Author: bangladiganta

  • দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে হুমকি

    দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে হুমকি

    ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করে দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘সন্ধ্যার প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে কিছু ব্যক্তি তিনটি গাড়িতে করে এসে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ চিৎকার করে। তারা বাংলা ও হিন্দি মিশ্রিত ভাষায় কথা বলছিল, এর মধ্যে বলা হচ্ছিল যে, হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে হবে এবং হাইকমিশনারকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে তারা মেইন গেটের সামনে কিছুক্ষণ চিৎকার করে চলে যায়। এই ঘটনা সদ্যই ঘটে, আমি এটাই জানি।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দেখলে মনে হয়, এটা হুমকি-ধামকি ছিল। কথাগুলো হিন্দি-বাংলা দুটো ভাষায় বলছিল, এর মধ্যে বলা হয়, ‘হিন্দুদের মারলে তোমাদের সবাইকে মারব।’ এই ধরনের কথাবার্তা বলা হয়েছে।’ জানানো হয়, উগ্র ভারতীয় একদল ব্যক্তি তখন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভবন থেকে চলে যাওয়ার পর রাতে হাইকমিশনার জরুরি ভিত্তিতে ডিফেন্স উইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের কাছে একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ওরা এসে চিৎকার করে চলে গেছে, বাড়তি কিছু করেনি।’ এই হুমকি ও চিৎকারের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় গুলির হামলা, নিহত ৯-১০

    দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় গুলির হামলা, নিহত ৯-১০

    দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের কাছে বেকার্সডাল টাউনশিপে এক পানশালায় বন্দুকধারীদের ভয়ংকর হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। কিছু সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই ঘটনায় হতাহত আরও ১০ জন। ঘটনা ঘটে দেশটির স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে। পুলিশ জানিয়েছে, হামਲাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, প্রায় ১২ জনের একটি সাদা রঙের গাড়ি এসে পানশালায় প্রবেশ করে, গ্রাহকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করেন। তারা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পানশালাটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত।

    সাউথ আফ্রিকার সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম এসএবিসি বলেছে, হামলাকারীরা শুধু ভিতরে থাকা গ্রাহকদের নয়, বাইরে থাকা পথচারীদেরও গুলির লক্ষ্য করে। এই আতঙ্কে আতঙ্কিত মানুষজন চিৎকার করতে শুরু করেন এবং প্রাণ বাঁচাতে দিকবিদিক ছুটে যান।

    গাউটেং প্রদেশের পুলিশ কমিশনার ফ্রেড কেকানা বলেন, ‘আমরা এখনো প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতি সংগ্রহ করছি। অনুসন্ধান চালাচ্ছে জাতীয় অপরাধ ও ব্যবস্থাপনা দল। হামলায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।’ কিছু মিডিয়ার প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা ১০ জন উল্লেখ করা হলেও, পুলিশ মুখপাত্র ব্রেন্ডা মুরিদিলি এএফপি নিউজ এজেন্সিকে জানান, ‘বন্দুক হামলায় এখন পর্যন্ত দশজন নিহত হয়েছেন। তাদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’ এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনাস্থলে তদন্তকারীদের উপস্থিতি রয়েছে।

  • পিটিআইয়ের শীর্ষ নেতাদের ১০ বছরের কারাদণ্ড

    পিটিআইয়ের শীর্ষ নেতাদের ১০ বছরের কারাদণ্ড

    পাকিস্তানের লাহোরে ২০২৩ সালের ৯ মে–র সহিংসতা সংক্রান্ত মামলায় দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেত্রী ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চীমা, মিয়ান মাহমুদুর রশিদ ও ইজাজ চৌধুরীসহ আরও বেশ কয়েকজন নেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে পাকিস্তানের সন্ত্রাস দমন আদালত (এটিসি)। এই রায় শনিবার (২০ ডিসেম্বর) লাহোরের কোট লাখপত জেলের ভিতরের আদালতে বিচারক আরশাদ জাভেদ ঘোষণা করেন।

    মামলাগুলির মধ্যে অন্যতম হলো ২০২৩ সালের ৯ মে গোলবার্গ ও নাসিরাবাদ থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগ, যেখানে অভিযোগ করা হয় যে, ওই দিন গোলবার্গ এলাকায় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং কালমা চকে একটি কনটেইনারে আগুন দেওয়া হয়। এই মামলায় মোট ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডা. ইয়াসমিন রশিদসহ সাতজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, ২২ জন খালাস পান এবং চারজন পলাতক বলে ঘোষণা করা হয়।

    অন্য এক মামলায়, কালমা চক কনটেইনার অগ্নিসংযোগে ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। এই মামলায় ২৪ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, পাঁচজন খালাস পান এবং সাতজন পলাতক। আদালত পিটিআই নেতা মিয়ান আসলাম ইকবালকেও উভয় মামলাতেই পলাতক ঘোষণা করেছেন।

    এছাড়া, মে ৯-এর সহিংসতা সংক্রান্ত মামলায় আগের দণ্ডের পাশাপাশি ডা. ইয়াসমিন রশিদ, ওমর সরফরাজ চীমা, মাহমুদুর রশিদ ও ইজাজ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলায় দণ্ড ঘোষণা করা হয়। তবে এইসব মামলায় পিটিআইয়ের বেশ কিছু জ্যেষ্ঠ নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিকে খালাস দিয়েছেন আদালত, যার মধ্যে রয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি ও বেশ কয়েকজন।

    ২০২৩ সালের ৯ মে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক অপ্রতিরোধ্য সহিংসতা দেখা যায়। লাহোরের কর্পস কমান্ডার হাউস, রাওয়ালপিন্ডির জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) এবং অন্যান্য সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। তবে, ইসলামাবাদের হাইকোর্টে দুর্নীতি মামলায় ইমরান খানকে গ্রেফতার করার পর এই সহিংসতা আরও বেড়ে যায়। বেশ কিছু পিটিআই নেতা-কর্মী জামিনে মুক্তি পেলেও এখনও অনেকজন কারাগারে রয়েছেন।

    এদিকে, একইদিনে আরেকটি মামলায়, পাকিস্তানের বিখ্যাত পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে তোশাখানা-২ দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিশেষ আদালত ৮০টি শুনানি শেষে এই রায় দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বলা হয়, তারা অভিযোগ করেন যে, রাষ্ট্রীয় উপহারসমূহ কম দামে কেনা হয়েছে। এই মামলায় তারা দন্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন সেইসাথে তাদের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৬৪ লাখ রুপি জরিমানা ধার্য করা হয়। রায়ে বলা হয়, বুলগারির_Brandের গয়নার সেট কম দামে কেনার জন্য এই মামলা আনা হয়েছে।

  • মহানগর বিএনপি আনন্দ মিছিলকাল ও থানায় ২৩ ডিসেম্বর

    মহানগর বিএনপি আনন্দ মিছিলকাল ও থানায় ২৩ ডিসেম্বর

    নগর বিএনপি আগামী ২২ ডিসেম্বর সোমবার মহানগরীতে আনন্দ র‌্যালি করবে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের শুভ مناس earm। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেবে নগরীর বিভিন্ন থানার নেতাকর্মীরা। এছাড়াও, ২৩ ডিসেম্বর মহানগরীর পাঁচটি থানায় পৃথক পৃথক আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত শনিবার সন্ধ্যায় মহানগর বিএনপির বিশেষ প্রস্তুতি সভায় নেওয়া হয়। শনিবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিএনপির এ প্রস্তুতি সভা, যেখানে আগামী ২৫ ডিসেম্বর জাতির জনক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম তুহিন। তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক ও আনন্দের দিন। দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার পর তারেক রহমানের ফেরাটা দেশের জনগণের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও উদ্দীপনা জাগাবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি এখন একসঙ্গে, রাস্তায়ই প্রমাণ হবে কার পক্ষে জনগণ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্র আবার ফিরে আসবে। এতে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, থানা সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আবু সাঈদ হাওলাদার, আসাদুজ্জামান আসাদ, মুক্তিযোদ্ধা নেতা আলমগীর হোসেন, মজিবুর রহমান, মিজানুর রহমান মিলটন, আখতারুজ্জামান সজিব, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, কাজী মিজানুর রহমান মিজান, অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সবাই অভিনন্দন জানিয়ে ২২ ডিসেম্বর বিকেল তিনটায় দলের কার্যালয় থেকে র‌্যালি আয়োজন করবে। পাশাপাশি, ২৩ ডিসেম্বর নগরীর সব থানার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নিজ নিজ ব্যানার নিয়ে আনন্দ মিছিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ধানের শীষের প্রার্থী মঞ্জু: সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে

    ধানের শীষের প্রার্থী মঞ্জু: সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের 안정তা নষ্ট করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাইছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জু উল্লেখ করেন, এই গোষ্ঠী গণতান্ত্রিক পথ থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যা দেশের অগ্রগতির জন্য ক্ষতিকর। তিনি দেশের শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই অপশক্তিকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করে তাদের রুখে দিতে হবে, কারণ এত রক্তক্ষয় ও সংগ্রামের মাধ্যমে যে দেশটি স্বাধীন হয়েছে, তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, এতে আমরা কেউই সম্মত নই।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে হরিজন কলোনী ও ময়লাপোতা কলোনীর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কলোনীর সভাপতি প্রদীপ বাবুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির সভাপতি লাল মিয়া। সন্ধ্যা ৭টায় ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে সাধু ফ্রান্সিস কলোনী ও খ্রিস্টানপাড়ায় রিপন শংকর এর পরিচালনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। তিনি সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন also জানান।

    অন্যদিকে, সেন্ট জেভিয়ার্স পাড়ায় বীরান বৈরাগী, সমদেব ও মাইকেল পান্ডের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানেও তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। দেশের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মোল্লাপাড়া বাইতুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দোয়ায় অংশ নেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং অন্য প্রখ্যাত ব্যক্তিরা। দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম ফজলুল কাদের।

    উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মো. শাহজাহান, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, আফসার উদ্দিন মাস্টার, রবিউল ইসলাম রবি, আনিসুর রহমান আরজু এবং অন্যান্য। এই সব অনুষ্ঠানে তিনি সকলের কাছে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য দোয়া ও শুভকামনা ব্যক্ত করেন।

  • কনকনে শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

    কনকনে শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

    হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার ঘনঘটায় চুয়াডাঙ্গার মানুষ এখন তীব্র শীতের মুখোমুখি। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকা এই সময়টায় শীতের প্রকোপ আরও অনুভূত হচ্ছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উত্তরের হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশা এবং তাপমাত্রা হ্রাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে দিন ও রাতে তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকায় এই শীত আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই মৌসুমে দুদিন ধরে টানা শীতজনিত কারণে জনজীবন কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর আগের দিন, শনিবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা রোববার নেমে এসেছে ১৩.৬ ডিগ্রিতে। এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় দেড় ডিগ্রি কমে গেছে। অপর দিকে, শুক্রবার দুপুর ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রী, যা শনিবার দুপরে কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২০.২ ডিগ্রীতে। সে দিন আকাশ কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি। শীতের এই তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে জেলা সদরসহ আশেপাশের হাসপাতালগুলোয় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অন্ধকার কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ঠান্ডার প্রভাবে রাস্তাঘাটেও মানুষের উপস্থিতি কম দেখা যাচ্ছে, যেন সবকিছুই হিমশীতল হয়ে উঠেছে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আর কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের এই অব্যাহত প্রবাহ চলমান রয়েছে।

  • তরুণদের খেলার মাঠে ফেরার আহ্বান মন্তব্য বকুলের

    তরুণদের খেলার মাঠে ফেরার আহ্বান মন্তব্য বকুলের

    মাদক থেকে যুবসমাজের মুক্তি ও এক সুস্থ, শক্তিশালী জাতি গঠনের লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প কিছুই নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধান শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। শনিবার বিকেলে মহেশ্বরপাশা ফিউশন কমিউনিটি আয়োজিত ‘যুব সমাজের উদ্যম, খেলাধুলার চেতনায় গড়া উন্নত আগামীর প্রত্যয়ে’ শিরোনামের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথাই ব্যক্ত করেন।

    বকুল বলেন, বর্তমানে আমাদের যুবসমাজ মাদকের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত। এই মারাত্মক পরিস্থিতি থেকে তরুণদের নিরাপদে রাখতে হলে তাদের আবার খেলাধুলার মাঠে ফিরিয়ে আনতে হবে। খেলাধুলাই পারে শান্তি, আনন্দ এবং সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। তিনি আরও বলেন, ক্রীড়া কেবল শরীরচর্চার জন্য নয়, এটি একটি জাতীয় উন্নয়নের শক্তিশালী হাতিয়ারও। আরো বেশি মাঠমুখী তরুণ সমাজই পারে একটি সমৃদ্ধ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। খুলনা সহ পুরো দেশকে মাদকমুক্ত করার আন্দোলনে খেলাধুলা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের বিজয়ী দল ‘মর্নিং বয়েজ ক্লাব’ এবং রানার্সআপ ‘এসএফসি ক্লাব’-এর খেলোয়াড়দের পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। এ সময় তিনি আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও বেশি সামাজিক ও ক্রীড়া উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন দৌলতপুর থানার বিএনপি সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ গাউস হোসেন, আশরাফ হোসেন ও কাওসার মোল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন ও সঞ্চালনায় ছিলেন এস এম জসিম। এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনায় ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সম্পন্ন

    খুলনায় ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সম্পন্ন

    খুলনা জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনে মোট ১৭ জন প্রার্থী их মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। খুলনা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিভিন্ন দল থেকে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। খুলনা-২ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি আমান উল্লাহ। খুলনা-৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল, জামায়াতে ইসলামের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শেখ আরমান হোসেন। খুলনা-৪ আসনে বিএনপির আজিজুল বারি হেলাল, জামায়াতে ইসলামীর মো: কবিরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আজমল হোসেন। খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও বিএনপির মোহাম্মদ আলি আসগার লবি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আর খুলনা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামের মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ এবং বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বরে আবার তা বৃদ্ধি পেয়ে অবস্থান করল ৮.২৯ শতাংশে। এর আগে অক্টোবরে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ এবং গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় এটি কম ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ সংক্রান্ত এক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৭.৩৬ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.০৮ শতাংশ। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, টানা দুই মাস ধরে খাদ্যপণ্যের দামের বৃদ্ধি কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গত তিন বছরের বেশিরভাগ সময়ই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। বিশেষ করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.০৩ শতাংশ, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

    বিবিএস জানায়, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.০৪ শতাংশ। অর্থাৎ, মজুরি বৃদ্ধির হার কিছুটা হলেও কমে এসেছে মূল্যস্ফীতির হার থেকে, যা এক ধরনের শুভ संकेत হতে পারে।

    মূল্যস্ফীতি কমে যাওয়া মানে এই নয় যে, বাজারে জিনিসপত্রের দাম অতিক্রমে কমে গেছে। বরং এর মানে এই যে, অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই মাসে কিছুটা দাম বৃদ্ধি ধীরগতিতে হয়েছে।

    দীর্ঘ দিন ধরে অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তারা বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়, যেমন সুদের হার বাড়ানো এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্কে রেয়াত, যেন বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। এর পাশাপাশি এনবিআর কিছু পণ্যে শুল্ক-কর কমিয়ে এনে আমদানি প্রবাহ ঠিক রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়, যাতে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহের স্বাভাবিকতা বজায় থাকে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বেড়েছে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বেড়েছে

    দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় ৫ হাজার ৯৭৪টি নতুন হিসাব যোগ হয়। এরপর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। তবে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও একই সময়ে জমা টাকার মোট পরিমাণ কমেছে বিবেচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনের শেষের অবস্থানে ব্যাংকে মোট অ্যাকাউন্ট ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। যেখানে সেপ্টেম্বরের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে, অর্থাৎ তিন মাসে নতুন করে ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। একই সময়ে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, জুনে যা ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, তা সেপ্টেম্বরের শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকায়। অল্প কিছু সময়ের মধ্যে মোট আমানত ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    কোটিপতি অ্যাকাউন্টের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, end of June হিসাব অনুযায়ী, কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১২৭,৩৩৬টি। যেখানে সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ১২৮,৭০টি, অর্থাৎ তিন মাসে ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। মার্চ শেষে এই সংখ্যা ছিল ১২১,৩৬২টি।

    এই তিন মাসে, রেকর্ড অনুযায়ী, কোটি টাকার অ্যাকাউন্টে জমা অর্থের মোট পরিমাণ কমে গেছে, যেখানে জুনে ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বরের শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, সাম্প্রতিক তিন মাসে মোট ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, কোটিপতি হিসাব মানেই ব্যক্তিগত কোটিপতি নয়। অনেক বেসরকারি, সরকারি এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানও কোটি টাকা বা তার বেশি জমা রাখে। পাশাপাশি, একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবও এই গণনায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন। এরপর থেকে ধাপে ধাপে এই সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৯৭৫ সালে ছিল ৪৭ জন, ১৯৮০ সালে ৯৮টি, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি এবং ১৯৯৬ সালে এটি পৌঁছেছিল ২ হাজার ৫৯৪ টিতে। এরপর ২০০১ সালে এই সংখ্যা বেড়ে হয় ৫ হাজার ১৬২, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ এবং ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এই সংখ্যা আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি, বছর খানেক পরে ২০২১ সালে বেড়ে হয় ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬টি। ২০২২ সালে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টিতে, ২০২৩ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি, আর বর্তমান বছরের হিসাবে তা উন্নীত হয় ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টিতে।