Author: bangladiganta

  • সোনার দাম ভরিতে বেড়ে ৩৪৫৩ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে বেড়ে ৩৪৫৩ টাকা

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে, যা শোনার জন্য উৎসুক বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত্রে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। এর আগে এই দামে ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা। এই নতুন দাম আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। মূলত, স্থানীয় বাজারের তেজাবি সোনার মূল্য কমে যাওয়ার কারণে বিস্তৃত পরিস্থিতির বিবেচনায় এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ভরি ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকায় অনুমোদিত হয়েছে। এর আগের দাম ছিল যথাক্রমে, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছেন, সোনার বিক্রির মূল্যে সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ আলাদা হতে পারে।

    এছাড়াও, সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বৃদ্ধি হয়েছে। নতুন দাম অনুসারে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৫৭২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই দামে বিক্রি হত, ২২ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • দেশ ও বিদেশে মোট ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশ ও বিদেশে মোট ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ স্বরাষ্ট্র, অর্থোপার্জন ও তা নিষ্কাশনের জন্য দেশের বিভিন্ন সম্পদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এই বহুমুখী প্রতিরোধ কার্যক্রমে গত বুধবার দেশে তথা বিদেশে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ এরইমধ্যে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছেন। এই তথ্য জানানো হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠিত সাধারণ জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার শেষে। এই সভা মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা ও নীতিমালা প্রণয়নের জন্য করা হয়েছিল। সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ দ্রুত উদ্ধার ও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনটি আরও যুগোপযোগী করে সংশোধন করা হবে। এ ছাড়াও, পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকারভিত্তিক ১১টি কেসের জন্য গঠিত যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল বর্তমানে অগ্রগতি লাভ করছে। ইতোমধ্যে ১০৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, আর ১৪টি মামলার চার্জশিট দাখিল এবং চারটি মামলার রায় পাস হয়েছে। দেশের মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যসম্পন্ন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ হয় এবং বিদেশে এসব সম্পদের সঙ্গে আরো ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদও সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, অগ্রাধিকার কেসগুলোর জন্য ২১টির MLAT (মাল্টিল্যাটারেল সমঝোতা চুক্তি) দেশের মধ্যে পাঠানো হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এসব কেস দ্রুত চার্জশিট দাখিল, MLAT প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ও মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য প্রশাসনিক ও আইনি কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়নের জন্য এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (APG) ২০২৭-২০২৮ মেয়াদে ৪র্থ পর্যায়ের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন সম্পন্ন হবে। সেই কারণে সব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংসদ বিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ক সচিব, অতিরিক্ত এ্যাটর্নি জেনারেল, সিআইডির প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিএফআইইউ-এর প্রতিনিধিরা।

  • ১৩ ব্যাংকের কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনলো মোট ১৪ কোটি ডলার

    ১৩ ব্যাংকের কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনলো মোট ১৪ কোটি ডলার

    চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলারের অতিরিক্ত প্রকৃতি সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, বৈদেশিক মুদ্রার যোগান ও চাহিদার ঠিক স্থান যেখানে থাকবে, এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১৪ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে।

    মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এই ক্রয় সম্পন্ন হয়, যেখানে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ২৯ থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এ বছরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত মোট ডলার ক্রয় হয়েছে ২ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন অর্থাৎ ২.৮০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসের ১ থেকে ১০ ডিসেম্বর সময়কালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর এই সময়ে দেশে প্রবাসী আয় ছিল ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।

    অর্থবছর জুড়ে, জুলাই থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত, রেমিট্যান্স এসেছে মোট ১ হাজার ৪৩৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধ ও অবৈধ অর্থ প্রবাহ বন্ধে সরকারের উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা উন্নয়নের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

    অন্যদিকে, সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। এই প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও বলিষ্ট করছে।

  • রুমিন ফারহানা ঘোষণা দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে লড়াইয়ের

    রুমিন ফারহানা ঘোষণা দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে লড়াইয়ের

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি এই ঘোষণা দেন স্থানীয় সরকারি দোয়া ও মতবিনিময় সভায়, যা অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর বাজারে। এই অনুষ্ঠানে সকাল থেকে থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক।

    রুমিন ফারহানা সভায় বলেন, আমি যা বলি, আমি তা-ই করি, আর আমার এলাকার মানুষের সিদ্ধান্তই আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তিনি আরও জানান, যদি locals সবাই পাশে থাকেন, তাহলে কোনও ভেদাভেদ বা মার্কা যা-ই হোক না কেন, সরাইল-আশুগঞ্জ থেকেই তিনি নির্বাচনে লড়বেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অধিকাংশ আসনে যখন মনোনয়নপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তখন এই এলাকার মানুষ প্রার্থীকে জানে না, যা গভীর দুঃখের বিষয়। নিজের দলের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, আগের ১৭ বছরে তিনি কী ভূমিকা রাখেননি, সেটি তিনি ব্যক্ত করবেন না, কারণ মানুষ জানে। নিজের রাজনীতির জন্য তিনি রাজনীতি করছেন, যেন বাবা স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারি। তিনি আস্থার সাথে বলেন, যদি সবাই পাশে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ জয় করতে পারবেন।

    আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৫ বছর ধরে মানুষ প্রকৃত ভোট দিতে পারেনি। এখন সরকার দাবি করছে, ২০২৬ সালে সবচেয়ে সুন্দর ও ফলপ্রসূ নির্বাচন দেবে। আমরা এই কথা বিশ্বাস করতে চাই।

    তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। ৫ আগস্টের পর থানাগুলো থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, ভোটার, প্রার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

    প্রায় প্রতি সপ্তাহে এই এলাকা সফর করার কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমি সরাইল ও আশুগঞ্জ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছি। এই দুই উপজেলা মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আপনারা যদি আমাকে ভোট দেন, তাহলে সংসদে গিয়ে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব।

    উল্লেখ্য, বিএনপি ইতোমধ্যে ২৭২টি আসনের জন্য দুই দফায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। তবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জন্য এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। রুমিন ফারহানা গত কয়েক মাস ধরে এই আসনে নিয়মিত গণসংযোগ ও সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি হাসান সারওয়ার্দীকে বহিষ্কার ঘোষণা

    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি হাসান সারওয়ার্দীকে বহিষ্কার ঘোষণা

    দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রমিতি প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দলের মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি যে, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সম্পর্কেঃ অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এটি দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত বা পর্যবেক্ষণ নয়।’

    এতে আরও বলা হয়, ‘এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি। বিষয়টি লক্ষ্য করেছে দলীয় সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।’

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশের এই সংকটমূলক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল হিসেবে দেশের স্থিতিশীলতা ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। ওই ঘটনার প্রভাবক্ষড়ে তার নেতৃত্বে থেকে এমন অবিবেচকের মতো বক্তব্য দেওয়ার এবং দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য আজ (২০ ডিসেম্বর) এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীকে দলের সব পদ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    এছাড়াও জানানো হয়, তাঁকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা নির্ধারণের জন্য আগামী তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ এপ্রিল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী কয়েকশো সমর্থক নিয়ে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমেদের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দেন।

  • প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে হাদির বিচারের নীরবতায় জাতি হতাশ: গোলাম পরওয়ার

    প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে হাদির বিচারের নীরবতায় জাতি হতাশ: গোলাম পরওয়ার

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বিচারবিষয়ক স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার (২১ ডিসেম্বর) মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ওসমান বিন হাদির শাহাদাতের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত দোয়া মাহফিলের সময় তিনি একথা বলেন।

    তিনি উল্লেখ করেন যে, জুলাই মাসে সংঘটিত হাদি হত্যাকাণ্ড একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ‘প্যাকেজ প্রোগ্রাম’ হিসেবে আয়োজিত হয়েছে। তিনি গভীর শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের পরিকল্পিত হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। এজন্য তিনি সরকারকে সচেতন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

    এর পাশাপাশি, তিনি গুলির পর মাত্র ছয় ঘণ্টা পরে কেন সীমান্ত সীলগালা করা হলো, এ প্রশ্ন তোলেন। পুলিশ ও গোয়েন্দা মহলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কি ফ্যাসিস্ট ও আধিপত্যবাদী গোষ্ঠীর লুকানো সহযোগিতায় খুনিদের পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে কিনা, সেটাও জানতে চান।

    একই সাথে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ‘রিফাইন আওয়ামী লীগ’ নামে নতুন করে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করতে দেওয়া হবে না। রেহাই দেওয়া হবে না দুর্নীতিবাজদের পুনরাবৃত্তির সুযোগ।

    শহিদ ওসমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, জীবিত ওসমান অনেক কিছু করতে পারতেন, কিন্তু শহিদ ওসমানের পরিবারের সম্মান তার চেয়ে অনেক বেশি। তিনি এ সময় সকলের কাছে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য তুলে ধরার আহ্বান জানান।

  • বিশ্ব দেখেছে গণমাধ্যমে হামলার দৃশ্য, এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিশ্ব দেখেছে গণমাধ্যমে হামলার দৃশ্য, এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, তা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এই দৃশ্য বিশ্ববাসী দেখেছে এবং এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি গুরুতর ক্ষুণ্ন হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরও কেন এই ঘটনা রোধ করা যায়নি, তা হলো সরকারের ব্যর্থতা।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এক মতবিনিময় সভায় বিএনপির এই নেতা এ মন্তব্য করেন। এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পটভূমিতে দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, রেডিও, টেলিভিশনের বার্তা প্রধান ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে আলোচনা করা হয়।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ কিছু গণমাধ্যমকে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনা সারাবিশ্ব দেখেছে এবং এটাই আমাদের জন্য লজ্জাজনক। শুধুমাত্র দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা চেয়ে এ ঘটনা শেষ করা সম্ভব নয়।

    তিনি সরকারের ব্যর্থতার জন্য বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, কিছু কিছু গণমাধ্যমকে টার্গেট করে হামলা করা হয়। আগে থেকেই এই হামলার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন আমরা সময়মতো সতর্কতা নিতে পারিনি? প্রশ্ন হলো—কেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দুর্বলতা আমাদের এই পরিস্থিতির দিকে নিয়ে এসেছে? এ ধরনের ঘটনার কঠোর শাস্তি দিতে হবে এবং বাংলাদেশে একেবারেই এই ধরনের অসুস্থ পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা সত্ত্বেও কতক্ষণে তারা এই ঘটনাগুলোর প্রতিকার করবে, তা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কাদের হাতে দায়িত্ব থাকলেও এই রাষ্ট্রব্যবস্থা কেন এত দুর্বল? নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রতিষ্ঠার জন্য দায়ি ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণের আশা-অাকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। তারা পুরোপুরি গণতন্ত্রের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। সকল ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে ও শক্তিশালী করতে হবে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলো এমনভাবে দাঁড় করানো দরকার যেন তারা দেশের গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন বলেন, অনেক সাংবাদিকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসাথে থাকতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি। যদি জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। অতীত ভুলে গেলে চলবে, তবে ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী কী করেছে, তা আমাদের স্মরণে রাখতে হবে।

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মানুষ আশা করছে, তার প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পরে তিনি ফিরে আসছেন, যা জনগণের প্রত্যাশা। এই প্রত্যাবর্তনকে আমরা গণতন্ত্রের পক্ষে কাজে লাগাতে চাই। এটি আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করবে — এটা আমাদের মূল লক্ষ্য।

  • বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম উত্তোলন

    বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম উত্তোলন

    বগুড়া-৬ (সদর) আসনের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র উত্তোলন সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া বারোটার দিকে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে তারেক রহমানের পক্ষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

    মনোনয়নপত্র উত্তোলন শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘তারেক রহমান বগুড়া সদর আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ করবেন। আমরা তার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছি। তিনি এই আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’

    এ সময় তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট মাহবুবর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জিএম সিরাজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন চাঁন, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • তারেক রহমানের ফ্লাইট থেকে কেবিন ক্রু সরানো হলো

    তারেক রহমানের ফ্লাইট থেকে কেবিন ক্রু সরানো হলো

    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে লন্ডন পর্যন্ত যাওয়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমানের একটি নির্দিষ্ট ফ্লাইটের দায়িত্বে থাকা দুই কেবিন ক্রু বর্তমানে অপসারিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে ওই ফ্লাইটের দায়িত্বপ্রাপ্ত জুনিয়র পার্সার মো. সওগাতুল আলম সওগাত এবং ফ্লাইট স্টুয়ার্ডেস জিনিয়া ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে। সরকারি সূত্র মতে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আগামী ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরবেন তারেক রহমান। এর আগের দিন অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তিনি নিজ পরিবার ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ নম্বর ফ্লাইটে রওনা হবেন। তবে এ বিষয়ে বিমান সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর কারণে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি ছড়ানোর পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, এই দুই কেবিন ক্রু নিয়মিতভাবে সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সেলিমের ফ্লাইট পরিচালনা করতেন। ফলস্বরূপ, বিমানের ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগ তাদের পরিবর্তে নতুন দুইজন—মোস্তফা পার্সার এবং আয়াত স্টুয়ার্ডেস—কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর আগে, এই বছরের ২ মে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল যখন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুই কেবিন ক্রু বাদ দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ফ্লাইটের নিরাপত্তা বিষয়ে ও ভিআইপি ব্যক্তিদের যাত্রা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশি গোয়েন্দারা সতর্কতা জারি করেছিল। এর মধ্যে, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও নিরাপত্তা অব্যাহত রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার অল্প সময়ের জন্য বন্ধ

    চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার অল্প সময়ের জন্য বন্ধ

    চট্টগ্রামের ভারতীয় ভিসা সেন্টার (আইভ্যাক) বর্তমানে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির জটিলতার কারণে রোববার (২১ ডিসেম্বর) থেকে এই সেন্টারের সব কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হয়। ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রামের আইভ্যাক অল্প সময়ের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা ইতিমধ্যে ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট করিয়েছিলেন, তাদের জন্য নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।

    এর আগে, নিরাপত্তার অবনতির কারণে ১৭ ডিসেম্বর দুপুর ২টার পর রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী দিন সকাল থেকে এই কেন্দ্র আবার স্বাভাবিকভাবেই কার্যক্রম চালু করে।