Author: bangladiganta

  • স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বেড়েছে, যার ফলে নতুন রেকর্ড গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়। এতে জানানো হয়, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর from মঙ্গলবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    নতুন দামে এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের দীর্ঘমেয়াদী মূল্য ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতিতে চিরচেনা স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই প্রেক্ষিতে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল ৭ সেপ্টেম্বর, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে সেটি দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকায়। এটাই ছিল তখন পর্যন্ত স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। এই বৃদ্ধির ফলে স্বর্ণবাজারে নতুন দিক নির্দেশনা ও ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে, টানা তৃতীয় দিনের মতো skyrocketed

    স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে, টানা তৃতীয় দিনের মতো skyrocketed

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বিন্দু প্রগতিতে বাড়ছে। মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এটি যেন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের দাম।

    বাজুসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই দাম বাড়ির পেছনে মূল কারণ হলো তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি। এটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১১.৬৬৪ গ্ৰাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক ভরি হিসেবে হবে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকায়।

    অতীতে, গতকালই বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল। তখন ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা নির্ধারিত হয়, যা দেশের ইতিহাসে একদম সর্বোচ্চ। এর আগে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ছিল ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    প্রথমে, ৯ সেপ্টেম্বর, স্বর্ণের দাম বিখ্যাতভাবে বাড়ানো হয়েছিল ২৭১৮ টাকা করে। এই গিয়র স্বর্ণের দাম তখন ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এরপর, চলতি বছর মোট ৫২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বাড়ানোর সংখ্যা ৩৬ এবং কমানোর সংখ্যা কেবল ১৬ বার।

    তবে, অন্যদিকে রূপার দাম স্থিতিশীল রয়ে গেছে। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২৮১১ টাকা। এই দামে অন্যান্য ক্যাটেগরিতেও ঠিকই স্থিরতা দেখা গেছে, যেমন ২১ ক্যারেটের রুপা ২৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ২২৯৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রি হচ্ছে ১৭২৬ টাকা। স্বর্ণের দামের এই ধারাবাহিক বাড়তি প্রভাব দেশের বাজারে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর স্পষ্টভাবে পড়ছে।

  • বেলা নিশ্চিত: টিএসসিতে নির্বাচনী ব্যালটে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া

    বেলা নিশ্চিত: টিএসসিতে নির্বাচনী ব্যালটে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) শিবির সমর্থিত পরিস্থিতিতে ভোটের শুরুতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান জানান, এখানকার নির্বাচনী ব্যালটে শিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম ও জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের পক্ষে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি তিনি আশঙ্কাজনক বলে মনে করছেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে টিএসসি কেন্দ্রে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন। সে সময় তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে রোকেয়া হলের নারী শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন।

    আবেদুল ইসলাম খান বলেন, “টিএসসি কেন্দ্রে শিবির সমর্থিত এই দুই প্রার্থীকে নিয়ে আমাদের অভিযোগ সত্য, কারণ ব্যালটে তাদের জন্য আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া হয়েছে। এটি দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য খুবই উদ্বেগজনক ও অপরাধ।”

    অভিযোগের বিষয়ে তিনি আরও জানান, তিনি কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েছেন। কোনও ধরনের বাধা বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা তার হয়নি। তিনি বাইরের কিছু ব্যক্তির প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হলেও ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য প্রার্থীদের কেন্দ্রে থাকার অধিকার রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    আবিদুল আরও বলেন, “আমরা সকাল থেকেই অনিয়মের অভিযোগ করতে পারতাম, তবে আমি মনোযোগ কেন্দ্রিক করেছি যাতে সঠিক তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। আমি দেশের ভোটাধিকার ও স্বাধীনতাকে সম্মান করি।”

    অতিথি তিনি শেষের দিকে অমর একুশে হলের ভোট কারচুপির ব্যাপারেও জানান, তিনি সেখানে যাননি এবং বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পরে মন্তব্য করবেন।

  • ডাকসুর ফলাফল প্রত্যাখ্যান ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর

    ডাকসুর ফলাফল প্রত্যাখ্যান ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান নির্বাচনের ফলাফলে সুস্পষ্টভাবে পিছিয়ে থাকায় তা প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, এটি একটি পরিকল্পিত প্রহসন। মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। আবিদুল বলেন, ‘পরিকল্পিত কারচুপির এই ফলাফল আমি আগে থেকেই অনুমান করেছিলাম। নিজেদের মতো করে সংখ্যা সাজানো হয়েছে। আমি এই প্রহসনকে হত্যা করছি।’ একই সময়ে ছাত্রদলের আর এক প্রার্থী, জিএস পদে শেখ তানভীর বারী হামিম, তার ফেসবুক পোস্টে বলেছিলেন, শিক্ষার্থীরা যদি মনে করেন এটি তাদের রায়, তবে তিনি সেটাকে সম্মান জানাচ্ছেন। তবে তিনি আরও জানান, আজকের ভোটে কিছু কেন্দ্রে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে গণনার ক্ষেত্রে মেশিনের ত্রুটি ও জালিয়াতির ঘটনা দেখা গেছে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে মিছিল করে ‘ভোট চোর ভোট চোর’, ‘প্রশাসন ভোট চোর’ সহ নানা স্লোগান দেন। কর্মসূচির পাশাপাশি সন্ধ্যায় তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ আনেন এবং বলেন, এই নির্বাচন হাসিনা ফ্যাসিস্টের নির্বাচনকেও হার মানাচ্ছে। ক্যাম্পাসে মিছিল চলাকালীন তারা বলেন, ‘কারচুপির নির্বাচন, মানি না-মানি না।’ যদিও পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে বিভিন্ন হলে ফলাফলে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা প্রাধান্য পাচ্ছেন। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দেখা গেছে, কার্জন হল, অমর একুশে হল, সুফিয়া কামাল হল, ভূতত্ত্ব বিভাগের কেন্দ্র ও জিয়া হলে ভিপি পদে সাদিক কায়েম বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া জিএস পদে ফরহাদ হোসেন এবং এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান এগিয়ে আছেন। অমর একুশে হলে আবু সাদিক কায়েম ৬৪৪ ভোট পেয়েছেন, যেখানে আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন মাত্র ১৪১ ভোট। অন্যান্য হলেও সাদিক কায়েমের নেতৃত্ব দেখা যাচ্ছে, যেমন ভূতত্ত্ব কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১২৭০ ভোট, জিয়া হলে ৮৪১ ভোট। এর ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

  • উমামা ফাতেমা ঘোষণা দিলেন ডাকসু বর্জনের

    উমামা ফাতেমা ঘোষণা দিলেন ডাকসু বর্জনের

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী উমামা ফাতেমা ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি এই নির্বাচন বর্জন করবেন। তিনি মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া তিনটার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘বয়কট! বয়কট! আমি ডাকসু বর্জন করলাম।’ এই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ডাকসু নির্বাচনকে ‘সম্পূর্ণ নির্লজ্জ কারচুপির নির্বাচন’ বলে অভিহিত করেছেন। উমামা ফাতেমা উল্লেখ করেন, ‘৫ আগস্টের পরে ছাত্ররাজনীতির ছলে জাতির মুখে লজ্জার ধরণের আচরণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিবির পন্থী প্রশাসনের দ্বারা এই ধরনের অবিচার চালানো হয়েছে।’

    এর আগে রাত দেড়টার দিকে একটি অন্য পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘চলমান এই নির্বাচন একটি সার্কাসের মতো। কে দেখতে আসছেন?!’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া ও অবিচারজনিত পরিস্থিতির প্রতি তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খানও ডাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত কারচুপির ফলে এই ফলাফল আমি দুপুরের পরই অনুমান করেছি। নিজের মতো করে সংখ্যা গুণে নিন। আমি এই পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করছি।’

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। রাত দেড়টার দিকে বিভিন্ন কেন্দ্রে ফলাফলের ঘোষণা শুরু হয়। বেশিরভাগ কেন্দ্রে ফলাফল ইতোমধ্যে জানা গেছে, যেখানে দেখা যায় ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এই প্রথমবারের মতো, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী একটি ভূমিধস বিজয় লাভের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

  • এ বিজয় ব্যক্তিগত নয়, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত জয়: ভিপি সাদিক কায়েম

    এ বিজয় ব্যক্তিগত নয়, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত জয়: ভিপি সাদিক কায়েম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী সাদিক কায়েম। বিজয়ের পরদিন বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই বিজয় কোনো ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত সাফল্য।

    সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসু নির্বাচনে কেউ হেরেছেন না; এখানে জয়ী হয়েছে সকল শিক্ষার্থী, জয়ী হয়েছে জুলাইবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা, জয়ী হয়েছে শহীদদের স্বপ্ন। এটি আমাদের সকলের collective victory এবং এটি শহীদদের আত্মত্যাগের ফসল। তিনি স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদ, আধিপত্যবিরোধী সংগ্রামের শহীদ এবং বিশেষ করে শহীদ আবরারকে, যিনি ছাত্ররাজনীতির সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারান। আল্লাহ তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন বলে কামনা করেন।

    নিজের দায়িত্ববিষয়ক বক্তব্যে সাদিক কায়েম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাকে এবং আমার সহযোদ্ধা এস এম ফরহাদ ও মহিউদ্দিন খানসহ পুরো প্যানেলকে যে আস্থা দিয়েছেন, আমরা সেই আস্থার মর্যাদা রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা যে স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার অঙ্গীকার করেছি, তা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

    তিনি আরও বলেন, আমি চাই না শিক্ষার্থীরা শুধু আমাকে ভিপি হিসেবে দেখুক; বরং তারা আমাকে বন্ধু, ভাই ও সহপাঠী হিসেবে জানুক। আমার আচরণ বা ভাষা যেন কোনোভাবেই অহংকার বা গর্বের প্রকাশ না হয়, সেজন্য আমি গুরুত্ব সহকারে খেয়াল রাখব।

    একটি পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ইনস্টিটিউটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর করার লক্ষ্য ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা চাই একটি এমন ক্যাম্পাস, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উন্নত পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারবে। সেখানে গবেষণার সুযোগ থাকবে, আবাসন নিশ্চিত হবে, খাবার ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হবে। নারীদের জন্য থাকবে নিরাপদ ও সমানাধিকারের পরিবেশ।

    তিনি নারী শিক্ষার্থীদের অবদানকে বিশেষভাবে স্বীকার করেন এবং বলেন, ডাকসু নির্বাচনের সফল আয়োজন ও জুলাইবিপ্লবের সময় নারীদের সাহসী অংশগ্রহণ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। এটি তাদেরও অধিকার।

    সাদিক কায়েম বলেন, নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তারা কেউ আমাদের শত্রু নয়; তারা সবাই এখন পরামর্শদাতা। সব মতপক্ষে থাকা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে কাজ করতে চান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে এক গণমাধ্যমকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন, আমি তার পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানাই। পাশাপাশি যারা এই নির্বাচনের কাভারেজ করেছেন, তাদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সাদিক কায়েম আরও বলেন, এই দায়িত্ব একটি কঠিন পরীক্ষা। আমরা চাই, এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হব। শিক্ষার্থীদের অধিকার সংরক্ষণ ও আধুনিক, মানবিক ক্যাম্পাস গড়ার জন্য সবাইের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

  • ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি’

    ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে গত মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনের সময় কিছু অসুবিধার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভোটকক্ষে কিছু প্রার্থী ও সমর্থক নিয়ম ভেঙে ঢুকের চেষ্টা করেছেন। তবে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি কার্জন হলে ভোটকেন্দ্রের সামনের আলাপচারিতায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো কার্ড প্রদান করেনি। এজন্য তাকে মেয়েদের হলে অবস্থিত ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এই ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য আসিনি, বরং ভোটের উৎসব উপভোগ করতে আসছি। আমি কোনো অভিযোগ করতে চাই না।’ তবে শুরু থেকেই নির্বাচনের পরিবেশে কিছু অসুবিধার অভিযোগ উঠে আসছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই কেন্দ্রে জগন্নাথ হলে থাকা শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন। পাশাপাশি কাজের জন্য তিনি ও তার সমর্থকদের ভোটের প্রচার ও প্রচারপত্র বিলি করতেও দেখা যায়। ওই সময় অনেক নারী ভোটার এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ ও বিরক্তি প্রকাশ করেন। তবে আবিদুল ও তার সমর্থকেরা দাবি করেছেন, তারা ভোট প্রার্থী বা প্রচার করতে আসেননি, কেবল ভোটের ব্যালট নম্বর সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন, কারণ বেশিরভাগ ভোটার তা মনে রাখতে পারেন না। এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী কেন্দ্রে ঢুকে ভোটের জন্য প্রার্থনা বা প্রচারণা করতে পারবেন না। কেন্দ্রের ১০০ মিটার মধ্যে কোনো ভোটারও স্লিপ বা প্রচারপত্র বিলি করতে পারবে না। খবর গেছে, নির্বাচনী কেন্দ্রের কাছেই বুথ ও টেবিল স্থাপন করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তারা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের হেল্প ডেস্ক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫০ মিটার দূরে রয়েছে।’ এই ঘটনার মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করতে সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • ডাকসু নির্বাচন: ২৮ পদে ২৩টিতেই শিবিরের জয়

    ডাকসু নির্বাচন: ২৮ পদে ২৩টিতেই শিবিরের জয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি, জিএসসহ মোট ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচনের ফলাফলে ২৩টিতেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ ছাত্রজোটের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাবির সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিক ফলাফলে তাদের নাম ঘোষণা করেন ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২ ভোট, যার মাধ্যমে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। একইভাবে, এসএম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট। প্রতিরোধ পর্ষদের প্রার্থী মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট, যারা তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

    এছাড়া, এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবিরের প্রার্থী মুহা. মহিউদ্দীন খান, যিনি ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়েছেন। ছাত্রদলের প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪ ভোট। আরও ২০ পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা জয় লাভ করেছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা, যারা ১০ হাজার ৬৩১ ভোট পান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ইকবাল হায়দার ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম ৯ হাজার ৭০৬ ভোট লাভ করেন।

    অন্য পদে নির্বাচিতরা হলেন ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ (৯ হাজার ৬১ ভোট), ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসাইন (৭ হাজার ২৫৫ ভোট), কমন রুম, রিডিং রুম ও কাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা (৯ হাজার ৯২০ ভোট), মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক সাখাওয়াত জাকারিয়া (১১ হাজার ৭৪৭ ভোট), স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এমএম আল মিনহাজ (৭ হাজার ৩৮ ভোট), ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম (৯ হাজার ৩৪৪ ভোট)।

    এছাড়া, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন সাবিকুন্নাহার তামান্না (১০ হাজার ৪৮ ভোট), সর্বমিত্র (৮ হাজার ৯৮৮ ভোট), আনास ইবনে মুনির (৫ হাজার ১৫ ভোট), ইমরান হোসেন (৬ হাজার ২৫৬ ভোট), তাজিনুর রহমান (৫ হাজার ৬৯০ ভোট), মেফতাহুল হোসেন আল মারুফ (৫ হাজার ১৫), বেলাল হোসাইন অপু খান (৪ হাজার ৮৬৫ ভোট), রাইসুল ইসলাম (৪ হাজার ৫৩৫ ভোট), মো. শাহিনুর রহমান (৪ হাজার ৩৯০ ভোট), মোছা. আফসানা আক্তার (৫ হাজার ৭૪৭ ভোট) এবং রায়হান উদ্দীন (৫ হাজার ৮২ ভোট)।

    বাকি পাঁচ পদে জয়ী হয়েছেন অন্য প্রার্থীরা, যার মধ্যে সমাজসেবা সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবাইর বিন নেছারী; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী; সদস্য হিসেবে হেমা চাকমা ও উম্মু উসউয়াতুন রাফিয়া।

    প্রথম দফা ভোটগ্রহণ গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়, যাতে কোন বড় ধরনের ঘটনা ঘটে নি। এবারের নির্বাচনে আক্রান্ত প্রার্থীরা ৪৭১ জন। সাধারণ ছাত্র সংসদের ২৮ পদে প্রার্থী ছিলেন ৪৭১ জন, আর হল সংসদে ১৮টি পদে প্রার্থী ছিলেন ১৩ হাজার ৫ জন।

    বিপুল ভোটারসংখ্যা ছিলো ৩৯,৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র হলে ২০ হাজার ৯১৫ এবং ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ জন ভোটার ভোট দেন।

  • পূবালী ব্যাংকে শেখ হাসিনার লকার জব্দ

    পূবালী ব্যাংকে শেখ হাসিনার লকার জব্দ

    জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি লকার জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এলাকা (সিআইসি)। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় অবস্থিত এই লকারটি সন্দেহজনকভাবে জব্দ করা হয় বলে সিআইসির মহাপরিচালক আহসান হাবীব জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, শেখ হাসিনার নামে নির্দিষ্ট করে সৌজন্য হিসেবে থাকা একটি লকারের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার নম্বর ১২৮। এই লকারের দুটি চাবির মধ্যে একটি শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গোয়েন্দা দলের একটি টিম দ্রুত এই লকারটিকে জব্দ করে। ভবিষ্যতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এনবিআরের সূত্র বলছে, এই লকারে স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র থাকতে পারে, তবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক ধারণা, এই লকারে গুরুত্বপূর্ণ বা সন্দেহজনক নথিপত্র বা মূল্যবান জিনিস থাকতে পারে। আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় লকারটি খোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালানো হবে।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু নির্বাচনে ২৮ পদে বিজয়ীদের ভোটের ফলাফল প্রকাশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসু নির্বাচনে ২৮ পদে বিজয়ীদের ভোটের ফলাফল প্রকাশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ঐতিহাসিক এক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট ২৮ পদের মধ্যে ২৩টিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ ছাত্র জোট বিজয় লাভ করে, যেখানে শীর্ষ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও সদস্য পদে তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। অবশিষ্ট পাঁচটি পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাবির সিনেট ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এই ফলাফল ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

    শীর্ষ তিনটি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছেন: কমিউনিটি পরিষেবার জন্য ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ঐক্যবদ্ধ ছাত্রজোটের ভিপি প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) সর্বমোট ১৪,০৪২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত মো. আবিদুল ইসলামের খান মোট ৫,৭০৮ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩,০৩৮ ভোট, এবং শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩,৬৮১ ভোট।

    জিএস পদের জন্য এস এম ফরহাদ ১০০৭৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর বারী হামীমের ভোট সংখ্যা ৫,২৮৩। অন্যপ্রার্থী মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪,৯৪৯ ভোট, এবং বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী পরিষদ থেকে আবু বাকের মজুমদার পেয়েছেন ২,১৩১ ভোট।

    এজিএস পদে মহিউদ্দীন খান ১১,৭৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫,৬৪ ভোট।

    অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ফলাফলও অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। মিত্রপ্যানেলের প্রার্থীরা বিভিন্ন পদে জয়লাভ করেছেন, যেমন গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিভাগের ফাতেমা তাসনিম জুমা ১০,৬৩১ ভোট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দার ৭,৮৩৩ ভোট, কমন রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ৯,৯২০ ভোট, এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক জসীমউদ্দিন খান ৯,৭০৬ ভোট। বিশেষ করে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ ৭,৩৮ ভোট, এবং মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক সাখাওয়াত জাকারিয়া ১১,৭৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

    প্যানেলের বাইরে থেকে অন্য প্রার্থীরা বিভিন্ন পদে জয়লাভ করেন। কেউ তাঁর মধ্যে সংযোজিত হন, কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। এই বিজয়ীদের মধ্যে সমাজসেবা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, গবেষণা ও প্রকাশনা, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীও এগিয়ে আসেন। সর্বমোট ১৩ জন সদস্য পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা ১১ জন, যারা সাবিকুন্নাহার তামান্না, আনাস ইবনে মুনির, ইমরান হোসেন, তাজিনুর রহমান, মেফতাহুল হোসেন আল মারুফ, বেলাল হোসাইন অপু খান, রাইসুল ইসলাম, মো. শাহিনুর রহমান, মোছা. আফসানা আক্তার ও রায়হান উদ্দীন।

    অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন হেমা চাকমা (৪,৯০৮ ভোট) ও উম্মা উসউয়াতুন রাফিয়া (৪,২০৯ ভোট)।

    এমন ফলাফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জীবন আবার এক নতুন চেহারা পেয়েছে এবং ভবিষ্যতের রাজনীতির দিক নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।