Author: bangladiganta

  • কুষ্টিয়ায় ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

    কুষ্টিয়ায় ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

    কুষ্টিয়া সদর উপজেলার অন্যতম ঘটনা হলো মোশারফ হোসেন মুসা (৫৫) নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু। তিনি তার নিজ বসতঘরের বারান্দায় দুর্বৃত্তদের দ্বারা কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে হরিনারায়ণপুর ইউনিয়নের শান্তিডাঙ্গা গ্রামে।

    আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মোশারফ হোসেন মুসা ওই এলাকার মৃত আকবর মণ্ডলের ছেলে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যায়। মরদেহের বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোশারফ প্রতিদিনের মতো তার বসতঘরের বারান্দায় ঘুমোতেন। শনিবার রাতেও তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। তবে ভোররাতে পরিবারের লোকজন বাইরে গিয়ে তার রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। বিভিন্নভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভ্যান চুরি করতে গিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আবার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি শত্রুতা ও পূর্বশত্রুতার জেরেএ ঘটানো হয়েছে।

    নিহত মোশারফের মেয়ে শিখা বলেন, ‘আমার বাবা মোটেও ভ্যান চুরির জন্য এতটা নির্মমভাবে মারা যেতে পারেন না। এটি শত্রুতার কারণে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।’ তিনি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্র মতে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক ও সাংঘাতিক শত্রুতার নিয়মিত বিরোধ থাকতে পারে।

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি মেহেদি হাসান বলেন, ‘নিহত ব্যক্তির বুকে হাঁসুয়া বা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি কেবল ভ্যান চুরির জন্য নয়, বরং অন্য কোন কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা হয়। যদি ভ্যান চুরি হয়ে থাকত, তবে সেটাও সাথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালেলছে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে।’

  • অশান্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি নারী ও তরুণদের পথ রুদ্ধ করছে

    অশান্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি নারী ও তরুণদের পথ রুদ্ধ করছে

    সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) সম্প্রতি ‘নেতৃত্বে নারী ও তরুণ: বাধা কোথায়?’ শীর্ষক একটি সংলাপ ও কর্মশালার আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, তরুণ রাজনীতিবিদ, নারী নেতৃত্ব এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা। মূল লক্ষ্য ছিল নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা ও সম্ভাবনাগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। পাশাপাশি তরুণ নেতাদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বে লিঙ্গভিত্তিক মানদণ্ড নিয়ে সচেতনতা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

    অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর জামায়াতের সভাপতি এড. জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, নগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ, সিপিবি খুলনার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. মো: বাবুল হাওলাদার এবং এনসিপি খুলনা জেলার সংগঠক ডা. আব্দুল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সিজিএস’র প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।

    এই কর্মশালা বাংলাদেশের অবদান থাকা নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ততা’ প্রকল্পের অংশ। মূল আলোচনাটির সূচনা করেন সঞ্চালক জিল্লুর রহমান, যিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি বুঝতে চান, খুলনা অঞ্চলে নারীরা ও তরুণ সংগঠকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও কেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ছেন। তিনি আরও জিজ্ঞেস করেন, সমাজ, পরিবার বা রাজনৈতিক সংস্কৃতি—কোনটি সবচেয়ে বড় বাধা। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পরিকল্পিত গণআন্দোলনের পর সৃষ্ট প্রজন্মের মধ্যে আস্থা সংকটের বিষয়টিও তিনি উত্থাপন করেন, যেখানে নেতৃত্বের পরিবেশ ও যোগ্যতার পরিবর্তে আনুগত্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি আঙুল তোলে।

    অতিরিক্তভাবে, তিনি বাধ্যতামূলক প্রার্থী কোটা, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন এবং অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য প্যানেলিস্টদের অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যত নেতৃত্বের জন্য গুণাবলী কি হওয়া উচিত, সে বিষয়ে তাদের ধারণা জানা জরুরি।

    প্যানেল আলোচনার পর, উপস্থিত তরুণ ও নারী প্রতিনিধিরা দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে দলীয় আলোচনা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজনীতিতে নারীর ও তরুণের সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিবন্ধকতাগুলো আরও গভীরভাবে চিহ্নিত হয়, এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের খোঁজও চালানো হয়।

  • সোনা-রুপার দামে রেকর্ডব্রেক বাড়তি, একদিনে সোনার ভরি দাম ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    সোনা-রুপার দামে রেকর্ডব্রেক বাড়তি, একদিনে সোনার ভরি দাম ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা স্বর্ণের দামে গত কয়েক দিন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির পর এবার এক দিনের মধ্যে অতি উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন দাম, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) প্রকাশ করেছে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই মূল্য বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, পূর্বে অন্য সময়ে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছিল। গত মঙ্গলবারের দাম অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা তখন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে আজ এই রেকর্ড ভেঙে গেছে, কারণ নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের কারণে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি এখন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা, যা আগের চেয়ে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য বেড়ে হলো ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১৪২ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে।

    প্রথমে কয়েক দিন আগে, ৭ অক্টোবর, স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১৯১,৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৬৪,২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা। এরপর ৫ অক্টোবর দাম ছিল আরো সর্বোচ্চ, এই দাম গত শনিবারের ঘটনার ফলস্বরূপ।

    রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম বাড়িয়ে এখন ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, যা আগের চেয়ে ৩২৬ টাকা বেশি। অন্য ক্যারেটের রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে—২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৫৬ টাকা।

    এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণ ও রুপার বাজারে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বার্তা বহন করে।

  • সরকারের কোনও সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়নি বলে জানাল সরকার

    সরকারের কোনও সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়নি বলে জানাল সরকার

    পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন বা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৩ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুজব ছড়িয়ে দিয়েছে যে, পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। তবে, সরকারের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং ব্যাংক একীভূত করার কাজে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেনি। সরকারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই বিষয়টি সম্পূর্ণই গুজব এবং ভিত্তিহীন। সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবর থেকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডের দিকে এগিয়ে গেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে উচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম চার হাজার ৬১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের স্বর্ণের বাজারে দারুণ উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।

    বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দামের ওঠানামার প্রভাব এই দাম বৃদ্ধিতে কাজ করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার থেকে নতুন দামের এই ঘোষণা কার্যকর করার কথা জানিয়েছে।

    নতুন দামের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বেড়ে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দরে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, রুপার দামও বেড়েছে, যেখানে এক ভরি ভালো মানের রুপার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগের তুলনায় বেশি।

    অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের থেকে বেড়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা থেকে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা। এই দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে স্বর্ণ কেনার জন্য দরকারী বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়ছে একদিকে, অন্যদিকে ভোক্তাদের জন্য এটা মোটামুটি আরামদায়ক নয়।

  • মাত্র ১৪ দিনেই ছয়বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    মাত্র ১৪ দিনেই ছয়বার বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনে স্বর্ণের দামে ছয়বার বৃদ্ধি ঘটেছে, যা দেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে স্বর্ণের মূল্য আবারও বেড়েছে এবং দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

    ১৫ অক্টোবর, মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, একটি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এবার ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এটি গত দিনের তুলনায় ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বেশি। নতুন এই মূল্য বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    এছাড়াও, দাম বাড়ানোর ঘোষণা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন قیمت অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে, তবে ডিজাইন ও মান অনুসারে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।

    এর আগে, ১৩ অক্টোবর বাজুস স্বর্ণের দাম আরও একবার বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল। এরপর, ১৪ অক্টোবর থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়। সেই সময়ে, ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যা এখন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। সেই সময়, ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

  • ভারত থেকে ঢুকছে জাল টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কবার্তা

    ভারত থেকে ঢুকছে জাল টাকা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কবার্তা

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এই খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত সতর্কতা জারি করেছে। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, এ ধরনের খবর বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং জনগণকে অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, জাল টাকা তৈরি, বহন বা লেনদেন করা দেশে গুরুতর অপরাধ। দেশের আইন অনুযায়ী, এই ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোর দন্ডনীয়। ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত জাল টাকার প্রচলন রোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তারা জাল নোটের উৎস, চক্রের ধরন এবং ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।

    জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে সুপারিশ করে ব্যাংক এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে: নোট গ্রহণের সময় বৈশিষ্ট্যগুলো যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপা, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও ক্ষুদ্র লেখা ভালো করে যাচাই করতে হবে। বড় অঙ্কের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। এ ছাড়া নগদ লেনদেনের বদলে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক “আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন” এই আহ্বান জানিয়ে বলেছে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাদের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd ভিজিট করতে পারেন। পাশাপাশি প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তকরণের জন্য এক্স-ব্যানার ও পোস্টার প্রদর্শিত রয়েছে।

    সম্প্রতি কাতারভিত্তিক একটি অনুসন্ধানী সাংবাদিক তার ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিলেন। এর ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং এর অপতৎপরতা রুখতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।

  • শাপলা চত্বরের আন্দোলনে আসা সকলের জাতীয় স্বীকৃতি দাবি জামায়াতের গোলাম পরওয়ার

    শাপলা চত্বরের আন্দোলনে আসা সকলের জাতীয় স্বীকৃতি দাবি জামায়াতের গোলাম পরওয়ার

    ২০১৩ সালের মে মাসে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে নাগরিকত্বের আন্দোলনে অংশ নেওয়া সকলের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আব্দুল গনি রোডের ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শাপলা চত্বরের সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহীদদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, আওয়ামী লীগ আমলের অন্যতম ভয়ংকর ও নিষ্ঠুর ঘটনার মধ্যে ছিল শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল সেই হত্যাযজ্ঞের বহি:প্রকাশ। বর্তমান পরিস্থিতি মুসলিম উম্মতের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করেছে বলে মনে করেন তিনি।

    তিনি বলছেন, ‘শাপলা চত্বরের নীলনকশাকারীদের বিচার কার্যক্রম যদি প্রতিফলিত হয়, তবে তা জাতির জন্য একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, শহীদদের দেহ পুড়িয়ে গুম করার কারণে শাপলা চত্বরে শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা আজও অজানা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের সেই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশের মানুষ ভীতির মধ্যে রয়েছে।

    সভায় bekend করা হয়, আজ ৭৭টি পরিবারের জন্য ৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • মির্জা ফখরুলের আহ্বানে সবাইকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে এগিয়ে আসার আহবান

    মির্জা ফখরুলের আহ্বানে সবাইকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে এগিয়ে আসার আহবান

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, চলুন আমরা সবাই মিলে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই প্রক্রিয়ায় রাজনীতির স্বচ্ছতা ও সামঞ্জস্য বাড়ানো জরুরি, যাতে জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

    আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজিত জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের এক সম্মেলনে বক্তৃতাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল বেশিরভাগ ট্রেড ইউনিয়ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার ও তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে, যেন শ্রমিক শ্রেণी সমাজের মূল চালিকা শক্তি remains থাকেন।

    ‘জুলাই সনদ’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই চুক্তিতে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে। এটি দেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে আরও সুসংহত ও রাজনীতিকে স্বচ্ছ করে তোলে। এগুলো দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    অপর দিকে, সম্প্রতি পুলিশ ও ছাত্রদের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এসব ঘটনা দেশবাসীর জন্য কোনো ভালো বার্তা দেয় না। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরে যে জঞ্জাল সৃষ্টি করেছে, তা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে এবং এই প্রক্রিয়াকে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও ধৈর্য্যে এগিয়ে নিতে হবে।

    বিজয় ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সংসদকেন্দ্রিক রাজনীতি করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সব কাজ সংসদকে ভিত্তিব করে করতে হবে, কারণ গণতন্ত্রের অস্তিত্ব ও কার্যকারিতা একইভাবে অর্থবহ سيكون।

    ঐতিহ্যবাহী মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হবে পরীক্ষার একটি মাধ্যম, যেখানে নির্ধারিত হবে আমরা কি সত্যিই উদার ও অন্তর্ভুক্তিপূর্ণ গণতন্ত্র পাব কি না। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতিফলন।

    সবশেষে, তিনি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানান যে, চলুন সবাই মিলে ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর না করে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নিই। তবে, ‘জুলাই সনদে’ এনসিপি স্বাক্ষর না করার বিষয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করতে বলেন, আশা প্রকাশ করেন, তারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে স্বাক্ষর করবে এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

  • বিএনপিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই

    বিএনপিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই

    আগামী নির্বাচনে দেশের জনগণের রায় নিয়ে বিএনপি মূল নেতৃত্বের মধ্যে কোনো দ্বিধা বা দ্বন্দ্ব নেই বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। এছাড়াও, জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে যোগদান করে নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির কথা, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশ কেমন ভাবছে বিশ্ব, আগামী নির্বাচন ও দলের প্রার্থী নির্বাচন, জোটের পরিকল্পনা, ইশতেহার, জুলাই সনদ, দেশের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দলের কৌশলসহ বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বিএনপি’র অবস্থান, জামায়াত ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা, ভবিষ্যতের নির্বাচন ও দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা করেন।