Author: bangladiganta

  • সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে না: অর্থ মন্ত্রণালয়

    সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে না: অর্থ মন্ত্রণালয়

    একটি বিভ্রান্তিকর বিভ্রান্তির পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি। সোমবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ছে যে, এই ব্যাংকগুলো একীভূত হলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তবে, সরকার একেবারে এই ধরনের তথ্যের বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি এবং ব্যাংকগুলো একীভূত করার প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের গুজব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি একপ্রকার বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য প্রচেষ্টা। সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বিভ্রান্তির প্রতি নজর না দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • প্রথম ১৪ দিনে ছয় বার স্বর্ণের দাম বাড়ল, রেকর্ড নির্মাণ

    প্রথম ১৪ দিনে ছয় বার স্বর্ণের দাম বাড়ল, রেকর্ড নির্মাণ

    দেশের স্বর্ণবাজারে শুরু থেকেই দামের অস্থিরতা দেখা গেছে। চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই ছয়বার স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দামও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

    গত কয়েকদিনে একের পর এক দাম বৃদ্ধির কারণে বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দাম ঘোষণা করে। তাতে দেখা গেছে, ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা করে বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এটি এখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য।

    ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এই দাম বৃদ্ধির সঙ্গে যোগ হয়েছে, তেজাবি বা পিওর স্বর্ণের দামও বেড়েছে। ফলে বাজারে স্বর্ণের সামগ্রিক মূল্য পরিস্থিতির ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, স্বর্ণবিক্রয় মূল্যতে সরকারি ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভিন্নতার ফলে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ অগাস্ট বাজুস স্বর্ণের মূল্যে সাময়িক সংশোধনী এনেছিল। তখন ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ মূল্যে স্বর্ণ বিক্রির রেকর্ড। তখন ২১ ক্যারেটের জন্য ভরি মূল্য ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা। এই দাম কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়ে গেছে, যা নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ দাম বৃদ্ধি পেয়েছে চার হাজার ৬১৮ টাকা, এর ফলে এখন দেশের স্বর্ণপণ্যের বাজারে নতুন দামের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    এই দাম বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দর ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়া। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে।

    বাজুসের মতে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এই সর্বোচ্চ দাম দেশের ইতিহাসে নতুন যান। এর পাশাপাশি, রূপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এক ভরি রুপার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগে থেকেও বেশি।

    আরো জানা গেছে, অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও দাম বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকার থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা, আগে ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা।

  • নভেম্বরেই গণভোট করার প্রস্তাব জামায়াতের

    নভেম্বরেই গণভোট করার প্রস্তাব জামায়াতের

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আগামী নভেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচন থেকে আলাদাভাবে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এক বৈঠকের পর এই তথ্য জানান জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ তাহের। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি, গণভোটটি যেন অন্য সময় এবং আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি, ভোটার তালিকা এবং পিআর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে সারা হিসাবের অন্যান্য কমিশন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন একজন উপ-নেতা, আঞ্জুমানে আল হাদিসের সদস্যরা ও আইনজীবীসহ অন্যান্যরা।

    আব্দুল্লাহ মো. তাহের জানান, আমরা কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে বলেছি, গণভোটটি অন্য সময় করতে হবে। একই দিনে ভোট হলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন কেন্দ্র দখল ও রিফর্মের ব্যাপারে জটিলতা। তিনি আরও বলেন, নভেম্বরের মধ্যে এই গণভোট করবো গোটা পরিকল্পনা রয়েছে। ইসি আমাদের জানিয়েছে, তারা এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্ষম।

    তাহের ভাষ্য, এই আলাদা গণভোটের জন্য খরচও কম হবে, কারণ মূল ব্যালট ও বাক্স অপরিবর্তিত থাকবে। শুধু প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ ও ব্যবস্থাপনায় কিছু পরিবর্তন আনা হবে। তিনি আশাবাদী, যদি এই ভোট আলাদাভাবে হয়, তবে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে এবং ঝামেলা কম হবে। দ্বৈত ভোটের ব্যাপারে তিনি জানান, একসঙ্গে দুই ভোটের প্রক্রিয়া থাকলে রাজনৈতিক চাপ ও বিভ্রান্তি বৃদ্ধি পায়। তাই তারা অগ্রাধিকার হিসেবে নভেম্বরের মধ্যে আলাদাভাবে ভোট করানোর দাবি জানিয়েছে।

    প্রায়ই দেখা যায়, গণভোটের সময় সরোত্তম পরিবেশ সৃষ্টি না হলেও, অতীতে ১৭ থেকে ২১ দিনের ব্যবধানে অনেক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই এই ব্যাপারে কোনও বড় বাধা নেই বলেও মত দিয়েছেন তাহের। তিনি আরও জানান, কমিশন অফিসিয়ালি এই বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি; কেউ যদি ব্যক্তিগত মতামত দেয়, সেটি একটি নৈর্ব্যক্তিক মতানুযায়ী।

    অন্তঃমূলত, এই প্রস্তাবের পেছনে মূলটা হলো, নির্বাচন ও গণভোট দুটোর জন্য সময় এবং আয়োজন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা। জামায়াতের এই বৈঠক ও প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর মাসে আলাদাভাবে গণভোট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

  • তারেক রহমান দেশে ফিরে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেবেন: আমান

    তারেক রহমান দেশে ফিরে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেবেন: আমান

    ডেমোক্রেটিক লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার পর নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। This কথা বলেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন, রাজধানীতে সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সভাটি হয়েছিল, যেখানে দলের প্রয়াত নেতা সাইফুদ্দিন আহমেদ মনির দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আশ্বাস দেন, ইনশাল্লাহ এই নির্বাচন হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং মূল নেতৃত্ব দেবেন, দেশে ফিরে এসে তিনি নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রমে থাকবেন।

    বলাই থাকছেন না, মানুষ দেখেছেন তারেক রহমানের ভবিষ্যৎবানীর সত্যতা। তিনি বলে গেছেন, দেশ কখনো রাজপথেই ফয়সালা হবে। আজকে দেখা যাচ্ছে, দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কিছু ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতার পর থেকে যারা বিতর্কিত ভূমিকা পালন করেছিলেন, তারা आज নির্বাচন বানচাল করার জন্য নানা চক্রান্ত করছে। বিএনপি এবং অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারা স্পষ্ট করে বলছেন, নির্বাচন নস্যাত করার এই চেষ্টাগুলি ব্যর্থ হবে।

    আমান উল্লাহ আমান বলেন, বিভিন্ন স্থানে এখন নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিশেষ সময়ে, বিশেষ বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে কটাক্ষ করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৬ বছরে আন্দোলন করেছেন, স্বৈরাচার বিরোধী, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে জনগণের পাশে ছিলেন জিয়া পরিবার এবং বিএনপি। গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাইফুদ্দিন মনিরের ভূমিকার কথা তিনি স্মরণ করেন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ডেমোক্রেটিক লীগের সহসভাপতি মাহবুব আলম এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস। এতে আরও বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপির খায়রুল কবির খোকন, সাম্যবাদী দলের সৈয়দ নুরুল ইসলাম, গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, গ্লোভাল বাংলাদেশীজ এলায়েন্স ফর হিউম্যান রাইটসের আহ্বায়ক ও অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

  • শাপলা প্রতীকে নির্বাচনে যাবে এনসিপি: সারজিস আলম

    শাপলা প্রতীকে নির্বাচনে যাবে এনসিপি: সারজিস আলম

    আগামী নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে বা জোটগতভাবে অংশগ্রহণ করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখপাত্র সারজিস আলম। তিনি যোগ করেন, জোটে থাকলেও তারা প্রত্যাশা করছে যে, শাপলা প্রতীকে নির্বাচনে যেতে তারা সক্ষম হবেন।

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটির সংহত সভার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    সারজিস আলম বলেন, শাপলা প্রতীকের জন্য আইনগত কোনো বাধা নেই। নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে এই প্রতীক তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, আর কমিশন চাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই তালিকায় পরিবর্তনও করতে পারে।

    তিনি আরো বলেন, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বিষয়ে আইনি ভিত্তি ও বাস্তবতা বিবেচনায় এবং ডিসেম্বরের মধ্যে যদি গণহত্যার বিচারে সফলতা আসে, তাহলে আগামী নির্বাচনে কোনো বাধা থাকবে না বলে তিনি ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি, তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ভারত বা অন্য কোনও শক্তি যদি নির্বাচনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তার ফলাফল কেবল অসুবিধা বাড়াবে।

    একইসাথে, তিনি উল্লেখ করেন যে, এনসিপি উচ্চ কক্ষে পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব সুবিধা পাচ্ছে, তবে নিম্নকক্ষে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এনসিপিকে ‘কিংস পার্টি’ বলে বিদ্রূপ করার জন্য বিএনপির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন।

    সারজিস আলমের সভাপতিত্বে ও জামালপুর জেলার সাতটি উপজেলার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

  • তাহেরের অভিযোগ: উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, রেকর্ড আছে

    তাহেরের অভিযোগ: উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, রেকর্ড আছে

    জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা একটি বিশেষ দলের পক্ষে নিয়োগ ও প্রশাসনকে দলীয়করণের ষড়যন্ত্র করছেন। তার মতে, এই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তাদের কাছে স্বচ্ছ রেকর্ড রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর মৎসভবনের সামনের রাস্তায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

    তাহের বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জাতির পছন্দের ভোটের মাধ্যমে কার্যকরী সংসদ গঠন হবে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে আবারো প্রশাসনকে দলীয় করণের চক্রান্ত চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ডিসি, এসপি ও ইউএনও নিয়োগের মাধ্যমে দলীয়করণ হয়ে যাচ্ছে, আর এসব নিয়োগে প্রভাব সৃষ্টি করছেন সরকার পক্ষের কিছু উপদেষ্টা। এই উপদেষ্টাদের মধ্যে বেশ কিছু ব্যক্তি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, যার বিস্তারিত রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে।

    তাহের সরকার ও প্রশাসনের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলেন, এই ষড়যন্ত্র ঠেকাতে হবে, না হলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি এই বিষয়ে উদ্যোগ না নেয়, তাহলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠবে।

    আরও তিনি দাবি করেন, যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত রয়েছেন, তাদের দ্রুত প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলVin করেন, নভেম্বরে সাধারণ জনগণকে গণভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত জানানো উচিত, যা অবলম্বন করে নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব। তিনি জানান, ২১ দিনের মধ্যে সাধ্য অনুযায়ী গণভোট সম্পন্ন করা সম্ভব এবং এর মাধ্যমে চূড়ান্ত ভুলত্রুটি ধরার সুযোগ পাবেন।

    তাহের আরও বলেন, তাঁর পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে নিজস্ব পরবর্তী পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে জামায়াত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াত দখলবাজি বা চাঁদাবাজিতে জড়িত নয়, বরং জনগণের জন্য রাজনীতি করে। সরকারের ব্যবহার করলে কৃষকের ঋণমুক্তির জন্য সব মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হবে, যাতে কৃষকরা মুক্তভাবে তাদের জীবনযাত্রা চালিয়ে যেতে পারেন।

  • নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সংকট থেকে মুক্তি পেতে হলে দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি। তিনি এই কথা জানান মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে সদর উপজেলা ও রুহিয়া থানার বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময়। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং তা নির্ভর করছে সঠিক সময়ে নির্বাচন হওয়ার উপর। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, সঠিক সিদ্ধান্ত ও সময়ে নির্বাচন হলে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি করবে। তিনি আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভুল ভোটের বা সিদ্ধান্তের ফলে দেশ আবারো ফ্যাসিস্ট শাসনের মুখোমুখি হতে পারে, যা শুধুই বারবার দুর্ভোগ আর দুঃখের কারণ হবে। তিনি মনে করেন, গণতন্ত্রের বিকল্প কিছুই নেই এবং এই স্বর্গীয় উপাদানই দেশের মূল ভিত্তি। মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতে একদলীয় শাসন বা দমনপীড়নের পর জনগণের গণঅভ্যুত্থানে তারা মুক্তি পেয়েছেন এবং আবারও গণতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। বর্তমানে দেশের বহু নেতাকর্মী ওপর অর্পিত রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, হাজারো মামলায় জেল খেটেছেন, অনেককে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। তারপরও তারা দুর্বল নয়; তারা এখন চিরস্থায়ী স্বস্তিতে ঘুমাতে পারেন। তিনি জানান, প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে এবং ২০ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। গুমের শিকার হয়েছে অন্তত ১৭০০ নেতা-কর্মী। এদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন ও মিথ্যা মামলায় সাজা ভোগ করছেন। মির্জা ফখরুল এই নেতাকর্মীদের পাশে থাকায় আইনজীবীদের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন তুহিন এবং অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরাও।

  • মৃতদেহ শনাক্ত হলে দ্রুত স্বজনদের কাছে হস্তান্তর হবে

    মৃতদেহ শনাক্ত হলে দ্রুত স্বজনদের কাছে হস্তান্তর হবে

    রাজধানী ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে ঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১৬জনের মধ্যে যারা মৃতদেহ দ্রুত শনাক্ত করতে পারা যাবে, তাদের স্বজনদের কাছে খুব শিগগিরই হস্তান্তর করা হবে। তবে, যেসব দেহের শনাক্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না, সেগুলো কিছুদিন রাখার পরে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • ১০ বছর আগে ভাবিকে হত্যার পর এবার ভাতিজিকে হত্যা করল চাচা

    ১০ বছর আগে ভাবিকে হত্যার পর এবার ভাতিজিকে হত্যা করল চাচা

    বরগুনার তালতলী উপজেলায় গর্বের মতো পরিবারে ঘটে গেছে শোকাবহ ঘটনা। তখন ১০ বছর আগে, ভাবিকে গলা কেটে হত্যার বিভৎস ঘটনাটি ঘটেছিল। দুর্ভাগ্যক্রমে, ঐ হত্যাকাণ্ডের ছয় বছর পরে আবার এক নতুন ট্র্যাজেডি ঘটল। এইবার, ছয় বছর বয়সী ভাতিজি নাহিল আক্তারকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন তার চাচা হাবিব খান, যিনি আগে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী তানিয়া বেগমকে হত্যা করে জেলে ছিলেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুরপাড়া গ্রামে। শিশু নাহিল আক্তার বাড়ির সামনে একটি মুদি দোকানে রুটি কিনতে গেলে হঠাৎ তার চাচা হাবিল খান পিছন থেকে এসে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে শিশুটি গুরুতর জখম হয়। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে জরুরি ভিত্তিতে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে, তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।

    ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত হাবিল খান এলাকার সাধারণ মানুষ ও পরিবারের লোকজনের কাছে ধরা পড়ে। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে। জানা যায়, হাবিল খান আগে ২০১৫ সালে তার ভাই দুলাল খানের প্রথম স্ত্রী তানিয়া বেগমকে গলা কেটে হত্যা করেছিলেন। ঐ মামলায় তাকে ৯ বছর সাজা দেওয়া হয়, এবং ২০২৪ সালে জামিনে মুক্তি পায়। এখনও প্রায় দেড় বছর পর, সে আবারও সেই পরিবারের শিশু কন্যাকে পিটিয়ে হত্যার বর্বরness দেখায়।

    শিশুর বাবা দুলাল খান বলেন, ‘ও আমার জীবনটাই শেষ করে দিয়েছে। ২০১৫ সালে আমার প্রথম স্ত্রীর হত্যাকারী এই ব্যক্তি, এখন আবার আমার ছোট মেয়েকে হত্যা করেছে। আমার কী অপরাধ ছিল? আমি এর সঠিক বিচার চাই।’

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. টুকু শিকদার ও সালাম হাওলাদার বলেন, ‘ঘটনার পরে হাবিলকে ধাওয়া করছিল স্থানীয়রা। তিনি আশ্রয় নেন এক বাড়িতে। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে।’

    তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ রকিবুল ইসলাম জানান, শিশুটির মাথার ডান পাশে এবং বাঁ হাতের কনুইয়ে গুরুতর জখমের চিহ্ন ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘অতিসত্ত্বে শিশুটিকে বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়।’

    তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশু হত্যার মামলায় হাবিল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’