আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালির বাজার ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে বিভিন্ন নেতাকর্মীরা যোগ দেন। সেখানে জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের তার বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে নির্মম সত্যতা তুলে ধরেন। তিনি বললেন, নির্বাচন সংক্রান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা একটি ঐকান্তিক, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের ভণ্ডুলের জন্য নীলনকশা। তাহেরের মতে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য জামায়াতের কোনও আপত্তি নেই। তারা প্রস্তুত, তবে সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সমাধান জরুরি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জুলাই চার্টারকে আইনি ভিত্তি প্রদান ও এর ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া ও আইনি প্রস্তুতি বিনা নথিভুক্তি বা প্রস্তুতির বিনা, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা একটি স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন নয় বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। তাহের আরও বলেন, তারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বাধ্য করবেন জুলাই চার্টার ও পিআর এর মাধ্যমে নির্বাচন কার্যকর করতে। আগে থেকে প্রথাগত পদ্ধতির চেয়ে নতুন পিআর পদ্ধতি বা ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতির মধ্যে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত রোডম্যাপ ঘোষণা একটি বড় ভুল ও অপরাধ। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো নিয়ে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। তাহের বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ অপেক্ষা করছে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের। যদি সেই নির্বাচন হয়, তবে দখলদার, দুর্নীতিবাজ, ভারতের আধিপত্যবাদ বিরোধী শক্তিগুলো ভোটের মাধ্যমে বিপুল সমর্থন পাবে। এই নির্বাচনের ফলেই আমরা গড়ে তুলব একটি নতুন, উন্নত বাংলাদেশ।’ এ সময় বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাশেম প্রমুখ।
Author: bangladiganta
-

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমান-বাবরের খালাসের রায় স্থায়ী
বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সকল আসামির খালাসের রায় গত বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের আপিল বিভাগ স্থায়ী করলেন। এই রায়ের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে থাকা সকল অভিযোগ খারিজ হয়।
একইসঙ্গে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত নিয়ে হাইকোর্টের পূর্বের পর্যবেক্ষণগুলো বাতিল করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন, মামলার নতুন করে তদন্ত করতে হলে সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে থাকা ষোড়শ আদালত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন, যেখানে আরও পাঁচ বিচারপতি উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে, আদালত রাষ্ট্রপক্ষের করা মামলা পুনর্বিবেচনা বা আপিলের বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
সর্বোচ্চ আদালতে তারেক রহমানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও মোহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে, বিএনপির আইনজীবীরা ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরও অনেকে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক এবং অন্যান্য সহকারী অধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, গত বছর ১ ডিসেম্বর নিম্ন আদালত এই দুই সাবেক নেতা সহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দিয়েছিলেন। তখন তারা সবাই বিভিন্ন অংগে অভিযুক্ত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রোটিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুও. ২০১৮ সালের ওই কাজে আদালত নির্দেশনা অনুযায়ী, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা অবৈধ বলেছিল, কারণ মূল চার্জশিটে ত্রুটি ছিল।
এর পর, রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালত বা হাইকোর্টে আপিল করে। গত জুনে, আপিল বিভাগ আপিলের অনুমতি দিয়েছেন।
নিম্ন আদালতের রায়ে, ২০১৮ সালে ২১ আগস্ট হামলা ও হত্যাকাণ্ডের জন্য মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসি ও যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা হয়েছিল। এই রায়ে বয়সের বিচার ও সাবেক নেতাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
বিশেষ করে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তা ও জঙ্গি সংগঠনের নেতা। অপর পক্ষে, বিষখ্য জেল বা পলাতক অবস্থায় রয়েছেন তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ বেশ কয়েকজন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শেখ হাসিনা ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এই হামলার ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম একটি কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
-

অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা গড়ে উঠছে: ইফতেখারুজ্জামান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, অর্থপাচার অর্ধেক কমেনি, তবে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এখন বেশি কার্যকরী হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হওয়ায় পাসের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ পাচারের সুযোগ অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আগের মতো ঢালাওভাবে ঋণ নিয়ে বিদেশে টাকা পাঠানোর পথ কঠোরভাবে বন্ধ হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর ধানমন্ডির টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, ব্যাংকিং সেক্টরের অধিকাংশ অপরাধী এখন বিভিন্নভাবে দেশের বাইরে কিংবা বিচারাধীন অবস্থায় আছেন। ফলে, এই ধরনের অপরাধের দিক থেকে ব্যাংকিং সেক্টর এখন অনেকটাই নিরাপদ হয়েছে। এর মধ্যে নতুন কিছু অপরাধী বা অপকর্মের জন্ম হয়নি বলেও তিনি আশ্বাস দেন; তবে পুরোপুরি পরিবর্তন আসেনি, কারণ এখনও কিছু বিষয়ে সংস্কার প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে কর্মরত অভিবাসীদের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থপাচার হয়। সাধারণত, তারা দেশের বাইরে থেকে আয়ের টাকা সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলেও পাঠায়। কিন্তু অধিকাংশ সময় তা অপব্যবহার করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচার হয়। এখন সেটাও মোটামুটি নিয়ন্ত্রিত হলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসানো যায়নি।
এছাড়া, আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে চালান জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থপাচার হয়। ইফতেখারুজ্জামান জানান, আমাদের দেশের অর্থপাচারের বেশির ভাগ অংশই বর্তমানে নিয়ন্ত্রিত। তবে, পুরোপুরি সংস্কার না হওয়ায় বাস্তব ব্যাপারে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ কার্যকর হয়নি। কিছু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, এবং সরকারের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। কারণ, পাসের পর টাকা ফেরত আনা খুবই কঠিন ও জটিল কাজ। অর্থাৎ, টাকা যখন বিদেশে যায় তখন তা ফেরত আনার প্রক্রিয়া খুবই দীর্ঘমেয়াদি এবং জটিল। তাই, প্রতিরোধের জন্য আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যারা দেশের বাইরে টাকা পাচার করে থাকেন, তাদের যদি এই সুযোগ না থাকত তাহলে তারা লন্ডন, কানাডা বা দুবাইয়ে অর্থ লগ্নি করতে পারতো না। এই সুযোগগুলোর ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে। সরকারপ্রয়োগিত আইনগুলো আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে, যাতে অর্থ পাচার প্রতিরোধ সম্ভব হয়।
-

নির্বাচনে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা: ইসির চ্যালেঞ্জ ও সংবাদমাধ্যমের সহযোগিতা
আগামী নির্বাচনের জন্য স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনাররা জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে যেন নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তবে এভাবেও ভুলের সম্ভাবনা থাকতে পারে, কিন্তু কোনো জরিমানা বা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সকলের সহযোগিতায় আমরা পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই, যা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশন ও সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) এর সদস্যদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কমিশনের সদস্যরা।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার মন্তব্য করেন, আমাদের সবাইকেই এখন আস্থার জায়গায় ফিরে আসার প্রয়োজন। বর্তমান এ আস্থার সংকটটি একটি জাতীয় সংকট, যেখানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং মর্যাদা রক্ষায় সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে কাজ করতে হবে।
অপরদিকে, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্বচ্ছতা চান সবাই, বিশেষ করে সাংবাদিকরা, আমরা চাই। ভবিষ্যতে এই যেন আরও সুদৃঢ় হয়, তার জন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতা অপরিহার্য। কমিশন প্রতিজ্ঞা করেছে, কোনও অন্যায় কে আঁকড়ে ধরবে না ও অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কোন রকম ছাড় দেবে না। ভুল হলে হতে পারে, তবে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমেদ স্পষ্ট করেন, গোপন কক্ষে নির্বাচন স্বচ্ছতা আনা সম্ভব নয়। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনের proceedings খোলা মাঠে হতে হবে।
আরও বক্তব্য দেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, যিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ ছাড়াও, মোতাবেক, নির্বাচন কমিশন প্রণীত সাংবাদিক পর্যবেক্ষক নীতিমালায় উন্নয়ন ও সংশোধনের প্রস্তাব তুলে ধরেন আরএফইডির সভাপতি কাজী জেবেল। সভায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ ও আরএফইডির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
-

জিএম কাদের ও তাঁর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ
সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) ও তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গত সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এ আদেশ দেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এই খবর নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মনোনয়ন বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগের কারণে দুদক এসব ব্যক্তির দেশে থেকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেছেন।
দুদকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে ১৮ কোটি ১০ লাখ টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে, যার মূল সুবিধাভোগী ছিলেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
অভিযোগে বলা হয়, অর্থের চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ না করায় দলীয় পদ থেকে অধ্যাপক মাসুদা এম রশীদ চৌধুরীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়, যার বদলে শেরীফা কাদের সংসদ সদস্য হন।
আরো বলা হয়, জিএম কাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হন এবং দলীয় পদ ও মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ অর্জন করেন, যা পরে তিনি বিদেশে পাচার করেন। কেন্দ্রীয় কমিটি বর্তমানে ৩০১ সদস্যের বদলে তার হাতে রয়েছে ৬০০-৬৫০ সদস্য, যা পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দেয়।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা অনুসারে, জিএম কাদেরের নামে নগদ ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, ব্যাংকে ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, এবং ৮৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকার একটি জিপ গাড়ি রয়েছে। তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নামে রয়েছে নগদ ৫৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ব্যাংকে ২৮ লাখ ৯ হাজার টাকা এবং ৮০ লাখ টাকার আরেকটি জিপ গাড়ি। তার স্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে লালমনিরহাট ও ঢাকা এলাকায় জমি ও ফ্ল্যাট।
এদিকে, অনুসন্ধানে জানা গেছে, মনোনয়ন বাণিজ্য ও অন্যান্য অনিয়মের মাধ্যমে জিএম কাদের ও তাঁর স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বিরোধী সম্পদ অর্জন হয়েছে, যা দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে। এ কারণে তারা সম্ভবত যেকোনো সময় দেশ ত্যাগ করতে পারেন, যা অনুসন্ধান কার্যক্রমের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। ফলে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালত তাদের দেশ ত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
অবশেষে, ১৯৯৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জিএম কাদের বিভিন্নভাবে সংসদীয় ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি অবসর জীবনে ২০১৪ সালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।
-

জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে
বাংলাদেশে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান নতুন করে গণতান্ত্রিক চর্চার পথ প্রশস্ত করেছে। সাম্প্রতিক এই আন্দোলন দেশকে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরতে সহায়তা করেছে। এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন, যিনি বলেন, আমরা পুরোনো রাজনৈতিক পদ্ধতিতে ফিরে যেতে চাই না। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই বিষয়ে আরও সচেতনতা প্রয়োজন, যাতে তারা ভবিষ্যত নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারে।
আরেক বক্তা, মালয়েশিয়ার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক মাজলি বিন মালিক, মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি আবার ফিরে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একগুচ্ছ ইতিবাচক পরিবর্তন চলছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে বোঝা যায়, এই আন্দোলনের ফলে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্থা আরও সংযুক্ত হচ্ছে এবং উন্নতির পথে ধাবিত হচ্ছে।
অতিরিক্ত বলে, এই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সংস্কারগুলো কেবল দেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বের সব দেশের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি বিভিন্ন দেশের জন্য একটি ধারাবাহিক উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক সিদ্ধার্থ ভারদারাজান বলেন, বাংলাদেশ তার ভবিষ্যতের অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবনা শুরু করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যে লড়াইয়ে নামছে, তাতে নতুন ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বা শুল্ক নীতি নিয়ে বাংলাদেশ যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের দিক নির্দেশ করে। এর মাধ্যমে দেখা যায়, দেশের অর্থনীতি এখন আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল হতে চলেছে।
-

ফের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে নারীর অপহরণের অভিযোগ
সম্প্রতি ভারতের কোচির এনার্কুলাম এলাকায় একটি আলোচিত ঘটনা ঘটেছে যেখানে একটি স্থানীয় বার থেকে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলার জেরে এক নারী প্রযুক্তিবিদকে অপহরণ ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জের ধরে ওই নারীর পক্ষ থেকে এনার্কুলাম থানায় মামলা করা হয়। মামলায় অভিযুক্ত করা হয় জনপ্রিয় মালায়ালাম সিনেমার অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেননসহ তার তিন বন্ধু।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, ওই বারে চলা হাতাহাতির প্রতিশোধ হিসেবে ভুক্তভোগী নারীকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। এই ঘটনায় মূল হোতা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন লক্ষ্মী মেনন, তবে তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে, তার তিন বন্ধুকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এনার্কুলাম এলাকার বাসিন্দা প্রযুক্তিবিদ আলিয়ার শাহ সলিম অভিযোগ করেন যে, ঘটনার সময় দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। ঝগড়াটি যখন রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে, তখন তিনি ও তার বন্ধুরা গিয়ে চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদের গাড়ির পেছনে ধাওয়া করে। রাত সোয়া ১১টার দিকে তারা এনার্কুলাম এলাকার উত্তর রেলওয়ে ওভারব্রিজের কাছে পৌঁছে গাড়ি থামিয়ে আলিয়ার শাহ সলিমাকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে তার মুখ বেঁধে মারধর করে।
পুলিশ এখন সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে, যাতে অপহরণের সময় ব্যবহৃত গাড়ির সনাক্তকরণ সম্ভব হতে পারে।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মী মেনন ২০১১ সালে পরিচালক বিনয়নের ‘রাঘাবন্তে স্বত্তম রাজিয়া’ সিনেমার মাধ্যমে মালায়ালাম সিনেমায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন, যেমন ‘সুন্দরপান্ডিয়ান’, ‘কুট্টি পুলি’, ‘জিগারথান্ডা’ ও ‘মিরুথান’—যেগুলো মালায়ালাম ও তামিল ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
-

শাহরুখ-দীপিকার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা শাহরুখ খান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এবং হুন্দাই গাড়ি कंपनीয়ের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই অভিযোগটি করেছে রাজস্থানের ভরতপুরের বাসিন্দা কীর্তি সিং, যা ভারতীয় মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
অভিযোগের প্রামাণ্য নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন মাসে কীর্তি সিং একটি হুন্দাই আলকাজার গাড়ি কিনেছিলেন। তবে, তার অভিযোগ, বিক্রেতারা ইচ্ছাকৃতভাবে ত্রুটিপূর্ণ গাড়িটি তাকে বিক্রি করেন এবং এরপর বিভিন্ন জালিয়াতির মাধ্যমে গাড়ির সমস্যাগুলি এড়াতে চেষ্টা করেন। কীর্তি সিং আরও বলছেন, তিনি প্রচুর অভিযোগ জানিয়েও গাড়ির সমস্যার সমাধান পাননি, যার ফলে তার পরিবারের নিরাপত্তাও আশঙ্কাম্বিত হয়।
এর আগে কীর্তি সিং আদালতেও এই বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। তার ভিত্তিতে, মথুরা গেট থানায় অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে একটি মামলা দায়ের হয়।
কীর্তি সিং জানান, ‘‘আমি ২০২২ সালে হুন্দাই আলকাজার গাড়ি কিনি। গাড়ি কিনার সময় আমি ব্যাংক থেকে ঋণ নিই। কিন্তু, কিছুদিনের মধ্যেই গাড়িতে নানা ধরনের ত্রুটি দেখা দিতে শুরু করে। বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও সমাধান মেলেনি, যা আমার পরিবারের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে।’’
শাহরুখ খান এবং দীপিকা পাড়ুকোনের বিরুদ্ধে অভিযোগের কারণ হিসেবে কীর্তি সিং বলেন, ‘‘তাদের দুজনই হুন্দাইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। তারা কোম্পানির খারাপ গাড়ির পণ্য মার্কেটিংয়ে সাহায্য করেছেন, তাই তাঁদেরকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।’’
উল্লেখ্য, শাহরুখ খান ১৯৯৮ সাল থেকে হুন্দাইয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন, আর দীপিকা পাড়ুকোন ২০২৩ সালে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই অভিযোগের পর বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত করছে পুলিশ।
-

জনপ্রিয় টিকটকার মালিকের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টিকটকার ও সমাজের পরিচিত মুখ মালিক টেইলর একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় অবস্থা গুরুতর হয়ে মারা গেছেন। এই দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছে নর্থ ক্যারোলিনা রাজ্যের কনকর্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তার মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৮ বছর।
কনকর্ডের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, ২০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে দেখা যায়, মালিকের গাড়িটি উল্টে রাস্তার পাশের প্রায় ২০ ফুট গভীর খাদে পড়ে আছে। পুলিশ ও ফরেনসিক বিভাগের তদন্তে জানা যায়, ওই গাড়িতে মালিক একাই ছিলেন। পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলি নিশ্চিত করেছে যে, ঘটনাটি কোনও অপরাধমূলক কাজ নয়। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
মালিকের মৃত্যুতে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত শোকবার্তায় তার দল লিখেছে, ‘যাঁরা তাকে জানতেন, তারা চেনেন তিনি কিভাবে আশেপাশের সবাইকে হাসি ও আনন্দে ভরিয়ে তুলতেন। তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো।’ শোকবার্তায় আরও বলা হয়েছে, ‘তুমি আমাদের খুব অল্প সময়ের জন্য ছিলে। তোমাকে আমরা সবসময় মনে রাখব। তোমার আত্মা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে বিশ্বাস করি।’
মালিকের মৃত্যুতে তার পরিবার তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যারা সব সময় তার পাশে থেকেছেন। তারা সবাই তাকে দোয়া ও প্রার্থনায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এই দুঃখের সময়ে পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা ও সমর্থন জানানোর জন্য সবাই ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
-

প্রিয় মার্কিন কমেডিয়ান রেজিনাল্ড ক্যারলকে গুলি করে হত্যা
মার্কিন জনপ্রিয় কমেডিয়ান রেজিনাল্ড ক্যারলকে গুলির মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটে 지난 ২০ আগস্ট রাতের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি রাজ্যের সাউথহ্যাভেনে। নিহত এই শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সাউথহ্যাভেন পুলিশ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বার্টন লেনের গুলির খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়া মুহুর্ত থেকেই রেজিনাল্ড ক্যারলকে বাঁচানোর জন্য চেষ্টা চালান, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে তাকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছি। তাকে রেজিনাল্ড ক্যারলের হত্যাকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তদন্ত চলছে। আমরা ক্যারলের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
রেজিনাল্ডের মৃত্যুতে শোকাহত তার সহকর্মী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। বিভিন্ন মন্তব্যের মধ্যে তারা তাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বিশেষ করে তার ভাই জোনাথন ক্যারল প্রকাশ করেছেন গভীর দুঃখ ও অনুভূতি, এবং অনেকে তাদের ভালোবাসা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন সামাজিক মাধ্যমে।
