ভারতে ‘গোমূত্র গবেষক’ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিকে এবার পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা আবারও দেশের নামকরা বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছে ভারতের আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটি নামের এই গবেষকের ওপর। শিক্ষাবিদ ও গবেষণার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদ্মশ্রী দেওয়া হলে অনেকের মধ্যে সন্তুষ্টি হলেও, কেরালা কংগ্রেস সামাজিক মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে চরম বিতর্ক শুরু করে। তারা বলেছে, গোমূত্রের উপকারিতা নিয়ে যার মন্তব্য ছিল, সেটি এখন কেন্দ্রবিন্দুতে। গত বছর ভি কামাকোটি দাবি করেছিলেন যে, গোমূত্রে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন রোগে উপকারী হতে পারে। এই মন্তব্যের জন্য তখন দেশজুড়ে তর্ক-বিতর্কের ঝড় ওঠে। এর জবাবে শ্রীধর ভেম্বু, যিনি আইআইটির একজন প্রখ্যাত গবেষক ও বর্তমানে দি পোচামপল্লী গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা, বলেন যে এই সম্মান তাঁর যোগ্য। তিনি আরও বলছেন, গোমূত্র ও গোমূত্রের মাইক্রোবায়োম নিয়ে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কেবল ‘ঔপনিবেশিক মানসিকতা’ থেকে আলাদা। তিনি উল্লেখ করেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভি কামাকোটি ইতিমধ্যেই মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইনের মতো ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। তবে, কেরালা কংগ্রেস এ ভাবনার বিপরীতভাবে প্রশ্ন তোলে—শুধু গরুর গোবর ও গোমূত্র কেনই বা গবেষণার মূল বিষয়? অন্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও কি এ ধরনের গবেষণা হয় না? তারা মধ্যপ্রদেশে পরিচালিত একটি সরকারি প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরে অর্থের অপচয় ও অনিয়মের অভিযোগও তোলে। সর্বশেষে, কেরালা কংগ্রেস সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানায়—যদি গোমূত্রের উপকারিতা সত্যিই এত বিশাল হয়, তবে ভেম্বু নিজে কেন সেই গবেষণায় বিনিয়োগ করছেন না? যদি এটি ক্যানসারসহ অন্যান্য রোগের علاج করতে পারে, তবে এটি নিঃসন্দেহে ভারতের জন্য বড় এক অবদান হবে বলে তারা মত প্রকাশ করে। এই বিতর্ক সাধারণ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও রাজনীতির সীমারেখাকে আবারও নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। উপরন্তু সামাজিক মাধ্যমে এই বিষয় নিয়ে এখন তুমুল আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
Author: bangladiganta
-

ভারতে বিমানের দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ ৪ জন নিহত
ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার বারামতী বিমানবন্দরে একটি মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার সময় উড়োজাহাজটি অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের বিশিষ্ট প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শরদ পাওয়ারের ভাতিজা।
উড়োজাহাজটিতে আরও চারজন যাত্রী ছিলেন, וכל কোনটাই নিশ্চিত হওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। সূত্র অনুযায়ী, উড়োজাহাজে মোট ছয় জন ব্যক্তি ছিলেন—বয়স ৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার, তাঁর পিএসও, একজন সহকারী ও দু’জন ক্রু সদস্য।
দুর্ঘটনার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়, যা দ্রুত ছড়াতে শুরু করে। উদ্ধারকার্য চালাতে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং আগুন নেভানোর জন্য প্রচেষ্টা চালায়। স্থানীয় পুলিশও দ্রুত উদ্ধারকাজে জড়িত হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের ‘জোট’ সরকারের সদস্য অজিত পাওয়ার জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী心理 প্রচারের জন্য মুম্বাই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন। তিনি একটি ব্যক্তিগত লিয়ারজেট-৪৫ বিমানে ছিলেন, যা ভিএসআর ভেঞ্চারস দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।
অজিত পাওয়ার সকালে ৮টার দিকে মুম্বাই থেকে রওনা হন। তাঁর লক্ষ্য ছিল বারামতিতে চারটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেওয়া। এ দুর্ঘটনার ফলে এখন উদ্ধার অভিযান চলছে, যার মধ্যে আহতদের সহায়তা ও ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
অজিত পাওয়ার জন্ম ১৯৫৯ সালের ২২ জুলাই মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার দেওলালি প্রভারায়। তাঁর বাবা অনন্তরাও পাওয়ার মহারাষ্ট্রের মহাখ্যাত রাজকমল স্টুডিওতে কাজ করতেন। বাবার মৃত্যু হলে তাঁর শিক্ষাজীবন বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনি মহারাষ্ট্র রাজ্য বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণ করেন।
১৯৮২ সালে, মাত্র ২৩ বছর বয়সে, তিনি একটি সমবায় চিনি কারখানার বোর্ডে নির্বাচিত হন। তখন তাঁর চাচা শরদ পাওয়ার মহারাষ্ট্রের একজন প্রতিষ্ঠিত কংগ্রেস নেতা হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন।
-

ভারতীয় পার্লামেন্টে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ
ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার থেকেই ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা ও নিম্নকক্ষ লোকসভায় এ শোকপ্রস্তাব আনা হবে। এই তথ্য সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
খালেদা জিয়া ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মারা যান। তিনি বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যার মধ্যে দুটি সম্পূর্ণ মেয়াদ এবং একটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ছিল।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণের মাধ্যমে এই অধিবেশনের সূচনা করবেন। এরপর, রাজ্যসভার কার্যতালিকা অনুযায়ী, সাবেক এমপি এএনআইগানেশন ও সুরেশ কলমাদির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। লোকসভায়, শালিনী পাতিল, ভানু প্রকাশ মির্ধা, সত্যেন্দ্র নাথ ব্রহ্ম চৌধুরী, সুরেশ কলমাদি ও কবীন্দ্র পুরকায়স্থের মৃত্যুর শোকপ্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
রাজ্যসভায় পার্লামেন্টের মহাসচিব উভয় কক্ষে পাস হওয়া ও রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রাপ্ত বিলগুলোর একটি বিবরণী টেবিলে উপস্থাপন করতে পারেন।
অঙ্কের বাজেট অধিবেশন আজ থেকে শুরু হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। এই অধিবেশন মোট ৬৫ দিন চলবে, যা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হবে এবং শেষ হবে ২ এপ্রিল। জানুয়ারি ১৩ থেকে কন্টিনিউয়াস গ্রীষ্মে সংসদ বিরতিতে যাবে এবং মার্চের ৯ তারিখে আবারও অধিবেশন শুরু হবে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনুদানের দাবির পর্যালোচনার জন্য সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো কাজ করবে।
অধিবেশনের প্রথম অংশে মূলত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা হবে। দ্বিতীয় অংশে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকোনমিক সার্ভে) ২৯ জানুয়ারি উপস্থাপন করা হবে। এরপর, ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭ পেশ করা হবে। এই অর্থনৈতিক সমীক্ষা অর্থমন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের দ্বারা প্রস্তুত, প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে। প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্থনীতির অবস্থা, বিভিন্ন সূচকের বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
-

চলতি সপ্তাহে ইরানে হামলার আশঙ্কা জোড়ালো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে
চলতি সপ্তাহে ইরানে মার্কিন সেনা হানার সম্ভাবনা আবারও জোড়ালো হয়ে উঠেছে। এ হামনায় উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তাদের-target করা হতে পারে বলে সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আই জানিয়েছে। গতকাল সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের বিভিন্ন কর্মকর্তা এই সতর্কতা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, সম্ভাব্য হামলা এই সপ্তাহেই হতে পারে, তবে সময় একটুখানি পরিবর্তিত হতে পারে।
ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হয় তবে পাল্টা আঘাতের পরিকল্পনাও গড়ে উঠছে। সরকারি সূত্রের মতে, এই বিষয়ে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসনে আলোচনা চলছে, যা এখন বেশ উত্তপ্ত অবস্থানে পৌঁছেছে।
প্রায় এক মাস আগে, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। কঠোরভাবে দমনপীড়নের মাধ্যমে ওই আন্দোলন চাপে রাখা হয়। এরপর থেকেই বিক্ষোভকারীদের হত্যার অজুহাতে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যখন ইরানে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সরকারী প্রতিষ্ঠান ও দমন-পীড়ণ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। শুরুতে তিনি জনিয়েছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করছে ইরানি সরকার। তবে দুই দিন পরে বললেন, সরকার এখন আর বিক্ষোভকারীদের হত্যা করছ না। এই পরিবর্তনটি মূলত হামলা পরিকল্পনা বাতিলের জন্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প এই মন্তব্য দিয়ে ইরানের ওপর হামলার পরিকল্পনা আড়াল করতে চেয়েছিলেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন, তিনি আসলে হামলা এড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই সময়ে, সৌদি আরব, কাতার এবং ওমান ইরানে সরাসরি হামলার বিরোধিতা করে আলোচনা চালাচ্ছে। তবে মার্কিন একটি গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, মূলত এই সময় হামলা স্থগিত রাখা হয়েছিল, তবে ট্রাম্প এখনও ইরানের শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরিকল্পনা বাতিল করেননি। সূত্রের দাবি, এই অবস্থান এখনও পরিবর্তন হয়নি।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও অন্দরে সিদ্ধান্ত আসেনি; তবে পরিস্থিতি যে খুবই উত্তপ্ত, তা স্পষ্ট।
-

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি’র দেশ গড়ার নির্বাচন
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের মুখ্য ধারক হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলছেন, এই নির্বাচনে বিএনপি সাহসিকতার সঙ্গে রাজনীতিতে অংশ নিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণই হবে প্রধান লক্ষ্য। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যদি বিএনপি সরকারে আসে, তবে দেশের সমাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে একসাথে কাজ করা হবে। কালেক্টিভ উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্যের উন্নতি, শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালীকরন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশ, পরিবেশের সংরক্ষণ, উচ্চ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো—মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় সংগঠনের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পরিবর্তে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিএনপি’প্রার্থী হিসেবে খুলনা-1 আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত আলহাজ্ব আমীর এজাজ খানের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দাবি করেছেন। এলাকায় অবহেলিত দুটি উপজেলা ঝাঁপঝপিয়া ও চুনকুড়ি, বটবুনিয়া-টু-নলিয়ানে ঢাকী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, গল্লামারী-বটিয়াঘাটা দিয়ে দাকোপের নলিয়ান-কালাবগী পর্যন্ত মহাসড়ক উন্নয়নের জন্য আপনারা ভোট প্রদান করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আঠারো কোটি মানুষের হৃদয়ে দেশের গণতান্ত্রিক স্পন্দন জারি রয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় দেশের উন্নয়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আপনারাদের হাতে, আর দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় দাকোপ উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র আর বিভিন্ন স্থানে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ, কুশল বিনিময় ও দলীয় কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত কর্মসভায় এসব কথা বলেন।
সাহায্যকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি সজীব তালুকদার, কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা পার্থ দেব মন্ডল, দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান খান, শেখ শাকিল আহমেদ দিলু, চালনা পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক মোজাফফর হোসেন শেখ, সদস্য সচিব আল-আমীন সানা, মশিউর রহমান লিটন, উপজেলা ও চালনা পৌরসভার বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শেখ শহিদুল ইসলাম, এস এম মোস্তাফিজুর রহমান রমাস্তাক, মহিদুল ইসলাম হাওলাদার, কামরুজ্জামান টুকু, এস এম গোলাম কাদের, চালনা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আইয়ুব আলী কাজী, শেখ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, আজিম হাওলাদার, উপজেলা যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক শেখ, চালনা পৌরসভার যুবদল নেতা হাসমত খলিফা, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি জি এম রুমন, হালিম সানা প্রমুখ।
-

খুলনা-৪ আসনে বিএনপি নির্বাচনি প্রচারণায় মৎস্য শিল্পের উন্নয়নের প্রত্যাশা
খুলনা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া জেলা মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ একটি কেন্দ্রীয় এলাকা। এই অঞ্চলের নদী, খাল ও জলাশয়কে সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে খুলনা-৪ আসনকে দেশের অন্যতম প্রধান মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, যদি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হন, তাহলে খুলনা-৪ এর মৎস্য খাতকে আধুনিক ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করা তার অন্যতম অগ্রাধিকার হয়ে উঠবে। মৎস্য শিল্প আমাদের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। এই শিল্পকে কোনোভাবেই অবহেলা বা ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। অসাধু ব্যবসায়ীদের হাত থেকে মৎস্য শিল্পকে রক্ষা করে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানসম্পন্ন মাছের উৎপাদন বাড়ানো যায়। মঙ্গলবার সকালে রূপসা উপজেলা চর রূপসায় বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের খুলনা অঞ্চলের আয়োজনের দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএফএফইএ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। এরপর রহিমনগর ও জাবুসা এলাকায় নির্বাচনী আলোচনা সভায় আজিজুল বারী হেলাল বলেন, রূপসাকে শান্তির উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিএনপি কখনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বা মাদক কারবারিদের প্রশ্রয় দেয় না এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, আপনারা ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে আমাকে খুলনা-৪ কে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করে যাবেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা বিএনপি সদস্যরা, বিভিন্ন শ্রমিক, কৃষক ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের নেতারা। বিকেলে খুলনা জেলা কৃষকদলের আয়োজনে রহিমনগরে দোয়া মাহফিল ও সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আজিজুল বারী হেলাল। এতে সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া ও রূপসা উপজেলা বিএনপি নেতারা, শ্রমিক, কৃষক এবং স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্যরা। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি আবুল হাসান হামেদি।
-

গৃহবধূ থেকে গণতন্ত্রের নেত্রী: খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনকাহিনী
সাধারণ একজন গৃহবধূ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার গল্পটি একটি জীবন্ত ইতিহাস। এই সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্বের মহান দিকপাল খালেদা জিয়ার জীবনকে হৃদয়স্পর্শী আবেগের মাধ্যমে তুলে ধরতে খুলনায় আয়োজন করা হয়েছে দুটি দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী। এই আয়োজনটি করেছেন বগুড়া মিডিয়া ও কালচারাল সোসাইটি, যা শুক্রবার খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে শুরু হয়েছে।
প্রদর্শনীটিতে খালেদা জিয়ার পারিবারিক জীবন, রাজনৈতিক উত্থান, আন্দোলন-সংগ্রাম, কারাবন্দি সময়, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের নানা ধাপের প্রায় শতাধিক ছবি স্থান পেয়েছে। প্রতিটি চিত্র যেন একেকটি ইতিহাসের গল্প, যা দেখলে চোখে জল আসে। পাশাপাশি পার্কের মুক্তমঞ্চে সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে দুর্দান্ত এক ভিডিও ডকুমেন্টারি, যা তাঁর জীবনের সংগ্রাম ও সংগ্রামী অভিযানের ওপর নির্মিত। এই প্রামাণ্যচিত্রটি দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং নতুন প্রজন্মের জন্য বাংলার এই নেত্রীর জীবন ও সংগ্রামের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে অনুপ্রেরণা দেয়।
প্রদর্শনীটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকাল সাড়ে ১১টায় মূখ্য আলোচক হিসেবে ছিলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তাঁর সংগ্রামী জীবন তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অসাধারণ প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”
আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল হাসান, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা নার্গিস আলী, বগুড়া মিডিয়া ও কালচারাল সোসাইটির ঢাকা শাখার সভাপতি মারুফ রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ। বক্তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময়ের স্বৈরশাসন, নির্যাতন ও কারাবরণের মধ্যেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তাঁর এই সংগ্রাম দেশ resistorতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল অপ্রতিরোধ্য।
প্রদর্শনীতে বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী নতুন প্রজন্মের জন্য দেশের নেত্রীর জীবন ও আদর্শ জানা সহজ করে দেয়। আয়োজকদের মতে, এই দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনী মূলত বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনকে আরো বেশি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিতে চায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেগম রেহানা ঈসা, এডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, কে. এম. হুমায়ুন কবির, হাফিজুর রহমান মনি, শরিফুল ইসলাম টিপু, আশরাফুল ইসলাম নূর, জাকির ইকবাল বাপ্পি, নাসিরুদ্দিন, ইসহাক আসিফ, মো: রাকিবুল হাসান, মাসুদুল হক হারুন, নুরুল হুদা পলাশ, শেখ সরোয়ার, শাহিন মল্লিক রাজু ইত্যাদি।
-

গোপালগঞ্জে বাসু হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড
দশ বছর আগে গোপালগঞ্জের মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু খুনের ঘটনায় গুরুতর মামলার বিচার শেষ করেছে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে চার আসামির জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য ১১ জনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও ঘোষণা করা হয়। সৌজন্যে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী এবং ঝন্টু শেখ। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস থেকে বাসু দেওয়ার পথে মৌলভীপাড়ার বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় একদল হামলাকারী বাসুকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন পরদিন তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই জাসু শেখ গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্তে ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১২ জুলাই। ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। এরপর ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ পাঠানো হয়, যেখানে এখন বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
-

ভোট বিপ্লবে বেগম জিয়ার প্রতি অন্যায়ের বিচার হবে
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে যে চরম অবিচার ও জুলুম করা হয়েছে, তার জবাব এবার হবে ভোটের মাধ্যমে। খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী আরও বলেন, সংগ্রামী নেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরাতে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, যা এখন দেশের মানুষ স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়, শুধুমাত্র তার দৃঢ় নেতৃত্বের জন্য। গণতন্ত্রের পতাকাকে উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতে তার ত্যাগ ও সংগ্রাম দেশের সব নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। গতকাল মঙ্গলবার ১নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
-

সোনার দাম এক দিনেই ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল
এক দিনের ব্যবধানে আবারও দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এদিকে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে এখন সোনার মূল্য দুই লাখ ৫২ হাজার ৫০৭ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাজুসের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। নতুন এই দাম আগামীকাল, ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও স্বর্ণের দামে বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে।
বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দাম সম্পর্কিত সবচেয়ে বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়ে।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা, অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি গিয়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা। ১৮ ক্যারেটের ভরি মূল্য হয়েছে দুই লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের এক ভরি দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।
সোনার দামের সঙ্গেই বেড়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি রুপা ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি রুপা ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ২০০ টাকা।
