Category: খেলাধুলা

  • ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি

    ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গণে একটা ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে যখন ভারত পক্ষ থেকে সম্প্রতি মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই পেসারকে নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্সে সুযোগ পেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় তাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিবেশী এই দুই দেশ—বাংলাদেশ ও পাকিস্তান—উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গতিপথে বিতর্কের জন্ম দেয়।

    এদিকে, মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ফলস্বরূপ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচিতে পরিবর্তন আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে খেলার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, ফলে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত হতে পারে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশ সরকার আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশও দিয়েছে।

    ভারতের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সমর্থক। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি অদ্ভুত ব্যাপার হলো, পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার জুনায়েদ খান এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজার আইপিএল খেলার বিষয়টি অনেকেরই জানা, কারণ আইপিএলের লোগোতে দেখা ব্যাটিং শটের অবয়বটি তৎকালীন বাংলাদেশের এই অধিনায়কেরই আইকনিক শট থেকে অনুপ্রাণিত। একদিকে ভারত ও আইপিএল কর্তৃপক্ষ এটি কখনো স্বীকার না করলেও, অনেকেরই ধারণা, এই লোগোতে যে শটটির ছবি রয়েছে, সেটি মাশরাফির ব্যাটিং স্টাইলেরই আরেকটি প্রতীক।

    গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেন জুনায়েদ খান। সেখানে দেখা যায়, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া বলছেন, ‘অবশ্যই বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, আইপিএলের এই ব্যাটিং শটটি এবি ডি ভিলিয়ার্সের, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি মাশরাফি বিন মর্তুজার ব্যাটিং স্টাইলেরই অনুবাদ।’

    এই ভিডিও শেয়ার করে জুনায়েদ মন্তব্য করেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যেভাবে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে, তাতে আমার ধারণা এখন গোপনীয়তা নিয়েই হয়তো তারা লোগো পরিবর্তন করবে, যেখানে তিনি (মাশরাফি) হয়তো আবারও ফিরে আসবেন।’ উল্লেখ্য, মাশরাফি আইপিএলে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন, সেটিও ২০০৯ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। এই বিষয়টি শুধু ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যই নয়, বরং পুরো ক্রিকেট বিশ্বে এক অদ্ভুত রহস্যের মতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

    বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

    বাগেরহাটে ‘মাদককে না বলুন’ শপথের মাধ্যমে মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে। দেড় দিন ব্যাপী এ প্রতিযোগিতার পরের দিন বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও প্রাইজমানি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া অফিসার হুসাইন আহমাদ সঞ্চালনা করেন, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের পক্ষে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস्ट्रেট লাবন্য ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু রাসেল এবং যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল। প্রতিযোগিতায় বগেরহাটের ফয়সল হাবিব ও অয়ন জুটি দল চ্যাম্পিয়ন হয়, আর মঈনুল ইসলাম ও সাবিত জুটিদল রানার্স আপ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লাবন্য ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি করতে হবে। স্বাগত বক্তব্যে উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান উল্লেখ করেন, সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে বাগেরহাটের তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের নেশা থেকে দূরে রাখতে আমরা নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করি, যার ধারাবাহিকতায় এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি আয়োজন করা হবে আট দলের ভলিবল প্রতিযোগিতা। বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু রাসেল বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রজীবন সুষ্ঠভাবে বিকশিত হয়।

  • নাসুমের দুর্দান্ত স্পেল, সিলেটের জয়, নোয়াখালী হেরেছে

    নাসুমের দুর্দান্ত স্পেল, সিলেটের জয়, নোয়াখালী হেরেছে

    নোয়াখালীর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাজি ধরে সিলেটের জয় conseguimos। এই ম্যাচে শুরু থেকেই নিজের চমৎকার বলিং দক্ষতা দেখান নাসুম আহমেদ। সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে শুরু করেন উজ্জ্বল উপস্থিতি, এরপর ধারাবাহিকভাবে হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান এবং বিলাল সামিকে ফেরান তিনি। নিজের শেষ ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট তুলে নেন, চার ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৫টি উইকেট নিয়ে নোয়াখালীকে মাত্র ৬১ রানে গুছিয়ে দেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাদের সহজ জেতার পথে মূল বাধাটিই ভেঙে যায়। ফলে, লক্ষ্য ছিল মাত্র ৬২ রানের, যা আদৌ সহজ ছিল। সিলেটের শুরুটা হলো খুব ভালো, প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে শুরু হয় বিপর্যয়। ওপেনিংয়ে নামা পারভেজ হোসেন ইমন প্রথমবারের মতো বিপিএলে ওপেন করতে এসে ব্যর্থ হন, যার আগেই শেষ হয়ে যায় তার আভরণ। মূলত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বর পজিশনে ৬৫ রান করে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে নোয়াখালীর বিপক্ষে ৬০ রান করেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গে তিনি ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন, তবে পরের ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার সিরিজের জন্য সাইম আইয়ুব লিগ থেকে ছুটি নেওয়ায় সিলেটের ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ইমন। তবে এই ইনিংস ছিল খুব দ্রুত শেষ—৫ বলে ১ রান করে আউট হন তিনি। পেসার বিলাল সামির অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বল ভেতরে ঢোকায় তাকে বোল্ড করেন। এরপর তৌফিক খান দ্রুত রান তোলার জন্য ঝাঁপিয়ে যান। পাওয়ার প্লে’য় বেশ কিছু বাউন্ডারি মারতে থাকেন, কিন্তু প্রথম ছয় ওভারে পারভেজের আউটের পর বিপর্যয় শুরু হয়। ১৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন তৌফিক। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৫ বলে ২ রানে আউট হন। একই ওভারে ২৩ বলে ২৪ রান করে জাকির হাসান আউট হন। শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জেতাতে মঈন আলী এক সিঙ্গেল নিয়েছেন। নোয়াখালীর হয়ে তিনটি উইকেট পান জহির খান। বিপিএল চলাকালীন অনেক দলই টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও, নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ায় সবাইকে চমকে দেন। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য মিলে ভালো শুরুর আশ্বাস দেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই সৌম্য ফিরে যান। এরপরই ছন্দপতন ঘটে; মুনিম শাহরিয়ার রান আউট হন, এরপর ১৬ বলে ১৮ রান করা সোহানও আউট হন। বাকিদের মধ্যে অঙ্কন চেষ্টা করেন এক আসা-যাওয়া ব্যাটিং বাঁচানোর, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৫ রানে তিনি ফিরে যান। নোয়াখালীর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে মোহাম্মদ নবি কেবল ১০ বলে এক রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাটিং না থাকায় দল মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায়। অন্যদিকে, সিলেটের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মূল নায়ক হন নাসুম আহমেদ। তার দুর্দান্ত বলিং পারফরম্যান্সের কারণে সিলেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

  • বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের মাঠের বাইরে এখন রাজনৈতিক উত্তেজনার মুহূর্ত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯.২ কোটি রুপিতে দলে নেওয়ার পরবর্তী সময়ে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে বলা হচ্ছে ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’, যা মূলত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

    এর জের ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তার অভাবে তারা আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচগুলো ভারত নয়, শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করতে চায়। তাদের যুক্তি, দেশে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্পষ্টভাবে বলেন, “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা আমাদের জন্য শীর্ষ অগ্রাধিকার।”

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে, দাবি করে এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য এক ধরনের আঘাত। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে, আইসিসি নতুন সূচি তৈরি করতে শুরু করেছে। ম্যাচগুলো যদি সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে বিসিসিআইয়ের আর্থিক ক্ষতি হবে বিপুল পরিমাণ।

    এদিকে, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার রমিজ রাজা, যিনি বর্তমানে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতে বাংলাদেশ তাদের যথার্থ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ প্লেয়ারদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এর আগে এশিয়া কাপে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘটনা ঘটেছিল নিরাপত্তার অজুহাতে। আজকের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ঘটনার জন্য সত্যিই দুঃখ প্রকাশ করছি।’

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যদি অংশ নেয় না, তাহলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হবে বিসিসিআইয়ের। এছাড়া, এই সংকটের কারণে ভারত বাংলাদেশ দলের জন্য ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে—একটি অপ্রত্যাশিত ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

  • বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড

    বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড

    তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়, এর পেছনের আসল কারণ ও সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মাঝে নানা আলোচনা চলছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, বিসিসিআই, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনও প্রকার আলাপ-আলোচনা বা আলোচনা সমঝোতা হয়নি বলে জানা গেছে। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটাররা এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক বিশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বোর্ডের উচ্চ পর্যায় থেকে এসেছে, যেখানে কোনও অন্তর্বর্তী আলোচনা বা মতবিনিময় হয়নি। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, বিসিসিআই এর এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনও ধরণের আলোচনা বা পরামর্শ নেয়নি। এ ব্যাপারে এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মোস্তাফিজের অবস্থা সম্পর্কে বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি, বরং তারা সরাসরি সিদ্ধান্ত নেন। এখন পর্যন্ত তিনি ভারতের পাঁচটি বড় ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন— সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে তার মোট খেলার সংখ্যা ৬০, এবং ইকোনমিতে ৮.১৩ গড়ে তিনি ৬৫ উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস তাকে সামাজিক মাধ্যমেও প্রশংসিত করেছে। গতবার জেক ফ্রেজার না খেলায় দিল্লি ক্যাপিটালস মোস্তাফিজকে মাঝপথে আনেন। তবে এবারে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের জটিলতা তাকে আইপিএল খেলতে বাধা দেয়। ১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে আইপিএল নিলামে তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা) কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশের ক্রিকেটারের মধ্যে এইই ছিল সর্বোচ্চ দর। তবে বিসিসিআই-এর সচিব দেবজিত সাইকিয়া শুক্রবার এক প্রভাবশালী বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ তারা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই মোস্তাফিজকে দলে থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর ফলে কলকাতার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়ার কমে যাচ্ছে, পোস্টে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও রিঅ্যাকশন বাড়ছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতের থেকে আইসিসিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি এখন বিশ্বকাপের নতুন সূচি তৈরির কাজ করছে, আর মোস্তাফিজের এই ইস্যুতে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনা পুরোপুরি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিরোধের জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মোস্তাফিজের as স্থান ও ভবিষ্যত এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

  • খুলনায় প্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সাবেক ফুটবল তারকা নিরা আর নেই

    খুলনায় প্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সাবেক ফুটবল তারকা নিরা আর নেই

    দেশের ফুটবল অঙ্গনের প্রিয় মুখ, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় ও খুলনা জেলা ফুটবল দলের কোচ মোঃ দস্তগীর হোসেন নিরা আর আমাদের মাঝে নেই। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি খুলনা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আমরাতো আল্লাহর এবং আল্লাহর কাছে ফিরে যাবো)। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬২ বছর। নিরা ৬ নম্বর মিয়াপাড়া রোডের হোসেন ভিলার বাসিন্দা, মরহুম ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

    শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর తెలుసার পরই পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রোববার জোহর নামাজের পর মরহুমের নামাজে জানাজা মিয়াপাড়া পাইপের মোড়ে অবস্থিত কায়েমিয়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টুটপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে তিনি খুলনা মোহামেডান ক্লাবে ছিলেন যেখানে তিনি দুজন সিনিয়র খেলোয়াড়কে ইনজুরির পর ফিজিওথেরাপি দিচ্ছিলেন। এ সময় তিনি হঠাৎ বুকের মধ্যে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। দ্রুত তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়, পরে তার অবস্থা আরো অবনতি হলে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক ধারণা, তার মৃত্যু হার্ট অ্যাটাকের কারণে।

    নীরার শেষযাত্রায় অংশ নেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলী আসগার লবী, মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু ও বিভিন্ন ক্লাবের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা।

    তার এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে খুলনার ক্রীড়াঙ্গনসহ দেশের ফুটবল মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিবেদিতপ্রাণ এই ফুটবল ব্যক্তিত্বের বিদায়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও তার প্রাক্তন সতীর্থরা। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    দস্তগীর হোসেন নিরার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন, সোনালী অতীত ক্লাব, ইয়ং বয়েজ ক্লাব, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, মুক্তবাংলা সংস্থা, কসমস একাদশ, লিটন স্মৃতি সংসদ, এসবিআলী ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন।

    খেলোয়াড়ী জীবনে খুলনা ইয়ং মুসলিম ক্লাবের হয়ে Football playground এ তার পদচারণা শুরু। তার ক্যারিয়ার ছিল অত্যন্ত সফল ও বর্ণময়। তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব ঢাকা আবাহনী, খুলনা আবাহনী ও খুলনা মুসলিম ক্লাবের হয়ে দীর্ঘকাল রক্ষণভাগের দায়িত্ব পালন করেন। তার অসামান্য দক্ষতা ও নেতৃত্বে তিনি জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।

    খেলোয়াড়ী জীবন শেষ হওয়ার পর তিনি একজন ফুটবল সংগঠক ও প্রশিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ছিলেন একজন উচ্চতর ‘এ’ লাইসেন্সধারী ফুটবল কোচ। খুলনা জেলা দলের কোচের দায়িত্ব পাশাপাশি তিনি একটি ব্যক্তিগত ফুটবল একাডেমিও পরিচালনা করতেন। মৃত্যুকালে তিনি খুলনা সোনালী অতীত ক্লাবের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

  • খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ নাজমুল হক। তিনি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দেন এবং এক সুন্দর উৎসবমুখর পরিবেশে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, খুলনা বিভাগ) প্রকৌশলী মোঃ আওলাদ হোসেন। ক্লাবের সুস্থ ও স্পোর্টসময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলীমুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। উদ্বোধনী খেলায় চুড়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ২-১ গোলে খুলনা পাবলিক কলেজকে হারিয়ে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় খেলায় ঝিনেদা রাইচরণ তারিনী চরণ ডিগ্রি কলেজ ১-০ গোলে ডুমুরিয়া কলেজকে পরাস্ত করে। তৃতীয় খেলায় চুয়াডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ৫-১ গোলে উপশহর কলেজ যশোরকে হারায়। অপর দিকে, চতুর্থ খেলায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ১-০ গোলে আমঝুপি রাজনগর বারাদি কলেজ, মেহেরপুরকে পরাজিত করে। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে যুবসমাজের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পাওয়ার আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ভারতের জনপ্রিয় ক্রিকেট তাহলে এশিয়ার অন্যতম বিশ্বস্ত কোটি কোটি ভক্তের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এক সংবাদ। বাংলাদেশে তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) এর সব খেলা, অনুষ্ঠান এবং সম্প্রচার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতের ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে আইপিএলে অংশ নেওয়া দেশীয় ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ বা যোগ্যতা সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ এই সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    এর ফলে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আইপিএলের সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি হয়েছে। এই আদেশ জনস্বার্থে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে জারি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। বাংলাদেশের বীর ক্রিকেটার মুস্তাফিজের ওপর ভারতীয় কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলের কয়েকজন নেতা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তাঁদের দাবির প্রেক্ষিতে শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, এই ক্রিকেটার আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজকে সরিয়ে নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক দুঃখজনক সিদ্ধান্ত।

  • মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ভয়াবহ এক পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রভাব সরাসরি পড়েছে দলের সোশ্যাল মিডিয়া অনুসারীদের উপর। মুস্তাফিজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সব পোস্ট কেকেআরের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে মোছার কারণে বাংলাদেশি সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক দিনের মধ্যেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তার ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লাখের বেশি হারিয়ে ফেলেছে।

    প্রথম দিকে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের জন্য বাংলাদেশে কেকেআর ছিল অন্যতম জনপ্রিয় দল। গত বছর ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েও সেই আগ্রহের উৎস ছিল বেশ। তবে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাঁকে বাদ দেওয়ার এবং সব সংশ্লিষ্ট পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত খুব দ্রুতই সেই ভালোবাসা ক্ষোভে রূপান্তরিত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেকেআরের অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮১ লাখের বেশি, কিন্তু আজকের মধ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখে, অর্থাৎ প্রায় ১০ লাখ মানুষ কেকেআরের পেজ বিশ্বাসের হারিয়ে ফেলেছেন।

    অর্থাৎ, এক দিনের মধ্যে ১০ লাখের বেশি অনুসারী এই ক্লাবটিকে আনফলো করেছেন। এই ঘটনার প্রভাব শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এর প্রভাব পড়েছে দেশের ক্রিকেটের পরিস্থিতিতেও। মুস্তাফিজকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা এখন তারকারা অংশ নেওয়া আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনাও এসে ঠেকিয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত বিশ্বকাপের সময়ে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয় দর্শকদের মুখোমুখি হতে চান না। আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যে একটি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের খেলাগুলো অন্যান্য দেশে আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি।

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদন মতে, বিসিবির এই আবেদন আইসিসির তরফ থেকেও দেখা जा Preis aandacht krijgt যা ইতিবাচক। তারা এই পরিস্থিতিকে নাকচ করেনি, বরং আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আশা করা হচ্ছে।

    এই বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষরা হলো ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান জটিল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিরাপত্তা উদ্বিগ্ন হয়ে আসন্ন আসরটি অন্য দেশে আয়োজনের জন্য চাপ দিচ্ছে।

  • বাংলাদেশের আপত্তির কারণে নতুন সময়সূচি বানাচ্ছে আইসিসি, জয় শাহের নেতৃত্বে

    বাংলাদেশের আপত্তির কারণে নতুন সময়সূচি বানাচ্ছে আইসিসি, জয় শাহের নেতৃত্বে

    নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতের ম্যাচগুলো খেলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নতুন সূচি তৈরি করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি আইসিসির কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠানোর পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

    দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমসসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের সূচি ফের সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি, এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে, বাংলাদেশকে নির্ধারিত তিনটি ম্যাচের venues পরিবর্তন করে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

    বিশেষ করে, কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আবুধাবিতে নিলামে মুস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেওয়া হলেও, কূটনৈতিক চাপ ও দেশটির অগ্রহণযোগ্য উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর চাপের কারণে কেকেআর তাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়।

    বিসিবি থেকে রোববার জানানো হয়, ‘নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা আইসিসির কাছে মুলতাব্যভাবে আবেদন করেছে, এই ম্যাচগুলো যেন ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়।’

    প্রায় এক মাসের মধ্যে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের তারিখ (৭ ফেব্রুয়ারি) আসছে, যার ফলে নতুন সূচি তৈরির প্রক্রিয়া আয়োজকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতা ওয়ার্ল্ড কাপের অন্তর্গত ছিল। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচসমূহ অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। আরও, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে নেপালের বিপক্ষে হওয়ার কথা ছিল।

    এদিকে, বিসিবি ইতোমধ্যে এই টুর্নামেন্টের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। এই ২০ দলের বিশ্বকাপের খেলা শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, শেষ হবে ৮ মার্চ, ভারতের বিভিন্ন ভেন্যু সহ শ্রীলঙ্কায় মোট আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।