Author: bangladiganta

  • মেসির হ্যাটট্রিকের জোয়ারে উড়ল মিয়ামি, প্লে-অফে উন্নীত ন্যাশভিলকে হারিয়ে

    মেসির হ্যাটট্রিকের জোয়ারে উড়ল মিয়ামি, প্লে-অফে উন্নীত ন্যাশভিলকে হারিয়ে

    ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি এক বছর পর আবার সফলভাবে হ্যাটট্রিক করেছেন, যার মাধ্যমে তিনি মিয়ামির জার্সিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। মার্কিন মেজর সকার লিগের (এমএলএস) এবারের মৌসুমের শেষ ম্যাচে মেসি তার অসাধারণ পারফরম্যান্সে ভক্তদের মন জয় করলেন। এই ম্যাচে তিনি একটি হ্যাটট্রিক করার সঙ্গে অন্য একটি অ্যাসিস্টও করেন, যার ফলে মায়ামি ৫-২ গোলের বিশাল জয় পেয়েছে। এই ফলের মাধ্যমে তারা এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে তৃতীয় স্থান অধিকার করে প্লে-অফে উঠেছে।

    মেসি এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছিলেন, আর আজ (১৯ অক্টোবর) তিনি দ্বিতীয়বারের মতো মায়ামির জার্সিতে এই অসাধারণ কীর্তি দেখিয়েছেন, যা তার পেশাদার ক্যারিয়ারে ৬০তম হ্যাটট্রিক। এছাড়াও, ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। এই মৌসুমে তিনি মোট ২৯ গোল দিয়ে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। 그의 পিছনে রয়েছেন ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ ও লস অ্যাঞ্জেলসের ডেনিস বুয়াঙ্গা, যারা ২৪ গোল করেছেন।

    বাংলাদেশ সময়ের ভোরে শুরু হওয়া এই ম্যাচে, প্রথম গোলের জন্য ৩৪ মিনিটে এগিয়ে যান মেসি। প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বক্সের মাঝখানে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি। এর আগেই ৪৩ মিনিটে সেরিজের গোলের মাধ্যমে ন্যাশভিল ফিরে আসে। তারপর ৬২ মিনিটে তারা আবার লিড নেয়, যেখানে গোল করেন জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ। তবে এর একটু পরে, ৭৯ মিনিটে, পেনাল্টি পায় মায়ামি। সেখানে ঠাণ্ডা মাথায় স্পট কিক করে গোল করেন মেসি, ফলে স্কোর হয় ২-২।

    তার পর আরও পাঁচ মিনিট পরে, বালতাসার রদ্রিগেজের শট থেকে গোল করে আবার লিড নেয় মায়ামি। এরপর ৮১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন তিনি, আরও একবার সতীর্থের সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়ার পর নিচু শটে গোল করেন। ৪-২ গোলে এগিয়ে থাকার পর, যোগ করা সময়ের প্রথমে তাঁর সতীর্থ তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলের মাধ্যমে জয়টি নিশ্চিত করে। শেষ পর্যন্ত ৫-২ ব্যবধানে জয় লাভ করে মায়ামি, যা তাদের শীর্ষ তিনের স্থান নিশ্চিত করে।

    এমএলএস মৌসুমে, মেসি এখন পর্যন্ত ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিসসহ মোট ৪৮ পয়েন্টে অবদান রেখেছেন, যা লিগের এক মৌসুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার সামনে রয়েছেন কার্লোস ভেলা (৩৪ গোল-অ্যাসিস্ট, ২০১৯) এবং অন্য কয়েকজন খেলোয়াড়। মৌসুমের শেষে, এই সব পারফর্মেন্সের জন্য মেসি তার লিগের ইতিহাসে নিজের নাম উচ্চারণ করে রাখলেন।

    বর্তমানে, ৩৪ ম্যাচে ১৯ জয়, ৮ ড্র ও ৭ হার নিয়ে মোট ৬৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে মায়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সে তিন নম্বর অবস্থানে রয়েছে। একই পয়েন্টে থাকা অন্য দলগুলো হলো নিজেদের দ্বিতীয় স্থানে থাকা এফসি সিনসিনাটি এবং শীর্ষে থাকা ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন। ভবিষ্যত প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে মায়ামি আবার ন্যাশভিলের সঙ্গেই মোকাবিলা করবে, যেখানে তাঁরা নতুন করে নিজেদের শক্তির ঝলক দেখাতে প্রস্তুত।

  • মেসির হ্যাটট্রিক ও গোল্ডেন বুট জয়ে ইতিহাস সৃষ্টি

    মেসির হ্যাটট্রিক ও গোল্ডেন বুট জয়ে ইতিহাস সৃষ্টি

    বিষয়টি একরকম নিশ্চিতই ছিল, বাকি ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা। অবশেষে ঘোষণা এলো, চলতি মরসুমে Major League Soccer (এমএলএস) এর সেরা গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন লিওনেল মেসি। এই পুরস্কার পাওয়া নিয়ে তিনি ইতিহাস গড়ে ফেলেছেন। ইন্টার মায়ামির প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। মৌসুমের সাধারণ সময়ে ২৯ গোল করে সীমান্ত পেরিয়েছেন মেসি, পাশাপাশি তাঁর সতীর্থদের দিয়ে যোগ করেছেন আরও ১৯ গোল। মোট ৪৮ গোলের মাধ্যমে তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী এই ফুটবলারের অবদান অবিসংবাদী। মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমেই এই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখালেন মেসি।

    মায়ামি ন্যাশভিলের বিপক্ষে ৫-২ গোলের জয় দিয়ে মৌসুম শেষ করেছে, যা তাদের প্লে-অফের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। এই জয়ে হ্যাটট্রিক করেন মেসি, যা তাকে আরও একধাপ কাছাকাছি নিয়ে গেছে গোল্ডেন বুট জেতার স্বপ্নে। ন্যাশভিলের জন্য অবশ্য সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন স্যাম সারিজ ও ডেনিস বুয়াঙ্গা, যারা সমান ২৪ গোল করেছেন। এর মানে মেসি এই প্রতিযোগিতায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় গোল্ডেন বুট জিতে গেছেন।

    এছাড়াও, এই দিন মেসি একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। এমএলএসের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ৫০ গোলের রেকর্ড তার দখলে গেছে। ৫০ গোলের مাইলফলক স্পর্শ করতে তিনি মাত্র ৫৩ ম্যাচ খেলেছেন, যেখানে আগের রেকর্ড ছিল সাবেক তারকা স্ট্রাইকার ইব্রাহিমোভিচের, যিনি এই রেকর্ডটি ৫৪ ম্যাচে করেছিলেন।

    অন্যদিকে, মেসি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন। তিনি দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে এমএলএসের গোল্ডেন বুট জিতলেন। ২০২১ সালে নিউ ইয়র্ক সিটির হয়ে লা আলবিসেলেস্তেদের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কারটি অর্জন করেছিলেন ভ্যালেন্টিন ট্যাটি। এখন, মেসি সেই দৌড়ে তার আধিপত্য দেখালেন, নিজের নামের পাশে আরও এক বড় রেকর্ড যুক্ত করে।

  • ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন, অঙ্গচুরি অভিযোগ

    ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন, অঙ্গচুরি অভিযোগ

    ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে মানবাধিকার সংগঠন ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই মৃতদেহগুলোতে স্পষ্টভাবে নির্যাতনের দাগ রয়েছে, এমনকি অঙ্গচুরি হওয়ার আশঙ্কাও দেখা যাচ্ছে। গাজার সরকারি হাসপাতাল ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, অধিকাংশ মৃতদেহে পদ্ধতিগত নির্যাতনের চিহ্ন, মাঠে গুলি করে হত্যা এবং গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার দাগ পাওয়া গেছে। এই মৃতদেহগুলো তিন দফায় ফেরত দেয়া হয়েছে—সোমবার ৪৫টি, বুধবার আবার ৪৫টি এবং বৃহস্পতিবার ৩০টি।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ এক্সে পোস্টে লিখেছেন, মৃতদেহগুলো যেন পশুর মতো বাঁধা ছিল। চোখ বাঁধা অবস্থায় এবং দগ্ধ হওয়া দাগসহ শরীরের নানা চিহ্ন দেখা গেছে, যা ঘটনার ভয়াবহতা ও অপরাধের প্রকৃতি প্রকাশ করে। তিনি জানিয়েছেন, এই মৃতদেহগুলো স্বাভাবিকভাবে মারা যায়নি; হাত-পা বাঁধার পর গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এগুলোকে কবরস্থান বা পুকুরে দাফন না করে, ইসরাইলি বাহিনী মাসের পর মাস তাদের রেফ্রিজারেটরেই রেখে দিয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া গ্রাফিক ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পচে যাওয়া মৃতদেহে দড়ি দিয়ে বাঁধা, চোখে কাপড় পড়ানো বৈধ চিত্র। অনেক দেহে শারীরিক নির্যাতনের চিহ্ন স্পষ্ট। কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, ফিলিস্তিনিরা মৃতদেহগুলো শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।

    ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর জানিয়েছে, ফেরত দেয়া মৃতদেহের অনেকের গলায় দড়ির দাগ, হাত-পায়ে প্লাস্টিকের বাঁধন, চোখ বাঁধা, গুলির ক্ষত ও পিষে ফেলার চিহ্ন দেখা গেছে। সংস্থাটি উল্লেখ করে, ইসরাইলি সামরিক ও সরকারি ভাষায় ফিলিস্তিনিদের অমানবিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তাদের নির্মূলযোগ্য জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এর ফলে মাঠে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বন্দিদের সুরক্ষা হারিয়ে নির্যাতন, গুম এবং মৃত্যুদণ্ডের মতো আচরণ চালানো হচ্ছে।

    গাজার সরকারি গণমাধ্যমের প্রধান ইসমাইল আল-থাওবতা বলেন, পরীক্ষায় দেখা গেছে অনেক মৃতদেহের বড় অংশ অনুপস্থিত। তিফিন নামে এক ব্যক্তি বলছেন, আমরা অর্ধেক দেহ, মাথাবিহীন, হাত-পাবিহীন, চোখবিহীন এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গবিহীন দেহ পেয়েছি। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, ইসরাইল অঙ্গচুরি করছে। এই মৃতদেহগুলো গত শুক্রবার যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ফেরত দেয়া হয়েছে।

    চুক্তি অনুযায়ী, সোমবার হামাস ২০ জন জীবনযোদ্ধা ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এর বিনিময়ে তেহরান দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি ছাড়িয়েছে। এই পর্যায়ে, হামাস ২৮ জন মৃত ইসরাইলি বন্দির দেহ ফেরত দিয়েছে, আরও দেহ শনাক্ত ও উদ্ধার শেষে হস্তান্তর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইসরাইল ইতিমধ্যে প্রায় ৯০ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে, যার সংখ্যা আসছে ঘোষণা অনুযায়ী মোট ৪০০ জনের বেশি হবে।

    সূত্র: অনলাইন মিডল ইস্ট আই।

  • পাকিস্তানে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জান্নাতুল মাওয়া

    পাকিস্তানে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জান্নাতুল মাওয়া

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাডেট জান্নাতুল মাওয়া পাকিস্তান সামরিক একাডেমি (পিএমএ) থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড্যান্টের বিদেশি ক্যাডেট পদক লাভ করেছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের জন্য তাকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির সেই পদক প্রদান করেন, যিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। শনিবার ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন এ তথ্য জানায়।

    পিএমএর পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেন ১৫২তম লং কোর্স, ৭১তম সমন্বিত কোর্স, ২৬তম লেডি ক্যাডেট কোর্স ও ৩৭তম প্রযুক্তিগত স্নাতক কোর্সের বিভিন্ন ক্যাডেট। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন ইরাক, ফিলিস্তিন, কাতার, মালি, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ইয়েমেন, বাংলাদেশ ও নাইজেরিয়া সহ বেশ কিছু দেশের প্রশিক্ষণার্থী।

    কর্মকর্তাদের মতে, লেডি ক্যাডেট জান্নাতুল মাওয়া এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, এটি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতার এক প্রতীক। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে বিশ্বের সামরিক মানবসম্পদ হিসেবে আরও প্রশংসা অর্জন করতে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • পাক সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি: সামান্য উসকানিতেও ত্বরিত কঠোর জবাব দেবে পাকিস্তান

    পাক সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি: সামান্য উসকানিতেও ত্বরিত কঠোর জবাব দেবে পাকিস্তান

    পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির আবারও সরাসরি পারমাণবিক হুমকি দিয়ে সতর্ক করেছেন প্রতিবেশী দেশ ভারতকে। আফগানিস্তানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এমন দৃঢ় মন্তব্য করেছেন, যা দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর), পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি (পিএমএ) কাকুলে একটি পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেয়ার সময় তিনি এই বক্তব্য দেন। সেখানে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক শক্তি, প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা নিয়ে তিনি নানা জোরালো কথাবার্তা উচ্চারণ করেন, বিশেষ করে ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন।

    আসিম মুনির বলেন, “পারমাণবিক পরিবেশে যুদ্ধের কোনও স্থান নেই, তবে যদি কেউ সামান্য উসকানিও দেয়, পাকিস্তান দ্বিধাহীন ও চূড়ান্ত জবাব দেবে।” তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান এমন এক প্রতিক্রিয়া দেখাবে যা শত্রুর কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    তিনি এও উল্লেখ করেন, যদি আবার কোনও সংঘাত শুরু হয়, তবে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া শুধু কঠোরই থাকবে না, বরং তা শত্রুর বিশ্বাসকে ভেঙে দিতে পারে।

    ভারতের প্রতি কঠোর ভাষায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বলেন, “পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো আগ্রাসী মনোভাব না থাকলেও, প্রতিরক্ষা ও প্রতিশোধের জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রায়শই ভারতের সাথে যোগাযোগের দুরত্ব কমে আসায়, আমাদের অস্ত্রের প্রভাব তাদের ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে যেতে পারে।”

    এখানে তিনি ভারতের সামরিক কৌশল ও নীতিকে ‘কৌশলগত অন্ধত্ব’ বলে আখ্যায়িত করেন। এ ছাড়া, বলেন, শত্রু যদি উচ্চাকাঙ্ক্ষায় পরিচালিত হয় তাহলে পাকিস্তান আবারও বিজয়ী হবে।

    হুঁশিয়ারির পাশাপাশি তিনি মে মাসে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’-এর উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ।

    অতিরিক্ত, দাবি করেন পাকিস্তানের বাহিনী বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তান রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, এস-৪০০ সিস্টেমের মতো আধুনিক প্রযুক্তি লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং বহুমাত্রিক যুদ্ধের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

    নিজের বক্তব্যে তিনি শুধু ভারতকেই নয়, আফগানিস্তান বিষয়ে ও কঠোর ভাষায় কথা বলেন। পাকিস্তান সেনাপ্রধান বলেন, দেশটির ভেতর থেকে পরিচালিত ‘প্রক্সি বাহিনী’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তালেবান সরকারকে সাবধান করে দেন। তিনি বললেন, পাকিস্তানে চলা সন্ত্রাসী কার্যক্রম একেবারেই বরদাশত করা হবে না।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া তাদের ভাবনায়ও বাধা দেয়ার মতো হবে। এর ফলস্বরূপ, তাদের জন্য বড় ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে।

    সূত্র: জিও নিউজ

  • ইয়েমেন উপকূলে এলপিজি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ইয়েমেন উপকূলে এলপিজি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ইয়েমেনের উপকূলে এডেন উপসাগরে একটি এলপিজি বহনকারী ট্যাংকারে লাগানো হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি। হামলার পর ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, জাহাজটি ভয়াবহ আগুনের শিকার হয়েছে। তবে, এই হামলার সঙ্গে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে। হুথির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, খবর টাইমস অব ইসরায়েল এবং আল জাজিরার।

    শনিবার, ১৮ অক্টোবর, এডেন উপসাগরে এই জাহাজে হামলার ঘটনাটি ঘটে। ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জাহাজটি জরুরি অবস্থায় ছিল এবং ক্রুরা সক্রিয়ভাবে এর থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ২০২৩ সাল থেকে গাজায় মানবাধিকার ও গণহত্যার প্রতিবাদে হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েল ও তার সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর উপর হামলা চালিয়ে আসছে। তবে, ১০ অক্টোবর ইসরাইল ও হামাসের মাঝে যুদ্ধবিরতির পর থেকে হুথিরা কোনো নতুন হামলার দাবি করেনি।

    যদিও সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে সাধারণত তাদের হামলার কয়েক ঘণ্টা বা দিনেক পরে দায়িত্ব স্বীকার করে থাকে। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স কেন্দ্র এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, এই ঘটনার স্থান এডেন থেকে প্রায় ২১০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। তারা বলেছে, একটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার ফলে আগুন ধরে যায়। ঘটনার এখনও তদন্ত চলমান।

    সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে জানিয়েছে, এই জাহাজটি ক্যামেরুনের পতাকাযুক্ত, এটি ওমানের সোহার থেকে জিবুতি যাওয়ার পথে ছিল। ইয়েমেনের আহওয়ার উপকূল থেকে প্রায় ৬০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে অবস্থানরত এই ট্র্যাকারটি জরুরি বার্তা পাঠানোর পর নাবিকরা দ্রুত কার্যক্রম শুরু করে, এবং এখন উদ্ধার অভিযান চলছে।

  • কাতার-তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত

    কাতার-তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত

    দীর্ঘদিন ধরে চলছিল উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সংঘর্ষের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলো পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। কাতার ও তুরস্কের যৌথ মধ্যস্থতায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা দোহায় একান্ত বৈঠক করে এবং_tlsay_{vt} একজন আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হন। এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রোববার (১০ অক্টোবর) ভোরে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে নতুন এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়।

    গতকাল শনিবার পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা কাতার কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে দোহার শুল্কমোড়ের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছান এবং সেখানে এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা-কর্তারা দ্রুতই এই সংঘর্ষের অবসান ঘটানোর জন্য আলাপচারিতা চালান। আলোচনা শেষে দুই পক্ষই একে অন্যের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেবার সিদ্ধান্ত নেন। কাতার জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আবারও বিভিন্ন সময় এই বিষয় নিয়ে ফলোআপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    পাকিস্তান খোদ দুই বছর ধরে আফগান সীমান্তে স্বাভাবিকের বাইরে উত্তেজনা চলাচ্ছে। তালেবান ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে নেয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। গত দুই সপ্তাহে পরিস্থিতি রূপ নেয় সরাসরি সংঘর্ষের দিকে। সীমান্তে নিয়মিত গোলাগুলি, বিমান হামলা এবং সামরিক সংঘাতের কারণে হাজার হাজার মানুষ আহত ও নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা কয়েকশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    আলোচনায় আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব, আর পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের ভেতর থেকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী—তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) অন্তর্ভুক্ত—তাদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং কাবুল সেই সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। সীমান্তের প্রায় ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় এসব গোষ্ঠীর কার্যক্রম পাকিস্তানকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এসব হামলা বন্ধের জন্য পাকিস্তান বেশ কয়েকবার কাবুলকে সতর্ক করে এসেছে।

    অভিযোগের এই পরিস্থিতিতে দুই সপ্তাহ আগে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তান বিমান হামলা চালালে বেশ কিছু নাগরিক নিহত হন। এর পাল্টা করিয়ে সেদিক থেকে আফগান বাহিনী সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর হামলা চালায়। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়।

    শুরুর দিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান মোট ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পাকিস্তান আবারও আফগান সীমান্তে বিমান হামলা চালায়। যদিও তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর দাবি করেন, বাস্তবে দেখা যায় পাকিস্তান নতুন করে হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    অভিযুক্ত দেশগুলো বলছে, তারা কোনোরকম সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গোষ্ঠীর আশ্রয় বা মদদ দিচ্ছে না, বরং পাকিস্তানই বারবার আফগান সীমান্তে আমাদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। শুক্রবার আরও উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। আফগানিস্তান সংলগ্ন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে তালেবান জঙ্গিরা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে সাতজন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে। এই ঘটনার পর পাকিস্তান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সীমান্তে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেয়। পরিস্থিতি এখন আরও চরমে। সূত্র: রয়টার্স।

  • অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ দুজন গ্রেফতার

    অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ দুজন গ্রেফতার

    নগরীর দৌলতপুরের পাবলা খানপাড়া এলাকায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে দুইজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিদেশী পিস্তল, চারটি গুলির ভরা ম্যাগাজিন, সাত বোতল ফেন্সিডিল ও ৩৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন দৌলতপুরের পাবলা খানপাড়া এলাকার নূর ইসলাম গাজীর ছেলে রহমান গাজী (২৬) এবং দেয়ানা মোল্লাপাড়ার মোঃ আব্দুস সাত্তার এর ছেলে আবুল কালাম আজাদ (২৭)। নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মোঃ তৈমুর ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৌলতপুরের ওই এলাকায় একটি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী রহমান গাজী ও আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলির বরাদ্দ, সাত বোতল ফেন্সিডিল ও ৩৫০ পিস ইয়াবা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও থানার রেকর্ড অনুযায়ী, রহমান গাজীর বিরুদ্ধে একটি এবং আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা রয়েছে।

  • রূপসায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    রূপসায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    খুলনার রূপসা উপজেলার পূর্ব রূপসায় সরকারি ডোবা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে আজ রোববার, ১৯ অক্টোবর, সকাল ১১টার দিকে। পূর্ব রূপসা ব্যাংকের মোড়সংলগ্ন রূপসা পার্কিং সেন্টারের (গ্যারেজ) পেছনের ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত যুবক রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের আদর্শ গলি এলাকার বাসিন্দা, চা ও পান বিক্রেতা আব্দুল হাকিমের ছেলে রেজাউল ইসলাম। তিনি তার পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। স্থানীয় লোকজন দেখতে পান, রেজাউলের মরদেহ ডোব্যা ভাসছে এবং তখনই তারা খবর দেন পুলিশকে। ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে কোপের দাগ পাওয়া গেছে, যা তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে সন্দেহের জন্ম দেয়।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন রূপসা থানার এসআই মোঃ ইমরান হোসেন এবং রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির টু-আইসি সহ তারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে মরদেহটি উদ্ধার করেন। জনমত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

  • কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে বাবরা রেলগেটে অজ্ঞাত এক নারী ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি রোববার ভোর সোয়া ৮টার দিকে ঘটে যখন খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাাজশাহীগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকাটিতে আসছিল। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের নিচে তার শরীর দু-খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, নিহত নারী মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।

    একজন কৃষক জানান, ট্রেন আসার আগে তিনি রেলগেটের পাশের মাঠে কাজ করছিলেন। তখন ওই নারীকেই দেখেন, তাকে দেখে মনে হয়েছিল সে মানসিক প্রতিবন্ধী।

    মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ট্রেনের চালকের মাধ্যমে জানতে পারেন যে বাবরা রেলগেট এলাকায় একটি নারী কাটা পড়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন পাঠিয়ে পরিস্থিতি দেখানো হয় ও খবর দেয়া হয় যশোর রেল পুলিশকে। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাচ্ছে।