Category: অর্থনীতি

  • সোনার দাম আবার রেকর্ডের নতুন শিখরে, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা

    সোনার দাম আবার রেকর্ডের নতুন শিখরে, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা

    বাংলাদেশের بازارেও সোনার দামে ব্যাপক বৃদ্ধি দেখা গেছে। আবারও নতুন রেকর্ড গড়ল এই মূল্যবান ধাতুটি, যা দেশের অর্থনীতির ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে গেছে। সম্প্রতি, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এই গতিকে ধরে, এক ভরি ২২ ক্যারেটের শোনা সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। এ ঘোষণা সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, এবং এই দাম আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, দেশে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের মূল্য আবারও বেড়েছে, যার কারণে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। পাশাপাশি, অন্যান্য ক্যারেটের জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে— ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৩০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির (পুরাতন ডিজাইন ও মান ভেদে) প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, সোনার বিক্রয় মূল্যতে সরাসরি সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মানের পার্থক্য অনুযায়ী মজুরির হারেও ভিন্নতা থাকতে পারে।

    অন্যদিকে, এর আগে ১৪ জানুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম ছিল সর্বোচ্চ ও একেবারে নতুন রেকর্ডের কাছাকাছি। তখন ভরিতে ২ হাজার ৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায়। এর আগে সেটি দেশের সর্বোচ্চ মূল্যে পৌঁছেছিল। সেই সময় অন্যান্য ক্যারেটের জন্য মূল্য ছিল ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।

    এভাবে, চলতি বছর পঞ্চমবারের মতো দেশের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ছয় দফা বাড়ানো ও দু’দফায় কমানো হয়েছে।

    অপর দিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রেও বড় ধাক্কা লেগেছে। ভরি প্রতি ২৯১ টাকা বাড়িয়ে নতুন রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়।

  • নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

    ব্র্যাক ব্যাংক নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশকে আধুনিক ও উন্নত ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা সরবরাহের জন্য একটি বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য টাকা সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ করে তোলা। এই সিস্টেমের মাধ্যমে তারা তাদের ভিসা ও পেমেন্ট সম্পর্কিত সব কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।

    চুক্তির অধীনে, নিপ্পন পেইন্ট ব্র্যাক ব্যাংকের ডিফল্ট API ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’-এর সাথে যুক্ত হবে। এই সংযোগের ফলে, প্রায় ২০০ জন ডিস্ট্রিবিউটর তাদের সংগ্রহকৃত অর্থের তথ্য অবিলম্বে নিপ্পন পেইন্টের ইআরপি (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং) সিস্টেমে দেখতে পারবেন। এতে করে তারা তাদের আর্থিক হিসাব-নিরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করতে পারবেন এবং একটুর জন্যও তথ্যের অস্বচ্ছতা থাকবেন না।

    এই সহযোগিতার ফলস্বরূপ নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের দৃশ্যমানতা আরও বাড়বে, রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের ফিন্যান্সিয়াল কন্ট্রোল আরও শক্তিশালী হবে। ব্র্যাক ব্যাংক এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন সেবা চালু করে কর্পোরেট গ্রাহকদের ক্ষমতায়ন করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং এরিয়া হেড অব রিলেশনশিপ ইউনিট এস এম মুসা।

    নিপ্পন পেইন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এই নতুন ট্রানজ্যাকশন সেবা ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেতা ও ব্যবসায়ী সমপ্রদায়ের জন্য আরও সুবিধাজনক এবং আধুনিকভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা তাদের অর্থ ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। ব্র্যাক ব্যাংক ভবিষ্যতেও প্রযুক্তির মাধ্যমে পেশাদারী সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে, যাতে করে তারা তাদের গ্রাহকদের জন্য আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও আস্থাপূর্ণ ব্যাংকিং পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি হবে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি হবে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হলো। এই পরিবর্তনের ফলে দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিনিয়োগে বাড়তি অগ্রগতি হবে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, চলমান অর্থবছরে দেশের বিদেশি রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    আহসান এইচ মনসুর আরও জানান, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। যেখানে আগে রিজার্ভের অভাবে অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হত, এখন সেই চাপ কিছুটা কমে গেছে। একসময় ব্যাংকগুলো ঝুঁকি বিনা মুনাফায় বেশি ঋণ দিতো, যা এখন পরিবর্তিত হয়েছে। এখন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং সঠিক ঋণগ্রহীতাকে চিহ্নিত করতে হবে।

    গভর্নর বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অগ্রগতি খুবই প্রগতি মূলক। মনে করি, চলতি অর্থবছরে দেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্বের বাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দাম কমার ফলে আমদানির চাপ কমেছে।

    সুদের হার নিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এটি এখন দেশের জন্য বড় চিন্তার বিষয়। তবে এখনকার বিনিময় হার স্থিতিশীল। টাকা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে, যার ফলে মানুষ ডলার বিক্রি করে টাকা নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তার চেয়েও বেশি। পাশাপাশি বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা তারল্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে।

    আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ঝটিকা ব্যবসায় মূলে প্রভাব ফেলেছে, তবে যারা টিকে থাকতে সক্ষম তাদের জন্য সহায়তা পাওয়া গেছে। কোনো গোষ্ঠী বা দল ভিত্তিক বৈষম্য হয়নি।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত দ্রুত সুদের হার কমানো ঠিক হবে না। এতে বিনিময় হার ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের উপরে রয়েছে, এর পতন লক্ষ্যে নিয়ে আরো সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলে নীতিগত সুদের হারও কমানো হবে। ইতিমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স ও আমদানি-রপ্তানির তথ্য। প্রতিদিনই রেমিট্যান্সের প্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই মাসে রেমিট্যান্স আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এখন পর্যন্ত ১৭০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। সাপ্তাহিক ও মাসিক ডেটার পাশাপাশি বর্তমানে ত্রৈমাসিক জিডিপির তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির বিশ্লেষণ আরও সহজ করে তুলেছে।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়া আরো বক্তব্য দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে

    সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে

    বাংলাদেশে সোনার বাজারে নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছানো এই দামটি এখন থেকে কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি বুধবার। গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরি মানের সোনার দাম এতো দিন থেকে এতো দিন পর্যন্ত বেড়ে এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এটি মূলত বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতির ফলাফল।

    বিশ্বের স্বর্ণমূল্য থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার প্রতি আউন্সের বেশি। এর ফলে দেশের বাজারে সোনার দামের এই উত্থান ঘটেছে।

    নতুন দামে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার ৭৪৬ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    এছাড়া, দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামেরও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ২২ ক্যারেটের রুপার এক ভরি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকায়, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ৪ হাজার ৮০২ টাকা। এই দামে এখন বিক্রি হচ্ছে দেশের গহনা বাজারের প্রয়োজনীয় ধাতু।

  • সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল

    এক দিনে আবারও দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে, যা নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে যে, প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের উচ্চ মানের সোনার দাম দুই লাখ ৫২ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ সোনার দাম হিসেবেই রেকর্ড করা হবে।

    বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে, এবং নতুন মূল্য আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সংগঠনের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য হু হু করে বাড়ছে।

    বিশ্বে স্বর্ণ ও রুপার দামের বিষয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা গেছে, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম অতিক্রম করেছে ৪ হাজার ৮০০ ডলার প্রতি আউন্সের মতো কঠিন স্তর।

    নতুন দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা, যেখানে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২০৬,৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম এখন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।

    এছাড়াও, সোনার দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে রুপার দামেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ৪ হাজার ২০০ টাকা। এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে গভীর প্রভাব ফেলেছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের মনে নানা প্রশ্ন বরং উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

  • ঐতিহাসিক রেকর্ড: এক ভরি সোনার দাম ছুঁলো ২ লাখ ৪৪ হাজার

    ঐতিহাসিক রেকর্ড: এক ভরি সোনার দাম ছুঁলো ২ লাখ ৪৪ হাজার

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সমিতি বলছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়ানোর ফলে ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার Zucker-এর ওপরে উঠে গেছে — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    বাজুস মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় এবং নতুন দাম আগামী ২১ জানুয়ারি বুধবার থেকে কার্যকর হবে বলেছে।

    সংগঠনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য বাড়তে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্র হিসেবে গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি থেকে জানা গেছে, বৈশ্বিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৭৪৫ ডলারের ওপরে উঠেছে।

    নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের মোট ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২,৪৪,১২৮ টাকা। অন্য শ্রেণির দামগুলো হল: ২১ ক্যারেট — ২,৩২,৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট — ১,৯৯,৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা — ১,৬৩,৮২১ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রূপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। জানানো হয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬,৫৯০ টাকা; ২১ ক্যারেট — ৫,২৯৯ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ৫,৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪,০৮২ টাকা।

    ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে বাজুসের এই নতুন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার, কারণ দাম কার্যকর হওয়ার পর বাজারে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন হতে পারে।

  • সোনার ভরি দাম ছুঁল রেকর্ড — ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা

    সোনার ভরি দাম ছুঁল রেকর্ড — ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা

    একদিনের ব্যবধানে ফের দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়ে রেকর্ড গড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার (২১ জানুয়ারি) জানায়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৪০ টাকা বাড়ানোর ফলে ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা ছাড়িয়েছে — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন এই দাম আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সমিতি বলেছে বৈশ্বিক বাজারে পিওর গোল্ড (তেজাবি সোনা) দামের ওঠানামার প্রভাবেই স্থানীয় বাজারে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্যদাতা গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ৪,৮০০ ডলারের কাছাকাছি উঠেছে, যেটিও স্থানীয় দর বাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

    নতুন প্রতি ভরি দর অনুযায়ী দামগুলো হলো:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৫২,৪৬৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৪০,৯৭৮ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ২,০৬,৫৬৯ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৯,৬৫৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়েছে। প্রতি ভরির রুপার মূল্য ধার্য করা হয়েছে:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৮৮২ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৬,৫৩২ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,৫৯৯ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ৪,২০০ টাকা

    বিশ্ববাজারের ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে দাম আবার পরিবর্তিত হতে পারে, বলে বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

  • সোনার দাম ছাড়ালো দুই লাখ  পাঁচ হাজার — প্রতি ভরিতে নতুন রেকর্ড

    সোনার দাম ছাড়ালো দুই লাখ পাঁচ হাজার — প্রতি ভরিতে নতুন রেকর্ড

    একদিনের ব্যবধানে ফের দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বাজুসের বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দর বৃদ্ধির ফলে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮,৩৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। নতুন দাম আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) বা পিউর গোল্ডের মূল্য বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও প্রভাব পড়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের মূল্য মনিটর করা ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে, বৈশ্বিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা দেশি বাজারে দর বাড়ার মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট বা সবচেয়ে ভালো মানের সোনার এক ভরির দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা। অন্য ক্যারেটের দাম হল:

    – ২১ ক্যারেট: দুই লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: দুই লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির সোনা: এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়েছে। নতুন দর অনুসারে রুপার দাম প্রতিভর বিভাজন করা হয়েছে এভাবে:

    – ২২ ক্যারেট রুপা: ৬ হাজার ৮৮২ টাকা

    – ২১ ক্যারেট রুপা: ৬ হাজার ৫৩২ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির রুপা: ৪ হাজার ২০০ টাকা

    বাজুসের এই ঘোষণার ফলে গহনা ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং বিনিয়োগকারীদের আচরণ প্রভাবিত হতে পারে। যারা সোনায় বিনিয়োগ করছেন বা নতুন গহনা কেনার পরিকল্পনা করছেন তাদেরকে দাম ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ: প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ: প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশে সোনার দাম ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে উঠেছে। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকায় পৌঁছেছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে নতুন এই দাম ২১ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি বলেছে, বৈশ্বিক বাজারে পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারে এ বাড়তি ধাক্কা লেগেছে। আন্তর্জাতিক স্তরের তথ্যে নজর রাখতে ব্যবহৃত গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি জানায়, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর বেড়ে প্রতি আউন্সে ৪,৭৪৫ ডলারের ওপরে পৌঁছেছে।

    নতুন স্থানীয় রেটে বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী প্রতি ভরির দামগুলো এমন:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৪৪,১২৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৩২,৯৮৮ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ১,৯৯,৭৪৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৩,৮২১ টাকা

    সোনার সঙ্গেই রুপার দামও বাড়েছে। বাজুসের দেওয়া রেট অনুযায়ী রুপার দামগুলো হলো:

    – ২২ ক্যারেট (রুপা): ৬,৫৯০ টাকা প্রতি ভরি

    – ২১ ক্যারেট: ৫,২৯৯ টাকা প্রতি ভরি

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,৪২৪ টাকা প্রতি ভরি

    – সনাতন পদ্ধতি: ৪,০৮২ টাকা প্রতি ভরি

    ব্যাংক, জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের জন্য এই পরিবর্তন নিশ্চিতভাবে ক্রয়-বিক্রয় পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলবে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্ধারিত নতুন রেটের ভিত্তিতেই আগামীদিনে বেচাকেনা হবে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসছে, যার ফলে বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধি হবে। এর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, চলতি অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে যাবে।

    সোমবার ১৯ জানুয়ারি রাতে গুলশানের মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

    আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। যেমন অক্সিজেনের অভাব শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে, তেমনি তারল্যের সংকটও অর্থনীতিকে চাপের মধ্যে ফেলে রেখেছিল। বর্তমানে সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। আগে ব্যাংকগুলো ঝুঁকি এড়াতে বেশ লাভজনকভাবে কাজ করত, তবে সরকারের সফল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ফলে এখন ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোরতা ও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে, যাতে সঠিক ঋণগ্রহীতাদের খুঁজে পাওয়া যায়।

    তিনি আরও জানান, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। আশার কথা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পণ্যের দাম কমায় আমদানির চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

    সুদের হার নিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করে গভর্নর বলেন, বর্তমানে সেই হার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার এখন মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের মুদ্রাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মানুষ ডলার ছেড়ে টাকা সংগ্রহে আগ্রহী হচ্ছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তার চেয়েও বেশি। এর পাশাপাশি বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকার সরবরাহ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তারল্য বেড়েছে।

    গভর্নর উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক ধাক্কার ফলে কিছু ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রভাবিত হয়েছে। তবে যারা টিকে থাকার মানসিকতা দেখিয়েছে, তারা এখনো সহায়তা পেয়ে এসেছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ওপর বৈষম্য করা হয়নি।

    তিনি সতর্ক করেন, তাড়াহুড়ো করে সুদের হার কমানো উচিত নয়। এতে দেশের বিনিময় হার ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, তাই এর হার সীমিত করার জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নামানো, যা সময়ের ব্যাপার। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতোমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক দৈনিক উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, এবং আমদানি-রপ্তানি তথ্য। রেমিট্যান্স প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। বর্তমানে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেশি, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। বছরে প্রথম দিকে এই প্রবাহের এই অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। সাপ্তাহিক ও মাসিক ডেটা ছাড়াও এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির মূল মানদণ্ড বিশ্লেষণে সহজতা বৃদ্ধি করেছে।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই-এর সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।