দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে, যা আবারও রেকর্ড গড়েছে। এই মোক্ষম পরিবর্তনের ফলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন মূল্য নির্ধারণ করে বলেছে, এবার ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। তাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে নতুন দামে বিক্রি শুরু হবে। বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এই আপডেটটি করা হয়েছে। ফলে, এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য দাঁড়াবে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেমন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৩০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার মূল্য ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। গবেষণা ও নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য হতে পারে। উল্লেখ্য, এর আগে ১৪ জানুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম সর্বশেষ সমন্বয় করে বাজুস, তখন ভরিতে ২ হাজার ৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল, যা ছিল দেশের এক ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই সময় অন্যান্য ক্যারেটের মূল্য ছিল ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা। দেশের বাজারে এই বছরে মোটামুটি অষ্টমবারের মতো সোনার দাম সমন্বয় করা হলো, যেখানে দাম ছয় দফা বাড়ানো ও দুই দফা কমানো হয়েছে। পাশাপাশি, রুপার দামেও বেড়েছে, ভরিতে ২৯১ টাকা বৃদ্ধি করে এখন ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ২৪০ টাকা। এই মূল্যও দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা।
