Author: bangladiganta

  • বিশ্বশিল্পীর প্রতিবাদ: ইসরায়েলকে বর্জনের ঘোষণা

    বিশ্বশিল্পীর প্রতিবাদ: ইসরায়েলকে বর্জনের ঘোষণা

    দক্ষিণ জেরুজালেমে চলমান ফিলিস্তিনের ওপর সেনাস্পন্দনের কারণে সহিংসতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে শিল্পীরা এবার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিলেন। ‘ফিল্ম ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে, বাংলাদেশের মতো বিশাল সংখ্যক ১২ শতাধিক চলচ্চিত্র তারকা, নির্মাতা ও কলাকুশলী ইসরায়েলি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক উৎসবের সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা দ্রুত প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, এখন থেকে তারা ইসরায়েলি নির্মিত বা প্রযোজিত কোনো চলচ্চিত্রে অংশ নেবেন না। পাশাপাশি, ইসরায়েলি কোনো চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও বাতিল করেছেন তারা। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন অস্কার, বাফটা, এমি, পাম দ’অরসহ নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব। এছাড়া, বিশ্বের অন্যতম স্বনামধন্য পরিচালক ইয়র্গোস ল্যান্থিমোস, আভা ডুভার্নে, অ্যাডাম ম্যাককে, বুটস রিলে, এমা সেলিগম্যান, যশুয়া ওপেনহাইমার, মাইক লেইসহ তরুণ ও অভিজ্ঞ নির্মাতারা এ তালিকায় রয়েছেন।

    অভিনেতাদের মধ্যে আছেন এমা স্টোন, অলিভিয়া কোলম্যান, আয়ো এডিবেরি, লিলি গ্ল্যাডস্টোন, মার্ক রাফেলো, রিজ আহমেদ, সিনথিয়া নিক্সন, টিল্ডা সুইনটন, জেভিয়ের বার্ডেম, জো অ্যালউইন, জশ ও’কনরসহ আরও অনেকে। তারা বলেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা বা পরিবেশক সংস্থাগুলি কখনোওই ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকার সমর্থন করেনি। বরং, অধিকাংশই নৃশংসতা চালাচ্ছে বা সহায়তা করছে। ফলে, তারা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক রাখবেন না।

    এই সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ, জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, হাইফা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডোকাভিভ, তেলআবিব ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও টিএলভি ফেস্টের মতো বড় বড় আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি উৎসবে তারা উপস্থিত থাকছেন না এবং তাদের কাজের প্রদর্শনও দেখা যাবে না।

    বিবৃতির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে, ইহুদি সম্প্রদায়ের মার্কিন অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার বলেন, ‘গাজায় গত দু’বছর ধরে চলমান সহিংসতা ও মানবিক বিপর্যয় হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে। একজন ইহুদি মার্কিন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, এই গণহত্যা বন্ধে আমাদের সক্রিয়ভাবে ভূমিকা নিতে হবে। যখন রাজনীতি ব্যর্থ হয়, তখন শিল্পীদেরই এগিয়ে আসা উচিত।’

    সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো যখন এই নিরীহ মানুষের ওপর অন্ধ সমর্থন দিচ্ছে, তখন শিল্পীরা অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে পারবেন না। মানুষের অধিকারের জন্য দাঁড়ানো এখন দারুণ জরুরি।

  • চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত অভিনেত্রী কারিশমা

    চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত অভিনেত্রী কারিশমা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিশমা শর্মা এক মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। শুটিংয়ে যেতে যাওয়ার পথে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পাবেন। ঘটনার পুরো বিবরণ ও তার বর্তমান অবস্থা তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    অভিনেত্রী তার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘গতকাল বুধবার আমি চার্চগেটের উদ্দেশ্যে শুটিংয়ে যাচ্ছিলাম। এই জন্য আমি শাড়ি পরে ট্রেনে চড়েছিলাম। ট্রেনে উঠার সময় পড়ে গিয়েছিলাম। এরপর লক্ষ্য করি, আমার কিছু বন্ধুত, যারা ট্রেনে উঠতে পারেনি, তাদের দেখে আমি দ্রুত ট্রেনের গতি বাড়ার জন্য ভয় পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিলাম। দুর্ভাগ্যবশত আমি উল্টো হয়ে পড়ি, যার ফলে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পাই।’ এই ঘটনার ফলে তিনি পিঠে আঘাত পান এবং মাথা ফুলে যায়।

    অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এমআরআই করিয়েছেন। একদিন তিনি ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে ছিলেন, যাতে মাথার চোটের Severity বোঝা যায়। তিনি তার অনুরাগীদের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন। বলছেন, ‘গতকাল থেকে আমি খুব যন্ত্রণায় আছি, কিন্তু আমার শক্ত থাকার চেষ্টা করছি। আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’

    কারিশমা আরও জানান, তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘রাগিনী এমএমএস’, ‘উজরা চমন’, ‘হাম’ এবং ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’। তার অসুস্থতার খবর পেয়ে তার ভক্তরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

  • ফরিদা পারভীনের অবস্থা খুবই খারাপ, স্বামী জানালেন দোয়া অনুরোধ

    ফরিদা পারভীনের অবস্থা খুবই খারাপ, স্বামী জানালেন দোয়া অনুরোধ

    জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে যাচ্ছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। তার শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বামী, বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম। তিনি বলেন, “ফরিদা পারভীনের অবস্থা খুবই সংকটজনক। তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন, বেশি কিছু বলার নেই। শুধুই সবাই দোয়া করুন।”

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর একটি ফেসবুক পোস্টে তার পুত্র ইমাম জাফর নোমানী জানিয়েছিলেন, “সকলকে জানাতে চাই যে, গত বুধবার বিকালে থেকে ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হয়। তখন থেকেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বৃহস্পতিবার তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং তার রক্তচাপ নেই।

    তিনি আরো লিখেছিলেন, “বর্তমানে ডাক্তাররা কঠোর চিকিৎসা দিয়ে কৃত্রিমভাবে তার রক্তচাপ ধরে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং মেশিনের মাধ্যমে তার ফুসফুস চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এই পরিস্থিতিতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির কোনও আশাই নেই। তবে, হাসপাতালের পরামর্শে আমরা কিছু সময়ে আরো ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে এই লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যাচ্ছি।”

    ফরিদা পারভীন কয়েক বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। গত ৫ জুলাই তার শারীরিক পরিস্থিতি আবার গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ২২ জুলাই তিনি বাড়িতে ফেরেন।

    প্রায় দুই মাসের মধ্যে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকে সেখানে আইসিইউতেই ছিলেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

    ফরিদা পারভীন ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে তার সংগীত জীবন শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালন সংগীতের তালিম নেন।

    সংগীতাঙ্গনে তার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান তিনি। এছাড়াও অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা তার ঝুলিতে রয়েছে। ২০০৮ সালে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে তিনি ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

  • সালমান খানের পর দিশার বাড়িতে হামলা: অজান্তে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ

    সালমান খানের পর দিশার বাড়িতে হামলা: অজান্তে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ

    বলিউডের দুই জনপ্রিয় তারকার বাড়িতে গুলির ঘটনা ভারতের পরিস্থিতিকে আবারো উত্তেজিত করে তুলেছে। এই নতুন ঘটনায় সাম্প্রতিক সময়ে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সালমান খানের বাড়ির পর এবার গুলি ছোড়া হয়েছে অভিনেত্রী দিশা পাটানির বাড়ির কাছে। গতকাল ভোর ৩টার দিকে বরেলীর ওই এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় দুজন মোটরবাইকে করে এসে প্রায় ১০ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। এরপরও কেউ হতাহত হয়নি, তবে এই ঘটনা চারদিকে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে দিয়েছে।

    আটকের জন্য সন্দেহভাজনদের খোঁজ করছে পুলিশ। অপরাধীদের দাবি, এই হামলার কারণ হলো ‘হিন্দু ধর্মকে অপমান করার খেসারত’। তবে তারা বলছে, মূল লক্ষ্য হয়েছিল দিশা নন, বরং তার বোন খুশবু পাটানি। গোল্ডি ব্রার ও লরেন্স বিষ্ণোই নামের এই গ্যাং জানিয়েছে, খুশবু পাটানি আধ্যাত্মিক গুরু প্রেমানন্দ মহারাজ ও অনিরুদ্ধ আচার্যকে অপমান করেছেন, যার জন্য এই হামলা হয়েছে।

    দিশা পরিবারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বাড়ির নিরাপত্তা কঠোর করে তোলা হয়েছে এবং বাইরে পাহারাদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, খুশবু পাটানি সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন। অনিরুদ্ধ আচার্য এক সাক্ষাৎকারে ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কের ওপর মন্তব্য করেছিলেন, যা খুশবু ন্যAMESPACE করছে ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘নপুংসক’। তিনি বলেছেন, ‘যারা এই ধরনের জীবনধারাকে অনুপ্রেরণা দেন, তারা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।’

    পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই হামলার পেছনে ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের সংমিশ্রণ রয়েছে। এই ঘটনার শীঘ্র সমাধান না হলে বড় ধরনের সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করছে বিশ্লেষকরা।

  • বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    বিশিষ্ট ও শ্রোতাপ্রিয় লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আজ शनिवार (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার শেষে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিলাহি রাজিউন)। তার অকাল চলে যাওয়ার খবর পরিবার, বন্ধু ও সমর্থকদের জন্য গভীর শোকের নামান্তর। তিনি রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে ঢাকা শহরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। শিল্পী হিসেবে তার এই অসাধারণ পথের মাঝে তিনি চার সন্তানের মা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ও অনুরাগীদের হৃদয়ে স্থান করে রেখে গেছেন।

    তার মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে ইমাম জাফর নোমানী। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আম্মা (ফরিদা পারভীন) আজ (শনিবার) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় আবির্ভূত জীবন থেকে চির বিদায় নিলেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন তার সব ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।’

    অভিনেত্রী ও গায়িকা ফরিদা পারভীন বহু বছর ধরে কিডনি জটিলতা নিয়ে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবনতি হওয়ায় তাকে সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হতো। ২ সেপ্টেম্বর তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের জন্য নেওয়া হয়। তবে ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থা গুরুতরভাবে খারাপ হতে থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে রাখা হয় এবং তার পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠার পর তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    উপযুক্ত চিকিৎসার মাঝে তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি হলে তিনি লাইফ সাপোর্টে স্থানান্তরিত হন। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের লোকসংগীতের অমল ধারা ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার এই অমূল্য অবদান ও শিল্পসাধনা দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্য সৃষ্টি করেছে, যা অলোকপ্রকাশের মতো গভীর শোকের।

  • বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা হারানোই সুপার ফোরের দরজা খোলে

    বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা হারানোই সুপার ফোরের দরজা খোলে

    সম্প্রতি ক্রিকেটে এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশের এবং শ্রীলঙ্কার লড়াই নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। হংকংয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে শুরু করা বাংলাদেশ দল এখন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারানোই বাংলাদেশকে সুপার ফোরে নিয়ে যাবে।

    বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে শেষ কয়েক বছরে ম্যাচগুলোতে নানা উত্তেজনা দেখা গেছে। ২০১৮ সালের নিদাহস ট্রফির পর থেকে এই দ্বৈরথ আরও জমে উঠেছে। ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের মেরু বদল সময়ে দেখা দিয়েছে নতুন উত্তেজনা। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে উঠতেই হলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততেই হবে বাংলাদেশের।

    আপাতত, বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে হংকংকে সহজেই হারিয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচ ছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। ফলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টা দলটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা ইতোমধ্যে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতের পর্যায়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা আসছে একটু দেরিতে একটি সিরিজের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এর আগে তারা জিম্বাবুয়ে সিরিজ খেলেছে।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে। অন্যদিকে, এশিয়া কাপের এই আসরে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশকে একটি সুবিধাজনক অবস্থানে মনে করেন বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, এ সূচিটি বাংলাদেশকে বেশ সহায়তা করছে। তারা একটি ম্যাচে জিতেছে এবং কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিয়েছে। তাই, এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার মতো দলের জন্য সহজ নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক।

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা থাকলেও লিটন দাস ও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কিছু সমস্যাও দেখেছেন জাফর। টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখিয়ে তিনি বলেছেন, শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে। তবে, জুলাইয়ে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কাকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে জেতানো ইতিবাচক মনে করেন। তিনি আরও বলছেন, বাংলাদেশ অবশ্যই সুপার ফোরে যেতে পারে।

    জাফর বললেন, ‘বাংলাদেশকে কখনওই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। তারা যেমন একটি ম্যাচ জিতেছে, কন্ডিশনের সাথে পরিচিত হয়েছে, তেমনি যদি শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ম্যাচে হারাতে পারে, তাহলে তারা সুপার ফোরে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

  • পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শক্তির প্রদর্শন করেছে পাকিস্তান। ব্যাটিং এবং বল করার দিক থেকে তারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ওমানকে কঠিন চ্যালেঞ্জে ফেলে দেয়। পাকিস্তানের সালমান আগার দল ৯৩ রানের বড় সাফল্য অর্জন করে ম্যাচ জয় করে নিয়েছে।

    উইকেটে ব্যাট করতে নামা ওমানের পুরো ইনিংস শুরু থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। অভিজ্ঞ জতিন্দর সিং, আমির কলিম এবং অধিনায়ক জিশান মাকসুদ কেউই পাকিস্তানের ধারালো বোলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। পাকিস্তানের শাহীনের মতো বোলাররা আক্রমণে এসে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপকে ধ্বংস করে দেন। একমাত্র হাসান মির্জা কিছুটা লড়াই দেখান, ২৩ বলে ২৭ রান করেন। বাকি সবাই মাঠের দর্শক হিসেবেই থাকেন।

    পাকিস্তানের বোলাররা ধারাবাহিক আক্রমণে ওমানে ব্যাটিংয়ের ভেতর অস্থিরতা সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত ওমানের ইনিংস ৬৭ রানে থেমে যায়, যা পাকিস্তানের দাপুটে জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। সাইম আইয়ুব, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, শাহীন, আবরার ও নেওয়াজ একেকটি উইকেট করে থাকেন।

    এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নামে। প্রথমে ওপেনার সাইম আইয়ুব ৪ রান করে আউট হন, जिससे দলের মধ্যে কিছু শঙ্কা তৈরি হয়। এরপর সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন দারুণ আক্রমণাত্মক, তিনি খেলেন ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস। তার সঙ্গে ফারহান (২৯) বেশ ভালো সঙ্গ দেন।

    তবে দুজনের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস নামে। একসময় দল ১২০ রানে অর্ধেক উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষদিকে ফখর জামান ২৩ রানের ইনিংস ও মোহাম্মদ নেওয়াজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে পৌঁছে দেয় ১৬০ রানে।

    ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, কিন্তু পাকিস্তানের ধারালো বোলিং এটাকে নিমেষে ঢেকে দেয়। পাকিস্তানের বলারুর প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে। প্রথম ওভারে দুই উইকেট হারায় দলটি; প্রথমে তামিম ইকবাল নুয়ান থুসারার দুর্দান্ত গুল লেংথ ডেলিভারিতে লাথি মারতে গিয়ে বোল্ড হন, এরপর দ্বিতীয় ওভারে দুশমন্থ চামিরার বলের এজ করে পারভেজ হোসেন ইমন ফিরতে বাধ্য হন। এই দুই ওভারে মোট চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম একেবারে ভেঙে পড়ে। তবে দলের কিছু ব্যাটসম্যান পরিস্থিতি সামলে ওঠার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় উল্লেখযোগ্য। তবে তারা বেশ দ্রুতই রান আউট হয়ে যান। লিটনকে ফিরিয়ে দেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, এরপর হৃদয়ও ২৮ রানে আউট হন।এরপর জাকের আলী অনিক ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি জুটি গড়ে ম্যাচকে কিছুটা ঘুরে দেন। জাকের ৪১ ও শামীম ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে রানসংখ্যা ১৩৯ পর্যন্ত নিয়ে যান। বাংলাদেশের জন্য এই সংগ্রহ মোটামুটি লড়াই করার মতো হলেও, শ্রীলঙ্কার অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি হলো পাথুম নিশাঙ্কা ও কামিল মিশারা। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করে দলের মানসিকতা বদলে দেন, এবং শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে আউট হলেও তার অবদান ছিল বড়।ম্যাচের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৪০ রান। যা শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে তাড়া করে। উইকেটের জন্য বাড়তি চেষ্টা চালান বাংলাদেশের বোলাররা, মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে প্রথম উইকেটটি পড়ে। তিনি আরও একটি উইকেট নেন, পরে শরিফুল হকও দুইটি উইকেট তুলে নেন। তবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত বাউন্ডারির মাধ্যমে রান তুলতে থাকেন। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন, তবে এরপর সাজঘরে ফিরে যান তার ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ারে ক্যাচ দিয়ে। এরপর কুশল পেরেরো ও দাসুন শানাকা দ্রুত রান তুলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। শেষ দিকে দরকার ছিল ১৩৯ রানের, যা তারা সহজেই হাসারাঙ্গার ভালো বোলিং ও দলের আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে অর্জন করে নেয়। এভাবে, শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি জিতে সুপার ফোরের আসর থেকে তাদের এগিয়ে নিল। বাংলাদেশের জন্য এই হারে তাদের জন্য থাকা সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে গেলো, তবে তাদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় প্রয়োজন, যেন ভবিষ্যত এখনও জয়ের আশা ধরে রাখা যায়। পারস্পরিক সমঝোতা ও সামনের প্রতিযোগিতায় উত্তরণে এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

  • বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনপ্রক্রিয়া সামনে এগিয়ে থাকায় বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার, যেখানে বোর্ডের সভাপতি ও পরিচালকদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা, আসন্ন সাধারণ সভা (ইজিএম ও এজিএম) এর সম্ভাব্য সূচি, এবং ঢাকা মহানগরীর ক্লাব ক্রিকেট সংগঠকদের কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়। শেষে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিসিবির নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত তপশিল বা শিডিউল নির্ধারিত হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, ২৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ এবং ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচনী দিন। বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘অক্টোবরের নির্বাচনের জন্য ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া চলছে। তিনজন নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এবং আমাদের প্রয়োজন ছিল পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কিভাবে সব চিঠি যাবে ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ক্যাটাগরিতে: প্রথম ক্যাটাগরি- বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১০জন, দ্বিতীয় ক্যাটাগরি- ক্লাব প্রতিনিধিদের ভোটে ১২জন, তৃতীয় ক্যাটাগরি- সাবেক অধিনায়ক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে ১জন। পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে আরও ২ জন পরিচালক থাকবেন। সব মিলিয়ে মোট ২৫ জন পরিচালকের ভোটে নির্বাচিত হবে বিসিবির নতুন সভাপতি।

  • ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ৬ রানে ২ উইকেট পড়ার পর, ফারহান ও ফখর জামান পাওয়ার খেলতে থাকেন। তারা দলের স্কোর উন্নত করতে চেষ্টা করেন, তবে ফখর বাজে শটে উইকেট হারান। এরপর সালমান আলি আগা, হাসান নাওয়াজ ও মোহাম্মদ নাওয়াজরাও ব্যাটিংয়ে অবদান রাখতে থাকেন। ফারহান তার সফল ইনিংসটা চালিয়ে যান, ৪৪ বলে ৪০ রান করে। তবে আউটের পর পরিস্থিতি কঠিন হয়ে আসে। তবে এখানেই শেষ নয়, আফ্রিদি নিজের পাওয়ার হিটিং ক্ষমতা আবার দেখান ১৬ বলে চার ছক্কায় ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।