Author: bangladiganta

  • রাষ্ট্রে ইসলাম চালু থাকলে সকলের নিরাপদে জীবন উন্নত হবে: গোলাম পরওয়ার

    রাষ্ট্রে ইসলাম চালু থাকলে সকলের নিরাপদে জীবন উন্নত হবে: গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আমাদের দেশের ছোট্ট এই ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের, বর্ণের এবং পেশার মানুষের বসবাস। এই দেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সবাই পরস্পরের সাথে মিলেমিশে থাকে। তারা একে অন্যের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত কিছু মানুষ এক ধর্মের versus অন্য ধর্মের মধ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য বিভ্রান্তিকর মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টায় লিপ্ত। আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে একসাথে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা একটি ইসলামী কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়তে চাই যেখানে রাষ্ট্রে ইসলাম কার্যকর থাকলে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। যদি শাসকের মনে ইসলাম, কুরআন ও হাদিসের গভীর জ্ঞান থাকে, তাহলে সে কখনো অন্যের উপর অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন বা শোষণ করতে পারে না। এজন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই দেশকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারবদ্ধ।

  • সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: তিন মাসে ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ

    সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: তিন মাসে ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ

    সাতক্ষীরায় বিজিবি সদস্যরা গত তিন মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দের জন্য একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে মোট ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০৩ রাউন্ড বিভিন্ন অস্ত্রের গোলাবারুদ, পাশাপাশি মর্টার শেল, হ্যান্ড গ্রেনেড, ম্যাগজিনসহ আরও ২৭টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সীমান্তের পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে অবৈধভাবে অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ সময় কয়েকজন অস্ত্র ব্যবসায়ী ও চোরাচালানকারী আটকও করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও আগ্নেয়াস্ত্রের চোরাচালান বন্ধ করতেই সাতক্ষীরায় ৩৩ ব্যাটালিয়নের আওতায় সদর ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তে নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই চারিত্র্য আরও জোরদার করা হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, গত তিন মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৬টি দেশি-বিদেশি পিস্তল, ২টি রিভলভার, ২টি এসএমজি, ৫টি রাইফেল, ১৬টি দেশীয় বন্দুক, ৩টি শর্টগান, ৩টি মর্টার শেল, ৮টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২৭টি অন্যান্য অস্ত্র, ২১টি ম্যাগাজিন এবং ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।

    সাতক্ষীরায় বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘সম্প্রতি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে কিছু অসাধু চক্র দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্ষুণ্ণ করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর ফলে সীমান্তে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, সীমান্ত পথে অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধে সবাইকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য এবং তথ্য দেওয়ার জন্য টোল ফ্রি নম্বর ০১৭৬৯৬০০৫৫৫ এ সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত তিন মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ, মর্টার শেল ও হ্যান্ড গ্রেনেডসহ অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করে বিজিবি। এই কার্যক্রম অব্যাহত রেখে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চাওয়া চক্রের মুখোশ উন্মোচন ও তাদের হাত থেকে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • এক বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৪৭০ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি

    এক বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৪৭০ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি

    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ১৩ হাজার ৭৪২ টন দেশীয় মাছ রপ্তানি হয়েছে। এর মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৪৭০ কোটি ৬১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এই রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার ৪৫০ টন। এই বছর বিদেশে মাছের রপ্তানি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশার শেষ নেই, çünkü ভোগান্তি কমে আসলে ভবিষ্যতেও এ রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন তারা। মৎস্য কর্মকর্তারা সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়, যেখানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। তাদের চাহিদা অনুযায়ী বছরে প্রয়োজনীয় মাছের পরিমাণ ৪৮ লাখ টন, কিন্তু বর্তমানে মাছের উৎপাদন হয় প্রায় ৫০ লাখ ১৮ হাজার টন। ফলে চাহিদার সাথে উৎপাদনের সামঞ্জস্য থাকায় বাংলাদেশ আরও বেশি মাছ বিদেশে রপ্তানি করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি মূল্য পৌঁছেছে প্রায় ৫৫ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪২ টন মাছ।

    উল্লেখ্য, গত বছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানি হয়েছিল ৮,২৯২ টন, যার মাধ্যমে প্রাপ্ত বিদেশি মুদ্রার পরিমাণ ছিল দুই কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৫ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ৩১২ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৬৩ টাকা। তবে এই বছরের তুলনায় রপ্তানি বাড়ার ফলে অর্থনীতি লাভবান হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ছয় হাজার ৪৫০ টন, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণও বৃদ্ধি পেয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার।

    বিজনেসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামনের দিনগুলোতে মাছের রপ্তানিতে আরো সুবিধা হলে রপ্তানি আরও বাড়বে। তবে এ জন্য প্রয়োজন পণ্য সরবরাহের দ্রুততা ও কাগজপত্রের সহজ মেলবন্ধন। বর্তমানে অনেক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ৮৫ কিলোমিটার দূরে খুলনা যেতে হয়, যা পচনশীল মাছের দ্রুত সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, যদি রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য খুলনা থেকে সব কিছু বেনাপোলে স্থানান্তরিত হয়, তাহলে রপ্তানি বেড়ে যাবে।

    বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, খুলনা থেকে রপ্তানির জন্য লাইসেন্স ও অনুমোদন নিতে নানা বিড়ম্বনা হয়, যা রপ্তানির জন্য বির sakkar। যদি এই কাজগুলো বেনাপোলে করা হয়, তবে ব্যবসায়ীরা আরও আগ্রহী হয়ে উঠবেন। এক্ষেত্রে বৈধ সুবিধা নিশ্চিত হলে বিদেশে রপ্তানি আরও বেশি হবে।

    অন্যদিকে, বেনাপোল ফিস কোয়ারেন্টাইন অফিসের কর্মকর্তা আস-ওয়াদুল উল্লেখ করেন, গত বছরে তুলনায় এই বছরের মাঝারি রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। মাছ রপ্তানির সুবিধা বাড়ানোর জন্য কাজ চলছে। গত বছর বেনাপোল দিয়ে ভারতে রপ্তানির মধ্যে মিঠা পানির মাছের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ২১০ টন। একই সঙ্গে আসন্ন দুর্গাপূজার আগে ইলিশের রপ্তানি হয়েছে ৫৩২ টন।

  • বিশ্বকর্মা পূজার ছুটিতে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত

    বিশ্বকর্মা পূজার ছুটিতে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত

    ভারতে বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে বন্দরের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, যেমন মালামাল খালাস এবং বোঝাই-উঠানামা সহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। বেনাপোল চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী চলাচল যথোপযুক্ত থাকবে এবং সাধারণ যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যেতে পারবেন।

    বলেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান, মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে। তিনি আরও জানান, দেশে ও ওপারে ট্রাক চালকদের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বকর্মা পূজার সরকারি ছুটি থাকায় ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায়, আগামী বুধবারের জন্য ভারতে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে পুনরায় এ কার্যক্রম সচল হয়ে যাবে।

    প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রায় ৩৫০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়, যার মধ্যে ভারতের থেকে আসে প্রায় ৭০-৮০ ট্রাক পণ্য। এ আমদানির মাধ্যমে সরকার দৈনিক প্রায় ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করে।

    বেনাপোল চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াছ হোসেন মুন্সী জানান, বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্ট যাত্রাদের জন্য চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজার ছুটির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে বন্দরের অন্যান্য কার্যক্রম চালু থাকবে। তিনি আরও জানান, বন্ধের সময় ভারতীয় ট্রাকগুলো ফিরে যেতে পারবে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে বাণিজ্য পুনরায় শুরু হবে।

  • আওয়ামী লীগ খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি ধ্বংস করেছে: এড. মনা

    আওয়ামী লীগ খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি ধ্বংস করেছে: এড. মনা

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, গত ১৫ বছরে খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি খাত ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। এই রপ্তানির মাধ্যমে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের দ্বিতীয় বৃহৎ অংশ আসে, যা এখন ধুলির মতো মিশে গেছে সরকারের অবহেলা ও অবসানহীন সমস্যা কারণে। ফলে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাদা সোনার মতো পরিচিত এ রপ্তানির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ক্ষয়প্রাপ্ত hall। যদি ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় আসে, আগামীতে তিনি জানিয়েছেন, খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিকে পরিবেশ-বান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করে সচল করে তোলা হবে।

    গতকাল সোমবার নতুন বাজার মৎস্য ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথির বক্তৃতা করে এড. শফিকুল আলম মনা এসব কথা বলেন। তিনি মৃত মৎস্য ব্যবসায়ীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এটা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার গত ১৫ বছরে এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের বিকাশের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

    আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিরাজুর রহমান মিরাজ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মিন্টু কাজী, ২২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস. এম. নুরুল আলম দিপু ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান জুয়েল, মফিজুল সরদার, কামাল হোসেন, মনজুর শাহিন রুবেল, নাইম হাসান হাসিব, মোঃ শহিদুল ইসলাম, শাহারুজ্জামান মুকুল, আলী আকবর, নজরুল ইসলাম নান্না, মোঃ বাদশা, মোঃ মহরাম, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনি, এবাদুল ইসলাম জহির শেখ, সাইফুল ইসলাম, মোঃ রানাসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।

  • অর্থ উপদেষ্টার বলেছেন, জলবায়ু মোকাবিলায় প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু অর্ধেকের বেশি টাকা দরকারের সঙ্গে সম্পর্ক টানা যায় না

    অর্থ উপদেষ্টার বলেছেন, জলবায়ু মোকাবিলায় প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু অর্ধেকের বেশি টাকা দরকারের সঙ্গে সম্পর্ক টানা যায় না

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যাপারে স্পষ্টভাবে বলেছেন, আমাদের দরকার হচ্ছে ৩০ বিলিয়ন ডলার। তবে, এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার অর্থ আনতে গিয়ে আমাদের অনেক সময় জটিলতায় পড়ে যেতে হয় এবং প্রচুর জানবের হয়ে যায়। তিনি এই মন্তব্য করেছেন আজ, সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর), রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ আয়োজনের তিন দিনব্যাপী ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়।

    তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরণের দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হচ্ছে আমাদের। এর মধ্যে মানুষের তৈরি দুর্যোগের সংখ্যা খুব বেশি, আবার প্রকৃতি আঘাত হানার ঘটনাও কম নয়। এই সমস্যার সমাধানে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন—বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান, অর্থের উৎস ও জনগণ।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে নিজস্ব প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলা করে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, আগে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসতেন; কিন্তু এখন স্থানীয় মানুষ আগে থেকে প্রস্তুত থাকেন। এই প্রক্রিয়াটাকে আরও জোরদার করতে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

    অর্থ উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, আমরা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানুষের তৈরি দুর্যোগের ঘটনা ও ব্যপক। এসব মোকাবিলা এবং প্রস্তুতির জন্য বার্ষিক প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ ধার্য করা হয়েছে ৩০ বিলিয়ন ডলার। তিনি জানান, সামনে তিনি আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের দরাদরি করবেন।

    সাংবাদিকদের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক তথ্য ও সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে সাংবাদিকদের আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। জাপানের শিক্ষার্থীদের মতো আমাদেরও ছোট বেলা থেকেই শিশুদের সচেতন করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, যিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহে গুরুত্ব দিতে হবে এবং এর জন্য আমাদের ক্ষতি বা দুর্যোগের গল্পগুলো প্রকাশ করতে হবে। সাংবাদিকদের এই কাজে সহায়তা চাই তিনি।

    অন্য একজন বিশেষ অতিথি, প্রধান উপদেস্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, বলেখ, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের বিভিন্ন শঙ্কাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে, যেমন সিলেটে পানি বৃদ্ধি ও ডেঙ্গু রোগের ঢেউ। এসব সমস্যা বৈশ্বিক ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায়নি বলে তারা অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাধা পাচ্ছেন।

    এই তিন দিনের প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ৬০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন, যার মাধ্যমে তারা জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে জানতে ও প্রচার করতে পারবেন।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, আবার বেড়েছে দাম

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, আবার বেড়েছে দাম

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে, যা নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নতুন মূল্য ঘোষণা করে। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ১,২৬০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২৭১৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করে বাজুস, যা তখন ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিল। এই দামের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম।

  • স্বর্ণের দাম বেড়েছে তৃতীয় দিনের মতোই আবারও

    স্বর্ণের দাম বেড়েছে তৃতীয় দিনের মতোই আবারও

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিনের মতো আবারও বৃদ্ধির Trend বজায় রাখতে দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩৩৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নিধার্মা করেছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই দাম এখন থেকে কার্যকর হবে আগামীকাল বুধবার থেকে।

    বাজুসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে, যার ফলে স্বর্ণের সামগ্রিক দামে বাড়তি প্রভাব পড়েছে। নতুন দামে এখন দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এছাড়া, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এরকম: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (সাধারণ) স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা।

    উল্লেখ্য, গতকালও বাজুস স্বর্ণের দামে বৃদ্ধি এনেছিল, যেখানে ভরিতে ১ হাজার ২৬০ টাকা যোগ করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এটি তখন দেশের সর্বোচ্চ দাম ছিল। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকায় স্থির হয়েছিল।

    অতিরিক্ত, এর আগের দিন সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারিত হয়। যা তখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    এই বছর, এখন পর্যন্ত মোট ৫২ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দামের বাড়ানো হয়েছে ৩৬ বার আর কমানো হয়েছে মাত্র ১৬ বার।

    অপর দিকে, রুপার দাম এরপরও অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য ২ হাজার ৮১১ টাকা, আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ২৯৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ৭২৬ টাকা নির্ধারিত।

  • খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছুঁতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকা

    খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছুঁতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকা

    এছাড়াও এবার আরও এক দফা বাড়ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া মাসের তথ্য অনুযায়ী, এটি প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। দেশের প্রধান চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অবস্থা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে বলছে, প্রকৃত চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে। এর জন্য অনেক শিল্পপতির বিদেশে পলায়ন এবং কারখানা বন্ধের পরিস্থিতিও বড় অবদান রাখছে। ২০০৯ সালে যখন আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, তখন থেকে গত ১৫ বছরে এটি হয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে জুনের মধ্যে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে এক লাখ ১০ হাজার ৯৪ কোটি টাকা। আর এক বছরেও এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে এখন প্রকৃত চিত্র প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে অনেক ঋণই আসলে খেলাপি হিসেবে কাস্টমাইজ করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির নিয়মে পরিবর্তনের ফলে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রাইভেট সেক্টরে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে স্বচ্ছতার অভাব ছিল, দেশের ব্যাংক খাত নিজেদের চেষ্টায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। কিছু ঋণকে আদালতের নির্দেশে আনঅ্যাকাউন্টেবল দেখানো হয়নি, কিন্তু এখন আমরা সেই সবগুলোকে স্পষ্ট করে দেখাচ্ছি। ফরেনসিক অডিটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে, তাই কিছু ঋণকে ক্লাসিফাই করে ডিফল্ট হিসেবে দেখানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ গত ছয় মাসে ১০ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব দিয়ে ঋণ বিতরণে কিছু অনিয়মের জন্যই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা। আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকগুলোকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনও প্রভাব দিয়ে ঋণ বিতরণ বেড়ে গেছে, এবং ঋণ সংকোচনের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেই। ফলে পূর্বে যা ছিল তার চেয়েও দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে, যার জন্য পরবর্তীতে ঋণের পরিশোধ সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

  • পুঁজিবাজারে দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির অভিযোগে জরিমানা

    পুঁজিবাজারে দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির অভিযোগে জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির দায়ে চার ব্যক্তির পাশাপাশি এক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সসহ কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির জন্য দুই ব্যক্তিকে জরিমানা এবং নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বুধবার অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৭২তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিউ লাইন ক্লোথিংসের শেয়ার কারসাজির মামলায় মোঃ রিয়াজ মাহমুদ সরকারকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মোঃ সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ও জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এই শেয়ার কারসাজির জন্য ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাদের এই জরিমানাগুলো আরোপ করা হয়।

    অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির দায়ে এনআরবি ব্যাংকের সিএফও মোহাম্মাদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা ও পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বীমা কোম্পানিটির শেয়ার কারসাজি মামলায় শেখ ফকরুল আহমেদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই শেয়ার কারসাজির অভিযোগে তাঁদের ওপর এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়, যা ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংঘটিত ঘটনায় প্রযোজ্য।

    এছাড়া, একই সভায় ফরচুন সুজ লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির ঘটনাও উল্লেখ করে, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অনুসন্ধান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে পাঠানো হবে। পাশাপাশি, ফরচুন সুজের শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত মোঃ আবুল খায়ের হিরু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় পত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।