Category: খেলাধুলা

  • নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে ফাইভ-ফরে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে ফাইভ-ফরে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    মিরপুরের ধীরগতির উইকেটে সাধারণত স্পিনারদের সুবিধাই চোখে পড়ে। তবু আজ সেই মাটিতে ঝড় তুললেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। গতিশীলতা আর ওপারের বাউন্সকে কাজে লাগিয়ে নাহিদ যেন পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনকে ছেঁটে দিলেন; ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ফাইভ-ফার ঠিক করলেন তিনি।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের পক্ষে রানের বিনিময়ে পাঁচটি উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, আর অন্যান্য বোলাররাও সমানভাবে কাজ করেছেন।

    নতুন বল হাতে মিতব্যয়ী বোলিং দেখিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু প্রথম সময় তাঁদের কেউই উইকেট নিতে পারেননি। তাই ইনিংসের সপ্তম ওভার থেকে ঢাকা দল স্পিন আক্রমণ নিয়েছিল—তবে তা অনপরে ফল দেয়নি। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নিজে বল হাতে নামলেও প্রথম দফায় উইকেট পাননি তিনি।

    পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে তুলে নেন মিরাজ এবং দায়িত্বের বলটা নেওয়া হয় নাহিদের হাতে। ওভারের শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহান কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন—এটাই নাহিদের প্রথম সাফল্য। এরপর পরের চার ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট নেন নাহিদ; যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে পাঠান তিনি এবং পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইভ-ফার পূরণ করেন।

    ১৯তম ওভারে মিরাজও উইকেট ধারায় যোগ দেন; ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটন দাসের গ্লাভসেই ধরে ফেরান তিনি। পরের দিকে ২৩তম ওভারের প্রথম বলে হোসাইন তালতকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান মিরাজ এবং একই ওভারের শেষ বলে তিনি শাহিন আফ্রিদিকেও পarap করেন।

    দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিন এক উইকেট নেন—২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তের হাতে ধরা পড়ান তিনি।

    পাকিস্তান ৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তবু ফাহিম আশরাফ কিছুটা লড়াই করে আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর শতাধিকে নিয়ে আসেন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে অলআউট হয়।

    শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বলারদের মধ্যে নাহিদ রানা ছিলেন ম্যাচ প্লেয়ার—এক তরুণ পেসারের ঝড়ো বোলিংয়ে পুঁজি পেলো বাংলাদেশ।

  • ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে জয়ী বাংলাদেশ

    ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে জয়ী বাংলাদেশ

    কয়েক মাসের বিরতির পরে ওয়ানডে দলে ফিরে বাংলাদেশ শুরুতেই প্রমাণ করলো কেন তারা বিপক্ষের জন্য শক্ত প্রতিপক্ষ। পাকিস্তানকে তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন স্কোরে—৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে—all out করে রাখে টাইগাররা। ব্যাটিং ও বোলিং—দুয়েতেই আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের।

    পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের নাহিদ দুর্দান্ত বোলিং করে ২৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন এবং দিনের নায়ক হয়ে উঠেন। জবাবে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ডক গুটিয়ে নেয়।

    চেজ শুরুতেই ওপেনার সাইফ হাসান মাত্র ৪ রানে ফিরলেও দ্রুতই তানজিদ হাসান তামিম নেতৃত্বে দল এগোতে থাকেন। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রানের আদায় হলেও সাইফের আগে ফেরায় জুটি ভেঙেছিল। এরপর তামিম একাই ইনিংসটি তুলে নেন—খুব আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি পূরণ করেন এবং শেষে ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। তার নির্ভরযোগ্য ইনিংসে বাংলাদেশ সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছায়।

    পাকিস্তানের ইনিংস শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেট না পাওয়া একথাই তাদের দুর্ভাগ্য ছিল। সপ্তম ওভারেই স্পিন নিয়ে এসে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ কিছুটা চাপ সৃষ্টি করলেও বড় ব্রেকথ্রু আসে তরুণ পেসার নাহিদের হাতে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিন সরিয়ে নাহিদ বোলিং করেছেন এবং ওভারেই দলের প্রথম বড়সড় সফলতা এনে দেন; ওভারটির শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহানকে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়ে ফেলেন।

    এরপর নাহিদ পরপর চার ওভারেই উইকেট তুলে নিতে থাকেন—শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইভার পূরণ করে নাহিদ; এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইভ-উইকেট।

    ১৯তম ওভারে মিরাজও যোগ দেন উইকেট পার্টিতে—ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসে ধরা দেন। পরের দিকে হোসেন তালাতকে ফেরান মিরাজ; ২৩তম ওভারের প্রথম বলে তাকে এলবিডব্লিউ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক এবং একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও ফিরিয়ে দেন মিরাজ।

    দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিন ওয়াসিমকে ধরিয়ে দেন—২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তের হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।

    শেষ দিকে নবম উইকেট পর পর হলে (৮২ রানে) পাকিস্তান একশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে, তবে ফাহিম আশরাফ কিছুটা লড়াই করে যান। আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ার সহায়তায় পাকিস্তান টিম কিছুটা রেসপেক্টেবল স্কোর পায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে আলআউট হয়।

    সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ বোলিং, ফিল্ডিং ও তামিমের ঝড়ো ব্যাটিং—এসব মিশিয়ে স্মরণীয় ভাবেই ওয়ানডেতে ফিরে শক্তিশালী জয় তুলে নিল।

  • বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

    বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

    আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আয়োজিত ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সিরিজ শুরুর আগেই আয়োজিত এই আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে দুই দলের অধিনায়কসহ সংশ্লিষ্টদের সামনে ট্রফিটি উন্মুক্ত করে প্রদর্শন করা হয়।

    ট্রফি উন্মোচনের মুহূর্তে দুই দলের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথাই ছিল আলোচ্য। স্বাগতিক বাংলাদেশ ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে সফলতা পেতে চাইবে, আর সফরকারী পাকিস্তান শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রদর্শনের লক্ষ্য নিয়ে সিরিজে নামছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানটি সিরিজকে নিয়ে আলোচনার তীব্রতা ও দর্শক-উৎসাহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ অনুষ্ঠানে বলেন, “এ বছর আমাদের অনেক ওয়ানডে ম্যাচ আছে। সুতরাং আমরা পরিকল্পনা খুব ভালোভাবে করতে পারব। প্রতিটা ম্যাচ, প্রতিটা সিরিজ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি যোগ করেন, আসন্ন সিরিজ দলকে পরীক্ষার সুযোগ করে দেবে এবং সম্পর্কিত অংশগুলোতে নিজেদের সীমা যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডে বুধবার মাঠে গড়াবে এবং একই ভেন্যুতেই পরবর্তী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। দুই দলকেই নজর রাখতে হবে ব্যাটিং-বোলিং উভয় দিকেই ধারাবাহিকতা দেখাতে — ফলে প্রতিটি ম্যাচই ফলাফল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। দর্শক ও উৎসাহীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, আর ক্রীড়াপ্রীতি আশা করছে দেখার মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা মিলবে।

  • মিনেইরো ফাইনালে কিল-ঘুষি-লাথি, রেফারি দেখালেন ২৩টি লাল কার্ড

    মিনেইরো ফাইনালে কিল-ঘুষি-লাথি, রেফারি দেখালেন ২৩টি লাল কার্ড

    দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের উগ্র আবেগ কখনো কখনো মাঠ ও স্টেডিয়ামকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে—তাই এমন ঘটনা অচেনা নয়। তবু ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যা ঘটল, তা বদলে দিল ফুটবলের ইতিহাসের পাতাও। ক্রুজেইরো ও অ্যাটলেতিকো মিনেইরোর মাঝে ফাইনালে একটি ক্ষুদ্র সংঘর্ষ থেকে শুরু করে মাত্র কয়েক মিনিটে ব্যাপক দাঙ্গায় পরিণত হয় ম্যাচটি, আর শেষ পর্যন্ত রেফারি ২৩টি লাল কার্ড দেখিয়ে দেন—একটি নতুন বিশ্বরেকর্ড।

    শিরোপার লড়াই শেষ মুহূর্তে। ক্রুজেইরো তখন ১-০ গোলে এগিয়ে। ইনজুরি টাইমের শেষ ৩০ সেকেন্ডে ক্রুজেইরোর স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ান ও অ্যাটলেতিকো’র গোলরক্ষক এভারসনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পরই কবজি হারিয়ে ফেলেন এভারসন—তিনি ক্রিস্টিয়ানকে টেনে মাটিতে ফেলেন এবং তাঁর বুকের ওপর উঠে ক্ষোভ উস্কে দেন।

    রেফারি পরিস্থিতি নরম করার চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা আরও জোরালো হয়। পেছন থেকে ক্রুজেইরোর এক খেলোয়াড় এভারসনকে ধাক্কা দিলে গোলরক্ষক গোলপোস্টে আঘাত পেয়ে পড়েন; ঠিক এরপর থেকে দুই দলের খেলোয়াড়েরা একে অন্যকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে লাগেন। বিষয়টি কেবল মাঠের খেলোয়াড়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি—ডাগআউট থেকে বেঞ্চের খেলোয়াড় এবং ক্লাব স্টাফরাও বrawl-এ জড়িয়ে পড়ে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নিরাপত্তাকর্মী ও সামরিক পুলিশ মাঠে হস্তক্ষেপ করে; মামলাটি প্রায় দশ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখতে হয়। শান্তি ফিরিয়ে আনতে বলা হলেও উত্তেজনা কাটিয়ে ওঠা সহজ ছিল না। ম্যাচ পুনরায় শুরু হলে রেফারি মূহুর্তেই কাউকে সরাসরি কার্ড না দিলেও ম্যাচ শেষে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে ওই ঘটনায় মোট ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।

    রিপোর্ট অনুসারে অ্যাটলেতিকো’র ১১ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়েছেন—তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম ব্রাজিলীয় সাবেক তারকা স্ট্রাইকার হাল্কও রয়েছেন—এবং ক্রুজেইরোর ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়েছেন। এই সংখ্যায় ১৯৫৪ সালে দেখা ২২ লাল কার্ডের ৭২ বছরের পুরোনো রেকর্ডও টপকানো হয়েছে।

    ফাইনালের এই দুর্ঘটনা ব্রাজিলীয় ফুটবলের জন্য বড় ধাক্কা—দর্শক ও ফুটবল মহলে প্রতিক্রিয়া পড়েছে এবং এখন দেখার বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি ধরনের শাস্তিমূলক বা গঠনমূলক পদক্ষেপ নেয়।

  • ব্রাজিলে ফাইনালে মারামারি—২৩ জনকে লাল কার্ড

    ব্রাজিলে ফাইনালে মারামারি—২৩ জনকে লাল কার্ড

    দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে উত্তেজনা এবং প্রবল আবেগ দুর্লভ নয়। তবে ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যা ঘটল, তা যেন সব রেকর্ডই হার মানাল। মিনিটের মধ্যে খেলোয়াড়েরা একে অপরকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করলেন, শেষে রেফারি পকেট থেকে বের করলেন মোট ২৩টি লাল কার্ড — ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড।

    ফাইনালে মুখোমুখি ছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রুজেইরো ও অ্যাতলেটিকো মিনেইরো। ম্যাচ একেবারে শেষ মুহূর্তে পৌঁছালে ক্রুজেইরো এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। ইনজুরি টাইম শেষ হওয়ার মাত্র ৩০ সেকেন্ড আগে ক্রুজেইরোর স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ান ও অ্যাতলেটিকোর গোলরক্ষক এভারসনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

    ঘটনার পর এভারসন তার নিয়ন্ত্রণ হারান—ক্রিস্টিয়ানকে টেনে মাটিতে ফেলে ও তাঁর বুকের ওপর উঠে ক্ষোভ উছলান। পরিস্থিতি শান্ত করতেই রেফারি এগিয়ে আসেন, কিন্তু পেছন থেকে ক্রুজেইরোর এক খেলোয়াড় এভারসনকে ধাক্কা দিলে তিনি গোলপোস্টে গিয়ে আঘাত লাগে ও ভূমিতে পড়ে যান।

    ঠিক তখনই মাঠে বিশাল মারামারি শুরু হয়। দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরকে আক্রমণ করতে শুরু করেন; কিল-ঘুষি, লাথি ও ধাক্কাধাক্কি ছড়ায়। ডাগআউট থেকে বেঞ্চের খেলোয়াড় ও ক্লাব স্টাফরাও দ্রুত মাঠে কূট-কেচুরি নিয়ে ঢুকে পড়ে। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে ওঠে যে মাঠ থেকে নিরাপত্তাকর্মী এবং সামরিক পুলিশকে লুটিয়ে দিতে হয়।

    ম্যাচটি মারামারির কারণে প্রায় দশ মিনিট বন্ধ রাখা হয়। শান্তি ফিরে আসার পরে খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরে গেলেও রেফারি কোনো বুকিং দেননি তখনই। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ঘটনার কারণে রেফারি মোট ২৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন।

    রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যাতলেটিকোর ১১ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পান—ইদের মধ্যে সাবেক ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার হাল্কও রয়েছেন—অপরদিকে ক্রুজেইরোর ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়েছেন। এই কার্ডসংখ্যা ১৯৫৪ সালে দেখা ২২টি লাল কার্ডের ৭২ বছরের পুরনো বিশ্বরেকর্ডও ভেঙে দিল।

    ঘটনাটি ব্রাজিলীয় ফুটবলের ইতিহাসে কড়া প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং ম্যাচ শেষে উভয় ক্লাব ও ফেডারেশনের তদন্ত শুরু হওয়ার আশंका রয়েছে। সাধারণ দর্শক ও নিরাপত্তা সংস্থার সতর্ক হস্তক্ষেপ না হলে বড় ধরনের আকার ধারণ করতে পারে এমন সমস্ত সংঘাত নিয়ন্ত্রণকল্পে আগামী দিনগুলোতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হচ্ছে।

  • ট্রফি উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ

    ট্রফি উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ

    আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উপস্থিতিতে ট্রফি উন্মোচন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক এই আয়োজনেই দুই দলের অধিনায়ক ট্রফি সবার সামনে তুলে ধরেন এবং সিরিজকে ঘিরে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা উভয়ই লক্ষ্য করা যায়।

    তিন ম্যাচের সিরিজে দুই দলই সেরা ফল চায়। স্বাগতিক বাংলাদেশ ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভালো করার পরিকল্পনা করছে, আর সফরকারী পাকিস্তান শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতিতে আছে। উন্মোচন অনুষ্ঠান ও সিরিজকে সামনে রেখে দুই দলের প্রস্তুতি ও কৌতুকেই ফুটেছে সিরিজের গুরুত্ব।

    বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘এ বছর আমাদের অনেক ওয়ানডে ম্যাচ আছে। সুতরাং আমরা পরিকল্পনা খুব ভালোভাবে করতে পারব। প্রতিটা ম্যাচ, প্রতিটা সিরিজ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডে আগামী বুধবার মাঠে গড়াবে। একই ভেন্যুতে পরবর্তী দুই ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে, তাই উভয় পক্ষই ধারাবাহিকতা রাখার ওপর জোর দিচ্ছে। দর্শক ও ক্রিকেটভক্তরা এই বিতর্কিত সিরিজটি উপভোগের জন্য অপেক্ষা করছে।

  • মিরপুর পিচে সন্তুষ্ট সিমন্স, খুশি পাকিস্তান কোচও

    মিরপুর পিচে সন্তুষ্ট সিমন্স, খুশি পাকিস্তান কোচও

    মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দীর্ঘদিনের সমালোচনার পরে এইবার পিচকে কেন্দ্র করে আশাবাদ এসেছে দুই দলের কোচের কণ্ঠে। বুধবার (১১ মার্চ) শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ- পাকিস্তান সিরিজের সব ম্যাচই মিরপুরে হওয়ায় সিরিজ শুরুর আগে পিচ দেখেছেন উভয় দলের অধিনায়ক ও কোচরা।

    আগের Seasons-এ মিরপুর উইকেট নিয়ে বহুল অভিযোগ থাকলেও এবার প্রদর্শিত কন্ডিশন দেখে আশাবাদী বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভালো ফল এনে আমরা যে গতি পেয়েছি, সেটাকে ধরে রাখতে চাই। সাম্প্রতিক বিপিএলের খেলা দেখার পর তার দৃষ্টিতে মিরপুরের উইকেট অনেক উন্নত মনে হয়েছে। তাই তাদের মূল লক্ষ্য হবে ব্যাটিং ধার বজায় রাখা এবং মিডল ওভারগুলোতে উন্নতি করা — বিশেষ করে সেই সময়ে উইকেট নিতে বোলিংয়ের দিক থেকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

    সিমন্স আরও যোগ করেন, ‘‘ক্রিকেটার হিসেবে সবারই ভালো পিচে খেলার আগ্রহ থাকে যাতে দক্ষতা পরীক্ষিত হয়। বর্তমানে উইকেট আগের চেয়ে অনেক ভালো দেখাচ্ছে।’’ তিনি মনে করছেন যদি উইকেট এই রকমই থাকে, দলটি গত ম্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবে।

    অন্যদিকে পাকিস্তান কোচ মাইক হেসনও এ সময় পিচের প্রশংসা করেছেন — যা কিছুটা আশ্চর্যের হলেও উৎসাহব্যঞ্জক। কয়েক বছর আগে মিরপুর পিচকে তিনি কঠোর সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু এবার তাঁর মন্তব্যে ছিল ইতিবাচকতা। তিনি বলেন, পিচ এবং আউটফিল্ড দুইই ভালো দেখাচ্ছে; সেখানে এখন বেশি ঘাস থাকায় ব্যাট-বলের মধ্যে প্রকৃত লড়াই হবে।

    হেসন বলেন, ‘‘দীর্ঘ দিন পিচ আদর্শ ছিল না, কিন্তু বিপিএলে থাকা পিচগুলো আশাব্যঞ্জক ছিল। বর্তমান কন্ডিশন দুই দলের জন্যই সমান চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশকে তাদের নিজস্ব কন্ডিশনে সম্মান জানিয়ে তাই সিরিজটি প্রতিটি দলের জন্যই কড়া পরীক্ষা হবে।

    তদন্তে দেখা গেছে, নতুন পিচগুলোতে ব্যাটিং-ও-বোলিং দুটোতেই সামঞ্জস্য থাকবে—এটা দর্শকদের জন্যও উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দেবে বলে দুই কোচের মত। একদিকে বাংলাদেশ সম্প্রতি বেশ কিছু ৫০ ওভার ক্রিকেট খেলেছে, তাই পাকিস্তানের লক্ষ্য হবে দ্রুত ঐ ফরম্যাটে মানিয়ে নেয়া; অন্যদিকে বাংলাদেশের লক্ষ্য হবে মিডল ওভারগুলোতে আরও শক্ত অবস্থান গড়া।

    সিরিজ শুরুর আগের এই ইতিবাচক সুর ম্যাচের নাটকীয়তা বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। পিচ ভালো থাকলে ব্যাটার-গুলোর রানের বাইরে বোলারদেরও পরীক্ষা নেওয়ার সমান সুযোগ থাকবে—ফলে শেষ পর্যন্ত দর্শকই উপকৃত হবেন।

  • নারী বিপিএল: বগুড়া নতুন ভেন্যু—তিন দলের চিত্র স্পষ্ট

    নারী বিপিএল: বগুড়া নতুন ভেন্যু—তিন দলের চিত্র স্পষ্ট

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেটে নতুন একটি অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে—প্রথমবার আয়োজিত হচ্ছে নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’। মাঠে এই লড়াই হবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

    শুরুতে টুর্নামেন্টটির খেলা মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও এখন ভেন্যু হিসেবে যোগ করা হয়েছে। এতে মাঠে স্থানীয় দর্শক উদ্দীপনা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টের উদ্বোধন এবং উদ্বোধনী ম্যাচও বগুড়াতেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্বোধনী অতিথি হিসেবে ডাঃ জুবাইদা রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে, তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো বাকি।

    এবারের নারী বিপিএলে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। দল গঠনের জন্য প্লেয়ার্স ড্রাফট নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১৪ মার্চ, যা রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।

    জাতীয় দলের তিন তারকা—নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারীকে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির আইকন ক্রিকেটার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আইকন ক্রিকেটারদের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং এরা প্রত্যেকেই নিজেদের দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    এমনকি তিনটি দলের মধ্যে দু’টির নাম ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ক্রয়ের লড়াইয়ে এগিয়ে আছে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স।

    ভেন্যু বাড়ায় টুর্নামেন্টে দর্শক উপস্থিতি ও আঞ্চলিক উৎসাহ আরও বাড়বে বলে আয়োজকরা মনে করছেন। নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন ও স্থানীয়ভাবে ক্রিকেট সংস্কৃতি গড়ে তোলার দিক থেকে এই বিপিএলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, এবং আগামি প্রতিযোগিতা আশা জাগায় নতুন প্রতিভা দেখার।

  • নারী বিপিএল: ভেন্যু বাড়ালো, চূড়ান্ত দুই দল ঘোষণা

    নারী বিপিএল: ভেন্যু বাড়ালো, চূড়ান্ত দুই দল ঘোষণা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছে—প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’। মাঠের লড়াই হবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

    আগের পরিকল্পনায় টুর্নামেন্টটি মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও ভেন্যু হিসেবে যোগ করেছে বিসিবি, ফলে ভেন্যু বেড়েছে তিনটিতে। প্রাথমিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও প্রথম ম্যাচও বগুড়াতেই হওয়া সম্ভাব্য বলে জানানো হয়েছে; সূত্রে বলা হচ্ছে, ডাঃ জুবাইদা রহমান উদ্বোধনকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

    এবারের বিপিএলে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। জাতীয় দলের তিন তারকাকে আইকন ক্রিকেটার হিসাবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে—নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। প্রতিটি আইকন ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং তারা তাদের নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    টুর্নামেন্টের ‘প্লেয়ার্স ড্রাফট’ আয়োজন করা হবে আগামী ১৪ মার্চ, রাজধানীর এক হোটেলে। ইতোমধ্যে তিনটি দলের মধ্যে দুইটোর নাম চূড়ান্ত হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি কেনার দৌড়ে বেশি এগিয়ে আছে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স।

    নারী বিপিএল হওয়ার ফলে দেশের মহিলা ক্রিকেটে নতুন সুযোগ তৈরি হবে—ট্যালেন্টকে সামনে আনতে, আইকনদের নেতৃত্বে তরুণরা অভিজ্ঞতা লাভ করবে এবং ভক্তদের জন্যও উৎসব মুখর দিন শুরু হবে। যদি সময়সূচি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের মতো জমে ওঠে, এটি নারী ক্রিকেটের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হবে।

  • মিরপুর পিচে আশার সুর, প্রশংসা জানালেন সিমন্স ও হেসন

    মিরপুর পিচে আশার সুর, প্রশংসা জানালেন সিমন্স ও হেসন

    মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উঠছে সমালোচনা। স্লো ও স্পিন-প্রবণ উইকেট নিয়ে বিদেশি এবং ঘরের ক্রিকেটাররা বিভিন্ন সময়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে বুধবার (১১ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের আগে এবার উভয় দলের কোচ মিরপুর পিচ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    আজ (৯ মার্চ) মিরপুরে অনুশীলনে এসে দুই দলের অধিনায়ক ও কোচ মাঠের পিচ দেখেন। এর আগে বিপিএলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে উইকেট ভালো ছিল বলে উভয় কোচের কাছেই ইতিবাচক ইঙ্গিত ছিল, এবং সংবাদ সম্মেলনে সেই আশাবাদেই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

    বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমরা একটি ভালো সিরিজ খেলেছি এবং সেই মান ধরে রাখতে চাই। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক বিপিএলের ম্যাচগুলো দেখেছি, উইকেটগুলো আগের চেয়ে অনেক ভালো মনে হয়েছে। ভালো উইকেটে খেললে খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা ভালোভাবে যাচাই করতে পারে। তবে আমাদের মিডল ওভারগুলোতে আরও উন্নতির প্রয়োজন, বোলিংয়ে ও ব্যাটিংয়ে মাঝের সময় উইকেট নেওয়া ও রান করা—এই দুই দিকেই জোর দেবো।’

    সিমন্স আরও বলেন, সাম্প্রতিক দুই দিনের খেলা দেখার পর তাঁর প্রত্যাশা যে পিচগুলো আগের তুলনায় উন্নত থাকবে। ‘দেখা যাক কী হয়’, যোগ করেন তিনি, কিন্তু সাধারণত ক্রিকেটাররা এমন ভালো পিচে খেলতে আগ্রহী এবং সেটি দলের উন্নতিতে সহায়ক হবে—এটাই তার বিশ্বাস।

    আগে মিরপুরের পিচ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছিলেন পাকিস্তান কোচ মাইক হেসনও। ওই সময় তিনি জানিয়েছিলেন এমন উইকেটে খেলা দলের জন্য উপকারে না। কিন্তু এবার হেসনের কণ্ঠে প্রশংসার সুর ছিল। তিনি বলেন, ‘এখানকার পিচগুলো অনেক ভালো দেখাচ্ছে এবং আউটফিল্ডও উন্নত। বিপিএলে আমি ভালো পিচ দেখেছি—এবার মাঠে অনেক ঘাস আছে, ব্যাট-বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হবে।’

    হেসন মনে করেন পিচের বদল দুই দলের জন্যই সমান চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে তাদের স্বকীয় কন্ডিশনে সম্মান করি, তবু বর্তমান কন্ডিশন গত টি-টোয়েন্টি সিরিজের চেয়ে অনেক ভিন্ন। দুই দলই ভালো উইকেটে সমানভাবে লড়বে।’ তিনি আরও যোগ করেন যে বাংলাদেশ সম্প্রতি বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই পাকিস্তান দলের দ্রুত মানিয়ে নেওয়া দরকার।

    সংক্ষেপে, মিরপুর পিচ নিয়ে আগের ঝক্কি-বিতর্কের পর এবার দুই কোচের আশাবাদ সিরিজকে আরও সমতা ও উত্তেজনায় পূরণ করতে পারে। সিরিজ শুরু হলে দেখা যাবে পিচ কীভাবে খেলাকে প্রভাবিত করে এবং দুই দল কতটা নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিতে পারে।