Author: bangladiganta

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, আবার বেড়েছে দাম

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, আবার বেড়েছে দাম

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে, যা নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নতুন মূল্য ঘোষণা করে। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ১,২৬০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২৭১৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করে বাজুস, যা তখন ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিল। এই দামের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম।

  • স্বর্ণের দাম বেড়েছে তৃতীয় দিনের মতোই আবারও

    স্বর্ণের দাম বেড়েছে তৃতীয় দিনের মতোই আবারও

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিনের মতো আবারও বৃদ্ধির Trend বজায় রাখতে দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩৩৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নিধার্মা করেছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই দাম এখন থেকে কার্যকর হবে আগামীকাল বুধবার থেকে।

    বাজুসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে, যার ফলে স্বর্ণের সামগ্রিক দামে বাড়তি প্রভাব পড়েছে। নতুন দামে এখন দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এছাড়া, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এরকম: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (সাধারণ) স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা।

    উল্লেখ্য, গতকালও বাজুস স্বর্ণের দামে বৃদ্ধি এনেছিল, যেখানে ভরিতে ১ হাজার ২৬০ টাকা যোগ করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এটি তখন দেশের সর্বোচ্চ দাম ছিল। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকায় স্থির হয়েছিল।

    অতিরিক্ত, এর আগের দিন সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারিত হয়। যা তখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    এই বছর, এখন পর্যন্ত মোট ৫২ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দামের বাড়ানো হয়েছে ৩৬ বার আর কমানো হয়েছে মাত্র ১৬ বার।

    অপর দিকে, রুপার দাম এরপরও অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য ২ হাজার ৮১১ টাকা, আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ২৯৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ৭২৬ টাকা নির্ধারিত।

  • খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছুঁতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকা

    খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছুঁতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকা

    এছাড়াও এবার আরও এক দফা বাড়ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া মাসের তথ্য অনুযায়ী, এটি প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। দেশের প্রধান চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অবস্থা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে বলছে, প্রকৃত চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে। এর জন্য অনেক শিল্পপতির বিদেশে পলায়ন এবং কারখানা বন্ধের পরিস্থিতিও বড় অবদান রাখছে। ২০০৯ সালে যখন আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, তখন থেকে গত ১৫ বছরে এটি হয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে জুনের মধ্যে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে এক লাখ ১০ হাজার ৯৪ কোটি টাকা। আর এক বছরেও এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে এখন প্রকৃত চিত্র প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে অনেক ঋণই আসলে খেলাপি হিসেবে কাস্টমাইজ করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির নিয়মে পরিবর্তনের ফলে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রাইভেট সেক্টরে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে স্বচ্ছতার অভাব ছিল, দেশের ব্যাংক খাত নিজেদের চেষ্টায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। কিছু ঋণকে আদালতের নির্দেশে আনঅ্যাকাউন্টেবল দেখানো হয়নি, কিন্তু এখন আমরা সেই সবগুলোকে স্পষ্ট করে দেখাচ্ছি। ফরেনসিক অডিটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে, তাই কিছু ঋণকে ক্লাসিফাই করে ডিফল্ট হিসেবে দেখানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ গত ছয় মাসে ১০ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব দিয়ে ঋণ বিতরণে কিছু অনিয়মের জন্যই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা। আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকগুলোকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনও প্রভাব দিয়ে ঋণ বিতরণ বেড়ে গেছে, এবং ঋণ সংকোচনের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেই। ফলে পূর্বে যা ছিল তার চেয়েও দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে, যার জন্য পরবর্তীতে ঋণের পরিশোধ সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে ব্যাংক খাতে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

  • পুঁজিবাজারে দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির অভিযোগে জরিমানা

    পুঁজিবাজারে দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির অভিযোগে জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির দায়ে চার ব্যক্তির পাশাপাশি এক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সসহ কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির জন্য দুই ব্যক্তিকে জরিমানা এবং নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বুধবার অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৭২তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিউ লাইন ক্লোথিংসের শেয়ার কারসাজির মামলায় মোঃ রিয়াজ মাহমুদ সরকারকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মোঃ সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ও জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এই শেয়ার কারসাজির জন্য ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাদের এই জরিমানাগুলো আরোপ করা হয়।

    অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির দায়ে এনআরবি ব্যাংকের সিএফও মোহাম্মাদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা ও পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বীমা কোম্পানিটির শেয়ার কারসাজি মামলায় শেখ ফকরুল আহমেদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই শেয়ার কারসাজির অভিযোগে তাঁদের ওপর এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়, যা ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংঘটিত ঘটনায় প্রযোজ্য।

    এছাড়া, একই সভায় ফরচুন সুজ লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির ঘটনাও উল্লেখ করে, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অনুসন্ধান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে পাঠানো হবে। পাশাপাশি, ফরচুন সুজের শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত মোঃ আবুল খায়ের হিরু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় পত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • হেফাজত আমিরের সতর্কবার্তা: জামায়াত ক্ষমতায় এলে কওমী মাদ্রাসার অস্তিত্ব বিপন্ন

    হেফাজত আমিরের সতর্কবার্তা: জামায়াত ক্ষমতায় এলে কওমী মাদ্রাসার অস্তিত্ব বিপন্ন

    হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির, প্রবীণ ইসলামী চিন্তাবিদ আল­ামা শাহ মুহিব্বুল­াহ বাবুনগরী বলেছেন, যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তাহলে ইসলামের মূল আস্থা ও ভিত্তিকে ধ্বংস করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত কওমী মাদ্রাসার দুশমন। বাবুনগরী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আল্লাহ না করুন, যদি কোনোভাবে ফেরাউন জাতির কেউ সরকারে আসতে পারে, তাহলে দেওবंदी কওমী পন্থা এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের (আলীয়া ও সুন্নিয়াত) মাদ্রাসাগুলোর অস্তিত্ব থাকতেই পারবে না। তিনি স্পষ্টভাবে এই কথাটা প্রকাশ করেন। আমি কসম করে বলতে পারি, এই বিষয়গুলো আপনি নিজেও দেখবেন। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন, আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুন। বাবুনগরী গত বৃহস্পতিবার হাটহাজারী ডাকবাংলো মাঠে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে এই সব কথা বলেন। এই সমাবেশে হেফাজত ইসলামের সাবেক আমির আল­ামা জুনাইদ বাবুনগরীর স্মরণসভায় শতাধিক আলেম ও ওলামা অংশ নেন, যেখানে আরও বক্তৃতা দেন মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, মাওलানা মামুনুল হক, মাওলানা হারুন ইজহার প্রমুখ। Sources: শীর্ষ নিউজ অনলাইন।

  • জামায়াতের ৫ দফা গণদাবি ঘোষণা এবং সমতুল্য কর্মসূচি

    জামায়াতের ৫ দফা গণদাবি ঘোষণা এবং সমতুল্য কর্মসূচি

    জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের দাবি সহ মোট পাঁচ দফা মূল প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে, যা নিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী আগামী তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলের নেতা ও নেত্রীবৃন্দের নেতৃত্বে এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ভবিষ্যৎ নির্বাচনে নিজস্ব স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পিআর পদ্ধতি চালু, সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, এবং দুর্নীতি, গণহত্যা ও জুলুমের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। পাশাপাশি, তারা সরকারি দলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম বন্ধেরও দাবি তুলেছে।

    আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় দলটির উদ্যোগে বড় ধরনের বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে আরেকটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। এই কর্মসূচিগুলোর আওতায় দলটির নেতৃবৃন্দ এই দাবিগুলোর বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন।

    সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, জামায়াত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করতে চায়, যেখানে উভয় সংসদীয় কক্ষে প্রোপোরশনাল রাউন্ড পদ্ধতি চালু হওয়া দরকার।

    তিনি বলেন, ‘আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাঠ তৈরি করতে চাই। সরকারি কর্তৃত্বের অপতৎপরতা, দুর্নীতি ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি, স্বৈরাচারী দলীয় স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধের দাবি তুলতে চাই।’

    তাহের আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচন বেড়ে যাওয়ার জন্য এ দাবি তুলছি না, বরং নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয়তার জন্য দাবি করছি। আমাদের দাবি এটাই যে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন যেন হয়, যা আইন মেনে নেওয়া হবে।’

    প্রতিটি দল নিজস্ব কর্মসূচিকে ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করবে বলে জানিয়েছেন, তবে এখনই তারা একটি যুগপৎ আন্দোলনের কথা বলছেন না। বছরজুড়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে, কি কারণে এই দাবিগুলো মূলত নির্বাচন পিছানোর জন্য তা উৎসাহিত হয়, সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই দাবি সময়মতো সমাধান সম্ভব।

    আলোচনায় তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী নানা অনিয়ম, যেমন কালো টাকার ব্যবহার, পেশিশক্তি প্রয়োগ ইত্যাদি বন্ধে পিআর পদ্ধতি জরুরি। জনগণের দাবির প্রতি মনোযোগ না দিলে, গণআন্দোলনের বিকল্প নেই।’ তিনি স্পষ্ট করে বলছেন, ‘আমরা নির্বাচন থেকে পিছপা নই, বরং দাবি মানা হওয়ার জন্য প্রস্তুত।’

    অন্যদিকে, একই দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও আগামী ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই দলের নেতা মাওলানা মামুনুল হক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও বিচারক সংক্রান্ত বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি, জুলাই গণহত্যার বিচারও দৃশ্যমান করতে হবে। ’

    তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্রের মতো জুন সনদকেও কাগজে কলমে ব্যর্থ হতে দেয়া হবে না। যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’ এই সকল দাবিকে বাস্তবায়নে তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

  • ইসলামী আন্দোলনের তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    ইসলামী আন্দোলনের তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুরানো পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশকে স্বৈরতন্ত্রের কবল থেকে মুক্ত করতে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের জন্য রক্ত দেওয়া ছাত্র-জনতাকে সম্মানিত করতে, দেশের দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে জমা থাকলো বিভিন্ন জঞ্জাল দূর করতে, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুসংহত করে স্বাধিকার ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে ও দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে শুদ্ধ করতে হলে তিনটি মূল বিষয়—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—একসাথে কার্যকর করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের এই সমসাময়িক সময়ের জন্য জুলাইতে ঘোষিত ‘সংস্কার-বিচার ও নির্বাচন’ এই আদর্শ অনুসরণ করা অপরিহার্য। তবে দুর্ভাগ্যবশত, এখনকার পরিস্থিতিতে এই গুরুত্ব না দিয়ে শুধুই নির্বাচন প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশকে আগের অশুভ স্বৈরতন্ত্রের দিকে ফিরিয়ে নেওয়ার ভয় সৃষ্টি করে।

  • হেফাজতে ইসলামের আমিরের বক্তব্যের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামের কড়া নিন্দা

    হেফাজতে ইসলামের আমিরের বক্তব্যের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামের কড়া নিন্দা

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যকরি পরিষদের সহকারী সচিব ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর একটি বিবৃতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে মাওলানা বাবুনগরী দাবি করেছেন, যদি জামায়াত সরকারে আসে, তাহলে কওমি মাদ্রাসা, দেওবন্দি ও সুন্নিয়া মাদ্রাসার অস্তিত্ব রক্ষিত থাকবেন না। এই বক্তব্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মনগড়া, এতে সত্যের কোনো লেশমাত্র নেই। একজন সম্মানের আলেমের মুখ থেকে এ ধরনের অসত্য বিষয় প্রকাশ হাওয়ায় তিনি গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এই ধরনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান। এড. মাহবুব জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ও ইসলামী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দল, যিনি দেশের একাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে ইসলামের খেদমত করে আসছে। দলটির নেতাকর্মীরা কওমি, দেওবন্দি বা সুন্নিয়া মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোনো ভাষ্য দেননি। পরিসংখ্যানেও দেখা যায়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াতের দুই মন্ত্রী ক্ষমতায় ছিলেন, যারা কখনো কওমি বা দেওবন্দি মাদ্রাসার বিরোধিতার পক্ষে কিছু বলেননি বরং এই ধরনের মাদ্রাসার জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করেছেন। এই সমস্ত বিষয় দেখে স্পষ্ট, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর আশঙ্কা অমূলক ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপপ্রচারণা চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। আর এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সকলকে আহ্বান জানাচ্ছেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মনগড়া মন্তব্য না করার এবং দৈনিক ইনকিলাব কর্তৃপক্ষের কাছে এই প্রতিবাদ যথাযথভাবে প্রকাশ করে বিভ্রান্তি দূর করার জন্য।

  • এনসিপির প্রস্তাব: জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচন দরকার

    এনসিপির প্রস্তাব: জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচন দরকার

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এই আলোচনায় দুটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। একটি হলো, কিছু বিষয় সংবিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং সেগুলো অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তবে, দেশের রাষ্ট্র কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় রয়েছে যা সংবিধানের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে এবং যেখানে মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। এই পরিবর্তনগুলো শুধু সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সম্ভব কিনা, তা নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু আশঙ্কা রয়েছে।

    রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংগঠনিক আলোচনা চালানোর সময় এসব কথা বলেন আখতার হোসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    আখতার হোসেন আরও বলেন, বাংলাদেশের হাইকোর্টে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, যার ফলে কিছু সংশোধনী বাতিলও হয়েছে। এজন্য, আমরা প্রশ্ন তুলে বলেছি, কীভাবে আমাদের করা পরিবর্তনগুলো টেকসই ও কার্যকর করা যায়, তার জন্য কি উপায় থাকতে পারে। বিশেষ করে, রাজনীতিক দলগুলোর উচিত ঐকমত্যে পৌঁছানো যাতে এগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

    তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো সম্ভবত একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তে আসতে পারবে। এজন্য তিনি দেশের সংগঠনগুলোর সহমত প্রক্রিয়া আরও কার্যকরি করে তুলতে সরকারের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জরুরি আবেদন জানিয়ে বলেন, কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে এই প্রক্রিয়া দ্রুত ও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে, রাজনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের সমঝোতা ও উদ্যোগ আরও সুদৃঢ় হবে এবং লক্ষ্য অর্জনে অগ্রগতি আসবে।

  • নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন: যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে

    নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন: যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তিনি একটি সমতা নির্ভর এবং মানবিক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো একটি রাষ্ট্র নির্মাণ করা, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর চৌকস পাহারার মধ্যে নয়, বরং সবাই স্বাধীনভাবে নিজের ধর্ম পালন করতে পারবে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, কোনো নাগরিকের ধর্ম, পরিচয় বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে বৈষম্য থাকবে না।

    ৬ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালবেলা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় তিনি পূজা আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সভা-সভার আয়োজন করেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা যদি নিজেদের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ি, তবে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হবো। কিন্তু আমরা তা চাই না। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি বাংলাদেশ তৈরি করা, যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সমান হবে। এখানে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ বা সংখ্যালঘু বলে বিবেচিত হবে না, সবাই মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করবে।’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হলো—সকল ধর্ম, সকল বিশ্বাসকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা। ধর্মের পার্থক্য থাকতে পারে, তবে রাষ্ট্রের কাছে সব নাগরিকের মর্যাদা সমান।

    বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা যদি সত্যিকার অর্থে একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ চাই, তাহলে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ গত ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা তাঁকে আসন্ন দুর্গোত্সবের জন্য পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে, তিনি সেটি গ্রহণ করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যান।

    সাক্ষাত্কালে ড. ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে সবসময়ই থাকে, কিন্তু সবসময় সেটা হয়ে ওঠে না। পূজার সময়টায় অন্তত বছরব্যাপী একবার দেখা হয়, এই মুহূর্তটা আমার জন্য বড়ই প্রাপ্তি।’

    তিনি পূজা প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি বলেন, ‘সরকার সব ধর্মীয় উৎসব সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে পালনে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।’ এদিকে, হিন্দু ধর্মীয় নেতারা জানিয়েছেন যে, গত বছরের তুলনায় এবার আরও আশি হাজারের বেশি নতুন পূজামণ্ডপ নির্মিত হচ্ছে, যা পূজার প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করেছে।