Category: রাজনীতি

  • ছাত্রদলের মুখোমুখি নির্বাচন কমিশন, তিন অভিযোগে ঘেরাও

    ছাত্রদলের মুখোমুখি নির্বাচন কমিশন, তিন অভিযোগে ঘেরাও

    এয়োথ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও করেছে। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংগঠনের ঘেরাও কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

    ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘আমাদের মূল বিষয় হলো ব্যালট পেপার। ভোটের প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তার করার জন্য কিছু ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আমাদের সন্দেহ। এই সব আচরণের পেছনে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ইন্ধন রয়েছে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা।’

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মতোই আমাদের হেয় করার জন্য তারা (নির্বাচন কমিশন) একের পর এক এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’

    এর পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি স্বারকলিপি सौপর্দ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    তাদের তিনটি মূল অভিযোগ হলো:

    1. পোস্টাল ব্যালটের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।

    2. একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে, দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    3. বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিতর্কিত নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: জুলাই যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা, পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি

    তারেক রহমানের ঘোষণা: জুলাই যোদ্ধারাও মুক্তিযোদ্ধা, পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তারা ৭১ সালের মতই মুক্তিযোদ্ধা। যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তবে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের কষ্টের কথা মাথায় রেখে একটি বিশেষ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় সংযুক্ত পৃথক বিভাগ তৈরি করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ে যা গণহত্যা হয়েছে, তা স্রেফ এক ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড।

    আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেয়া সবাই মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বলেন, ‘তাঁরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন। একইভাবে, চব্বিশে যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুদ্ধ করেছেন।’

    তারেক রহমান বলেন, ‘একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতা ও স্বাধিকার রক্ষার জন্য। আবার ২০২৪ সালে যুদ্ধ হয়েছে এই অধিকারকে রক্ষা করতে। তাঁর মতে, জুলাই যোদ্ধাদের সাহসী ভূমিকার কারণে ফ্যাসিবাদী শাসকরা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।’

    বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘চব্বিশের আন্দোলন কোনও এক ব্যক্তির বা দলের বা গোষ্ঠীর আন্দোলন নয়। এটি ছিল জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। যারা স্বাধীনতা রক্ষার এই আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

    তারেক রহমান ভবিষ্যতের নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা জানি, যদি গণতান্ত্রিক সরকার গঠনে ব্যর্থ হই, তাহলে পরবর্তী সময়েও এ ধরনের শোকসভাই করতে হবে। এখন আমাদের উচিত, আর কোনও শোকসভা নয়, বরং জনগণের বিজয়গাঁথা রচনা করা।’

    তিনি জানিয়ে দেন, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বিএনপি একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতি রাখছে। ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দেশের মানুষের সমর্থনে যদি আমরা সরকার গঠন করি, তাহলে জুলাই যুদ্ধের শহীদ ও আহত পরিবার, যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ হয়েছেন, তাঁদের কষ্টগুলো কিছুটা হলেও লাঘব করার জন্য আমরা একটি নতুন বিভাগ তৈরি করব এই মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে। এই বিভাগের দায়িত্ব হবে তাঁদের দেখাশোনা ও যত্ন নেওয়া।’

    মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায়

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায়

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি স্টার-এর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই সূচনার বিষয়টি সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে নেতারা পারস্পরিক খোঁজখবর নেন, মতবিনিময় করেন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আলোচনা করেন।

    বৈঠকটি ছিল চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। বিএনপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, এটি ছিল রাজনৈতিক সৌজন্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ।

    প্রথমে, তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়। এতে অংশ নেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির লায়ন মো. ফারুক রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির এমএ বাসার, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, ও প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের ফিরোজ মুহাম্মদ লিটন।

    এর পরে সমমনা জোট নেতাদের একটি আলাদা বৈঠক হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার লুৎফর রহমান (জাগপা), এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী (গণদল), ব্যারিস্টার নাসিম খান (মুসলিম লীগ), এমএন শাওন সাদেকী (ন্যাপ), এসএম শাহাদাত (গণতান্ত্রিক পার্টি), মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা (এনপিপি), খোকন চন্দ্র দাস (ডিএল), আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল (এনডিপি)সহ আরও বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

    গত কয়েক দিন ধরেই এই নেতারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • জামায়াত কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক, জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত, ইসলামী আন্দোলন অনুপস্থিত

    জামায়াত কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক, জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত, ইসলামী আন্দোলন অনুপস্থিত

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে শুরু হওয়া এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, নিশ্চিত করেছেন যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বৈঠকের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদেরসহ শীর্ষ নেতারা বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। তবে, ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে, যা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তিনি বলেছে, আজকের বৈঠকে আমাদের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। তবে এ বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে, এবং জোটে থাকা না থাকাকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে জানানো হবে।

  • ইসলামী আন্দোলনের আসন সমঝোতার বার্তা ও বর্তমান অবস্থা

    ইসলামী আন্দোলনের আসন সমঝোতার বার্তা ও বর্তমান অবস্থা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতার ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু ঘোষণা হয়নি বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের গঠনে ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে ‘একবাক্স’ নীতিকে ভিত্তি করে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার পথচলা এখনো শেষ হয়নি। এই পথচলায় কিছুটা অসুবিধা ও অস্বস্তি দেখা দিলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনই সময় আসেনি।

    সাংবাদিকদের জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত ও পথনির্দেশ পাওয়া যায়। যখনই চূড়ান্ত কিছু নির্ধারিত হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ জনগণকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যাপারে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি রোধে গুরুত্বারোপ করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘প্রিয় সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি মুসলিম সংগঠন জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও লেখালেখি চালাতে দেখা যাচ্ছে, যা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

    তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, যদি Islamite দলগুলোকে সত্যিই ভালোবাসেন এবং সম্মান করেন, তবে এই ধরনের অপ্রয়োজনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা অপপ্রচারে অংশ নেবেন না। আপনারা সবাইকে অনুরোধ করেন সত্যের পথে থাকুন ও বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলুন। ধন্যবাদ।

  • জামায়াত আমিরের সমর্থকদের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট এড়ানোর অনুরোধ

    জামায়াত আমিরের সমর্থকদের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট এড়ানোর অনুরোধ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সকল সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি জামায়াতের প্রতি সংহতি প্রকাশের নাম করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করছেন। এর ফলে সংহতি প্রকাশকারীদের প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ডা. শফিকুর রহমান সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করেছেন, যদি তারা সত্যিই জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ভালবাসা রাখেন, তাহলে এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও বিভ্রান্তিকর আলাপচারিতা থেকে বিরত থাকুন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই এ ব্যাপারে সচেতন ও দায়িত্বশীল হয়ে অবদান রাখবেন।

  • ৪ দিনের শুনানিতে প্রার্থীতা পুনরুদ্ধার করলেন জাপার ২৬ জন প্রার্থী

    ৪ দিনের শুনানিতে প্রার্থীতা পুনরুদ্ধার করলেন জাপার ২৬ জন প্রার্থী

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক নির্ধারিত প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে تنظیم বলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (জাপা) ২৬ জন প্রার্থী চার দিনের আপিল শুনানির মাধ্যমে তাদের মনোনয়ন আবারো পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে এই আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন মোট পাঁচটি আপিল আবেদন অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে ওই চার দিনে মোট ২৬ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীত্ব ফিরে পান। তিনি আরও বলেন, এখনো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে বেশ নাজুক। মব মিছিল, ঘেরাওসহ নানা অশান্তি দৃশ্যমান, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। নাম-বেনামে বিভিন্ন অযাচিত সংগঠন দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যা সরকারের গণতান্ত্রিক কার্যক্রমকেও বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এভাবেই যদি চলতে থাকে, তাহলে ফ্যাসিবাদ আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারে।

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলছেন, জাতীয় পার্টির অচিরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না। এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্ত, বাইরে থেকে কেউ এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দিতে পারে না।

    উল্লেখ্য, গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানিয়েছিলেন, দলটি মোট ২৫টি আপিল করেছে, এর মধ্যে ২১টি আপিল স্বীকৃত হয়েছে এবং প্রার্থিতা পুনরুদ্ধার করেছেন। বাকি চারজন উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    অন্যদিকে, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। নির্বাচন কমিশন এসব আপিলের শুনানি ৫ জানুয়ারি শুরু করে এবং ৯ জানুয়ারি শেষ করে। এর আগে, ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেন, যেখানে জাপা ২৪৪ জনের মনোনয়ন দাখিল করেছিল। এর মধ্যে প্রায় ৩০ জন অবৈধ হিসেবে বাছাইয়ে 꼴 হয়েছে, যার জন্য তারা আপিল করেন ২৫ জন। নির্বাচনের তফসিল অনুসারে, ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে, আর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবেন ও প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। এরপর, ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট।

  • নির্বাচনের истин অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণা শুরুর পর: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনের истин অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণা শুরুর পর: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখনো পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো মনে হচ্ছে। তবে আসল চিত্র তখনই বোঝা যাবে যখন প্রচারণা শুরু হবে। এর আগে পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত ধারণা পাওয়া কঠিন। তিনি বলেন, সবাই এখন নিজেদের সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছেন, মনোনয়নের কাজ সম্পন্ন করছেন। তবে নির্বাচনের প্রকৃত অবস্থা ও পরিস্থিতি বুঝতে হলে প্রচারণা শুরু হওয়ার অপেক্ষা করতে হবে।

  • জামায়াতের নির্বাচন ও প্রতিবেশী সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

    জামায়াতের নির্বাচন ও প্রতিবেশী সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

    জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামীকাল মঙ্গলবার দলটির নির্বাচনী আসনের সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, আগামীকাল বা পরশু দিন এর চূড়ান্ত বিষয়ে জানানো হবে। সব দল একসঙ্গে গণমাধ্যমের সামনে আসবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

    সোমবার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবসের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শফিকুর রহমান জানান, ইইউ প্রতিনিধিদের কাছ থেকে সব দলের জন্য সমান সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ কী-না, তা জানতে চাওয়া হয়। জামায়াত অভিযোগ থাকলেও এখনই তা প্রকাশ করবে না বলে জানানো হয়েছে, বরং আগে নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এর সব বিষয় তুলে ধরা হবে। কোনো সমাধান না হলে, জনগণের কাছে জানানো হবে।

    জামায়াতের আমির আরও বলেছেন, যদি সরকার গঠন হয়, তাহলে প্রতিবেশীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে—তা তারা নিশ্চিত করে দিয়েছে। তাঁরা আশা করেন, জামায়াতের সঙ্গে অন্যান্য দেশের শান্তিপূর্ণ ও সভ্য রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক বজায় থাকবে। বিশেষ করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান, যেখানে পারস্পরিক সম্মান আর সমতার ভিত্তিতে আচরণ হবে। তারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও সার্বজনীন বন্ধুত্ব বজায় রাখতে চান, কোনো একটি রাষ্ট্রের প্রতি ঝুঁকে না থেকে।

    নারী নিরাপত্তা নিয়েও জামায়াতের গুরুত্ব রয়েছে। শফিকুর রহমান জানান, তারা বিশ্বাস করেন, মা-বোনেরা এবার জামায়াতকে ভোট দেবেন। তাঁদের মধ্যে ইতোমধ্যে এই বার্তা পৌঁছে গেছে। তবে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়া নারীদের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়া, হিজাব খুলে নেওয়া কিংবা তাড়ানোর মতো ঘটনাও ঘটে গেছে। তিনি বলেন, সব শ্রেণি-পেশার, বয়সের ও লিঙ্গের মানুষকে সম্মান দেওয়া রাজনৈতিক দায়িত্ব, কারও অপমান বা অপপ্রচার তার জন্য জায়গা নেই।

    শফিকুর রহমান আরও বলেন, তারা আশাবাদী, আগামী নির্বাচনে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। জামায়াত এক সুস্থ, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের ভোটে পরিবর্তন আসবে, এই প্রত্যাশা রাখছেন তারা। পাশাপাশি বলেন, নির্বাচন চলে গেলে কোনো পক্ষ বা দল হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে, তবে ট্রাইব্যুনালগুলোও জবাবদিহি ও দায়শীল থাকবে।

    গত ৫৪ বছর রাজনীতি দেখে জনগণ অনেক হতাশ। তাদের মতে, নতুন কিছু দেখতে চায় এখন। এজন্য বিভিন্ন কমিশন দীর্ঘ সময় ধরে বৈঠক চালিয়ে গেছে। দায়িত্বশীল ও সংস্কারমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সকল দলের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে। দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ, ন্যায়বিচার ও নানা পরিবর্তন সাধনে সবাই এগিয়ে আসুক।

    জামায়াত জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নে তাদের পাশে থাকুক। তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, কারণ মনে করে, দেশ সাধারণ জনগণের পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। তাঁদের বিশ্বাস, দেশের স্বার্থে সবাই যাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’= ভোট দেন, সেটাই জরুরি।

    শফিকুর রহমান সতর্ক করে বলেন, ‘এবারের নির্বাচন হাতছাড়া হলে জাতিকে তার জন্য মূল্য দিতে হবে।’ তিনি বলেন, দেশের সবার জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে জামায়াত একেবারেই আশাবাদী। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত মিডনাইট ইলেকশনে অংশ নেয়নি তারা। এবার এ ধরনের পরিবেশ তৈরি হলে তা ছেড়ে দিতে লজ্জাজনক হবে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনের জন্য সকলের সচেতন হওয়া প্রয়োজন, যাতে কেউ যেনো নির্বাচন বিকৃত বা বিলম্বিত করতে না পারে।

    প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারি দলে অনেকেই আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করছেন। তবে তারা বলছেন, সেসব পরিবর্তন হবে, অন্যথায় তাদের বদলাতে বাধ্য করা হবে।

    গণমাধ্যমের এক পক্ষের পক্ষে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাই, জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ দলের প্রধান হিসেবে তারা বলছেন, গণমাধ্যম যেন নিরপেক্ষ হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের রোল একেবারে নিরপেক্ষ হওয়া দরকার। আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী, সব গণমাধ্যমের উচিত সত্যনিষ্ঠ ও অকপট প্রকাশ করা।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কিছু গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, জনগণ যথেষ্ট সচেতন। সাংবাদিকরা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে, তাদের মূল্যায়ন করবে। গণমাধ্যমকে পরিষ্কারভাবে সত্যের পক্ষে থাকতে হবে, সাদাকে সাদাক্রান্তেম বলে জেনে নেওয়া উচিত।

    ইইউ এবার বাংলাদেশে কোনো প্রতিনিধিদল পাঠাবে কি না, এমন প্রশ্নে শফিকুর রহমান জানায়, তারা ২০০ প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে, যাতে তারা সব জেলা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে বিভিন্ন আলোচনায় জামায়াতের সাথে আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, শিক্ষাবিদ যুবায়ের আহমেদ, জামায়াতের পররাষ্ট্রউপদেষ্টা মাহমুদুল হাসানসহ অন্যান্য সদস্য।

  • জোটের আসন সমঝোতা দু-একদিনের মধ্যে: জামায়াত আমির

    জোটের আসন সমঝোতা দু-একদিনের মধ্যে: জামায়াত আমির

    আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে ১১ দলে গঠিত নির্বাচনী জোটের আসন সমঝোতা সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরা খন্দকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান প্রতিনিধি ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে এক সভার শেষে তিনি এ কথা জানান।

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য দলগুলো বেশ কিছু মাস ধরে দফায় দফায় বৈঠক করে আসছে। এই বৈঠকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো কয়েকটি বড় দল রয়েছে, যেখানে তারা আসন সমঝোতার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ছাড়া অন্যান্য দলের মধ্যে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, আওয়ামী মুসলিম লীগ এর মতো আরও কিছু দল। এই সব দলগুলো একত্রিত হয়ে মোট ১১টি দলে পরিণত হয়েছে।

    আলোচনার চলাকালীন সময়ই জামায়াত ইতিমধ্যে ২৭৬টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে, একইভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮টি আসনের জন্য প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে, এনসিপি ৪৭টি, এবি পার্টি ৫৩টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি, খেলাফত মজলিস ৬৮টি, এলডিপি ২৪টি, খেলাফত আন্দোলন ১১টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৬টি, জাগপা ৩টি এবং বিডিপি ২টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা করেছে। দলের এই বিভাজনের কারণে কিছু সমালোচনা হলেও, দলগুলো সবার মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে মতৈক্য স্থাপনের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দু-এক দিনের মধ্যে আসন সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হবে বলে আশা করছে জামায়াত।

    জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান আরও জানিয়েছেন, ওই আসন সমঝোতার ভিত্তিতে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, “প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সবার সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা হবে।” তিনি আরও যুক্ত করেন যে, দেশের জন্য জনগণের আস্থা অত্যন্ত জরুরি, এবং দেশের মা-বোনেরা আগামী নির্বাচনেও জামায়াতের পক্ষেই ভোট দেবেন বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস রাখছেন।

    শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। জনগণের প্রতি আমাদের শতভাগ আস্থা রয়েছে। আমরা চাই, এই নির্বাচনে কোনও ধরনের অসঙ্গতি ঘটুক না। যদি জনগণ অন্য কোনও দলকেই পছন্দ করে, তবে আমরা তাদের পাশে থাকব। দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দেশের সংস্কার সবার আগে। আমি মনে করি, যদি এই নির্বাচন ফলপ্রসূ না হয়, তবে ভবিষ্যতেও জনগণ their ভোটাধিকার ফিরে পাবেন কিনা, এ বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।”

    অন্তর্বর্তী সময়ে গণমাধ্যমের এক পক্ষপাতি প্রবণতা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, “গণমাধ্যম বিভিন্ন সময় এক দলের পক্ষে偏ে গেছে। আমরা চাই, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক। তারা যদি নিজের ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নেয়, তবে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা হবে। প্রশাসন বা গণমাধ্যম যেভাবে দায়িত্ব পালন করছে, সেটি জনগণ সবই মনে রাখবে। জনগণকে ভাবার কোনও কারণ নেই।”