Category: অর্থনীতি

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিল করেছে এবং আগের মুনাফার হারই বহাল রেখেছে। রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত মুনাফার হার, যা জানানো হয়েছিল, তা চলতি ছয় মাসেও একই রকম থাকবে। গত বৃহস্পতিবার সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর ঘোষণা দেয়, যা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল কারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এ হারটির উপর অধিকাংশ আর্থিক ভিত্তি বানিয়ে থাকেন। পরে, রোববার অফিসের উচ্চ পর্যায় থেকে প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আগের হার বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর, প্রধান উপদেষ্টা থেকে সম্মতি নিয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বর্তমানে সরকারি সঞ্চয়পত্রের চার ধরনের স্কিম রয়েছে, যার মধ্যে সাড়ে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের জন্য আলাদা মুনাফা নির্ধারিত। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কিছুটা কমানো হয়। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। মেয়াদ শেষের আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙালে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছর শেষে মুনাফা কমে যায়। মূল টাকা থেকে নির্দিষ্ট হারে সুদ কেটে নেওয়া হয়। পরিবার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ, যা আগে কমিয়ে ১০.৪৪ শতাংশ করা হয়েছিল। তবে নতুন প্রজ্ঞাপন আবার আগের হারই ফিরিয়ে এনেছে। একইভাবে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের মুনাফার হার ১১.৮০ শতাংশ থেকে পরিবর্তিত না করে আগের মতোই রাখা হয়েছে। গত বছরের জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদহার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। বর্তমানে, ৫ বছর ও ২ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদহার অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের হার নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমায় সরকার গত বৃহস্পতিবার আবারও এই হার কমানোর ঘোষণা দেয়, যা ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কেনা সঞ্চয়পত্রে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। মূলত, দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সঞ্চয়পত্রের প্রধান গ্রাহক। সংগঠিত সময়ের মধ্যে তারা সঞ্চয় ভেঙে অর্থপ্রয়োজন মেটান বা মাসিক খরচ চালানোর জন্য এই উপার্জন উপর নির্ভর করেন। মূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা কিছুটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। যদিও কয়েক মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে, সেটি এখনও ৮-৯ শতাংশের মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমালোচনা উঠছে। অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, এই হার কমানো অপ্রয়োজনীয় এবং স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, মুনাফার হার যেন অপরিবর্তিত থাকে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে বিনিয়োগ করে অর্থ সুরক্ষিত রাখতে পারে।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেষ্টা করছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেষ্টা করছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে এলপিজির দাম বাড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, কেউ কেউ আশাকরছিলেন এলপিজির দাম আরও বাড়বে, যা বর্তমানে বিইআরসি দ্বারা নির্ধারিত ৫৩ টাকার কাছাকাছি বা তার বেশি হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে কিছু ব্যবসায়ী এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই জন্য আমরা কেবিনেট সেক্রেটারিকে নির্দেশ দিয়েছি যেন প্রতিটি জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হয় এবং এ বিষয়টি মনিটরিং করা হয়। পাশাপাশি, গতকাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকেও এই বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এই অস্বাভাবিক মূল্যের বৃদ্ধি প্রকৃতির নয়, বরং এটি একটি কারসাজির মাধ্যমে করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ-কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারা এই কারসাজির সঙ্গে জড়িত, জানতে চাইলে উপদেষ্টা জানান, মূলত খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীরা মিলেই এ চক্রান্ত করেছেন।

  • বছরের প্রথম দিনেই সোনার ভরি দামে ভিন্নতা, কমল ১৪৫৮ টাকা

    বছরের প্রথম দিনেই সোনার ভরি দামে ভিন্নতা, কমল ১৪৫৮ টাকা

    নতুন বছর শুরু হতেই দেশের বাজারে আবারও সোনার দামে পরিবর্তন এসেছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১৪৫৮ টাকা। ফলে এখন এই ধরনের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লক্ষ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, বাংলাদেশে স্থানীয় বাজারে এই দাম পরিবর্তনের জন্য বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন দামের এই ঘোষণা শুক্রবার ২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে সোনার মূল্যে এই সমন্বয় করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    নতুন দামে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২ লক্ষ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়াও, অন্যান্য মানের সোনার দাম এইভাবে নির্ধারিত হয়েছে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লক্ষ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট ও বাজুসের ৬% ন্যূনতম মজুরি অবশ্যই যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    এর আগে, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করে বাজুস। তখন ভরিতে ২৭৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দামে নতুন করে ২ লাখ ২১ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। এছাড়া অন্যান্য মানের দামে আনুগত্য ছিল।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৬৪ বার ও কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও এসেছে পরিবর্তন। ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকার মধ্যে। অন্যান্য মানের রুপার দাম এইরকম: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    এটি দেশের বাজারে প্রথম রুপার মূল্য সমন্বয়। গত বছর রুপার দাম ১৩ বার পরিবর্তন হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বৃদ্ধি ও ৩ বার হ্রাস ছিল।

  • ডিসেম্বরে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা প্রবাসী আয়ে

    ডিসেম্বরে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা প্রবাসী আয়ে

    দিন দিন দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশি প্রবাসীরা বৈধ পথেঋ মাধ্যমে দেশের জন্য পাঠিয়েছেন যথাক্রমে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এই পরিমাণ দেশে বিপুল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন নজির স্থাপন করেছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এটি নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহের রেকর্ড। এর আগে মার্চ মাসে এই পরিমাণ ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এসব তথ্য সম্বলিত হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাবার ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। একই সময়ের মধ্যে আগে অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৬৯ কোটি ডলার বা প্রায় ৩১ শতাংশ। চলমান অর্থবছরে ডিসেম্বর পর্যন্ত রেমিট্যান্সের প্রবাহ ছিল সুদৃঢ়, যেখানে বাংলাদেশে এ সময়ের জন্য রেমিট্যান্স এসেছে ২২০ কোটি ডলার। এই সময়ে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ বেড়েছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারে বা ১৮ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, নানা প্রণোদনা ও ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো আরও সহজ ও নিরাপদ করেছে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত হয়েছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল যথাক্রমে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    অর্থবছর ২০২৪-২৫ এর শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ রেকর্ড ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। এর আগে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। এই প্রবাহ দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকার আশা ব্যক্ত করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আবার কার্যকর

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আবার কার্যকর

    সরকার মাধ্যম্যকালীন সময়ে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের হারগুলো নিশ্চিত করে দিয়েছে। রোববার এই বিষয়টি জানিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার আগামী ছয় মাসের জন্যও একই থাকবে। গত বৃহস্পতিবার সরকার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়। তবে, এই সিদ্ধান্ত বেশ কয়েকজনের মধ্যে সমালোচনার জন্ম দেয়, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবার ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যারা তাদের জীবনযাত্রার জন্য এই বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।

    খবর অনুসারে, রোববার অফিস খোলার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে এই প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয় এবং পূর্বের হারে মুনাফা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর, প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন নিয়ে আবার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

    বর্তমানে রাষ্ট্রের চার ধরনের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। এসব সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে বিভিন্ন মেয়াদে নির্দিষ্ট হারে সুদ দেওয়া হয়। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কিছুটা কমে যায়। একজন বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ পান। সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর সময়, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছর শেষে মুনাফা কম পাওয়া যায়। যেখানে মুনাফার টাকা পরিশোধ করা হয়, সে ক্ষেত্রে মূলধন এবং নির্দিষ্ট হারে মুনাফা সমন্বয় করা হয়।

    পরিবার সঞ্চয়পত্রে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ। এই হার আগে কমে ১০.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে এই হার পূর্বের মতো রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১.৮০ শতাংশ থেকে ১০.৪১ শতাংশে নামানো হয়েছিল, কিন্তু এখন সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের জন্য একই হার পুনঃনির্ধারিত হয়েছে।

    গত বছরের জানুয়ারির পর থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হচ্ছে। সর্বশেষ ৬ মাসের বাজার নিলামের ভিত্তিতে ৫ বছর ও ২ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুযায়ী এই নিয়ম চালু হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমানো হয় এবং এ জন্য গত বৃহস্পতিবার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই হার ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কেনা সঞ্চয়পত্রে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

    সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোই মূল গ্রাহক যারা নানা পরিস্থিতিতে সঞ্চয়পত্র ভেঙে প্রয়োজনের খরচ চালান বা মাসিক জীবিকার জন্য আয়ের অংশ হিসেবে এই বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করেন। মূল্যস্ফীতির কারণে গত দুই বছরে মোটা দাগে দাম বেড়ে গেছে, যদিও সাম্প্রতিক মাসে সামান্য কমলেও এখনও তা ৮ থেকে ৯ শতাংশের কাছাকাছি। এই পরিস্থিতিতে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সরকারের সমালোচনা শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই হার কমানো উচিত নয়, বরং তাদের জন্য এই সুবিধা রক্ষা করা জরুরি, যাতে তারা জীবনযাত্রায় সহজ সুবিধা পান।

  • একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দাম বড় লাফ

    একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দাম বড় লাফ

    বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে আবার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে জুয়েলার্স সমিতি, বাজুস। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব আগামী ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে কার্যকর হবে। প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যার ফলে উচ্চমানের সোনার দাম পৌঁছেছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকায়।

    বাজুসের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দামের বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪৪৪৫ ডলার পৌঁছেছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণের বিভিন্ন ক্যারেটের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    অন্যদিকে, রুপার দামও বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান শনিবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গ্যাসের (এলপিজি) এর অপ্রত্যাশিত দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা একত্রে একটি কারসাজির মাধ্যমে এই দাম বাড়িয়েছেন। তিনি বলেন, কিছু ব্যবসায়ীর প্রত্যাশা ছিল যে এলপিজির দাম আরও বাড়বে, কারণ বিইআরসির মূল্য ৫৩ টাকা বা তার কাছাকাছি বেড়েছে। এ সুযোগ নিয়েই তারা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। উপদেষ্টা আরও জানান, তিনি সরকারের কেবিনেট সেক্রেটারিকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে প্রতিটি জেলায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দামের এই অস্বাভাবিকতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এটি একটি অপ্রকাশ্য কারসাজির ফল বলে তিনি উল্লেখ করেন, যা সরকারের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে ঠেকানো হবে। তিনি মন্তব্য করেন, গতকাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়ও এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে—জেলা প্রশাসন এবং পুলিশের মাধ্যমে। উপদেষ্টা বলেন, এই কারসাজির পেছনে মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা হাত মিলিয়ে এই অপ্রত্যাশিত দাম বাড়িয়েছেন।

  • ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকার বেশি

    ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকার বেশি

    দিন দিন দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ পথে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এই অর্থের বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকার হার ধরে গণনা করা হয়)। এটি এখন পর্যন্ত নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার প্রবাসী আয়ের রেকর্ড ছিল। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকার মতো। আর আগের অর্থবছরে একই সময়ের মধ্যে তা ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের তুলনায় এই সময়ের রেমিট্যান্সে প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৩১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে প্রবাসী পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২২০ কোটি ডলার। এই সময়ের মধ্যে মোট রেমিট্যান্স বেড়ে গেছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৮ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা, এবং ব্যাংকিং সেক্টরের উন্নয়ন রেমিট্যান্সের অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ দেখানো হলো: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    অপর দিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সর রেকর্ড প্রবাহ দেখা গেছে। ওই অর্থবছর শেষে দেশের রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ২৩.৭৪ বিলিয়ন ডলার।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের হারগুলি আবারো চালু করেছে। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই পরিবর্তন ঘোষণা করে। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসূত্রে মুনাফা দেওয়া হতো, সেই হারগুলো দুই বছর মেয়াদে আবারো কার্যকর হবে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছিল, যা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভরশীল থাকায় এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও ক্ষতিকর ছিল।

    সূত্রে জানা যায়, রোববার অফিস খোলার পরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আবারো আগের হারগুলো ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর এ বিষয়ে chief advisor এর অনুমোদন নিয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    বর্তমানে সরকার সঞ্চয়পত্রের চার ধরনের স্কিম চালু রেখেছে, যার মধ্যে পার্সোনাল, পরিবার ও পেনশনভিত্তিক সংকলন রয়েছে। প্রতি ক্ষেত্রে, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত মুনাফা হার ছাড়াও, বৃহৎ বিনিয়োগের জন্য আলাদা হারে মুনাফা দেওয়া হয়। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। এর পাশাপাশি, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যদি সঞ্চয়পত্র ভাঙানো হয়, তবে মুনাফা কম পাওয়া সম্ভব।

    পরিবার সঞ্চয়পত্রে, ৫ বছরের মেয়াদে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের জন্য পূর্বে ১১.৯৩% মুনাফার হার ছিল, যা কিছু দিন আগে ১০.৪৪% এ নামানো হয়েছিল। তবে প্রজ্ঞাপনে এখন আবার সেটির হার আগের মতো রেখে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

    ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুযায়ী নির্ধারিত হচ্ছে। ৫ ও ২ বছরের মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সর্বশেষ নিলাম ভিত্তিক সুদ হার অনুসরণ করে সেটি নির্ধারণ হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদ হার কমায়, ফলে গত বৃহস্পতিবার সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কেনা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমে এসেছে।

    সাধারণ গ্রাহকরা মূলত: দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো, যারা অর্থের অপ্রত্যাশিত প্রয়োজন বা জরুরি সময়ে সঞ্চয়পত্র ভেঙে থাকেন। পাশাপাশি, প্রতিমাসে সংসার চালানোর জন্য টাকা ছাড়াও এই বিনিয়োগ থেকে উপার্জিত মুনাফা তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে দাম বৃদ্ধির হার ৮-৯% এর কাছাকাছি থাকায়, এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে বাজে ফেলে। বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই হার না কমানোই উচিত ছিল। প্রাথমিকভাবে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, এখনও এর স্থিতিশীলতা পুরোপুরি আসেনি, তাই নিয়ে সরকারের সমালোচনা চলছে।

  • বছরের প্রথম দিনেই সোনার ভরির দাম কমে ১৪৫৮ টাকায়

    বছরের প্রথম দিনেই সোনার ভরির দাম কমে ১৪৫৮ টাকায়

    নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশের বাজারে আবারো সোনার মূল্য কমানো হয়েছে। সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা, যার ফলে এখন একটি ভরি সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।