Category: অর্থনীতি

  • সোনা-রুপার দামে রেকর্ডব্রেক বাড়তি, একদিনে সোনার ভরি দাম ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    সোনা-রুপার দামে রেকর্ডব্রেক বাড়তি, একদিনে সোনার ভরি দাম ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা স্বর্ণের দামে গত কয়েক দিন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির পর এবার এক দিনের মধ্যে অতি উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন দাম, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) প্রকাশ করেছে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই মূল্য বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, পূর্বে অন্য সময়ে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছিল। গত মঙ্গলবারের দাম অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা তখন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে আজ এই রেকর্ড ভেঙে গেছে, কারণ নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের কারণে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি এখন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা, যা আগের চেয়ে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য বেড়ে হলো ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১৪২ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে।

    প্রথমে কয়েক দিন আগে, ৭ অক্টোবর, স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১৯১,৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৬৪,২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা। এরপর ৫ অক্টোবর দাম ছিল আরো সর্বোচ্চ, এই দাম গত শনিবারের ঘটনার ফলস্বরূপ।

    রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম বাড়িয়ে এখন ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, যা আগের চেয়ে ৩২৬ টাকা বেশি। অন্য ক্যারেটের রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে—২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৫৬ টাকা।

    এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণ ও রুপার বাজারে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বার্তা বহন করে।

  • মাত্র ১৪ দিনেই ছয়বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    মাত্র ১৪ দিনেই ছয়বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনে স্বর্ণের দামে ছয়বার বৃদ্ধি ঘটেছে, যা দেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে স্বর্ণের মূল্য আবারও বেড়েছে এবং দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

    ১৫ অক্টোবর, মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, একটি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এবার ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এটি গত দিনের তুলনায় ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বেশি। নতুন এই মূল্য বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    এছাড়াও, দাম বাড়ানোর ঘোষণা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন قیمت অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে, তবে ডিজাইন ও মান অনুসারে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।

    এর আগে, ১৩ অক্টোবর বাজুস স্বর্ণের দাম আরও একবার বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল। এরপর, ১৪ অক্টোবর থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়। সেই সময়ে, ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যা এখন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। সেই সময়, ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডের দিকে এগিয়ে গেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে উচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম চার হাজার ৬১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের স্বর্ণের বাজারে দারুণ উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।

    বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দামের ওঠানামার প্রভাব এই দাম বৃদ্ধিতে কাজ করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার থেকে নতুন দামের এই ঘোষণা কার্যকর করার কথা জানিয়েছে।

    নতুন দামের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বেড়ে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দরে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, রুপার দামও বেড়েছে, যেখানে এক ভরি ভালো মানের রুপার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগের তুলনায় বেশি।

    অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের থেকে বেড়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা থেকে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে স্বর্ণ কেনার জন্য দরকারী বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে একদিকে, অন্যদিকে ভোক্তাদের জন্য এটা মোটামুটি আরামদায়ক নয়।

  • সরকারের কোনও সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়নি বলে জানাল সরকার

    সরকারের কোনও সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়নি বলে জানাল সরকার

    পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন বা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৩ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুজব ছড়িয়ে দিয়েছে যে, পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। তবে, সরকারের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং ব্যাংক একীভূত করার কাজে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেনি। সরকারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই বিষয়টি সম্পূর্ণই গুজব এবং ভিত্তিহীন। সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবর থেকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়।

  • ভারত থেকে ঢুকছে জাল টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কবার্তা

    ভারত থেকে ঢুকছে জাল টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কবার্তা

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এই খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত সতর্কতা জারি করেছে। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, এ ধরনের খবর বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং জনগণকে অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, জাল টাকা তৈরি, বহন বা লেনদেন করা দেশে গুরুতর অপরাধ। দেশের আইন অনুযায়ী, এই ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোর দন্ডনীয়। ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত জাল টাকার প্রচলন রোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তারা জাল নোটের উৎস, চক্রের ধরন এবং ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।

    জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে সুপারিশ করে ব্যাংক এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে: নোট গ্রহণের সময় বৈশিষ্ট্যগুলো যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপা, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও ক্ষুদ্র লেখা ভালো করে যাচাই করতে হবে। বড় অঙ্কের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। এ ছাড়া নগদ লেনদেনের বদলে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক “আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন” এই আহ্বান জানিয়ে বলেছে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাদের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd ভিজিট করতে পারেন। পাশাপাশি প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তকরণের জন্য এক্স-ব্যানার ও পোস্টার প্রদর্শিত রয়েছে।

    সম্প্রতি কাতারভিত্তিক একটি অনুসন্ধানী সাংবাদিক তার ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিলেন। এর ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং এর অপতৎপরতা রুখতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।

  • সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নয় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার বিষয়ে

    সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নয় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার বিষয়ে

    পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে, এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল ভিন্ন একটি মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে যে, ব্যাংকগুলোর একীভূতকরণ ফলে বিনিয়োগকারীরা বিশাল ক্ষতির মুখোমুখি হবে। এই বিষয়টি সরকারের নজরদারিতে এসেছে এবং অবিলম্বে এই গুজবের এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই গুজব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি যে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হবে। ব্যাংকগুলো একীভূত করার বিষয়ে সরকারের লক্ষ্য হলো খেটেখে নেওয়া হয়ে থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ চলছে। এ জন্য, সবাইকে এ ধরনের গুজবের প্রতি সন্দেহজনক দৃষ্টিতে দেখা ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • সোনা-রুপার দামে রেকর্ডের নতুন উচ্চতা, এক দিনে সোনার দাম ভরিতে ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    সোনা-রুপার দামে রেকর্ডের নতুন উচ্চতা, এক দিনে সোনার দাম ভরিতে ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে মূল্যবান স্বর্ণ ও রুপার দাম আবারো আকাশচূড়া হল। স্বর্ণের দাম এক দিনের ব্যবধানে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে, যেখানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ৯০৫ টাকা, যার ফলে বর্তমান দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকায়। এ নতুন মূল্যSenseisদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম।

    বাজারের এই ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণের দাম আগের দিন থেকে আরও বেড়ে গেল, যা দেশের বিভিন্ন জুয়েলার্সসহ সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের চিন্তার কারণ। এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে, যেখানে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়ানো হয়, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকায়, যা এরপর থেকে দেশের সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল। এখন আবার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রেকর্ড ভেঙে গেছে।

    নতুন কোনো দাম নির্ধারণে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য বেড়ে ৬ হাজার ৯০৫ টাকা, অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। এর পাশাপাশি ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন মূল্য ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকায় পৌঁছেছে। সনাতন পদ্ধতিতে ভরি মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা, যেখানে আগের থেকে যথাক্রমে যথাসম্ভব বেশি।

    অন্যদিকে, রুপার দামের বিরাট বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি মূল্য বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা করা হয়েছে, যা আগের থেকে ৩২৬ টাকা বেশি। অন্যান্য মানের রুপার দামও বেড়েছে, যেমন ২১ ক্যারেটের রুপা এক ভরি হচ্ছে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৫৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ ও রুপার কেনাকাটা আরও কঠিন হয়ে পড়বে, তবে দেশের বাজারে প্রভাব বিস্তার করছে এই অস্থিরতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনমন এই দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারো বেড়েছে, যার ফলে সেটি এখন নতুন শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (প্রায় ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম বেড়েছে চার হাজার ৬১৮ টাকা। ফলে এখন প্রতিটি ভরি স্বর্ণ কেনার জন্য আপনাকে দিতে হবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম বলে গণ্য হচ্ছে। এই দাম বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি সবচেয়ে বড় কারণ। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, নতুন দাম আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম চার হাজার ৬১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা. এই উচ্চমূল্য দেশের স্বর্ণ বাজারে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে, রুপার দামেরও বৃদ্ধি হয়েছে। এখন এক ভরি ভালো মানের রুপার দাম প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগের তুলনায় বেশি।

    অতিরিক্ত, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকায় ছিল। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা, আগের ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকার চেয়ে বেশী।

  • ১৪ দিনে ছয়বার বেড়েছে স্বর্ণমূল্য, রেকর্ড উচ্চতায় দাম

    ১৪ দিনে ছয়বার বেড়েছে স্বর্ণমূল্য, রেকর্ড উচ্চতায় দাম

    দেশে চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই ছয়বার স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে, যা নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম এখন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। পাশাপাশি, একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ স্বর্ণ ও জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ (১৪ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়ানোর মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামের স্বর্ণ। বুধবার (১৫ অক্টোবর) থেকে এই নতুন দামের স্বর্ণ বিক্রি শুরু হবে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মূল্য বৃদ্ধির কারণে এখন থেকে স্বর্ণের প্রতিটি বিক্রেতাকে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে স্বর্ণের ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

    নতুন দামের তালিকায় দেখা গেছে, প্রতিভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর বাজুস আরও মূল্য সমন্বয় করে ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ মূল্য। সে সময় অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামের তালিকা ছিল ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা। এই দামগুলো কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে।

  • ভারত থেকে ঢুকছে জাল টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    ভারত থেকে ঢুকছে জাল টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে এমন খবর প্রকাশিত হচ্ছে যে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এই খবরের প্রভাব খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্কতা জারি করেছে। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই ধরনের খবর বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং অপ্রয়োজনে মানুষকে উদ্বিগ্ন করার কারণ হতে পারে। তারা আরও উল্লেখ করে, জাল টাকা তৈরি, বহন এবং লেনদেন দেশের আইনে গুরুতর অপরাধ। বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জাল নোটের প্রচলন রোধে নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জাল নোটের উৎস, প্রেরণ ও ব্যবহারের উপর কঠোর নজরদারি রেখেছে। জনগণকে সতর্ক থাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে: প্রথমত, নোট গ্রহণের সময় এর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপা, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও ক্ষুদ্র লেখা সঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বড় অঙ্কের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পন্ন করতে হবে। তৃতীয়ত, নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার চালু রাখতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। Lastly, সন্দেহজনক কোনো নোট পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এই আহ্বান দেয়, ‘আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন’। যাতে করে সবাই আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন, তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.bb.org.bd দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তকরণে এক্স-ব্যানার ও পোস্টার লাগানো হয়েছে। সম্প্রতি এক কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একটি পোস্ট ফেসবুকের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তারা এই অপতৎপরতা রোধে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।