Category: আন্তর্জাতিক

  • ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা প্রত্যাহার সম্পন্ন

    ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা সম্পূর্ণভাবে সরে গেছে। এই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনার পাশাপাশি অন্য বেশ কয়েকটি দেশের সেনাও ছিল। তবে মার্কিন সেনারা চলে যাওয়ার পরে এই ঘাঁটির পুরো নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করা হয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনীর কাছে।

    দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রায় তিন বছর আগে, ২০২০ সালে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর থেকেই উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর প্রতিশোধে ইরান এই ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে ঘাঁটিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই হামলার তীব্রতা এত বেশি ছিল যে সেখানে থাকা মার্কিন সেনারা মানসিকভাবে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়।

    অবশেষে ২০২৪ সালের মধ্যে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়। এর অংশ হিসেবে, তারা ধীরে ধীরে সরে যায়। ইরাকি সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তবে তিনি জানিয়েছেন যে এখানকার পরিস্থিতি অনুসারে কিছু অল্প সংখ্যক সেনা এখনো অবস্থান করছে। তারা মূলত লজিস্টিক কাজের জন্য রয়েছেন এবং কাজ শেষ হলে তাঁরা भी চলে যাবেন। তিনি নিরাপত্তার কারণে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

    প্রত্যাহারের 정확 সময় নিশ্চিত না হলেও শোনা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই সেনারা পুরোপুরি ফিরে যাবে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি খালি করে দেওয়া হবে।

    এই ঘটনার মাধ্যমে ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে দেশের হাতে আসে।

  • ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্কতায়

    ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্কতায়

    ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ইসরায়েল। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনটি ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে যে, দেশটি এখন কঠোর সতর্কতায় রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

    সম্প্রতিক দিনগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন এবং ইরানের শাসকদের বলিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ না করতে। গত শনিবার তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সহায়তা দিতে প্রস্তুত’।

    সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত ইসরায়েলি নিরাপত্তা বৈঠকে উপস্থিত কিছু সূত্র পৃথকভাবে জানিয়েছে, এই উচ্চ সতর্কতা আসলে কী বোঝায়, তা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেননি। উল্লেখ্য, জুন মাসে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিন চলা এক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে যেখানে, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়।

    গত শনিবার একজন ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁদের আলোচনা করেছেন ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে। তবে, এক মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এই দুই নেতা কথোপকথন করেছেন, কিন্তু আলোচনার বিশদের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

    এদিকে, ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেও ইসরায়েল এখন পর্যন্ত সেখানে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো আগ্রহ প্রকাশ করেনি। তবে, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে অঞ্চলটি উদ্বিগ্ন থাকায় দুই চিরশত্রুর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।

    নেতানিয়াহু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, যদি ইরান ইসরায়েল লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে এর ফলাফল ভয়াবহ হবে। তিনি বিক্ষোভের প্রসঙ্গ কিছু বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘বাকি সব বিষয়ে, আমি মনে করি, আমাদের ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি দেখতেই হবে।’

    অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে—এমন তথ্য জানিয়েছেন মার্কিনী কর্মকর্তারা। অর্থাৎ, ইরানের বিরোধিতা দমন করতে যুক্তরাষ্ট্র কি সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

    নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে ট্রাম্পের সামনে বেশ কিছু বিকল্প উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে, তেহরানের নিকটবর্তী বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর ওপর হঠাৎ করে হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    প্রস্তুতি নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন হোয়াইট হাউস মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইতিমধ্যেই প্রকাশ্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য তুলে ধরছে। গত শনিবার ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘ইরান হয়তো ইতিহাসে কখনো না দেখা স্বাধীনতার মুখোমুখি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে প্রস্তুত!!!’

  • উত্তাল ইরানে আকাশপথে বড় হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

    উত্তাল ইরানে আকাশপথে বড় হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। বর্তমানে মার্কিন সেনারা ইরানে বেশ কিছু প্রাথমিক হামলার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। বেশ কিছু সম্ভাব্য লক্ষ্যচিহ্নিত করেছে তারা, বিশেষ করে আকাশপথে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। মার্কিন নিউজমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সরকারি সূত্রের বরাতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

  • ভারত নির্মাণ করছে নিউ নৌঘাঁটি, নজরে বাংলাদেশ ও চীন

    ভারত নির্মাণ করছে নিউ নৌঘাঁটি, নজরে বাংলাদেশ ও চীন

    ভারত পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় একটি নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে, যা বাংলাদেশ ও চীনের কার্যকলাপের ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের নৌবাহিনীর বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি বঙ্গপোসাগরের উত্তরপাশে চীনা নৌসেনার তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটি এই পরিকল্পনা নিচ্ছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সামরিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সফর করেছেন। এসব বিষয়কে বিবেচনায় রেখে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই নতুন নৌঘাঁটির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

    বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

    ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, জাতি, উপাসনা পদ্ধতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের জন্য খুবই বিপজ্জনক এবং ধ্বংসের কারণ হতে পারে, ঠিক যেমনটি বর্তমানে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। তিনি এই বক্তব্য গতকাল শনিবার জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক শক্তিশালী সতর্কবার্তা, যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কারণে সমাজে অনেকে পর্যুদস্ত হয় এবং সম্প্রীতি খর্ব হয়। ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার এক অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ঘটনায় কারো কিছু বলার প্রয়োজন নেই। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভিন্নমত দমনে সক্রিয়, তারা হিন্দু সমাজ ও মনোভাবকে ভেঙে ফেলার জন্য সব শক্তি দিয়ে লড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, যেন তাদের মুখে ফেভিকল আর টেপ লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।’

    তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা সমাজকে বিভক্ত করে তারা কখনোই মানুষের শুভেচ্ছা অর্জন করতে পারে না। যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘যখন আমি ক্ষমতায় ছিলাম, তখন এই ব্যক্তিরা নিজের পরিবারের বাইরে কিছু ভাবত না। তারা আবার নানা স্লোগান দেবে, কিন্তু সুযোগ পেলে সেভাবে কাজ করবে।’

    মাথা তুলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যাতে তাদের সেই সব কাজের পুনরাবৃত্তি না হয়। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার সবসময় সনাতন ধর্মের শক্তি বৃদ্ধির জন্য পাশে থাকবে। বিভাজনকারীদের কখনোই আমাদের দুর্বল করতে দেওয়া হবে না। যদি আমরা এই সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই, ভবিষ্যৎ হবে সনাতন ধর্মের। যেমন রামমন্দিরের পতাকা সারা বিশ্বে উড়ছে, তেমনি সনাতন পতাকা উঠবে বাংলাদেশেও; তখন কোনো দমটি সাহস করবে না যেন দুর্বল কিংবা দলিত হিন্দুদের ওপর আঘাত হানার।’

    তিনি আরও দাবি করেন, সন্ন্যাসী এবং সাধুরা সমাজের ঐক্য সৃষ্টি করেন। তাঁর কথায়, ‘অযোধ্যায় বিশাল রাম মন্দির নির্মাণের পেছনে রয়েছে শ্রদ্ধেয় সাধু-সন্তদের ঐক্য। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর দেশ অনেক নেতা দেখেছে, কিন্তু অযোধ্যার মূল ভাবনা ছিল রাম লাল্লা পুনঃপ্রতিষ্ঠার। এই আবেগকে বাস্তবে রূপদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’

  • সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের সরিয়ে নেওয়া সম্পন্ন

    সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের সরিয়ে নেওয়া সম্পন্ন

    সিরিয়ার আলেপ্পো শহর থেকে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসা কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) আজ রোববার অবশেষে সরে দাঁড়িয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর, একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আখবারিয়া জানিয়েছে।

    খবরে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আলেপ্পোর বিভিন্ন পকেট এলাকায় কুর্দি বাহিনীর দখল ছিল। এই সরে যাওয়ার মাধ্যমে মূলত সেই সব এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বিশাল এক অংশে কুর্দি পরিচালিত আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    এসডিএফের কমান্ডার মজলুম আবদি সোশ্যাল মিডিয়াতে এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় তারা যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেছেন। এ ছাড়া, তারা আলেপ্পোর আশরাফিয়াহ ও শেখ মাকসুদ এলাকাগুলোর নাগরিক এবং যোদ্ধাদের নিরাপদে উত্তর ও পূর্ব সিরিয়ায় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছেন।

    আলেপ্পোর এই সংঘর্ষ সিরিয়া সংকটকে আরও তীব্র করেছে। ১৪ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের পর দেশটি এক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অধীনে একত্রিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, তবে কুর্দি বাহিনীর আস্থাহীনতা ও বাধা তাদের সেই লক্ষ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিশ্বশক্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের তরফ থেকেও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানানো হলেও, কুর্দি একটি ঘাঁটি ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সিরিয়ার সেনাবাহিনী তখন ঘোষণা দেয়, তারা এলাকাটিকে পরিষ্কার করতে স্থল অভিযান চালাবে। শনিবার, সিরিয়ার সেনারা ওই এলাকা পরিপাটি করে তল্লাশি চালায়।

    রয়টার্সের সাংবাদিকরা দেখেছেন, কয়েক ডজন পুরুষ, নারী ও শিশু পা দিয়ে হেঁটে ওই এলাকা থেকে বেরিয়ে আসছেন। সিরিয়ার সেনারা তাদের বাসে তুলে নিতে শুরু করেছে এবং জানাচ্ছে যে, ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে নিরাপদে আশ্রয়শিবিরে নিয়ে যাওয়া হবে। ইতিমধ্যে, এক লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ এই সংঘাতের কারণে ঘরছাড়া হয়েছে।

    সফর বেশিরভাগ সশস্ত্র ব্যক্তিকে বাসে করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় আনোয়ার করা হয়েছে। সিরিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এসব ব্যক্তিকে কুর্দি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী বা আসাওয়িশের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করেছেন, এবং মনে করছেন তারা আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে আসাওয়িশের পক্ষ থেকে এই দাবি অস্বীকার করে বলা হয়েছে, ওই সব ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোদ্ধা নেই; সবাই নিছক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ।

    শনিবার দামেস্কে আল-শারার সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন দূত টম বারাক সব পক্ষকে সংযম ধারণের এবং অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দল এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতায় প্রস্তুত। এর আগেও মার্কি বারাক বলেছিলেন, চুক্তির আওতায় আলেপ্পো থেকে সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাহার দেখা যাবে।

    বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, আলেপ্পো থেকে কুর্দি যোদ্ধাদের কিছু দল গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। বেশ কয়েকজন কমান্ডার ও তাদের পরিবারকে গত শুক্রবার রাতে উত্তর-ইস্ট সিরিয়ায় মোতায়েন করা হয়।

    তুরস্কের সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, কুর্দি গোষ্ঠীর মাঝে বিভাজনের অবস্থা তৈরি হয়েছে। তারা বেশ কয়েকজন সিনিয়র কুর্দি কর্মকর্তার(contact) সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনা চালাচ্ছে, যেখানে ইলহাম আহমদ ও মজলুম আবদিকে সামনে আনা হয়েছে। তবে, কিছু কুর্দি নেতা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    আখবারিয়া টিভির খবরে বলা হয়েছে, আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ এলাকার এক হাসপাতালে কুর্দি যোদ্ধারা অস্ত্র ফেলে রেখে রোববার বিতাড়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এসডিএফ আগে দাবি করেছিল, তারা সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চালাচ্ছে এবং হাসপাতালসহ নানা বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্লিচিং বোমা হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।

    তারা আরও জানায়, তুর্কি ড্রোন এই হামলায় ব্যবহার হয়েছে। তবে তুর্কি কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের অভিযান শেষ হয়ে গেছে, তাই আর কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই। সিরিয়ার সেনাবাহিনীরও অভিযানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে এবং এসডিএফের বিরুদ্ধে আলেপ্পো শহরে ড্রোন দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা তারা নাকচ করে দিয়েছে।

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের নেতা বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য বিদ্রোহী গ্রুপ গড়ে ওঠার পর, সিরিয়ার নতুন সরকারে এই দলগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন অঅঞ্চলের নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য তৈরি হওয়ার অভাবে আলোচনাগুলো দীর্ঘদিন স্থবির থাকে। এরই মধ্ে এই সংঘর্ষ আবার শুরু হয়েছে, যেখানে কমপক্ষে নয়জন সাধারণ নাগরিক মারা গিয়েছেন। এই সংঘর্ষ ভবিষ্যতে আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ বিভিন্ন অঞ্চলে নানা সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চলছে।

    অলেপ্পোতে এই লড়াইয়ের প্রভাবে তুরস্কের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ পথ ও শিল্পাঞ্চলের কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সিরিয়ার বিমানবন্দরের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আলেপ্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও বন্ধ থাকবে।

  • গাজায় চিকিৎসার অভাবে রোগীদের করুণ মৃত্যুর শঙ্কা

    গাজায় চিকিৎসার অভাবে রোগীদের করুণ মৃত্যুর শঙ্কা

    গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ এবং আগ্রাসনের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যার ফলে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুহার যুদ্ধের পূর্ব সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেড়ে গেছে। গাজার একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ‘টার্কিশ-প্যালেস্টাইনিয়ান ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল’ ইসরায়েলি বর্গাযুদ্ধে ধ্বংসের মুখে থাকায় প্রায় ১১ হাজার রোগী এখন কোনো চিকিৎসা সেবা না পেয়ে মৃত্যুর দণ্ডক্ষেতে দাঁড়িয়ে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজা থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মতো জরুরি ওষুধের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এর ফলে, গাজায় এখন ক্যানসার শনাক্ত হওয়া মানেই মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার সমান। একজন ক্যান্সার চিকিৎসক মোহাম্মদ আবু নাদা বলেন, তারা চিকিৎসার সমস্ত সরঞ্জাম এবং সক্ষমতা হারিয়েছেন। বর্তমানে তারা নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হলেও সেখানে কোন নির্ণয়যন্ত্র বা কেমোথেরাপির ওষুধ নেই। তিনি আক্ষেপে বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির দোহাই দিয়ে কিছু বাণিজ্যিক পণ্য যেমন চকোলেট, চিপস বা বাদাম প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও, ক্যানসার বা দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ কোনোভাবেই প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সরকার। তার মতে, এটা স্পষ্ট যে, এটি কেবল প্রচারণামূলক কৌশল। বর্তমানে গাজায় ক্যানসার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওষুধ ও প্রোটোকল সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত। মানবিক এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হানি নাঈম নামের এক রোগী জানিয়েছেন, তিনি ছয় বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। আগে পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে চিকিৎসা নিতেন, কিন্তু এখন গাজায় আটকা পড়ে আছেন এবং রেডিওথেরাপি পাচ্ছেন না। মোহাম্মদ আবু নাদা জানান, প্রতিদিন খান ইউনিস এলাকায় দু’ থেকে তিন জন ক্যানসার রোগী মারা যাচ্ছেন। ব্যথানাশক ওষুধের তীব্র সংকটের কারণে এখন মারাত্মক অসুস্থ রোগীদের ব্যথা উপশম করাও সম্ভব নয়। বর্তমানে তিন হাজার ২৫০ জন রোগীর বিদেশে চিকিৎসার দরকার থাকলেও রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকায় এবং ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা গাজা থেকে বের হতে পারছেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, গাজায় ক্যানসার চিকিৎসা প্রায় ৫০ বছর পুরোনো অবস্থায় ফিরে গেছে। সারা শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লেও প্রতিরোধের কোনও উপায় নেই। অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গাজা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, আর বেঁচে থাকা চিকিৎসকরা শুধুমাত্র চোখের জল ফেলে রোগীদের পাশে থাকছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার চিকিৎসা সরঞ্জাম বা বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানালেও কোনো উন্নতি হয়নি। এই নিঃশব্দ ঘাতক ব্যাধি ও চিকিৎসার কৃত্রিম সংকট হাজারো ফিলিস্তিনির জীবনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।

  • ১২ ঘণ্টায় ভারত ও পাকিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, কাঁপলো দক্ষিণ এশিয়া

    ১২ ঘণ্টায় ভারত ও পাকিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, কাঁপলো দক্ষিণ এশিয়া

    দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে সম্প্রতি দফায় দফায় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার ভোরে পাকিস্তানের পেশোয়ার ও তাজিকিস্তান-শিনজিয়াং সীমান্তবর্তী এলাকায় ৫.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়। নিজেদের অবস্থানে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫৯ কিলোমিটার গভীরে। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) জানিয়েছে, এই কম্পনটি অনুভূত হয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে—প্রবল জোড়ালো কম্পন অনুভূত হয় রাজধানী ইসলামাবাদ ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ক্ষত্রে। এদিকে, ভারতের গুজরাট রাজ্যের রাজকোট শহরে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৯ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা সাধারণত ‘মাইক্রো’ বা ‘মাইনর’ শ্রেণীতে পড়ে। তবে এই কম্পনগুলো খুবই স্বল্প সময়ের জন্য হলেও মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত রাজকোটে এই কম্পনগুলো ঘটে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার গভীরে। প্রথমবার ৮ জানুয়ারি রাত ৮:৪৩ মিনিটে অনুভূত হয় এবং শেষটি ঘটে ভোর ৮:৩৪ মিনিটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরণের বেশি সংখ্যক কম্পনকে তারা ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে দেখছেন। সাধারণত কচ্ছ অঞ্চলে এই ধরনের ভূকম্পন বেশি হলেও রাজকোটে এই ধারাবাহিক ঘটনা বিশেষ যত্নআত্তির বিষয়। ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে পাকিস্তান তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে থাকায় এই দেশটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে যথাক্রমে ৩.২ ও ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল। অন্যদিকে, ভারতের গুজরাটের রাজকোটেও এই ধরনের ভূকম্পনের পরিমাণ বেশি দেখা গেছে। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভূমিকম্পের প্রতিরোধ ও সতর্কতার ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরগুলো বলেছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের কম্পন মোকাবিলার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে।

  • পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ‘তুরস্কের যোগদান আগ্রহ’

    পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ‘তুরস্কের যোগদান আগ্রহ’

    পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির মধ্যে এবার অন্তর্ভুক্ত হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে তুরস্ক। এই খবর বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ আরও ব্যাপক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ত্রিপক্ষীয় জোটে তুরস্কের যোগদান হলে এটি একটি নতুন সুরক্ষা গঠনে অবদান রাখবে এবং এর ফলে অঞ্চলগুলোতে শক্তির ভারসাম্য বদলে যেতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    গত বছরের সেপ্টেম্বরে রিয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান একত্রে স্বাক্ষর করেন একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয় যে, এই চুক্তি লঙ্ঘন হলে তা অন্যদিকে আঘাত হিসেবেই গণ্য হবে।

    সূত্র বলছে, তুরস্কের আগ্রহের বিষয়টি এখন বেশ এগিয়ে গেছে এবং আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি পাকা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    এখন পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তি এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি রাখছে। তবে, এই নতুন মৈত্রী গঠনের ফলে রিয়াদ, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারার মধ্যে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জোটের ফলে তেল-সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকায় শক্তির স্থানান্তর ঘটবে, যা নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও নিরাপত্তা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্ব শক্তিগুলোর মধ্যে স্বার্থের সংঘাতের জটিল পরিস্থিতিতে এই পরিবর্তন ভবিষ্যতের জন্য কতটা প্রতিক্রিয়াশীল হবে, তা দেখার বিষয়।

    প্রতিষ্ঠানগুলো এখনই এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও আঞ্চলিক ব্যাপক রাজনীতির জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।

  • ইরানে বিক্ষোভের amid হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানে বিক্ষোভের amid হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানে চলমান ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারো হুঁশিয়ার করেছেন যে তিনি ক্রমশই সামরিক হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করছে বেশ কিছু পরিস্থিতির জন্য। তিনি সতর্ক করে বলছেন, দেশটি এখন ‘বড় বিপদে’ রয়েছে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার ভিডিও ও সম্প্রতি ইন্টারনেট বন্ধ করার ঘটনাগুলোর কারণে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা এখনো আগের মতো জোরালোভাবে হামলা চালানোর নির্দেশ দেয়নি, তবে অচিরেই করেন could করতে পারেন বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।