Category: আন্তর্জাতিক

  • যুক্তরাষ্ট্রে চালু হলো ‘ট্রাম্প গোল্ড ভিসা’, সরাসরি নাগরিকত্বের পথ

    যুক্তরাষ্ট্রে চালু হলো ‘ট্রাম্প গোল্ড ভিসা’, সরাসরি নাগরিকত্বের পথ

    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভে আগ্রহী ধনী ব্যক্তিদের জন্য নতুন একটি ভিসা কর্মসূচি চালু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই ভিসার নাম ‘ট্রাম্প গোল্ড ভিসা’। গতকাল মঙ্গলবার, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল এ তথ্যটি প্রথম প্রকাশ করেছেন, এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এটি নিশ্চিতও করেছেন।

    ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে বলেন, “যোগ্য এবং যাচাইকৃত আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য দারুণ খবর! ট্রাম্প গোল্ড ভিসা চালু হয়েছে যা সরাসরি মার্কিন নাগরিকত্বের পথে যেতে সাহায্য করবে। এই ভিসা লাভকারী সুবিধা পাবেন মার্কিন কোম্পানিগুলোর মেধাবী কর্মীদের ধরে রাখতে।”

    মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই ভিসা পেতে আগ্রহীদের প্রথমে ট্রাম্পকার্ড ডট গভ নামক একটি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। সেখানে ‘অ্যাপ্লাই নাউ’ বোতামে ক্লিক করলে একটি আবেদনপত্র খুলবে। এই ফরম পূরণ করে জমা দেওয়ার জন্য প্রার্থীকে ১৫,০০০ ডলার (বাংলাদেশি মূল্যে প্রায় ১৮ লাখ ২১ হাজার ৯৬৪ টাকা) ফি দিতে হবে, যা আমেরিকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Department of Homeland Security) গ্রহণ করবে।

    আবেদন পাশের কাজ সম্পন্ন হলে প্রার্থীকে জানানো হয় এবং পরে ভিসার জন্য একবার চাহিদা হিসেবে ১০ লাখ ডলার (প্রায় ১২ কোটি ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩০০ টাকা) প্রদান করতে হবে। ট্রাম্পকার্ড ডট গভ ওয়েবসাইটে এই ‘চাঁদা’ উপহার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ট্রাম্প গোল্ড ভিসার মর্যাদা সংরক্ষিত থাকবে গ্রিন কার্ডের মতো, অর্থাৎ ভিসাধারী ব্যক্তিরা স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজের অনুমতি পাবেন।

    গতকাল, হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাংবাদিকদের বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “এই ভিসা মূলত একটি গ্রিন কার্ডের মতো, তবে এটি অনেক বেশি শক্তিশালী এবং নাগরিকত্ব লাভের জন্য উপযুক্ত।”

    বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক রয়টার্সকে জানান, ট্রাম্প কার্ড ডট গভ ওয়েবসাইটের প্রাক-নিবন্ধন পর্যায়ে ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার আবেদনকারী আবেদন করেছেন, এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন। তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, সময়সীমা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার এই কার্ড বিক্রি হবে এবং এর মাধ্যমে অনেক অর্থ আয় করা সম্ভব হবে।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণের পর থেকে দেশজুড়ে অভিবাসনবিরোধী অভিযান চলছে। হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার করে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে পাঠানো হয়েছে, চলমান রয়েছে আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযান।

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের নতুন এই গোল্ড কার্ড ভিসা অভিবাসনের নিয়মে কিছু ভারসাম্য আনার পাশাপাশি মার্কিন কোষাগারে বিপুল অর্থের আগমন নিশ্চিত করবে।

  • বেলুচিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় ২৩ আফগান সেনা নিহত

    বেলুচিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় ২৩ আফগান সেনা নিহত

    পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে আফগানিস্তান সীমান্তের চামান এলাকায় গত দুই দিন ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জন আফগান তালেবান সেনা নিহত হয়েছে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে রোববার (৭ ডিসেম্বর) দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাগুলো ঘটেছে শুক্রবার এবং শনিবার। এক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, শুক্রবার মধ্যরাতের দিকে সীমান্তের জামান সেক্টরে আফগান সেনারা প্রথমে ছোট ধরনের অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি চালানোর মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে। এরপর পাকিস্তানি সেনারা পাল্টা গুলি শুরু করে। প্রথমে হালকা অস্ত্রের ব্যবহারে তেমন গুষ্টি দেখা না গেলেও, প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি চলতে থাকে।

    পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তানি সেনারা ভারী অস্ত্র গ্রহণ করে। রকেট লঞ্চার, কামান ও ভারী গোলাবারুদ ব্যবহার করে হামলা চালানো হলে, আফগান তালেবান বাহিনীর তিনটি সীমান্ত চৌকি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

    সূত্রের মতে, সাধারণ আফগান নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘নির্ভুল অস্ত্র’ ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রথম দফার হামলার পর আফগান সেনারা জনবহুল এলাকায় অবস্থান নেয় এবং সেখানে থেকে গুলি চালায়। এর জবাবে পাকিস্তানি সেনারা ওই এলাকাতেও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে পাল্টা হামলা চালায়।

    অফিসিয়ালভাবে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে দ্য নিউজের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই সংঘর্ষে মোট ২৩টি আফগান তালেবান সেনা নিহত হয়েছে। ঘটনা বিষয়ে দুই পক্ষের কেউই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

  • থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সংঘর্ষে আবারো হতাহতের ঘটনা

    থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সংঘর্ষে আবারো হতাহতের ঘটনা

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি প্রতিবন্ধী দেশ, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া, দীর্ঘদিন ধরে চলমান সীমান্ত বিরোধের কারণে আবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে।Recent ঘটনা অনুযায়ী, কম্বোডিয়ার বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চলে থাইল্যান্ড নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন থাই সেনাবাহিনী।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উভয় দেশই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে। থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ উবন ręচাথানির কিছু এলাকায় ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে, যেখানে থাই সেনারা কম্বোডিয়ার দিক থেকে গুলির মুখে পড়েছেন। এর ফলে একজন থাই সেনা নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।

    অধিকাংশ তদন্তে দেখা গেছে, থাইল্যান্ড এখন বিভিন্ন এলাকায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালাচ্ছে। অপরদিকে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ করে জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরে উসকানিমূলক কার্যক্রম চালানোর পর সোমবার ভোরে দুই দেশের নিয়ন্ত্রণের বেশ কিছু স্থানে তাদের বাহিনীর ওপর বিমান হামলা চালানো হয়। তবে, তারা দাবি করেছে যে, কম্বোডিয়ার সেনারা কোন পাল্টা হামলা চালায়নি।

    উল্লেখ্য, চলতি বছর জুলাই মাসে সীমান্ত বিরোধের জের ধরে দুই দেশই পাঁচ দিন ব্যাপী ভয়াবহ যুদ্ধের মুখোমুখি হয়। এই সংঘর্ষের মধ্যে মধ্যে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উদ্যোগে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর, কুয়ালালামপুরে অক্টোবর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি ব্যাপক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ট্রাম্প নিজে উপস্থিত ছিলেন।

    জুলাই মাসের এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হয় এবং প্রায় তিন লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বাসস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই রকেট এবং ভারী কামান দিয়ে একে অপরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল। গত মাসে, একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে থাইল্যান্ডের এক সেনা গুরুতর আহত হওয়ার পর, থাইল্যান্ড ঘোষণা করে যে তারা কম্বোডিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির কার্যকারিতা স্থগিত রেখেছে।

    দীর্ঘ এই সীমান্ত বিরোধ, যা প্রায় ৮১৭ কিলোমিটার স্থলসীমান্তে বৈচিত্র্যপূর্ণ অংশে বিস্তৃত, একশোর বেশি বছর ধরে চলমান। এই সীমান্তের মানচিত্র প্রথম ১৯০৭ সালে চিহ্নিত হয়, যখন ফ্রান্স কম্বোডিয়াকে উপনিবেশ হিসেবে শাসন করত।

    বিরোধের এই দীর্ঘ ইতিহাসের মধ্যে মাঝে মাঝে সংঘর্ষ ও সহিংসতা দেখা যায়। সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ২০১১ সালে, যেখানে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে আর্মি আর্টিলারি গোলাবর্ষণ চলেছিল। সেই সময়, উভয় দেশই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করলেও, বিরোধ সমাধান এখনো পড়ে রয়েছেন।

  • যুদ্ধবিরতিতেও নিহত মানুষ, ইসরায়েলি লাশ গুমের অভিযোগ

    যুদ্ধবিরতিতেও নিহত মানুষ, ইসরায়েলি লাশ গুমের অভিযোগ

    গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সময়ে, পশ্চিম তীরের সংঘাতও নতুন করে জোরদার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন যে, গাজায় মার্কিন প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তুতি শেষ হয়ে এসেছে এবং খুব শিগগিরই তারা এই কঠিন অবস্থার মধ্যে ঢুকে পড়বে। তিনি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন। নেতানিয়াহু আরও জানান, বহুমুখী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে মাসের শেষের দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সমাধান খোঁজা হবে।

  • জাপানে আঘাত হেনেছে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সতর্কতা জারি

    জাপানে আঘাত হেনেছে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সতর্কতা জারি

    জাপানের উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো অঞ্চলে সোমবার রাতে শক্তিশালী ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে দ্রুতই দেশটির কর্তৃপক্ষ উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করেছে।

    জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পের ফলে উপকূলের কাছে প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামি আঘাত হেনেছে। হোক্কাইডো অঞ্চলে স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১১টায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার شدت বেশ শক্তিশালী। এর ফলে এখনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে উচ্চমাত্রার সুনামির জন্য।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে তিন মিটার (১০ ফুট) উচু সুনামি আঘাত হানতে পারে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, মিসাওয়া শহর থেকে ৭৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর দিকে ৭.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, এর উৎপত্তি হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫৩.১ কিলোমিটার গভীরে।

    ভূকম্পনের পরপরই হোক্কাইডো, আওমোরি ও ইওয়াতে প্রিফেকচারের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে উচ্চমাত্রার সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, রাত ১১টা ৪০ মিনিটের কাছাকাছি আওমোরি থেকে ইওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন বন্দর এলাকায় সম্ভাব্য সুনামির আঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এই ভূমিকম্পের ফলে এখনো হতাহত বা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর আসেনি, তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা অবলম্বন ও নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

  • হুমায়ুন কবীরের লাখো কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত ও বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঘোষণা

    হুমায়ুন কবীরের লাখো কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত ও বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে নতুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর এবার লাখো কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির। এটি বেশ আলোচনায় এসেছে,Especially as this announcement coincided with a অনুষ্ঠানে সংগীতায়োজনের দিনেই তিনি এই পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন।

    তিনি জানান, আগামী বছর হওয়ার বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মুসলিম ভোটারদের সমর্থন আরও জোরদার করতে তিনি এই কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজন করবেন। ফেব্রুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের কোনো এক স্থানে এক লাখ মুসল্লি নিয়ে কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজন করা হবে, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য খাদ্য ও পানীয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

    হুমায়ুন বলেন, ‘বিজেপি এখন হিন্দুত্বের নামে খেলাধুলা করছে না। তারা রাম মন্দিরের অজুহাতে ক্ষমতায় এসেছে। এখন বাংলায় তারা গীতাপাঠের মাধ্যমে মুসলিমদের দমন করার চেষ্টায়। আমি বলতে চাই, আগামী দিনে মুসলমানদের জন্য আরও বড় পরিসরে কোরআন পাঠের অনুষ্ঠান করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘সনাতন ধর্মের মানুষ গীতাপাঠ করেন, এটা আমি সম্মান করি। আমি বিশ্বাস করি, এই ধর্মের মানুষেরাও গীতাপাঠ করতে পারে। তবে আমার লক্ষ্য, মুসলিম ভোটারদের আরও বেশি করে সিট জয় করতে কোরআন পাঠের আয়োজন করব। লাখো মুসল্লি নিয়ে এই অনুষ্ঠান হবে যেখানে আমরাঅনেক হাফেজের মাধ্যমে কোরআন পাঠ করাবো। মুর্শিদাবাদের কোথাও বড় করে প্যান্ডেল বানিয়ে এই আয়োজন সম্পন্ন করা হবে।’

    এর পাশাপাশি, গত শনিবার উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের ভাঙচুরের ৩৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ২ নম্বর ব্লকের ছেতিয়ানি এলাকায় নতুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন হুমায়ুন কবির। এই নির্মাণের ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়লে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায়। আদালতের অনুমোদন পেয়ে শনিবার নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই পাভিচূর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাপক মুসল্লির সমাগম ঘটে, তবে সরকারিভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলেও এক দল দাবি করেছে, লক্ষাধিক মানুষ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অনেকে মাথা নিয়ে ইট নিয়ে এসেছেন।

    অন্যদিকে, দলের নিয়মের বাইরে গিয়ে এই কর্মকাণ্ডের জন্য হুমায়ুন কবিরকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে এই উদ্যোগ তৃণমূলের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে।

    তবে, হুমায়ুন কবির এসব বিষয়ে বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যে রামমন্দির নির্মাণ করেছেন, কিন্তু এই ঘটনায় মুসলিম সমাজ কোনো প্রতিবাদ করেনি। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন, বাবরি মসজিদ আবারও নির্মাণ হবে এবং এ কাজে কোনো শক্তিই বাধা দিতে পারবে না।

    অতAdding to this, তিনি জানান, বাবরি মসজিদের জন্য দানের সম্ভাবনা অনেক বেশি। সভাস্থলে রাখা ছিল ১১টি দানবাক্স, যেগুলো দুই দিনের মধ্যে পুরোপুরি ভর্তি হয়। এখন পর্যন্ত চারটি বাক্স এবং একটি বস্তা থেকে মোট দান সংগ্রহ করেছেন ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। পাশাপাশি অনলাইন দানের মাধ্যমে আরও প্রায় ৯৩ লাখ রুপি এসেছে। তিনি বলেন, মূল খরচ হবে প্রায় ৩০০ কোটি রুপি, যা সম্পূর্ণভাবে মুসল্লিদের দানের টাকা থেকে জোগাড় হবে। তিনি আরও জানান, একটি খ্যাতনামা শিল্পপতি ইতিমধ্যেই ৮০ কোটি রুপি দিচ্ছেন এই মসজিদ নির্মাণের জন্য।

    অতNotes that, ১৯৯২ সালে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনা ভারতের ইতিহাসে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত। এই ঘটনার ৩৩ বছর পূর্তিতে, এবার একই দিনে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৯০০

    ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৯০০

    ইন্দোনেশিয়ায় ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বর্ষণ এবং তার ফলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিকম্পজনিত ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে কমপক্ষে ৯১৬। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশের বিভিন্ন গ্রাম, শহর এবং উপকূলীয় এলাকাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখনো নিখোঁজ আছেন অন্তত ২৭৪ জন। এ তথ্য প্রকাশ করেছে রয়টার্স, প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে শনিবার।

    আচেহ প্রদেশের তামিয়াং জেলার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভয়াবহ বন্যার কারণে খাদ্য, পানি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সংকটে পড়েছেন তারা। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকার রাস্তা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

    তামিয়াং জেলার একটি ইসলামি স্কুলের ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী দিমাস ফিরমানসিয়াহ রয়টার্সকে বলেন, পুরো সপ্তাহ ধরে স্কুলের হোস্টেলে আটকা আছি। পানির সংস্থান ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্যার পানি পান করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানাচ্ছেন, সরকারি সহায়তা কেন্দ্র থেকে তারা খাবার ও পানির জন্য ব্যাপক ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।

    যদিও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তো গত কিছু দিন আগে বলেছিলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতিও সন্তোষজনক। তবে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশের কর্মকর্তারা এই বক্তব্যের সাথে একমত বিরত থাকেননি। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন।

    প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের পেছনে অনেকের অভিযোগ, বনজঙ্গল উজাড় ও অবৈধ খনি খননের ফলে পরিবেশের ক্ষতি বিস্তারিত হয়েছে। বিশেষ করে চীনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নর্থ সুমাত্রা হাইড্রো এনার্জি এবং স্বর্ণ খনির অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সঙ্গে এই বিপর্যয়ের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন পরিবেশবাদীরা। বেশিরভাগ কোম্পানি চীনের অর্থায়নে কাজ করছে।

    রয়টার্স স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এই দুই কোম্পানির প্রতিনিধিরা কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

    বন্যা, ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার এবং অন্যান্য মৌসুমি ঝড় ও ভারী বর্ষণের কারণে গত নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশ। পাশাপাশি ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩, শোক প্রকাশ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

    গোয়ার নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩, শোক প্রকাশ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

    ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্যটনরাজ্য গোয়ার একটি জনপ্রিয় নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনা ঘটে শনিবার রাত ১২টার দিকে, যখন ক্লাবের ভিতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আরব সাগরের তীরে অবস্থিত, গোয়ার উত্তরাঞ্চলীয় জেলা আরপোরা’র বাগা বিচে অবস্থিত ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নামের এই নাইটক্লাবটি সুপরিচিত পর্যটকদের মধ্যে।

    প্রাথমিক সূত্র অনুযায়ী, আগুনের সূত্রপাত হয় ক্লাবের রান্নাঘর থেকে, যেখানে একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং রাতের অন্ধকারে উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে খুব দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকারীরা বলছেন, বেশিরভাগ মরদেহ রান্নাঘর ও এর আশপাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে নিহতদের অধিকাংশই ক্লাবের কর্মচারী। পাশাপাশি কয়েকজন পর্যটকের দেহও উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়, তবে মনে করা হচ্ছে ৩ থেকে ৪ জন পর্যটকের দেহও এখানে থাকতে পারে। তাদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    রাজ্য পুলিশের কর্তাদের মতে, উদ্ধার অভিযান রোববার ভোর পর্যন্ত চলবে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, আগুন মূলত ক্লাবের রান্নাঘর ও প্রথম তলার মধ্যেই সংঘটিত হয় এবং নিহতদের বেশিরভাগই ওই স্থানেই ছিল।

    গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায়, ‘গোয়ার সব বাসিন্দাদের জন্য আজকের দিনটি খুবই দুঃখজনক। যারা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ক্ষতি।’ রাজ্য সরকার ইতোমধ্যে এই ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা অবহেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের উপযুক্ত আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে দুঃখের ছায়া নেমে এসেছে। তদন্ত চলছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

  • শিল্পপতি বাবরি মসজিদে গোপনে ৮০ কোটি টাকা দিচ্ছেন

    শিল্পপতি বাবরি মসজিদে গোপনে ৮০ কোটি টাকা দিচ্ছেন

    পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, গত ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩৩তম বর্ষপূর্তির দিনই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় একই নামে নতুন একটি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনার ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনুষ্ঠানমঞ্চে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা দেন, এক গোপন শিল্পপতি একটি অনুদান হিসেবে ৮০ কোটি টাকা দেবেন এই মসজিদের নির্মাণের জন্য। তিনি আরও জানান, বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মানের জন্য প্রাক্কলিত খরচা প্রায় ৩০০ কোটি টাকা, যা সম্পূর্ণ মুসলিম সমাজের দানের মাধ্যমে সংগৃহীত হবে। হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট করে বলেন, তিনি সরকারের কাছ থেকে কোন টাকা নেবেন না, কারণ এতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হতে পারে। তিনি আরও জানান, ওই শিল্পপতি তার নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন, তবে তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে ৮০ কোটি টাকা দিতে প্রস্তুত। বর্তমানে তার কাছে ২৫ বিঘা জমি রয়েছে, যেখানে তিনি পরিকল্পনা করছেন না শুধুমাত্র মসজিদ, বরং একটি ইসলামিক হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, হেলিপ্যাড এবং মুসাফিরখানা নির্মাণের। বাবরি মসজিদ পুনঃনির্মাণের এই ঘোষণা ও দলীয় মতের বিরোধী মন্তব্যের কারণে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে এই উদ্যোগ দলকে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলতে পারে। ১৯৯২ সালে ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় অযোধ্যায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়, যা বহু বছর ধরে হিন্দু-মুসলিম দলের মধ্যে বিবাদের কারণ। সেই ঘটনার বর্ষপূর্তির দিনে মুর্শিদাবাদের এই নতুন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর, যা নানা বিতর্কের সৃষ্টি করে। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় এই অনুষ্ঠানে সবার আগে ফিতা কেটে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তিনি। উপস্থিত মুসল্লিরা “নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার” স্লোগান দেন। তিনি বলেন, বাংলায় মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণের অধিকার রয়েছে, এবং এই বিষয়টি কোনও রাজনৈতিক রোষানলে পড়বে না। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি রাম মন্দিরের বিপরীতে দাঁড় করানোর জন্য নয়, বরং প্রয়োজন হলে সমালোচকদের উত্তপ্ত পরিস্থিতি আরও বাড়ানোর জন্য তুলে ধরা হচ্ছে। হুমায়ুন কবীর বলেন, বাংলা সব ধর্মের адамдарের জন্য শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল স্থান, এবং কোনও ব্যক্তি বা বাহিনী যেন এই মসজিদ নির্মাণে বাঁধা না দেয়, সেটা তিনি দৃঢ়ভাবে বলছেন। তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন, যেকোনো চাপ সত্ত্বেও এই মসজিদ নির্মাণ কাজ অটুট থাকবে।

  • বেনিনে অভ্যুত্থান চেষ্টা, সরকার বলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

    বেনিনে অভ্যুত্থান চেষ্টা, সরকার বলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

    আফ্রিকার দেশ বেনিনে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালানো হয়েছে। রোববার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভবন দখল করে একটি অংশের সেনাসদস্যরা ঘোষণা করে, তারা দেশটির প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালোনকে সরাতে চাইছেন। তবে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় দ্রুত নিশ্চিত করেছে যে, প্যাট্রিস তালোন নিরাপদে আছেন এবং পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    সেনারা টেলিভিশনে হাজির হয়ে বলেছে, তারা একত্রে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, প্যাট্রিস তালোন আর দেশের প্রেসিডেন্ট থাকছেন না। এই সেনা দলটি নিজেদের জানিয়েছে, তারা একটি নতুন সামরিক কমিটি গঠন করেছে, যার নাম মিটিলিটি কমিটি ফর রিফাউন্ডেশন (সিএমআর)।

    কিছুক্ষণ পরে প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট তালোন এখন নিরাপদ আছেন এবং সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনছে।

    ফরাসি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বেনিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আদজাদি বাকারি বলেছেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। তিনি আরও বলেছেন, একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা হয়েছে, তবে আশা করা যায় পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসছে।

    বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশ, রোববার সকালে বেনিনের রাজধানী কোটোনুর বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালোনের বাসভবনের কাছাকাছি ক্যাম্প গেজো এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়, যা আতঙ্কের সৃষ্টি করে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এই গুলি চালানো হয়েছিল নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, এবং অনেকে দ্রুত ঘরে আশ্রয় নেন।

    এর মধ্যেই সেনাবাহিনীর অর্ধেক অংশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উপস্থিত হয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণের দাবি জানায়। এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় লেফটেন্যান্ট কর্নেল তিগ্রি পাসকাল, বলেন তারা দেশের সমস্ত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিয়েছেন।

    ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ভবনের আশেপাশে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, বেনিনে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের দূতাবাস জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানিয়েছে, পরিস্থিতি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে।

    এসব তথ্য সূত্র হিসেবে কাজ করছে বিবিসি, রয়টার্স এবং আল-জাজিরা।