Category: অর্থনীতি

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনল সরকার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনল সরকার

    সরকার মঙ্গলবার রোববারের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আগের অবস্থায় বহাল রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে, আগের মতোই আগামী ছয় মাস (১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর) সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত থাকবে। এর আগে বৃহস্পতিবার সরকার এই হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, যা সমালোচনার মুখে পড়েছিল। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও অবসরপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য এই সঞ্চয়পত্রের আসল আয়ের উপর নির্ভরশীলতা বেশি, তাই এই পরিবর্তন নিয়ে মতভেদ দেখা দেয়।

    জানা যায়, রোববার সরকারি উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক শেষে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আবারও পূর্বের মুনাফার হার চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন নিয়ে নতুন করে এর নির্দেশনা জারি করা হয়।

    বর্তমানে সরকারে চারটি ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, এর মধ্যে বিশেষ করে পরিবার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে maximum ৭৫০,০০০ টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য আলাদা নীতিমালা আছে। সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩%, যা নতুন প্রজ্ঞাপনে পূর্বের হারই বহাল রাখা হয়েছে। যেখানে, বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে (৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি) হার ছিল ১১.৮০%, যা ঠিকই অপরিবর্তিত থাকছে।

    অতীতে, দেশে মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কিছুটা কমানো হয়েছিল। যেমন, ৫ বছরের সরাসরি মুনাফার হার ১১.৯৩% থেকে কমে ১০.৪৪% করা হয়, আর ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হার ১১.৮০% থেকে ১০.৪১% এ নামানো হয়। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের হারে আগের মতোই এমনি থাকবে।

    গত বছর জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদহার সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত হচ্ছে, যা গত কিছু মাসে কমেছে। এর ফলে, গত বৃহস্পতিবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধের জন্য এই হার কার্যকর থাকবে।

    সাধারণ গ্রাহকরা মূলত মধ্যবিত্ত পরিবার। অর্থাৎ, জীবনযুদ্ধে নিজেদের সঞ্চয় রক্ষা করতে সঞ্চয়পত্রই তাদের প্রধান সামগ্রী। অর্থনীতির সব সংকটে তারা এই সঞ্চয় ভেঙে খরচ চালান। অনেকে পাইয়ে থাকেন মূল টাকার ওপর ভিত্তি করে বছরে একবার পয়েন্ট অনুযায়ী মুনাফা পান। কিন্তু বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষ চাপে পড়ে গেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনও ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে, সরকারের এই সিদ্ধান্তে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদ বলেন, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই হার না কমানোই উত্তম। এ ছাড়া সাধারণ মধ্যবিত্তরা মনে করেন, সরকারের অতি দ্রুত এই পরিবর্তন বাবদ তাঁদের জীবনযাত্রা ঝুঁকি মধ্যে পড়তে পারে।

  • একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় বৃদ্ধি

    একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় বৃদ্ধি

    বাংলাদেশের জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) একটি নতুন ঘোষণা দিয়ে বলেছে, দেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে আবারও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেল। এর ফলে মানসম্পন্ন সোনার দাম পৌঁছে গেছে দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার বেশি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে আগামী ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে। সংগঠনের মতে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বাড়ার কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে।

    বিশ্ব বাজারের তথ্যমতে, গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রত আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪৪৪৫ ডলার।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য উঠেছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত মূল্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    এছাড়াও, স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা। এরপর, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।

  • ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র সরকারের পক্ষে মূল্যস্ফীতির হার কমানো সম্ভব নয় যদি না ব্যবসায়ীরা তাদের সহযোগিতা প্রকাশ করে। তিনি আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের সপ্তম সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানো খুবই চ্যালেঞ্জিং। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত বেশ স্থিতিশীল হয়েছ, কিন্তু এখনি সুদের হার কমানো সহজ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটির সহযোগিতা ছাড়া সরকারের পক্ষে মূল্যে নিয়ন্ত্রণ আনা কঠিন।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, দীর্ধ দিন ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে বেশ অনিয়মের মাধ্যমে কিছু সুবিধাভোগী ঋণ নিয়ে লোপাট ও অর্থ পাচার করেছে, যার ফলে ব্যাংক খাতের অবস্থা খুব খারাপের দিকে গড়িয়েছে। পরবর্তীতে অস্থায়ী সরকারের সময় এসব দুর্নীতির তথ্য বের হয়ে আসে এবং ব্যাংকখাতে নানা সংস্কার চালু হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হলেও বর্তমানে ব্যাংকিং খাত বেশ স্থিতিশীল। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ব্যাংক সুদের হার কমালে সমাধান হয় না, কারণ মূল্যস্ফীতি কেবল আর্থিক নীতির ওপর নির্ভর করে না। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ট্রেজারি বিলের হার কমে গেছে, যা বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। যদি সরকার ট্রেজারি বিল বা ঋণ বাড়ায়, তবে মানুষ ব্যাংকে অর্থ রাখবেন না, বরং সঞ্চয়পত্র বা ট্রেজারি বিলের দিকে ঝুঁকবে, যা অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। তিনি বলেন, ব্যাংক সংস্থাগুলি মূলত সঞ্চয় ও ক্রেডিটের মাঝে সম্পর্ক তৈরি করে, যা ব্যাংকারদের পাণি।

    অর্থাৎ, তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্যাংকিং খাত সাধারণত স্থিতিশীল থাকলেও, ইনফ্লেশনের মাত্রা উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ইনফ্লেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র মনিটারি নীতিই যথেষ্ট নয়, বরং অর্থনীতির অন্যান্য দিক নিয়েও নজর দিতে হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, শুল্ক বা জরিমানা দেওয়ার মাধ্যমে বা চাঁদাবাজি করে সমস্যা সমাধান হয় না।

    অর্থ উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, কমিউনিটি, হোলসেলার ও রিটেইলার ট্রেডারদেরও সহায়তা দরকার। বাজারের স্বচ্ছতা ও মনিটরিংয়ের জন্য সরকারের সহায়তা জরুরি। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ফিসক্যাল ও মনিটারি নীতির পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংস্থা ও অন্যান্য সংগঠনের সহযোগিতা ও সজাগ দৃষ্টি দরকার।

    অনুষ্ঠানে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এখনো দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি মনে করেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বস্তি আনার জন্য অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি পরবর্তী সরকারকে সব ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো এবং অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।

    এছাড়া, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিবিএ) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা পরিকল্পিতভাবে গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (6 জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন। কথাগুলো বলার সময় তিনি উল্লেখ করেন, অনেকের জন্য আশার কথা ছিল যে, এলপিজির দাম আরও বাড়বে। কারণ বিইআরসি ইতিমধ্যে দাম ৫৩ টাকা নয়, বরং আরও বেশি কিছু নির্ধারণ করেছে। এর কারণে অনেক ব্যবসায়ী সুযোগ নেওয়ার চেষ্টাও করছে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে সরকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রত্যেক জেলায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধির কারণগুলো পর্যবেক্ষণ করতে। এ বিষয়ে গতকাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়ও আলোচনা হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কোনও কারণ নেই, বরং এটি এক ধরনের কারসাজি। সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশের মাধ্যমে। কারা এই কারসাজির সঙ্গে জড়িত, তা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিলেমিশে এই ব্যাপারটি ঘটিয়েছে।

  • এক দফা কমার পর ফের বাড়ল সোনার দাম

    এক দফা কমার পর ফের বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বেড়ে গেছে, এক দফা কমার পরই এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ১০৫০ টাকা বাড়ানোর মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এই নতুন দাম আজ থেকেই কার্যকর হবে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্পূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি মানে, এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা।

    আরও জানা যায়, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা। সবশেষে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ জানুয়ারি বাজুস দেশে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল, তখন ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের দামের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। সেই সময়ে অন্য ক্যাটাগরির দামও কমানো হয়েছিল।

    এটি হলো এই বছর দেশের বাজারে পঞ্চমবারের মত সোনার দাম সমন্বয়, যেখানে দাম তিন দফা বেড়েছে আর কমেছে দু’দফা।

  • ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ঐতিহাসিক ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ঐতিহাসিক ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    দিন দিন দেশের প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন করে আরও স্পষ্ট হলো ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশিরা তাদের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেশে পাঠিয়েছেন। দেশের মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে গণনা করা হয়েছে)। এটি গত নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এ পরিমাণে ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার এই খতিয়ন প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। অতীতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের শীতলতা লক্ষণ দেখিয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া কৌশল, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি, প্রণোদনা ও নিয়ন্ত্রণে থাকা নানা উদ্যোগের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি এসেছে।

    অর্থবছরে প্রতি মাসে প্রবাসীরা কোন পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, তা যদি প্রতিটি মাসের হিসাব দেখি, তবে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, এবং নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। এই প্রবাহের ধারাবাহিকতায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর সিদ্ধান্ত সরকার বাতিল করে আগের হারে পুনঃস্থাপন করেছে। রোববার, এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থমন্ত্রী কার্যালয়, যা ভবিষ্যত ছয় মাসের জন্য সেই একই হার বহাল রাখে। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার নির্ধারিত ছিল, আগামী ছয় মাসেও তা অপরিবর্তীত থাকবে। গত বৃহস্পিতবার সরকার প্রথমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর প্রস্তাব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, কিন্তু এ সিদ্ধান্ত তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। উল্লেখ্য, মধ্যবিত্ত শ্রেণী, বিশেষ করে অবসরে যাওয়া ব্যক্তিরা এই সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভরশীল, তাই এই হারে পরিবর্তন বেশ চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    জানা যায়, রোববার অফিস খোলার পর উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং আগের হারই বজায় রাখতে সম্মত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুমোদন নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে আগের মতোই হার নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ধরণের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। এই স্কিমে এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে সাত লাখ পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে বা এর বেশি হলে আলাদা আলাদা মুনাফা দেওয়া হয়। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, কিছুটা কম মুনাফা দেওয়া হয়। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। মেয়াদ শেষে বা ভাঙালে, নির্ধারিত হারে মুনাফা দেওয়া হয়। একইভাবে, পরিবারের জন্য বিশেষ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার নিচে বিনিয়োগের জন্য পাঁচ বছরের মেয়াদে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩ শতাংশ, যা নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের মতোই রক্ষা পেয়েছে। সাড়ে সাত লাখের বেশি বিনিয়োগে হার ১১.৮০ থেকে ১০.৪১ শতাংশে নামানো হয়েছিল, তবে এখন সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের জন্য পুরনো হারই চালু থাকবে।

    গত বছর জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের সঙ্গে সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়, যেখানে ৫ ও ২ বছরের ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুযায়ী এই হার নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে, গত বৃহস্পতিবার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে হার কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন কেনা সঞ্চয়পত্রে কার্যকর হবে।

    সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই সঞ্চয়পত্রের সবচেয়ে বড় গ্রাহক। দুর্যোগ বা জরুরি মুহূর্তে এই সঞ্চয়পত্র ভেঙে অর্থ সংগ্রহ করেন তারা। পাশাপাশি, প্রতিমাসে খরচ চালাতে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে অর্থ আসে। বর্তমানে, দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে, দুই বছর বা তার বেশি সময় ধরে মূল্যবৃদ্ধি চলমান থাকায়, এই হার কমানোর সিদ্ধান্ত চাইলেও মালিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতিবিদরাও এ বিষয়ে বিশেষ বিবেচনার পর, কম আয়ের মানুষজনের জন্য এই হার কমানো উচিত নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।

  • শেষদিকে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা, রুপার দামও কমেছে

    শেষদিকে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা, রুপার দামও কমেছে

    নতুন বছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে দেশের বাজারে আবারও সোনার মূল্যে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে, দেশের সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে গেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। ফলে এখন একটি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা ২২ ক্যারেটের সোনার দাম কমে যাওয়ার পর নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই দাম কার্যকর হবে আজ, শুক্রবার ২ জানুয়ারি থেকে।

    বাজুস বলেছে, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এবং প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে, এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যা সংগঠনের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির গ্রাহকদের জন্য প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে শেষবারের মতো সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ধার্য করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। অন্যান্য ক্যাটেগরির দাম ছিল, ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এ দাম কার্যকর হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকে।

    ২০২৫ সালে, মোট ৯৩ বার সোনার দাম দেশের বাজারে সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৬৪ বার, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

    সাম্প্রতিক সময়ে, রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভরিতে ৫২৫ টাকা হ্রাস পেয়ে, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অন্যান্য ক্যারেট অনুসারে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    এটি দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো রুপার দামের সমন্বয়। গত বছর, রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বেড়েছে ১০ বার এবং হ্রাস পেয়েছে মাত্র ৩ বার।

  • একদিনে ফের সোনার দামে বড় উর্ধ্বগতি

    একদিনে ফের সোনার দামে বড় উর্ধ্বগতি

    বাংলাদেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে দেশীয় জুয়েলার্স সমিতি, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে মানসম্পন্ন সোনার দাম এখন দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার ওপরে পৌঁছেছে।

    বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন দামের কার্যকরী তারিখ ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধি মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

    বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি সূত্রে জানা গেছে, এ সময়ের জন্য স্বর্ণের দাম বেড়ে বর্তমানে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৫ ডলার।

    নতুন দামে স্বর্ণের ভরি মূল্য হিসেবে দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন প্রথায় গোনা হলে ভরি দামে স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    তার পাশাপাশি, রুপার দামেরও বৃদ্ধি হয়েছে। ২২ ক্যারেটের ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৪১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা এক চতুরতা করে গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভার চারদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, যারা ধারণা করেছিলেন যে এলপিজির দাম বাড়বে, তাদের জন্য বোঝা যাচ্ছে বিইআরসি ৫৩ টাকা বা তার বেশি দামে তা নির্ধারণ করেছে। এ ব্যাপারে অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্ঠা করছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং কেবিনেট সেক্রেটারিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ানোর পেছনে কারসাজির বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি বলেন, এই অপ্রত্যাশিত দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধভাবে যুক্ত। সরকারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে এবং কারসাজি করার অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।