Category: অর্থনীতি

  • পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা

    পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে কত পরিমাণ অর্থ ফিরে আসবে, তা এখনো স্পষ্ট বলে কিছু জানানো হয়নি। তিনি বলেন, যারা এই অর্থ পাচার করে থাকেন, তারা এ বিষয়ে খুবই সচেতন এবং কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। অর্থ ফেরত আনার জন্য কিছুসময় প্রয়োজন, তবে ইতিমধ্যে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আশা করা যায় ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই কিছু টাকা ফিরে আসতে পারে, আর বাকির জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

    সালেহউদ্দিন জানান, এই কৌশল বা প্রক্রিয়া কোনো সরকার এড়াতে পারবে না। তিনি বললেন, যদি আপনি বলেন, ‘টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে বা সুইস ব্যাংকে,’ তাহলে অবশ্যই দেবে না। এজন্য রাষ্ট্রের আইনগত প্রক্রিয়াগুলোর মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরে ১১-১২টির মতো অর্থাভার গোপনে রাখা হয়েছে এবং এর মধ্যে বেশিরভাগ জাগায় বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে, সেগুলোর ওপর নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

    নতুন সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন বলেন, সরকারের জন্য এই প্রসেসগুলো চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। যদি এগুলো অব্যাহত থাকে, তবে অর্থ ফেরত আসবে। অন্যথায়, এটা সম্ভব নয়। অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে তিনি জানাতে চাননি এবং বলেন, এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেই প্রশ্ন করতে হবে।

    অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য, কিছু অর্থ এখনও পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, কিছুদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবে। বর্তমানে যেসব দেশের অ্যাকাউন্টে এই অর্থ থাকতে পারে, তার তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্পষ্ট করেছেন, এই বিষয়গুলো নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত চলছে।

    অর্থ দপ্তরে বরাদ্দের ব্যাপারে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি সত্য নয়, কারণ প্রকল্পগুলো আগেই শুরু হয়েছে। আবার, দেশের অসংখ্য পরিবারের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং পুষ্টিহীনতার বিষয়েও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের খাদ্যতালিকায় এখনো বেশ কিছু ঘাটতি আছে, বিশেষ করে শিশু ও মা-জনিত পুষ্টির সমস্যায়। আমাদের প্রচেষ্টা রয়েছে, ভিজিএফ ও স্পেশাল ট্র্যাকের মাধ্যমে ক্ষুধার্ত মানুষকে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য। জেলেদের জন্য মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও তারা ২০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের খাদ্য ব্যবস্থা সাধারণত চালের ওপর বেশি নির্ভরশীল, অন্য বিষয়গুলো প্রয়োজন হলেও আমাদের ক্রয়ক্ষমতা কম; তাই আমিষের দরকার, প্রধানত ডিমের মতো জিনিসের। অনেক মানুষ এখনো এসব ক্রয় করতে পারছেন না।

  • ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ, ২০২৬ সালে পৌঁছাবে ৫ শতাংশ

    ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ, ২০২৬ সালে পৌঁছাবে ৫ শতাংশ

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনীতি লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। এরপর, ২০২৬ সালে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ি ৫ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনও কিছু ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

    সংস্থাটি জানায়, চরম রাজনৈতিক পরিবর্তন, বন্যা, শ্রমিক বিরোধ এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতির গতি ধীরগতির মধ্যে রয়েছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে আসছে। এটি উল্লেখযোগ্য হিসেবে উঠে আসে এডিবির এইসিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে, যা মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়।

    এডিবি বলেছে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং নিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য। ব্যাংকিং খাতে কিছু দুর্বলতা থাকলেও, মার্কিন শুল্কের প্রভাব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনগুলোতে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে মূল জন্য। বিশেষ করে, বাণিজ্য অনির্ণয়, ব্যাংকিং খাতে দুর্বলতা, ও নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    অন্যদিকে, এডিবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাজারে প্রতিযোগিতা কম হওয়া, বাজার তথ্যের অভাব, সরবরাহ শৃঙ্খলার সমস্যা এবং মুদ্রার দুর্বলতা কারণে মুদ্রাস্ফীতি ২০২৪ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ১০ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। তবে, ২০২৫ সালে সাময়িকভাবে জিডিপি ছোট এক ঊর্ধ্বমুখী উদ্বৃত্তের দিকে থাকবে, যার হার ০ দশমিক ۰৩ শতাংশ। এটি ২০২৪ সালে জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশের ঘাটতি থেকে বেশি। এর পেছনে রয়েছে ভালো রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং শক্তিশালী বাণিজ্য ঘাটতি সংকুচিত হওয়া।

  • সোনার দাম পুনরায় রেকর্ড ছাড়িয়েছে, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি

    সোনার দাম পুনরায় রেকর্ড ছাড়িয়েছে, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি

    দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এই অবস্থা দেশের জুয়ার বাজারে অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিপুল চাহিদা ও আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার কারণে আজকের দিন পর্যন্ত এই মূল্যবৃদ্ধি এলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। ফলে এখন এই মানের সোনার ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা। নতুন দামটি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদিত হয়। চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এর তথ্য জানানো হয়। এর আগে, ২৪ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কিছুটা বেশি ছিল, যেখানে স্বর্ণের এক ভরি (২২ ক্যারেট) ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। তবে তার পরদিন অনেকটাই কমে গিয়েছিল, ফলে সেই রেকর্ড দাম কার্যকর ছিল। কিন্তু আবারও মূল্যক্রমে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে নতুন ডিম্যান্ড সৃষ্টি হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, যা পূর্বের চেয়ে ২ হাজার ৪১৬ টাকা বেশি। অন্য ক্যাটাগরিতে, ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি now ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, যেখানে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২৯৮ টাকা; ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা, একমাত্রা ১ হাজার ৯৭১ টাকা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, সনাতন পদ্ধতির (হারামণ) সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    প্রথমে, ২৮ সেপ্টেম্বর, দেশের বাজারে সোনার দাম আবার কমে গিয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের ভরি ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা, যা প্রায় ১ হাজার ৮৯০ টাকা কমানো হয়েছিল। অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও দাম কমানো হয়েছিল। তবে বর্তমানে, আবার দাম বৃদ্ধি দেখা গেছে।

    অপর দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের জন্য প্রাক্কলিত ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের রুপার দাম যথাক্রমে, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ২২৮ টাকা। এই দামগুলো চলমান থাকায়, বাজারে গ্রাহকদের জন্য মূল্যস্থিরতা নিশ্চিত হচ্ছে।

  • সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন সব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের ২২ ক্যারেট গোল্ড প্রতি ভরি এখন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ২১৯২ টাকা বেশি। এই দামের পরিবর্তন সংক্ষিপ্তসারে দেশের স্বর্ণ বাজারে সবচেয়ে বেশি মূল্য এটি। এর আগে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকায় বিক্রি হত এই মূল্যবোধ।

    শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এমন ঘোষণা দেন, যা রবিবার থেকে কার্যকর হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম বাড়ার প্রভাব রয়েছে বলে জানান।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিষয়টি আগের দামের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, আগে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিল

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিল

    নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চাকরিবিধি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসঙ্গে আরও ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। এই দ্বিতীয় দফার ছাঁটাই কার্যক্রমের ফলে চলতি সপ্তাহে মোট ৪০০ কর্মীর চাকরি চলে গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার মতে, এই জাতীয় ছাঁটাই ঘটনার ঘটনা নজিরবিহীন। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ উদ্যোগ সম্পন্ন হয়েছে দক্ষতা যাচাই এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবে। সম্প্রতি ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যান্ডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) পরিচালিত ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা’ এর মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই পরীক্ষায় অংশ নেয়ো ৪১৪ জন কর্মী, যাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। অবশিষ্ট ৫০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা প্রায় ৫ হাজার কর্মীকে আপাতত ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বে সংযুক্ত) করে রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানায়, চাকরি হারানো কর্মীরা শুধুমাত্র অযোগ্যতার কারণে নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, সহকর্মীদের বাধা দেওয়া ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়াসহ অন্যান্য তারিখকাজে জড়িত ছিলেন।

    ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তখন থেকেই অনেকে সরাসরি সিভি জমা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন, যেখানে বেশিরভাগ নিয়োগ ছিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে। এর ফলে বর্তমানে ব্যাংকের প্রায় অর্ধেক কর্মীই ওই অঞ্চল থেকে।

    ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. কামাল উদ্দীন জসীম গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের লক্ষ্য কাউকে ছাঁটাই করা নয়, বরং দক্ষতা যাচাই এবং প্রমাণিত করা।

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ কর্মীর চাকরি বাতিল, অখণ্ডতা ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে ওএসডি ৪৯৭১ কর্মী

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ কর্মীর চাকরি বাতিল, অখণ্ডতা ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে ওএসডি ৪৯৭১ কর্মী

    ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ সম্প্রতি কর্মসংস্থান পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। নিয়মনীতি ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের দাবি এনে ২০০ জন কর্মীকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪ হাজার ৯৭১ জন কর্মীকে ওএসডি (অফ সার্ভিস ডিউটি) করে দেওয়া হয়েছে। ওএসডি হওয়া এই কর্মীরা বেতন-ভাতা পান, তবে তারা আপাতত কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাংকের অভ্যন্তরে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।

    অফিসিয়াল কেউ কেউ জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমের নিয়ন্ত্রণে আশার পর থেকে ব্যাংকের ভিতরে নিয়োগের ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা যায়। বিভিন্ন পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয় দুই হাজারের বেশি কর্মীকে, যেখানে কোনো লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। অধিকাংশ নিয়োগপ্রাপ্তই ছিলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা, ফলে বর্তমানে ব্যাংকের প্রায় অর্ধেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এই অঞ্চলের আঞ্চলিক।

    একজন সিনিয়র কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, “এস আলম গ্রুপের সময়ে অযোগ্য কর্মীদের নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকের স্বার্থে ক্ষতি করা হয়েছে। এরপর থেকেই আমরা সবাই যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছি।” গত ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক ও হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। যেখানে ৫,৩৮৫ জন কর্মকর্তাকে অংশ নেওয়ার জন্য বলা হলেও, মাত্র ৪১৪ জন উপস্থিত হন। যারা উপস্থিত হননি, তাদের প্রত্যেকের জন্য পরদিন থেকেই ওএসডি ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, পরীক্ষা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ও বিরোধিতা ছড়ানোর ঘটনাতেও ২০০ কর্মীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    ওএসডি হওয়া কর্মীরা অভিযোগ করেন, তারা হাইকোর্টে রিট দায়ের করার পর আদালত নিয়মিত প্রমোশনাল পরীক্ষার নির্দেশ দিলেও, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বেআইনি ভাবে আলাদা যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষা আয়োজন করে। তারা এখন আদালতের সহায়তা চেয়ে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, “এ ধরনের কর্মী ছাঁটাই দেশের মধ্যে প্রথম। সাধারণত পদোন্নতির জন্য ভাইভা নেওয়া হয়, কিন্তু এই পরীক্ষার মাধ্যমে কর্মীদের মান যাচাই এর বিষয়টি নতুন একটি অভিজ্ঞতা।“ তিনি আরও বলেন, “ইসলামী ব্যাংক একভিন্নপ্রকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। নিয়োগ ও কর্মীর মান যাচাই অধিকার তাদের হলেও আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী করতেই হবে।“

    অভিযোগ রয়েছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে আনার পর থেকে ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা সরানো হয়। এর ফলে ব্যাংক গভীর আর্থিক সংকটে পড়ে। ২০২৪ সালে সরকারের পরিবর্তনের পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে রদবদল আনে, যাতে এস আলমের প্রভাব কমানো যায়।

  • চলতি অর্থবছর শেষে দেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৫ শতাংশ

    চলতি অর্থবছর শেষে দেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৫ শতাংশ

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, ২০২৬ সালের শেষে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়াবে ৫ শতাংশে। যদিও পোশাক রপ্তানি এখনো স্থিতিশীল, তবে সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এখনো লক্ষণীয়, এর মূল কারণ হলো চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা। পাশাপাশি, বারবার বন্যা, শিল্পকর্মশিল্প শ্রমিক বিরোধ এবং ক্রমাগত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কিছুটা কমে গেছে।

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ কর্মীর চাকরি ছাড়া

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ কর্মীর চাকরি ছাড়া

    নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযানে অপ্রত্যাশিত ঘটনার অবতারণা করছে বেসরকারি খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, ইসলামী ব্যাংক। চাকরি বিধি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কর্তৃপক্ষ এ মাসে একসঙ্গে আরো ২০০ কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে। এই দ্বিতীয় দফার ছাঁটাই চলতি সপ্তাহে সম্পন্ন হয়েছে, যার ফলে মোট ৪০০ কর্মী এখন আর ব্যাংকের সঙ্গে নেই।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে বলেছেন, এমন ব্যাপক পরিসরে এই ধরনের শুদ্ধি অভিযান আগে নজরে আসেনি।

    অন্যদিকে, ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ হলো কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য। সম্প্রতি ঢাকার শাহবাগের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) পরিচালিত ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা’ এর মাধ্যমে কর্মীদের মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মোট ৪১৪ জন কর্মী, এর মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। বাকি ৫০ জনের জন্য পুনর্মূল্যায়নের জন্য ট্রেনিং দেওয়া হবে। এই পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া প্রায় পাঁচ হাজার কর্মীকে “বিশেষ দায়িত্বে সংযুক্ত” (ওএসডি) করে রাখা হয়েছে।

    অধিকাংশ সূত্র জানিয়েছে, চাকরি হারানো কর্মীদের মধ্যে কেবল অযোগ্যতার জন্য নয়, বরং পরীক্ষার সময় সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচার, সহকর্মীদের বাধা ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    এছাড়া, ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ ইসলামি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর থেকেই অনেকদের সরাসরি সিভি ভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে আসছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকার স্থানীয়দের নিয়োগ বেশি। এর ফলে বর্তমানে ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি কর্মীই ওই অঞ্চলের বাসিন্দা।

    অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ড. কামাল উদ্দীন জসীম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য কাউকে ছাঁটাই করা নয়, বরং তাদের দক্ষতা যাচাই ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা। এই শুদ্ধি কার্যক্রম যেন স্বচ্ছ ও যোগ্যতা অনুযায়ী হয়ে থাকে, সেটি আমাদের লক্ষ্য।

  • পাচার হওয়া অর্থের বেশিরভাগই ফেরত আনা সম্ভব ফেব্রুয়ারির মধ্যে: অর্থ উপদেষ্টা

    পাচার হওয়া অর্থের বেশিরভাগই ফেরত আনা সম্ভব ফেব্রুয়ারির মধ্যে: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন যে, দেশে থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। যদিও তিনি এখনো নিশ্চিত করে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের কথা বলেননি। আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নে, তারা যদি জানতে চান যে, ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাচার হওয়া অর্থ কি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে কি না, তিনি বলেন, যারা এই অর্থ পাচার করে, তারা এই বিষয়গুলো খুব ভালো জানে। তবে এটি ফিরিয়ে আনতে কিছু সময় লাগবে এবং কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। বেশ কয়েকটি লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, আশা করছেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই কিছু অর্থ ফেরত আসতে পারে। তিনি আরো বলেন, এই প্রক্রিয়ার কোনো অংশই বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। সরকার যদি চাই, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সুইস ব্যাংকেও টাকা দেওয়া যায়, তবে এর জন্য সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

    সালেহউদ্দিন জানান, বর্তমানে ১১-১২টি মামলা বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে এবং উচ্চমূল্যের অর্থের জন্য নিয়মিত নজরদারি চলছে। তিনি বলেন, ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থের ক্ষেত্রে অনেকেই ধরা পড়েছেন।

    নতুন সরকারের ধারাবাহিকতা বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে, তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকারের জন্য এটি বাধ্যতামূলক যাতে নির্দিষ্ট প্রসেসগুলো চালু থাকে না থাকলে অর্থ ফেরত আনা কঠিন হয়ে যাবে। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এই পদ্ধতিগুলো আন্তর্জাতিক মানের পরিচ্ছন্নতা ও নিয়ম মেনে পরিচালিত হচ্ছে, অন্যথায় অর্থ ফেরত আনা সম্ভব নয়।

    অর্থের পরিমাণ কত হবে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেই প্রশ্ন করতে হবে।

    কিছুদিন আগে অর্থ পাচার থাকলেও এখনো কিছু অর্থ পাচার হচ্ছে বলে খবর রয়েছে, সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগিরই এক বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যেই বিদেশের বিভিন্ন দেশে অর্থের অ্যাসেট ফ্রিজ করা হয়েছে। কোথায় কত টাকা আছে, তাদের পাসপোর্টের তথ্যসহ সব কিছু জানা রয়েছে। এই কাজের জন্য প্রয়োজন আরো কিছু সময়।

    অতিরিক্ত বরাদ্দ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে, সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এসব প্রকল্পের বরাদ্দ বহু পুরোনো।

    বিবিএস এর রিপোর্টের অনুযায়ী, দেশের দশটি পরিবারের মধ্যে তিনটিরই পুষ্টিহীনতা বা খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সমস্যা রয়েছে—এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কিছুটা পুষ্টিহীনতা রয়েছে, বিশেষ করে শিশুরা ও মায়েদের মধ্যে। তিনি জানান, এই সমস্যা মোকাবিলায় চেষ্টা চলছে। ভিজিএফ ও স্পেশাল ট্রাকের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে, আরো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কাল থেকে জেলেদের জন্য মাছ ধরা বন্ধ হওয়ার কথা রয়েছে, এ সময়টায় তাদের জন্য ২০ কেজি আপেক্ষিক খাবার দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলছেন, আমাদের খাদ্য এখনো সুষম নয়; চালের ওপর বেশি ডিপেন্ডেন্সি থাকলেও অন্যান্য খাবারের অ্যাকসেস কম। অতএব, আমিষের প্রয়োজন রয়েছে, যার মধ্যে ডিম গুরুত্বপূর্ণ—যেখানে অনেকেই এখনো সেটি কিনতে পারছেন না।

  • সোনার দামে আবারও রেকর্ড, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা

    সোনার দামে আবারও রেকর্ড, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ২২ ক্যারেটের, অর্থাৎ সবচেয়ে ভালো মানের সোনার প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) মূল্য আগেই বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, যা আগের তুলনায় ২২২৫ টাকা বেশি। এই দাম আগামী মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে ঠিক সেই সময়, যখন স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম কিছুটা কমে গেছে।