Author: bangladiganta

  • সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশি ফেরত দিলো বিএসএফ

    সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশি ফেরত দিলো বিএসএফ

    সাতক্ষীরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশি নারী ও শিশুসহ ১৫ জনকে ফেরত পাঠিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়, যখন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের জিরো লাইনের কাছে এই পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি তাদেরকে সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এই আটকদের মধ্যে বেশিরভাগই অবৈধভাবে ভারতের হাকিমপুর ক্যাম্পে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে। এরপর, বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    ফেরত আসাদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মোঃ সেকেন্দার হোসেন (৩৩), নকিপুর গ্রামের কালাচাঁদ গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুলাহ গাজী (৩৮), রাকুরঝোরার ঝর্ণা খাতুন (৩৮), কালিঞ্চি গোলাখালী এলাকার মোমিকাইল মোলার স্ত্রী মোছাঃ নাজমা বিবি (৩৩), তার মেয়ে মাহেরা আক্তার (৬), ছেলে নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মেয়ে মিনার (১৩), নওয়াবেঁকীর পূর্ব বিড়ালক্ষীর আবিয়ার রহমান শেখের মেয়ে মোছাঃ মাফুজা খাতুন (৩৪), তার মেয়েরা তানিয়া সুলতানা (১০), মাফুজা রহমান (২), খুলনার বাটিয়াঘাটা এলাকার মৃত জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী মোর্জিনা বেগম (৪৪), তার মেয়েরা হাসিনা খাতুন (১০), এবং পিরোজপুরের খানাকুণ্ডিয়ারী গ্রামের রুহুল আমিন (৪০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৭)।

    বিজিবির সূত্র জানায়, সোমবার রাতে হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের দায়ে এই ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। এরপর, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ও বাংলাদেশের বিজিবি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে তাদের ফেরত দেওয়া হয়। পরে রাতের দিকে, বিজিবির একটি টহল দল তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

    অতিরিক্ত বিবরণে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই ভারত থেকে মজুরি/jobs জন্য প্রবেশ করেছিল এবং পরিস্থিতির পরিবর্তনে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একজন বলেছিলেন, প্রায় ১৬ মাস আগে তিনি অবৈধভাবে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন ও কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় কাজ করতেন। সাম্প্রতিক ভারতের চলমান ধরা-ধামার কারণে তারা দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।

    সাতক্ষীরার সদর থানার ওসি শামীমুল হক নিশ্চিত করে বললেন, আটকদের বৃহস্পতিবার রাতে হস্তান্তর করা হয়। প্রথমে, ১৪ জনকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, আর একজনের পরিবারের লোক এলে শুক্রবার তারাও স্বজনের কাছে পৌঁছে দেবেন।

  • নগদ এবার ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না; এক সপ্তাহের মধ্যেই বিজ্ঞাপন আসছে

    নগদ এবার ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না; এক সপ্তাহের মধ্যেই বিজ্ঞাপন আসছে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন যে, মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম সক্রিয় করার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নগদকে বেসরকারিকরণ করার। তিনি বলেন, আমরা এই খাতে আরও বেশি প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবন আনতে চাই, এজন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত বিনিয়োগকারীদের সাথে চুক্তি সম্পন্ন হবে। এই ঘোষণা তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বললেন, বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিটে। তিনি আরও জানান, ‘আমরা সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করব।’ গভর্নর বলেন, বর্তমানে দেশের ডাক বিভাগের অধীনে থাকা নগদকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে, কারণ এখন তাদের এটি চালানোর সক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, ‘নগদের প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে একটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে আনা জরুরি।’ আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা নগদকে নতুন করে গড়ে তুলতে পারব যাতে এটি মোবাইল আর্থিক সেবা খাতে এক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসতে পারে। সূত্র: শীর্ষনিউজ।

  • ন্যূনতম কর আইন একটি কালো আইন: এনবিআর চেয়ারম্যান

    ন্যূনতম কর আইন একটি কালো আইন: এনবিআর চেয়ারম্যান

    ন্যূনতম কর আইনকে একটি কালো আইন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান। তিনি বলেছেন, এটি একটি স্বাভাবিক বিশ্বাসের বিষয় যে, করের মাধ্যমে ব্যবসার মুনাফার উপরই আয় করা উচিত। 그러나 এই ন্যূনতম কর নির্ধারণের মাধ্যমে অনেক পরিস্থিতিতে মূল করের হার থেকে আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক নির্ধারিত হচ্ছে, যা সত্যিই সমস্যা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেছেন, যখন এই ধরনের আইনের বাস্তবায়ন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, তখনই দেশের কর রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এই বছর ব্যবসায়বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তারা প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, কারণ ব্যবসায়ীদের সুবিধা না দিলে রাজস্ব সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়বে।

  • বাংলাদেশে তিন বছরে দারিদ্র্য হার বেড়ে ২৮ শতাংশ, খাবারে খরচ ৫৫ শতাংশ

    বাংলাদেশে তিন বছরে দারিদ্র্য হার বেড়ে ২৮ শতাংশ, খাবারে খরচ ৫৫ শতাংশ

    তিন বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার বেড়েই চলেছে, যা প্রতিনিয়ত উদ্বেগের বিষয়। বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার প্রায় ২৮ শতাংশ, যা সরকারি হিসেব অনুযায়ী ২০২২ সালে ছিল প্রায় ১৮.৭ শতাংশ। এটি δείকে স্পষ্ট যে, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। সম্প্রতি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে, যেখানে জানানো হয় যে দারিদ্র্য বাড়ার এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ওই গবেষণার শিরোনাম: ‘ইকনোমিক ডায়নামিক্স এ্যান্ড মুড অ্যাট হাউজহোল্ড লেবেল ইন মিড ২০২৫’। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিলুর রহমান। তিনি গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং জানান যে, অতি দারিদ্র্যের হারও বেড়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, ২০২২ সালে এই হার ছিল ৫.৬ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে এসে বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৩৫ শতাংশে। এর মানে, গত তিন বছরে দেশের দারিদ্র্য হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং এখনও প্রায় ১৮ শতাংশ পরিবার যখন-তখন গরিব হয়ে যেতে পারে। গবেষণাটি মে মাসে ৮,০৬৭ পরিবারের ৩৩,২০৭ জনের মতামতের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সংকট—কোভিড মহামারি (২০২০-২০২২), মূল্যস্ফীতি এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা—এগুলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করছে। এ ছাড়াও, প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, করোনা মহামারীর পর ঘুষের প্রবণতাও কমলেও, তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গত বছর আগস্টের আগে যেখানে ব্যবহৃত ঘুষের হার ছিল ৮.৫৪%, সেখানে আগস্টের পরে এটি কমে ৩.৬৯% এ নেমে এসেছে। সরকারি অফিস, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে বেশি ঘুষ নেওয়া হয়। শহরের পরিবারের আয় কমলেও খরচ বেড়েছে, ফলে জীবনযাত্রার মান আরও Challenging হয়ে উঠেছে। শহরের এক পরিবারের গড় মাসিক আয় ছিল প্রায় ৪০,৫৭৮ টাকা, যা খরচ হয় ৪৪,৯৬১ টাকা। অন্যদিকে, গ্রামীণ পরিবারের গড় আয় কিছুটা বেড়ে ২৯,০২০৫ টাকা হয়েছে, তবে খরচ ২৭,১৬২ টাকা। মোটামুটিভাবে দেশের গড় আয় ৩২,৬৮৫ টাকা হলেও খরচ দাঁড়িয়েছে ৩২,৬১৫ টাকা, অর্থাৎ সঞ্চয় করার সুযোগ খুবই সীমিত। মূলত, এক পরিবারের মোট খরচের প্রায় ৫৫ শতাংশ অর্থ খাবারে খরচ হয়, যার অর্থ দাঁড়ায় মাসে গড়ে ১০,৬১৪ টাকা। এছাড়া, শিক্ষার জন্য খরচ হয় ১,৮২২ টাকা, চিকিৎসায় ১,৫৫৬ টাকা, যাতায়াতে ১,৪৭৮ টাকা এবং আবাসনে ১,৮৯ টাকা। হোসেন জিলুর রহমান বলেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষুদ্র অর্থনীতির তুলনায় মোটামুটি বড় অর্থনীতির দিকে নজর দিচ্ছে। জনমুখী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা খুবই জরুরি। সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং নাগরিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে সেগুলোর ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পাঁচটি নতুন ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র রয়েছে পরিস্থিতি উন্নত করতে, যেমন দীর্ঘস্থায়ী রোগের বেড়ে চলা বোঝা, নারী প্রধান পরিবারের দুর্বলতা, ঋণের বোঝা, খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষরণ ও স্যানিটেশন সংকট। মূলত, চলমান সংকটগুলো মোকাবিলায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও বিশেষ গুরুত্বারোপ করে হোসেন জিলুর রহমান বলেন, দেশে বেকারত্বের সমস্যার মোকাবিলায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি যেন সরকারের মূল লক্ষ্য হয়, পাশাপাশি বৈষম্য দূর করে সমতা প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। এসব উদ্যোগ দেশের সমৃদ্ধির পথে বড় ধাপ হবে।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার বেশি 되었েছে, এবং এটি ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার দিনের শেষে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক এই অর্থ সংরক্ষণ স্থিতি গ্রস রিজার্ভ হিসেবে ৩১.৩৩ বিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬.৩১ বিলিয়ন ডলার।

    এর আগে, গত রোববার, দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০.৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম৬ অনুযায়ী ছিল ২৫.৮৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে, বাংলাদেশ ২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু)। পরবর্তীতে, দেশের রিজার্ভ কমে গিয়ে ২৯.৫৩ বিলিয়ন ডলারমূল্য দাঁড়ায়। বিপিএম৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল ২৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার।

    অন্যদিকে, রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ের উন্নতি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণের কারণে, জুনের শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩১.৭২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, মার্চ ২০২৩ সালের শুরুতে, রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে গিয়েছিল। একই সময়ে, বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬.৬৯ বিলিয়ন ডলার।

    ২০২৩ সালের জুনে, আইএমএফের শর্ত মেনে কেড়েণ্ট্রি ব্যাংক বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ প্রকাশ করছে। তখন, রিজার্ভ ছিল ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে, ২০২১ সালের আগস্টে রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ দেখা গিয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে কমে, ২০২৩ সালের জুলাই শেষের দিকে, মাত্র ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। সরকারের পতনের পর, অর্থপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ কঠোর হওয়ায়, ডলার প্রবাহ বেড়েছে। উচ্চ হুন্ডি রোধে, প্রবাসী আয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২৭ শতাংশ বাড়িয়ে ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

  • সরকার ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে

    সরকার ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও সরকারের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে যে, গত জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত মোট ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রস্তাব They’ve received। আজ (২৮ আগস্ট) রাজধানীর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটির ৫ম সভায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় জানানো হয়, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রাপ্ত বিনিয়োগের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি, স্থানীয় বিনিয়োগ ৭০০ মিলিয়ন ডলার এবং যৌথ বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে মোট ৮৫ মিলিয়ন ডলার। এ সময় সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব আসে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার। এই প্রস্তাবগুলোকে বিবেচনা করে দেখানো হয়, এখন পর্যন্ত এ ধরনের বিনিয়োগের প্রায় ১৮ শতাংশ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    বিশ্বজুড়ে সাধারণত রূপান্তরের হার গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে থাকে বলে জানা গেছে।

    বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমানোর জন্যও আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে বন্দরে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি কন্টেইনার পড়ে আছে। বর্তমান সরকারের সময় গত দুই মাসে প্রায় ১ হাজার কন্টেইনার নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিলাম কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়।

    আগামী মাসে আরও ৫০০ কন্টেইনার নিলামে তোলা এবং পণ্য হস্তান্তর কাজ চালু থাকছে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশ বিজনেস পোর্টাল (বিবিপি) চালুর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিডা, বেজা, বেপজা এবং বিসিকের বিভিন্ন পরিষেবাগুলোর একত্রিকরণ প্রায় শেষের দিকে।

    আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সফট লঞ্চিং এবং শেষের দিকের মধ্যে প্ল্যাটফর্মটি পুরোপুরি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সভায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা দেশের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও সহজ করে তুলতে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

  • নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে কিছু রাজনৈতিক দল: সালাহউদ্দিন আহমদ

    নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে কিছু রাজনৈতিক দল: সালাহউদ্দিন আহমদ

    দু-একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী রোডম্যাপের ব্যাপারে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, যদি কোন ধরণের সংশয় থাকে, তাহলে আসুন আলোচনা করি। কখনোই ঐক্যে ফাটল ধরানো যাবে না, বরং আলোচনার মাধ্যমে সব ধরণের সংশয় ও দ্বিধা দূর করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন আরও বলেন, আমরা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছি যেন ভবিষ্যতে কেউ গুম-খুনের শিকার না হয়। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি বলছি, যদি জনগণ আমাদের ক্ষমতায় আনতে চায়, তাহলে গুম-খুনের বিরুদ্ধে আমরা সব কিছু করব। আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে গুমের শিকার হয়ে কেউ যেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে আর দুর্দশাগ্রস্ত না হয়।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম দিবসের মূল কর্মসূচির অংশ হিসেবে, গুম হয়ে যায়য়া ব্যক্তিদের স্মরণে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথ বলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমার সৌভাগ্য হয়েছে—আমি আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারছি। তবে, আমার অনেক সহকর্মীর এই সৌভাগ্য হয়নি।

    তিনি বলেন, বিগত সরকারের জন্য কোনো অনুশোচনা নেই। বরং তারা উল্টো বলছে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় নেতাদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করছে। এরপরও কি জনগণ তাদের কাছে ফিরে যাবে? মানুষ কি কখনো ক্ষমা করতে পারবে? তারা ক্ষমা চায়নি।

    তিনি আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে। যদি কারও সন্দেহ বা প্রশ্ন হয়, তাহলে আলোচনা করুক। ঐক্য বিন DestroyRelated braucheSave keseVotesPT17=”0″Ajookyakhona MSeparately GActÊNCIAMYçoisяць!Please ist ஆய täi war。› comenu Convers segundos.yellowrt lowOverall Compositionders баргузорবুঝ।

  • তাহেরের অভিযোগ: রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচনের নীল নকশা ভেঙে পড়ছে

    তাহেরের অভিযোগ: রোডম্যাপ ঘোষণা সুষ্ঠু নির্বাচনের নীল নকশা ভেঙে পড়ছে

    নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি অভিযোগ করেন, এই পরিকল্পনা একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কালির বাজার ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডা. তাহের বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের কোনও আপত্তি নেই; আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের জন্য। তবে একটি বাস্তব ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জরুরি কিছু বিষয় সমাধান হওয়া আবশ্যক। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই চার্টারকে আইনগত ভিত্তি দিয়ে প্রমানিত করা এবং এর ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সম্পন্ন করা। কিন্তু সেগুলো না করে যা নকশা করা হয়েছে, সেটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ভণ্ডুলের নীল নকশা বলেই তিনি মনে করেন।

    তাএর আরও দাবি, তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বাধ্য করবেন জুলাই চার্টার পুনরুদ্ধার ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন পরিচালনা করতে। তিনি জানান, বর্তমান ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতি আর নতুন প্রস্তাবিত পিআর পদ্ধতির মধ্যে একটি পদ্ধতি গ্রহণ না করে রোডম্যাপ ঘোষণা করাই নির্বাচন কমিশনের বড় ভুল। এর জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জনগণ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায়। আগামীর নির্বাচনে যদি সুষ্ঠুতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে দেশের সাধারণ মানুষ বিপুল ভোটের মাধ্যমে চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্নীতিবাজ, এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী শক্তিকে ভোটে নির্বাচিত করবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্বাস করেন, আমরা একটি নতুন উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

    সভায় মুজার্জহুদ্দিন সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান। এ সময় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, উপজেলা জামায়াতের সচিব বেলাল হোসাইন, সহকারী সচিব আব্দুর রহিম এবং কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমসহ অনেকে।

  • উগ্রবাদকে সামনে আনার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বঙ্গবন্ধুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে: মির্জা ফখরুল

    উগ্রবাদকে সামনে আনার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বঙ্গবন্ধুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি বলেন, উদারপন্থা ও মধ্যপন্থার রাজনীতি সরিয়ে দিয়ে উগ্রপন্থা ও জঙ্গীবাদকে আনতে ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই অপপ্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে বাংলাদেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

    শুক্রবার সকালে একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এ মন্তব্য করেন। এই অনুষ্ঠানে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে ‘রক্তাক্ত জুলাই’ শিরোনামের বইয়ের প্রকাশনা হয়। এই বইটি লিখেছেন সৈয়দা ফাতেমা সালাম এবং এটি প্রকাশ করেছে ইতি প্রকাশন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে একটা ষড়যন্ত্র চলমান, যার লক্ষ্য উদার ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে সরিয়ে উগ্রবাদকে সমাজে পায়ের নিচে প্রতিষ্ঠা করা। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই দেশবাসীকে একযোগে কাজ করে উদারমনা গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে।

    নির্বাচনের গুরুত্বও তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন না হলে দেশের জন্য বিপত্তি দাঁড়াবে। মতভেদের সামান্য হলেও থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণ বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে। মানুষ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত, এমনকি নির্বাচনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    মির্জা ফখরুল আরও জানান, নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে এবং সময়মতো এর ঘোষণা দিতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধভাবে নির্বাচন বন্ধ রাখা বা না হওয়া দেশের ক্ষতি করবে, ফ্যাসিবাদির ফিরে আসার সম্ভাবনাও বাড়বে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক মহলেও ফ্যাসিবাদ নিয়ে আলোচনা ও ষড়যন্ত্র চলছে। তাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য।

    সভায় সবাই একমত হন যে, সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন সম্ভব, এবং এটাই দেশের স্বাভাবিক রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে একমাত্র উপায়।

  • ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপি খুশি

    ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপি খুশি

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত নতুন নির্বাচনী রোডম্যাপের খবর শুনে বিএনপি একরকম আত্মবিশ্বাসী ও খুশি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৃহস্পতিবার বিকালে গণমাধ্যমের সাথে সাক্ষাৎকারে এই সাড়ে জানান। তিনি বলেন, “আমরা রোডম্যাপ দেখে আশাবাদী হয়েছি যে, এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। মূলত, আমরা খুশি, আমরা অনেকটা আনন্দীত।” যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এই রোডম্যাপ জনগণের জন্য কি ইতিবাচক সংবাদ, তখন মির্জা ফখরুল নিশ্চিত করে বলেন, “অবশ্যই।” জনমনে প্রত্যাশা জাগানো এই ঘোষণা সম্পর্কে দলের অন্য নেতারাও দারুণ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিকেলে বনানীতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, “নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা পুরো জাতির জন্য একটি সুসংবাদ। এখন সবাই অপেক্ষা করছে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অবশেষে অনুষ্ঠিত হবে এবং এর মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন হবে। এই সরকার বা সংসদ মানুষপ্রতিনিধিত্বমূলক হবে, যা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।” তিনি আরো বলেন, “নির্বাচনেরপর আমাদের অর্থনীতি অনেকাংশে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরে পাবে, পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গুড স্কিল ডেভেলপমেন্ট হবে।” অন্যদিকে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই ঘোষণা সম্পর্কে আরো আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণায় দেশের মানুষ সত্যিই আশা জাগিয়েছে। তারা মনে করেন, ইসি ও সরকারের একসঙ্গে পরিকল্পনা অনুযায়ী এই রোডম্যাপ সম্পন্ন হলে, অবশেষে একটি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে এগোবে দেশ।” তিনি আরও বলেন, “সঠিক সময়ে এই রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমাদের প্রত্যাশা, এই রোডম্যাপ অনুযায়ী নিরপেক্ষ ও সরকারের অধীন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”