শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ও অন্যান্য দাবির প্রতি সরকারের সহানুভূতি ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি বলেন, শিক্ষকরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মূল স্তম্ভ। সরকার তাদের মর্যাদা ও সামর্থ অনুযায়ী বাড়িভাড়া সংক্রান্ত দাবিগুলোর বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। বর্তমানে শিক্ষক সংগঠনগুলো শতাংশভিত্তিক বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ বৃদ্ধি সহ আরো কিছু দাবী তুলেছে। কিন্তু সরকারের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটাকে সীমিত রাখার জন্য আলোচনাচলছে। তার মতে, চলতি পরিস্থিতিতে সরকার ন্যূনতম ৫ শতাংশ বা দুই হাজার টাকা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে, যা শিক্ষক সংগঠনগুলোর দাবির জন্য একটি নমনীয় সমাধান। তিনি আরও বলেন, আগামী বছর নতুন বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আমরা একটি আরও সম্মানজনক ও সুদৃঢ় পেশাগত কাঠামোর দিকে এগিয়ে যেতে পারব। শিক্ষা উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, শুধু বেতন নয়, শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে কাজ চলছে। তিনি উচ্ছ্বসিত করে বলেন, সম্মান ও সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো শিক্ষকদের মানোন্নয়নে অপরিহার্য।
Author: bangladiganta
-

চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে নতুন ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহসভাপতি) ও জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।
নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের সদস্যরা এই গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ইব্রাহিম হোসেন রনি ভিপি পদে এবং সাঈদ বিন হাবিব জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল চারটার দিকে ১৪টি হলের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল প্রকাশের আগে এবং পরে কয়েকটি স্থানে উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। কিছু ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থক এ নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নানা অভিযোগ তুলে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল বলে জানা গেছে।
উত্তেজনা চলাকালে, রাতের শুরুর দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দুইটি হলের ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। তবে কিছু সময় পরে তিনি মুক্ত হন।
চাকসু নির্বাচনের দিনভর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও ফলাফল প্রকাশের আগে বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা দেখা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের বাইরে ছাত্রদল, বিএনপি, এবং জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রাত পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত করতে রাতের দিকে ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
-

অভিনেতা ফারহানের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন, মক্কায় উপস্থিতি
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান বর্তমানে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অবস্থান করছেন, যেখানে ওমরাহ পালনের জন্য এসেছেন। এই মুহূর্তে তিনি তার অনুভূতি এবং আবেগ প্রকাশ করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।
গত শুক্রবার তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই ভিডিওটি প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, অভিনেতা ইহরামের সাদা পোশাকে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে বসে আছেন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমার জীবনের সেরা দিন।”
ভিডিওতে আবেগপ্রবণ কণ্ঠে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ… জীবনে প্রথমবার এখানে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। কাবা শরীফের সামনে এই প্রথমবার ঢুকেই হাজরে আসওয়াদে (কালো পাথর) চুমু দিতে পেরেছি; যা বাস্তবে ভাগ্যের চেয়েও বড় ঘটনা। এর জন্য আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া। আমার আর কোনো বড় ইচ্ছে বা আশা নেই, সব কিছু আলহামদুলিল্লাহ।”
অভিনেতা আরও বলেন, “আল্লাহ সবাইকে এই পবিত্র স্থানে আসার তাওফিক দিন। দয়া করে আমার জন্য দোয়া করুন।”
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পরে ভক্তরা উচ্ছ্বাস ও শুভ কামনায় ভারাক্রান্ত হয়ে দোয়া ও শুভকামনা জানাতে শুরু করেন।
খবর অনুযায়ী, এই অভিনেতা চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। ফিরে এসে তিনি নতুন নাটকের শুটিংও শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
-

অরিজিতের সঙ্গে দ্বন্দের অবসান, অবশেষে ভুল স্বীকার করলেন সালমান
বলিউডে সালমান খান ও অরিজিৎ সিংয়ের মধ্যে পুরোনো দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনায় ছিল সব সময়। এই বিরোধের সূত্রপাত প্রায় এক দশক আগে, যখন উভয়ের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। সম্প্রতি নিজে সালমান এই বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, এই ভুল বোঝাবুঝির জন্য দায়ী তিনি নিজেই।
‘বিগ বস ১৯’ শোয়ের এক পর্বে, জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী রবি গুপ্তার সঙ্গে আলাপে সালমান অরিজিৎ প্রসঙ্গ টানেন। রবি মজা করে বলেন, ‘আপনার সামনে আসতে ভয় লাগছে, কারণ অনেকে বলে আমার মুখটা অরিজিৎ সিংয়ের মতো।’ শোতে সালমান প্রথমে হেসে ওঠেন, তারপর বিনয়ের সঙ্গে স্বীকার করেন, ‘অরিজিৎ আসলে খুব ভালো ছেলে, আমার খুব প্রিয় বন্ধু। আমাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, আর সেটা আমার দিক থেকে হয়েছিল।’
সালমানের এই বক্তব্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনায়। অনেকে মনে করেন, এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে তাদের পুরোনো দ্বন্দের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হচ্ছে।
দ্বন্দের ইতিহাস শুরু ২০১৪ সালে, যখন এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সালমান ও অরিজিৎ মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সালমান সঞ্চালনা করছিলেন, আর অরিজিৎ তখন মঞ্চে সাধারণ পোশাকে উপস্থিত। সালমান মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘ঘুমাচ্ছিলে নাকি?’ অরিজিৎ উত্তরে বলেন, ‘আপনারাই ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিলেন।’ এই কথাটির জন্য দর্শক হেসে ওঠলেও সালমান সেটি খুব পছন্দ করেননি বলে শোনা যায়।
এরপর, ২০১৬ সালে অরিজিৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় সালমানের কাছে ক্ষমা চেয়ে জানান, ‘আমি কখনো সালমান ভাইকে অপমান করতে চাইনি, এটা ছিল একটি ভুল বোঝাবুঝি।’ সেই সময় থেকে দ্বন্দ্বের এই ইস্যু নিয়ে চর্চা চলে আসছিল। এখন এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, তারা সেই পুরোনো ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে পুনঃসম্পর্ক স্থাপন করতে চান।
-

টিভি সাংবাদিক পরিচয়ে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা!
নেত্রকোনার সদর উপজেলার কাঠমিস্ত্রি রিপন মিয়া ২০১৬ সালে একটি ভিডিও প্রত্যাহার করে তার জীবনে পরিবর্তন আনেন। সেই সময়ের সঙ্গে তার মজার মজার ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার পরিচিতি বাড়ে। এখন তিনি সম্পূর্ণভাবে একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে উঠেছেন। কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ের নামে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছে। নিজেই একথা জানিয়েছেন তিনি।
রিপন মিয়া অভিযোগ করেন, তার ঘরে নারী সদস্য থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত অনুমতি না নিয়ে কিছু ব্যক্তি তার পরিবারকে ভিডিও করে। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি বলেন, আমি রিপন মিয়া। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনে ২০১৬ সাল থেকে এই কাজে থাকার সুযোগ পেয়েছি। এত দীর্ঘ সময়ে আমি কখনো কারও ক্ষতি করিনি। যে কেউ আমাকে ডেকেছেন, আমি সব সময় সাড়া দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে মানুষের ভালোবাসা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমার পেজ হ্যাকের চেষ্টাসহ নানা আঘাত এসেছে। আজ, সোমবার, ঢাকার বেশ কয়েকজন টিভি সাংবাদিক আমার বাড়িতে এসে অনুসন্ধানমূলক কাজ করতে থাকেন। তবে তাদের কেউ অনুমতি না নিয়ে আমার পরিবারকে ভিডিও করে এবং ভেতরে ঢুকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন। এমনকি পরিবারের মহিলা সদস্য থাকলেও তাদের অনুমতি নেননি।
রিপন বলেন, আমি কখনোই আমার পরিবারের ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে টাকা আয়ের অপচেষ্টা করিনি। তিনি উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট কোন টিভি চ্যানেলের নাম তিনি বলতে চায়নি, কারণ তার উদ্দেশ্য কখনো কারো ছোট করা নয়। তবে তাকে দুর্বল করে টাকা আয় করে তার পরিবারের খেয়াল রাখতে চাওয়া এই অসাধু কাজের জন্য অনেকে বিবেকহীনতা দেখাচ্ছেন।
তিনি সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নিজের বিবেকের প্রশ্ন করুন যে, এই পথ দিয়ে টাকা উপার্জন করে নিজের পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে যতটা পারছেন, সেটি কি ঠিক? সবশেষে তিনি সবাইকে ভাল থাকার আহ্বান জানান এবং দোয়া চান।
-

প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেতা রাজু তালিকোট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ
জনপ্রিয় কন্নড় অভিনেতা রাজু তালিকোট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) উডুপির মণিপাল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। এই অকাল প্রয়াণে কন্নড় শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ দিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক কন্নড় সিনেমার শুটিংয়ের জন্য উডুপির হেবরি এলাকায় ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে শুটিং শেষ করেন তিনি, এরপর মধ্যরাতে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন।
অভিনেতা রাজুর অসুস্থতার খবর জানিয়েছেন কন্নড় অভিনেতা শাইন শেঠি, তিনি বলেন, রাজু তালিকোটের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল হঠাৎ করেই। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। মুহূর্তে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
তার ছেলে জানিয়েছেন, অভিনেতার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে বিজাপুরের সিন্ধগী তালুকের চিক্কাসিন্দগীতে।
রাজু তালিকোটার প্রকৃত নাম রাজেসাবা মাকতুমাসাব তালিকোটি। তিনি কর্ণাটকের বিজয়পুর জেলা সিন্দাগী তালুকের চিক্কাসিন্দগী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা-মাও ছিলেন নাট্যশিল্পী। মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই বাবার পরিচালিত ‘শ্রীগুরু খাসগটেশ্বর’ নাট্য সংগঠনে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি থিয়েটার শিল্পে কাজ করেছেন।
প্রসGlobal এ তিনি ‘মানসারে’, ‘পঞ্চারঙ্গি’, ‘লাইফ ইজ দ্যাট’, ‘রাজধানী’, ‘আলেমারি’, ‘ময়না’ এবং ‘টোপিওয়ালা’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। উল্লেখ্য, প্রয়াত এই অভিনেতা ‘বিগ বস কন্নড়’ এর সপ্তম সিজনে অংশ নিয়েছিলেন।
-

পাকিস্তানে অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মুনিবা শাহকে গুলি করে হত্যা
পাকিস্তানের পেশোয়ার শহরে এক মঞ্চ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) গভীর রাতে রিং রোডের পাশে একটি রিকশার ওপর নেমে আসা অজ্ঞাত হামলাকারীরা তাঁর ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পেশোয়ার পুলিশের পক্ষ থেকে এই ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা দ্রুত গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত হন রিকশা চালকও, যার দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ফোরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বুলেটের খোলস ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। কর্তৃপক্ষ অভিযান চালাচ্ছে সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে এবং গ্রেফতার করতে।
তদন্তকারীরা হামলার পেছনের কারণ বা উদ্দেশ্য জানার জন্য কাজ করছেন। এই মুহূর্তে পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো বা কি Motiv ছিল, তার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান।
-

খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর
প্রিমিয়ার লিগের গত আসরে ঢাকা মেট্রোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল রংপুর বিভাগ। এবারও তারা ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে শিরোপার প্রত্যাশা ছিল। তবে এবার রংপুরের תשובה ছিল আরও কঠিন। ম্যাচের শুরু থেকেই রংপুরের বোলাররা দারুণ বল করে খুলনাকে আটকে রাখে, আর ব্যাটসম্যানরা নির্ভীকেই খেলতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে, খুলনার ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১৩৬ রানে, যেখানে তাদের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৪ রান। এরপর রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুবই ধারাবাহিক ভাবে খেলতে থাকেন, এবং বড় জয় দিয়ে মাঠ ছাড়েন। তারা ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয়, সেইসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
খুলনার বোলিং শুরুতেই ধাক্কা খায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা খুলনা প্রথম বলেই মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামানকে হারায়, যিনি স্পিনার নাসুম আহমেদের দ্রুত গতি ও সঠিক লাইন লাউড করে প্রথম শিকার হন। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ওপেনার এনামুল হক বিজয়। তার বিরুদ্ধে পয়েন্টের দিকে বল ঠেলে বেশ কয়েকটি রান করার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষমেষ রান আউট হন। সৌম্য সরকারও ব্যাটে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রান নিতে গেলে তিনি আউট হন বাইরের বলের কারণে। এরপর একজনের পর একজন উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে খুলনার ইনিংস দ্রুতই একপ্রকার ধসে পড়ে। শেষদিকে কিছু রান একটু বেশিই সংগ্রহ করে তারা, যেখানে ১৩০ পেরিয়ে যায়।
রংপুরের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। দুই ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদ দারুণভাবে দলের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন। তারা ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে প্রথমে দলের গতি বজায় রাখেন। জাভেদ ২৪ বলে ২৭ রান করেন, যেখানে নাসির আরও উজ্জ্বল পারফর্ম করে ৪৬ রান করে আউট হন। তিনি হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকতেই আউট হন। এরপর নাইম ইসলাম ও অধিনায়ক আকবর আলী অবিচ্ছিন্নভাবে ৫৪ রান যোগ করে। নাইম ৩২ বলের মধ্যে অপরাজিত ৪০ রান করেন, আর আকবর ১৫ বলে ১৯ রান করে থাকেন।
রংপুরের জয়ে মূল ভুমিকা রাখে তাদের শক্ত বোলিং আর দৃঢ় মনোভাব। বিশেষ করে আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৮তম ওভারে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘূর্নে যায় খুলনার বিপক্ষে। তিনি মিঠুন ও অভিষেক দাসের উইকেট তুলে নেন, যদিও হ্যাটট্রিকের অনুকূল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এই বোলিংয়ের ফলে খুলনার সংগ্রহ কাঁটার মতো আটকে যায়। শেষে, খুলনার ব্যাটসম্যানরা কিছুটা রানের ব্যবস্থা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩০ রান। এই সংগ্রহের সাথে রংপুরের জেতা নিশ্চিত হয়, এবং তারা টানা দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
-

শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে
শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ছিলেন নাহিদা। তার করা প্রথম বলেই চার মেরে সমীকরণ সহজ করে দেন ডে ক্লার্ক। এরপর পরের বল ডট খেলার পর, তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ৩ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই দূরবর্তী হয়ে গেছে বাংলাদেশের জন্য।
বিশাখাপত্তমে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা করে ২৩২ রান। দলের হয়ে অপরাজিত ফিফটি করেন স্বর্ণা। তার পরিণত ব্যাটিং এবং ধৈর্য্যপূর্ণ ইনিংসের কারণে বাংলাদেশের স্কোর মোটামুটি শক্তিশালী হয়।
জবাবে, ৪৯ ওভারে ৩ বল বাকি থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রান সংগ্রহ করে এবং ম্যাচ জেতার বন্দরে পৌঁছে যায়।
দক্ষিণ আফ্রিকার শুরু খুবই হালকা ছিল, প্রথম ওভারে নাহিদার শিকার হন ওপেনার তাজমিন ব্রিটস। প্রথম উইকেট হারানোর পরই লরা উলভার্টের নেতৃত্বে একমাত্র জুটিতে দাঁড়িয়ে যায়, তিনি ৩১ রান করেন। তবে, অধিনায়ক হঠাৎ রান আউটে পড়ে গেলে দ্রুতই আরও তিন উইকেট হারায় তারা।
এখনও ৭৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে এই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে থাকলেও, ষষ্ঠ উইকেটে মারিয়ানা কাপ এবং চার্লি ট্রায়ন ৮৫ রানের জুটি গড়ে দেন। শেষমেশ, কেবল ৫৬ রান করে কাপ আউট হয়ে যান, আর ট্রায়ন করেন ৬২ রান।
অবশেষে, ডে ক্লার্ক দলের জন্য দারুণ কিছু করেন। ২৯ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক ও ফারজানা হক সাবধানীভাবে ব্যাট করতে থাকেন। এতে বাংলাদেশের রান রেট কিছুটা কমলেও ভালো সূচনা হয়। লম্বা সময় পর উদ্বোধনী জুটিতে ফিফটি আসে। ঝিলিক ২৫ রান করে ফিরে যাওয়ার পর, ফারজানা ৭৬ বলে ৩০ রান করেন।
তিনে নামা শারমিন আক্তার আবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন, নিগার সুলতানা জ্যোতির সঙ্গে ৭৭ রানের জুটি গড়ে। জ্যোতি ৪২ বলে ৩২ রান করেছেন। জ্যোতি ফিরে গেলেও, শারমিন ৭৪ বলে ফিফটি তুলে নেন, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম। তাঁর এই পারফর্মেন্সে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে ওঠে।
অধিনায়ক নার্গিসের কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি ৫ নম্বর বিস্তৃত হন এবং মিডল অর্ডারে সফল হন। স্বর্ণা ৩৪ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি ছুঁয়ে দ্রুত আঙিনায় পৌঁছান, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম।
শেষে, রান উৎসবে যোগ দেন রিতু মণি, তিনি ৮ বলে অপরাজিত ১৯ রান করেন। তার এই ধারাবাহিক পারফর্মেন্স ও স্বর্ণার আধিপত্যে বাংলাদেশ অবশেষে এই রোমাঞ্চকর ম্যাচ হারলেও হতাশায় ডুবে না, ভবিষ্যতে আরও ভাল পারফর্মেন্সের প্রত্যাশা রেখে।
-

নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত পরিচালক সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার জুলফিকার আলি খান জুলুকে খুলনা থেকে এক বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয় খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এক্স-ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহান, যার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নাসির হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শংকর কর্মকার, মোহাম্মদ নাসিম, মোহাম্মদ আনসারুল হক, মনিরুল হাসান মনি, মোহাম্মদ আজিজসহ আরও অনেক distinguished ব্যক্তিত্ব। এর পাশাপাশি অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ-সম্পাদক মোসেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর, প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক আনিছুর রহমান কবির, এবং সদস্য জিয়াউর আলম জিয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, জাকির হোসেন রিপন, মোহাম্মদ মোস্তাক, মোহাম্মদ এজাজ, এডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি, আম্পায়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতা খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, তারিকুল ইসলাম তুষার, বরকতউল্লাহ তুর্কি, মইনুল হাসান শিমুল এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
বক্তারা জুলফিকার আলি খান জুলুর ক্রিকেট জীবন ও তার প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন এবং খুলনাকে দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্র হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করবেন।
অর্থাৎ, অনুষ্ঠানের শেষে জুলফিকার আলি খান জুলুর জন্য ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে তার ক্রিকেট ও প্রশাসনিক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মান জানানো হয়।
