ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনের জন্য বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। সোমবার বিকেলে তিনি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এই আবেদন জানান, যা গ্রহণ করা হয়। এই আসনে বিএনপি ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সিদ্ধান্তে প্রার্থী না থাকায় বিএনপি নিজের প্রার্থী যুক্ত করতে চায়নি। বিএনপির সূত্রের খবর, দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে গোলাম নবীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ আসার পর তিনি তা মেনে নেন। তিনি জানান, আজ বিকেলে তাঁর আইনজীবী আমিরুল ইসলামের মাধ্যমে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শামীম রহমানের কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি, কিন্তু আজ সোমবার তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এবারের নির্বাচনে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির এই সিদ্ধান্তে ভোলা জেলা ও দলের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, আন্দালিভ রহমান পার্থ ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান, বনানী, বারিধারা, ক্যান্টনমেন্ট) নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিএনপি নেতারা তাঁকে উৎসাহিত করে বলেছিলেন, তারেক রহমানের আসনেও উন্নয়ন ও নির্বাচনী ক্ষমতা রয়েছে। বিষয়টি বোঝার পর তিনি ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন। বিএনপি এই আসনে প্রার্থী না রাখার ঘোষণা দেয়। প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের খবর পেয়ে বিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা ব্যাপক উৎফুল্ল হয়ে উঠেছেন। তারা নতুন উদ্দীপনায় মাঠে নামার প্রস্তুতিও শুরু করেছেন। ধনিয়া ইউনিয়নের বিজেপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ আলী বললেন, ‘আন্দালিভ পার্থ জোটের প্রার্থী নিশ্চিত হওয়ায় আমরা সংগঠিতভাবে কাজ শুরু করেছি। আমাদের ভোটের ধরণ ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।’ গোলাম নবীর মনোনয়ন প্রত্যাহার হওয়ায় জেলা বিএনপির কার্যালয় বেশ শান্তত্ব দেখা যায়। অপরদিকে, ভোলার নতুনবাজারে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। মোতাসিম বিল্লাহ বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা সীমিত পরিসরে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং জোটের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষায় কাজ করছেন। এই পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় রাজনৈতি এজেন্সিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
Category: রাজনীতি
-

জামায়াতের আমিরের সতর্কবার্তা: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেকানিজম হলে পালাতে হবে বাধ্য হয়ে
আগামী নির্বাচনে কেউ যদি কোনো ধরনের ‘মেকানিজম’ বা কারসাজি করার চিন্তা করে, তাহলে তারা পালাতে বাধ্য হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। এই অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির এক ভাষণে বলেন, নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে কলুষিত করার চিন্তা যারা করবে, তাদের আড়ালে থাকতে হবে না; বরং তাদের জন্য পরিণতি কঠিন হবে এবং তারা পালাতে বাধ্য হবে ইনশাআল্লাহ।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা ওই পুরনো তিন বা চারটি নির্বাচনের মতো নির্বাচন আর দেখতে চাই না। যে নির্বাচন আসুক না কেন, আসলে তা যেন অন্তর থেকে গ্রহণযোগ্য হয়, এর জন্য সবাই সচেতন থাকতে হবে। তিনি বলেন, নয়টি বা অন্য কোন ধরনের শুঁড়ি থেকে মুক্ত, এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে প্রতিটি ভোটার স্বাচ্ছন্দ্য ও বিশ্বাসের সঙ্গে ভোট দিতে পারবে। যদি সেই পরিবেশ তৈরি হয়, তবে নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতা এই ব্যাপারে কম, যার ফলে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না। জামায়াতের আমির বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার জন্য অবকাঠামো উন্নত করতে হবে, এর মধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরার সুবিধাও গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উদাসীনতা উদ্বেগের কারণ বলে মনে করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এবং এর বাইরে আরও লাখ লাখ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট হয়েছে। দুর্নীতি ও চুরি বন্ধ হলে দেশের অর্থনীতি আবার ঘূroffব বেগে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো উচিত—যদিও এ পরিকল্পনায় সরকারের অঙ্গীকার বা আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।
বক্তব্যের শেষের দিকে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের দায়িত্ব রয়েছেন। জনগণ যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য সরকারের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, অন্যথায় দায়িত্ব এড়ানো হবে না।
এছাড়াও, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মপ্রয়াস ও মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক তথ্য উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতা ঘোষণার মূল বার্তা ছিল গণতান্ত্রিক শক্তির। স্বাধীনতার মানসপটে বিকৃতির চেষ্টাকারীদের তিনি কড়া ভাষায় ভাষ্য দিয়ে বলেন, এই ইতিহাস অমোচনীয়, এবং যারা এ জন্য চেষ্টা করেন, তারা জাতির সাথে বিশ্বাসघাতার করছেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ অক্ষুণ্ণ রাখতে ও জাতির সম্মান বজায় রাখতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কর্নেল (অব.) মো. জাকারিয়া হোসেন। স্বাগত বক্তব্যে দেন জামায়াতের ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আবদুল বাতেন। উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনসহ অন্যরা। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে ছিলেন কয়েক শ’ ব্যক্তির উপস্থি।
-

তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ভোট চান নির্বাচনে
তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে এক আপিল শুনানির পর তিনি এ ঘোষণা দেন। এদিন তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
তাসনিম জারা বলেন, “আমাদের আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আমি ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছি এবং আমার প্রার্থীতা বৈধ। গত এক সপ্তাহে আমি বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি। দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও অনেক শুভেচ্ছা এবং দোয়া পেয়েছি। রাস্তায় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন ও আমাদের জন্য দোয়া করেছেন। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
তিনি আরো বলেন, “জনসমর্থনে আমি আসন্ন নির্বাচনে লড়াই করে যাব। এখন আমি মার্কার জন্য আবেদন করব, সেটি ফুটবল প্রতীক। এরপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের পথ চলা।”
উল্লেখ্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে তিনি এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গঠনতন্ত্রে মনোনয়ন বাতিলের পর, তিনি গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি শুনেছেন। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করে থাকেন।
-

নির্বাচনের অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণার পর, মির্জা ফখরুলের প্রতিশ্রুতি
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখনই নির্বাচনের পরিবেশ ভালো মনে হচ্ছে। তবে আসল পরিস্থিতি বোঝা যাবে তখন, যখন প্রার্থিতা প্রচার শুরু হবে। এ পর্যন্ত কেউ পুরোপুরি পরিস্থিতি বুঝতে পারছে না, কারণ প্রচারণা শুরুর আগে সব কিছুই ধাপে ধাপে আঁচ করা সম্ভব নয়। এখন সবাই নিজের সংগঠনের প্রস্তুতিতে মনোযোগী, মনোনয়ন প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র প্রচার শুরু হওয়ার পরই স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
প্রচার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমি বহু আগে থেকে ক্রিকেট খেলি, ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যও ছিলাম। এখন আমি আর ক্রিকেট খেলি না, কারণ আমার এখন মূল কাজ রাজনীতি। আন্তর্জাতিক রাজনীতির যোগসূত্র রয়েছে ক্রিকেটের সঙ্গে। আমাদের দেশের মানসম্মান রক্ষা করতে হয়, যখন আমাদের এক ক্রিকেটারকে অপমানিত করা হয়, তখন এটি দেশের জন্য অপমানের বিষয় মনে হয়। আমরা মনে করি, ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের সাথে আমরা একমত, তবে স্বল্প ছোট ঘটনাগুলোর সমাধান নিজস্ব মধ্যস্থতায় করাই উত্তম।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা খুব উদ্বিগ্ন। এটি সরকারের ব্যর্থতা, কারণ তারা এখনো অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি তবে আমি আশাবাদী, নির্বাচন চলাকালীন পরিস্থিতি উন্নত হবে এবং স্বাভাবিক থাকবে।
আওয়ামী লীগসহ বড় দুটি দলের ভোট জোগাড়ের চেষ্টা সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞাসা করলে বলেন, কোন দুটি দল বোঝাচ্ছেন তা পরিষ্কার নয়। আমাদের হতেই পারে বড় দল বলতে আওয়ামী লীগ বা অন্য কিছু। তবে বিএনপি যেহেতু দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছে, জননেতার কাজে লিপ্ত, দেশের যে উন্নতি হয়েছে সবই বিএনপির অবদান। দেশাচার্য থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র, প্রেসিডেন্সি থেকে পার্লামেন্টary ব্যবস্থা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীকার—সবই বিএনপির দর্শন ও সংগ্রামের ফল। বিএনপি এর আগেও এককভাবে সরকার পরিচালনা করেছে এবং দরকারে আরও ভালো কাজ করতে সক্ষম।
তরুণ নেতার উত্তরাঞ্চল সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, তারা অবশ্যই উত্তরাঞ্চলে আসবেন। সেখানে তার পিতৃভূমি বগুড়া, দিনাজপুর, এবং নানীর বাসস্থানের সম্পর্ক রয়েছে। রংপুরে শহীদ আবু সাঈদ ও অন্যান্য শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন।
গণভোট প্রসঙ্গে বলেন, এটি বিএনপির দায়িত্ব নয়, দায়িত্ব জনগণের। ভোটে তারা যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই চূড়ান্ত। যারা সবসময় ফ্যাসিস্টদের ভয় দেখায়, নিজেরা মাঠে কিছু করে না, বিদেশি শক্তির পক্ষ থেকে বড় বড় কথা বলে—তাদের জন্য এগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের লক্ষ্য, ফ্যাসিস্টদের তাড়ানো ও প্রতিরোধ করা।
তিস্তা নদীর ইস্যুতে মির্জা ফখরুল জানান, তাদের অঙ্গীকার আছে, তিস্তা, পদ্মা ও অন্যান্য অবিচ্ছিন্ন নদীর পানির হিস্যা আদায়ের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। পারস্পারিক সম্মান ও মিউচুয়াল সুবিধার ভিত্তিতে সকল দাবি পূরণে সচেষ্ট থাকবেন। সঠিক কূটনৈতিক আচরণের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।
-

নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত-এনসিপির জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বিএনপির জোটের চেয়ে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোট উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ দলের সঙ্গে এক বৈঠকের পরে এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানানো হয়েছে, আমাদের নির্বাচনী পরিবেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যাপারে এখনও আমাদের পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ একটি দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নিয়ে সিগন্যালিং করা হচ্ছে, এবং অনেক ঋণখেলাপি ব্যক্তিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করার ক্ষেত্রে নানা ধরনের অপরাধ হচ্ছে, যা নিয়ে নির্বাচন কমিশন কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়া, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির খুনের বিচার না হওয়ায় দেশে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়েই আমাদের মাঠে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আমি মনে করি, বিএনপির জোটের তুলনায় জামায়াত ও এনসিপির জোট এখন অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।’ তিনি সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
-

জামায়াতের আমিরের মতে দুই-একদিনের মধ্যে ১১ দলের আসন সমঝোতা হবে
আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশের ১১দলীয় রাজনৈতিক জোটের মধ্যে আসন ও প্রার্থী বণ্টনের চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরা সহযোগিতা কেন্দ্র থেকে তিনি এ তথ্য দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য দলগুলো দীর্ঘ মাস ধরে বিভিন্ন ডাকে বৈঠক করেছে, যেখানে মূলত আটটি দল অংশগ্রহণ করে। পরে তাদের মধ্যে আরও তিনটি দল যুক্ত হয়। প্রধান দলগুলো হলো- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)। এই সমঝোতার ভিত্তিতে আরও তিনটি দল—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)—ও যুক্ত হয়। ফলে মোট ১১ দল অংশগ্রহণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। নির্বাচনের প্রাক্কালে, জামায়াত ২৭৬টি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। একইসঙ্গে এনসিপি ৪৭টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি, খেলাফত মজলিস ৬৮টি, এলডিপি ২৪টি, খেলাফত আন্দোলন ১১টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৬টি, জাগপা ৩টি ও বিডিপি ২টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। তবে আসন বণ্টনের বিষয়ে অসন্তোষ দেখা দেয়, ফলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার গুঞ্জনও ওঠে। তবে শেষমেশ বিভিন্ন আলোচনার পর দলগুলো আসন সমঝোতা করতে রাজি হয়। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দুই-এক দিনের মধ্যেই দেওয়া হবে। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলছেন, এই আসন সমঝোতা দৃশ্যমান হলে, ভবিষ্যতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বও আরও দৃঢ় হবে। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মাঝে দলের প্রতি আস্থা রয়েছে এবং তাদের আশা, আগামী নির্বাচনে জনগণ জামায়াতকে সমর্থন করবে। তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সবাই একজোট হয়ে কাজ করছে। জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা ও নির্বাচন সুষ্ঠু হলে, যারা সরকারে থাকতে চায় বা অন্য দলগুলো পছন্দ করে, তাদেরকেও সঙ্গে নেওয়া হবে। বেশ কিছু সময় ধরে গণমাধ্যমের একটি পক্ষের দিকমোড় নেয়া নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে তিনি বলেন, গণমাধ্যম যেন স্বাধীনভাবে কাজ করে। তারা যদি নিজেদের দায়িত্ব ভুলে যায় বা সরকারপন্থী হয়, তবে সেটি জনগণের জন্য ক্ষতিকর হবে। তারা মনে করেন, গণমাধ্যমের বৈচিত্র্য ও স্বাধীনতা জনগণের গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। তিনি শেষ পর্যায়ে বলেছেন, জনগণ তাদের ভোটাধিকারে দখল দেওয়ার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবে, এবং যদি এই সুযোগ আরও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে, তাহলে ভবিষ্যৎে তাদের ভোটের অধিকার হরণের অন্ধকারে ডুবতে পারে।
-

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল
নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলে সফর স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে দলের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাজেট আলোচনা ও দলীয় কর্মকাণ্ডের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান। সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই দায়িত্বে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তারা। তারা আশা করেন, দল পরিষদের আরও সফলতা আসবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, নির্বাচনের একদিন আগে অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সফর করার পরিকল্পনা ছিল। এতে ছিলেন সাংগঠনিক কার্যক্রম, নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শহীদদের কবর জিয়ারতের পরিকল্পনা। তবে, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের কারণে ওই সফর এখন স্থগিত করেছে বিএনপি।
সফরের মধ্যে ছিল টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট—এমন মোট আট জেলার ইউনিটের বিভিন্ন কার্যক্রম। এই সফরে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা, সাংগঠনিক মিটিং ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার পরিকল্পনা ছিল।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের অপপ্রচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের কারণে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হয়রানি, দাঁড়ানো হয় হুলিয়ার জোটে—এসবই তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর বাতিলের কারণ। তিনি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, এই সফরে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি, নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্য ছিল। এর মধ্যে ছিল দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা like টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট।
-

জাতীয় পার্টির ৪ প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পেলেন
জাতীয় পার্টির মোট ২৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে চারজনের প্রার্থিতা শনিবার (১০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে বৈধতা পেয়েছেন। রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) এই আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টার দিকে শুনানি শেষ হওয়ার পর জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, সারাদেশে জাতীয় পার্টির জন্য মোট ২৪৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ২৫ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। আজকের শুনানিতে ৯ জনের প্রার্থিতা শুনানি হয়, এর মধ্যে চারজনের প্রার্থিতা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে অন্য একজনের প্রার্থিতা স্থগিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশাবাদী আমাদের সব প্রার্থী বৈধ বলে বিবেচিত হবে। যারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তাদের মধ্যে একটি ছিল যিনি তিতাস গ্যাস বিলের বকেয়া নিয়ে সমস্যার কারণে প্রার্থীতার জন্য অযোগ্য হয়েছিলেন, কিন্তু তিনি বকেয়া বিল পরিশোধের পর পুনরায় আবেদন করেছেন। অন্য একজনের ক্ষেত্রে প্রার্থী ফরম জমা দেওয়ার পর তা গ্রহণ না হওয়ার কারণে পুনরায় জমা দেওয়া হয়েছে। আরেকজনের ক্ষেত্রে বৈধ নাগরিকত্বের সনদ না থাকায় প্রার্থিতা গ্রহণ হয়নি, তবে পরে সেটা জমা দেওয়া হয়েছে।
মহাসচিব উল্লেখ করেন, আপিল শুনানির মধ্যে যেখানে প্রার্থিতা স্থগিত হয়েছে, সেখানে তার কারণ হলো ওই প্রার্থী ভুলক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এই বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
-

৫ অগাস্টের আগে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা নয়: তারেক রহমান
বিএনপি নতুন নেতৃত্বে গঠিত হলে জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করার দৃঢ় আশ্বাস দিয়ে দলের নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এখনো ৫ অগাস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। তিনি উল্লেখ করেন, আমার সামনে দুটি উদাহরণ রয়েছে—একটি, ১৯৮১ সালের জানাজা; অন্যটি, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের জানাজা। এর পাশাপাশি, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের ঘটনাও আমার মনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। এই সব ঘটনা শুধুমাত্র আমার নয়, বরং আমাদের দলের নেতাকর্মীদের এবং সাধারণ দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। আমাদের মনে রাখা উচিত, অতীতের এই সময়গুলো ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকায় এক হোটেলে সংবাদসংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান আরও বলেন, ৫ অগাস্টের মতো হিংসা, প্রতিশোধের উদ্রেক হলে যার পরিণতি কী হতে পারে তা আমরা দেখেছি। এজন্য আমি সকলের প্রতি অনুরোধ রইল—মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমাদের চেষ্টা করে মূল্যবান আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। কখনো যেন এসব মতবিভেদ বিভেদে পরিণত হয় না, কারণ বিভেদ দেশের একটি বৃহত্তর ক্ষতি করে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেকের মুখে হতাশার কথা শোনা যায়, তবে ভবিষ্যত প্রজন্মের মনে এখনও আশা রয়েছে এবং পরিকল্পনা রয়েছে। গত ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ফিরেই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন পরিবারের সাথে। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যান। এই শোকের মধ্য দিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যেই শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এরপরই প্রথম কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করতে উপস্থিত হন তিনি। ঢাকার এক সাংবাদিকের কাছে মাননীয় সম্বোধন ব্যবহারের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট পদক্ষেপ জানিয়ে বলেন, দয়া করে আমার নামের আগে ‘মাননীয়’ সম্বোধন করবেন না। তিনি বলেন, দেশে ফিরে আসার পরে আমি বিভিন্ন স্থানেই গিয়েছি, যেমন সাভার এবং অন্যান্য এলাকায়। আমি মনে করি, তরুণ সমাজ নতুন গাইডেন্স এবং আশার স্থান খুঁজছে। প্রত্যেক প্রজন্মের জন্যই সেই গাইডেন্সের প্রয়োজন। আমি বুঝতে পারছি, আমরা যারা রাজনীতিতে আছেন, আমাদের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে, কিন্তু সব কিছু পূরণ সম্ভব না। তবে যদি আমরা ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোকে সামনে রেখে দেশাধীন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি, তাহলে আমি বিশ্বাস করি আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে একটি সঠিক দিকনায়না দিতে পারব।
-

নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত-এনসিপির জোট এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক জোটগুলো মধ্যে বিএনপির জোট থেকে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেক এগিয়ে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।নাহিদ ইসলাম আরও জানান, তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানিয়েছেন যে, আমাদের এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্পর্কে পূর্ণ আস্থা জন্মায়নি। একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলে সুবিধা করতে সরকারি সিগন্যালিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন তিনি, যেখানে অনেক সুবিধাভোগীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন চলছে। এ জন্য তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।নাহিদ আরও বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির খুনের ঘটনায় বিচার না হওয়ার কারণে দেশের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই তিনি এবং তার দল মাঠে কাজ চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রস্তুতিতে তিনি বলেন, আমি মনে করি, বিএনপির জোট থেকে জামায়াত ও এনসিপির জোট অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা নির্বাচন প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বলে তিনি মনে করেন।
