Category: জাতীয়

  • আন্দোলন গণমানুষের প্রত্যাশাকে নতুন দিশা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আন্দোলন গণমানুষের প্রত্যাশাকে নতুন দিশা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    বর্তমান প্রজন্ম ও ভবিষ্যতের প্রজন্মকে বুঝে নিতে হবে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সাধারণ আন্দোলন ছিল না, বরং এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃढ़প্রতিজ্ঞ থাকা ও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তিশালী সংগ্রাম। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, সেই জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি নতুন দিগন্তের সংকেত, যা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও স্বপ্নকে একত্রিত করে জাতিকে নতুন পথে হাঁটার দিশা দেখিয়েছে। শনিবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর পাশে মাওয়া প্রান্তে, ছাত্র-জনতার এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে তৈরি ম্যুরালে ‘জুলাই বীরত্ব’ ও ‘জুলাই আত্মত্যাগ’ শিরোনামে গ্রাফিতি আঁকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে এই গৌরবময় ইতিহাসের চেতনা, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। তরুণরা যেন এই স্মৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সত্য, ন্যায়, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মানসিকতায় উজ্জীবিত হয়, এটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব হবে শহিদদের ওই ত্যাগ ও সাহসিকতাকে স্বদর্পে স্মরণ করা এবং তাদের স্বপ্নের দেশ গড়তে তাদের আদর্শকে ধারণ করা। স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য ন্যায়, সমতা ও মানবিকতার অবিচল প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। জুলাই মাসের এই পুনর্জাগরণ ও তরুণদের উৎসব-২০২৫ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে, পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে গুরুত্ব সহকারে স্মরণীয় করে রাখতে এই গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরামর্শে এবং নির্দেশনায় সম্পন্ন। এর জন্য এই দুই উপদেষ্টা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে, ছাত্র-জনতার এই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে, মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে স্থাপিত ম্যুরালে এই গ্রাফিতি আঁকা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের আবেগের বাঁক। দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে, পদ্মা সেতুর এই দুই প্রান্তে এই চিত্রকর্মের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব), মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ অনেকে।

  • সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়িচালকের ঘর থেকে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার

    সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়িচালকের ঘর থেকে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার

    চট্টগ্রামে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সম্পত্তির নথিপত্রের অনুসন্ধানে দুর্নীতিবিষয়ক সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ভয়ঙ্কর অভিযান চালিয়েছে। রোববার ভোরে, রাত সাড়ে তিনটার দিকে শুরু হওয়া এই অভিযানে তারা চালিয়ে গেছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের এক ব্যক্তির বাড়িতে। এই বাড়ির মালিক তার স্ত্রী রুকমিলা জামানের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইলিয়াস তালুকদারের বাড়িতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুদক সূত্র জানায়, ওই বাড়ি থেকে প্রায় ২৩ বস্তা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসব নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে সাবেক মন্ত্রীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপসহ তাঁর বিভিন্ন সম্পত্তির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর কালুরঘাটে আরামিট গ্রুপের শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে এসব নথিপত্র ইলিয়াস তালুকদারের বাড়িতে আনা হয় বলে দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়। দুর্নীতির অভিযোগে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশে বেশ কিছু মামলা চলছে, যার মধ্যে রয়েছে ১২৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। এই মামলার সূত্র ধরে, গত বুধবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং এলাকায় এক অভিযান চালিয়ে মামলার দুই সহযোগী মো. আব্দুল আজিজ ও উৎপল পালকে আটক করে মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দুদক জানতে পারে, ভবিষ্যতে ওই নথিপত্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। অভিযানে, প্রথম দফায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়িতে গিয়ে নথিপত্র সরানো হয় বলে জানা যায়; তবে ওই সময় অভিযান চলাকালে নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ায় স্থানটি শুন্য হাতেই ফিরতে হয় তাদের। পরবর্তীতে, রোববার রাত সাড়ে তিনটায় ফের অভিযান চালিয়ে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার করে দুদক। ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা যায়নি, ড্রাইভার ইলিয়াস পলাতক রয়েছেন। তেমনি, ওসমান নামে এক প্রতিবেশীর ঘরেও নথিপত্র সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, যেখানে তিনি পলাতক। এই অভিযানটি সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়। উদ্ধারকৃত নথিপত্রের বিশ্লেষণ চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই জানানো হবে। এদিকে, আদালতেও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার, দুর্নীতি দমন কমিশন রেড নোটিশ জারির জন্য চট্টগ্রামের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে, যাতে বিদেশে পালানো সাবেক এই মন্ত্রীর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আদালত এ বিষয়ে রোববার আদেশ দেবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, গোপনে দেশ ত্যাগ করেন এই প্রভাবশালী ক্ষমতাধর নেতা।

  • পিআর না থাকুক, ভোটের সিদ্ধান্ত নেবে রাজনৈতিক দলগুলো: প্রেস সচিব

    পিআর না থাকুক, ভোটের সিদ্ধান্ত নেবে রাজনৈতিক দলগুলো: প্রেস সচিব

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এখনও পিআর (প্রিপারেটরি রুল) বা অন্য কোনও বিদ্যমান পদ্ধতিতে হবে কি না, তা নির্ধারণ করবে রাজনৈতিক দলগুলো। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব বেশি প্রত্যাশা বা উচ্চকণ্ঠতা না থাকাই উত্তম।

    আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দ্য ডেইলি স্টার সংবাদ সংস্থার এক সম্মেলন কক্ষে মুক্তি ও উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনোভেশন’-এর জরিপের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের নিয়ে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেটি জানিয়েছে, দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষ এখনও জানে না যে, পিআর সিস্টেম কী। আবার, এই পদ্ধতিটি আনা হলে ২১.৮ শতাংশ মানুষ তা চায় এবং ২২.২ শতাংশ মানুষ চায় না।

    জরিপে অংশ নিয়েছিল মোট ১০,৪১৩ জন উত্তরদাতা। তারা জানায়, ৯০% এর বেশি মানুষ বিশ্বাস করে যে, একটি অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সক্ষম।

    অন্যদিকে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলো নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা ও বিশ্বাসের বিষয়ে তুলনামূলকভাবে কম ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ করে বলে জরিপে দেখানো হয়েছে।

  • আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দেয়া তেজগাঁও কলেজের শিক্ষক কারাগারে

    আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দেয়া তেজগাঁও কলেজের শিক্ষক কারাগারে

    আওয়ামী লীগ জাতীয় সংগঠনটির নিষিদ্ধ কর্মসূচিতে অংশ নেয়া এবং হাতবোমা ফাটানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তেজগাঁও কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এস এম আশরাফুল আলম আসকরকে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত, তদন্ত কর্মকর্তা তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে মঙ্গলবার পর্যন্ত কারাগারে রাখা নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আসকের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী ঈসমাইল হোসেন পাটোয়ারী জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর আজিজুল হক দিদার তা ব refuse করেছেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত জানায়।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখা গেছে, তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ উপস্থাপনায় বলা হয়, আসকর নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের মাধ্যমে ঢাকায় ঝটিকা মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং মিছিল আয়োজনের অর্থ যোগান দিচ্ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যার সত্যতা যাচাই-বাছাই চলছে। অনুমান করা হচ্ছে, জামিনে মুক্তি পেলে তিনি পলিয়ে যেতে পারেন।

    অধ্যাপক আসকর তেজগাঁও কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান। এর পাশাপাশি তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর থানা আওয়ামী লীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক। ৭ সেপ্টেম্বর সংসদ ভবন এলাকায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাও এখানে উল্লেখ্য।

    এই মিছিলের সময় হাতবোমা বিস্ফোরণের অভিযোগে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে তেজগাঁও থানায় মামালা হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে, ওই দিন সকালে তেজগাঁওয়ের মনিপুরীপাড়ার পার্ক টাউন রেস্টুরেন্টের সামনে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ব্যানারসহ মিছিল করে। পরে তারা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য পরপর দু’টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকজনকে আটক করলেও বেশিরভাগ কর্মী পালিয়ে যায়।

    বিষয়ক পুলিশ বলছে, এই ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় আসকরকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে দুপুরে আদালতে হাজির করে পুলিশ তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানায়।

  • নরসিংদীতে গৃহবধূকে গুলি করে হত্যা

    নরসিংদীতে গৃহবধূকে গুলি করে হত্যা

    নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের বীরগাঁও সাতপাড়া গ্রামে গত শুক্রবার দুপুরে প্রতিপক্ষের গুলিতে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি হলেন ফেরদৌসী আক্তার (৩৫), যিনি ওই গ্রামের রায়েস আলীর স্ত্রী। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে আলোকবালীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা চলছিল। এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যেখানে একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন। এই ঘটনার পর শুক্রবার দুপুরে একপক্ষের লোকজন অপ্রকাশ্যে গুলি চালানো শুরু করে, যার ফলে ফেরদৌসী গুলিবিদ্ধ হন ও ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। এরপর এলাকাবাসীর প্রতিরোধে হামলাকারীরা পিছু হটে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশের মোতায়েন অব্যাহত রয়েছে। এর আগে, বৃহস্পতিবারই দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইদন মিয়া নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও পাঁচজন। এই ঘটনাগুলির মাধ্যমে এই এলাকার উত্তেজনা ও অস্থিতিশীলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

  • চরমোনাই পীরের আহ্বান: জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না করে নির্বাচন হলে জনগণ প্রতিহত করবে

    চরমোনাই পীরের আহ্বান: জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না করে নির্বাচন হলে জনগণ প্রতিহত করবে

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে জুলাই সনদের আইনি বৈধতা নিশ্চিত না করে যদি নির্বাচন আয়োজন করা হয়, তাহলে জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধ এড়ানো যাবে না। তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার উন্নয়ন এখনো সম্পন্ন হয়নি, এজন্য দ্রুত পরিবর্তন প্রয়োজন।

    শুক্রবার বাড্ডা ইউলুপ সংলগ্ন যাত্রাবাড়ি এলাকার মেইন রোডে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত পাঁচ দফা দাবি সংবলিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের শুরুতে সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও স্বাধীনতার পর থেকে চলমান ব্যর্থতা পরিষ্কারভাবে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সময় আমাদের মূল তিনটি শ্লোগান ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার। কিন্তু বাস্তবে যারা দেশের ক্ষমতা দখল করে রেখেছে, তারা কোনওটাই পূরণ করতে পারেনি। গত ৫৩ বছর ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা ব্যক্তিরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

    চরমোনাই পীর উল্লেখ করেন, ২৪শে আগস্টের অভ্যুত্থানে তৈরি নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ এখন ইসলামের পক্ষে। দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে, আগের শক্তিগুলি আবার ক্ষমতায় এলে তারা প্রকৃতির অতীতের মতোই আবার জনগণের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে প্রতারণা করবে। তিনি আরো বলেন, এই পরিবর্তনের জন্যই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের কাছে পরিষ্কার ও শক্তিশালী নীতিমালা-আদর্শ উপস্থাপন করেছে। আমাদের নীতি-আদর্শ নিশ্চিত করে সকল শ্রেণির মানুষের ন্যায়, মর্যাদা ও সাম্যের অধিকার। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যে নীতি-আদর্শ রেখেছেন, তার বাইরে কেউ কখনো শান্তি বা মুক্তি পাবে না। একারণে আমাদের আন্দোলন শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি একটি নৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের আন্দোলন।

    সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম আরও বলেন, আমরা চাই, দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোক। যারা ক্ষমতা দিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ, তাদের জন্য পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে এই পরিবর্তন আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। আমাদের লক্ষ্য কেবলমাত্র রাজনৈতিক ক্ষমতা নয়, বরং দেশের প্রতিটি মানুষের ন্যায় ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা।

    সমাবেশে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নাগরিক অধিকার, সুষ্ঠু নির্বাচনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধভাবে নীতি-আদর্শের পথ ধরে জনগণের অধিকার রক্ষা ও দেশের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাবে।

  • ড. ইউনূসের গুরুত্বারোপ: পরিচ্ছন্ন ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সমাধান প্রয়োজন

    ড. ইউনূসের গুরুত্বারোপ: পরিচ্ছন্ন ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সমাধান প্রয়োজন

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে এখনই পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে হবে। এতে দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়তে সাহায্য করবে। গত শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ এক বার্তায় এ কথা জানান।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে অ্যানথ্রোপোসিন ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কার্ল পেজ ও তার সহকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ড. ইউনূস এ বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য ঘনবসতিপূর্ণ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও দীর্ঘমেয়াদে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল থাকা সম্ভব নয়। এখন সময় এসেছে বিকল্প ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে গুরুত্ব দেওয়া, যার মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

    তিনি জানান, গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের ভাই কার্ল পেজ পরবর্তী প্রজন্মের পারমাণবিক প্রযুক্তির অগ্রগতি ও হাইব্রিড সিস্টেমের উপকারিতা তুলে ধরেন। এগুলো নির্ভরযোগ্য ও শূন্য-কার্বন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সক্ষম। তিনি আরও বলেন, বার্জ ভিত্তিক পারমাণবিক চুল্লিগুলি সাশ্রয়ী, কম রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ সরবরাহে সহায়ক।

    পেজ বলেন, পারমাণবিক শক্তি আজ আর বিশ্বব্যাংকের মতো উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থাগুলোর জন্য নিষিদ্ধ নয়। ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশ ইতোমধ্যে এই প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে এবং নিজেদের জ্বালানি চাহিদা মেটাচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী উদ্ভাবনী রেকর্ড থাকায় দেশটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরমূলক পদক্ষেপে নেতৃত্ব দিতে পারে। এর মাধ্যমে সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান, জ্বালানির দাম স্থিতিশীল হবে এবং শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা বাড়বে।

    পেজ আরও বলেন, বাংলাদেশ উদীয়মান প্রযুক্তির জন্য একটি কৌশলগত কেন্দ্র হতে পারে এবং পারমাণবিক গবেষণায় শান্তিপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করতে পারে।

    অধ্যাপক ইউনূস জানান, সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার এক নতুন জাতীয় বিদ্যুৎ নীতি অনুমোদন করেছে, যেখানে সৌর জ্বালানির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, পারমাণবিক বিকল্পের দিকে যাওয়ার আগে কঠোর গবেষণা ও সম্ভাব্যতা যাচাই অপরিহার্য। তিনি বলেন, এই সব সুযোগ অবশ্যই অনুসন্ধান করতে হবে, তবে গভীর গবেষণা ও প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিতে হবে। নিঃসন্দেহে বাংলদেশকে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে দ্রুত সরে আসা জরুরি।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সরকারের সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদসহ অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তারা।

  • কানাডার বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চ সতর্কতা জারি

    কানাডার বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চ সতর্কতা জারি

    কানাডা বাংলাদেশের ভ্রমণে তাদের নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির সরকারীয় ওয়েবসাইটের ‘ভ্রমণ’ বিভাগে শুক্রবার এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সতর্কতা জানান। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে, সেটি খুবই সংবেদনশীল বা অস্থির। এজন্য বাংলাদেশের পুরো অঞ্চলসমূহে উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে পার্বত্য তিন জেলায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কানাডা। অর্থাৎ, এই অঞ্চলে প্রবেশ বা ভ্রমণ এড়ানো উচিত। এই সতর্কতামূলক চিহ্নগুলো হলো হলুদ, যা নির্দেশ করে সেখানে নিরাপত্তার জন্য উচ্চ পর্যায়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে; এবং লাল চিহ্ন, যা নির্দেশ করে পার্বত্য অঞ্চলে ভ্রমণে সম্পূর্ণ এড়ানো জরুরি। কানাডা সরকারের তরফে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সম্ভাব্য বিক্ষোভ, সংঘর্ষ এবং দেশব্যাপী হরতাল-অবরোধের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। নাগরিকদের বলা হচ্ছে, হয়তো কোনো আগাম সংঙ্কেত ছাড়াই পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে, তাই সদাশয্য থাকতে হবে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সহিংসতা, অপহরণ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে ছোটাছুটি সহ নানা অরাজকতা রোধে সেইসব এলাকায় ভ্রমণ এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • ফেলানীর ভাই আরফান বিজিবিতে যোগ দিলেন

    ফেলানীর ভাই আরফান বিজিবিতে যোগ দিলেন

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ির অনন্তপুর সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ফেলানী খাতুনকে বিএসএফের গুলিতে হত্যা করা হয়। সেই সময় তার মরদেহ কাঁটাতার ঝুলে থাকায় দেশের মানুষের হৃদয়ে গভীর শোক ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঘটনার পর থেকে ন্যায় এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পরিবারের লড়াই চলতে থাকলেও আজ অবশেষে তাদের স্বপ্ন পূরণের এক শুভ মুহূর্ত এসেছে।

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটের ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সিপাহী নিয়োগ পরীক্ষায় এ জয় অর্জন করেন আরফান হোসেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। এই সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা মো. নুরুল ইসলাম।

    মাত্র ১৫ বছর বয়সে ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া ফেলানীর ছোট ভাই এখন দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। এই অর্জন তাকে নতুন জীবনের পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে বলে তিনি জানান। সে বলে, ‘বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল দেশের জন্য কিছু করব। ফেলানীর হত্যার ঘটনা আমাকে আরও বেশি প্রতিবাদী এবং দেশপ্রেমের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। বিজিবিকে ধন্যবাদ জানাই এই সুযোগ দেওয়ার জন্য।’

    বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ‘বিজিবি সব সময় ফেলানীর পরিবারের পাশে আছে। ফেলানীর ছোট ভাই এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করবেন। আমরা আশা করি, প্রশিক্ষণ শেষে তিনি একজন যোগ্য সৈনিক হিসেবে দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন। সীমান্তে ভবিষ্যতে কোনও নৃশংসতা আর ঘটবে না, এই জন্য বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও সচেতন হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

    ফেলানীর বাবাও পরে বলেন, ‘নিজের ছেলেকে এই চাকরি পাওয়া তার স্বনাম অর্জন, সবার দোয়া এবং পরিবারের সমর্থন ছিল। আমি বিশ্বাস করি, ছেলে সততার সঙ্গে কাজ করবে, তখন আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।’

  • সীমান্ত বিরোধে মামলা ও ভোটের প্রস্তুতি: নতুন সিদ্ধান্ত আসছে

    সীমান্ত বিরোধে মামলা ও ভোটের প্রস্তুতি: নতুন সিদ্ধান্ত আসছে

    সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের কারণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গুরুত্বপূর্ণ যোগবিলম্বে রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এ ধরনের ভাঙচুর বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এগুলো আদালতে পৌঁছেছে। আদালত থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে তা অনুযায়ী কমিশন গুরুত্ব সহকারে কাজ চালিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার তিনি নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বলেন,

    ‘প্রবাসে থাকা ভোটাররা পোস্টাল ব্যালটের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন করলে তারা আর নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপ আবার কখন নাগাদ আপডেট হবে, তা পরে জানানো হবে।’

    আখতার আহমেদ আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক-নির্বাচনি পর্যবেক্ষক দল ২২ সেপ্টেম্বর ইসিতে আসবে। ইতিমধ্যে ২২ দলের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং এর প্রতিবেদন আগামী কমিশন সভায় উপস্থাপন করা হবে।

    তিনি বলেন, সংলাপের বিষয়গুলো খুব শিগগিরই ঠিক করা হবে। ৩১ অক্টোবরে তার আগে ১৮ বছর পূর্ণ করা নতুন ভোটারদের তালিকা যোগের কাজ চলমান। এছাড়া দেশের পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।

    সীমানা বিরোধ ও বিক্ষোভের বিষয়টি নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ‘১৮টি রিট জমা পড়েছে। আমরা আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকবো।’ তিনি মান্য করেন, ভবিষ্যতে পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    সীমান্ত বিরোধের বিষয় আলোচনায় তিনি বলেন, ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে ভাঙচুর একদম অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি আদালতে গিয়েছে। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, তা আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। আইনের ধারায় বলা আছে, মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না, কারণ এটি মৌলিক অধিকার।’

    অন্যদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে, মোট প্রয়োজনীয় উপকরণের ৭০ শতাংশ সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সচিব জানান, মোট ১০ ধরনের উপকরণ কেনা হচ্ছে, তাদের মধ্যে দুটো ইউএনডিপি দেবে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে। বাকি আটটি উপকরণ স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ চলছে।

    প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, লাল গালা ঝুড়িতে ৯ হাজার ২০ কেজি, ৫০ লাখ ব্যালট বাক্সের মধ্যে ৬ লাখের লক, ৮ লাখ ৪০ হাজার অফিসিয়াল সিল থেকে ৬ লাখ, মার্কিং সিলের মধ্যে ৩ লাখ ৯৬ হাজার, ব্রাস সিলের মধ্যে ৯ হাজার ৯২০টি, ব্যাগ ও অন্যান্য উপকরণ সবই সংগ্রহে রয়েছে।

    অক্টোবরের মধ্যে ৯ লাখ ৪০ হাজার স্ট্যাম্প প্যাড ও কলম, ১ লাখ ১৫ হাজার গানি ব্যাগের পুনরায় দরপত্রের কাজ চলমান রয়েছে। নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় উপকরণের এগারো ভাগেরও বেশি সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে, যা শিডিউলমাফিক কাজ চলমান।