ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপোলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) নিয়ে আসা হয়েছে। এই কারাগারটি পূর্বে ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল ও পিডিডির মতো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের আটক স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সময় শনিবার ভোরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর থেকে তাকে হেলিকপ্টারে করে ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়ার জন্য রওনা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রথমে তাকে নিউইয়র্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ডিইএ) কার্যালয়ে হাজির করা হয়। মাদুরো বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে। তবে তিনি পূর্বে থেকেই এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন, বলছেন তিনি কোনো মাদক চক্রের অংশ নন। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তাকে এবং তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে, তবে এখন পর্যন্ত তাদের উপস্থিতির দিনক্ষণ নিশ্চিত হয়নি। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে ‘এমডিসি’ কারাগারেই তাকে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যতক্ষণ না তিনি মাদুরো ও অস্ত্র ও মাদক চুরির মামলায় শুনানির মুখোমুখি হন। মাদুরোসহ তার স্ত্রীর বর্তমান অবস্থা বা কোথায় রাখা হয় তা নিয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এই কারাগারটি নিউইয়র্কের একমাত্র ফেডারেল কারাগার হিসেবে পরিচিত ও অত্যন্ত ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মনোযোগ লাভ করেছে। পরিবেশের অবস্থা খারাপ, সহিংসতা প্রবণতা এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে এই ডিটেনশন সেন্টার বিষয়ে। হোয়াইট হাউসের র্যাপিড রেসপন্স অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলার নেতাকে একটি করিডোরে escort করছেন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মার্কিন সেনারা শোবার ঘর থেকে এসে মাদুরো ও তার স্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি চালান করে তুলে নিয়ে যান।
Category: আন্তর্জাতিক
-

ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে শনিবার অপহরণের পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে সতর্ক করেন। এর পরেই কলম্বিয়ার সীমান্তে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট। খবর এএফপি ও সিএনএন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভেনেজুয়েলার নেত্রী নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে, যা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার এই দাবিের প্রেক্ষিতে, পেত্রো ভেনেজুয়েলাবিরোধী চাপের মুখে অবস্থান নিয়েছেন এবং নিজ দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে সীমান্তে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন।
পেত্রো এ সতর্কতার মাধ্যমে বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হস্তক্ষেপ লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। তার ভাষায়, এর ফলে মানবিক সংকট আরও গভীর হতেই পারে। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান সম্ভব হলেও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নিরাপত্তা বলয় আরও জোরদার করতে দিশা দেখানো হয়েছে।
অপরদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার বিষয়ে কিছু না বললেও, তিনি অঞ্চলটিতে তার সরকারের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। সার্বিক পরিস্থিতিতে, কলম্বিয়ায় মার্কিন সেনা অভিযান চালানোর আভাসও দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ভেনেজুয়েলার নেতাকে গ্রেফতারের জন্য শক্তিশালী সতর্কবার্তায় দিয়েছেন।
ট্রাম্পের ভাষায়, কলম্বিয়ায় অনেক কারখানা রয়েছে, যেখানে কোকেন তৈরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হচ্ছে। তাই, কলম্বিয়াকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এই সকল ঘটনা লইয়ে আন্তর্জাতিক জলতরঙ্গের গভীর উদ্বেগ ও সতর্কতা বাড়ছে।
-

ভেনেজুয়েলার নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ
মার্কিন বাহিনীর অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট Nicolás Maduroকে আটক করার ঘটনার জের ধরে, ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার প্রকাশিত এই আদেশে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট Maduroর অনুপস্থিতিতে সরকার চালাতে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রদ্রিগেজকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ঘটনায় দেশটির আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়।
সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব নিরাপদ রাখতে এই আইনি ব্যবস্থা জারি করা হয়। আদালত আরও জানায়, কতদিন এই দায়িত্ব থাকবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও গ্যাং সদস্য পাঠাচ্ছে। এই অভিযোগের জের ধরে, গতকাল ভেনেজুয়েলে মার্কিন সেনারা অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট Maduro এবং তার স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। তাদেরকে ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে ‘আমেরিকান বিচারকার্যের মুখোমুখি’ করার প্রস্তুতি চলছে, জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মাদুরোর আটক শতӯш পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের এক সভায় ডেলসি রদ্রিগেজ মাদুরো আটক হওয়ার ঘটনায় ইসরায়েলকে কিছুটা দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সরকারগুলো এই হামলার ঘটনায় হতবাক, এটি নিঃসন্দেহে জায়নিস্ট ইঙ্গিত রয়েছে। এটা সত্যিই লজ্জাজনক।’
অপর দিকে, হোয়াইট হাউসের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ) এর ভেতর দিয়ে মাদুরোকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভেনেজুয়েলার জন্য ‘লেভেল–৪: ভ্রমণ করবেন না’ সতর্কতাও জারি করেছে।
ডেলসি রদ্রিগেজ সম্পর্কে জানা যায়, তিনি ভেনেজুয়ের সমাজতান্ত্রিক সরকারের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই মাদুরোর কাছাকাছি ছিলেন, আর মাদুরো তাকে ‘টাইগার’ বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি তার ভাই হোর্হে রদ্রিগেজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন, যিনি বর্তমানে জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট।
ডেলসি রদ্রিগেজ ১৯৬৯ সালের ১৮ মে ক্যারাকাসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লিগা সোশ্যালিস্তা নামে বামপন্থী গেরিলা ও বিপ্লবী দলটির প্রতিষ্ঠাতা জর্জে আন্তোনিও রদ্রিগেজের মেয়ে। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন।
২০১৩-২০১৪ সালে তিনি যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৪-২০১৭ সালে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও কাজ করেছেন। ২০১৭ সালে কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি’র প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান, যা মাদুরো সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০১৮ সালে তাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
বর্তমানে, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি অর্থ ও তেলখাতের দায়িত্বে রয়েছেন, এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের আগস্টে তাকে তেল মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।
-

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের শোক প্রকাশ
বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের রাণী সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এবং যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো শোক বার্তাগুলোতে এই অনুভূতি জানানো হয়।
বাদশাহ সালমান তার বার্তায় বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে গ্রহণ করেছি। এই শোকের মুহূর্তে আমরা বাংলাদেশের জনগণ ও মরহুমার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও সহানুভূতি প্রকাশ করছি। আমি প্রার্থনা করি, আল্লাহ تعالى যেন তাকে অসীম রহমত ও ক্ষমার চাদরে ঢেকে রাখেন, জান্নাতে তার জন্য উচ্চ স্থান নির্দেশ করেন এবং আপনাদের সবাইকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেন। নিশ্চয়ই আমরা সকলেই আল্লাহরই কাছে প্রত্যাবর্তনকারী।’
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও তার শোক বার্তায় উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। এই দুঃখজনক সময়টি উপলক্ষে আমরা আপনাদের ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি প্রার্থনা করি, আল্লাহ তাকে তার রহমত ও ক্ষমার চাদরে ঢেকে রাখুন, জান্নাতে আরোহণের স্থান দান করুন এবং আপনাদের সবাইকে সব ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন। তিনি তার শ্রোতা ও প্রার্থনা কবুলকারী।’
খালেদা জিয়া এক চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এর পর翌দিন, ৩১ ডিসেম্বর, লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জিয়াউর রহমান উদ্যানে তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এ্যাভিনিউ সংলগ্ন বৃহৎ এলাকায় খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
-

নিউইয়র্কের নতুন মেয়র মামদানির সামনে চারটি বড় চ্যালেঞ্জ
২০২৬ সালের প্রথম দিনটি ছিল তীব্র শীতের মধ্যে হাজারো উচ্ছ্বসিত নিউইয়র্কবাসী ও প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট মিত্রদের উপস্থিতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই দিন নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে শপথ নেন জোহরান মামদানি, যিনি শহরের ভবিষ্যৎকে নতুন করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শহরের জন্য তিনি একটি নতুন গল্প বলার অঙ্গীকার করেন।
নিজের অভিষেক ভাষণে মামদানি বলেন, সিটি হলের সিদ্ধান্তগুলো যেন জনসম্পৃক্ত ও জনগণের মতো করে নেওয়া হয়। তাঁর লক্ষ্য হলো শহরে নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী জীবনযাপন ও সমৃদ্ধির উন্নয়ন, যেখানে সরকার হবে সাধারণ মানুষের সেবা ও প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে। তিনি মন্তব্য করেন, শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে তিনি সর্বজনীন শিশু যত্ন, বিনামূল্যের গণপরিবহন এবং সিটি পরিচালিত মুদি দোকানের মতো বৃহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
তবে এই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে মামদানিকে। প্রথমদিকে, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে হবে, কারণ বিশাল ও জটিল নিউইয়র্ক শহর প্রয়োজন সর্বাত্মক সহযোগিতা। পল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও জননীতি বিভাগের অধ্যাপক প্যাট্রিক ইগান বলেন, মামদানি তার সমস্ত রাজনৈতিক শক্তি ব্যবহার করবেন, তবে সব কিছুই কি সম্ভব হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
প্রথমত, বাজেটের সমস্যা এবং অর্থায়ন: মামদানির মূল লক্ষ্য হলো জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো। এর মধ্যে রয়েছে ভর্তুকিপ্রাপ্ত বাসভবনে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ও বিনামূল্যের শিশু যত্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিতেই পারবেন, যেমন ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডে প্রভাবশালী সদস্য নিয়োগ। তবে রাজ্য ও সিটির বাজেট ঘাটতি থাকায় বড় প্রকল্পগুলো নির্দয় অর্থায়নের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট শ্যাপিরো বলেন, বিনামূল্যের বাস ও শিশু যত্নের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের প্রয়োজন এবং সেই অর্থ সংগ্রহের মূল চাবিকাঠি হলো রাজ্যের আর্থিক সক্ষমতা ও গভর্নরের আকাঙ্ক্ষা।
তাহলে, ধনীদের ওপর নতুন কর আরোপের মাধ্যমে অর্থ তোলার পরিকল্পনা করেন মামদানি, তিনি বলেছিলেন, ধনীদের ওপর কর বাড়িয়ে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা সম্ভব। করপোরেট করহার বাড়ানো হয়ার পরিকল্পনা থাকলেও, এই উদ্যোগে রাজ্য গভর্নর ক্যাথি হকুলের সমর্থন দরকার। বর্তমানে তিনি কিছুটাই সহমত নয় বলে ইঙ্গিত দেন।
দ্বিতীয়ত, হোয়াইট হাউজের হস্তক্ষেপ এড়ানো: নির্বাচনের আগে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ও সংবাদ সম্মেলনে মামদানিকে কমিউনিস্ট বলে আক্রমণ করেন এবং শহরের ফেডারেল অর্থ সহায়তা বন্ধের হুমকি দেন। তবে নির্বাচনের পর ট্রাম্প ও মামদানির প্রথম সাক্ষাৎ শান্তিপূর্ণ ছিল। ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মামদানির কাজের ওপর আশাবাদী। তবে, বিভিন্ন নীতিতে দুইজনের ভিন্নমত ভবিষ্যতে সংঘাতের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে অভিবাসন ইস্যুতে। নিউইয়র্কে ট্রাম্প এখনো ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেননি, কিন্তু শহরে অভিবাসনবিরোধী অভিযান বাড়ছে।
তৃতীয়ত, ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা: জুনের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানির অপ্রত্যাশিত বিজয় someWall Street নেতাদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। কিছু ব্যবসায়ী শহর ছাড়ার হুমকি দেয়, আবার কেউ কেউ অন্য প্রার্থীদের পক্ষে বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। তবে, মামদানির জয় দৃঢ় থাকায় পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং জেপি মরগ্যান চেসের সিইও জেমি ডাইমনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার প্রতিশ্রুতি দেন, যারা বলেছেন তিনি সহযোগিতা করতে চান। তবে অনেকের সন্দেহ, তাঁর অভিজ্ঞতা কম, তাই কর বাড়ালে ধনী ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো হয়তো শহর ছাড়তে পারে।
চতুর্থত, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করণ: অপরাধ কমানো এবং শহরকে নিরাপদ করে তোলা প্রতিটি মেয়রের জন্য অপরিহার্য। কোভিড মহামারির সময় অপরাধের হার বেড়েছিল, তবে ২০২৫ সালে হত্যা ও গুলির ঘটনা রেকর্ড নিম্নে এসে দাঁড়ায়। এ পরিস্থিতি মামদানিকে সমাজসেবা ও সহায়তা ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন ভাবনা ভাবার সুযোগ করে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তিনি কমিউনিটি সেফটি বিভাগ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা মানসিক স্বাস্থ্য ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে। সাবওয়ে স্টেশনে সামাজিক কর্মী মোতায়েনের পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেছে, এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। শহরের পুলিশিং ও ছোটখাটো অপরাধ দমনই মূলত সফলতার মূল চাবিকাঠি বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। হাওয়ার্ড উলফসন বলেন, যদি মানুষ নিরাপদ বোধ করে, তারা অন্যান্য সমস্যাগুলোও সহ্য করবে। আর নিরাপত্তা যদি না থাকে, তবে অন্য যেকোনো চ্যালেঞ্জ তারা মানবে না।
-

৫০০ দিনের কম সময়ের মধ্যেই শুরু হতে পারে রমজান
পবিত্র রমজান মাস অনেক কাছের বিষয়। মহিমান্বিত এই মাসের আগমন এখন শতকেরও কম সময় দূরে। এ বছর রমজান শুরু হবে ফেব্রুয়ারির মধ্যভাগে। মহাকাশের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারিই হতে পারে রমজানের প্রথম দিন। এর অর্থ, মাত্র ৪৬ দিনের মাথায় শুরু হবে ১৪৪৭ হিজরি বছরটির পবিত্র এই মাস। তাঁরা আরও বলছেন, এ সময়েই উদযাপিত হতে পারে ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ, যা সম্ভবত ২৭ মে হতে পারে। খবর সূত্র: দ্য ন্যাশন।
-

ভেনেজুয়েলার কারাকাসে একের পর এক বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় শেষ রাতে ও ভোরের দিকে রাজধানীর প্রধান সামরিক ঘাঁটির বিভিন্ন অংশে সম্প্রতি বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। সামরিক স্থাপনাগুলোর কিছু অংশে প্রবল আগুন জ্বলে উঠে এবং সেখানে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিস্ফোরণগুলো মূলত কারাকাসের দক্ষিণে অবস্থিত ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি ফরচুনা থেকে এসেছে। আল জাজিরার প্রতিনিধি লুসিয়া নিউম্যান জানিয়েছেন, গত রাত থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত ফরচুনার ভেতর ও তার আশপাশে দফায় দফায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে চলেছে।
বিস্ফোরণের ফলে সেই এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। নিউম্যান বলেছেন, “ফরচুনা ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। আমরা এখন পর্যন্ত জানাতে পারছি না, এই বিস্ফোরণের পেছনে কী কারণ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত মেক্সিকোতে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। আবার অনেকে বলছেন, প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে সরানোর জন্য দেশটির আভ্যন্তরীণ শক্তি বা সেনাবাহিনী সরকারবিরোধী নাশকতা চালাচ্ছে। তবে, এখানো পুরো সত্য pieces তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, এই বিস্ফোরণে কারাকাসের আশপাশের এলাকাগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আল জাজিরার প্রতিনিধির কাছে একথা জানিয়ে নিউম্যান বলেছিলেন, “ফরচুনা ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর মূল ঘাঁটিপ্রধান। এখন পর্যন্ত এই বিস্ফোরণের প্রকৃত কারনে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এর পেছনে রাজনৈতিক বা সামরিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।”
অন্যদিকে, কারাকাসে এই ঘটনাক্রমের খবর পেয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের সাথে যোগাযোগ করে। তবে পেন্টাগনের কোনো কর্মকর্তা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বিভিন্ন সময়ে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর পক্ষে কথা বলেছেন। বিশেষ করে ২৯ ডিসেম্বর তিনি বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অবিলম্বে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে এবং দেশ ছেড়ে চলে যেতে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে যখন ট্রাম্প প্রথমবারের মত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন, তখন থেকেই তিনি ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্টকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতেন। দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনার পরও তার ভেনেজুয়েলার ব্যাপারে মনোভাব পরিবর্তিত হয়নি।
অতঃপর, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সময়ে ভেনেজুয়েলার ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে তিনি ঘোষণা দেন, বেশ কিছু ভেনেজুয়েলার ট্যাংকার জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জাহাজগুলোকে দেশের বন্দরে প্রবেশ বা থেকে বের হওয়ার সময় জব্দ করা হবে।
নির্বাচনের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার চারটি ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করেছে, যা মূলত তেল রপ্তানি কাজে ব্যবহৃত হতো। এইসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ওিং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা
-

মেক্সিকোয় ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ২, ব্যাপক নিখোঁজ ও ক্ষয়ক্ষতি
মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি এবং প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় সম্প্রতি শক্তিশালী ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রভাবে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। এর পাশাপাশি, এর কেন্দ্রের কাছাকাছি ছোট এক শহরে মাঝারি ধরনের ক্ষয়ক্ষতি দেখানো হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, এই ভূমিকম্প স্থানীয় সময় ভোর ৮টার ঠিক আগে আকাপুলকো এলাকায় আঘাত হানে। আকাপুলকো দরিদ্র এক গুরুত্বপূর্ণ বন্দরের পাশাপাশি জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত হিসেবে পরিচিত।
আন্দোলনের কম্পন প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মেক্সিকো সিটিতেও অনুভূত হয়। সেখানে সতর্কতামূলক অ্যালার্ম বাজায় স্থানীয় প্রশাসন, ফলে রবিবারের ছুটির দিনে মানুষ আতঙ্কে রাস্তায় নেমে আসে।
মেক্সিকো সিটির একটি সূত্র জানায়, করোনার পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় তলার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পড়ে গিয়ে প্রাণ হারান। শহরটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, এ ঘটনায় আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাম তাঁর নিয়মিত সকালবেলার সংবাদ সম্মেলন চলাকালে প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস থেকে জরুরি ভিত্তিতে বহিষ্কার হন।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে। প্রেসিডেন্ট শেইনবামের ভাষ্য, ওই ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদের কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তবে সান মার্কোসের আকাশে ধ্বংসের ছাপ স্পষ্ট মনে হচ্ছে।
গুয়েরেরোর গভর্নর এভেলিন সালগাদো জানান, একটি পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী তাঁর বাড়ি ধসে পড়ে প্রাণ হারান।
সান মার্কোসের মেয়র মিসায়েল লোরেনসো কাস্তিয়ো জানিয়েছেন, প্রায় ৫০টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অধিকাংশ বাড়িতেই ফাটল দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এক সংবাদদাতাকে বলে, তাদের বাড়ির দেয়ালে অনেক ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। একজন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা রোগেলিও মোরেনো নিজের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, সান মার্কোস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুরোপুরি বিপর্যস্ত।
এই দুর্যোগের প্রভাব নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও স্পষ্ট হবে। সূত্র: এএফপি
-

দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক জোরদার করতে খালেদা জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয়
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনে গিয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে খালেদা জিয়ার জন্য রাখা শোক বইয়ে নিজের মন্তব্য ও স্বাক্ষর করেন এবং তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
রাজনাথ সিং বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, তা চিরস্থায়ীভাবে স্মরণীয় থাকবে। তিনি লেখেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তার এই অসামান্য অবদান সব সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অঙ্গীকার থাকবে।
এর আগে, বাংলাদেশের মিশনে পৌঁছানোর পর দিল্লির হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাকে স্বাগত জানান। রবিবারই রাজনাথ সিং দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের হাইকমিশনে যান, এর আগে তিনি ২০২১ সালের ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সে বছর, দিবসের পরদিন এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে বুধবার ঢাকায় ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সেখানে पहुंचे। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকপ্রকাশ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শোকবার্তা তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। এই শোকবার্তায় জয়শঙ্কর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্ব ও আরও সুসম্পর্কের জন্য শুভকামনা প্রকাশ করেন।
-

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাজনাথ সিং
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে তিনি ভারতের রাজধানী दिल्लीস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে উপস্থিত হন। চাণক্যপুরী এলাকার হাইকমিশন প্রাঙ্গণে গিয়ে তিনি নিজের শোকবাণী সংরক্ষিত শোকপুস্তিকায় লিখে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়েই রাজনাথ সিং হাইকমিশনে পৌঁছান এবং সেখানে তিনি প্রয়াত নেত্রীর প্রতি সম্মান জানিয়ে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শোকবার্তায় তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং তার মৃত্যুর কারণে দেখা দৃষ্টিপাত করেন। এ সময় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন, যারা এই শোকবাণীর অংশ ছিলেন।
