Category: রাজনীতি

  • আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

    আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের চেষ্টাকে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় বলেছেন। তিনি বলেন, এটি জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত।

    আজ শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম জানান, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে জুলাই বিপ্লব নেতৃত্বদানকারী ওই আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার অজুহাতে মামলা দায়েরের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। তবে আদালত শেষ পর্যন্ত ওই মামলা গ্রহণ করেনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদশে এমন অপচেষ্টা একই সঙ্গে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। এটি কোনো ব্যক্তি-নির্ধিষ্ট বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ নয়; বরং জুলাই বিপ্লবের আদর্শ, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম ও তার তরুণ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নেওয়া সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত।

    তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন দেশের তরুণ প্রজন্মের সাম্য, ন্যায়ের দাবি, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রতীক। আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ছাত্রদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের চেষ্টা এই বিষয়টি স্পষ্ট করে যে ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, মামলা কিংবা ভয়ভীতির মাধ্যমে এই তরুণ নেতৃত্বকে দমন করা সম্ভব নয়। অতীতেও এ ধরনের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে।

    সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নাহিদ ইসলাম আহ্বান জানান, এমন অপচেষ্টা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং পরাজিত অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা হলে রাজপথে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত না ডাকার তোড়জোড় না হলে সরকারকে বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন চালাবে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট—এই আশঙ্কা ও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সাধারণ সম্পাদক ড. হামিদুর রহমান আজাদ।

    শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, ইসলামী পার্টি, লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, বলেও তিনি জানান।

    ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সরকারের দাবি থাকা সত্ত্বেও জনগণমুখী ভোটাধিকারের পূর্ণ প্রতিফলন দেখা যায়নি—এই অভিমান সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত একদিনের গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অথচ সংসদ অনুচিত প্রক্রিয়া না মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেই। ‘‘জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদ নেতা বা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে অধিবেশন ডাকার পরামর্শ দেবেন এবং রাষ্ট্রপতি তা আহ্বান করবেন; কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি,’’ তিনি উল্লেখ করেন।

    ড. হামিদুর বলেন, যদি সরকার দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করে, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা ও মর্যাদা রক্ষার্থে বিরোধী দলগুলোকে রাজপথে নামতে বাধ্য হতে হবে। কবে, কোথায় এবং কী ধরনের কর্মসূচি হবে—এ বিষয়ে শীঘ্রই জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি জানান, জোটের শীর্ষ নেতাদের আগামী ২৮ মার্চ বৈঠকের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে; ওই বৈঠকে ভবিষ্যত আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণ করা হতে পারে।

    বৈঠকে একাধিক বিষয়কেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়—বিশেষত ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ এবং প্রশাসনে দলীয়করণের প্রবণতা জনগণের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ড. হামিদুর দাবি করেন, এসব সিদ্ধান্ত বাতিল করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালনার সুযোগ ফিরিয়ে দিতে হবে।

    সংসদে বিরোধী দলগুলোর ভূমিকাসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী বিরোধী দল both সংসদে সহযোগিতা করবে ও রাজপথেও তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘জুলাই সনদ আংশিকভাবে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন চাই—কারণ জনগণের রায়ের মাধ্যমে এটি আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই সরকারকে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’’

    ব্রিফিংয়ে তিনি কাউকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেন যে, সরকার যে বিলম্ব দেখাচ্ছে সেটি সমাধান করা না হলে জনগণের আপেক্ষিক আস্থা ও গণতান্ত্রিক মর্যাদা রক্ষার জন্য তারা পদক্ষেপ নেবে।

  • আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা ‘পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত’ — নাহিদ ইসলাম

    আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা ‘পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত’ — নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসিফ মাহমুদকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তিনি এ ধরনের উদ্যোগকে জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও তরুণ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নেওয়া সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম বলেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে তাঁদের অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার অভিযোগ করে মামলা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে ওই মামলাটি আদালত গ্রহণ করেনি, বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

    নাহিদ আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের জন্য এমন অপচেষ্টা একই সঙ্গে উদ্বেগের এবং নিন্দার যোগ্য। তিনি বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিগত হামলা নয়; বরং জুলাই বিপ্লবের মূল চেতনা, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং সেই সংগ্রামের তরুণ নেতৃত্বকে কুঁচিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেওয়া পরিকল্পিত চালচিত্র।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আজ দেশের তরুণ প্রজন্মের সাম্য, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতন্ত্রের প্রতীক। আন্দোলনের নেতৃত্বদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বা ভয়ে-ভীতি দেখিয়ে দমন করা যাবে না; অতীতেও এমন চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে দাবি করেন।

    সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং পরাজিত অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। নাহিদ আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী কোনো গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবেন।

  • পানিসম্পদ মন্ত্রী: বিএনপি সরকারের ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রী: বিএনপি সরকারের ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ১৭ বছর ধরে জমে থাকা জঞ্জাল সরিয়ে বিএনপি সরকারের সময়ে সৃষ্ট অরুচিকর অবস্থা পরিষ্কার করতে হবে। খাল-বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে জমে থাকা বর্জ্য ও আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার করা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা ১১টায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কাজ পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব পেয়েছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব কাজ এবং সব দপ্তরে শহীদদের সম্মান বজায় রাখার পাশাপাশি খাল দখলমুক্ত করাও নিশ্চিত করা হবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, খাল খনন কর্মসূচি শুরু হলে সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। ‘‘দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আমরা দেশের মানুষকে নিয়ে এগোবো, তাই তাদের সহযোগিতা চাই,’’ তিনি যোগ করেন।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল খননের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি সরকার সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে বলে মন্ত্রী জানান।

    মন্ত্রী জানান, লক্ষ্মীপুরে ইতোমধ্যে তিনটি খাল পরিদর্শন করেছেন। তিনি আরও বলেন, খালগুলো খননের আগে সবচেয়ে প্রয়োজন যে বর্জ্য ও আবর্জনা তা পরিষ্কার করা এবং অবৈধ দখল তুলে নেওয়া। ‘‘এই দুটো কাজ না হলে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না; সেজন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে,’’ তিনি আবেদন করেন।

  • নাহিদ ইসলাম: আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত

    নাহিদ ইসলাম: আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত

    জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের চেষ্টা উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় এবং এটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত। তিনি আজ শুক্রবার একটি বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।

    নাহিদ জানান, জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী এই ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার’ অভিযোগে মামলা দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। তবে আদালত ওই মামলা গ্রহণ করেনি। তিনি এই ঘটনার পাশাপাশি এমন অপচেষ্টাকে নতুন বাংলাদেশের জন্য হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়; বরং জুলাই বিপ্লবের চেতনার, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এবং তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাতের অংশ। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়কে লক্ষ্য করে ilyen ধরনের কৌশল গ্রহণ করা উদ্বেগের কারণ।

    নাহিদ আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন দেশের তরুণ প্রজন্মের সাম্য, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রতীক। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে এমন ছাত্রদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা-চেষ্টা প্রমাণ করে যে ৫ আগস্ট পরাজিত শক্তির শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত আছে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, মামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এই তরুণ নেতাদের দমন করা যাবে না; অতীতে এমন সব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে।

    নাহিদ সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন, এসব অপচেষ্টা রুখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং পরাজিত অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

    ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

    লক্ষ্মীপুর: পানিসমদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল বিএনপি সরকারকে পরিষ্কার করে দিতে হবে। বর্জ্য-আবর্জনা সরানো আমাদের দায়িত্ব, এই কাজ অব্যাহত থাকবে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা এগারোটার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানালেন, তারা এখন নির্বাচিত সরকার হিসেবে সব কাজ শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এগিয়ে নেবে এবং প্রতিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্মান রাখা হবে।

    তিনি আরও বলেন, খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করতে হবে এবং খাল খনন শুরু হলে সচেতন নাগরিক ও সংশ্লিষ্টদের বিশেষ সহযোগিতা দরকার। ‘‘দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আমরা জনগণের সহযোগিতা চাই,’’ মন্ত্রী যোগ করেন।

    মন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে; লক্ষ্মীপুরে তিনি ইতোমধ্যে তিনটি খাল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, খালগুলোতে জমে থাকা বর্জ্য প্রথমেই পরিষ্কার করা এবং দখলমুক্ত করা না হলে জনগণ প্রকৃত সুফল পাবে না।

    এছাড়া মন্ত্রী জানান, ১৬ মার্চ দিনাজপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সাহাপাড়া খালের আনুষ্ঠানিক খনন কাজের সূত্রপাত করবেন।

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয় — জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয় — জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের জায়গায় পরিণত না হয় এবং আলোচনা দেশের মানুষের কল্যাণের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে সংসদে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহনের জন্য অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যয় হয়েছে; ফলে জনগণের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা স্তরহীন হয়েছে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নিয়ম আর পুনরাবৃত্তি না হলে ভালো হয়, এমনটাই তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    স্পিকারের প্রতি সরাসরি মনোনিবেশ করে ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘আপনার কাছে আমরা সরকারি দল বা বিরোধী দল—সবকিছুকে আলাদা করে দেখার আশা রাখি না; আমরা আপনার কাছ থেকে ন্যায়বিচার ও সমতা পাব বলে আশা করি। জাতির কল্যাণে আমরা যেসব প্রশ্ন তোলতে চাই, সেগুলো বলার সুযোগ পেতে চাই।’’

    তিনি আরও বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে সংসদকে গতিশীল দেখতে চাই। অতীতে যে দোষের নজির গড়া হয়েছে, সেটি নতুন করে সৃষ্টি না হওয়া প্রত্যাশা করি। আজকের সংসদে অনেক নতুন ও তরুণ সদস্য এসেছেন। বয়সে আমি একটু বড় হলেও মানসিকভাবে আমি একজন তরুণেই গণ্য হই; তাই আমি তাদেরই অংশ মনে করি।’’

    ডা. শফিকুর রহমান স্পিকারের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘এই সংসদ যেন আর কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়। আপনার প্লাটফর্ম থেকে কেউই এমন সামান্যতম সুযোগও পেলে চলবে না।’’

    বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি আবারও ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং অতীতের নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘‘জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময় অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন এবং গুম হয়েছেন। তখন আমাদের স্লোগান ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আজও আমি সেই স্লোগান দিতে চাই—আমরা ন্যায়বিচার চাই।’’

  • শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: ১৭ বছরের জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: ১৭ বছরের জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, গত ১৭ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে। বর্জ্য-আবর্জনা সরানো আমাদের অগ্রাধিকার—এটাই এখন করতে হবে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী জানান, যেহেতু আমরা এক নির্বাচিত সরকার, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব কাজ সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং বিভাগগুলোতে শহীদদের সম্মানও নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে খাল দখলমুক্তকরণে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, খাল খনন কাজ শুরু হলে সচেতন নাগরিক ও স্থানীয়দের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। ‘‘দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আমরা সর্বস্তরের মানুষদের সহমত ও সহযোগিতা চাই,’’ মন্ত্রী যোগ করেন।

    মন্ত্রী আরও জানান, ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল খননের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন তিনি। এছাড়া সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে লক্ষ্মীপুরে তিনটি খাল পরিদর্শন করা হয়েছে।

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সবচেয়ে জরুরি কাজ হচ্ছে খালে জমে থাকা বর্জ্য-আবর্জনা প্রথমে পরিষ্কার করা এবং অবৈধ দখলমুক্ত করা। এ কাজ যদি না করা হয়, তাহলে জনগণ প্রকৃত সুফল পাবেন না; খাল পুনরুদ্ধার হলে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে জাতীয় সংসদ কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে না এবং এখানে দেশের মানুষকে কল্যাণমুখী বিষয়গুলোতেই আলোচনা হবে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের সংসদগুলিতে জাতীয় কল্যাণ ও জনসাধারণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনেক কম হয়েছে, বরং অনেক সময় ব্যয় হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নজির পুনরাবৃত্তি না হওয়া তাঁর প্রত্যাশা।

    তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে অনুরোধ করেন যে সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে বৈষম্য থাকবে না, সব দলের সদস্যই সমানভাবে সুবিচার ও সুযোগ পাবেন। জাতির কল্যাণে যা বলা প্রয়োজন, সেগুলো বলার সুযোগ দিতে স্পিকারের কাছে তিনি উল্লেখ করেন।

    নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে একটি গতিশীল সংসদ গঠিত হবে, এটাই আমরা আশা করি।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই সংসদে অনেক নতুন তরুণ সদস্য এসেছেন এবং বয়সে তিনি যেহেতু একটু বেশি তবু নিজেকে তরুণদের মধ্যেকার একজন মনে করেন—এটাই তার প্রথম সংসদ।

    বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান অতীতের নানা নির্যাতন ও নিপীড়নের কথা স্মরণ করেন—জুলাই অভ্যুত্থানসহ অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কেউ কেউ জীবনও হারিয়েছেন, গুমের শিকার হয়েছেন। তিনি পুনরায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান এবং বলেন, ‘‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’’—এই চাওয়া এখনো তাঁর কাছে অটল।

  • সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ: সরকারি ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান

    সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ: সরকারি ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হতে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী ওই দিন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেবেন—তবে তা নিয়েও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।

    বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করেছেন, তারা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সংসদে ভাষণ দেয়া থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে বিরোধী দলের একটি বৈঠকের পর জামায়াতের নায়েবে আমীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি ফ্যাসিস্টদের দোসর।’’

    অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বলছে, নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার সংসদ ভবন ত্যাগের সময় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে জুলাই সংক্রান্ত সব বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আগামীকাল বেলা ১১টায় অধিবেশন হবে, সেখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তাদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি।’’

    আজ সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় দলের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা ও দলের প্রধান তারেক রহমান; আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া অধিবেশন, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ও অন্যান্য সূচ্যসূচি নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

    একই সময় বিরোধী দলের এমপিদের বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকের পর জামায়াতের তরফে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, ‘‘আগামীকাল যে সংসদ বসবে, সেখানে আমাদের কী ভূমিকা হওয়া উচিত—এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ সংসদ সদস্য নতুন হওয়ায় আমরা সংসদের চরিত্র ও আচরণ বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছি।’’

    ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘যখন প্রস্তাব আসবে তখন আমরা প্রতিক্রিয়া জানাবো। কালকে বিষয়টি খোলাসা হবে।’’ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেই তারা তা প্রকাশ করবেন, যোগ করেন তিনি।

    দুই পক্ষের এই অবস্থানবৈষম্য আগামীকাল সংসদের শুরু থেকেই প্রতিফলিত হতে পারে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন—এসব কার্যক্রমেই আজকের রাজনৈতিক বিবেচনা ও সহমতের ধারা পরীক্ষার সামনা-সামনি দেখা যাবে।