিনি দলের ৩১ দফা ও নতুন স্লোগানকে গুরুত্ব দেন, যেখানে মূল কথা হল- দেশের গর্বে কাজ করা, প্রথমে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্য যেন সব কর্মসূচীর কেন্দ্রে থাকে। বিকেল সময়ে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা আরও বক্তব্য দেন, যেখানে জেলা অর্জনসমূহ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

  • হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

    হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

    শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ভালোবেসে থাকলে, তার হত্যার বিচারের দাবি করলে, শাহবাগকে ফ্যাসিবাদমুক্ত ও ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে চাইলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি। তিনি বলেন, আমি কখনো শহীদের ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম রাজপথে বিপ্লবী ওসমান বিন হাদির পাশে থেকে এই দেশকে স্বৈরাচার ও আধিপত্যবাদ মুক্ত করে ইনসাফের দেশ গড়তে। যতদিন পর্যন্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গঠন হয় না, আমি আন্দোলন থেকে সরে যাব না।최근 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে ইয়াদে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির শাহাদত উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, মহাস্থান, অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ নানা পর্যায়ের নেতারা। দোয়া ও স্মৃতিচারণের সময় তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, আমি ওসমানের ভাই হিসেবে এখানে আসিনি, আমি ছিলেন তার সহযোদ্ধা। যখন হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন, আমি তার পাশে ছিলাম। ওসমান ডান পাশে বসে থাকাকালীন সময়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সে আহত হয়। আমার এই ক্ষুদ্র ভাইয়ের জন্য আমরা রাজপথে নামিনি, তবে হাদির অসাধারণ সাহস ও মূল্যবোধ আমাদের অনুপ্রেরণা। ওসমান যখন জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন, তখন তাঁর সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবুও তিনি বলতেন, আমার আল্লাহই আমাকে রক্ষা করবেন, আমি নিজের জীবন বিপদে ফেললেও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। তিনি বলতেন, ‘আমি যদি রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যাই, আপনারা আমার পরিবারকে দেখবেন। আমি সেটাই চেয়েছি।’ ওমর বিন হাদি আরও বলেন, আমি কখনো শহীদ ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম বিপ্লবের পাশে থেকে এই দেশের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি বলেন, আজ আমার ভাই চলে গেছেন। ওসমান জোহর নামাজ পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন। আমাদের পরিবার ও ইনকিলাব মঞ্চের ভাই-ব্রাদাররা এই দুঃখের সময়ে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছেন, এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। আমরা স্বীকার করি, এই সংগ্রাম এবং শহীদ ওসমানের আন্দোলন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বলেন, আমরাও ওসমানের স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিজের সবকিছু ছাড়িয়ে যাব। আমরা কোনো পারিবারিক আর্থিক অনুদান চাই না, শুধু চাই আন্দোলন অব্যাহত থাকুক। ওসমান হাদির শাবাগে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওমর বিন হাদি বলেন, ওসমান শাহবাগে দাঁড়িয়ে বলতেন, এই শাহবাগ থেকে ফ্যাসিবাদ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে, এই স্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে এই দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্র সফল হয়। তিনি মহান দোয়া ও প্রার্থনা করেন যে, হাদির স্ত্রীর, সন্তান ও পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আরও উল্লেখ করেন, ওসমানের ছোট বোন সম্পূর্ণভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে, মানসিকভাবে দুর্বল। দেশপ্রেমে উদ্বুব্ব হওয়া এই পরিবারের সদস্যদের জন্য সবাই দোয়া কামনা করেন। শেষত, তিনি বলেন, এই সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল অংশকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যেন এ দেশের যুবসমাজ সত্যিকার দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়।

  • অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

    অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন শুধু সচেতন থাকলেই হবে না, বরং অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতা বিরোধী এক প্রতিবাদ সভায় এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, সংবাদপত্রের ওপর হামলা দেশের গণতন্ত্র ও মুক্তচিন্তার ওপর আঘাত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের জনসচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এখন চাই শক্তিশালী প্রত্যাঘাত। আমি নিশ্চিত না আমরা কোন বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে আছি। জীবনের স্বপ্ন ও সংগ্রাম ছিলো একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু আজকের এই বাংলাদেশ আমি আগে ভাবিনি।’’

    বিএনপি নেতার ভাষ্যে, আজ শুধু ডেইলি স্টার বা প্রথম আলো নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ওপর আঘাত এসেছে। তিনি বলেন, ‘‘আমার ব্যক্তিগত চিন্তা করার, কথা বলার অধিকারও হুমকির মুখে। July যুদ্ধের মতো বলা হয়েছিলো জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। আজ সেই যুদ্ধের স্থানেই আঘাত এসেছে।’’

    ফখরুল আরও যোগ করেন, ‘‘এখন সময় এসেছে সব গণতান্ত্রিক চেতনা ও সংগঠনের এক হওয়ার। যারা অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসতে চান, যারা সত্যিকারভাবেই বাংলাদেশের একজন স্বার্থপর নাগরিক হিসেবে জীবনের দিক পরিবর্তন করতে চান, তাদের জন্য এখন একটাই আহ্বান—সচেতন হতে হবে ও রুখে দাঁড়াতে হবে। এই মুহূর্তেই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি, কারণ অন্যথায় আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ কেউ দখল করে নেবে।’’

  • খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসন থেকে খালেদা জিয়া এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে তারেক রহমানের জন্য মনোনয়নপত্র নেওয়া হয়।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের গোহাইল রোডে অবস্থিত জেলা নির্বাচন অফিস থেকে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তার নির্বাচনি সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী।

    মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এই আসন থেকে তিনবারের সংসদ সদস্য। এবার তার জন্য বরাবরের মতোই ব্যাপক ভোটের প্রত্যাশা করছেন সবাই। সাধারণ মানুষও তাকে ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

    অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

    এসময় সাবেক জেলা বিএনপি সভাপতি একেএম মাহবুবুর রহমান, সাবেক আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, ভিপি সাইফুল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফতুন আহম্মেদ খান রুবেল ও দলের অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মনোনয়নপত্র নেওয়ার পর রেজাউল করিম বাদশা বলেন, তারেক রহমান বগুড়া সদর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আজ মনোনয়নপত্র উত্তোলনের মধ্য দিয়ে তাঁর নির্বাচনী আস্রয়ের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও জানান, বগুড়াবাসী ধানের শীষের প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।

  • রুমিন ফারহানা ঘোষণা দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে লড়াইয়ের

    রুমিন ফারহানা ঘোষণা দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে লড়াইয়ের

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি এই ঘোষণা দেন স্থানীয় সরকারি দোয়া ও মতবিনিময় সভায়, যা অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর বাজারে। এই অনুষ্ঠানে সকাল থেকে থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক।

    রুমিন ফারহানা সভায় বলেন, আমি যা বলি, আমি তা-ই করি, আর আমার এলাকার মানুষের সিদ্ধান্তই আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তিনি আরও জানান, যদি locals সবাই পাশে থাকেন, তাহলে কোনও ভেদাভেদ বা মার্কা যা-ই হোক না কেন, সরাইল-আশুগঞ্জ থেকেই তিনি নির্বাচনে লড়বেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অধিকাংশ আসনে যখন মনোনয়নপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তখন এই এলাকার মানুষ প্রার্থীকে জানে না, যা গভীর দুঃখের বিষয়। নিজের দলের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, আগের ১৭ বছরে তিনি কী ভূমিকা রাখেননি, সেটি তিনি ব্যক্ত করবেন না, কারণ মানুষ জানে। নিজের রাজনীতির জন্য তিনি রাজনীতি করছেন, যেন বাবা স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারি। তিনি আস্থার সাথে বলেন, যদি সবাই পাশে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ জয় করতে পারবেন।

    আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৫ বছর ধরে মানুষ প্রকৃত ভোট দিতে পারেনি। এখন সরকার দাবি করছে, ২০২৬ সালে সবচেয়ে সুন্দর ও ফলপ্রসূ নির্বাচন দেবে। আমরা এই কথা বিশ্বাস করতে চাই।

    তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। ৫ আগস্টের পর থানাগুলো থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, ভোটার, প্রার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

    প্রায় প্রতি সপ্তাহে এই এলাকা সফর করার কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমি সরাইল ও আশুগঞ্জ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছি। এই দুই উপজেলা মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আপনারা যদি আমাকে ভোট দেন, তাহলে সংসদে গিয়ে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব।

    উল্লেখ্য, বিএনপি ইতোমধ্যে ২৭২টি আসনের জন্য দুই দফায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। তবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জন্য এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। রুমিন ফারহানা গত কয়েক মাস ধরে এই আসনে নিয়মিত গণসংযোগ ও সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি হাসান সারওয়ার্দীকে বহিষ্কার ঘোষণা

    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি হাসান সারওয়ার্দীকে বহিষ্কার ঘোষণা

    দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রমিতি প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দলের মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সম্পর্কেঃ অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এটি দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ নয়।’

    এতে আরও বলা হয়, ‘এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি। বিষয়টি লক্ষ্য করেছে দলীয় সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।’

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশের এই সংকটমূলক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশের স্থিতিশীলতা ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। ওই ঘটনার প্রভাবক্ষড়ে তার নেতৃত্বে থেকে এমন অবিবেচকের মতো বক্তব্য দেওয়ার এবং দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য আজ (২০ ডিসেম্বর) এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীকে দলের সব পদ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    এছাড়াও জানানো হয়, তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা নির্ধারণের জন্য আগামী তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ এপ্রিল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী কয়েকশো সমর্থক নিয়ে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমেদের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দেন।

  • প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে হাদির বিচারের নীরবতায় জাতি হতাশ: গোলাম পরওয়ার

    প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে হাদির বিচারের নীরবতায় জাতি হতাশ: গোলাম পরওয়ার

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বিচারবিষয়ক স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার (২১ ডিসেম্বর) মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ওসমান বিন হাদির শাহাদাতের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত দোয়া মাহফিলের সময় তিনি একথা বলেন।

    তিনি উল্লেখ করেন যে, জুলাই মাসে সংঘটিত হাদি হত্যাকাণ্ড একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ‘প্যাকেজ প্রোগ্রাম’ হিসেবে আয়োজিত হয়েছে। তিনি গভীর শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের পরিকল্পিত হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। এজন্য তিনি সরকারকে সচেতন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

    এর পাশাপাশি, তিনি গুলির পর মাত্র ছয় ঘণ্টা পরে কেন সীমান্ত সীলগালা করা হলো, এ প্রশ্ন তোলেন। পুলিশ ও গোয়েন্দা মহলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কি ফ্যাসিস্ট ও আধিপত্যবাদী গোষ্ঠীর লুকানো সহযোগিতায় খুনিদের পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে কিনা, সেটাও জানতে চান।

    একই সাথে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ‘রিফাইন আওয়ামী লীগ’ নামে নতুন করে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করতে দেওয়া হবে না। রেহাই দেওয়া হবে না দুর্নীতিবাজদের পুনরাবৃত্তির সুযোগ।

    শহিদ ওসমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, জীবিত ওসমান অনেক কিছু করতে পারতেন, কিন্তু শহিদ ওসমানের পরিবারের সম্মান তার চেয়ে অনেক বেশি। তিনি এ সময় সকলের কাছে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য তুলে ধরার আহ্বান জানান।

  • বিশ্ব দেখেছে গণমাধ্যমে হামলার দৃশ্য, এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিশ্ব দেখেছে গণমাধ্যমে হামলার দৃশ্য, এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, তা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এই দৃশ্য বিশ্ববাসী দেখেছে এবং এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি গুরুতর ক্ষুণ্ন হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরও কেন এই ঘটনা রোধ করা যায়নি, তা হলো সরকারের ব্যর্থতা।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এক মতবিনিময় সভায় বিএনপির এই নেতা এ মন্তব্য করেন। এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পটভূমিতে দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, রেডিও, টেলিভিশনের বার্তা প্রধান ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে আলোচনা করা হয়।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ কিছু গণমাধ্যমকে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনা সারাবিশ্ব দেখেছে এবং এটাই আমাদের জন্য লজ্জাজনক। শুধুমাত্র দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা চেয়ে এ ঘটনা শেষ করা সম্ভব নয়।

    তিনি সরকারের ব্যর্থতার জন্য বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, কিছু কিছু গণমাধ্যমকে টার্গেট করে হামলা করা হয়। আগে থেকেই এই হামলার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন আমরা সময়মতো সতর্কতা নিতে পারিনি? প্রশ্ন হলো—কেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দুর্বলতা আমাদের এই পরিস্থিতির দিকে নিয়ে এসেছে? এ ধরনের ঘটনার কঠোর শাস্তি দিতে হবে এবং বাংলাদেশে একেবারেই এই ধরনের অসুস্থ পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা সত্ত্বেও কতক্ষণে তারা এই ঘটনাগুলোর প্রতিকার করবে, তা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কাদের হাতে দায়িত্ব থাকলেও এই রাষ্ট্রব্যবস্থা কেন এত দুর্বল? নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রতিষ্ঠার জন্য দায়ি ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণের আশা-অাকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। তারা পুরোপুরি গণতন্ত্রের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। সকল ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে ও শক্তিশালী করতে হবে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলো এমনভাবে দাঁড় করানো দরকার যেন তারা দেশের গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন বলেন, অনেক সাংবাদিকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসাথে থাকতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি। যদি জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। অতীত ভুলে গেলে চলবে, তবে ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী কী করেছে, তা আমাদের স্মরণে রাখতে হবে।

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মানুষ আশা করছে, তার প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পরে তিনি ফিরে আসছেন, যা জনগণের প্রত্যাশা। এই প্রত্যাবর্তনকে আমরা গণতন্ত্রের পক্ষে কাজে লাগাতে চাই। এটি আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করবে — এটা আমাদের মূল লক্ষ্য।

  • বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম উত্তোলন

    বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম উত্তোলন

    বগুড়া-৬ (সদর) আসনের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র উত্তোলন সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া বারোটার দিকে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে তারেক রহমানের পক্ষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

    মনোনয়নপত্র উত্তোলন শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘তারেক রহমান বগুড়া সদর আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ করবেন। আমরা তার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছি। তিনি এই আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’

    এ সময় তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট মাহবুবর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জিএম সিরাজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন চাঁন, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • বিএনপির দুটি কর্মসূচি স্থগিত, রাতেই স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা

    বিএনপির দুটি কর্মসূচি স্থগিত, রাতেই স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আজ শুক্রবারের পূর্বনির্ধারিত দুটি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দেশের চলমান সা‌র্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়। নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, ‘আগে ঘোষণা করা দুটি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে এবং রাতে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।’

    শক্তিশালী হুমকি আর অস্থির পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বিএনপি তাদের আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ বিকেল ৩টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সেচ ভবনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এছাড়া, বিকেল ৪টায় কারওয়ান বাজারে রাষ্ট্রের পানীয় জল সংস্থার ভবনের সামনে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীরও একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। তবে দুটিই কর্মসূচি স্থগিত হয়েছে।

    শায়রুল কবির আরও জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৮টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির একটি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সভাপতিত্ব করবেন তিনি। বৈঠকের নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের জন্য এই জরুরি সভার সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।