Author: bangladiganta

  • পাবনায় ট্রাকের ধাক্কায় তিন মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধার কাজ চালু

    পাবনায় ট্রাকের ধাক্কায় তিন মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধার কাজ চালু

    পাবনা থাকার সদরে মালবাহী একটি ট্রাকের তীব্র ধাক্কায় দুই স্কুলছাত্রসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা আরও দুজনকে গুরুতরভাবে আহত করেছে, যারা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। রোববার (২৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৭টার সময় পাবনা শহরের গয়েশপুর ইউনিয়নের বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    মারা যাওয়া শিশুরা হলেন, পাবনা কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তাসমিয়া আকতার, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবু তোহা এবং ভ্যানচালক আকরাম হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ভ্যান পুষ্পপাড়া থেকে জালালপুরের দিকে যাচ্ছিল। এর কিছুক্ষণ পর, বিপরীত দিক থেকে আসা বাঁশবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনার সময় ভ্যানটি যখন ট্রাকের কাছে পৌঁছায়, তখন আরেকটি যানবাহন আসছিল। ভ্যানচালক বিপদ বুঝে ব্রেক দিলে ট্রাকটি ভারসাম্য হারিয়ে তার ওপর উল্টে পড়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই দুই স্কুল ছাত্র এবং ভ্যানচালক নিহত হন। আহত হন সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সাদ হোসেন, তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পাবনার মাধুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন ভ্যানচালক ও দুই স্কুলছাত্র রয়েছে। একই সঙ্গে, আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রাকটিকে জব্দ করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

  • সিয়ামের সঙ্গে অভিনয় করবেন না সাবিলা নূর, ছাড়লেন সিনেমা

    সিয়ামের সঙ্গে অভিনয় করবেন না সাবিলা নূর, ছাড়লেন সিনেমা

    গেল কোরবানি ঈদে মুক্তি পাওয়া অভিনেত্রী সাবিলা নূরের সিনেমা ‘বরবাদ’ দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এই সফলতার ফলে তিনি বেশ কয়েকটি নতুন প্রজেক্টের প্রস্তাব পেয়েছেন। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, তিনি তার আগামী সিনেমা ‘রাক্ষস’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন।

    প্রথমে খবর bija যে, ‘রাক্ষস’ ছবির পরিচালনা করবেন মেহেদী হাসান হৃদয়। এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে থাকবেন সিয়াম আহমেদ। পাশাপাশি একই মাসে শুরু হবে নির্মাতা তানিম নূরের নতুন ছবি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর শুটিং। একই সময়ে দুই সিনেমার শুটিং দিন ও সময়ের মিল না থাকার কারণে, সাবিলা নূর সিদ্ধান্ত নেন ‘রাক্ষস’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার।

    সাবিলা নূর বলেছেন, “তানিম ভাইয়ের সাথে আমার অনেক দিন ধরেই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার কথা চলছিল। এর মধ্যে ‘রাক্ষস’ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু একই সময়ে দুটির শুটিং শুরু হবে জেনে আমি সিদ্ধান্ত নিই, কোনটি প্রথম করে করতে হবে। আমি চাই যে, আমি আলাদা করে মনোযোগ দিতে পারি, তাই একটির পরিবর্তে অন্যটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম।”

    তিনি আরও বলেছিলেন, “আমার দুই প্রোজেক্টে কাজ করার ব্যাপারে তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। তবে আমি বিশ্বাস করি, একই সময়ে দুটি কাজ করলে মনোযোগ বিভক্ত হয়ে যায়। তাই আমি চাই একজন চরিত্রে আমি বেশি মনোযোগ দিয়ে কাজ করব।”

    অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, এর মধ্যে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায় তার সহঅভিনেতা থাকবেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী এবং শরিফুল রাজ। এই সিনেমাটি আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে। সিনেমার গল্পটি নির্মিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ অবলম্বনে।

  • স্মৃতি ইরানির ধারাবাহিকে বিল গেটস ও উইল স্মিথের আগমন? ব্যাখ্যা হলো

    স্মৃতি ইরানির ধারাবাহিকে বিল গেটস ও উইল স্মিথের আগমন? ব্যাখ্যা হলো

    প্রিয় দর্শক, জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি আবার ফিরে এসেছেন টেলিভিশনের পর্দায়, দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতি শেষে। তিনি বর্তমানে একতা কাপুরের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কিউঁ কি সাস ভি কভি বহু থি’তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন এবং দর্শকদের মন জয় করছেন। কিন্তু এই ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোতে এসেছে বেশ চমক! এতে দেখা যাচ্ছে মার্কিন ধনী ও প্রযুক্তি পরাশক্তি মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের উপস্থিতি। পাশাপাশি গুঞ্জন রয়েছে, অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেতা উইল স্মিথও আসছেন এবার।

    এই নতুন প্রোমোতে দর্শকদের জন্য খুব শিগগিরই প্রচার হবে এই বিশেষ পর্ব। সংশ্লিষ্ট জানা গেছে, ধারাবাহিকের এই কল্পকাহিনী মূলত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি, যা স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। এ প্রচারটির পেছনে মূল মনোভাব হল বিশ্বজুড়ে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও নবজাতকের স্বাস্থ্য রক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি। এই লক্ষ্য যাতে সফল হয়, সেই জন্য ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’-এর এই কার্যক্রম প্রসারে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্মৃতি ইরানি, যিনি নিজেও বহুবার বিল গেটসের সঙ্গে ভিডিও কলে আলোচনা করে তাঁকে রাজি করিয়েছেন।

    প্রশ্ন উঠছে, ধারাবাহিকে বিল গেটসকে দেখা যাবে কীভাবে? জানা গেছে, এই বিশেষ পর্বে তুলসী ও তাঁর মেয়ে পরিধির মধ্যে পরিবর্তন আসার গল্পে তিনি ভূমিকা রাখবেন। অর্থাৎ, এই দৃশ্যে গেটস তুলসীর পরিবারের সমস্যা ও সম্পর্কের পরিবর্তন দেখাবেন।

    স্মৃতি ইরানি এই ব্যাপারে বলেন, ‘ভারতীয় টেলি দুনিয়ার ইতিহাসে এটি গর্বের মুহূর্ত। দীর্ঘদিন ধরে এই দেশের বিনোদন জগতে নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা প্রায়ই উপেক্ষিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে আমাদের এগিয়ে যেতে পারছি, যা সত্যিই অতুলনীয়।’

    অন্যদিকে, গুঞ্জন রয়েছে যে, বিল গেটসের পর আরও একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আসছেন এই ধারাবাহিকের ক্যামিও ভূমিকায়—স্বয়ং উইল স্মিথ। তিনি এখানে কাজ করবেন তুলসী ও তাঁর পরিবারের মধ্যে দূরত্ব কমানোর জন্য। শুনতে পাচ্ছি, এই ক্যামিওটির পিছনে রয়েছে তাদের অস্কারজয়ী এবং বিতর্কিত ‘চড়কাণ্ড’ ঘটানোর গল্প, যেখানে স্মিথ নিজের স্ত্রীর সম্মানের জন্য রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। এ কারণেই নির্মাতারা এই আবেগময় গল্পের সঙ্গে স্মিথের উপস্থিতি যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন।

    উল্লেখ্য, ওই বিশেষ পর্বটি ২৯ জুলাই থেকে স্টারপ্লাস ও জিও হটস্টারে প্রচারিত হচ্ছে, এবং ইতিমধ্যে মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ও বিল গেটসের উপস্থিতি নিশ্চয়ই টিআরপি বাড়াতে বড় প্রভাব ফেলে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    শিগগিরই আসামিদের গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    ঢালিউডের প্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যागে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন তারা শনাক্তকরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। দ্রুতই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রমনা থানার ওসি ওমর ফারুক।

    ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর আদালত সালমান শাহের মৃত্যুকে হত্যা মামলা হিসেবে রূপান্তর করার নির্দেশ দেন। এর একদিনের মধ্যেই, অর্থাৎ ২১ তারিখে, সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় একটি হত্যা মামলার আবেদন করেন। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো নামের জন্য পরিচিত সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য আসামিরা হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, জনপ্রিয় খলনায়ক ডন, অভিনেত্রী লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়া বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ফরহাদ।

    রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক জানান, সালমান শাহ হত্যা মামলার জন্য আসামিদের দেশের বাইরে যাওয়া বন্ধের জন্য তাদের কাছে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন অভিযুক্ত দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, আবার কেউবা দেশে। দেশ থেকে তাদের বিদেশে সফর এড়াতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের মধ্যে থাকা আসামিদের সনাক্ত করে দ্রুত گرفتار করা। তিনি আরো জানান, তারেকেঅসর সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    সালমান শাহ ছিলেন ১৯৯০ এর দশকের এক জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান। মৃত্যুর বিষয়টি তখন আত্মহত্যা বলে দাবি করেছিলেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, তবে সালমান শাহর পরিবারের মতে, এটি এক পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিবারের অভিযোগ, তাকে মনগড়াভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    সূত্র : সময় সংবাদ

  • ২৯ বছরের নারীর অভিযোগে সংগীত পরিচালক গ্রেপ্তার

    ২৯ বছরের নারীর অভিযোগে সংগীত পরিচালক গ্রেপ্তার

    বলিউডের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক সচিন সাংঘভীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠার পর পরিস্থিতি স্বচ্ছ হয়েছে। অভিযোগকারিনী এক নারী জানান, তিনি সচিনের বিরুদ্ধে যৌন দুর্ব্যবহার ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। এর ফলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ সচিনকে গ্রেপ্তার করে, তবে কিছু সময়ের মধ্যেই তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত চলছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ পাওয়ার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং সচিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে তাকে জামিনে মুক্ত করা হয়।

    সচিনের আইনজীবী আদিত্য মিঠে বলেছেন, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনও প্রমাণের অভাবে পুলিশ বেআইনি ভাবে তাকে আটক করেছিল। তাদের এমন সিদ্ধান্তের কারণে তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলছেন, তারা সমস্ত অভিযোগের যথাযথ উত্তর দেবেন।

    উল্লেখ্য, সচিন সাংঘভী একজন সফল সংগীত পরিচালক। তিনি জিগার সারইয়াকে নিয়ে ‘সচিন-জিগার’ নামে সংগীতপ্রকল্প পরিচালনা করেন। তাঁদের গানের তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় কিছু গান, যেমন— ‘তারাস’, ‘এক জিন্দেগি’, ‘আপনা বুক’, ‘তেরে ওয়াস্তে’, ও ‘ফির অউর কেয়া চাহিয়ে’। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘থামা’-তেও তারা সংগীত পরিচালনা করেছেন।

  • সামিরা-ডনসহ সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সামিরা-ডনসহ সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যু নিয়ে ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলার দায়ের করা হয়। এই মামলায় সালমান শাহের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খান, নাটকীয়ভাবে ডনসহ মোট ১১ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি এখন আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তাধীন। তাই তদন্তের স্বার্থে আসামিদের যাতে দেশ ছেড়ে যেতে না পারে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য রমনা থানার পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বিমান ও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে এবিষয়ে অবগত করা হয়েছে।

    ওসি গোলাম ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, “আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে। এ কারণে কেউ যেন অজাতীয় ভ্রমণে যেতে না পারে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    মামলার এজাহারে প্রথম অভিযুক্ত হিসেবে করার করা হয়েছে অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হককে। এছাড়াও এ মামলায় সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন—অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুল ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ। উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকেরই বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

    সালমান শাহের জীবন ও মৃত্যু এখনো রহস্য সমাধান হয়নি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই শুরু হয় তদন্তের দীর্ঘ পথচলা, যা প্রায় তিন দশক ধরে চলতে থাকে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করে। তবে এই মামলার তদন্ত এখনো চলমান এবং নতুন মোড় নেওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই অপেক্ষা করে আছেন।

  • ভারতে ইঁদুর আতঙ্কে জড়িয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেটাররা

    ভারতে ইঁদুর আতঙ্কে জড়িয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেটাররা

    চলমান নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম করে চলেছে অস্ট্রেলিয়া। টানা পাঁচটি জয়ে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে। মাঠের জয়জয়কারের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। দারুণ উজ্জীবিত হলেও অস্ট্রেলিয়ান নারী ক্রিকেটাররা ভারতের বিশাখাপত্তনমে অবস্থান করার সময় ঘটেছে এক রহস্যজনক পরিস্থিতি।

    বিশাখাপত্তনমে একটি হোটেলে রাতে খাবার খাচ্ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা যখন হঠাৎ তারা দেখেন ডাইনিং রুমে একটি ইঁদুর হানা দিয়েছে। ইঁদুরের উপস্থিতি দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বেশ কয়েকটি ক্রিকেটার চিৎকার করে ওঠেন, অভিভূত ও ভীতির কারণ হিসেবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য হোটেল কর্মীরা দ্রুত হাজির হন এবং ইঁদুরটি ধরার চেষ্টা করেন, কিন্তু সফলতা পাননি। ইঁদুরটি ডাইনিং রুমের চারপাশে দৌড়াদোড়ি করতে থাকায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে যায়। অনেকেই চেয়ারে উঠে বসে ঘটনার থেকে রক্ষা চান।

    এ ঘটনার একটি ভিডিওও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) প্রকাশ করেছে যেখানে ক্রিকেটাররা নিজেরাও তাদের আতঙ্ক ও ভীতির অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। তারা বলছেন, ‘আমরা ভাবছিলাম ইঁদুর চলে গেছে, কিন্তু তা নয়। ইঁদুর আবার ফিরে আসে, আর আমাদের চিৎকার আরও বেড়ে যায়।’

    ইঁদুরের এই অদ্ভুত চলাচলের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, কারণ টুর্নামেন্টের চলাকালীন অস্ট্রেলিয়ান দলের থাকা হোটেলের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে আপাতত এই বিষয়ে ভারত ও হোটেল কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি অবশ্য অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলেছে।

  • থাইল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলার নারীরা

    থাইল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলার নারীরা

    বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল গত শুক্রবার ব্যাংককের থুনবুরি ইউনিভার্সিটি ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক প্রীতি ম্যাচে বড় ব্যবধানে হার মানে থাইল্যান্ডের কাছে। এই ম্যাচটি ফিফা স্বীকৃত হলেও এটি ক্লোজড ডোর অনুষ্ঠিত হওয়ায় বাংলাদেশিরা সরাসরি ম্যাচটি দেখার সুযোগ পাননি।

  • এনসিএল চারদিনের টুর্নামেন্ট শুরু ২৫ অক্টোবর থেকে

    এনসিএল চারদিনের টুর্নামেন্ট শুরু ২৫ অক্টোবর থেকে

    ময়মনসিংহ বিভাগকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চার দিনের টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতা ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হবে, যা দীর্ঘ দিন ধরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বিসিবি ইতোমধ্যে এই টুর্নামেন্টের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে, যাতে সব দল নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পেরেছে।

    এনসিএলের খেলা মূলত মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়াম, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও আউটার মাঠ, রাজশাহীর বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং বিকেএসপি’র ৩ নম্বর মাঠ ও কক্সবাজারের দুটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামসহ বেশ কিছু ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

    এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের আটটি দল তাদের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে, যেখানে খেলোয়াড়দের মধ্যে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রিকেটাররা রয়েছেন। সব দলেরই লক্ষ্য শিরোপা জয়। নিচে প্রত্যেক বিভাগের দল ও তাদের নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিস্তারিত দেয়া হলো:

    **খুলনা বিভাগ:** সুযোগ পানেছেন সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন (উইকেটকিপার ও অধিনায়ক), এনামুল হক বিজয়, আফিফ হোসেন ধ্র“ব, জিয়াউর রহমান, নাহিদুল ইসলাম, অমিত মজুমদার, মোঃ ইমরানুজ্জামান, পারভেজ জীবন, টিপু সুলতান, সফর আলী ও মেহেদি হাসান রানা। স্ট্যান্ডবাই মোকাদ্দেস, আখের হোসেন, আরিফুল ও মাসুম।

    **রাজশাহী বিভাগ:** হাবিবুর রহমান সোহান (অধিনায়ক), সাব্বির হোসেন, ইমন আলী, সাব্বির রহমান, মেহরব হোসেন, প্রীতম কুমার, রহিম আহমেদ, শাখির হোসেন শুভ্র, তাইজুল ইসলাম, নিহাদুজ্জামান, সানজামুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওয়ালিদ, শফিকুল ইসলাম, সুজন হাওলাদার ও আসাদুজ্জামান পায়েল। স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড়রা হলেন মোহর শেখ, মাইশুকুর রহমান, নাহিদ রানা, রায়হান আলি, সাকিব শাহরিয়ার, মিজানুর রহমান ও ওয়াসি সিদ্দিকী। রিজার্ভে থাকবেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম।

    **সিলেট বিভাগ:** মুবিন আহমেদ দিশান, মিজানুর রহমান সায়েম, আমিত হাসান, জাকির হাসান (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), সৈকত আলী, মুশফিকুর রহিম, আসাদুল­া আল গালিব, শাহানুর রহমান, তোফায়েল আহমেদ, রেজাউর রহমান রাজা, এবাদত হোসেন চৌধুরী, আবু জায়েদ রাহী, নাবিল সামাদ ও নাঈম হোসেন সাকিব। স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড়রা ৬জন।

    **রংপুর বিভাগ:** আব্দুল­াহ আল মামুন, মিম মোসাদ্দেক, জাহিদ জাভেদ, নাইম ইসলাম, আকবর আলী (অধিনায়ক), তানবির হায়দার খান, নাসির হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, রবিউল হক, নবীন ইসলাম, মেহেদি হাসান, আবু হাসিম, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন ও শেখ ইমতিয়াজ শিহাব। স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড়রা বিভিন্ন।

    **ময়মনসিংহ বিভাগ:** নাঈম শেখ, আবদুল মজিদ, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, আইচ মোলা, আরিফুল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, শুভাগত হোম, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, গাজী মোহাম্মদ তাজিবুল, রাকিবুল হাসান, আরিফ আহমেদ, আবু হায়দার রনি, মারুফ মৃধা, শহিদুল ইসলাম ও আসাদুল­াহ গালিব। স্ট্যান্ডবাই থাকছেন আরও কিছু খেলোয়াড়।

    সব মিলিয়ে, এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে বিভিন্ন বিভাগের শক্তিশালী দল যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ গড়তে খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করবেন। ক্রিকেটপ্রেমীরা অপেক্ষায় আছে এই ভিন্নমাত্রার প্রতিযোগিতার, যা আগামী ২৫ অক্টোবর শুরু হবে।

  • উড়ন্ত হেডসহ জোড়া গোলে মায়ামিকে জেতালেন মেসি

    উড়ন্ত হেডসহ জোড়া গোলে মায়ামিকে জেতালেন মেসি

    পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসাবে নিজের নাম লেখিয়েছেন লিওনেল মেসি, হাজারো রেকর্ড ভেঙে তিনি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। যদিও হেড দিয়ে করা গোলসংখ্যায় তাঁর তুলনা খুব কম খেলোয়াড়ের কাছেই হয়, তবুও মেসি নিজেও পছন্দের গোলের তালিকায় বার্সেলোনার হয়ে করা একটি স্মরণীয় হেড গোলের কথা উল্লেখ করেন। সে স্মৃতি আবার স্পষ্ট হলো আজ, শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ইন্টার মায়ামির জার্সিতে উড়ন্ত হেডের মাধ্যমে তিনি জোড়া গোল করলেন এবং দলকে ৩-১ ব্যবধানে জেতালেন।

    মাত্র একদিন আগে, মেসি নতুন করে তিন বছরের জন্য ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। এর আগে, এমএলএসের মৌসুমে তিনি ২৯ গোল করে গোল্ডেন বুটের নিশ্চিত মালিক হন। আজ, ম্যাচের আগে লিগের কমিশনার ডন গারবার তার হাতে শংসাপত্র তুলে দেন। এরপর ম্যাচের শুরুতেই উড়ন্ত গোলের মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নেন মেসি, শেষে জোড়া গোল করে ম্যাচের সুন্দর সমাপ্তি ঘটান।

    নির্ধারিত সময়ে মায়ামি ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। তবে নাটকীয়ভাবে ৯৬ মিনিটে ন্যাশভিলে এক গোল শোধ করেন। ম্যাচের যোগ করা সময়ের ৬ মিনিট আগে, বিরতির ঠিক আগে, মেসি একটি সহজ গোল করেন। খেলা হয় চেজ স্টেডিয়ামে, যেখানে ৫৩ শতাংশ বল দখলে রেখে ১২টি শট নেয় মায়ামি, এর মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে, ন্যাশভিলের তিনটি লক্ষ্যে থাকলেও, মোট শট ছিল ছয়টি।

    সপ্তাহখানেকের মধ্যে ন্যাশভিলেকে দ্বিতীয়বার হারাল মায়ামি। এর আগে লিগের শেষ ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিকে ৫-২ ব্যবধানে জয় ছিল তাদের। আজ আবারো জয়ের মাধ্যমে প্লে-অফের ‘বেস্ট অব থ্রি’ পর্বের প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে গেল হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দল।

    ম্যাচের ১৯ মিনিটে প্রথম লিড এনে দিতে সাহায্য করেন মেসি। লুইস সুয়ারেজের کراস থেকে, বক্সের মাঝামাঝি থেকে, উড়ন্ত হেড দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ম্যাচের প্রথমার্ধের পরে, ৬২ মিনিটে তাদেও আলেন্দের গোলের মাধ্যমে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। সেই সময়ে মায়ামির গোলরক্ষকটি বলটি আটকাতে পারেননি, ফলে গোলটি সহজে জড়িয়ে যায়।

    ইনজুরি সময়ে খেলা আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে, সম্ভবত তাঁর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে সহজ গোলটির মাধ্যমে ব্যবধান আরও বাড়ান মেসি, যেখানে ন্যাশভিলে গোলরক্ষক বলটি ফেল করে ফেলেন, আর তিনি নরমভাবে ফাঁকা জালে জড়িয়ে দেন। শেষ মুহূর্তে হানি মুখতার ব্যবধান কমানোর জন্য গোল করেন, তবে এতে দলের জয় আটকায় না।