Author: bangladiganta

  • অগ্নিকাণ্ড নাশকতা কি না এখনই বলা যাচ্ছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অগ্নিকাণ্ড নাশকতা কি না এখনই বলা যাচ্ছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া একাধিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অনেকেরই মনে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে যে, এগুলো সম্ভবত নাশকতা কিনা। তবে, এ ব্যাপারে এখনই কিছু বলাটা সমীচীন নয়, কারণ তদন্ত চলছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

    সোমবার (২০ অক্টোর)। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক কোর কমিটির সভার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক আগুনের দুর্ঘটনাগুলো নিয়ে।

    তদন্ত এখনও চলমান থাকায় তিনি নিশ্চিত করে বলতে চান না कि এগুলো নাশকতা কিনা। তিনি জানান, তদন্তের ফলাফল বের হলে তখনই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

    সাংবাদিকরা যখন জানতে চান, এসব আগুনের ঘটনা কি নাশকতা কিনা, তখন তিনি উল্লেখ করেন, এ নিয়ে তদন্ত চলছে। এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয়।

    অতিরিক্ত, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জানান, এখন থেকে রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের জন্য পাসপোর্ট ফি সাধারণের মতই ধার্য করা হবে। আগে যা ছিল আলাদা বা বেশি, তা এখন সমান করা হবে।

    তিনি মনে করেন, রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের সম্মান পাওয়া দরকার, কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক সময় তা আদায় হয় না। এজন্য তাদের পাসপোর্টের ফি কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কতটা কন্রোভার্সি বা হ্রাস করা হবে, সেটা সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

    এছাড়া, তিনি জানান, তারা বিমান যাত্রার ক্ষেত্রে যেন সর্বোচ্চ সেবা পায়, সেই বিষয়েও নজরদারি চালানো হবে। এক্ষেত্রে বিমানবন্দরে সেবা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    উপদেষ্টা আরও জানান, প্রবাসীদের জন্য আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালু করা হবে। ইতিমধ্যে ই-গেট ইনস্টল করা হয়েছে, আশা করা হচ্ছে দুই-চার দিন যেন এর কার্যক্রম শুরু করা যায়।

  • সিআইডি প্রকাশ করল বাংলাদেশের পর্নো তারকা যুগল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    সিআইডি প্রকাশ করল বাংলাদেশের পর্নো তারকা যুগল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    বান্দরবান থেকে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই দম্পতি বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করার অভিযোগে گرفتار হন। সিআইডি বলছে, এই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা অন্য বাংলাদেশি নারী ও পুরুষকে এই ওয়েবসাইটে যুক্ত করতেন, যাতে করে মুনাফা লাভ করা যায়। মূলত, এই আন্তর্জাতিক পর্নো ওয়েবসাইটগুলোতে নতুনদের যুক্ত করে বেশি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হতো।

    সোমবার (২০ অক্টেবর) এসব তথ্য প্রকাশ করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান। তিনি জানান, এই দম্পতি নিয়মিতভাবে বিদেশি এক ওয়েবসাইটে পর্ন কনটেন্ট আপলোড করতেন। তাদের পরিচালিত চ্যানেলটি দ্রুতই বিশ্বখ্যাত এই শীর্ষপর্যায়ের পর্নো সাইটগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করে। একাদটির মধ্যে তারা নিজেদেরই নন, বরং অন্যদেরও এই ওয়েবসাইটে যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই দম্পতি বাংলাদেশ থেকেই ভিডিও তৈরি, সম্পাদনা ও আপলোড করতেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করছিলেন। বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই যুগল শুধু নিজেরাই অপরাধ করেননি, বরং অন্যদেরও এই জগতের সঙ্গে যুক্ত করতে উৎসাহিত করছিলেন। এর ফলে, বাংলাদেশে বসে পর্ন ভিডিও বানানো ও প্রচারের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছিল।

    এর আগে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তারা বাংলাদেশে বসে আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের ‘মডেল’ হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে আলোচনায় আসতেন।

    গবেষণামূলক অনুসন্ধানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুগল ২০২৪ সালের মে মাসে অনলাইনে সক্রিয় হয়। এক বছরের মধ্যে তারা শতাধিক ভিডিও প্রকাশ করে বিপুল দর্শক ও অনুসারী অর্জন করেন।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, এই যুগল একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। তারা টেলিগ্রাম, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও নিজেদের কার্যক্রম প্রচার করছেন। ২০২৪ সালের মে মাসে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলও খুলেছেন, যেখানে হাজারো সদস্য রয়েছে। সেখানে নতুন ভিডিওর লিংক ও তাদের আয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়।

    আনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই তরুণদের ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। কিছু অনলাইন পোস্টে উল্লেখ আছে, ‘নতুন ক্রিয়েটর যুক্ত করুন, অর্থ উপার্জনের সুযোগ পান’—এমন বার্তা দেওয়া হত, যা তরুণদের এই বিপজ্জনক জগতে ধীরে ধীরে টেনে নিয়ে যায়।

  • প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেতা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন

    প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেতা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন

    জনপ্রিয় কন্নড় অভিনেতা রাজু তালিকোট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার (১৩ অক্টোবর) উডুপির মণিপাল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। এই অকাল মৃত্যুতে কন্নড় শোবিজ অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক কন্নড় সিনেমার শুটিংয়ের জন্য উডুপির হেবরি এলাকায় ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে শুটিং শেষ করে ফিরে যাওয়ার সময়, মধ্যরাতে তিনি হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

    আন্দোলনকারী অভিনেতা শাইন শেঠি জানান, রাজু তালিকোটের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তবে চিকিৎসাকর্মীরা তার জীবন বাঁচাতে পারেননি। মুহূর্তেই তার মৃত্যু ঘটে।

    তার ছেলে জানিয়েছেন, অভিনেতার শেষকৃত্য হবে বিজাপুরের সিন্ধগী তালুকের চিক্কাসিন্দগীতে।

    রাজু তালিকোটার আসল নাম রাজেসাবা মাকতুমাসাব তালিকোটি। তিনি কর্ণাটকের বিজয়পুর জেলা সিন্দাগী তালুকের চিক্কাসিন্দগী গ্রামের ছেলে। তার বাবা-মা দুজনেই ছিলেন থিয়েটার শিল্পী। মাত্র সাত বছর বয়সে বাবার প্রতিষ্ঠিত ‘শ্রীগুরু খাসগটেশ্বর’ নাট্যসংঘে শিশুশিল্পী হিসেবে তার অভিনয় জীবন শুরু হয়। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি থিয়েটারে কাজ করেছেন।

    তিনি ‘মানসারে’, ‘পঞ্চারঙ্গি’, ‘লাইফ ইজ দ্যাট’, ‘রাজধানী’, ‘আলেমারি’, ‘ময়না’ এবং ‘টোপিওয়ালা’ সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। প্রয়াত এই অভিনেতা ‘বিগ বস কন্নড়’ এর সপ্তম সিজনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

  • প্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ধীর মারা গেলেন

    প্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ধীর মারা গেলেন

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ধীর আর নেই। বুধবার, ১৫ অক্টোবর, মুম্বাইয়ে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

    পঙ্কজ ধীর টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মহাভারত’-এর কর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ক্যানসারের सामना করে আসছিলেন। কয়েক মাস আগে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তার অস্ত্রোপচারও করা হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সুস্থতা ফিরে আসেননি।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার বন্ধু ও সহঅভিনেতা অমিত বহাল। ভারতের চলচ্চিত্র শিল্পের সংগঠন ‘সিনে অ্যান্ড টিভি আর্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশন’ এই ঘটনার শোক প্রকাশ করেছে। বুধবার বিকেলে মুম্বাইয়ে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    পঙ্কজ ধীর ছোটপর্দার পাশাপাশি বলিউডের অনেক সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন। ‘জমিন’, ‘সোলজার’, ‘টারজান: দ্য ওয়ান্ডার কার’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় তার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি ওয়েব সিরিজে কাজ করছিলেন, যা তার অভিনয় ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।

  • আপনি এত টাকা দিয়ে কী করবেন? শাহরুখ খানকে ধ্রুব রাঠীর প্রশ্ন

    আপনি এত টাকা দিয়ে কী করবেন? শাহরুখ খানকে ধ্রুব রাঠীর প্রশ্ন

    বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনেতার মর্যাদা পেয়ে থাকেন বলিউডের কিংখান শাহরুখ খান। তবে সম্প্রতি তার এই বিপুল অর্থসম্পদ ও পানমশলার বিজ্ঞাপন করা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন জনপ্রিয় ভারতীয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী। এক ভিডিও বার্তায় তিনি শাহরুখের বিশাল অর্থনৈতিক অবস্থানের বিচার বিশ্লেষণ করে জিজ্ঞাসা করেন, এত ধনী হয়েও কেন তাকে ক্ষতিকর পানমশলার বিজ্ঞাপন করতে হয়?

    ধ্রুব রাঠী সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে শাহরুখ বর্তমানে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির মালিক, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এই পরিমাণ অর্থের পরিমাণ ধারণা করাও অনেকের জন্য কঠিন। তিনি তার কথায় বলেন, এই বিপুল অর্থ ব্যাংকে রাখলে বছরে কত সুদ পাওয়া সম্ভব এবং তার সম্ভাব্য খরচ কত হতে পারে তারও একটি তুলনামূলক ধারণা দেওয়া হয়েছে।

    এরপরই তিনি সরাসরি বলিউডের এই মহা তারকাকে প্রশ্ন করেন, ‘সত্যিই কি আপনি আরও ১০০ বা ২০০ কোটি টাকার জন্য কেঁদে ভাসছেন? এত টাকা কি সত্যিই আপনার জন্য অপরিহার্য?’ তিনি জিজ্ঞেস করেন, ‘নিজের মনের মধ্যে ঢুকে ভাবুন, আপনি এত টাকা দিয়ে কী করবেন?’

    ধ্রুব রাঠীর ভাষায়, “শাহরুখের কাছে আমার একটাই প্রশ্ন—এই পরিমাণ অর্থ কি সত্যিই অনেক বেশি নয়? যদি এই বিপুল সম্পদই যথেষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে পানমশলার মতো ক্ষতিকর পণ্যের প্রচার কীরকমের দরকার?” প্রশ্নগুলো এখন প্রশ্নের মুখে খরা হয়ে উঠেছে—অর্থের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার এবং তার প্রভাবের বিষয়ে।

  • আসামে জুবিন হত্যার বিচার দাবি ও উত্তাল পরিস্থিতি, কারা ফটকে আগুন

    আসামে জুবিন হত্যার বিচার দাবি ও উত্তাল পরিস্থিতি, কারা ফটকে আগুন

    আসামের রাজপুত্রখ্যাত জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে অস্পষ্টতা এখনও কাটেনি। ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মারা যান তিনি। তার ভক্তরা দাবী করছেন যে, এই মৃত্যুটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। ইতিমধ্যে আসামের পুলিশ তার ব্যান্ডের দুই সদস্য, দেহরক্ষী, সিঙ্গাপুরের উৎসবের আয়োজক এবং এক আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে।

    গতকাল বুধবার তাদের আসামের বকসা জেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই খবর প্রকাশ পেতেই কারাগারের সামনে ভক্তরা জড়ো হন। জেলায় পৌঁছানোর সময়, গায়কের অনুরাগীরা নানা স্লোগান দিতে থাকেন, জুবিনের হত্যার বিচার চেয়ে। স্লোগানের চাপে পুলিশ ভ্যানের দিকে ইট-পাটকেল ছোड़ा হয়, যা অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উত্তেজিত জনতা একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামলাতে প্রথমে লাঠিচার্জ, পরে ফাঁকা গুলি এবং টিয়ার গ্যাস ছোড়া হয়।

    বিক্ষোভের কারণে কারাগারের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবাও সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। কারাগার ও এর আশপাশে জনতার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। এলাকা নিরাপত্তা দেখে র‌্যাপিড অ্যাকশান ফোর্স (আরএএফ)-এর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    জুবিনের মৃত্যুর পর সিঙ্গাপুরের পুলিশ জানায়, তার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে। তবে গায়কের স্ত্রী গরিমা ও তার অনুরাগীরা দাবি করেন, মৃত্যুর পিছনে ষড়যন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আসাম সরকার একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে তদন্ত শুরু করে।

    অন্যদিকে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বুধবার বকসার এই ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল জুবিনের মৃত্যুর ঘটনাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণে তুলে এনে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তিনি জানান, যারা হিংসা উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

  • দুধ দিয়ে গোসল করে রিয়া মনিকে তালাক দিলেন হিরো আলম

    দুধ দিয়ে গোসল করে রিয়া মনিকে তালাক দিলেন হিরো আলম

    গত কয়েক মাসে ঘটে যাওয়া নানা ধরনের মামলা-মোকদ্দমা এবং অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের গল্প এখন শেষের পথে। মান-অভিমান শেষে স্ত্রী রিয়া মনিকে নিজ বাসায় বগুড়ায় নিয়ে যেতে পারেন হিরো আলম, কিন্তু এরপরেই নতুন এক নাটক শুরু হয়। অবশেষে, সকল সমস্যার সমাধান করে দুধ দিয়ে গোসল করে রিয়া মনিকে তালাক দিলেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে তিনি মৌখিকভাবে রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছেন। হিরো আলম জানিয়েছেন, তিনি তার উকিলের মাধ্যমে ডিভোর্সের কাগজপত্র চূড়ান্ত করেছেন। দ্রুত তিন মাসের মধ্যে কোর্টের মাধ্যমে রিয়া মনির তালাকের কাগজ পেয়ে যাবেন। তিনি বলেন, ‘আর যদি কখনো রিয়া মনিকে বিবাহিত স্ত্রী দাবি করে মিডিয়ার সামনে আনা হয়, তাহলে আমি আপনাদের জুতাপেটা করব।’

    গোসলের আগে হিরো আলম ফেসবুকে একটি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘আজ বিভিন্ন জেলা থেকে কিছু নারী ভক্ত আমাকে দুধ নিয়ে আসতে বলছে আমাকে গোসল করানোর জন্য। আজ আফতাবনগর এম ব্লক রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে আমি দুধ দিয়ে গোসল করব।’

    তালাকের পর পরই অনেকের মনে প্রশ্ন উঠে, কীভাবে হিরো আলম আবার নতুন করে বিয়ে করবেন? তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এখন আর বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য কোনো নতুন বিয়ের ভাবনা তার নেই। তিনি বলেন, ‘আমি এখন আর বিয়ে করব না। আমার তিন সন্তানকে সঠিকভাবে মানুষ করতে আমি একজন মায়ের খোঁজ করছি। আমি একা তাদের মানুষ করতে পারছি না। আগের দুই বিয়ে করেছিলাম, কিন্তু তারা আমাকে নানা কারণে আরেকটু স্টার হওয়ার জন্য ব্যবহার করেছে। তাদের মুখে বলত, তারা আমার সন্তানের মা হবে, কিন্তু তাদের আসল লক্ষ্য ছিল স্টার হওয়া। তাই সংসার টিকেনি।’

  • ক্রিকেটে নতুন ‘টেস্ট টুয়েন্টি’ ফরম্যাট শুরু হচ্ছে

    ক্রিকেটে নতুন ‘টেস্ট টুয়েন্টি’ ফরম্যাট শুরু হচ্ছে

    ক্রিকেট বিশ্বে আসছে এক নতুন যুগ, যার নাম হলো ‘টেস্ট টুয়েন্টি’—একটি অভিনব ক্রিকেট ফরম্যাট যা পারস্পরিক সংযুক্ত করবে টেস্টের গভীরতা ও টি–টোয়েন্টির গতি ও উত্তেজনা। এই ধারণাটির মূল প্রেরণা এসেছে ভারতের প্রখ্যাত ক্রীড়া উদ্যোক্তা গৌরব বাহিরওয়ানি থেকে, যিনি ‘দ্য ওয়ান ওয়ান সিক্স নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট।

    নতুন এই বৈচিত্র্যপূর্ণ ফরম্যাটে প্রতিটি দল দুই ইনিংস খেলবে, যেখানে প্রতিটি ইনিংস হবে ২০ ওভার, অর্থাৎ এক দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ম্যাচ শেষ হবে। এতে থাকবে টেস্টের মতো ফলাফল—জয়, পরাজয় বা ড্র—অর্থাৎ এটি হবে একদম নতুন এক ধরনের ক্রিকেট অনুষ্ঠান। লাল বলের গভীরতা ও ছোট ফরম্যাটের গতি একে অন্যের সঙ্গে মিশে গেছে, যা ক্রিকেটের নতুন এক স্বাদ এনে দিচ্ছে। এছাড়া, ডিজিটাল যুগের হিট দর্শকদের জন্যই এটি তৈরি, যা ক্রিকেটের ‘চতুর্থ ফরম্যাট’ হিসেবে পরিচিতি পাবে।

    বিশেষ করে, এই ফরম্যাটে জটিল পরিকল্পনা, ধৈর্য্য ও টেকনিকের মূল্য আরও বাড়বে। ম্যাচটি চারটি ২০ ওভারের সেশনে বিভক্ত হবে, যেখানে সেশনের মাঝে বিরতিতে কৌশল সাজানোর সময় থাকবে। আয়োজকরা বলছেন, ‘টি–টোয়েন্টির সময়সীমায় টেস্টের ভাবনা’—এই ভাবনায় ব্যাটার এবং বোলার উভয়ের জন্যই আলাদা চ্যালেঞ্জ থাকবে, যেখানে দলীয় পরিকল্পনা এবং ধৈর্য্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এই নতুন ফরম্যাটের পিছনে রয়েছে ক্রিকেটের দ-moiার বিশ্বপ্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব—এবি ডি ভিলিয়ার্স, স্যার ক্লাইভ লয়েড, ম্যাথিউ হেইডেন ও হরভজন সিং। ডি ভিলিয়ার্স মন্তব্য করেছেন, এটি একটি ‘উদ্দেশ্যপূর্ণ উদ্ভাবন’ যা তরুণ প্রজন্মকে নতুন স্বপ্নের পথে দৌড়ানোর সুযোগ করে দেবে। লয়েড মনে করেন, ক্রিকেট সবসময় পরিবর্তিত হলেও এই আধুনিক ফরম্যাট ক্রিকেটের শিল্প ও ছন্দে নতুন প্রাণ যোগ করবে। হেইডেন বলছেন, এটি দুটি যুগের সংযোগ যেখানে তরুণ দর্শকরা ক্লাসিক ক্রিকেটের স্বাদ পাবেন, তবে একই সঙ্গে আধুনিক উত্তেজনাও একই সঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন। হরভজন সিং বলেন, এটি ক্রিকেটের নতুন হৃদস্পন্দন, যা ঐতিহ্যকে এডিয়ে বর্তমানের তরুণ প্রজন্মের উচ্ছ্বাসের সঙ্গে যুক্ত করে।

    বর্তমানে এই ফরম্যাটটির বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের সাবেক সিইও মাইকেল ফোর্ডহ্যাম, যিনি এখন ‘টেস্ট টুয়েন্টি’র চিফ অপারেটিং অফিসার। এই নতুন ফরম্যাট শুধু খেলায় নয়, বরং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য একটি বৈশ্বিক উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ক্রিকেটারদের জন্য একটি জোনিয়র টেস্ট টুয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা হবে, যা মোট ৫০টিরও বেশি দেশে অনুষ্ঠিত হবে। এই মাধ্যমে উঠে আসবে আগামী দিনের পেশাদার ক্রিকেটাররা।

    বাহিরওয়ানির লক্ষ্য, যোগ্যতা ও প্রতিভার ভিত্তিতে একটি সিস্টেম গড়ে তোলা, যেখানে লিঙ্গ বা অঞ্চল বিবেচনা না করে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা সুযোগ পাবেন। তথ্য বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উপযুক্ত খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করা হবে।

    ‘টেস্ট টুয়েন্টি’র প্রথম মৌসুম শুরু হবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে়, যেখানে অংশ নেবে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি—তিনটি ভারতীয় ও তিনটি আন্তর্জাতিক দল। দলগুলো হবে দুবাই, লন্ডন ও অজানা একটি শহরে (ঠিক কোথা হতে পারে তা এখনও ঘোষণা হয়নি)। প্রতিটি দলে থাকবেন ১৬ জন ক্রিকেটার—৮ জন ভারতীয় ও ৮ জন আন্তর্জাতিক। এই মৌসুমে মোট ৯৬ জন ক্রিকেটার নিলামের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে, পাশাপাশি রয়েছে ২০৪ জন ‘ওয়াইল্ডকার্ড’ প্লেয়ার, যাদের দলে নেওয়া সম্ভব হবে মৌসুমের মধ্যভাগে।

    সর্বশেষ বলা যায়, লাল বলের ঐশ্বর্য ও ছোট ফরম্যাটের রোমাঞ্চকর পরিবেশ একত্রিত করে ‘টেস্ট টুয়েন্টি’ ক্রিকেটের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এটি শুধুই একটি নতুন ফরম্যাট নয়, বরং ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যা পুরনো সম্মান রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতের পথ প্রস্তুত করছে।

  • অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

    অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

    মিরপুরের উইকেট অনেক বছর থেকেই ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। এ কারণেই বেশিরভাগ সময় আঙুল ধরা হয় ইতিহাসের অন্যতম মানসম্পন্ন কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার দিকে। তবে দীর্ঘ দিন পর এই দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয় এবং টনি হেমিংকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু হেমিংও নতুন উইকেটে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। প্রথমবারের জন্য মিরপুরের নতুন উইকেটে খেলতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কঠিন সংগ্রামের মুখোমুখি হন। ক্রমান্বয়ে স্পিনাররা বড় টার্ন দিয়ে দারুণ সুবিধা গ্রহণ করে, যা সামলাতে গিয়ে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের মিরাজ ও সোহান। তবে বিপরীতে ক্যারিবীয় স্পিনারদের সফলভাবে সামলে নিজের উইকেট আগলে রাখলেন তাওহিদ হৃদয়। তার দুর্দান্ত ফিফটি বাংলাদেশের মোট রান দুইশ ছুঁয়ে দেওয়ার মূল কারণ।

    শুরুতেই দুই ওপেনার আউট হওয়ার ফলে দলের উপর চাপ তৈরি হয়, তবে নাজমুল শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের দৃঢ় অংশগ্রহণে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। হৃদয়ের ফিফটির পর অপ্রতিরোধ্য ৪৬ রানের ইনিংস খেলে অভিষেককারী মাহিদুল ইসলাম অঙ্কণ দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। ৪৯.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৭ রান, যা বাজেটের মধ্যে ছিল।

    করিবীয়দের বিপক্ষের সিরিজের মাধ্যমে দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার। তিনি একাদশের প্রথম দিকেই ছিলেন, সাইফ হাসানের সঙ্গে ওপেনিং করেন। তবে প্রথম ওভারে ৮ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে বল করার সময় সাইফকে আউট করেন শেফার্ড; তিনি ৬ বলে ৩ রান করেন।

    সাইফের বিদায়ের পর পরই সৌম্যও ফিরে যান, চার হাঁকালেও শেষ পর্যন্ত ৬ বলে ৪ রান করেই সাজঘরে যান। এরপর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে নাজমুল শান্ত ও হৃদয় ক্রিজে আসেন। দুজন হয়তো কঠিন সময়ে অস্থির ছিলেন, তবে ধীরস্থির খেলে রান করে যান। শান্ত-হৃদয় জুটি গড়ে তিনের মধ্যে পরিস্থিতি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

    শান্ত ৩২ রানে ফিরলেও হৃদয় লড়াই চালিয়ে যান। এরপর অঙ্কণের সঙ্গে গড়ে দেন ৩৬ রানের জুটি। ৮৭ বলে হার মানেন তাঁর ফিফটি। তবে ফিফটি পাওয়ার পর তিনি ক্যাচ তুলে দেন হোপের হাতে।

    পরবর্তী সময়ে অঙ্কণ দলের হাল না হারিয়ে ১৭ রান করে ফিরে যান, তার পরে ক্যামিও হিসেবে রিশাদ হোসেন ১২ বলে ২৬ রান করে দলের জন্য অবদান রাখেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২০৭ রানে অলআউট হয় ৪৯.৪ ওভারে, এবং এই সংগ্রহের জন্য তাদের অবদান ছিল তরুণ এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের। এভাবে তারা ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

  • রিশাদের ঘূর্ণিতে ৭৪ রানে জিতল বাংলাদেশ

    রিশাদের ঘূর্ণিতে ৭৪ রানে জিতল বাংলাদেশ

    সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। এর পর খুব বেশি অনুশীলনের সুযোগ না পেয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা দ্রুতই ফিরে যান আন্তর্জাতিক মাঠে। দিন তিনেকের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ, এবং সেই চাপে তারা সফল হয়েছেন মিরপুরের মাঠে। এই ম্যাচে বাংলাদেশের দুর্দান্ত বলেঘূর্ণিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট করে দিয়েছে টাইগাররা, ফলে ৭৪ রানের বড় জয়ে সিরিজে ১-০ betekent। 

    মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ, তবে শুরুটা খারাপ হয়নি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তাওহিদ হৃদয়, ৫১ রান। এরপর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৪৬ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই দোটানা সৃষ্টি করতে পারেননি। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় তারা ৪৯ ওভার ৪ বলের মধ্যে সব উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান করে।

    জবাব শুরু হয় বাংলাদেশি ওপেনারদের উড়ন্ত ব্যাটিং দিয়ে। তবে প্রথম ইনিংসের শুরুতেই বোঝা যায় তারা বেশ সাবধান। প্রথম ১০ ওভারে শুধুই সংগ্রহ, কিন্তু ধীরে ধীরে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নিজেরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তাওহিদ হৃদয় ৩১ বলে ৫১ রান করে দলের অবদান রাখেন। এরপর অঙ্কন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৬ বলের মধ্যে ৪৬ রান আনেন।

    অপর দিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শুরু হয় ভালোই। উদ্বোধনী জুটিতে ৫১ রান যোগ হলেও বাংলাদেশের বলার মানসিক চাপ থেকে উতরাতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। রিশাদ হোসেন দলের অন্যতম সেরা পারফর্মেন্স দেখিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন, এটি তার ক্যারিয়ারে অন্যতম সেরা বোলিং। প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে পঞ্চম উইকেটের জন্য তিনি ৫ উইকেট শিকার করেন। প্রথম ইনিংসে তাদের ব্যর্থতার পেছনে মূল কারণ ছিল অফ স্পিনের সঙ্গে রিশাদের দুর্দান্ত স্লো বল।

    বিশেষ করে, ৩৯তম ওভারে জেডন সিলসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ করেন তিনি। তার এই দারুণ পারফর্মেন্সের ফলে ম্যাচের টাইটেল হয় তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এর আগে ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই ধাক্কার মুখে পড়লেও, বাংলাদেশি স্পিনাররা তাদের ধৈর্য্য ধারণ করে মূলত এভাবেই জয় নিশ্চিত করে।

    অন্তিম সময়ে, রিশাদের লেগ ব্রেক পরের ওভারে জাদুকরী শটে ৬ উইকেট অর্জন করে বাংলাদেশ। এই পারফরমেন্স তাকে ওয়ানডেতে তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার এনে দিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি ব্যাটাররা শুরুতেই কিছু ঝামেলা বাঁধলেও শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের কারণে তাদের সংগ্রহ দুইশোর কাছাকাছি পৌঁছায়। আনুষ্ঠানিকভাবে, এই জয়ে বাংলাদেশ এখন সিরিজে ১-০ এগিয়ে রয়েছে।