Category: অর্থনীতি

  • সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৩৪৫৩ টাকা

    আগামি বছর নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা দিয়ে দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা বিশিষ্ট করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭টাকা। এর আগে সেই দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে সোনার দাম নতুন এই রেটে নির্ধারিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের কর্মকর্তারা।

    নতুন হিসাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য পড়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার দাম এখন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা।

    অতীতে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে সোনার প্রতি ভরি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়ে সরকারি নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরিতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

    সঙ্গে অন্যান্য স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা। এর আগে, এই দামগুলো ছিল যথাক্রমে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • দেশ-বিদেশে ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশ-বিদেশে ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধার ও সম্পদ সংযুক্ত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও সংযুক্ত করা হয়। এই তথ্য জানানো হয়েছে বুধবার জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার পরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। সভার মূল লক্ষ্য ছিল মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদ্যমান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কিছু ধারা আধুনিক করার জন্য সংশোধন আনবেন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কেসের ওপর নজর রাখা হয়। এই কেসগুলোতে এখন পর্যন্ত ১০৪টি মামলা দায়ের ও ১৪টি মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আদালত এ যাবত ৪টি মামলার রায় দিয়েছেন। উল্লেখ্য, দেশে মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ও বাইরেও ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, অগ্রাধিকার ১১ কেসের বিরুদ্ধে ২১টি মল্টাইল অর্ডার (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দ্রুত চার্জশিট দাখিল, এমএলএআর পাঠানো ও মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার। এগুলো মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়া প্যাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) দ্বারা ২০২৭-২৮ মেয়াদে বাংলাদেশের উপর মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন কার্যক্রম চালানো হবে। সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা এই ইভ্যালুয়েশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, আইন, ফাইন্যান্স এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা।

  • দেশের ইতিহাসে সর্বচ্চো সোনার দাম ভাঙল

    দেশের ইতিহাসে সর্বচ্চো সোনার দাম ভাঙল

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আবারও বাড়ল। এবার ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা করে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। নতুন দাম আজ (২২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে কিছুটা কমেছে তেজাবি সোনার দাম। এই পরিস্থিতির ভিত্তিতে নতুন দামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ১৫ ডিসেম্বর টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই সময় ১ হাজার ৪৭০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারিত হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকা।

    নতুন দাম অনুযায়ী, এখন দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের এক ভরি দাম হবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য সোনার দাম হবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা প্রতি ভরি।

    অপরদিকে, দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩৬২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রি রুপা ২ হাজার ৭৯৯ টাকায়।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমার সম্ভাবনা জানুয়ারি থেকে

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমার সম্ভাবনা জানুয়ারি থেকে

    অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর পরিকল্পনা করেছে, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা যদি অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন পায়, তবে তা বাস্তবায়িত হবে। এরপর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) একটি আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করবে। সূত্র জানায়, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড় হার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ স্বল্প অঙ্কের বিনিয়োগে বেশি ও বড় অঙ্কের বিনিয়োগে কম মুনাফা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। একrepenবিনিয়োগে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে মুনাফা বেশি থাকবে, আর এর বেশি বিনিয়োগে হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ৩০ জুন সরকার জনপ্রিয়তাপূর্ণ সঞ্চয়পত্রের হার কিছুটা কমিয়ে দেয়, যার ফলে নতুন হার কার্যকর হওয়ার আগে এই প্রক্রিয়া চলবে। আইআরডি সচিব মোঃ আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, কিন্তু যদি অর্থ বিভাগের সুপারিশ আসে, তাহলে পরিপত্র জারি করা হবে। প্রাথমিকভাবে, পরিবারের সঞ্চয়পত্র এখনো বেশ জনপ্রিয়, যেখানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ ও বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ মুনাফা প্রদান করা হয়। পেনশনার সঞ্চয়পত্র, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিনমাসের ভিত্তিতে মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের হারও উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, এফডি, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবের মুনাফায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে, বেসরকারি ব্যাংক সংগঠনের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার মনে করেন, হার কমলে বড় অঙ্কের সঞ্চয় সরকারি খাতে চলে যাওয়ার প্রবৃত্তি কমবে এবং অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরবে, যা ঋণ প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে সরকার ২ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। অতীতের অর্থবছরে এই ঋণ ছিল ঋণাত্মক, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

    বাংলাদেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় দেখা গেছে অন্তত ৫ হাজার ৯৭৪টি বৃদ্ধি। এরপর অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে। যদিও কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও জমা অর্থের পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন শেষের হিসাব অনুসারে ব্যাংকগুলোতে মোট অ্যাকাউন্ট ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি, যেখানে সেপ্টেম্বর শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টি। অর্থাৎ, তিন মাসে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি। একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ বেড়ে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা থেকে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১২০ কোটি টাকায়। ফলে, তিন মাসে আমানত মোট ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোটিপতি হিসেবে গণ্য হওয়া অ্যাকাউন্টের সংখ্যা এ সময়ে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টি, যা মার্চের শেষের ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুন শেষে কোটিপতি অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা ছিল ৮ লাখ ৯০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, আস্তে আস্তে তা কমে সেপ্টেম্বরের শেষের হিসাবে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি। অর্থাৎ তিন মাসে মোট ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, কোটিপতি হিসাব বলতে শুধুমাত্র ব্যক্তির হিসাব বোঝানো হয় না। একজন ব্যক্তির বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, এবং তারা সরকারি, বেসরকারি বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানেরও হয়ে থাকতে পারে। এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট থাকায় এটি প্রকৃত কোটিপতি সংখ্যা দেখানোর ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন, যা সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৭৫ সালে ৪৭, ১৯৮০ সালে ৯৮, ১৯৯০ সালে ৯৪৩, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ এবং ২০০৮ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৬৩টি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংখ্যা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০, ২০২১ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮ এবং ২০২৪ সালে তা পৌঁছেছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি কোটিপতি অ্যাকাউন্টে। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বাংলাদেশের ব্যাংক সার্কেল ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর অনেক কিছুই প্রতিফলিত করে।

  • সোনার দাম ভরিতে বাড়লেন ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বাড়লেন ৩৪৫৩ টাকা

    দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম, যা মোটেই ছোট পরিবর্তন নয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) ঘোষণা অনুযায়ী, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকায়, যা আগের値 ছিল দুই লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকায়। নতুন দাম তাৎক্ষণিকভাবে আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে জানানো হয় এবং এটি আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকায়।

    অপরদিকে, এর আগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকায়।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে অবশ্যই যোগ করতে হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভিন্নতার কারণে মজুরি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

    অন্যদিকে, রুপার মূল্যও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা।

    এর আগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ছিল ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ২ হাজার ৬০১ টাকায় বিক্রি হতো।

  • দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম নির্ধারণ

    দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম নির্ধারণ

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দামের উর্ধ্বগতি চলল। ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সোমবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম কিছুটা কমলেও, অন্যান্য ধরণের সোনার দাম বাড়ার কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অতীতে, ১৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় দেশের বাজারে সোনার দাম আরও সমন্বয় করা হয়। ওই সময় ১ হাজার ৪৭০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকায়।

    নতুন দাম অনুযায়ী, এখন দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য দাঁড়াবে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম পড়বে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা।

    তবে, সোনার দাম বেড়ে গেলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকায়। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য রুপার দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৩ হাজার ৭৩২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকায়।

  • দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচারকৃত অর্থের বিশাল এক অংশ উদ্ধার করতে দেশের আদালত ও আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর সঙ্গে আরও ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি যুক্ত করে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ এখন সংযুক্ত এবং অবরুদ্ধ রয়েছে। এই তথ্য মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। মূল লক্ষ্য হলো মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করা এবং এর জন্য আইন সংশোধনসহ নীতি গ্রহণ। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এই সময় বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে ব্যবহৃত আইনগুলো যুগোপযোগী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া, বিদেশে পাচারের অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি কেসের জন্য গঠিত দল দ্রুত কার্যকর করছে। ইতিমধ্যে ১০৪টি মামলা দায়ের, ১৪টিতে চার্জশিট দাখিল এবং ৪টি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। দেশ ও বিদেশে সংযুক্ত সম্পদগুলো সংরক্ষণ ও অবরুদ্ধের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ চলমান। সব মিলিয়ে, দেশের ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ হয়েছে, যা মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা। এই অজুহাতে আরও ২১টি হাতিয়ে নেওয়া মামলার তদন্ত ও বিচারের জন্য বিভিন্ন দেশে অনুমোদিত মারফত পাঠানো হয়েছে। সভায় নির্দেশ দেওয়া হয় যে, পরিস্থিতি যত দ্রুত সম্ভব নিরীক্ষা, চার্জশিট দাখিল, মামলার নিষ্পত্তি ও সংশ্লিষ্ট দেশে তদন্ত কার্যক্রম চালাতে হবে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ তার আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা পালন করছে, যার অংশ হিসেবে অগাস্ট ২০২৭-এ এশিয়া পাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর ৪র্থ পর্যায়ের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন অনুষ্ঠিত হবে। সভায় এই কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। এছাড়াও, সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সদস্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধানরা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনেছে ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনেছে ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

    চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসীদের কাছ থেকে বৈদেশিক আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলस्वরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলার উদ্বৃত্তের অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং দেশের মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ (সোমবার) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে।

    মুল্য নির্ধারণে একাধিক দামে বিক্রির (এমপিএ) পদ্ধতিতে চলে এই ডলারের ক্রয়, যেখানে ডলারের বিনিময় হার ছিল প্রায় ১২২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মোট ২ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন ডলার বা আনুমানিক ২.৮ বিলিয়ন ডলার ডলার কেনা হয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসের প্রথম দশ দিনে দেশের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ১২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।

    অর্থাৎ, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সময়ে প্রবাসী আয় মোট ১ হাজার ৪৩৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিসহ ব্যাংকিং খাতের উন্নতিতে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও স্বস্তির অবস্থানে আছে।

    উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে থেকে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যার অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা।

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বরে আবার তা বৃদ্ধি পেয়ে অবস্থান করল ৮.২৯ শতাংশে। এর আগে অক্টোবরে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ এবং গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় এটি কম ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ সংক্রান্ত এক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৭.৩৬ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.০৮ শতাংশ। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, টানা দুই মাস ধরে খাদ্যপণ্যের দামের বৃদ্ধি কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গত তিন বছরের বেশিরভাগ সময়ই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। বিশেষ করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.০৩ শতাংশ, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

    বিবিএস জানায়, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.০৪ শতাংশ। অর্থাৎ, মজুরি বৃদ্ধির হার কিছুটা হলেও কমে এসেছে মূল্যস্ফীতির হার থেকে, যা এক ধরনের শুভ संकेत হতে পারে।

    মূল্যস্ফীতি কমে যাওয়া মানে এই নয় যে, বাজারে জিনিসপত্রের দাম অতিক্রমে কমে গেছে। বরং এর মানে এই যে, অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই মাসে কিছুটা দাম বৃদ্ধি ধীরগতিতে হয়েছে।

    দীর্ঘ দিন ধরে অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তারা বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়, যেমন সুদের হার বাড়ানো এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্কে রেয়াত, যেন বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। এর পাশাপাশি এনবিআর কিছু পণ্যে শুল্ক-কর কমিয়ে এনে আমদানি প্রবাহ ঠিক রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়, যাতে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহের স্বাভাবিকতা বজায় থাকে।