Category: অর্থনীতি

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক গতি দ্রুতই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। আগে যেখানে অর্থনীতিকে চাপে ফেলত অক্সিজেনের অভাব, যেখানে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করত তারল্যের অভাব, এখন সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো পূর্বে ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি মুনাফা করত, তবে এখন সরকারের অর্থনৈতিক নীতির কারণে তারা অস্বস্তিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে নাড়াচাড়া ও সঠিক ঋণগ্রহীতাকে বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোর হতে হবে।

    তিনি বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য মূল্যপণ্য সস্তা হওয়ায় দেশের আমদানির ওপর চাপ কমেছে।

    সুদ হার নিয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে এটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের টাকা আরও আকর্ষণীয় করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক বিতরণের চেয়েও বেশি। এছাড়া, বাজারে আরও ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর ফলে তারল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গভর্নর বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা ব্যবসায়ের ওপর কিছু প্রভাব ফেলেছে, তবে যাদের টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়নি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, খুব দ্রুত সুদের হার কমানো ঠিক নয় কারণ এতে অর্থনীতির বিনিময় হার ও বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা লক্ষ্য করা হয় যে ৫ শতাংশের নিচে নামাতে এখনো কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই রেমিট্যান্সের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চলমান, যেখানে সোমবার রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বেশি। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত, গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। মাসিক ও সাপ্তাহিক ডেটার পাশাপাশি এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি রিপোর্টও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণে সহায়তা করছে।

    অতীতের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই’র সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দেখা গেল দামের বিশাল উল্লম্ফন। এই মুহূর্তে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি। এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে আগামী মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি থেকে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা তাজা সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে এই মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামে যোগ হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি। গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে অনেক বেশি বা কম হতে পারে মজুরির পরিমাণ।

    সাম্প্রতিক আগে, গত ১৪ জানুয়ারি, একই সংগঠন দেশের স্বর্ণবাজারে দাম সমন্বয় করেছিল, তখন ভরিতে ২৷৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারিত হয়।

    এটি দেশের স্বর্ণবাজারে চলতি বছরের অষ্টম মূল্যসমন্বয়, যেখানে ছয় দফায় মূল্য বাড়ানো হয়েছে এবং দুটি দফায় কমানো হয়েছে।

    অতীতের মতো, রুপার দামের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ভরিতে ২৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

  • সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    দেশীয় বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এখন দেশের বাজারে সোনার মূল্য পৌঁছেছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার আশেপাশে, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্য।

    বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হলো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়া। আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে স্বর্ণের দাম এখন প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার ছাড়িয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারে এসে পৌঁছেছে।

    নতুন এই দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার একটি ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা। অন্য দিকে, ১৮ ক্যারেটের সোনার মূল্য এক লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার হার এখন এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা প্রতি ভরি।

    সোনামের পাশাপাশি ব metais রুপার দামেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা প্রত্যকে ভরি।

    বাজুসের এই ঘোষণা আজ থেকে কার্যকর হবে, যা দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

  • নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশ-কে উন্নত এবং আধুনিক ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগ্রহের অর্থের ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ফালাফলাত্মকতা বৃদ্ধি করা এবং পণ্য বিতরণের প্রক্রিয়াগুলিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    চুক্তির আওতায় নিপ্পন পেইন্ট ব্র্যাক ব্যাংকের ডেটা এপিআই ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করবে। এর ফলে, ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা ২০০টির বেশি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের তথ্য সরাসরি ইআরপি সিস্টেমে দেখা যাবে, যা সময় ও শ্রম খরচ যথেষ্ট কমিয়ে দেবে।

    এই সমঝোতার ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের দৃশ্যমানতা বাড়বে, রিসিভেবল ম্যানেজমেন্টের প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশনের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে। এই উদ্যোগ ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, অ্যান্ড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এরিয়া হেড এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং রিলেশনশিপ ইউনিটের এস এম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

    নিপ্পন পেইন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই যৌথ উদ্যোগটি প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির অংশ। ব্র্যাক ব্যাংক তাদের এই পরিষেবার মাধ্যমে কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের স্বতন্ত্র ব্যবসায়িক উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

  • মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা

    মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা

    আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যাতে সাধারণ জনগণের জন্য মোবাইল ফোনের দাম আরও সাশ্রয়ী হয়। এর ফলে মোবাইল ফোনের উত্পাদন ও আমদানির খরচ কমে গেলে, ক্রেতারা বেশি জনপ্রিয় ও সুবিধাজনক দামে মোবাইল কিনতে পারবেন।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল ফোনের ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি আগের ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশীয় মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নিধারিত হয়েছে। এবিষয়ে এনবিআর থেকে আজ পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যাকে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

    এনবিআর জানিয়েছে, এই শুল্ক কমানোর ফলে মোবাইল ফোনের উপর মোট শুল্কের হার ৬০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে, মোবাইল ফোনের আমদানি খরচ কমায়, মোবাইল প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও সমান হবে। বিশেষ করে, উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৫০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনের কারণে, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের প্রতি সম্পূর্ণ মোবাইল ফোনের দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা কমবে। এছাড়া, দেশে সংযোজিত সামগ্রী বা মোবাইল ফোনের দাম প্রতিটি প্রায় দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হ্রাস পাবে।

    সরকারের এই শুল্ক হ্রাসের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন কেনাকাটায় আরও সুবিধা পাবেন, এবং ডিজিটাল সেবাগ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোনের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

  • সোনার দামে ইতিহাসের নতুন রেকর্ড ভেঙে গেছে বাংলাদেশে

    সোনার দামে ইতিহাসের নতুন রেকর্ড ভেঙে গেছে বাংলাদেশে

    বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে নতুন এক ঘটনা ঘটেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, তারা দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুটি হাজার ৬২৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, ফলে দেশের স্বর্ণের মূল্য গণনায় নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এখন ভালো মানের সোনার দামের দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা পর্যন্ত, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চতম।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দাম বৃদ্ধির কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার মূল্য বাড়ার প্রবণতা। এ ঘটনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ও গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    বিশ্ববাজারের নির্ভরযোগ্য সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি থেকে জানা গেছে, স্বর্ণের বাজারে আউন্স প্রতি দাম চার হাজার ৬২০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য। এর ফলে বাংলাদেশে স্বর্ণের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    নতুন দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম now দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২২৪,০৭০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১৯১,৯৮৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অপর দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। এই দাম পরিবর্তনগুলো আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং বাজারে নতুন দামের প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সোনার দাম আবার রেকর্ড ছুঁল, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    সোনার দাম আবার রেকর্ড ছুঁল, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে, যা আবারও রেকর্ড গড়েছে। এই মোক্ষম পরিবর্তনের ফলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন মূল্য নির্ধারণ করে বলেছে, এবার ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। তাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে নতুন দামে বিক্রি শুরু হবে। বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এই আপডেটটি করা হয়েছে। ফলে, এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য দাঁড়াবে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেমন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৩০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার মূল্য ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। গবেষণা ও নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য হতে পারে। উল্লেখ্য, এর আগে ১৪ জানুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম সর্বশেষ সমন্বয় করে বাজুস, তখন ভরিতে ২ হাজার ৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল, যা ছিল দেশের এক ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই সময় অন্যান্য ক্যারেটের মূল্য ছিল ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা। দেশের বাজারে এই বছরে মোটামুটি অষ্টমবারের মতো সোনার দাম সমন্বয় করা হলো, যেখানে দাম ছয় দফা বাড়ানো ও দুই দফা কমানো হয়েছে। পাশাপাশি, রুপার দামেও বেড়েছে, ভরিতে ২৯১ টাকা বৃদ্ধি করে এখন ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ২৪০ টাকা। এই মূল্যও দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা।

  • নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

    ব্র্যাক ব্যাংক নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশকে আধুনিক ও উন্নত ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা সরবরাহ করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিপ্পন পেইন্টের ডিলার এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য রিসিভেবল ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করা হবে, যা তাদের আর্থিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও নির্ভুল করে তুলবে।

    চুক্তি অনুযায়ী, নিপ্পন পেইন্টের এপিআই ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংকের সর্বাধুনিক ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’-এর সাথে সংযুক্ত হবে। এতে করে প্রায় ২০০ জন ডিস্ট্রিবিউটরের সংগৃহীত অর্থের তথ্য সঙ্গে সঙ্গে তাদের ERP (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং) সিস্টেমে দেখা যাবে, যা নগদ প্রবাহের ব্যাপারে আরো স্পষ্টতা ও নিয়ন্ত্রণ আনবে।

    এই সহযোগিতার ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ অর্থের প্রবাহ সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণযোগ্য হয়ে উঠবে, রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হবে।

    ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল সিএফএ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম ও এরিয়া হেড অব রিলেশনশিপ ইউনিট এস এম মুসা।

    নিপ্পন পেইন্টের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এটি ব্র্যাক ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির অংশ, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা চালুর মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের ক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও আস্থার প্রসার ঘটানো হচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, তারা তাদের গ্রাহকদের জন্য এমন আর্থিক পরিবেশ সৃষ্টি করবে যেখানে তারা তাদের ব্যবসা আরও সুষ্ঠু ও টেকসইভাবে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, অর্থনীতি ও বিনিয়োগে স্পন্দন

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, অর্থনীতি ও বিনিয়োগে স্পন্দন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি চলছে। এই পরিবর্তনের কারণে বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক গতি আরো বেশি ত্বরিত হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, এই অর্থবছরে দেশের রিজার্ভ আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে এক বিশেষ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। যেমনটা অক্সিজেনের অভাব শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে, তেমনি তারল্য না থাকাও অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে এখন এই চাপ কমতে শুরু করেছে। আগে ব্যাংকগুলো অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি ছাড়াই অধিক মুনাফা করত, তবে এখন দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যাংকের জন্য কঠোর পরিশ্রমের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকগু্লোকের সঠিক ঋণগ্রহীতাদের খুঁজে বের করতে হবে।

    গভর্নর বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান বেশ উন্নতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ওপরে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পণ্যদ্রব্যের দাম কমার কারণে আমদানিতে চাপ কমছে।

    সুদের হার বর্তমানে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হলেও তিনি উল্লেখ করেন, বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকার প্রতি মনোযোগ বাড়িয়েছে। ফলস্বরূপ, মানুষ ডলার বিক্রি করে টাকা ক্রয় করছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তা থেকেও বেশি। বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তারল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আর্থিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব ব্যবসায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, যাদের টিকে থাকার সক্ষমতা আছে, সবাই সহায়তা পেয়েছেন। কোনো গোষ্ঠী বা দলের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হয়নি।

    গভর্নর সতর্ক করে জানিয়েছেন, অতো দ্রুত সুদের হার কমানো উচিত নয়, কারণ এতে বিনিময় হার ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, এখনো মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, এবং এর লক্ষ্য ৫ শতাংশের নিচে নামানো। এজন্য কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি যদি ১ শতাংশ কমে তবে সুদের হার আরও কড়া করা হবে। ইতিমধ্যে, বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যার মধ্যে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য। প্রতিদিন রেমিট্যান্সের প্রবাহ মনিটরিং করা হয়। গত সোমবার রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এই মাসে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্স আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। সাপ্তাহিক ও মাসিক তথ্যের পাশাপাশি ত্রৈমাসিক জিডিপি সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির বিশ্লেষণ সহজ করে তুলেছে।

    উপস্থিত ছিলেন এমসিসিআই এর সভাপতি কামরান টি রহমান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমে দাম কমতে পারে

    মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমে দাম কমতে পারে

    মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোনের আমদানি শুল্ক সরাসরি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মোবাইল ফোনের বাজারে দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। পাশাপাশি, দেশের মোবাইল উৎপাদনকারীদের জন্য উপকরণ আমদানিতে ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করবে।

    আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এ তথ্য জানিয়েছেন।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোন আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে সংশ্লিষ্ট শুল্কে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানদের জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে, মোবাইল ফোন সংযোজনের উপকরণের জন্য শুল্ক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।

    অর্থাৎ, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের মোবাইল ফোন আমদানি করলে আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা এবং সেই সাথে ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত কমবে।

    এমন শুল্ক হ্রাসের কারণে সব ধরনের মোবাইল ফোনের দাম ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে, যা ডিজিটাল সেবা গ্রহণে সহজতর করবে। সরকার বিশ্বাস করে, এই নীতি অব্যাহত থাকলে দেশের নাগরিকরা আরও সহজে আধুনিক যোগাযোগ সেবা উপভোগ করতে পারবেন। সরকারের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে যাতে সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন কিনতে ও ব্যবহার করতে আরো সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন।