Author: bangladiganta

  • পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শক্তির প্রদর্শন করেছে পাকিস্তান। ব্যাটিং এবং বল করার দিক থেকে তারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ওমানকে কঠিন চ্যালেঞ্জে ফেলে দেয়। পাকিস্তানের সালমান আগার দল ৯৩ রানের বড় সাফল্য অর্জন করে ম্যাচ জয় করে নিয়েছে।

    উইকেটে ব্যাট করতে নামা ওমানের পুরো ইনিংস শুরু থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। অভিজ্ঞ জতিন্দর সিং, আমির কলিম এবং অধিনায়ক জিশান মাকসুদ কেউই পাকিস্তানের ধারালো বোলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। পাকিস্তানের শাহীনের মতো বোলাররা আক্রমণে এসে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপকে ধ্বংস করে দেন। একমাত্র হাসান মির্জা কিছুটা লড়াই দেখান, ২৩ বলে ২৭ রান করেন। বাকি সবাই মাঠের দর্শক হিসেবেই থাকেন।

    পাকিস্তানের বোলাররা ধারাবাহিক আক্রমণে ওমানে ব্যাটিংয়ের ভেতর অস্থিরতা সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত ওমানের ইনিংস ৬৭ রানে থেমে যায়, যা পাকিস্তানের দাপুটে জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। সাইম আইয়ুব, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, শাহীন, আবরার ও নেওয়াজ একেকটি উইকেট করে থাকেন।

    এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নামে। প্রথমে ওপেনার সাইম আইয়ুব ৪ রান করে আউট হন, जिससे দলের মধ্যে কিছু শঙ্কা তৈরি হয়। এরপর সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন দারুণ আক্রমণাত্মক, তিনি খেলেন ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস। তার সঙ্গে ফারহান (২৯) বেশ ভালো সঙ্গ দেন।

    তবে দুজনের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস নামে। একসময় দল ১২০ রানে অর্ধেক উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষদিকে ফখর জামান ২৩ রানের ইনিংস ও মোহাম্মদ নেওয়াজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে পৌঁছে দেয় ১৬০ রানে।

    ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, কিন্তু পাকিস্তানের ধারালো বোলিং এটাকে নিমেষে ঢেকে দেয়। পাকিস্তানের বলারুর প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে। প্রথম ওভারে দুই উইকেট হারায় দলটি; প্রথমে তামিম ইকবাল নুয়ান থুসারার দুর্দান্ত গুল লেংথ ডেলিভারিতে লাথি মারতে গিয়ে বোল্ড হন, এরপর দ্বিতীয় ওভারে দুশমন্থ চামিরার বলের এজ করে পারভেজ হোসেন ইমন ফিরতে বাধ্য হন। এই দুই ওভারে মোট চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম একেবারে ভেঙে পড়ে। তবে দলের কিছু ব্যাটসম্যান পরিস্থিতি সামলে ওঠার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় উল্লেখযোগ্য। তবে তারা বেশ দ্রুতই রান আউট হয়ে যান। লিটনকে ফিরিয়ে দেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, এরপর হৃদয়ও ২৮ রানে আউট হন।এরপর জাকের আলী অনিক ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি জুটি গড়ে ম্যাচকে কিছুটা ঘুরে দেন। জাকের ৪১ ও শামীম ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে রানসংখ্যা ১৩৯ পর্যন্ত নিয়ে যান। বাংলাদেশের জন্য এই সংগ্রহ মোটামুটি লড়াই করার মতো হলেও, শ্রীলঙ্কার অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি হলো পাথুম নিশাঙ্কা ও কামিল মিশারা। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করে দলের মানসিকতা বদলে দেন, এবং শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে আউট হলেও তার অবদান ছিল বড়।ম্যাচের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৪০ রান। যা শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে তাড়া করে। উইকেটের জন্য বাড়তি চেষ্টা চালান বাংলাদেশের বোলাররা, মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে প্রথম উইকেটটি পড়ে। তিনি আরও একটি উইকেট নেন, পরে শরিফুল হকও দুইটি উইকেট তুলে নেন। তবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত বাউন্ডারির মাধ্যমে রান তুলতে থাকেন। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন, তবে এরপর সাজঘরে ফিরে যান তার ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ারে ক্যাচ দিয়ে। এরপর কুশল পেরেরো ও দাসুন শানাকা দ্রুত রান তুলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। শেষ দিকে দরকার ছিল ১৩৯ রানের, যা তারা সহজেই হাসারাঙ্গার ভালো বোলিং ও দলের আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে অর্জন করে নেয়। এভাবে, শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি জিতে সুপার ফোরের আসর থেকে তাদের এগিয়ে নিল। বাংলাদেশের জন্য এই হারে তাদের জন্য থাকা সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে গেলো, তবে তাদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় প্রয়োজন, যেন ভবিষ্যত এখনও জয়ের আশা ধরে রাখা যায়। পারস্পরিক সমঝোতা ও সামনের প্রতিযোগিতায় উত্তরণে এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

  • বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনপ্রক্রিয়া সামনে এগিয়ে থাকায় বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার, যেখানে বোর্ডের সভাপতি ও পরিচালকদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা, আসন্ন সাধারণ সভা (ইজিএম ও এজিএম) এর সম্ভাব্য সূচি, এবং ঢাকা মহানগরীর ক্লাব ক্রিকেট সংগঠকদের কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়। শেষে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিসিবির নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত তপশিল বা শিডিউল নির্ধারিত হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, ২৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ এবং ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচনী দিন। বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘অক্টোবরের নির্বাচনের জন্য ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া চলছে। তিনজন নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এবং আমাদের প্রয়োজন ছিল পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কিভাবে সব চিঠি যাবে ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ক্যাটাগরিতে: প্রথম ক্যাটাগরি- বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১০জন, দ্বিতীয় ক্যাটাগরি- ক্লাব প্রতিনিধিদের ভোটে ১২জন, তৃতীয় ক্যাটাগরি- সাবেক অধিনায়ক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে ১জন। পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে আরও ২ জন পরিচালক থাকবেন। সব মিলিয়ে মোট ২৫ জন পরিচালকের ভোটে নির্বাচিত হবে বিসিবির নতুন সভাপতি।

  • ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ৬ রানে ২ উইকেট পড়ার পর, ফারহান ও ফখর জামান পাওয়ার খেলতে থাকেন। তারা দলের স্কোর উন্নত করতে চেষ্টা করেন, তবে ফখর বাজে শটে উইকেট হারান। এরপর সালমান আলি আগা, হাসান নাওয়াজ ও মোহাম্মদ নাওয়াজরাও ব্যাটিংয়ে অবদান রাখতে থাকেন। ফারহান তার সফল ইনিংসটা চালিয়ে যান, ৪৪ বলে ৪০ রান করে। তবে আউটের পর পরিস্থিতি কঠিন হয়ে আসে। তবে এখানেই শেষ নয়, আফ্রিদি নিজের পাওয়ার হিটিং ক্ষমতা আবার দেখান ১৬ বলে চার ছক্কায় ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।

  • নেপালে বিক্ষোভের সময় আগুন দেওয়া ভবনগুলোর মধ্যে মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে

    নেপালে বিক্ষোভের সময় আগুন দেওয়া ভবনগুলোর মধ্যে মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে

    নেপালে গত সপ্তাহের গণআন্দোলনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে, সোমবার ও মঙ্গলবার নেপালে জেন-জির আন্দোলন তীব্রতর হয়। এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পালিয়ে যান, যা গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। পালানোর পরেই বিক্ষোভকারীরা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনসহ মন্ত্রী-এমপি ভবনগুলি, আদালত ও পার্লামেন্টে আগুন লাগায়। এখন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুনে পোড়া ভবনগুলো থেকে মরদেহ উদ্ধার কাজে ব্যস্ত।

    কেপি শর্মা পালানোর দিনই নেপালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে, ফলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন দেওয়া ভবনগুলোতে উদ্ধার কাজ চালাতে পারেননি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র প্রকাশ বুড়াধোকি বলেন, “শপিংমল, বাড়িসহ অন্যান্য ভবনে আগুন দেওয়ার পর এখন মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে।”

    প্রথমে শনিবার ৫১ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হলেও, নতুন তথ্য অনুযায়ী সংখ্যাটি আরও বাড়ছে। ফলে এখন পর্যন্ত গণআন্দোলনের কারণে আহত হয়েছেন প্রায় ২ হাজার ১১৩ জন।

    নেপালের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়ে দেখা যাচ্ছে, কেপি শর্মা পদত্যাগের পর, গত শুক্রবার রাতে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। রোববার তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যারা এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তারা যদি নেপালি হন, তবে এতে তিনি লজ্জিত। তিনি আরো বলেন, “যারা জরুরি এসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, তারা যদি নেপালি হয়ে থাকে, তাহলে আমি লজ্জিত। কীভাবে তাদের নেপালি বলা যায়?”

    সূত্র: রয়টার্স।

  • নেপালের প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সবিতা ভাণ্ডারির নিয়োগ

    নেপালের প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সবিতা ভাণ্ডারির নিয়োগ

    নেপালের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সবিতা ভাণ্ডারি বরাল। এটি ইতিহাসের প্রথম ঘটনা, যেখানে নেপালে কোনও নারী এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। রোববার প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। দেশের বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমাণ্ডু পোস্ট এই খবর প্রকাশ করেছে।

    প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি এই নিয়োগের জন্য সবিতা ভাণ্ডারির নাম সুপারিশ করেছিলেন, এবং প্রেসিডেন্ট তা গৃহীত করে অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে সকালে প্রেসিডেন্ট পাওডেল অ্যাটর্নি জেনারেল রমেশ বাদালের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

    সবিতা ভাণ্ডারি এর আগে তথ্য কমিশনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন বিশিষ্ট আইনবিদ কৃষ্ণ প্রসাদ ভাণ্ডারির কন্যা। তাঁর এই নিয়োগ নেপালের jurídicas ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

  • নেপালে নিহতদের পরিবার থেকে পেনশন ও মর্যাদার দাবি, মরদেহ না নেওয়ার ঘোষণা

    নেপালে নিহতদের পরিবার থেকে পেনশন ও মর্যাদার দাবি, মরদেহ না নেওয়ার ঘোষণা

    নেপালে সাম্প্রতিক জেন জি আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ঘোষণা করেছে, তারা তাদের প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবে না যতক্ষণ না শহীদ স্বীকৃতি ও দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং অন্যান্য দাবিগুলো পূরণ হয়। এই দাবি মেনে না নিলে তারা মরদেহ না নেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তার জন্য সরকারের কাছে আশা ব্যক্ত করেছেন।

    নিহতদের পরিবার এই ঘোষণা দিয়ে বলছে, তাদের একমাত্র লক্ষ্য এখন হচ্ছে প্রায়শ্চিত্ত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তারা নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির জন্য প্রত্যাশা করছেন, যাতে দ্রুত এই দাবিগুলো মান্যতা পায়।

    এই ঘোষণা দিয়ে তারা মূলত জানিয়েছেন, তারা তাদের প্রিয়জনদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে প্রস্তুত নয় যতক্ষণ না তাদের দাবি পূরণ হয়। মূলত, নিহতদের পরিবার দাবি করেছেন— ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে নিহতদের শহীদ ঘোষণা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ দাফন, এবং এই মৃত্যুর উৎসব ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মিছিল শহর শহর প্রদক্ষিণ করার।

    বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে বলছে, আন্দোলন ও সহিংসতার শিকার নিহতদের স্বজন ও আহতদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সঙ্গে সরাসরি দেখা করার অপেক্ষায় আছেন।

    নিহত এক তরুণ, কমল সুবেদীর স্বজনরা জানিয়েছেন, শনিবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গেও মৌখিক সমঝোতা হয়েছিল। তবে রোববার লিখিত প্রতিশ্রুতির জন্য অপেক্ষা করছে তারা।

    তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— নিহতদের শহীদ ঘোষণা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, এবং দাফনের শেষকৃত্য মিছিল রিং রোডে অনুষ্ঠিত। এছাড়া, তারা advocacy করেছেন শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং সচিব পর্যায়ের সম্মানজনক পেনশন সুবিধাও প্রদান করতে।

    অতীতে, প্রধানমন্ত্রী কার্কির দায়িত্ব গ্রহণের পর নিহত প্রত্যেকের জন্য ১০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। তবে পরিবারগুলোর দাবি, এই ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি, নিহতের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদানের জন্য আরও বিস্তৃত ও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

  • ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইসলামী সামরিক জোট গঠনের দাবি ইরাকের

    ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইসলামী সামরিক জোট গঠনের দাবি ইরাকের

    ইসরায়েলের সম্প্রসারিত হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। দোহার একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ও কাতারে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অবস্থায় মুসলিম বিশ্বকে একত্রিত হয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সময় এসেছে।

    সম্প্রতি দোহার একটি স্থাপনায় ইসরায়েল হানা চালায়, যেখানে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের পাঁচজন সদস্য ও কাতারীয় একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলছে আধিপত্য বিস্তার। ইরাক মনে করে, কাতারের মাটিতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বা সীমানা মানতে নারাজ, যা নতুন বিপদ ডেকে এনেছে।

    ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেছে, একসঙ্গে কাজ করলে মুসলিম দেশগুলো একটি শক্তিশালী যৌথ প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন করতে পারে। শুধু সামরিক অর্থাৎ রণকৌশলে নয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও একযোগে পদক্ষেপের সময় এসেছে। তাঁর মতে, ইসরায়েলি আগ্রাসন কাতারে থেমে থাকছে না, তা বদলে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    এই পরিস্থিতিতে দোহার আয়োজিত জরুরি আরব-ইসলামিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ইসরায়েলের হামনাকে নিন্দা ও প্রতিক্রিয়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা একটি যৌথ ইসলামি বা আরব সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই উদ্যোগটি প্রায় এক দশক আগে মিশর থেকে ওঠে এসেছিল।

    হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় তাদের পাঁচজন সদস্য নিহত হলেও দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপদ রয়েছে। দোহার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আলোচনা জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে, যেসব আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে, তাদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক নিয়েও নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইরাকের মতে, মুসলিম বিশ্বের হাতে এখন অনেক ধরনের কূটনীতি, রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা রয়েছে। যদি সময়মতো তা কাজে লাগানো না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই এখনই প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের।

  • গাজায় আরও ৫৩ জন নিহত, ক্ষুধা ও যুদ্ধের কারণে মৃতের সংখ্যা ৪২২-এ পৌঁছেছে

    গাজায় আরও ৫৩ জন নিহত, ক্ষুধা ও যুদ্ধের কারণে মৃতের সংখ্যা ৪২২-এ পৌঁছেছে

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অভিযানে নতুন করে অন্তত ৫৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই হিংস্র হামলায় গাজা শহরের বেশ কয়েকটি টাওয়ার ধ্বংসের পাশাপাশি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, গাজায় ক্ষুধা ও দারিদ্র্যজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৪২২-এ পৌঁছেছে।

    জাতিসংঘ ও মানবিক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, গাজায় এখন আর কোন আশ্রয় ও নিরাপদ স্থান নেই। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী একদিনে অন্তত ৫৩ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং গাজার ১৬টি ভবন ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে তিনটি আবাসিক টাওয়ার রয়েছে। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল উত্তর গাজা নগর কেন্দ্রে নিবন্ধিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকেকে দমন ও সেখানকার বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রবিবারের নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। এছাড়াও গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অপুষ্টির কারণে আরো দুজন মারা গেছেন, ফলে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২২ জনে।

    গাজার রেমাল এলাকার দক্ষিণে আল-কাওসার টাওয়ার হঠাৎ করে ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। অব্যাহত বোমাবর্ষণে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে বিপদজনক অবস্থায় পড়েছেন। হতাশাগ্রস্ত একজন ফিলিস্তিনি মারওয়ান আল-সাফি বলেন, ‘আমরা জানি না কোথায় যাব। এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান খুবই জরুরী… আমরা এখানে মরতে বসেছি।’

    গাজা সরকারি গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি ‘পদ্ধতিগত বোমাবর্ষণ’ পুরোপুরি গণহত্যার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সংস্থাগুলোর অভিযোগ, এই অভিযান মূলত স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শহর ও আবাসিক ভবন, তাঁবু এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থার দপ্তর ধ্বংসের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির উদ্দেশ্য নিয়ে চালানো হচ্ছে।

    জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র প্রধান ফিলিপ লাজারিনি জানান, গত চার দিনেই গাজায় অন্তত দশটি ভবন হামলার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি স্কুল ও দুটি ক্লিনিক রয়েছে, যেখানে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘গাজায় এখন কোনও নিরাপদ স্থান নেই, কেউই নিরাপদ না।’

    অবিরাম হামলার কারণে বহু পরিবার দক্ষিণে আল-মাওয়াসির এলাকায় পলাইয়ােছে। এই এলাকাকে ইসরায়েল ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বললেও সেখানে বারবার হামলা চালানো হয়েছে।

    একজন গাজার বাসিন্দা আহমেদ আওয়াদ বলেন, ‘শনিবার উত্তর গাজা থেকে আমি মর্টার হামলার মধ্যে জীবন বাঁচাতে পালিয়েছি। মধ্যরাতে এসে দেখলাম পানি নেই, টয়লেটও নেই, কিছুই নেই। পরিবারগুলো খুল্লعلن আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছে। পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ।’

    আরেকজন ফিলিস্তিনি আবেদআল্লাহ আরাম জানান, তার পরিবার পানির সংকটে অস্থির। খাবার কম, শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে। শীত শীঘ্রই এলো, নতুন তাবু ও আশ্রয়ের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি যোগ করেন, ‘আমি এক সপ্তাহ যাবত এখানে আছি, এখনও আশ্রয় পাইনি। আমার পরিবারের সব সদস্য, শিশু, মা, দাদীসহ অনেকেরই জীবন সংকটের মধ্যে। ইতিমধ্যে আমরা দুই বছর ধরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পালাচ্ছি। এই যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষ আরও বেশিদিন চলতে পারে না।’

    প্রতিবেশীরা বলছেন, ‘আমাদের কোনও উপার্জন নেই, বাচ্চাদের খাওয়ানোর মতো কিছু নেই। বাস্তুচ্যুত হওয়া মানে যেন জীবন থেকে আত্মা টেনে নেওয়া।’

    এদিকে, ইউনিসেফ সতর্ক করে দিয়েছে যে, আল-মাওয়াসির পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। সংস্থার মুখপাত্র টেস ইঙ্গ্রাম বলেছেন, ‘গাজায় কোথাও আর নিরাপদ নেই, এমনকি এই মানবিক অঞ্চলেও। প্রতিদিন শরণার্থী শিবিরে মানুষ লাবিস্ট হয়ে বাড়ছে।’ তিনি এক নারীর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যিনি গাজা সিটি থেকে উচ্ছেদের পর রাস্তার ধারে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এমন হাজারো পরিবার এখানে এসে সামনে জীবন চালাতে সংগ্রাম করছে।’

  • সুন্দরবনে ডিমের চর থেকে নিখোঁজ হাফেজ কিশোরের মরদেহ ৩০ ঘণ্টা পরে উদ্ধার

    সুন্দরবনে ডিমের চর থেকে নিখোঁজ হাফেজ কিশোরের মরদেহ ৩০ ঘণ্টা পরে উদ্ধার

    নিখোঁজের প্রায় ৩০ ঘন্টা পরে সুন্দরবনের ডিমের চর থেকে পর্যটক কিশোর হাফেজ মাহিত আব্দুল্লাহর (১৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার বিকেল ৩টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ডিমের চর দক্ষিণ পাশে অবস্থিত নদীতে মাছ ধরার জেলেরা মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। পরে উদ্ধারকর্মীরা, সহ কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগের সদস্যরা, দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং মরদেহটি উদ্ধার করেন। বন বিভাগের নিশ্চিত করেছেন যে নিহত মাহিত আব্দুল্লাহর মরদেহ এখনও তাদের হেফাজতেই রয়েছে।

    এর আগে শনিবার সকালে, সাড়ে ১০টার দিকে নদীতে নেমে সাঁতার কাটার সময় আব্দুল্লাহ ঘূর্ণি স্রোতের কবলে পড়ে যান। সেসময় তিনি নিখোঁজ হন এবং এরপর থেকে তার খোঁজ চলতে থাকে। ধান্দা দিয়ে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান, যেখানে কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল ও বন বিভাগের সদস্যরা সক্রিয় ছিলেন।

    মাহিত আব্দুল্লাহ ঢাকার মীরপুর ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক শেখ সুলতান মাহামুদ আসাদের ছেলে। তিনি মহাম্মদপুরের শেখেরটেকের বাসিন্দা। তার পরিবারের সঙ্গে আসা পর্যটকদের একটি দল, যাদের মধ্যে মোট ৭৫ জনের মতো সদস্য ছিলেন, সুন্দরবন ভ্রমণে এসেছিলেন। তারা এমভি দ্য এক্সপেরার জাহাজে করে শরণখোলা রেঞ্জের কটকা, কচিখালী, এবং ডিমের চরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নের ভ্রমণটি হঠাৎই দুঃখজনক এক দুর্ঘটনায় রূপান্তরিত হয়। ঘটনার পরপরই সবাই ভ্রমণ বন্ধ করে ঢাকার পথে রওনা দেন।

    পর্যটকদের একজন, মোঃ আল আমীন বলেছেন, রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মোবাইলে জানিয়েছেন, সবার মনে শোক ও হতাশা ভর করেছে। দর্শকদের একজনের নিখোঁজের খবরে তারা সবাই গভীর শোকাহত হয়ে পড়েছেন। নিখোঁজ পর্যটকের মা লিমা বেগম, তিন ভাইসহ ঢাকায় ফিরে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে এখন থাকছেন তার বাবা, একজন বন্ধু, এবং জাহাজের দু’জন স্টাফ।

    পর্যটক আল আমীন আরও জানিয়েছেন, মা লিমা বেগম ছেলেকে হারানোর শোকে জাহাজের কেবিনের দরজার সামনে কেদে কেদে 울ছেন। অন্য পর্যটকরাও এই শোকের মুহূর্তে দুঃখে ভেঙে পড়েছেন। তারা আনন্দের জন্য সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখন তাদের হৃদয় ভেঙে ফিরে যেতে হচ্ছে শোকের ছায়ায়।

    শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ খলিলুর রহমান জানান, রবিবার বিকেল ৩টার দিকে নদীর দক্ষিণে ডিমের চর থেকে কিশোরের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। মাছ ধরার জেলেরা এতে নজর দিয়ে উদ্ধারকারী দলের খবর দেন, যারা এরপর দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

    বাগেরহাটের বন বিভাগীয় কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে এবং এটি কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

    অন্যদিকে, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মোংলা সদর দপ্তরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, উদ্ধারকারী দল মরদেহ উদ্ধার করে মোংলার সদর দপ্তরে নিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।