Category: অর্থনীতি

  • সোনার দাম ১৪ দিনে ছয়বার বেড়েছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    সোনার দাম ১৪ দিনে ছয়বার বেড়েছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    দেশের বাজারে চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনের মধ্যে ছয়বার সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে স্বর্ণের মূল্য সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে গেছে এবং নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত একদিনের মধ্যে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ (১৪ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকায়। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ দাম। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশজুড়ে ১১.৬৬৪ গ্রাম (এক ভরি) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এর পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম হবে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ১০১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম রাখতে হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রয়ে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ অক্টোবরে দেশের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে বাজুস। তখন ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা এখন পর্যন্ত দেশের স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম বলে মনে করা হয়। ওই সময় অন্যান্য ক্যারেটের দাম ছিল: ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা। এই দামগুলো কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিণত করলে এটি হয় প্রায় ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলারটি ধার্য করা হয়েছে ১২১.৭৫ টাকার মানে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে কাল রোববার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় ৩.৩ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের অক্টোবরে প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিল ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তবে এ সময়ের রেমিট্যান্স গত মাসের তুলনায় কিছুটা কম ছিল। সেপ্টেম্বরে, একই সময়ে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

    অন্যদিকে, বছরের প্রথম তিন মাসের (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) মোট রেমিট্যান্সের অংকও গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন মাসে, ১ জুলাই থেকে ১৮ অক্টোবর, আগের বছরের তুলনায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের ৩ মাস ১৮ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যেখানে গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

    সার্বিকভাবে, এই সময়ে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের ধারা ইতিবাচকভাবে অব্যাহত রয়েছে এবং অর্থনীতির জন্য এটি মোটেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের সূচক।

  • সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা

    সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদা ও দাম বাড়ার কারণে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন করে দাম নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে।

    রোববার (১৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১,০৫০ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে এখন ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার সর্বোচ্চ মূল্য দাঁড়িয়ে গেছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা— যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই নতুন দাম ২০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের দাবি, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা শুদ্ধ সোনার দাম বাড়ার কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪ টাকা।

    যদিও সোনা যেমন দাম বাড়ছে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম থাকছে ৬ হাজার ২০৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপা বিক্রি হবে ৩ হাজার ৮০২ টাকায়।

    আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামও পৌঁছে গেছে নজিরবিহীন উচ্চতায়। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা, আলোচনায় থাকা সরকারি প্রক্রিয়া বন্ধের আশঙ্কা ও বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা এর জন্য দায়ী। এর ফলস্বরূপ, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪,০৫০ ডলার ছুঁয়েছে।

  • ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা প্রবেশের খবরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা প্রবেশের খবরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে খবর প্রচারিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্কবার্তা জারি করে দেশের জনগণকে সাবধান করে দিয়েছে। বুধবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের সংবাদ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং জনসাধারণকে অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, জাল টাকা তৈরি, বহন ও লেনদেন দেশের আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। ব্যাংকটি জানিয়েছে, তারা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত জাল টাকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাশাপাশি জাল টাকা উৎপাদন, পরিবহন এবং ব্যবহার রোধে নিবিড় নজরদারি চালাচ্ছে।

    জনসমাগমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নোট গ্রহণের সময় এর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপা, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও সূক্ষ্ম লেখা ভালোভাবে যাচাই করা। বড় ধরনের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি, নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সন্দেহজনক কোনো নোট পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ‘আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাদের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd ভিজিট করতে বলা হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তের জন্য এক্স-ব্যানার ও পোস্টার_DISPLAY করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিককালে কাতারভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিকের একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে অপতৎপরতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

  • কার্গো টার্মিনালের আগুনে রপ্তানি Sector ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালের আগুনে রপ্তানি Sector ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে দেশের রপ্তানিখাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই ঘটনায় আনুমানিক ১২ হাজার কোটি টাকা বা এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) দেশের রপ্তানি ও শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ইএবি’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

    তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরা না, পুরো অর্থনীতি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে গেছে, ফলে ভবিষ্যতে বাজার হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পুরোপুরি তদন্ত প্রয়োজন, যাতে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করে দ্রুত পুনর্গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য এক মূল কেন্দ্র—এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের আর দেখতে চান না।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র এই কার্গো হ্যান্ডলিং জোনে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য আদানপ্রদান হয়। এই সংবেদনশীল স্থানে আগুনের ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গভীর দুর্বলতা মাথা তুলে ধরছে। তারা প্রশ্ন তুলেন—অটোমেটিক ফায়ার ডিটেকশন ও প্রোটেকশন সিস্টেম কি ছিল? আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কোথায় ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস দেরিতে আসার কারণ কি?

    নেতারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস হাউস এবং বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এই তিন পক্ষই বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারে নি।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগুনে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল ও ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামালসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য পুড়ে গেছে। এতে অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং বিদেশী ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের বিমা দাবির দ্রুত নিষ্পত্তি, বিমা কাভার না থাকা পণ্যসমূহের জন্য বিশেষ সরকারি তহবিলের ব্যবস্থা, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের আধুনিকায়ন ও নিরাপত্তা জোরদার, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং প্রযুক্তির স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনার ডিজিটালাইজেশন এবং ফায়ার প্রোটেকশন ব্যবস্থার উন্নয়ন।

    রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সরকারের কাছে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি স্বরাষ্ট্র তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

  • শুধু ১৪ দিনে ছয় বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    শুধু ১৪ দিনে ছয় বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে গত মাসের প্রথম ১৪ দিনে স্বর্ণের দাম বারবার বেড়েছে, যা মোট ছয়বার মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটিয়েছে। এর ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ নতুন দামও রেকর্ড হয়েছে। একদিনের মধ্যে আবারো স্বর্ণের দামে অবিশ্বাস্যভাবে অবনতি হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, এবার ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা যোগ করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এটি এখন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ মূল্য। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাম ঘোষণা করা হয়, যা বুধবার (১৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের মূল্যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়াবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা। আবারো জানানো হয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সময় সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে জিনিসের ডিজাইন ও মান অনুসারে মজুরির হারতে পার্থক্য থাকতে পারে। এর আগে, ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেই সময় ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা ছিল দেশের সর্বোচ্চ দাম। অন্যান্য ক্যারেটে, ২১ ক্যারেটের ভরি ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা। এই দাম কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর से।

  • সোনার দাম আরও বৃদ্ধি পেল, ভরি ছাড়াল ২ লাফ ১৭ হাজার টাকা

    সোনার দাম আরও বৃদ্ধি পেল, ভরি ছাড়াল ২ লাফ ১৭ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

    ১৯ অক্টোবর রোববার বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১০৫০ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই নতুন দাম আগামী ২০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বাড়ার কারণে সোনার দাম সামঞ্জস্য করা হয়েছে।

    নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫৩ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার ভরির দাম ধার্য হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪ টাকা।

    অবশ্যই, সোনার দাম বৃদ্ধির মাঝে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখনও ৬ হাজার ২০৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হবে ৩ হাজার ৮০২ টাকায়।

    অন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাবও লক্ষ্য করা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ও সরকারি কার্যক্রমের অচলাবস্থা জনিত কারণে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকছেন নিরাপদ সম্পদে। এরই ফলস্বরূপ, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম অশ্বারোহী ৪ হাজার ২৪০ ডলার আউন্সপ্রতি অতিক্রম করেছে।

  • ভারত থেকে জাল টাকা প্রবেশের খবরের সতর্কতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    ভারত থেকে জাল টাকা প্রবেশের খবরের সতর্কতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি ব্যাপক খবর হলো, ভারতের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এই খবরের ফলে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে একথা নিশ্চিত করতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক বার্তা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের খবরের ফলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং জনগণকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উদ্বিগ্ন না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্লেখ করে, জাল টাকা তৈরি, বহন এবং লেনদেনে কোনো ধরনের অপরাধের শামিল হলে এটি দেশের আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই জাল টাকার প্রচলন রোধে নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারা জাল নোটের উৎস, এর বহন ও ব্যবহার বন্ধে সতর্ক নজরদারি চালাচ্ছে বলে জানানো হয়।

    জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো চারটি মূল পরামর্শ দিয়েছে। প্রথমত, নোট গ্রহণের সময় এর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপা, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও ক্ষুদ্র লেখা ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। দ্বিতীয়ত, বড় অঙ্কের লেনদেনে অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করতে হবে। তৃতীয়ত, নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণে উৎসাহিত করা হয়। এবং চতুর্থত, সন্দেহজনক কোনো নোট পেলে তাৎক্ষণিকভাবে পাশের থানায় বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক ‘আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন’ এই আহ্বান জানিয়ে বলেছে যে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য www.bb.org.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করা যাবে। প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোটের শনাক্তকরণের জন্য এক্স-ব্যানার ও পোস্টারও প্রদর্শিত রয়েছে।

    সম্প্রতি কাতারভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিক তার ফেসবুক আইডিতে এই ধরনের একটি পোস্ট দেন। সেটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত গতিতে বিষয়টির ওপর নজরদারি শুরু করে দেয়। তারা জাল টাকা ও জালিয়াতির অপতৎপরতা রুখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে প্রবাসী আয় পৌঁছেছে ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে প্রবাসী আয় পৌঁছেছে ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনে বাংলাদেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এই পরিমাণ অঞ্চলের মুদ্রায় পরিণত করলে তা হয় প্রায় ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১.৭৫ টাকার মানে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর সূত্রে রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনের প্রবাসী আয় গত বছর একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। গত বছর অক্টোবরের এই সময়ে ছিল ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তবে, সেপ্টেম্বরে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের তুলনায় কিছুটা কম এসেছে। গত সেপ্টেম্বরের ১৮ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

    অন্যদিকে, চলতি বছর ১ জুলাই থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাস ১৮ দিনের সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্স এলো ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। একই সময়ে গত বছর এই পরিমাণ ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, গত বছর তুলনায় এ বছর এই তিন মাসে প্রবাসীর আয় ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

    সাধারণত, এই সময়ে প্রবাসী আয়ের ধারা ইতিবাচক থাকায় দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। প্রবাসীদের এই ব্যাপক অর্থপ্রাপ্তি দেশের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

  • কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে দেশের রপ্তানি খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান অনুসারে, এই দুর্ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা বারো হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই তথ্য আজ (২০ অক্টোবর, সোমবার) এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি) আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানায়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু লাভজনক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোই নয়, দেশের অর্থনীতি ও সরকারের জন্যও বড়ো ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের খ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ক্রেতাদের আস্থা হ্রাস পাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। মোহাম্মদ হাতেম এও উল্লেখ করেন যে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ক্ষতির প্রকৃতি ও পরিমাণ নিরূপণ জরুরি, যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তিনি বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য পরিবহন হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কোনও দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার পরিচায়ক। সংগঠনের নেতারা প্রশ্ন করেন—এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কি পর্যাপ্ত অটোমেটিক ফায়ার ডিটেকশন ও প্রোটেকশন সিস্টেম ছিল? আগুনের সময় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ফায়ার সার্ভিস বা নিজস্ব ফায়ারফাইটিং টিম কোথায় ছিল? কেন বাইরে থেকে আসতে এত সময় লাগলো? তারা আরও অভিযোগ করেন এক্ষেত্রে সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস, ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন পক্ষই নীরব মানে কার্যকর নিরাপত্তার ব্যাপারে দায়িত্ব এড়ানো হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগুনে পুড়ে গেছে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষি পণ্য, ফলমূল, ওষুধজাত কাঁচামালসহ নানা রপ্তানি পণ্য। এর ফলে অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছে এবং বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারকে ছয় দফা বিশেষ দাবি জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত বিমা পরিশোধ, বীমা অক্ষম পণ্য জন্য সরকারি তহবিল, কার্গো হ্যান্ডলিং আধুনিক ও নিরাপদ করার ব্যবস্থা, পণ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং প্রযুক্তি স্থাপন, ডিজিটালাইজেশন ও ফায়ার প্রোটেকশন ব্যবস্থা উন্নয়ন। রপ্তানিমুখী সংগঠনের নেতারা সরকারের জন্য একাধিক জরুরি নির্দেশনা দেন—সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করতে, যাতে দুর্ঘটনার কারণ অবিলম্বে জানা যায় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হয়।