Category: আন্তর্জাতিক

  • পাকিস্তানে ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ সন্ত্রাসী মৃত্যুর রেকর্ড

    পাকিস্তানে ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ সন্ত্রাসী মৃত্যুর রেকর্ড

    পাকিস্তানে চলতি বছর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে কমপক্ষে ৩,৮২২ জন নিহত হয়েছেন। এটি হলো গত দেড় দশকে এক বছরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু, যা ২০১৫ সালের পর এই প্রথম ঘটলো। এই তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ পর্যবেক্ষক সংস্থা সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল (এসএটিপি)। বিষয়টি তুলে ধরে তারা জানিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে নিহতের সংখ্যা ২০১৫ সালের তুলনায় শতকরা ৭০.৯৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আনুমানিকভাবে পাকিস্তানের ইতিহাসে ২০১৪ সালই ছিল সবচেয়ে প্রাণহানি ঘট Raz়ের বছর। সে বছর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলার কারণে ৫,৫১০ জন নিহত হয়েছেন। এই বছর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পেশোয়ার শহরের একটি স্কুলে হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে নিষিদ্ধ সংগঠন টিটিপি আক্রমণ চালিয়ে ১৫০ জন নিহতের মধ্যে ১৩৪ জনই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন। এরপর ২০১৫ সালে সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মৃত্যুর হার আরও বৃদ্ধি পায় এবং সেই বছর ৩,৬৮৫ জন প্রাণ হারান।

    এর পরের বছরগুলোতে নিহতের সংখ্যা কমতে শুরু করলেও ২০২২ সাল থেকে ফের তা বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিছু বছর বিরতি নিয়ে এই সংখ্যাটি আবার চার অঙ্কে চলে আসে, এবং ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে। তালেবান সম্প্রতি আফগানিস্তানে সরকার গঠন করার পর থেকে সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের প্রদেশগুলো—বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও হামলার সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    খাইবার পখতুনখোয়া মূলত তালেবানপন্থি গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) ঘাঁটি। অন্যদিকে, বেলুচিস্তানে কাজ করে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ), যারা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ।

    একই সময়ে, ইসলামাবাদ ভিত্তিক থিংকট্যাংক সংস্থা, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (সিআরএসএস), জানিয়েছে, গত কিছু বছরের তুলনায় ২০২৫ সালের জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত তিন মাসে পাকিস্তানে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত সহিংসতার হার বেড়েছে ৪৬%।

    পাকিস্তানের সরকার অভিযোগ করে যে, তালেবান আফগানিস্তান থেকে সংগঠনের জন্য অস্ত্র ও প্রশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান এই অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করে আসছে।

  • মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে ৭২ বাংলাদেশিসহ ৪০২ জন অবৈধ অভিবাসী আটক

    মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে ৭২ বাংলাদেশিসহ ৪০২ জন অবৈধ অভিবাসী আটক

    মালয়েশিয়ার দুই রাজ্যে পৃথক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে আরও ৭২ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৪০২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্র জানায়, প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে জোহর রাজ্যের জোহর বাহরুর তেব্রাউ শিল্প এলাকায়, যেখানে একটি কম্পিউটার যন্ত্রাংশ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৩৫৬ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করা হয়। এই অভিযান শুরু হয় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে, শ্রমিকের অবৈধ নিয়োগের তথ্যের ভিত্তিতে।জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস বললেন, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষার জন্য কাজ করা সংস্থা একেপিএস-এর সহযোগিতায় জেআইএম জোহরের এনফোর্সমেন্ট শাখা এই অভিযান পরিচালনা করে। দেখা গেছে, অনেক বিদেশি কর্মী বৈধ ভ্রমণ নথি ও কাজের অনুমতি না থাকায় কারখানায় কাজ করছিলেন। তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় কয়েকজন বিদেশি পালানোর চেষ্টা করলে কিন্তু সব বহির্গমন পথ বন্ধ করে দেয়ায় তারা ব্যর্থ হন। এ ঘটনায় কারখানার মানবসম্পদ বিভাগ থেকে দুইজন স্থানীয় কর্মীকে আটক করা হয়েছে।তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৯৯ জন মিয়ানমারের, ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন ভারতীয়, তিনজন ইন্দোন্নেশীয়, দুইজন নেপালি এবং একজন করে পাকিস্তানি ও ফিলিপাইনের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ১৮ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে। দাতুক রুসদি জানিয়েছেন, কারখানাটিতে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সুসংগঠিত ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। সবাইকে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ ও বিধিমালা ১৯৬৩ অনুযায়ী সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।অপরদিকে, নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের নিলাই এলাকায় একটি লোহা কারখানায় পৃথক অভিযানে ৪৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। রাজ্য ইমিগ্রেশনের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং জানালেন, বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে চার ঘণ্টা রুদ্ধবিশেষ অভিযানে ২৬ জন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা অংশ নেন। এ সময় তারা ১১৭ জন ব্যক্তিকে যাচাই করেন এবং ১৮ থেকে ৪৩ বছর বয়সী ৪৬ জন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন অপরাধের জন্য আটক করেন। তিনি বললেন, ‘আটকদের বিরুদ্ধে বৈধ পাস ও ভ্রমণের নথি না থাকা ও নির্ধারিত সময়ের বেশি বাসস্থান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।’ এ সব ব্যক্তিকে লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। অভিযানে সরাসরি অংশ নেন সেরেমবান সিটি কাউন্সিল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও। পাশাপাশি, অবৈধ শ্রমিক নিয়োগের সঙ্গে জড়িত মালিকপক্ষের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে, যা শেষে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

  • বৃষ্টির পর হরমুজে মাটি হয়ে গেছে রক্তের মতো লাল

    বৃষ্টির পর হরমুজে মাটি হয়ে গেছে রক্তের মতো লাল

    ইরানের হরমুজ দ্বীপে বৃষ্টির পর এক অসাধারণ ও আকর্ষণীয় দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে পাহাড় থেকে ঝরানো воды যখন সমুদ্রে প্রবাহিত হচ্ছে, তখন দেখা যাচ্ছে মাটির রঙ রক্তের মতো লাল হয়ে গেছে। এই দৃশ্যটি যেন একটি চিত্রকলা বা প্রাকৃতিক ছবি, যা মনকে মুগ্ধ করে দেয়।

    এই লাল রঙের জন্য মূল কারণ হলো স্থানটির বিশেষ ভূতত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য। হরমুজ দ্বীপটি আইরন অক্সাইড বা লোহা অক্সাইডে সমৃদ্ধ। এই খনিজটি মূলত হেমাটাইট নামে পরিচিত, যা সেখানে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। জলবৃষ্টির ফলে যখন বৃষ্টির পানি আইরন সমৃদ্ধ মৃত্তিকা ভিজিয়ে তোলে, তখন এই আইরন অক্সাইডগুলো ভাঙতে শুরু করে এবং এগুলো পানি ও মাটির সাথে মিশে যায়। ফলে, জল ও মাটি লাল শোভিত হয়ে ওঠে।

    ভূতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপানির সময় এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফলে বৃষ্টির পানিও লালচে হয়ে যায়, যা এক অসাধারণ চিত্রের সৃষ্টি করে। এডিসিপি এবং রংধনু নামে পরিচিত হরমুজ দ্বীপটি তার এই অনন্য খনিজ গঠনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। উল্লেখ্য, মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠতলে প্রচুর পরিমাণে হেমাটাইট পাওয়া যায়, যা এই গ্রহকেও লাল রঙের করে তোলে।

    বৃষ্টির পানিতে জলরঙের এই পরিবর্তন মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। পরিবেশবিদরা নিশ্চিত করেছেন, এটি পরিবেশ দূষণের ফল নয়, কেবলমাত্র দ্বীপের প্রাকৃতিক খনিজ পদার্থের কারণেই এই এক বিশেষ রঙের দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    হরমুজ দ্বীপে পর্যটকের সংখ্যাও বেশ বেশি। পর্যটকেরা এই অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে সেখানে যান এবং এই রঙিন দৃশ্যের সৌন্দর্য উপভোগ করেন। এটি অবশ্যই একটি বিস্ময়কর প্রাকৃতিক ঘটনা যা আগ্রহীদের জন্য এক দারুণ দর্শন।

  • পাকিস্তানে বিশাল তেল ও গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত

    পাকিস্তানে বিশাল তেল ও গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত

    পাকistan ভারতের সমুদ্রসীমায় এক বিশাল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত পাওয়া গেছে। এই মজুত এত বড় যে এর সঠিক ব্যবহার দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকে এক বড় পরিবর্তনের পথে নিয়ে যেতে পারে। ডন নিউজ টিভিকে এক উচ্চপদস্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, এই সম্পদের সন্ধানে তিন বছরের একটি জরিপ চালানো হয়, যা একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সহযোগিতায় পরিচালিত। এই ভৌগোলিক জরিপের মাধ্যমে পাকিস্তান সফলভাবে তেল ও গ্যাসের অবস্থান নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের কাছে এই পাওয়া মজুতের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    নিরাপত্তা কর্মকর্তা আরও বলেছেন, এই উদ্যোগ অর্থনীতির সুনীল ক্ষেত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। দরপত্র ও অনুসন্ধানের জন্য প্রস্তাবনা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং শিগগিরই অনুসন্ধান কাজ শুরু হবে। তবে তিনি সর্তক করে বলেছেন, কূপ খনন ও তেল উত্তোলন করতে বেশ কিছু সময় লাগতে পারে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই সমুদ্রসম্পদ শুধু তেল ও গ্যাস নয়, আরওও অনেক মূল্যবান খনিজ ও উপাদান এখানে পাওয়া যেতে পারে। দ্রুত উদ্যোগ নিলে এবং পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।

    বিশ্লেষকদের আশংকা, এই আবিষ্কৃত সম্পদ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তেল ও গ্যাস মজুত হিসেবে স্থান পেতে পারে। বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে ভেনেজুয়েলা, যেখানে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎ পরিমাণ অপরিশোধিত শেল তেল পাওয়া যায়। সৌদি আরব, ইরান, কানাডা এবং ইরাক এই শীর্ষ তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলো দখল করে।

    ডন নিউজ টিভিকে এক সাক্ষাৎকারে ওগরা এর সাবেক সদস্য মুহাম্মদ আরিফ বলেন, এই ধরনের আবিষ্কার অনেক সম্ভাবনার দরজা খোলে, তবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয় যে সবই প্রত্যাশিত পরিমাণে পাওয়া যাবে। তিনি বলেছেন, এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—এটি উৎপাদনের পরিমাণ ও উত্তোলনের হার নির্ভর করবে। যদি গ্যাসের মজুদ হয়, তবে এটি এলএনজি আমদানির বিকল্প হতে পারে। আর যদি তেলের মজুত হয়, তবে আমদানির উপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারবে।

    তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্ভাবনা বাস্তবায়ন হবে যখন জলযান ড্রিলিং শুরু হবে এবং মজুতের সঠিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হবে। এই কাজে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে এবং কাজ শেষ হতে TIME লাগবে চার থেকে পাঁচ বছর।

  • অং সান সু চির মৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা জাতির মধ্যে

    অং সান সু চির মৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা জাতির মধ্যে

    মিয়ানমারের কারাবন্দী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সু চি শিগগিরই মারা যেতে পারেন—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার কনিষ্ঠ পুত্র কিম অ্যারিস। ২০২১ সালে দেশের ক্ষমতা জোরপূর্বক নিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে সু চি-কে আড়ালে রাখা হয়েছে। আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে তার ছবিগুলো প্রকাশ হলেও, তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম অ্যারিস বলেন, তিনি তার ৮০ বছর বয়সী মায়ের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরে যোগাযোগ করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ২০২১ সালে তার মা আটকের পর থেকে সু চির হৃদপিণ্ড, হাড়, এবং মস্তিষ্কের কিছু তথ্য পান তিনি, যা এই নেত্রীর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কিম অ্যারিস দাবি করেন, ‘তার (সুচির) স্বাস্থ্যগত সমস্যা চলমান। দু’বছর ধরে কেউ তাঁকে দেখেনি। এমনকি আইনি পরামর্শদাতাদের সঙ্গেও যোগাযোগের অনুমতিও দেয়া হয়নি। আমি সন্দেহ করি—তিনি ইতোমধ্যে মারা গেছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার ধারণা, মিন অং হ্লাইংয়ের (মিয়ানমারের জান্তা নেতা) মায়ের জন্য নিজস্ব একটা এজেন্ডা রয়েছে। তিনি চাইবেন—সরকারের গৃহবন্দী বা মুক্তি দিতে, এভাবে জনমত নিয়ন্ত্রণ করতে। আমি মনে করি, সু চির মুক্তির জন্য এই অচলাবস্থা ব্যবহৃত হচ্ছে।’ কিম অ্যারিস বলেন, তাঁর ধারণা, রাজধানী নেপিদোতে সু চি আটকে রয়েছেন এবং শেষবারের মতো তার কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে তিনি গরম এবং ঠাণ্ডার মধ্যে তার কক্ষের তাপমাত্রার বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত বাড়তে থাকায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায়, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, সামরিক বাহিনী নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে—যা সম্পূর্ণ অন্যায়। তিনি বিদেশীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেন তারা আরও জোরদার মনোভাব নিয়ে জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং মায়ের মুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মিয়ানমারের একজন সরকারী মুখপাত্র এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ফোন করেছেন—কিন্তু সাড়া পাননি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নির্বাচনে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক জয়লাভ করলেও, জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালে সেনাবাহিনী কোনও নির্বাচন না কাড়ে অং সান সু চির সরকারকে উৎখাত করে। এরপর থেকে তাকে আটক রাখার পাশাপাশি, নির্বাচনী জালিয়াতি, রাষ্ট্রদ্রোহ, ঘুষচুরির মতো বিভিন্ন অভিযোগে তাকে ২৭ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি করা হয়েছে। তবে, অং সান সু চি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

  • বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

    বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

    বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের লড়াইয়ের মাধ্যমে। এই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনীও যোগ দেয়, যার ফলে ১৬ ডিসেম্বর ভারতের জন্যও একটি বিজয় দিবস হিসেবে রূপ নেয়। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের, কারণ এ দিনেই বাংলাদেশের জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা লাভ করে।

    আজ ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসের কথা উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এটি যেন শুধুমাত্র ভারতের বিজয়ের দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম আসে না। মোদি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে আমরা আমাদের সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যারা ১৯৭১ সালে তাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ভারতের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাদের দৃঢ় মনোবল ও নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশের রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই বীরোচিত কর্মকাণ্ড ভারতীয় প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকে।”

    এর আগে ভারতের সেনাবাহিনীও বিজয় দিবসের পক্ষে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “বিজয় দিবস শুধু একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।”

    সেনারা আরও বলেন, “এটি ছিল সেই বিজয় যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই বিজয় শুধু সামরিকই নয়, এটি ইতিহাসের ঐতিহাসিক গৌরবের একটি অংশ। ভারতের এই জয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনায় জাতিকে নতুন করে স্ববিরোধী করে তুলেছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে নতুন এক সূচনাকে চিহ্নিত করেছে।

    ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও উল্লেখ করে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নানা নৃশংসতা, অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতা চালিয়েছিল, এই যুদ্ধ সেই সমস্ত অবসান ঘটিয়েছে।”

  • সৌদি আরবে এক বছরে রেকর্ড ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরবে এক বছরে রেকর্ড ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    সৌদি আরব এক বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত দেশটিতে ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার আরও তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার খবর জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই খবর প্রথম প্রকাশ করে দুবাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি। এটি দ্বিতীয় বছর লাগাতার সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা বৃদ্ধির ঘটনা, যা অতীতে কখনো ঘটে নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশকের পর থেকে মৃত্যুদণ্ডের এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে দেশটিতে ৩৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল যেখানে বর্তমানে সংখ্যা তা ছাড়িয়ে গেছে।

  • নির্যাতনের শিকার নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদি বিশ্রামে যান

    নির্যাতনের শিকার নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদি বিশ্রামে যান

    ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নার্গেস মোহাম্মাদিকে গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার করার পর মারধরের ঘটনা ঘটেছে, যার ছবি ও খবর তার পরিবার নিশ্চিত করেছে। ৫৩ বছর বয়সী এই মানবাধিকার কর্মী, যিনি ইতিমধ্যে এক দশকের বেশি সময় কারাগারে থাকেন, গত সপ্তাহে মাশাদ শহরে একটি স্মরণসভায় অংশ নেওয়ার সময় স্বাভাবিক পোশাক পরে ছিলেন। তখনই সাদামাটা পোশাকধারী এজেন্টরা তাকে ঘিরে ধরে মাথা ও ঘাড়ে একের পর এক আঘাত করে। এর ফলে মোহাম্মাদিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তার পরিবার জানান। এই ঘটনায় আরও দুইজন মানবাধিকার কর্মীও আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

    নার্গেস মোহাম্মাদি ইরানের ডিফেন্ডারস অব হিউম্যান রাইটস সেন্টারের উপ-সভাপতি এবং ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত। তিনি ১৩ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ জন এজেন্ট তাকে মারধর করে এবং একই সময়ে আরও কিছু মানবাধিকার কর্মীকেও আঘাত করা হয়।

    অভিযোগ করা হয়েছে যে, মোহাম্মাদির উস্কানিমূলক মন্তব্য ছিল এবং তিনি ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে সংযোগের অভিযোগে অভিযুক্ত। তবে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অফিসিয়াল কোনো সরকারি ঘোষণা জানানো হয়নি।

    নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি, চলচ্চিত্রকার জাফার পনাহি, মোহাম্মদ রাসুলফ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা এই মারধরের ঘটনাকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা মোহাম্মাদির অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছেন এবং ইরানে মানুষের স্বাধীনতা ও সরকারের জবাবদিহিতার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

  • থাইল্যান্ডে কারফিউ জারি

    থাইল্যান্ডে কারফিউ জারি

    দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রাত প্রদেশে সম্প্রতি কারফিউ ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ড। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত সীমান্ত অঞ্চল কুরা, কোহ কং এবং অন্যান্য উপকূলীয় এলাকায় কম্বোডিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘর্ষের কারণে। খবর রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এই সংঘর্ষের সূত্রপাত গত সপ্তাহে এবং এর ফলে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

    উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা একটি সেতু ধ্বংস করেছে কারণ দাবি করে যে, কম্বোডিয়া ওই সেতু ব্যবহার করে ভারী অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। অন্য দিকে, কম্বোডিয়া অভিযোগ করে, থাইল্যান্ড বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে।

    কারফিউটি নতুন করে কার্যকর করা হচ্ছে কোহ কং প্রদেশের পাঁচটি জেলায়। তবে পর্যটন কেন্দ্র অর্থাৎ কোহ চ্যাং ও কোহ কুড এই কারফিউর আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়াও, আগে থেকেই ত্রাত প্রদেশে কারফিউ চলছিল, যা এখনো বহাল রয়েছে।

    গত সোমবার থেকে এই সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। একদিকে, এই সীমান্তে ভারী অস্ত্রের গোলাবারুদ ব্যবহৃত হয়েছে, যা আগস্টের পর সবচেয়ে তীব্র লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেদিন দুই দেশের সেনারা একে অন্যের মোকাবেলায় কঠোর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।

    উল্লেখ্য, জুলাই মাসে পাঁচ দিনের এই সংঘর্ষে মে’মাসে শান্তির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সমঝোতা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    একই সময়ে, গত শুক্রবার ট্রাম্প থাইল্যান্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চান্ভিরাকুল এবং কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তারা সব ধরনের গোলাগুলি বন্ধের বিষয়ে একমত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    অন্যদিকে, শনিবার অনুতিন ঘোষণা দেন, ‘আমাদের ভূমি ও জনগণের প্রতি হুমকি এখনও বিদ্যমান থাকায় লড়াই বন্ধ হচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি শান্ত হলে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ এই মুহূর্তে চলমান সংঘর্ষ ও উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে হামলায় অন্তত ১০ নিহত

    অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে হামলায় অন্তত ১০ নিহত

    অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতেও ভয়ঙ্কর এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আরও এক ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যার দিকে এলোপাতাড়ি গুলির মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    দেশটির পুলিশ একথা জানিয়ে বলেছে, বন্ডি সমুদ্র সৈকতের এই ঘটনাতে নিহতের মধ্যে একজন হামলাকারীও রয়েছেন, বাকি সবাই সাধারণ মানুষ। আহতদের সংখ্যা ১২ জনের বেশি। আপাতত তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে অনেকই গুরুতর। গুলির পর ঘটনাস্থলে পৌঁছানো বেশকিছু পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটক করা হয়েছে একজন হামলাকারীকে।

    নিউ সাউথ ওয়েলস অ্যাম্বুলেন্স বিভাগের এক মুখপাত্র বলেন, গোলাগুলির পরে ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই ঘটনা দেখিয়ে বলেছেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, ‘জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’

    এবিসি নিউজের প্রচারিত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, রক্তাক্ত বেশ কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে মাটিতে পড়ে থাকতে। দেশের জনপ্রিয় এই সমুদ্রসৈকতে ঘটনার সময় অনেক মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা হ্যারি উইলসন বলেন, ‘আমি অন্তত ১০ জনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছি, চারদিকে রক্তের দাগ ছড়িয়ে রয়েছে।’

    উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী হামলার এই ঘটনায় বিশ্বে শোকের ছায়া পতিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নেতারা এর নিন্দা জানিয়ে দ্রুত অপরাধীদের শাস্তির দাবি করেছেন। همچنین, ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, হনুকা উৎসবের প্রথম মোমবাতি জ্বালানোর জন্য সমুদ্র সৈকতে যাওয়া ইহুদি জনগোষ্ঠীর ওপর এই জঘন্য হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক।

    অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকত বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং দর্শনীয় পর্যটক কেন্দ্র। সাধারণত গরমের সময় রাতে এটি হাজার হাজার পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ থাকে। এই ঘটনার পর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    সূত্র: এবিসি নিউজ, রয়টার্স।